17/05/2026
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর বাংলাদেশ এক ভয়াবহ অন্ধকার সময় অতিক্রম করে। বিদেশে অবস্থান করার কারণে প্রাণে বেঁচে যান বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা। সেই দুঃসময়ে দীর্ঘ ছয় বছরের নির্বাসন শেষে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। ঝড়-বৃষ্টিমুখর সেই দিনে লাখো লাখো মানুষের উপস্থিতি প্রমাণ করেছিল—বাংলার মানুষ একজন সাহসী, বিশ্বস্ত ও দূরদর্শী নেতৃত্বের অপেক্ষায় ছিল। তাঁর ফিরে আসা ছিল দিশাহারা জাতির নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রেরণা।
পরবর্তী সময়ে তাঁর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন, গণতন্ত্র, প্রযুক্তি ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নসহ পদ্মা সেতু, মেট্রোরেল, বিদ্যুৎ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে নিয়ে যায়। সাধারণ মানুষ স্বপ্ন দেখতে শিখেছিল একটি আত্মমর্যাদাশীল ও উন্নত বাংলাদেশের।
কিন্তু বিগত দুই বছরে শেখ হাসিনাবিহীন বাংলাদেশ আবারও এক কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, কলকারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়া, কর্মসংকট, স্বাস্থ্যসেবার অবনতি, মব সন্ত্রাস ও রাজনৈতিক সহিংসতা মানুষের জীবনে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। দেশ আজ নানা সংকট ও অস্থিরতার মধ্যে নিমজ্জিত। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও আশার আলো খুঁজছে।
এই বাস্তবতায় সাধারণ মানুষের মনে একটি বিশ্বাস আরও দৃঢ় হয়েছে,সংকটের এই সময়ে দেশকে আবারও সঠিক পথে এগিয়ে নিতে প্রয়োজন অভিজ্ঞ, দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্ব। তাই আজ বাংলার পথে-প্রান্তরে উচ্চারিত হচ্ছে একটাই প্রত্যাশা—
“বুঝে গিয়েছে জনগণ
শেখ হাসিনাকেই প্রয়োজন।”
এই স্লোগান শুধু একটি রাজনৈতিক উচ্চারণ নয়; বরং বহু মানুষের আশা, আস্থা ও ভবিষ্যৎ প্রত্যাশার
প্রতিধ্বনি।