20/05/2026
সৈনিক সিপাহী কনস্টেবল এদের অপরাধ কি?
সৈনিক দের সম্মান কি সচিবলয়ের ড্রাইভার দের থেকেও কম?
একজন সহযোদ্ধা ডিউটি সীমান্তে সর্বনিম্ন ১২ ঘন্টা থেকে ১৬ ঘন্টা ও করা লাগে।এছাড়া দেশের অভ্যান্তরে একজন সৈনিক, সিপাহী, কনস্টেবল ডিউটি করে নিম্ন ৮ থেকে ১৬ ঘন্টা। এছাড়া অন্যান্ন কার্যক্রম তো বাধ্যতামুলক অংশ গ্রহণ করে, এটা ডিজিটাল যুগে সবার জানা।
সৈনিক, ঝড়ে, বৃষ্টিতে,রাতে, দিনে, শীত বা গরমে কোনটাই তার ডিউটি বন্ধ রাখতে পারে না,ঈদ, পূজা, কিসের নববর্ষ কোনটাই তো তাদের কপালে জোটে না।ছুটির দিন বলতে তাদের কোন দিন নেই।৩ মাস পার হলে ১০ দিন ছুটি, তাও সময় মতো না।
একটা গল্প বলি শোনেন,,,,,
২০১৫ পে এস্কেল,,,,
ইউনিয়ন পরিষদের কেরানির বেতন ছিল ১৪ তম গ্রেডের, সেটা বাড়িয়ে তাকে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব করে গ্রেড দেওয়া হয়েছে ১০ তম, আলহামদুলিল্লাহ।
২০১৫ পে এস্কেল,,,
সম্মানিত শিক্ষক দের গ্রেড ছিল ১৭ তম,সেটা বাড়িয়ে গ্রেড করা হয়েছে ১৩,১১ এবং ১০ এর জন্য চেষ্টা করছেন আলহামদুলিল্লাহ। এছাড়া ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারীরা বেতন গ্রেড আপ করে নিয়েছেন।
একজন সচিবালয় এর ড্রাইভার, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, শিক্ষক, ঘরে বৌ,বাচ্চা, পরিবার নিয়ে সপ্তাহে ৫দিন,দিনে ৮ ঘন্টা ডিউটি করে য়দি ১৩,১১,১০ তম গ্রেডের সম্মানিত ব্যক্তি হন, তাহলে সৈনিক কেন ১৭ তম গ্রেডের।
তারা শিক্ষার কারিগর হলে সৈনিক কি দেশ গড়ার কারিগর না?
কোন অনুষ্ঠান আসলে সৈনিক দের মুখ অজানা অন্ধকারে নিমজ্জিত থাকে।
৯ হাজার টাকা বেতন, সকল ভাতা মিলে ১৪ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা।এটা দিয়ে নাপারে নিজের চাহিদা পুরনে,আর না পারে পরিবারের চাহিদা পুরনের।
সৈনিক দের, অর্থনৈতিক চাপ, পারিবারিক চাপ,অতিরিক্ত ডিউটি তাদের মধ্যে একটা হতাশা তৈরি করে।
যারা বলেন না পোষালে চলে যান। বহুত বেকার আছে, ১৫ হাজার টাকায় চাকরি করার,ভাই আবেগ নিয়ে কথা বলা সহজ,আসার পরে না, সৈনিক দের মতো আপনার ও মন মাইন্ড একি তৈরি হবে।
বাড়িতে থেকে পরিবার কাছে রেখে ১৫ হাজার টাকা ইনকাম করলেও আলাদা শান্তি আছে,নেই দেশ রক্ষার চিন্তা, নেই পরিবারের চিন্তা, নেই বন্দী জীবন, নেই কারোর আদেশ মানার,শৃঙ্খলা,এক কথায় নিজের মতো করে চলা মুক্ত জীবন।
যাই হোক গল্প তো অনেক হলো,,,,,
সৈনিক সিপাহী কনস্টেবল দের কি একটু সম্মান দেওয়া যায় না, ১৭ তম গ্রেডের থেকে ইনসাফ ভিত্তিতে সম্মান জনক অবস্থানে নেযার।
নাকি ব্রিটিশ দের রেখে যাওয়া নিয়ম কানুন বলবাদ রাখবেন।
ধন্যবাদ।।