Ziaur Rahman

Ziaur Rahman Marketing Department - Mavie Global. Ultron blockchain

22/05/2026

বাবা শাহ আলী (র:আ:)'র ওরস মোবারক -২০২৬

#শাহআলীshahalai

সংক্ষিপ্ত গুরুতত্ত্ব- (২)******** #*****“জয়গুরু” বলার তাৎপর্যঃ ゚  (বিঃদ্রঃ শুধুমাত্র আত্মতত্ত্বে বিশ্বাসীদের জন্য)"গুরু ...
20/05/2026

সংক্ষিপ্ত গুরুতত্ত্ব- (২)
******** #*****
“জয়গুরু” বলার তাৎপর্যঃ

(বিঃদ্রঃ শুধুমাত্র আত্মতত্ত্বে বিশ্বাসীদের জন্য)

"গুরু চার প্রকার। যথা- ১.মানুষগুরু ২.জগৎগুরু, ৩.পরমগুরু ও ৪.কামগুরু। এ চার প্রকার গুরুর মধ্যে কেবল জগৎগুরুর শুভসংবাদ গ্রহণের সময়ই শিষ্যদের ‘জয়গুরু’ বলা প্রয়োজন।।
কোন শিষ্য প্রথমে মানুষগুরুর নিকট শিক্ষাগ্রহণ করে জগৎগুরু ও পরমগুরুর সন্ধানলাভ করে। জগৎগুরু ও পরমগুরুকে চেনা ও জানার পর শিষ্যরা সর্বসময় জগৎগুরু ও পরমগুরুকে নিজের কাছে দেখতে পায়। জগৎগুরু শ্বাস কোন সংবাদ নিয়ে যখন কোন শিষ্যের নিকট উপস্থিত হন এবং কোন শিষ্য যদি তা অনুভব করতে পারে তবে সঙ্গেসঙ্গে শিষ্য তাঁকে ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করে থাকে। এ হতেই মানুষগুরু ও জগৎগুরু উভয় ক্ষেত্রেই ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করার প্রথা উৎপত্তি হয়।।

একজন পাকাগুরুই মানবজীবনের সর্বময় সুখ শান্তির মূল বিধায় গুরুর সুখই শিষ্যের সুখ। গুরুর শান্তিই শিষ্যের শান্তি। এ হতেই শিষ্যরা গুরু, দাদাগুরু, গুরুভাই, গুরুবোন ও গুরুমা সবার সম্বোধনেই ‘জয়গুরু’ বলে থাকে। ‘জয়গুরু’ অর্থ গুরুর জয় হোক। গুরু তো বিজয়ী। বিজয়ী না হলে তিনি তো গুরুই হতে পারতেন না। তবে বিজয়ীকে আবার জয়ী হওয়ার আশীর্বাদ করার কারণ কী? উত্তর হলো- এরূপ প্রশ্নের উত্তর হলো প্রত্যেক নর-নারির নিকটই সর্বদা তিন-তিনজন করে গুরু অবস্থান করেন বিধায় শিষ্য-শিষ্যারা অন্য কাউকে আদৌ ‘জয়গুরু’ বলে কোন সম্বোধন করে না বরং প্রত্যেকে প্রত্যেকের নিজের গুরুত্রয়কেই ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করে থাকে। প্রত্যেকের নিকট তিনজন করে গুরু বিদ্যমান থাকার অর্থ হলো পুরুষের নিকট সর্বদা অবস্থান করে ১.জ্ঞান, ২.শ্বাস ও ৩.শিশ্ন এবং নারির নিকট সর্বদা অবস্থান করেন ১.জ্ঞান, ২.শ্বাস ও ৩.সাঁই। প্রত্যেক মানবের চারজন গুরুর মধ্যে পুরুষের নিকট থাকে না ‘সাঁই’ এবং নারির নিকট থাকে না ‘শিশ্ন’। অর্থাৎ পুরুষের নিকট কখনো ‘সাঁই‘ থাকেন না এবং নারির নিকট কখনই ‘শিশ্ন’ থাকে না বিধায় বলা হয় বিশ্বের প্রতিটি মানুষের নিকট সর্বদা তিনজন গুরু বিদ্যমান থাকে। ‘সাঁই’ যেমন সারাজগতের পরমগুরু তদ্রুপ ‘শিশ্ন’ সারাজগতের কামগুরু বিধায় প্রত্যেক মানুষের চারজন গুরুর কথা বলা হয়।।
কামগুরুর কোন ভজন নেই। এ গুরুকে শাসন করাই ভক্তের কাজ। চারপ্রকার গুরুর মধ্যে কেবল কামগুরুকে শাসন করতে হয়। এ গুরু অটল না হওয়া পর্যন্ত একে ক্রমেক্রমে শাসন করতেই হবে। এ ব্যাপারে মহাত্মা লালন সাঁইজি লিখেছেন-
১. “পরমগুরু প্রেম পিরিতি, কামগুরু হয় নিজপতি, কাম ছাড়া প্রেম পায় কী গতি, তাই ভাবে লালন” (পবিত্র লালন- ২৬৫/৪)।
২. “প্রেম প্রকৃতি স্বরূপসতী, কামগুরু হয় নিজপতি, ও মন অনুরাগী না হলে, ভজন সাধন হয় না (পবিত্র লালন- ৬৪৯/২)।
৩. “প্রেমবাজারে কে যাবি, তোরা আয় গো আয়, প্রেমগুরু কল্পতরু, প্রেমরসে মেতে রয়” (পবিত্র লালন- ৬৫১/১)।
৪. “প্রেমের রাজা মদনমোহন, নির্হেতু প্রেম সাধনে শ্যাম, ধরে রাধার যুগলচরণ, প্রেমের সহচরী গোপিগণ, গোপির দ্বারে বাঁধা রয়” (পবিত্র লালন- ৬৫১/২)।

পরমগুরুকেও ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করার নিয়ম পরম্পরা মতবাদে নেই। কারণ এ গুরু সবার ভাগ্যে মিলেও না আর যদিওবা মিলে তবে কেবল একে অন্যকেই ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করা হয় কিন্তু পরমগুরুকে কখনই সম্বোধন করা হয় না। সারকথা হলো কেবল মানুষগুরু ও জগৎগুরুকেই ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করা প্রয়োজন পক্ষান্তরে পরমগুরু ও কামগুরুকে ‘জয়গুরু’ বলে সম্বোধন করার কোন প্রয়োজন নেই।।

গুরুর গুরুর পরিচয়
গুরুর গুরু হলো জ্ঞান। জ্ঞানের ঊর্ধ্বে আর কোন গুরু নেই। জ্ঞানই সব গুরুর শ্রেষ্ঠ গুরু। জ্ঞান এমনি এক সম্পদ যে এটি বহন করতে কোন প্রকার গাড়ি ঘোড়ার প্রয়োজন হয় না। মানুষগুরুর নিকট জ্ঞানরূপ শ্রেষ্ঠগুরু অবস্থান করে বলেই জ্ঞানী লোকগণকে গুরু বলে সম্বোধন করা হয়ে থাকে।।
একাধিক গুরু গ্রহণঃ
প্রত্যেক মানুষকে ন্যূনতমপক্ষে চারজন আধ্যাত্মিকদীক্ষাগুরু গ্রহণ করা একান্ত প্রয়োজন। পূর্বকালে একজন গুরু গ্রহণের নির্দেশ থাকলেও বর্তমানে সেটি আর গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ বর্তমানে অনেক স্বয়ংসিদ্ধি গুরু গোঁসাই প্রতিনিয়ত আবির্ভূত হচ্ছেন। যে যেমনে পারে গুরুপদ সংগ্রহ করছে বিধায় পূর্বকালে একজন গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করলেই যথেষ্ট হতো কিন্তু বর্তমানে চার চারজন গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করা ব্যতীত কেউই সম্যক আত্মতত্ত্বজ্ঞানের অধিকারী হতে পারবেন না। কিছুকিছু ভণ্ডগুরুÑ যারা সামান্যতম দার্শনিক ও বৈজ্ঞানিকজ্ঞানও রাখেন না কেবল তারাই শিষ্যতের বলে থাকেন যে, “যেমন এক রাতা দু’বার বলি করা যায় না তাদৃশ একজন শিষ্যও দুই গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করতে পারে না।” তারা আরো বলেন যে, “এক ব্যক্তি একাধিক গুরু বা গোঁসাইয়ের নিকট দীক্ষা গ্রহণ করলে নিরীক্ষ গ্রহণ করবে কার?” তারা একটিবারও ভেবে দেখেন না যে, একজন ছাত্র প্রাথমিক, মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শ্রেণি সমাপ্ত করার জন্য কতজন শিক্ষকের নিকট হতে বিদ্যাশিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। তাতে তাদের নিরীক্ষ গ্রহণের কোন ক্ষতি হয় না কেবল গুরুর নিকট এলেই যত নিরীক্ষ গ্রহণ ও রাতা বলি করার ফোতোয়া। এসব অজ্ঞরা তো গুরুতত্ত্বই জানেন না।।
এক বিপণিতে যেমন সর্বশ্রেণির পণ্য পাওয়া যায় না তদ্রূপ এক গুরুর নিকটও সর্ব প্রকার জ্ঞান পাওয়া যায় না। উপমাস্বরূপ বলা যায় একজন গুরুর নিকট কেবল শাস্ত্রীয় মতবাদের জ্ঞান থাকে, অন্য গুরুর নিকট কেবল পরম্পরারজ্ঞান থাকে, আরেক গুরুর নিকট কেবল আত্মতত্ত্বের জ্ঞান থাকে, আরেক গুরুর নিকট কেবল দার্শনিকজ্ঞান থাকে, আরেক গুরুর নিকট কেবল বৈজ্ঞানিকজ্ঞান থাকে আবার আরেক গুরুর নিকট ভাষাজ্ঞান বিদ্যমান থাকে। আলোচ্য সর্ব প্রকার জ্ঞানার্জনকারী গুরুর সংখ্যা একেবারেই বিরল বিধায় একাধিক গুরু গ্রহণ করেই ক্রমেক্রমে সর্ব প্রকার জ্ঞানার্জন করে যাওয়াই বুদ্ধিমান লোকের উত্তম কাজ। যেমন বলা হয়-

“গুরু ধরব শতশত
শিখব শত মন্ত্রতন্ত্র
যার কাছে জ্ঞানের আলো পাবো
তাঁর নামের দোহায় দিব।"

”আবার বলা হয়-
“গুরু ধরব শতশত মন্ত্র শিখব যত যার
মনের কালি দূর করবে যে দোহাই দিব তার।”

আধ্যাত্মিকজ্ঞানহীন অজ্ঞ ও ধান্ধাবাজ গুরু-গোঁসাইরা বলে থাকেন যে- “একাধিক গুরুর নিকট দীক্ষা গ্রহণ করা যায় না।” এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, অমূলক ও অবিশ্বাস্য কথা। এরূপ কথা কখনই বিশ্বাস করা যায় না। এ প্রসঙ্গে কবি কামিনী রায় লিখেছেন-

“জগৎজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র
নানানভাবে নানান জিনিস শিখি দিবারাত্র।”

অশিক্ষা ও কুশিক্ষায় জর্জরিত হওয়া ও নোংরা রাজনীতির দুর্বলতার সুযোগে যতসব বিভ্রান্ত মতবাদের আখড়ায় পরিণত হয়েছে আমাদের এ স্বর্গনীড় সোনার বাংলাদেশ। এদেশের যত্রতত্র আগাছার মতো গিসগিস করে গজিয়ে উঠেছে যতসব ভণ্ডপির, গল্পসার বক্তা, কণ্ঠসার বাউল, হাতুড়ে চিকিৎসক, নোংরা রাজনীতিজীবী, অন্ধ শাস্ত্রীয় মতবাদ ব্যবসায়ী, জ্ঞানহীন গণক, আনাড়ী বৈদ্য, অনভিজ্ঞ সাপুড়ে, অজ্ঞ জিনবাজ ও ভুতরাজ কবিরাজ। এরা মানুষের কাছ থেকে কেবল টাকায় হাতিয়ে নেওয়া জানে, মানুষকে কেবল বিপদের মুখেই ঠেলে দিতে পারে দিতে পারে না কোন কিছু।

বহিঃবিশ্বের বিভিন্নদেশ হতে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে। কারণ বর্তমানে পৃথিবীতে প্রায় ৩০০টি রাষ্ট্র থাকা সত্ত্বেও পৃথিবীর কোন দেশেই এত পির, এত আখড়া, এত উরশ, এত বাউলগান, এত পালগান, এত মাজার, এত মসজিদ, এত ইজতেমা, এত ওয়াজ ও এত উগ্রবাদী দল নেই। পৃথিবীর বড়বড় দেশে মাত্র কয়েকটি শাস্ত্রীয় সম্প্রদায়ের লোক বাস করে কিন্তু আমাদের এ ক্ষুদ্র দেশটিতে প্রায় ৫০টির অধিক শাস্ত্রীয় মতবাদের লোক বাস করে। বর্তমানে শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক মতবাদের ধুরন্ধর শাস্ত্রীয় ও পারম্পরিক মতবাদজীবিদের বিনা পুঁজির লাভজনক রমরমা এসব ব্যবসা-বাণিজ্যের অবস্থাদৃষ্টে মনে হয় তাদের অভয় বাণিজ্যের কেন্দ্রবিন্দু আমাদের অসহায় এ বাংলাদেশ। জ্ঞানী ও বুদ্ধিমানদের এখন সজাগ হতে হবে। সত্যপথ, দর্শন ও বিজ্ঞান প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনে আবার একাত্তরের মতো গর্জে উঠতে হবে।।
কাঁই ফাউন্ডেশন কিশোরগঞ্জ।
স্বরূপ কাঁইজি।
(সংক্ষিপ্ত সংকলন)

 # # # ৬,৬৬৬  #মানবদেহ  পাচওয়ার্ড  # #উন্মোচনের -------------------------------------------------------- #ভূমিকা ( )****...
12/05/2026

# # # ৬,৬৬৬ #মানবদেহ পাচওয়ার্ড # #উন্মোচনের
--------------------------------------------------------
#ভূমিকা ( )
****************
বিশ্বের বিভিন্ন শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ, মরমী গীতি, আধ্যাত্মিক, আত্মতাত্ত্বিক, সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকা পাঠ করার সময় প্রায়সই (frequently) ৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি), ডানে শূন্যযুক্ত ৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) কিংবা ৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) সহগ বিশিষ্ট পরিভাষা চোখে পড়ে। যেমন; ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি, ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি পুত্র, ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারি ও ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মাত্রা ইত্যাদি।

# # #অবগতি (Informed)
**************
এখন পর্যন্ত পৌরাণিক বিশ্বে মাত্র ১টি সংখ্যা পাওয়া গেছে। যাদের দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি {৬,৬৬৬ প্রপারিচ}। যথা; ৬,৬৬৬।

#প্রস্তাবনা (Preamble)
***************
৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি) বিশ্বের বিভিন্ন সাম্প্রদায়িক, পারম্পরিক, মরমী ও আধ্যাত্মিক সম্প্রদায়ের শ্বরবিজ্ঞান, পুরাণ ও শাস্ত্রীয় পুস্তক-পুস্তিকায় বহুল ব্যবহৃত একটি ‘পৌরাণিক মূলক সংখ্যা’। সংখ্যাটির দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি বের করতে হবে।

# # #পৌরাণিক #সাংখ্যিক #পরিচয় (Mathematical numeric identity)
******************
এটি একটি ‘পৌরাণিক স্থাপক মূলক সংখ্যা’। কারণ; মানুষে বিদ্যমান বিষয়বস্তুর সাংখ্যিক প্রতীক সরলভাবে স্থাপন করে সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। শ্বরবিজ্ঞানে বর্ণিত ‘ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি’ ‘পৌরাণিক মূলক সংখ্যা’র সাংখ্যিক প্রতীক (Numeric symbol) ‘৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি)’। সেজন্য; স্পষ্টভাবে বলা যায় যে; ‘৬,৬৬৬ (ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি)’ একটি ‘পৌরাণিক স্থাপক মূলক সংখ্যা’।
সংজ্ঞা (Definition)
শ্বরবিজ্ঞানে; ‘ছয় প্রহর’, ‘ছয় পা’, ‘ছয় রিপু’ ও ‘ষটচক্র’ কে একত্রে ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারিচ বলে।

# # #ব্যাখ্যা (Explanation)
***************
আমরা জানি যে; ‘ছয় প্রহর’ এর সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়), ‘ছয় পা’ এর সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়), ‘ছয় রিপু’ ‘পৌরাণিক মূলক সংখ্যা’র সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়) ও ‘ষটচক্র’ ‘পৌরাণিক মূলক সংখ্যা’র সাংখ্যিক প্রতীক ৬ (ছয়)। এই চারটি ৬কে পাশাপাশি সরলভাবে স্থাপন করে ৬৬৬৬ সংখ্যাটি সৃষ্টি করা হয়েছে। অতঃপর; গাণিতিক কমা দিয়ে ৬,৬৬৬ রূপে ব্যবহার করা হয়েছে।
এখানে বিশেষভাবে স্মরণীয় যে; হিন্দুদের ধর্মগ্রন্থ ‘বেদ’ এ চারটি ৬৬৬৬ আছে। কিন্তু খ্রিস্টানদের ধর্মগ্রন্থ ‘ইঞ্জিল’ এ তিনটি ৬৬৬ আছে। তাই; শ্বরবিজ্ঞানী ও আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ অনুমান করেন যে; ইঞ্জিল সংকলনের সময়ে একটি ৬ পরিত্যাগ করা হয়েছে। কারণ; বেদ সংকলন আগে ও ইঞ্জিল সংকলন পরে। আর এটি করা হয়েছে চারটি ৬৬৬৬ এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি ও তিনটি ৬৬৬ এর দেহতাত্ত্বিক ব্যুৎপত্তি না জানার কারণে। সংকলকগণ যদি চারটি ৬৬৬৬ এর সঠিক ব্যুৎপত্তি জানতেন; তবে; হয়তো এমন করতেন না। তারা তিনটি ৬৬৬ সম্পর্কে জানতেন; তাই হয়তো তিনটি ৬৬৬ সংকলন করেছেন। অথবা এটি বেদ এর অনুকরণ হতে আত্মরক্ষার জন্যই করা হয়েছে।
এখানে আরও স্মরণীয় যে; বর্তমানকালের বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন বৈদ্যুতিক যন্ত্রের বিভিন্ন সংকেত বা কোড (code) আবিষ্কার করেছেন। কিন্তু মানুষের কোড নং এখনও বের করতে পারেন নি। অথচ; শ্বরবিজ্ঞানী বা আত্মতাত্ত্বিক মনীষীগণ মানুষের কোড নং বের করেছিলেন প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৪,০০০ (চার হাজার) বছর আগে। ইঞ্জিলের নিচের শ্লোকটি হতে তা পরিষ্কারভাবে বুঝা যায়। এটা হতে আরও প্রমাণিত হয় যে; যে ব্যক্তি নিজের কোড নং জানেন না তাঁকে বুদ্ধিমানও বলা যায় না। আরও স্মরণীয় যে; বর্তমানে সংকলিত ইঞ্জিলের বাংলা অনুবাদে বিষয়টি অন্যভাবে লেখা হয়েছে। তাই; অবশ্যই বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না।

# # #গাণিতিক #সমাধান (Mathematical solution)
********************
৬,৬৬৬ প্রপারিচ
= ৬,৬,৬,৬
= {৬ প্রহর, ৬ পা, ৬ রিপু ও ৬ চক্র}।
ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি প্রপারিচ/
(Six thousand six hundred sixty six 'Propari')
****************
# # # #ভূমিকা (Introduction)
---------------------
এখানে ‘ছয় প্রহর’, ‘ছয় পা’, ‘ছয় রিপু’ ও ‘ষটচক্র’ এর প্রহর, পা, রিপু, চক্রের প্রথম অক্ষর গ্রহণ করে ‘প্রপারিচ’ শব্দ সংক্ষেপ সৃষ্টি করা হয়েছে। ‘প্রপারিচ’ সংম্পর্কে নিচে আলোচনা করা হয়েছে।

# # #ছয় #প্রহর; (Six moments)/ ‘ستة لحظات’ (সিত্তা লাহজাত)
******************
# # #সংজ্ঞা (Definition)
**************
শ্বরবিজ্ঞানে মাতৃগর্ভে মানবসন্তান সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাব্য ছয় প্রহরকে একত্রে ছয় প্রহর বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
-------------------
মাতৃগর্ভে মানবসন্তান সৃষ্টি হয় ঋতুমতীর রজঃস্রাব হতে পবিত্রতালাভের প্রথম দিন হতে ২১ দিনের মধ্যে। উক্ত ২১ দিবস সমান ছয় প্রহর। যথা; ১ ঊষা ২ নিশা ৩ ঊর্ধ্বা ৪ শঙ্কা ৫ বিপদ ও ৬ নীরব। তাই; মধ্যপ্রাচ্যের শ্বরবিজ্ঞান ও পুরাণগুলোতে লেখা হয়েছে; প্রভু ছয় প্রহরে আকাশ ও ভূমি সৃষ্টি করেছেন। এখানে আকাশ হলো নাভির ওপরের অংশ এবং ভূমি হলো নাভির নিচের অংশ। বিস্তারিত জানার জন্য ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (২য় খণ্ড) দেখুন।

#ছয় #পা; (Six leg)/ ‘ستة ساق’ (সিত্তাতা সাক্ব)
*************
#সংজ্ঞা (Definition)
-----------------
সাধারণত; মানুষের চলার ৬টি অবলম্বনকে একত্রে ছয় পা বলে।
ব্যাখ্যা (Explanation)
সাধারণত; কোনকিছুর অবলম্বনকেই পা বলা হয়। তবে; শ্বরবিজ্ঞানে মানুষের চলার মাধ্যমগুলোকে পা বলা হয়। যথা; ১ মন ২ জ্ঞান ৩ নয়ন ৪ নাসিকা ৫ হাত ও ৬ পা। মানুষ মন দ্বারা চলে তাই মনকে পা ধরা হয়। জ্ঞান করে চলে তাই জ্ঞানকে পা ধরা হয়। চোখ দিয়ে দেখে চলে তাই চোখকে পা বলা হয়। নাসিকার ডান-বাম শ্বাস দ্বারা শুভাশুভ দেখে চলে তাই নাসিকাকে পা বলা হয়। যাদের পা নেই তারা হাত দ্বারা চলে তাই হাতকেও পা বলা হয়। এই সূত্র হতে বুঝা যায়; সাধারণ মানুষের পা ২টি। জ্ঞানী মানুষের পা ৪টি। আর সাধকের পা ৬টি। বিস্তারিত জানার জন্য ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (২য় খণ্ড) দেখুন।
ষড়রিপু; (Six enemies)/ ‘ستة أعداء’ (সিত্তা আদুয়িন)
***************
#সংজ্ঞা (Definition)
----------------
শ্বরবিজ্ঞানে মানুষের মনে বসবাসকারী ৬টি শত্রুকে একত্রে ষড়রিপু বলে। যেমন; কাম।
ব্যাখ্যা (Explanation)
জন্মের পর হতে মানুষের মনে অনেক মন্দা ও ভালার সৃষ্টি হয়। যেমন; মন্দার মধ্যে রয়েছে; রিপু ৬ জন, রুদ্র ১১ জন, মন্দা ১০ জন ও দশা ১০ জন। অন্যদিকে; ভালার মধ্যে আছে; ১০টি ভালা। এদের মধ্যে ছয় রিপু অন্যতম। যথা; ১. কাম ২. ক্রোধ ৩. লোভ ৪. মোহ ৫. মদ ও ৬. মাৎসর্য (“কাম ক্রোধ লোভ মোহ মদ মাৎর্সয্য, এ কয়জন দেহের অবাধ্য, প্রেমাগুনে করো দগ্ধ, জব্দ করো শক্ত হাতে।”)। (পবিত্র লালন; ৫০৭/৩)। বিস্তারিত জানার জন্য ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (২য় খণ্ড) দেখুন।
ষটচক্র; (Six glands)/ ‘ستة الغدد’ (সিত্তাতাল গাদাদ)
****************
#সংজ্ঞা (Definition)
------------------
জ্যোতিষশাস্ত্রে মানবদেহের ৬টি অনাল গ্রন্থিকে একত্রে ষটচক্র বলে।

# # #ব্যাখ্যা (Explanation)
-----------------
এ চক্রগুলোর গুরুত্ব অনেক। এগুলোর যে কোনো একটি নিষ্ক্রিয় বা অধিক সক্রিয় হলে শারীরিক অনেক পরিবর্তন ঘটে। যেমন; অধিক মিথ্যা বলা, চুরি করা, শিশুর কান্না করা, খাবারের রুচি হ্রাস পাওয়া ইত্যাদি। চক্রগুলো হলো; ১ মূলাধার ২ স্বাধিষ্ঠান ৩ মণিপুর ৪ অনাহত ৫ বিশুদ্ধ ও ৬ আজ্ঞা। বিস্তারিত জানার জন্য ‘আত্মতত্ত্ব ভেদ’ (২য় খণ্ড) দেখুন।

# # # # # ৬৬৬৬ এর বৈদিক প্রমাণ (Vedic evidence of Six thousand six hundred sixty-six)
*******************
“অনুর ও দ্রুহ্যুর গবাভিলাষী ষষ্ঠীশত এবং ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি (৬,৬৬৬) সংখ্যক পুত্রগণ পরিচর্যাভিলাষী সুদাসের জন্য শয়িত হয়েছিল; এ সমস্ত কার্য ইন্দ্রের বীর্য সূচক।” (বেদ; ঋবেস দ্বিখসম, সূ-১৮, ঋ-১৪)।
৬৬৬ এর ইঞ্জিলীয় প্রমাণ (Gospel's evidence of Six hundred sixty-six)
“এ সমস্ত বিষয় বুঝতে বুদ্ধির প্রয়োজন। যার বুদ্ধি আছে সে সে-ই জন্তুটার সংখ্যা গণনা করে দেখুক, কারণ; সেটা এমন একটি সংখ্যা যার দ্বারা একজন মানুষকে বুঝায়, আর সে সংখ্যাটি হলো ছয়শত ছেষট্টি (৬৬৬)।” (ইঞ্জিল; ২৭শ খণ্ড; প্রকাশিত কালাম- ১৩/১৮) (C বি, বি, এস, ১৯৮০) (বি, বি, এস, ডাকঘর- ৩৬০, ঢাকা-২) (Benfali CVL 260p, printed by, Skylab printers & packages Ltd., 1994-4p, ISBN 984 17 0125 1)।

# # # ৬,৬৬৬ এর মহাকাব্যিক প্রমাণ
(Epical evidence of six thousand six hundred sixty-six)
********************
১. “অনুর ও দ্রুহ্যুর গবাভিলাষী ষষ্টিশত এবং ছয় সহস্র ছয়শত ছেষট্টি (৬,৬৬৬) সংখ্যক পুত্রগণ পরিচর্যাভিলাষী সুদাসের জন্য শয়িত হয়েছিল; এ সমস্ত কার্য ইন্দ্রের বীর্য সূচক।” (বেদ; ঋবেস দ্বিখসম, সূ-১৮, ঋ-১৪)।
২. “ছয় হাজার ছয়শত ছেষট্টি মাত্র
মানবদেহ বেদ গ্রন্থে আছে বর্ত
ইঞ্জিলে লেখা দেখি সত্য
ছয়শত ছেষট্টি মান।” ( #বলন #তত্ত্বাবলী; ২৪৪)।
{ #তথ্যসূত্র; #আত্মতত্ত্ব #ভেদ ( #৮ম #খণ্ড); #লেখক; মহাধীমান গুরুদেব বলন কাঁইজি}।

04/05/2026
03/05/2026

দেহ তাত্ত্বিক গান/জ্ঞান

সাধু পে‌লে চরন ধর, অমূল‌্যধন রক্ষা কর,মর মরার আগ‌ে মর,ছাড় কুল জা‌তির বড়াই(বলন তত্ত্বাবলী)
02/05/2026

সাধু পে‌লে চরন ধর, অমূল‌্যধন রক্ষা কর,
মর মরার আগ‌ে মর,
ছাড় কুল জা‌তির বড়াই
(বলন তত্ত্বাবলী)

পৃথিবীর সকল ধর্মের মুল হাকিকত এক ও অভিন্ন। অর্থাৎ (।।।) ৩ এর একটা গুপ্ত রহস্য লুকিয়ে আছে আমাদের মানব দেহে। ৩ যেমন -কুরআন...
01/05/2026

পৃথিবীর সকল ধর্মের মুল হাকিকত এক ও অভিন্ন। অর্থাৎ (।।।) ৩ এর একটা গুপ্ত রহস্য লুকিয়ে আছে আমাদের মানব দেহে।
৩ যেমন -কুরআনে "আল্লাহ", সনাতনীতে "ওম" এবং ত্রিপিটকে বইয়ের কভারেই রয়েছে ৩ । এই ৩ এ আমাদের জন্ম-মৃত্যু। এখানেই সকল ধর্মের গুপ্ত খেলা। যারা যেনে বিশ্বাস করেন এবং মানেন তারাই মুক্তি পায়।
৩ নিয়ে নিজের ভিতর প্রশ্ন করুন, ৩ তাহলে কি?

29/04/2026

আত্মপরিচয়-
আল্লাহর অংকে ৫৪ বছর = ১সেকেন্ড যেভাবে হয়

28/04/2026

প্রচলিত নামাজ পড়াই কি বেহেস্তের চাবি? নাকি সালাত কায়েম আলাদা বস্তু?

 #আলে-রসুলগণ হইলেন আত্মপরিচয় জ্ঞানে পরিপূর্ণ এবং এই পরিচয় দ্বারা তাঁহারা প্রকাশ্য কোরান বা জীবন্ত কোরান হইয়া যান। এই শ্র...
23/04/2026

#আলে-রসুলগণ হইলেন আত্মপরিচয় জ্ঞানে পরিপূর্ণ এবং এই পরিচয় দ্বারা তাঁহারা প্রকাশ্য কোরান বা জীবন্ত কোরান হইয়া যান। এই শ্রেণীয় লোকেরা আচার-আচরণ এবং বক্তব্য সকলই কোরান। আলে-রসুল এবং আলে-মোহাম্মদগণই কেবল প্রকাশ্য তথা জীবন্ত কোরান।নিজে কোরান হইতে চাহিলে সম্যক গুরুর নিকট আত্মসমর্পণ করিয়া মুসলমান হইতে হয়। মুসলমান হইয়া বুদ্ধ কেতাব হইলে গুরু তাহার আমিত্ব বিজড়িত দৈহিক অস্তিত্ব ধ্বংস করেন। যাহারা সাধারণ ভক্ত তাহারা সাময়িক সুযোগ-সুবিধা ভোগের আশায় মত্ত থাকে, এইজন্য তাহাদিগকে ধ্বংস করা হয় না অর্থাৎ তাহারা জন্মচক্রে আবর্তিত হইতেই থাকে (দ্র. ১৫ঃ১-৩)।

#মানুষকে দেওয়া সাতটি ইন্দ্রিয় গুরুর নির্দেশিত এইরূপ সাধন পথে নিয়োজিত করিলে ইন্দ্রিয় সাতটি চরম উৎকর্ষ লাভ করিয়া দ্বিতীয় সংস্করণে তথা নূতন এক মহান পর্যায়ে উন্নীত হয় যাহা জীবজগতের ঊর্ধ্ব পর্যায়। এই পর্যায়ে পৌঁছিলে মানুষ নিজেই কোরান হয় তথা আজমওয়ালা কোরানের অধিকারী হয় (দ্র. ১৫:৮৭)।

#সর্বযুগেই কোরান নাজেল হইয়াছে এবং লোকেরা তাহাদের ইচ্ছামত রকমারি ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়া কোরানের মূলনীতি হইতে বিচ্যুত হইয়াছে এবং কোরানের নীতিবাদকে ছিন্নভিন্ন করিয়াছে। এইরূপ স্বেচ্ছাচারী বিভক্তি সৃষ্টিকারীগণকে অবশ্যই জবাবদিহি করিতে হইবে (দ্র. ১৫:৯০+৯১)।

#সুতরাং সর্বকালেই সঠিক পথের যাত্রী হইতে চাহিলে গুরুর প্রশংসাকে অর্থাৎ গুণগুলিকে অবলম্বন গ্রহণ করিয়া নিজেকে পবিত্র করিয়া তুলিতে হইবে এবং আত্মসমর্পণকারীর অন্তর্ভুক্ত হইতে হইবে। দৃঢ় আত্মপ্রত্যয় গুরু হইতে অর্জন না হওয়া পর্যন্ত গুরুর দাসত্ব করিতেই হইবে। ইহাই জিন ও ইনসানের জন্য আলে-রসুলে পরিণত হইবার এবং স্পষ্ট কোরান হইবার একমাত্র পথ।
---- কোরান দর্শন - মাওলা সদর উদ্দিন আহ্‌মদ চিশতী (আ.)🌸💚🌸

Address

বেগমগঞ্জ, উলিপুর
কুড়িগ্রাম।

Telephone

+8801757336744

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ziaur Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ziaur Rahman:

Share