Alamdanga Broadband Service Provider And User Commiunity

Alamdanga Broadband Service Provider And User Commiunity Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Alamdanga Broadband Service Provider And User Commiunity, Advertising/Marketing, Ershadpur Catal More, Collage Para, Alamdanga.

17/06/2020

★★অনলাইন গেমিংয়ে Ping কে যেভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন★★

অনলাইন গেমিংয়ে Ping বা Latency ব্যাপারটা সম্পর্কে আমরা সবাই কম বেশি করে পরিচিত। বিশেষ করে বর্তমানে পাবজি মোবাইল গেমের কারণে আমাদের সবাই এই পিং বা Latency কে চিনে থাকি। আর অনলাইন গেমিংয়ের অন্যতম বড় সমস্যা হলো বেশি পিং। বেশি পিং থাকলে আপনার খেলার অভিজ্ঞতাই পাল্টে যাবে! কারণ পিং বা Latency এর উঠানামা বা কম বেশি থাকার ব্যাপারটা সরাসরি একজন অনলাইন গেমারের গেমপ্লে পারফরমেন্সের উপর গিয়ে পড়ে থাকে। আপনার কাছে শক্তিশালি ডিভাইস থাকা স্বত্বেও বেশি পিংযুক্ত সার্ভারে গেম খেললে আপনি বিভিন্ন প্রকারের খোঁট / ল্যাগের দেখা পাবেন। তাই শক্তিশালি ডিভাইস (যা FPS এ সহায়তা করে) এর পাশাপাশি ভালো পিং (নূন্যতম) এরও প্রয়োজন।

একজন অনলাইন গেমার হিসেবে কম পিং পাবার জন্য আপনি নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করতে পারেন। তবে মনে রাখবেন যে, অনলাইন গেমের পিং বিষয়টি ৮০% ভাগই নির্ভর করে নিচের ১ম পদ্ধতির উপর:

১) নিকটস্থ সার্ভার সিলেক্ট করুন

পিং বেশি থাকার সবথেকে বহুল প্রযোজ্য কারণ হলো আপনি নিকটবর্তী সার্ভারটি সিলেক্ট করেননি। গেমিং সার্ভার চয়েজের উপর আপনার গেমের পিং প্রধানত নির্ভর করে থাকে। আপনার লোকেশন (বাংলাদেশ) এর যত কাছে গেমিং সার্ভারটি হবে, গেমে আপনার পিং তত কম থাকবে। যেমন Dota গেমে আপনি যদি EU মানে ইউরোপের সার্ভারটি সিলেক্ট করে খেলেন তাহলে দেখবেন যে আপনার পিং ১৫০ থেকে ২৫০ ক্রস করেছে, অন্যদিকে SEA মানে সাউথ এশিয়া সার্ভার দিলে দেখবেন পিং এক লাফে কমে গিয়ে ৯০/৮০ তে নেমে গিয়েছে। আর ডটা গেমে ইন্ডিয়া সার্ভারও রয়েছে তাই ইন্ডিয়া সিলেক্ট করলে আপনি সবথেকে কম পিং (৩০/৪০) উপভোগ করতে পারবেন। তাই যে সকল গেমে সার্ভার সিলেক্টের অপশন রয়েছে সেখানে আপনি অবশ্যই আপনার সবথেকে নিকটের সার্ভারটি সিলেক্ট করবেন।


২) অদরকারি প্রোগ্রাম ক্লোজ করুন
অনলাইন গেমস খেলার সময় বিশেষ করে গেম শুরু আগে আপনার উচিত একবার ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যাপ্লিকেশনগুলো চেক করে নেওয়া এবং অদরকারি প্রোগ্রামগুলোকে ক্লোজ করে দেওয়া। অনেক সময় দেখা যায় যে সঠিক গেমিং সার্ভার সিলেক্ট করার পরেও আমাদের পিং উঠা নামা করতে থাকে বা ল্যাগ দিতে থাকে। এর অন্যতম প্রধান একটি কারণ হচ্ছে আপনার পিসির ব্যাকগ্রাউন্ডের চলমান প্রোগ্রামগুলো তাদের সুবিধামতো আপনার ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ টেনে নেয়। আর সে কারণেই পিং আপডাউন করতে থাকে।

আর অদরকারি রানিং প্রোগ্রামগুলোকে খুঁজে বের করা এবং তাদেরকে বন্ধ করার সবথেকে সহজ ও কার্যকরি পদ্ধতি হচ্ছে টাস্ক ম্যানেজার। তবে টাস্ক ম্যানেজার থেকে সকল রানিং প্রোগ্রামকে কিন্তু আপনি বন্ধ করতে পারবেন না (যেমন সিস্টেম প্রসেসগুলো)।

বি:দ্র: আপনি যদি টরেন্ট অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন তাহলে আমি সবার আগে বলবো যে, Torrent কে বন্ধ করে দিন। টরেন্ট থেকেই আপনার বেশিভাগ ব্যান্ডউইন্ড টেনে নেওয়া হয়ে থাকে।

৩) অস্থায়ীভাবে আপডেট অফ
অটোমেটিক আপডেটগুলো সাধারণত ব্যাকগ্রাউন্ডে সম্পাদিত হয়ে থাকে। যেমন উইন্ডোজ আপডেট, অ্যান্টিভাইরাস আপডেট, ড্রাইভার আপডেট ইত্যাদি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এই অটোমেটিক আপডেটগুলো “অটোমেটিক”ভাবেই যখন তখন চালু হয়ে যেতে পারে। আর এতে আপনার ব্যান্ডউইথ এরও “অটোমেটিক”ভাগিদার এসে যাবে। এখন আপনাকে আমি কখনোই বলবো না যে এইসব অটোমেটিক আপডেট একদম বন্ধ করে রাখতে কারণ আপডেটগুলো আপনার পিসির জন্য প্রয়োজনীয়। কিন্তু কথা হচ্ছে, এই আপডেটগুলো আপনি কয়েক ঘন্টা পরেও দিতে পারবেন; কিন্তু অনলাইন গেমকে আপনি ১ সেকেন্ডের জন্যও Pause করে রাখতে পারবেন না। তাই আপনি গেমিংয়ে বসার আগে এইসকল অটো আপডেটকে বন্ধ করে রেখে দিয়ে নিশ্চিত থাকতে পারেন। পরবর্তীতে গেমিং সেশন শেষ হলে আবারো অটো আপডেট অন করে নিলেন।

৪) রাউটার রিসেট
যদি মোবাইলে বা ল্যাপটপে অনলাইন গেমিং করে থাকেন তাহলে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে আপনি রাউটারের WiFi এর সাহায্যেই খেলছেন। এখন রাউটারটির বিভিন্ন ইস্যুর কারণেও পিং উঠানামা করতে পারে। বিশেষ করে আপনি যদি অনবরতভাবে টানা রাউটার দিনের পর দিন ব্যবহার করতে থাকেন তাহলে রাউটারে ম্যালফাংশন দেখা দেওয়াটা স্বাভাবিক। তাই আপনি রাউটারকে সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দিন (প্লাগ আউট)। ৫/১০ মিনিট বন্ধ রাখার পর আবারো রাউটার চালু করুন। তাহলে দেখবেন পিং আগের মতো হয়ে গিয়েছে। আর এই ধরণের ম্যালফাংশন থেকে বেঁচে থাকতে রাতে ঘুমানোর আগে রাউটার বন্ধ করে দেওয়া উচিত।

৫) ক্যাবল কানেক্টশন

আর WiFi দিয়ে খেলার আরেকটি সমস্যা হচ্ছে এখানে General ভাবেই পিং একটু বেশি থাকে (সকল ক্ষেত্রে নয়)। আমার নিজের কথাই বলি, একই রুমে আমার ডেক্সটপ এবং ল্যাপটপ রয়েছে, ডেক্সটপে রাউটারের ক্যাবল কানেক্টশন দেওয়া আর ল্যাপটপে WiFi দেওয়া। এখন দেখা গেল যে, একই গেম একই সার্ভারে ডেক্সটপে খেললে পিং থাকে 28/30ms এর মতো কিন্তু সেখানে ল্যাপটপে WiFi দিয়ে খেললে দেখা যায় যে পিং 58/60ms নরমালি থাকে। কিন্তু ল্যাপটপে ওয়াইফাইয়ের বদলে সরাসরি ক্যাবল কানেক্টশন (Ethernet) দিয়ে খেললে পিং নেমে আসে 28/30ms এ! তাই সুযোগ থাকলে WiFi না ব্যবহার করে সরাসরি রাউটার থেকে Ethernet এর মাধ্যমে ব্রডব্যান্ড নেট ব্যবহার করুন। এতে কম পিং এর পাশাপাশি FTP এবং ইউটিউব ইত্যাদি সার্ভার থেকেও ডাউনলোড স্পিডে বেশ বুস্ট পাবেন।

৬) ব্যাকগ্রাউন্ড ডাউনলোড / আপলোড অফ
আপনি যত দ্রুত গতিরই নেট ব্যবহার করে না কেন সবসময় অনলাইন গেমে বসার আগে চেক করে নিবেন যে আপনার ডিভাইসে ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো ডাউনলোড বা আপলোড চলছে কিনা। এদের মধ্যে টরেন্ট আর অটো আপডেট নিয়ে পোষ্টে আগেই কথা বলা হয়েছে। কিন্তু আপনি নিজেই যদি কোনো বড় ফাইল (যেমন মুভি, গানের অ্যালবাম) ডাউনলোড দিয়ে গেমে ঢুকেন তাহলে দেখবেন যে এমনিতে পিং একটু বেশি রয়েছে।

৭) WiFi নিয়ন্ত্রণ
আমাদের দেশে ওয়াইফাই কথাটি শুনলেই এমনিতেই গণহারে ডাউনলোড ও ইউটিউব দেখার প্রথাটি সামনে চলে আসে। আর একটি WiFi তে যত বেশি ডিভাইস / ইউজার হবে ওয়াইফাইয়ের গতিও কতগুলো ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে। আর তার উপর যদি কানেক্টেড ডিভাইসগুলোতেও যদি ডাউনলোড বা ইউটিউব দেখা হয় তাহলে আপনি নিজেও অনলাইনে গেমে ঢুকে দেখবেন যে পিং আকাশ ছোঁয়া! আপনার পিসির সকল ডাউনলোড আপলোড নিয়ন্ত্রণে রেখেও যদি দেখেন যে পিং বেশি তাহলে চেক করে দেখুন আপনার ওয়াইফাই নেটওর্য়াকে কোন কোন ডিভাইসটি কতটুকু ব্যান্ডউইথ খেয়ে নিচ্ছে।

৮) রাউটারের কাছে আসুন
WiFi দিয়ে গেম খেলার সময় চেষ্টা করবেন যে যতটুকু পারা যায় রাউটারের কাছে গিয়ে খেলতে। কারণ এক রুমের রাউটার অন্য রুমে গিয়ে আপনি WiFi সিগন্যাল কম পাবেন এবং সেটা আপনার ব্যান্ডউইথও একইসাথে কম করে ফেলবে। তাই যে রুমে রাউটার রয়েছে বা যে রুমে আপনার পিসি / ল্যাপটপ ব্যবহার করবেন সে রুমেই রাউটারও বসিয়ে ফেলুন।

৯) Whitelist করুন
বিভিন্ন ভাবে গেমের সার্ভারগুলোকেও নেট আদান প্রদানের সময় আপনার পিসির ফায়ারওয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাস থেকে স্ক্যান করা হয়ে থাকে। এই প্রক্রিয়ার জন্যেও আপনি অনলাইন গেমে খুবই সামান্য Delay এর দেখা যাবেন। কিন্তু মাঝে মাঝে অনেক সময় দেখা যায় যে ফায়ারওয়াল বা অ্যান্টিভাইরাস বিভিন্ন কারণে পুরো সার্ভার থেকেই নেট কে Deny করে দেন; তখন দেখবেন যে আপনি গেমে কানেক্টই হতে পারছেন না। এই সকল সমস্যা থেকে বেঁচে থাকতে আপনার পিসির ফায়ারওয়াল এবং অ্যান্টিভাইরাস প্রোগ্রামে আপনার অনলাইন গেমকে Whitelist করে রাখুন।

পরিশিষ্ট:একই সাথে WiFi তে গেমিং করলে অবশ্যই ভালো রাউটার ব্যবহার করবেন আর রাউটারটি নিয়মিত যত্ন নিবেন,অন্যদিকে আপনার শহরের পিক / অফ পিক ঘন্টাগুলো জেনে নিতে পারেন বা খেয়াল করতে পারেন, আর ওই সকল সময়ে গেমিং থেকে বিরত থাকতে পারেন। যেমন আমার এলাকায় সন্ধ্যা ৭ টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ব্রডব্যান্ড লাইনের পিক Hour থাকে তখন এমনিতেই নেট স্লো থাকে।

বোনাস টিপস:

১) মাঝে মাঝে রাউটারকে বাইরে এবং ভেতর থেকে পরিস্কার করুন, বাইরের ধুলা এবং ভেতর বলতে সফটওয়্যারের দিক থেকে রাউটারকে ফ্ল্যাশ এবং রিসেট মারুন।

২) আউটডেটেড বা পুরোনো রাউটার থাকলে এটাকে আপনি বদলিয়ে নিতে পারেন। এখন বাজারে হাজারের নিচেও রাউটার পাওয়া যায়।

৩) গেম খেলার সময় অবশ্যই VPN বা Proxy ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকবেন। এটা হাই পিং এর পাশাপাশি অনলাইন গেম থেকে একাউন্ট ব্যান হবারও চান্স থাকে।

৪) ডিভাইস সার্পোট থাকলে 2.4GHz এর স্থানে 5GHz WiFi কানেক্টশন ব্যবহার করুন।

৫) অনেক সময় বিভিন্ন ভাইরাস এবং Malware এর বিভিন্ন ইস্যুর কারণেও পিং উঠানামা করতে পারে। এজন্য নিয়মিত অ্যান্টিভাইরাসকে আপডেটেড রাখুন ।

৬) উইন্ডোজ যে বিল্ট ইন Location সার্ভিস রয়েছে যা আপনার exact লোকেশন জানতে পারে এবং আপনার লোকেশন অনুযায়ী আপনাকে বিভিন্ন ধরণের সেবা এবং সার্ভিস উপহার দিয়ে থাকে। এটা বাংলাদেশের জন্য তেমন কোনো কাজেরই না বরং এটার জন্য উল্টে আপনাকে ব্যান্ডউইথ খরচ করতে হয়। আপনি Settings > Privacy > Location > Location Service এটাকে বন্ধ করে দিতে পারেন।

04/06/2020

আমরা ইন্টারনেটের জন্য টাকা দেই কেন? আসলে তারা কী বিক্রি করছে?

↪প্রথমেই আসি ইন্টারনেট কি?
সহজ ভাষায় বললে, আন্তর্জাল বাইন্টারনেট হল এমন একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যেটা পুরো পৃথিবীর সকল কম্পিউটারকে একে অপরের সাথে সংযুক্ত করে। তবে আরেকটু বিস্তারিতভাবে বললে- কিছু কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে একটি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক তৈরী করে। এভাবে পৃথিবীর অধিকাংশ কম্পিউটার একে অপরের সাথে সংযুক্ত থেকে যে কম্পিউটার নেটওয়ার্কগুলো তৈরি করেছে, সেগুলোর সমষ্টিকেই আমরা ইন্টারনেট বলি এবং আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকল নামের এক প্রামাণ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে কম্পিউটারগুলো একে অপরের সাথে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।
অর্থাৎ আমাদের বাসায় থাকা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসটি যদি এই কম্পিউটার নেটওয়ার্কের(ইন্টারনেট) সাথে কানেক্ট থাকে, তাহলে আইপি বা ইন্টারনেট প্রটোকলের মাধ্যমে নেটওয়ার্কে সংযুক্ত থাকা অন্য কম্পিউটারের সাথে আমরা ডেটা আদান-প্রদান করতে পারব।

↪ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করে?

আপনি যদি কাউকে প্রশ্ন করেন ইন্টারনেট কিভাবে কাজ করে তাহলে অনেকেই বলবে ইন্টারনেট মহাকাশে থাকা স্যাটেলাইটের সাহায্যে কাজ করে নতুবা বলবে জানে না। কিন্তু ইন্টারনেট – এর ৯৯% চলে অপটিক্যাল ক্যাবলের মাধ্যমে অর্থাৎ তারের মাধ্যমে এবং মাত্র ১% চলে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে।
এখন হয়ত মনে মনে আপনি ঠিক এমনটাই ভাবছেন, ‍‍‍‌‌‌‌‌‌‍‍‍‍‍‍‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌” কিসব ভুলভাল বলছে! আমিতো আমার মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করছি কোনো প্রকার তারের সংযোগ ছাড়াই”। সত্যি বলতে, আপনার মোবাইলে ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক যে টাওয়াটির মাধ্যমে আসছে, সেই টাওয়ার থেকে শুরু করে আপনি যে ওয়েবসাইট ভিজিট করছেন তার সার্ভার পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বিছানো আছে। কি কঠিন লাগছে? তাহলে একটু সহজ ভাবে বলি।

ইন্টারনেটের যে তথ্য আমাদের কাছে এসে পৌছায় তা ৩ টি আলাদা আলাদা স্তরের মধ্য দিয়ে আসে। এই স্তরগুলোকে Tier বলা হয়। এই স্তর ৩ টি হল Tier 1, Tier 2 এবং Tier 3।

◾Tier 1
Tier 1 হল সেই সমস্ত কোম্পানি যারা নিজেদের টাকায় সমস্ত পৃথিবীতে সমুদ্রের মধ্য দিয়ে ক্যাবল বিছিয়ে রেখেছে(যাদের অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবল বলা হয়)। ক্যাবলগুলো চুলের মত সরু কিন্তু এরা খুব দ্রুত যেমন ১০০ থেকে ২০০ জিবিপিএস পর্যন্ত ডেটা আদান প্রদান করতে পারে। বিভিন্ন দেশে আলাদা আলাদা Tier 1 কোম্পানি আছে যারা এক দেশ থেকে অন্য দেশে ক্যাবল বিছিয়ে সারা পৃথিবীকে যুক্ত করেছে। এভাবে একটি দেশের এক প্রান্তে অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবলের ল্যান্ডিং পয়েন্ট থাকে ( আপনি ইচ্ছা করলেসারা পৃথিবীতে সাবমেরিন ক্যাবলের মানচিত্র দেখে নিতে পারেন।) বাংলাদেশের Tier 1 কোম্পানি হল Bangladesh Submarine Cable Company Limited )। এবার ল্যাডিং পয়েন্ট থেকে দেশকে(বাংলাদেশের ক্ষেত্রে) বিভিন্ন জেলায় এবং জেলাকে বিভিন্ন উপজেলায় Tier 2 এবং Tier 3 এই ২ স্তর ভাগ করে আপনার লোকালয়ে আপনার হাত পর্যন্ত পৌছে দেয় ইন্টারনেট।

◾Tier 2

দেশের সমুদ্র তীরবর্তী অঞ্চলে Tier 1 কোম্পানি ফাইবার ক্যাবলগুলো নিয়ে আসে। এরপর সেই দেশের বিভিন্ন কোম্পানি যেমন বাংলাদেশের গ্রামীনফোন, বাংলালিংক ইত্যাদি কোম্পানিগুলো Tier 1 কোম্পানির ক্যাবল থেকে সংযোগ নেয় এবং প্রতি জিবি হিসেবে একটি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা Tier 1 কোম্পানিকে দিয়ে থাকে। তাহলে এই গ্রামীনফোন, বাংলালিংক ইত্যাদি কোম্পানিগুলো হল Tier 2 কোম্পানি।

◾Tier 3

এলাকা ভিত্তিক কিছু ISP বা Internet Service Provider রয়েছে যাদের Tier 3 কোম্পানি বলা হয়। এরা এলাকা ভিত্তিক সার্ভিস দেয়।

↪ইন্টারনেটে বিশ্বভ্রমণ

আপনি আপনার কম্পিউটার থেকে ইচ্ছা করলে দেখতে পারেন, আপনি যদি কোন ওয়েবসাইটে ভিজিট করেন তাহলে আপনাকে কতগুলো দেশ অতিক্রম করে ওই ওয়েবসাইট – এর সার্ভারে যেতে হয়েছে। এটার জন্য আপনার কম্পিউটারের CMD ওপেন করতে হবে। তারপর tracert লিখে একটি স্পেস দিয়ে ওয়েবসাইটের লিংক যেমন দিতে হবে। তখন বিভিন্ন আইপি দেখা যাবে।

এই আইপিগুলো এই ওয়েবসাইটে একটু চেক করলে আপনি দেখতে পারবেন এর সার্ভারে যাবার জন্য আপনাকে কতগুলো দেশে সংযোগ করতে হয়েছে। এভাবেই পুরো পৃথিবীতে ইন্টারনেট কাজ করে থাকে।

↪ইন্টারনেটের মালিক কে?

প্রকৃতপক্ষে ইন্টারনেটের কোন মালিক নেই। বিভিন্ন কোম্পানি তাদের নিজেদের টাকায় অপটিক্যাল ফাইভার ক্যাবল বা সাবমেরিন ক্যাবল সমুদ্রে বিছায়।

↪ইন্টারনেটের জন্য কেমন খরচ হয়?

মনে করুন আপনার অফিসে একটি কম্পিউটার আছে। আপনার বাড়িতেও একটি কম্পিউটার আছে। আপনি এখন এই ২ কম্পিউটারের সাথে একটি ক্যাবল লাগিয়ে দিলেন। তাহলে আপনি আপনার ২ কম্পিউটারেই ইন্টারনেট সংযোগ করলেন। হ্যাঁ, এটাই ইন্টারনেট। সংক্ষেপে সমস্ত প্রক্রিয়াটা হল: মোবাইল/কম্পিউটার→নেটওয়ার্ক অপারেটর [বাংলালিংক, গ্রামীন, রবি, ইত্যাদি কিংবা ব্রডব্যান্ড]→ সাবমেরিন ক্যাবল[বলতে পারেন USB ক্যাবল]→অন্যপ্রান্তের কম্পিউটার৷৷

আসলে ইন্টারনেট ফ্রি। তাহলে ইন্টারনেটের জন্য আমরা টাকা দেই কেন? ইন্টারনেট সংযোগ দেবার জন্য যে ক্যাবল রয়েছে আর সেটা পরিচালনা করার জন্য যারা রয়েছে, টাকাটা মূলত আমরা তাদের দেই।তবে যেটুকু দরকার কম্পানি তার কয়েকগুন টাকা আমাদের থেকে নিয়ে নেয়।

কাটের্সী-Infinity Science

03/03/2020
আপনার WIFI পাসওয়ার্ড চাইলে কাউকে দিবেন না।|----------------------------------------------------------|প্রিয় গ্রাহক,আপনার...
12/01/2020

আপনার WIFI পাসওয়ার্ড চাইলে কাউকে দিবেন না।
|----------------------------------------------------------|
প্রিয় গ্রাহক,
আপনার Wi-Fi এর পাসওয়ার্ড অন্যকে দেওয়া/শেয়ার করা থেকে থেকে বিরত থাকুন।
আপনার ID অথবা User থেকে কেউ ইন্টারনেট ব্যবহার করে রাষ্ট্রদোহী কাজে জড়িত থাকলে আপনি দায়ী থাকবেন। আমাদের কাছে ইউজার লগ ২৪/৭ সংরক্ষন থাকে। যদি আপনার সংযোগ থেকে কোন প্রকার অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়, BTRC (The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission)লিস্ট চাওয়া মাত্র,আমরা তা দিতে বাধ্য। আমারা BTRC কে দিতে হবে।
আসুন নিজে সচেতন থাকি, অন্যকে সচেতন করি, দেশ ও জাতিকে বিপদমুক্ত রাখি।

18/10/2019

প্রিয় গ্রাহক,
অতিব দুঃখের সাথে জানাচ্ছি যে গত কাল থেকে আপনারা ইন্টারনেট ব্যাবহারে লাইন ড্রপ সহ বিভন্ন সমস্যাই পড়ছেন। আমাদের টেকনিক্যাল সমস্যার জন্য উক্ত সমস্যা হচ্ছে।

আমাদের টেকনিক্যাল টিম উক্ত সমস্যা সমাধান এ কাজ করছে।
আশা করি খুব দ্রুততম সময়ে সমস্যার সমাধান হবে।

সাময়িক সমস্যার জন্য আমরা আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।

যে কোন প্রয়োজনে কল করুনঃ
09678450450
09612363693

Address

Ershadpur Catal More, Collage Para
Alamdanga
7210

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Friday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+880 1715-338733

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alamdanga Broadband Service Provider And User Commiunity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share