TukTak

TukTak খাঁটি খাদ্যপন্য সরবরাহে আমরা আছি আপনার পাশে We Provide that Service is what You want. What can fit in you budget. And make you happy with our service.

15/10/2025

চিনি আসলেই কি বিষ!!

✅ বাঁশের কাটিং থেকে চারা তৈরি করার পদ্ধতি:১. উপযুক্ত জাত নির্বাচন:উন্নত জাতের ও স্বাস্থ্যবান বাঁশগাছ বেছে নিতে হবে।সাধার...
25/06/2025

✅ বাঁশের কাটিং থেকে চারা তৈরি করার পদ্ধতি:

১. উপযুক্ত জাত নির্বাচন:
উন্নত জাতের ও স্বাস্থ্যবান বাঁশগাছ বেছে নিতে হবে।
সাধারণত বারি বাঁশ-১, বারি বাঁশ-২ প্রভৃতি জাত ভালো।

২. কাটিং তৈরি:
১.৫–২.০ ফুট লম্বা করে বাঁশের কাণ্ড কেটে নিতে হবে।
প্রতিটি কাটিংয়ে অন্তত ২টি গাঁট (node) থাকতে হবে।
নিচের গাঁটটি থেকে মূল বের হয়, আর উপরের গাঁট থেকে চারা গজায়।

৩. কাটিং রোপণ:
কাটিংগুলো ৪৫ ডিগ্রি কোণে হালকা স্যাঁতসেঁতে বালিমাটি বা দোআঁশ মাটিতে পুঁতে দিতে হবে।
অন্তত একটি গাঁট মাটির নিচে থাকবে এবং একটি গাঁট মাটির উপরে থাকবে।
চাইলে পচনরোধে কাটিংয়ের মুখে ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা যায়।

৪. ছায়াযুক্ত পরিবেশে রাখা:
সরাসরি রোদ নয়, হালকা ছায়ায় রাখা উত্তম।
মাটি যেন সবসময় স্যাঁতসেঁতে থাকে, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৫. সময়কাল:
১৫–৩০ দিনের মধ্যে গাঁট থেকে চারা গজাতে শুরু করবে।
প্রাথমিক চারা বড় হলে পলিব্যাগ বা মাঠে স্থানান্তর করা যাবে।

📌 অতিরিক্ত পরামর্শ:
বর্ষাকাল বা আগাম বর্ষা চারা কাটিংয়ের উপযুক্ত সময়।
চারা গজানোর পর ২–৩ মাস পরিচর্যা করে মাঠে রোপণ করলে বেশি টেকসই হয়।

পাঙ্গাস মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙ্গাশ মাছ খেলে কী হয়??পাঙ্গাশ মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর পুষ্টির ম...
17/06/2025

পাঙ্গাস মাছ খেতে নিষেধ করা হয় কেন? পাঙ্গাশ মাছ খেলে কী হয়??

পাঙ্গাশ মাছ একটি অত্যন্ত সুস্বাদু তেল জাতীয় মাছ। এর পুষ্টির মান অতি উচ্চ। ওমেগা থ্রি ও সিক্স দুটোই ভালো পরিমানে পাওয়া যায়। ওমেগা সিক্সের চেয়ে ওমেগা থ্রি ভালো বেশি। পাঙ্গাশ নিয়মিত খান। আমিষ, ওমেগা থ্রি, চোখের জন্য উপকারী মিনারেল সব পাবেন পাঙ্গাশ মাছে।

তেল জাতীয় সব মাছ স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারী। রুই মাছের চেয়ে পাঙ্গাশ মাছ দামে কম কিন্তু পুষ্টিতে বেশি। ইলিশ মাছ, পাঙ্গাশ মাছ এসব মাছে তেল থাকে অনেক। তাই এই মাছগুলো স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে হার্টের জন্য অনেক উপকারী। মাছের তেল সাধারন তেল নয়।

এই তেল খেলে দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। তাই বেশি বেশি তেলযুক্ত মাছ খান তবে অবশ্যই সেটা যেনো মোটা হওয়ার কারন না হয় সেটা লক্ষ্য রেখেই খান।

পাঙ্গাশ মাছ কেউ কেউ নিষেধ করে এর চাষের প্রক্রিয়ার কারনে। ময়লা পানিতে পাঙ্গাশ মাছ হয় এমন একটা মিথ্যা তথ্য দিয়ে পাঙ্গাশ মাছের পুষ্টি থেকে বঞ্চিত করার চক্রান্ত করছে ।

তাছাড়া যেকোন মাছ যখন ভালোভাবে পরিষ্কার করে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় রান্না করা হবে মাছের মধ্যে খারাপ কিছু থাকলে সব ধ্বংস হয়ে যায়।

তাই নিশ্চিন্তে পাঙ্গাশ মাছ খান, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ান আর হার্টকে সুস্থ রাখুন। ❤️❤️❤️

✍️ ডা.মুশফিকুর রহমান খান জয়
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

👉অনলাইন বনাম লাইফ লাইন...!!!------------------------------------🤏 অসাধারণ লেখা একটু সময় থাকলে পড়ে দেখুন ভালো লাগবে...!!!...
11/05/2025

👉অনলাইন বনাম লাইফ লাইন...!!!
------------------------------------
🤏 অসাধারণ লেখা একটু সময় থাকলে পড়ে দেখুন ভালো লাগবে...!!!
বাবার সাথে প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে ব্যাংকে বসে আছি।
বিরক্ত হচ্ছি খুব।
যত না নিজের উপর, তার চেয়ে বেশি বাবার উপর।
অনেকটা রাগ করেই বললাম-
"বাবা কতবার বলছি অনলাইন ব্যাঙ্কিংটা শিখো। "
বাবা বললেন, এটা শিখলে কি হবে রে খোকা ? ঘরে বসেই তুমি এই সামান্য কাজটা করতে পারতে।
শুধু ব্যাংকিং না, শপিংটাও তুমি অন- লাইনে করতে পারো। ঘরে বসে ডেলিভারি পেতে পারো। খুবই সহজ।
কিন্তু এই সহজ জিনিসটাই তুমি করবে না।
বাবা জানতে চাইলেন করলে আমাকে ঘরের বাইরে বের হতে হতো না তাই না খোকা ?
হ্যাঁ, বাবা তাই। এখানে এসে ঘন্টা খানেক অনর্থক বসে থাকতে হতো না।
এরপর বাবা যা বললেন
তাতে আমি নির্বাক হয়ে গেলাম.....!!
বাবা বললেন --
এতো সময় বাঁচিয়ে তোমরা কি করো ?
ফোনেই তো সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকো।
কবে শেষদিন তুমি তোমার ফুপুর সাথে কথা বলেছো?
দশ হাত দূরে প্রতিবেশী --
বৃদ্ধ বশির কাকার খবর নিয়েছো ?
অথচ, আপন জনের সাথে দেখা করতে
আমরা দশ মাইল পথ হেঁটেছি।
সময় বাঁচানোর চিন্তা করিনি।
মানুষ যদি মানুষের পাশেই না যায়-
তবে এতো সময় বাঁচিয়ে কি হবে বলো ?
বাবার কথা পাশ থেকে মানুষেরা শুনছেন।
আমি চুপচাপ বসে আছি।
বাবা বললেন --
ব্যাংকে প্রবেশের পর থেকে
চারজন বন্ধুর সাথে কুশল বিনিময় করেছি।
তুমি জানো, আমি ঘরে একা।
তাই ঘর থেকে বের হয়ে আসাটাই আমার আনন্দ।
এইসব মানুষের সাহচর্যটাই আমার সঙ্গ।
আমার তো এখন সময়ের কমতি নেই।
মানুষের সাহচর্যেরই কমতি আছে।
ডিভাইস, হোম-ডেলিভারি,
এনে দেবে অনেক কিছু, কিন্তু
মানুষের সাহচর্য তো আমায় এনে দেবে না।
মনে পড়ে, দু বছর আগে
আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম।
যে দোকান থেকে আমি
দৈনন্দিন কেনাকাটা করি,
তিনিই আমাকে দেখতে গিয়েছিলেন।
আমার পাশে বসে থেকে
মাথায় হাত রেখেছিলেন।
আমার চোখ অশ্রুসিক্ত হয়েছিলো।
তোমার ডিভাইস বড়জোড় একটা যান্ত্রিক ইমেইল পাঠাবে,
কিন্তু আমার পাশে বসে থেকে
চোখের জল তো মুছে দেবে না,
বরং মনের কষ্ট আরও বাড়াবে, তাই না ।
চোখের জল মুছে দেয়ার মতো
কোনো ডিভাইস কি তৈরি হয়েছে?
সকালে হাঁটতে গিয়ে তোমার মা পড়ে গিয়েছিলেন।
কে তাকে ঘরে পৌঁছে দিয়েছিলো?
অনলাইন মানুষের একাউন্ট চেনে,
সে তো মানুষ চেনে না!
মানুষের ঠিকানা চেনে, কিন্তু
রাস্তায় পড়ে থাকা মানুষের ঘর তো চেনে না!
এই যে মানুষ আমার শয্যাপাশে ছিলো,
তোমার মাকে ঘরে পৌঁছে দিলো,
কারণ - দৈনন্দিন নানা প্রয়োজনে
একজন আরেকজনকে চিনেছি।
সবকিছু অনলাইন হয়ে গেলে --
মানুষ "হিউম্যান টাচটা" কোথায় পাবে বলো ?
আর পায় না বলেই --
পাশের ঘরে মানুষ মরে গিয়ে লাশ হয়ে থাকে,
দুর্গন্ধ না আসা পর্যন্ত
কেউ কারো খবরও আর রাখে না।
বড় বড় অ্যাপার্টমেন্টগুলো আমাদের
" অ্যাপার্টই " করে দিয়েছে ।
পুরো পাড়ায় একটা টেলিভিশনে
কোনো অনুষ্ঠান একসাথে দেখে সবার আনন্দ,
আমরা একসাথে জড়ো করতাম।
এখন আমরা রুমে রুমে
নানা ডিভাইস জড়ো করেছি।
আনন্দ আর জড়ো করতে পারি না।
এই যে ব্যাংকের ক্যাশিয়ারকে দেখছো --
তুমি তাঁকে ক্যাশিয়ার হিসাবেই দেখছো,
সেলসম্যানকে সেলসম্যান হিসাবেই দেখছো।
কিন্তু আমি সুখ- দুঃখের অনুভূতির
একজন মানুষকেও দেখছি।
তাঁর চোখ দেখছি।
মুখের ভাষা দেখছি।
হৃদয়ের কান্না দেখছি।
ঘরে ফেরার আকুতি দেখছি ।
এই যে মানুষ মানুষকে দেখা,
এটা একটা বন্ধন তৈরি করে।
অনলাইন শুধু সার্ভিস দিতে পারে,
এই বন্ধন দিতে পারে না।
পণ্য দিতে পারে,
পুণ্য দিতে পারে না।
এই যে মানুষের সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
কুশলাদি জিগ্যেস করা --
এখানে শুধু পণ্যের সম্পর্ক নেই,
পুণ্যের সম্পর্কও আছে।
-- বাবা, তাহলে টেকনোলজি কি খারাপ ? আমি জানতে চাই।
বাবা বললেন --
টেকনোলজি খারাপ না। অনেক কিছু সহজ করেছে নিঃসন্দেহে সত্য।
ভিডিও কলের মাধ্যমে লাখে লাখে ছেলেমেয়েরা পড়ছে,
শিখছে, এটা তো টেকনোলজিরই উপহার।
তবে, টেকনোলজির নেশাটাই খারাপ।
স্ক্রিন অ্যাডিকশন
ড্রাগ অ্যাডিকশনের চেয়ে কোনো অংশে কম না।
দেখতে হবে,
ডিভাইস যেন আমাদের মানবিক সত্ত্বার
মৃত্যু না ঘটায়।
আমরা যেন টেকনোলজির দাসে পরিণত না হই।
মানুষ ডিভাইস ব্যবহার করবে।
মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করবে।
কিন্ত ভয়ঙ্কর সত্য হলো,
এখন আমরা মানুষকে ব্যবহার করি,
আর ডিভাইসের সাথে সম্পর্ক তৈরি করি।
মানুষ ঘুম থেকে ওঠে আপন সন্তানের মুখ দেখার আগে মোবাইলের স্ক্রিন দেখে,
সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইন্সটিউট
এটাকে ভয়ঙ্কর মানসিক অসুখ বলে ঘোষণা করেছে।
কিছুদিন আগে আশা ভোঁসলে
একটা ছবি পোস্ট করে ক্যাপশান লিখেছেন-
" আমার চারপাশে মানুষ বসে আছে --
কিন্তু কথা বলার মানুষ নেই।
কারণ সবার হাতে ডিভাইস।"
বাবা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন --
জানি না ভুল বলছি কি-না,
তবে আমার মনে হয়,
তোমরা পণ্যের লোগো যতো চেনো,
স্বজনের চেহারা ততো চেনো না।
তাই,যতো পারো মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করো,
ডিভাইসের সাথে না।
টেকনোলজি জীবন নয়।
✊ স্পেন্ড টাইম উইথ পিপল,
নট উইথ ভিডাইস। 🤫
এ সময় বাবাকে চাচা বলে কে একজন ডাক দিলেন...!
বাবা কাউন্টারের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন।
এই প্রথম আমি বুঝতে পারলাম --
বাবা কেবল ক্যাশিয়ারের দিকে যাচ্ছেন না,
একজন মানুষ,আরেকজন মানুষের কাছেই যাচ্ছেন।
বাবাকে আমি অনলাইন শেখাতে চেয়েছিলাম,
বাবা আমাকে লাইফলাইন শিখিয়ে দিলেন।
#সংগৃহীত

10/05/2025

বিশেষ করে মেয়েদেরকে এই গল্পটি পড়ার জন্য অনুরোধ করা হলঃ
মেয়েরা একবার হলেও পড়বে, লিখতে চাইনি; শুধু কোন না কোন বোনের উপকারে আসবে তাই লিখলাম। আর যদি একজন বোনের ও উপকারে আসে তাহলে আমার লিখাটা স্বার্থক হবে।
গরীব ঘরের একটি সহজ সরল মেয়ে নাম তার বৃষ্টি। বাবা মায়ের এক মাত্র সন্তান বৃষ্টি। অনেক কষ্ট করে খেয়ে না খেয়ে মেয়েটিকে তারা পড়া শোনা করাচ্ছেন। মেয়েটা লেখাপড়ায় ও ফাস্ট, অনেক মেধাবী একটি ছাত্রী। জি পি এ ফাইভ নিয়ে ঢাকায় একটি ভাল কলেজে ভর্তি হয়েছে। এখানে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করছে। মেয়েটি অনেক স্বপ্ন দেখতো অনেক লেখা পড়া করে ভাল একটা জব করবে। বাবা মা কে নিয়ে একটু ভাল ভাবে বাঁচবে। অনেক মন দিয়ে পড়াশোনা করে যাচ্ছে মেয়েটা। কয়েক মাস পর কলেজের একটা ছেলে বৃষ্টিকে প্রপোজ করলো ছেলেটার নাম ছিল আকবর। ভিশন ভাল ছেলে তার পরও বৃষ্টি প্রপোজ টা গ্রহন করেনি, সে আকবরকে বলল তোমাকে ফিরিয়ে দিচ্ছি না যদি অপেক্ষা করতে পারো তাহলে অকে। আকবর বলল আমি তোমার জন্য সারা জীবন অপেক্ষা করবো।
এই ভাবে দিন গেল মাস গিয়ে বছর গেল এখন বৃষ্টির ফাইনাল ইয়ার এ দুই মাস পর তার ফাইনাল পরিক্ষা। বৃষ্টির এক বান্ধবীর বিয়ে, বৃষ্টি কে অনেক মিনতি করে যাওয়ার জন্য রাজি করেছে।এখন বৃষ্টি ভাবছে বড় লোক বান্ধবীর বিয়ে একটু ভাল করে পার্লারে সাজ গুজ করে যেতে হবে। কিন্তু টাকা পাবে কই সে আকবরকে গিয়ে বললো আমাকে ১ হাজার টাকা ধার দিতে পারবে মাস শেষে দিয়ে দেব। আকবর বলল আচ্ছা দিব, পরের দিন বৃষ্টি চলে গেল একটি পার্লারে তার আরেকটা বান্ধবীকে নিয়ে। জীবনের প্রথম গেছে সে পার্লারে সাজতে। আর সেই পার্লারের মেয়েটা ছিল একটা খারাপ মেয়ে, টাকা ওয়ালার ছেলেদের সাথে মেয়েটির হাত ছিল, সে সুন্দর সুন্দর মেয়েদের কে ফাঁদে ফেলে ঐ পয়সা ওলাদের কাছে পাঠিয়ে দিত।
বৃষ্টি তার ফাঁদে পড়ে গেল, বৃষ্টিকে বলল আপু আপনি উপরের রুমে চলে যান ওখানে স্পেশাল সাজ দেওয়া হয় আর এখানে
সিট ও খালি নেই সে চলে গেল উপরের রুমে। আর যেতেই রুমের ভিতর তিনটা ছেলে ছিল দুজনে বৃষ্টির মুখে কাপর দিয়ে বেধে নিল একজনে দরজা লাগিয়ে দিল পরে মেয়েটি কে দুজন ধরে রাখলো এক জন ধর্ষণ করল। ছিঃ এরা আবার নিজেকে পুরুষ বলে, তিন জন মিলে বন্ধ রুমে একটি অসহায় মেয়েকে ধর্ষণ করে এদের কে হিজড়া বললে হিজড়া দের ও অপমান করা হবে। ওরা তো পশুর চেয়েও জঘন্য। ভাবতে অবাক লাগে ওরা ও কোন মায়ের গর্ভে জন্ম নিছে। ধিক্কার জানাই এই রকম পুরুষদের।
বৃষ্টির বান্ধবী পার্লারের মেয়েটা কে বলল আমার বান্ধবী কই সে বলল তোমার বান্ধবী তো অনকে আগেই চলে গেছে তার পর সেও চলে গেল। ওরা বৃষ্টিকে দুইদিন রেপ করে ছাড়ল। মেয়েটি তখন আদমরা কি করবে গিয়ে বান্ধবী কে সব বলল, বান্ধবী বৃষ্টিকে নিয়ে থানায় মামলা করলো। বৃষ্টিকে হাসপাতালে নেওয়া হল সত্যি তাকে রেপ করা হয়েছে কি না তা পরিক্ষা করার জন্য। কিন্তু ডাক্তার টাকা খেয়ে ভুল রিপোর্ট দিল আর পুলিশ ঘুষ খেয়ে কোর্ট এ মিথ্যে সাক্ষী দিল ভাল মেয়েটা কে চরিত্রহীনা বানিয়ে দিল। এই হল আমাদের দেশের আইন ব্যবস্থা। যেখানেই শুধু বড় লোকেরাই বিচার পায় আর গরিবের কোন বিচারই নেই।
এখন এই অসহায় মেয়েটি সমাজে কি ভাবে মুখ দেখাবে। পরের দিনই মেয়েটির ভিডিও টি ইন্টারনেটে ছেড়ে দিল। গ্রামের মানুষরা দেখে মেয়েটির বাবা মাকে অনেক অপমান করছে আর বলছে তোমরা শহরে পড়ার নাম করে মেয়েটি কে দিয়ে খারাপ কাজ করাচ্ছো ছিঃ ছিঃ । গ্রামের লোকের অপমান সহ্য না করতে পেরে বৃষ্টির বাবা মা দুজনেই বিষ খেয়ে সুইসাইড করলেন।
বৃষ্টি সেই কথা শুনে সেও গলায় দড়ি দিয়ে সুইসাইড করল,আর বৃস্টি মারা যাওয়ায় পর আকবর টা ও পাগল হয়ে গেল। চারটি প্রাণ আর একটা ভালবাসার ঘর অকালে ঝরে গেল...।

শেষকথাঃ সব বোনদের অনুরোধ করে বলছি যে তোমরা অপরিচিত কোন পার্লারে একা কখনো যাবেনা। আর গেলে নিজের ভাই অথবা বোন কে নিয়ে যাবে। কারণ আপন তো আপনই। কে জানে এই রকম ঘটনা কার জীবনে ঘটে যায়।
(গল্পটি সংগৃহীত)

আপনাকে ছাড়া কি আপনার ব্যবসা চলে?যদি উত্তর "না" হয়, তাহলে দুঃখিত — আপনি একটা চাকরি তৈরি করেছেন নিজের জন্য, ব্যবসা নয়।স...
06/05/2025

আপনাকে ছাড়া কি আপনার ব্যবসা চলে?
যদি উত্তর "না" হয়, তাহলে দুঃখিত — আপনি একটা চাকরি তৈরি করেছেন নিজের জন্য, ব্যবসা নয়।
সত্যিকারের ব্যবসা গড়ে তুলতে হলে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়:
- সিস্টেম তৈরি করুন।
আপনি না থেকেও যেন কাজ চলতে পারে। কীভাবে অর্ডার নেবে, কীভাবে ডেলিভারি হবে, কীভাবে কাস্টমারের সমস্যা সমাধান হবে — সবকিছুর জন্য স্পষ্ট নিয়ম ও প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে।
- টিম তৈরি করুন, সময় কিনুন।
আপনার সময় সীমিত। দিনে ২৪ ঘণ্টার বেশি কাজ করা সম্ভব নয়। তাই অন্যের সময় (ট্যালেন্ট) কিনতে হবে — মানে কর্মী নিয়োগ করতে হবে এবং দায়িত্ব ভাগ করে দিতে হবে।
আপনি একা দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। কিন্তু যদি চারজনকে নিয়োগ দেন, তাহলে প্রতিদিন ৩২ ঘণ্টার কাজের আউটপুট পাবেন। চিন্তা করুন, কত দ্রুত উন্নতি হবে। তবে সাথে সাথে ম্যানেজমেন্টও ডেভেলপ করতে হবে।
- স্কেলযোগ্য পণ্য তৈরি করুন।
এমন পণ্য বা সেবা তৈরি করুন যেটা একাধিকবার বিক্রি করা যাবে, বড় করা যাবে, নতুন বাজারে নেওয়া যাবে।
যেমন, ১০ হাজার টাকা খরচ করে যদি ১০০টি প্রোডাক্ট বানিয়ে ১৫ হাজারে বিক্রি করতে পারেন, তাহলে একইভাবে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
কিন্তু আপনি যদি প্রতিটা প্রোডাক্ট নিজের হাতে বানান, তাহলে প্রতিদিনের উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই সীমিত থাকবে।
- উদাহরণ:
আপনি যদি নিজেই প্রতিদিন দোকানে বসে রুটি বানান, তাহলে আপনি রুটির কারিগর।
কিন্তু যদি বেকারির রেসিপি ঠিক করে দেন, কর্মী নিয়োগ করেন, ডেলিভারির সিস্টেম তৈরি করেন, এবং দোকানের বাইরে থেকেও অর্ডার নিতে পারেন — তাহলে আপনি একজন উদ্যোক্তা।
- আরেকটি বাস্তব উদাহরণ:
মুদি দোকানও ব্যবসা, সুপারশপও ব্যবসা।
পার্থক্য হলো — মুদি দোকানে মালিককে প্রতিদিন নিজে থাকতে হয়,
কিন্তু সুপারশপে মালিক ছাড়াও ব্যবসা চলে, কারণ সেখানে সিস্টেম তৈরি আছে।
হ্যাঁ, শুরুতে হয়তো নিজের হাতে অনেক কাজ করতে হবে বা চাকরির টাকা জমিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হতে পারে।
কিন্তু শুরু থেকেই লক্ষ্য রাখা উচিত — সিস্টেম তৈরি করা।
কাজ করুন নিজের ওপর নয়, নিজের তৈরি করা সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখুন।
চাকরির মতো নয়, সত্যিকারের ব্যবসা তৈরি করুন।

🔴 বরিশালবাসীর জন্য সচেতনতা মূলক পোস্ট 📌গতকাল ১৮/২/২৫ তারিখ দুপুর ৩ টার দিকে বরিশাল নগরীর নতুল্লাবাদ এলাকার লুতফুর রহমান ...
19/02/2025

🔴 বরিশালবাসীর জন্য সচেতনতা মূলক পোস্ট 📌

গতকাল ১৮/২/২৫ তারিখ দুপুর ৩ টার দিকে বরিশাল নগরীর নতুল্লাবাদ এলাকার লুতফুর রহমান সড়কের ব্লক এ/১ এর একটি বাসায় দুই জন লোক যায়, এবং তারা এমন কিছু একটা করে, যাতে গৃহকর্ত্রী বাসার সব কিছু (সোনা-গহনা,টাকা) নিজের ইচ্ছায় তাদের হাতে তুলে দেয়!

গত পরশুদিনের একটা ঘটনা শুনেছিঃ
এক মহিলা পানি খাওয়ার কথা বলে এক বাসায় ঢুকেছিলো কিন্তু ঐ সময়ে মহিলা কিছু একটা করেছে বলে বাড়িওয়ালা মহিলা তার সোনা-গয়না, বাসায় রাখা টাকা-পয়সা সবকিছু ঐ মহিলাকে দিয়ে দিয়েছে।

এইটা কে (ডেভিল ব্রেথ / শয়তানের নিশ্বাস) বলা হয়।
"শয়তানের নিঃশ্বাস একটি হেলুসিনেটিক ড্রাগ। রাসায়নিকভাবে এটি স্কোপোলামিন নামে পরিচিত। স্কোপোলামিন একটি প্রাকৃতিক বা কৃত্রিমভাবে উৎপাদিত ট্রোপেন অ্যালকালয়েড এবং অ্যান্টিকোলিনার্জিক ড্রাগ। এটি হায়োসিন, ডেভিলস ব্রেথ, শয়তানের নিঃশ্বাস, বুরুন্ডাঙ্গা, রোবট ড্রাগ, জম্বি ড্রাগ বা কলম্বিয়ান ডেভিলের নিঃশ্বাস নামেও পরিচিত।"

এইটা বরিশালে একদম নতুন, সবাই সাবধান হোন,
অপরিচিত কাউকে বাসায় ঢুকতে দিবেন না।

⭕ সর্বোচ্চ শেয়ার করে মানুষকে সচেতন করুন

20/11/2024

লজ্জা নয়, জানতে হলে শিখতে হবেঃ

👉 সহ*বাসে অধিক সুখ পেতে কেবল শুয়ে না থেকে স্বামীকে সাহায্য করুন এইভাবে‼️

আমাদের দেশের মেয়েরা যৌ*ন মি*লনের সময় শুয়ে থাকা ছাড়া স্বামীকে তেমন কোন সাহায্য করে না। এই দেশের মেয়েরা মনে করে মি*লনের সময় বিছানায় শুয়ে থাকা এবং মি*লনের আনন্দ উপভোগ করাই তাঁর কাজ। এ সময় যা কিছু করার সব তাঁর স্বামীই করবে।

কিন্তু এই ধারণাটি ভুল। মি*লনের সময় নারীকেও পুরুষের কাজে সাহায্য করতে হবে, স্ত্রীর সাহায্য ও সহযোগিতা ছাড়া মিলনে দুজনের পূর্ণ তৃপ্তি আসবে না। যৌ*ন মি*লনের সময় নারী পুরুষকে অসহযোগিতা করলে নারীরই ক্ষতি। হয়তো পুরুষের তৃপ্তি হয়ে যাবে, কিন্তু এই মি*লনে নারীর পরিপূর্ণ যৌ*ন তৃপ্তি লাভ হবে না।

নারীদের যৌ*ন মিলনকে আরও অধিক সুখ লাভ ও উপভোগ্য করতে তুলতে আমরা যৌ*ন মিলনের সময় নারীর কিছু করনীয় বিষয় তুলে ধরেছি, যা নারী তাঁর যৌ*ন তৃপ্তি লাভের জন্য স্বামীকে সাহায্য করতে পারে।

✍️যৌ*ন মি*লনের পূর্ণতৃপ্তি লাভে স্ত্রী কিভাবে স্বামীকে সাহায্য করতে পারে জেনে নিন ৭ টি কৌশল বা টিপসঃ

❤️ পূর্ণ তৃপ্তি লাভেঃ পূর্ণ তৃপ্তির সময় ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে স্বামীকে জানাতে হবে ও নিজেও চেষ্টা করতে হবে, যাতে একই সময়ে দুজনের তৃপ্তি ঘনিয়ে আসে।

💛 পতনঃ স্বামীর পতনের সঙ্গে নিজের পতন হয় বা একটু আগে নিজের পূর্ণ তৃপ্তি হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা বাঞ্ছনীয়।

💙 লি*ঙ্গ নিস্তেজঃ স্বামীর অঙ্গ নিস্তেজ হওয়ার আগেই নিজের পূর্ণ তৃপ্তি ঘনিয়ে আনতে হবে।

💜 নারীর উত্তেজনাঃ স্বামীর পতন হয়ে গেছে, অথচ স্ত্রীর উত্তে*জনা তখন মাঝপথে, এরকম অবস্থায় স্বামীর দ্বারা বিভিন্ন উপচার কৌশল প্রয়োগ করে নিজের পূর্ণ তৃপ্তি আনতে হবে। অথবা যৌ*ন মিলনের সময় বাড়ানোর কৌশল অবলম্বন করতে হবে।

♥️ পূর্ণ তৃপ্তি আসনঃ পূর্ণ তৃপ্তির জন্যে যদি স্বামী স্ত্রীর কোন রকম বিশেষ আসন ভঙ্গি করতে মন চায় তাহলে পরস্পরের কাছে খোলাখুলিভাবে আলোচনা করতে হবে। কোন কোন সে*ক্স পজিশন ব্যবহার করে যৌ*ন মি*লনে অধিক সুখ লাভ করা যায়, সেসব আসন গুলো খুঁজে বের করতে হবে।

💛 একই সময়েঃ মনে রাখতে হবে, নর-নারীর মি"লনের চরম আদর্শ হল পূর্ণ তৃপ্তি। তাই একই সময়ে দুজনের পূর্ণ তৃপ্তি হওয়া বাঞ্ছনীয়।

💙 শেষ পর্যায়ঃ মি*লনের শেষ পর্যায়ে যদি স্তন চোষণ, ভগাঙ্কুর ম*র্দন ইত্যাদির প্রয়োজন হয় তাহলে স্বামীকে জানিয়ে সেইমতে কাজ করতে হবে। অথবা ফিঙ্গারিং বা ফোরপ্লের সাহায্য নিতে হবে। এই ফোরপ্লের মাধ্যমে একজন নারী যৌ*ন মি*লন ছাড়াও যৌ*ন আনন্দ উপভোগ করতে পারে। কিভাবে ফোরপ্লে প্রয়োগ করতে হয় তা স্বামীর জানা না থাকলে স্ত্রী স্বামীকে শিখিয়ে দিতে পারেন।

💓ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পোস্টটি পড়ার জন্য...

⭕ আশা করি সবসময় সাথেই থাকবেন ইনশাআল্লাহ🖤

🫵 পাপমুক্ত থাকুন... সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন... 👉👉

জালালউদ্দিন রুমি একবার একটা বনের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় একটা বড় কালো তিতির পাখি ধরে ফেলেন।রুমি যখন ভাবছেন যে, পাখিটাকে কীভা...
21/10/2024

জালালউদ্দিন রুমি একবার একটা বনের মাঝ দিয়ে যাওয়ার সময় একটা বড় কালো তিতির পাখি ধরে ফেলেন।
রুমি যখন ভাবছেন যে, পাখিটাকে কীভাবে খাবেন; আগুনে ঝলসে; নাকি তরকারি রান্না করে!
এমন সময় পাখিটি বলে ওঠে— ‘রুমী তুমি তোমার এই জীবনে এতো গোশত খেয়েছো; অথচ তোমার এই আমিষের আকুতি শেষ হয়না। তুমি যদি আমাকে মুক্ত করে দাও; আমি তোমাকে তিনটি পরামর্শ দেবো; যা তোমার জীবনকে সন্তোষ আর শান্তিতে ভরে দেবে।’

রুমি কিছুটা বিচলিত হয়ে বলেন— “আমার হাতে বসেই প্রথম পরামর্শটা দাও; যদি পছন্দ না হয়; সঙ্গে সঙ্গে হত্যা করবো তোমাকে।”

পাখিটি রাজি হয়ে বলল— ‘তুমি সব সময় তোমার বন্ধুদের উদ্ভট সব আলোচনায় বিচলিত হয়ে পড়ো। এর চেয়ে তাদেরকে তাদের মতো থাকতে দাও। তাতে তোমার জীবন শ্রেয়তর হবে।’

রুমি কিছুটা চিন্তা করে নিয়ে ভাবতে থাকেন; পাখিটার কথায় বোধ আছে। সুতরাং দ্বিতীয় পরামর্শ দিতে বলেন।

পাখি বলে— ‘তুমি আমায় ছেড়ে দিলে ওই গাছের ডালে বসে দ্বিতীয় পরামর্শটা দেবো।’

রুমি তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে পাখিটিকে ছেড়ে দেন; আর পাখি গিয়ে কাছেই একটি গাছের ডালে বসে।

পাখিটা এবার তার দ্বিতীয় পরামর্শের কথা বলে— ‘রুমী অতীতকে কখনো পালটানো যায় না। সুতরাং বর্তমান মুহূর্তটিকে উপভোগ করো। আর ভবিষ্যতের জন্য বাঁচো। যা হোক বড় বোকামি করেছো তুমি। আমার পেটের মধ্যে তিন কেজি হীরা আছে। তুমি এটা পেলে তোমার তিনপুরুষ বসে খেতে পারতে।’

সাংঘাতিক ঘাবড়ে গিয়ে রুমি তিতিরের পেছনে রেগে ছুটতে থাকেন; তাকে আবার ধরতে।
পাখি তখন জোরে জোরে বলে— ‘রুমি তুমি দেখছি আমার পরামর্শ একেবারেই শুনলে না। আমার নিজেরই ওজন যেখানে দুই কেজির বেশি নয়; আমার পেটে কী করে তিন কেজি হীরা থাকবে! তুমি দেখছি এখনো উদ্ভট আর বোধহীন কথায় প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছো! দ্বিতীয়ত আমি এরিমাঝে তোমাকে ছেড়ে গেছি; তোমার জীবনে এখন আমি অতীতের বিষয়।’

পুরোপুরি স্তম্ভিত হয়ে রুমি তখন তৃতীয় পরামর্শের জন্য অনুরোধ করেন।

তিতির পাখিটি বলে— ‘রুমি শোনো; সবাইকে উপদেশ দিতে যেওনা। শুধু তাদের উপদেশ দাও; যারা সেটা শুনবে - মনে রাখবে। মনে রেখো কিছু কাপড় এতো জীর্ণ হয়ে যায়; যা আর কখনো সেলাই করা যায় না।’

( "নুফহাতুল আরব" -একটি আরবী কিতাব। সেটাতে ঘটনাটি আছে। মফহুম এরকমই। তবে এখানে পুরোপুরি অনুবাদ হুবহু আসেনি।)

03/10/2024

বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ের সচিব-উপসচিব-যুগ্নসচিবদেরকে কড়া নজরদারিতে রাখা হোক এবং গত ৫ই আগস্ট থেকে বর্তমান পর্যন্ত কৃতকাজের তদন্ত করা হোক

29/09/2024

জীবনে অনেক কিছু দেখার বাকি ছিলো, আজ দেখলাম এবং আপনাদের সকলকে দেখানোর চেষ্টা করলাম।

Address

Barishal

Telephone

+8801951114444

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TukTak posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TukTak:

Share