Faridganj TV

Faridganj TV ফরিদগঞ্জ টেলিভিশন

30/09/2026
চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ছিলেন প্রধানমন্ত্রী   চাঁদপুর জেলা যে কত বড় বড় গুণী মানুষের জন্ম দিয়েছে, তা ইতিহাস ঘাটলেই বোঝা যায়...
27/09/2026

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান ছিলেন প্রধানমন্ত্রী
চাঁদপুর জেলা যে কত বড় বড় গুণী মানুষের জন্ম দিয়েছে, তা ইতিহাস ঘাটলেই বোঝা যায়। তেমনই এক কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব হলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী।
আজকের তরুণ প্রজন্মের অনেকেরই হয়তো জানা নেই, চাঁদপুর থেকে উঠে আসা এই মহান নেতা একসময় একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে জীবন শুরু করে পরবর্তীতে পুরো দেশের শাসনভারের শীর্ষ পদে আসীন হয়েছিলেন!
আসুন আজ জেনে নিই চাঁদপুর জেলার এই কৃতি সন্তানের এক বর্ণাঢ্য ও অনুপ্রেরণাদায়ী কর্মময় জীবন:
কাগজ-কলমে তাঁর সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
জন্ম: ১৯ অক্টোবর, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দ।
জন্মস্থান: চাঁদপুর জেলার পুরাণবাজারস্থ পূর্ব শ্রীরামদী গ্রাম।
পিতা ও মাতা: মোহাম্মদ হাফিজ চৌধুরী এবং মাহমুদা চৌধুরী।
শিক্ষাজীবন: চাঁদপুরের নুরিয়া হাই মাদ্রাসা থেকে মাধ্যমিক এবং ১৯৫২ সালে ফেনী কলেজ থেকে স্নাতক (বিএ) ডিগ্রি লাভ করেন।
শিক্ষকতা ও কর্মজীবনের শুরু:
ফেনী কলেজ থেকে পাস করার পর তিনি নোয়াখালী জেলার কোম্পানীগঞ্জ থানার বামনী জুনিয়র হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে প্রাদেশিক পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে যোগ দিলেও, মানুষের সেবা করার অদম্য টানে চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন।
জননেতা হয়ে ওঠা ও ঐতিহাসিক ৬-দফা আন্দোলন:
১৯৫৯ সালে তিনি চাঁদপুর পৌরসভার ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ১৯৬২, ১৯৬৫ এবং ১৯৭০ সালের নির্বাচনে বিপুল ভোটে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। ১৯৬৬ সালে যখন বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির সনদ ‘৬-দফা’ ঘোষণা করেন, তখন মিজানুর রহমান চৌধুরী ছিলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক। বঙ্গবন্ধু গ্রেফতার হওয়ার পর এক কঠিন সময়ে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব নেন এবং ঐতিহাসিক ৭ জুনের সফল হরতালে প্রধান সংগঠকের ভূমিকা পালন করেন। স্বৈরাচারী পাকিস্তান সরকার তাঁকে দমিয়ে রাখতে ১৯৬৪ ও ১৯৬৬ সালে প্রতিরক্ষা আইনে কারাবরণ করায়, কিন্তু তিনি দমে যাননি। তিনি ছিলেন ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম রূপকার।
মহান মুক্তিযুদ্ধে সাহসী ভূমিকা:
১৯৭১ সালের মার্চে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে তিনি চাঁদপুরে প্রাথমিক প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। পরবর্তীতে ভারতের আগরতলায় গিয়ে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সাথে মিলে যুদ্ধকালীন দলীয় কার্যক্রম গুছিয়ে রাখার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাধীন বাংলাদেশে রাজনীতি ও দেশের প্রধানমন্ত্রীত্ব:
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে তিনি প্রথম ক্যাবিনেটে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এবং পরবর্তীতে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে অবদান রাখেন। আশির দশকে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেন। তিনি একই সাথে দেশের ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এবং ৯ জুলাই ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। ১৯৮৮ সালের ২৭ মার্চ পর্যন্ত তিনি অত্যন্ত দক্ষতার সাথে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
শিকড়ে প্রত্যাবর্তন ও মহাপ্রয়াণ:
দীর্ঘ সময় পর, ২৭ আগস্ট ২০০১ সালে তিনি পুনরায় তাঁর প্রাণের দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগে ফিরে আসেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন। ২০০৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি বার্ধক্যজনিত কারণে ঢাকায় এই মহান নেতা শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বর্তমানে চাঁদপুরের পুরাণবাজারে তাঁদের পারিবারিক কবরস্থানে তিনি চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন।
মিজানুর রহমান চৌধুরী কেবল একজন রাজনীতিবিদই ছিলেন না, তিনি ছিলেন আমাদের চাঁদপুরের গর্ব, একজন নীতিবান মানুষ এবং দেশের ইতিহাসের এক জীবন্ত সাক্ষী। তাঁর এই গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস আমাদের চাঁদপুরবাসীকে আজীবন গর্বিত করবে।
চাঁদপুরের এই মহান নেতাকে নিয়ে আপনার কোনো স্মৃতি বা মন্তব্য থাকলে কমেন্টে শেয়ার করুন। পোস্টটি শেয়ার করে অন্যদেরও চাঁদপুরের এই গৌরবময় ইতিহাস জানার সুযোগ করে দিন।

মেধা তালিকায় ১ম, ২য় হয়েও চাকরি হলো না!তাহলে এতদিন ধরে মেধার পেছনে ছুটে লাভটা কী?  তামান্নার গল্পটা শুনুন।দিনরাত পরিশ্রম ...
27/09/2026

মেধা তালিকায় ১ম, ২য় হয়েও চাকরি হলো না!
তাহলে এতদিন ধরে মেধার পেছনে ছুটে লাভটা কী?
তামান্নার গল্পটা শুনুন।
দিনরাত পরিশ্রম করে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় নিজের উপজেলা মতলব দক্ষিণে ১ম হয়েছেন তিনি। পুরো চাঁদপুর জেলার মেধাতালিকায় তার অবস্থান ১১তম।
শুধু পরীক্ষায় ভালো করাই নয়, পড়াশোনার রেকর্ডও অসাধারণ। ইংরেজিতে অনার্সে ফার্স্ট ক্লাস, এরপর মাস্টার্সেও ফার্স্ট ক্লাস।
চূড়ান্ত তালিকায় নামও ছিল। এরপর নিয়োগের আশায় দীর্ঘ ৮ মাস অপেক্ষা। কিন্তু গত ২৪ সেপ্টেম্বর নিয়োগপত্র দেওয়ার সময় জানতে পারলেন তার নামে কোনো নিয়োগপত্রই নেই!
ভেরিফিকেশনে বাদ পড়েছেন তিনি।
কিন্তু কেন?
তামান্নার দাবি, তাকে কোনো এক ‘পলিটিক্যাল ট্যাগ’-এর কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ তার নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, তিনি কিংবা তার পরিবারের কেউ কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না।
একই রকম আরেকটি ঘটনা বন্যা মল্লিকের।
ফার্মেসিতে অনার্স ও মাস্টার্স শেষ করে জীবনে প্রথমবার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিলেন। এত প্রতিযোগিতার মধ্যেও নিজের উপজেলায় মেধাক্রমে ২য় হয়েছেন।
তারপরও চাকরি হয়নি।
বন্যা নিজেই কয়েকটি প্রশ্ন তুলেছেন৷
মেধাক্রমে ২য়।
শিক্ষাগত যোগ্যতায় সমস্যা নেই।
পরিবারে কেউ রাজনীতি করেন না।
কোনো ফৌজদারি মামলা নেই।
স্থায়ী ঠিকানা বা জমিজমা নিয়েও সমস্যা নেই।
তাহলে তাকে বাদ দেওয়ার কারণটা কী?
কারও বিরুদ্ধে যদি সত্যিই কোনো অভিযোগ থাকে, তাহলে সেটা পরিষ্কার করে বলা হোক। কোনো অপরাধ বা অযোগ্যতা থাকলে সেটাও প্রকাশ করা হোক।
কিন্তু একজন প্রার্থীকে চূড়ান্ত তালিকায় রাখার পর, মাসের পর মাস অপেক্ষা করিয়ে, শেষ মুহূর্তে বাদ দেওয়া হবে অথচ কেন বাদ দেওয়া হলো সেটাও পরিষ্কার করা হবে না এটা নিয়ে প্রশ্ন উঠবেই।
কারণ চাকরির জন্য একজন শিক্ষার্থী শুধু একটা পরীক্ষা দেয় না। বছরের পর বছর পড়াশোনা করে, পরিবারকে সময় দেয় না, নিজের স্বপ্নকে বাঁচিয়ে রাখে।
তারপর মেধাতালিকায় জায়গা পাওয়ার পরও যদি শেষ পর্যন্ত অদৃশ্য কোনো কারণে স্বপ্নটা ভেঙে যায়, তাহলে তার প্রশ্ন করার অধিকার অবশ্যই আছে।
তাহলে কি আমরা বুঝে নিবো!! কোটা না মেধা নিয়ে আন্দোলন করে দিন শেষে সেই কোটা জিতে গেলো?

Address

Faridgonj, Chittagong
Chandpur
3600

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Faridganj TV posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Faridganj TV:

Shortcuts

Share