Sharia Digital Marketing

Sharia Digital Marketing Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Sharia Digital Marketing, Advertising/Marketing, Dubai.

17/06/2025

https://www.youtube.com/watch?v=5KJ3Fix_VR0&t=49s

আল্লাহ তাআলা অত্যন্ত ক্ষমাশীল ও দয়ালু। তার বান্দারা যখন ইস্তিগফার পড়ে তখন আল্লাহ তাআলা তার বান্দাদের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেন।
নবী করিম (সা.) বলেন, তোমরা তোমাদের রবের কাছে তাওবা করো এবং তার কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করো।

নবী করীম (সা.) বলেন, হে লোকেরা, তোমরা তোমাদের রবের কাছে তওবা করো এবং তার কাছে ক্ষমা চাও। আমি প্রতিদিন ১০০ বার তওবা করি ও ক্ষমা চাই। (নাসাঈ)।

আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, কেউ সবসময় এস্তেগফার আঁকড়ে ধরলে আল্লাহ তার প্রতিটি সংকটে পথ খুলে দেন, তাকে সব দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত করেন এবং তাকে এমনভাবে জীবিকা দান করেন, সে ধারণাও করতে পারে না। (আবু দাউদ)

অপর একটি হাদীসে এসেছে,

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, কোনো বান্দা গোনাহ করে বলল, হে রব, আমি পাপ করে ফেলেছি, আমাকে ক্ষমা করো। তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা জেনেছে, তার একজন রব আছে, যিনি পাপ ক্ষমা করেন এবং পাকড়াও করেন। আমি আমার বান্দাকে ক্ষমা করে দিলাম। (বোখারি ও মুসলিম)।

হাদিসে আরও এসেছে, কেউ শুক্রবার ফজরের আগে যদি তিনবার বলে ‘আস্তাগফিরুল্লাহাল্লাজি লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হায়্যুল কায়্যুম ওয়া আতুবু ইলাইহি’ তবে তার গোনাহ সমুদ্রের ফেনা সমান হলেও তা ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

আবু জর (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহ হাদিসে কুদসিতে বলেন, হে আমার বান্দা, তোমরা দিনে- রাতে ভুল করে থাক, আর আমি সব পাপ ক্ষমা করি। তাই তোমরা আমার কাছে ক্ষমা চাও, আমি তোমাদের ক্ষমা করব। (মুসলিম)।

17/06/2025

https://www.youtube.com/watch?v=jQQnjc1-wTk

পবিত্র কোরআনে শ্রেষ্ঠ আয়াতগুলোর অন্যতম আয়াতুল কুরসি। আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেই আয়াতুল কুরসিকে কোরআনের শ্রেষ্ঠ আয়াত হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

উবাই বিন কাব রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, তোমার দৃষ্টিতে কোরআন মাজিদের কোন আয়াতটি সর্ব শ্রেষ্ঠ? তিনি বলেছিলেন, আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুআল হাইয়্যুল কাইয়্যুম তথা আয়াতুল কুরসি। তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাত দিয়ে তার বুকে মৃদু আঘাত করে বলেন, আবুল মুনজির! এই জ্ঞানের কারণে তোমাকে মোবারকবাদ। (মুসলিম, হাদিস, ১৩৯৬)

আয়াতুল কুরসির এমন ফজিলতের কারণ হলো, এই আয়াতে আল্লাহর একত্ববাদ বিষয়ে বর্ণনা ও তার গুণবাচক ১০টি বাক্য রয়েছে। আর শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকার জন্যও এই আয়াত অত্যন্ত কার্যকর।

আরেক হাদিসে আয়াতুল কুরসির ফজিলত সম্পর্কে হজরত আবু উমামাহ রাদিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পড়বে, তার জন্য জান্নাতে প্রবেশের পথে মৃত্যু ব্যতীত আর কোনো বাঁধা থাকবে না। (নাসাঈ, হাদিস, ৯৪৪৮; তাবারানি, হাদিস, ৭৮৩২)

17/06/2025

https://www.youtube.com/watch?v=4py5JDC--fA

সুরা কাফিরুনের শানে নুযুলঃ

হযরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলােইহি ওয়াসাল্লামকে ইসলাম প্রচার হইতে বিরত করার জন্য মক্কার কাফেরগণ সাধ্যমত চেষ্টা করে, কিন্তু কোনই ফল না হওয়ায় তারা হযরত আব্বাস (রা:) এর মারফত হযরত নবী সাল্লাল্লাহু আলােইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আপােষ মীমাংসার ফর্মূলা হিসাবে এই প্রস্তাব পাঠাল যে, হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলােইহি ওয়াসাল্লাম যদি তাদের দেব-দেবীকে মান্য করেন, তবে তাহারা তারা আল্লাহকে মান্য করবে এবং তিনি যদি তাদের দেব-দেবীর মূর্তিসমূহের পূজা করেন, তবে তারাও তাঁর আল্লাহর এবাদত করবে ।

হযরত রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলােইহি ওয়াসাল্লাম অন্ততঃ এক বৎসরের জন্য হলেও এ চুক্তিতে রাজী হউন, এ আগ্রহও তারা প্রকাশ করল। তাদের এ হীন প্রস্তাবের উত্তরে আল্লাহ্ তায়ালা এ সুরা নাজিল করেন। এ সূরা হতে প্রমাণ হল যে, মিথ্যার সহিত সত্যের কখনও আপােষ হতে পারে না। -(তাফসীরে ইবনে কাসীর)

শিরক থেকে বাঁচতে ঘুমানোর আগে সূরাহ কাফেরূন পড়তে হবে।

17/06/2025

https://www.youtube.com/watch?v=e48tF6uIUMg

শানে নুযূল: (১১২) আল-ইখলাস
এটি কুরআনের এক তৃতীয়াংশ।
হাদীসে এসেছে, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তোমরা সবাই একত্রিত হয়ে যাও। আমি তোমাদেরকে কুরআনের এক তৃতীয়াংশ শুনাব। অতঃপর যাদের পক্ষে সম্ভব ছিল, তারা একত্রিত হয়ে গেলে তিনি আগমন করলেন এবং সূরা এখলাস পাঠ করে শুনালেন।

আল্লাহ তাআলা সম্পর্কে অজ্ঞতা ও ভুল ধারণা এ সূরা অবতীর্ণ হবার মূল কারণ। কিছু ইহুদি নেতা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে এসে বলল, তুমি আমাদেরকে তোমার রব সম্পর্কে বলতো-তার কিছু বিবরণ দাও।

আল্লাহ তাআলা তাওরাতে তার পরিচয় তুলে ধরেছেন এবং কতিপয় গুণাবলী বর্ণনা করেছেন। সুতরাং তুমি আমাদের বল, তিনি কিসের তৈরি ? কোন শ্রেণী ভুক্ত তিনি ? তিনি কি স্বর্ণ না রৌপ্য নাকি তাম্র? তিনি কি খাবার ও পানীয় গ্রহণকরেন ?

পৃথিবীর উত্তরাধিকার তিনি কার থেকে পেয়েছেন আর তার উত্তরাধিকারীই বা হবে কে ? এর জবাবে আল্লাহ তাআলা এ সূরা নাযিল করেছেন।

এই সূরার আয়াতগুলোতে আল্লাহ তায়ালার পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে ।

এই সুরা ফজিলত সম্পর্কে অনেকগুলো হাদিস বর্ণিত হয়েছে, তবে এখানে এতটুকু বলাই যথেষ্ট হবে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার দিন শুরু করতেন এই সুরা তেলাওয়াতের মাধ্যমে এবং দিন শুরু করতেন এই সুরা তেলাওয়াতের মাধ্যমে। কারণ তিনি অধিকাংশ সময় ফজরের সুন্নাত ও সালাতুল বিতরে সুরা ইখলাস ও সুরা কাফিরুন তেলাওয়াত করতেন। (তাফসির ফী যিলালিল কোরআন ৬/৪০০৫)

Address

Dubai

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sharia Digital Marketing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share