09/05/2026
গল্পের নাম:আমায় পরিবর্তন হতে আপনি বাধ্য করেছেন।
লেখিকা:অধোরা
নাইকা:সাফিয়া মির্জা।
নাইয়ক:তূর্য আবরার মির্জা।
কথক:-মির্জা বাড়ির সবাই যেন থমকে গেছে, মির্জা বাড়ির বড় ছেলে তূর্য আবরার মির্জার করা কাজটাই, তূর্জ এই মাত্র মির্জা বাড়ির আদরের সবার ছোট মেয়ে সাফিয়া মির্জার গালে তার গায়ের সর্ব শক্তি দিয়ে চর মারে, সে একটা চর মেরেই শান্ত হয় নায় পর পর আরও তিন টা চর বসায় সাফিয়ার নরম তুলতুলে গালে, বাড়ির সাবার ছোট ও ভিসন আদোরের হউয়ায় কেউ তার গায়ে কখন হাত তোলেনি কিন্তু আজ তূর্য এমন একটা কাজ করবে সেটা সবার ধারনার ও বাইরে ছিল।
মির্জা বাড়ি চট্টগ্রামে বেস নাম ডাক আছে তাদের আর থাকবেই বা না কেন মির্জা বাড়ির বড় কর্তা রফিক মির্জা এবং ছোট কর্তা নাছিম মির্জা,তাদের দুই ভাইকে দেখলে কেউ প্রথম দেখায় বুঝতেই পারবে না যে তারা দুই ভাই নাকি বন্ধু, তারা দুই ভাই ছোট বেলা থেকেই বেশ মেধাবি ছিল, তারা দুই ভাই তাদের মেধাকে কাজে লাগিয়ে আনেক ঝর ঝাপটা অতিক্রম করে তাদের কম্পানি খোলে প্রথমে একটা কম্পানি খুললেও তারা ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাদের কম্পানি খুলে তাদের দেশের বাইরেও বিভিন্ন কম্পানি আছে। রফিক মির্জার স্ত্রী আমেনা মির্জা এবং নাছিম মির্জার স্ত্রী রূমি মির্জা। রফিক মির্জা ও আমেনা মির্জার এক ছেলে ও এক মেয়ে বড় ছেলে তূর্য আবরার মির্জা ও ছোট মেয়ে ইনায়া মির্জা। নাছিম মির্জা ও রূমি মির্জার ওএকছেলে এক মেয়ে বড় ছেলে শুদ্ধ মির্জা ছোট মেয়ে সাফিয়া মির্জা।
ভাই বোনদের ভিতর তূর্য সবার বড়, শুদ্ধ মেজ, ইনায়া সেজ,সাফিয়া সাবার ছোট ও ভিসন আদরের।ছোট থেকে সাফিয়া তূর্যকে ভাই হিসাবেই অনেক পছন্দ করতো, বয়সের সাথে সাথে সেটা ভালোবাসায় রূপ নিল,সেটা বায়ার সবাই জানলেও তূর্য জানতো না, কারন সে ছোট বেলা থেকেই খুব রাগি এবং গম্ভীর প্রকৃতির লোক, আর সাফিয়া বেস চঞ্চল প্রকৃতির ও খুব জেদি ও শান্ত কিন্তু একবার রেগে গেলে ওকে আর কেউ শান্ত করতে পারে না শুধু ওর বাবা নাছিম মির্জা ছাড়া।আর সে সহজে রাগে ও না, বেশ নরম মনের ভোলাভালা মেয়েটা
ইনায়া আর শুদ্ধের ব্যপার ছিল পুরাই উলটো, ইনায় যেরকম চঞ্চল শুদ্ধ তার থেকে বেশি চঞ্চল আর এই দুই জনের বিয়ে ছোট থেকেই ঠিক হয়ে রয়েছে, কিন্তু এটা বড়রা বাদে কেউ জানে না, তূর্য আর সাফিয়ার কথা চিন্তা করলেও প্রথমে কিন্তু তূর্য যে সাফিয়াকে সয্যই করতে পারে না, সাফিয়া স্যমবর্ণের চেহারায় মায়াবি দুইা বড় বড় চোখ আর চোখের মনি দুটো ছিল সবুজ রঙের এবং চুল ছিল আনেক সুন্দর ও ডার্ক রেড কালার,ঠোঁট গুলা ও পিংক কালার কিন্তু সে তো ছোট অতো কিছু কি সে আর বুঝতো, সাফিয়া তাদের বাগানে মাটিতে খেলতো চুল আচরা তো না খাবার খেতে গেলে পুরা মুখে লেগে থাকতো, আর তূর্য হলো ভিন্ন যে সব সময় গোচ গাচ থাকতে পছন্দ করে, সাফিয়া ছোট থাকতে একবার তূর্য সাফিয়াকে কোলে নিয়ে ছিল তখন সাফিয়া বললো....
সাফিয়া :তুরয্য বাইয়া আমি না তোমাকে খুব বালোবাশি 💗
কথক:বলতে বলতে সে তূর্যর গায়ে বমি করে,দেয় একটু আগেই সে আইসক্রিম খেয়ছিল,তূর্যের ইচ্ছা করছে এই মেয়েকে একটা চর মারতে। তখন তূর্য বললো...
তূর্য : বেয়াদপ মেয়ে কী করলে এটা?
কথক:তূর্যের ওই ধমক সুনি ছোট সাফিয়ার কি যে কান্না, তার পর থেকে আর তূর্য তাকে দেখতে পারে না।
এটাতো সবাই জানে কিন্তু আজকে সাফিয়াকে মারলো কেন এটার প্রতি সবার অনেক কওউতুহল,দির্ঘ ১৩বছর পর। আজ সাফিয়ার ১৪তম জন্মদিন যেখানে সে ভালোবেসে তূর্যকে কেক খাউয়াতে গিয়ে ছিল, কিন্তু তূর্য তাকে তারয়ের রঙ নিয়ে অনেক অপমান করে আর বলে যে
তূর্য:তোর মতো কুৎসিত চেহারার মেয়ের সাহস হয় কী করে আমাকে কেক খাওয়াতে আসার।
কথক:তূর্যের চিৎকার করা কথা গুলো শুনে সবাই স্তবদ্ধ হয়ে যাই আর সাফিয়া চোখ থেকে টপটপ কোরে পানি পরছে, এত অপমানিত সে কখন হয় নি। তার এই শ্যমবর্ণের চেহারা যেই দেখে সেই প্রসংসায় পনঞ্চমূখ কিন্তু কেউ যে তার গায়ের রঙ নিয়ে এতো বাজে কাথা বলবে এটা সে ভাবতে ও পারে নাই।এতে মির্জা বাড়ির সবাই তূর্যের উপর রেগে গেলেও কিছু বললেন না। সাফিয়া এত অপমান সয়তে না পেরে দৌড়ে দোতলায় সিরি বেয়ে উঠে গিয়ে নিজে রূমের দরজা লাগিয়ে দেয়। দরজা লাগানোর সব্দে এবার তার হুস ফিরল, সে এটা কী করল কেবেল মনে পরে তারই আফসোস হতে লাগল,আসোলে ভাসিটিতে সে একটা বিষয় নিয়ে বন্ধুদের সাথে ঝামেলা করে, বাসায় আসতে সাফিয়ার এমন আচরণে নিজের উপর নিয়নন্ত্র রাখতপ পারেনি এসব ভাবার মধে্যয় তার বাবার বলা কথাটা তার কানপ আসল,
রফিক মির্জা:তোমা সাফিয়া মামনির সাথে এমন করা উচিত হয় নাই,আজ তুমি অনেক বড় অনন্যায় করে ফেলেছ, এর জন্য তোমাকে অনেক পচতা তে হবে।
কথক:রফিক মির্জার কথা শুনে সাবাই আর এখানে না দারিয়ে যার যার ঘরে চলে যায় শুধু তূর্য একা ড্রইংরুমে দারিয়ে থেকে সেও নিজের রূমে চলে যায়।
সেই দিন হয়েছে আজ ১৫ দিন হয়েছে সে আর আগের মতো চনঞ্চল ও আরনেই আর বোকা বোকা কাজ করে সবাই কে আর হাসাই ও না। আজ১৬দিন পর তূর্য সাফিয়াকে দেখলো কিন্তু সাফিয়ার হাতে এসব কী লাগেজ পাসপোর্ট এসব কিছু দেখে তূর্য কিছু বুঝতে পারলো না। তাই সে সবাইকে উদ্দেশ্য করে বল্য
তূর্য:এখানে কী হচ্ছে,আর সাফিয়া কোথায় যাচ্ছে?
কথক:ওর কথা শুনে তূর্যের মা রাগে খোবে বলেন
আমেনা মির্জা:মেয়েটা কে বাড়ি ছাড়া করেও তোর শান্তি হচ্ছে না?
কথক:নিজের মায়ের এমন কথা শুনে যেন পাথর হয়ে গেল,সাফিয়া যাওয়ার সময় ইনায়া আর শুদ্ধ অদের আদরের ছোট বোনকপ ওদের কি য কান্না তার পর সাফিয়া সাবাইকে বিদায় জানিয়ে পারি জমাই জাপানের পথে, জাপান একটি উন্নত রাষ্ট,সাফিয়া ওর পড়া লেখা ওখানেই করার উদ্দেশ্যে গিয়েছে আর এসব দেখে তূর্য কেবল পাথর হয়ে দারিয়ে রইল।(PART:1)
1kহলে পরের পর্ব দিব ভালো লাগলে বেশি বেশি শেয়ার করবেন প্লিজ। আমার লেখা গল্প পরে যদি ভালো লাগে বলবে বেন অল্প লোক হলেও আমি পরের পর্ব দিব।আর কেউ আমার গল্প কপি করবেন না প্লিজ আর করলেও আমার fbপেজ মেশন করবে এবং আমার নাম উল্লেখ করে যদি ছারতে পারেন তাহলে আমার গল্প নিতে পারেন কিন্তু নেওয়ার আগে আমাকে মেসেজ দিবেন, ধন্যবাদ সাবাইকে গল্প ভালো লাগলে পাশে থাকবেন💜💌