The Draft Media

The Draft Media TheDraftMedia is a digital agency. We connect with clients to drive their business outcomes with mode

টাইপোগ্রাফি এবং টাইপফেইস নিয়ে গত পর্বে সাধারণ একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। আজকে আরেকটু বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব। ...
22/01/2021

টাইপোগ্রাফি এবং টাইপফেইস নিয়ে গত পর্বে সাধারণ একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছিলাম। আজকে আরেকটু বিস্তারিত জানার চেষ্টা করব। টাইপোগ্রাফি এর অনেক ধরণ রয়েছে যেখানে সাধারণ টাইপফেইস যেমন আছে ঠিক তেমনি হাতের লেখার টাইপফেইস ও আছে। এই হাতে সুন্দর ভাবে নিজস্ব ডিজাইনকে কাজে লাগিয়ে যে ধরণের টাইপফেইস তৈরি হয় সেগুলোকে ক্যালিগ্রাফি বলে।
ক্যালিগ্রাফির জন্য আলাদা কিছু আর্টিস্ট থাকে যারা এই ক্যালিগ্রাফি করতে সক্ষম এবং এই ক্যালিগ্রাফির মাধ্যমে সুন্দর কিছু লেখার ধরণ তৈরি করে থাকে। আর এই লেখার প্রধান বিশেষত্ব হল এখানে ব্রাশের স্ট্রোক সহ বিভিন্ন স্পেশাল কলম বা ইন্সট্রুমেন্ট ব্যবহার করে থাকে। ক্যালিগ্রাফিকে বলা হয়ে থাকে একটি সুনিপুন, অভিব্যক্তিপূর্ণ এবং সুগঠিত একটি রুপ।
টাইপফেইস যখন আমরা নির্ধারণ করি একটি লোগো ডিজাইনের জন্য বা যেকোন ডিজাইনে লেখার জন্য তখন আমাদেরকে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। এখানের অনেক বিষয়ই লোগো ডিজাইন ছাড়া অন্যান্য ডিজাইন যেমন পোস্টার তৈরি বা ভিসিটিং কার্ড তৈরি এগুলোর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয় তবুও টাইপোগ্রাফি নিয়ে জানতে হলে এগুলো জেনে রাখা প্রয়োজন।
ট্র্যাকিংঃ ট্র্যাকিং মূলত একটি নির্দিষ্ট টাইপফেইসে লেখাগুলোর অক্ষর একে অপরের কতটুকু পাশাপাশি আছে। অনেক ক্ষেত্রে সেটি বেশি কাছাকাছি হয়ে যায় যেটি দেখতে হিজিবিজি মনে হয় আবার যদি বেশি দুরত্ব হয়ে যায় তাহলে শব্দ গুলো পড়তে কষ্ট হয়ে যায়। তাই এটি নির্ধারণ করা অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর সাথে কোন লোগোতে কোন ধরণের টাইপফেইস দিলে এই সমস্যা দূর হবে সেটি ডিজাইনার সবকিছু যাচাই বাছাই করে দেয়।
কার্নিংঃ এটি মূলত একটি ক্যারেক্টার বা শব্দের মধ্যে বিভিন্ন অক্ষরের মাঝেও নির্দিষ্ট কিছু দূরত্ব। এটিকে আরো বিস্তারিত একটু উদাহরণের মাধ্যমে বলা যেতে পারে। ধরুণ ইংরেজিতে লিখলে বা টাইপ করলে একটু ভাল ভাবে দেখলে খেয়াল করবেন Kerning শব্দটিতে K এর পর e এর যে দূরত্ব সেটি কিন্তু e থেকে r এর দূরত্বের সমান না। এগুলো কোন অক্ষর আছে পাশে সেটির উপর নির্ভর করে।
লিডিংঃ এটিকে সহজে আমরা বলতে পারি লাইন স্পেসিং। অর্থাৎ একটি লাইনের পর নিচের লাইনের মধ্যে যে দূরত্ব সেটিই মূলত লিডিং। অনেক সময় আমরা হেডলাইন দিই এবং এরপর মূল অংশটি লিখি এর মধ্যকার দূরত্ব কতটুকু রাখতে হবে যাতে করে রিডার ভাল ভাবে এবং সহজ ভাবে পড়তে পারবে তাই হল লিডিং।
হায়ারারকিহঃ এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি একজন রিডারকে সহায়তা করে কোন অংশটি প্রথমে পড়তে হবে আর কোনটি পরে। সাধারণ বই ক্ষেত্রে এই বিষয়টি অত বুঝা যায় না কারণ আমরা জানি বাম পাশের উপর থেকে পড়তে হবে। কিন্তু একটি পোস্টার ডিজাইনের ক্ষেত্রে ধরুন আপনি কোন ডিস্কাউন্ট দিচ্ছেন। তাহলে অবশ্যই এমন ভাবে ডিজাইনটি করতে হয় যাতে করে সেই ডিস্কাউন্টটি সবার আগে চোখে যায়। আর সে যাতে আরো মনোযোগ দিয়ে সেই ডিজাইনটি দেখে।

লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে অনেক বিষয় নিয়েই কাজ করতে হয় একজন লোগো ডিজাইনারের। আজকে কথা বলব কোন বিষয়গুলো একটি লোগোকে পরিপূর্ণ ...
19/01/2021

লোগো ডিজাইনের ক্ষেত্রে অনেক বিষয় নিয়েই কাজ করতে হয় একজন লোগো ডিজাইনারের। আজকে কথা বলব কোন বিষয়গুলো একটি লোগোকে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে। আর সাথে লোগো ডিজাইনের কিছু বিষয় নিয়েও জানা হয়ে যাবে।

টাইপোগ্রাফিঃ টাইপোগ্রাফি হল একটি লোগোতে লেখা গুলোকে আমরা যেভাবে উপস্থাপন করি যাতে সেই লোগোটি সবার আকর্ষণ আনতে সক্ষম হয়, পরিষ্কার ভাবে ব্র্যান্ডকে উপস্থাপন করে এবং সনির্দিষ্ট ভাবে গঠিত হয়। শুধু এটির মাধ্যমেই একটি কোম্পানি সম্পর্কে অনেক ধারণা পাওয়া সম্ভব হয়। এর মাধ্যমে কোম্পানির পারিপার্শ্বিকতা সম্পর্কেও একটি পরোক্ষ ধারণা পাওয়া যায়।

টাইপফেইসঃ এটি মূলত টাইপগ্রাফির লেখা গুলোকে বুঝায়। আমরা যাকে সাধারণত ফন্ট বলে থাকি সেটি হল টাইপফেইস। তাহলে ফন্ট কি? ফন্ট হল টাইপফেইসের সাইজ কত বড় বা ছোট, সেটি ইটালিক হবে নাকি রেগুলার হবে, সেটি কি বোল্ড হরফে হবে নাকি লাইট হবে এগুলোই মূলত টাইপফেইসের ফন্ট।

স্কেলিংঃ লোগোর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল এটি স্কেলেবল কিনা বা এর সাইজ বড় বা ছোট করা হলেও লোগোটি বুঝা যায় কিনা। যদি লোগো বুঝতেই পারা না যায় তাহলে ছোট বড় করলে তাহলে লোগোটি স্কেলেবল না বলা হয়ে থাকে। আর এটি কেন গুরুত্বপূর্ণ? কারণ আপনার কোম্পানির বিশেষ প্রয়োজনে লোগোকে ছোট বা বড় করতে হতে পারে যেমন আপনার পণ্যের প্যাকেজিং বা কার্ডের জন্য প্রয়োজন হতে পারে লোগোকে ছোট করে ছাপানো কিন্তু ছোট করলে সেটি ভাল দেখাচ্ছে কিনা সেটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তাই স্কেলিং লোগোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি ভূমিকা রাখে কোম্পানিকে সুন্দর ভাবে প্রকাশ করার জন্য।

কালার বা রংঃ এটি নিয়ে আগেও কিছুটা ধারণা দিয়েছিলাম তবে একটি বিষয় বলা যায় যে একটি কোম্পানি কি ধরণের বা কোম্পানির মূল লক্ষ্য কি বিষয়ে তা লোগোর কালার বা কোম্পানির কালার প্যালেটের মাধ্যমে বুঝা যায়। রঙের বিশেষত্বই হল তা কাস্টোমারকে একটি কোম্পানির প্রতি পরোক্ষ ভাবে আকৃষ্ট করে তোলে যা কাস্টোমারও জানতে পারে না। কিন্তু সেটি খেয়াল রাখতে হয় একজন ডিজাইনারকে। কারণ লোগোটির মূল উদ্দেশ্যই হল কোম্পানিকে সঠিক ভাবে মানুষের ব্রেইনে নিয়ে যাওয়া।

নেগেটিভ স্পেইসঃ একটি বিষয় অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ যা বুঝতে পারে না অনেক ডিজাইনাররাও তা হল সঠিক নেগেটিভ স্পেইস। নেগেটিভ স্পেইস বলতে ডিজাইনের মধ্যে খালি স্থানকে বুঝায়। একটি লোগোর ক্ষেত্রে নেগেটিভ স্পেইস থাকে তা এমন ভাবে নির্ধারণ করতে হয় যাতে করে তা বেশিও না হয় এবং কমও না হয়। অনেক ক্ষেত্রে কাস্টোম টাইপফেইসের ক্ষেত্রে এই সমস্যাটি অনেকে করে থাকে বা আইকনের ক্ষেত্রেও তা হতে পারে।

একটি লেখা দিয়ে শুধুমাত্র যেমন লোগো তৈরি করা যায় না ঠিক বিপরীত ভাবে একটি লেখা দিয়েই লোগো তৈরি করা যায়। কিন্তু কোন কোম্পানি বা ব্যবসার জন্য কি ধরণের লেখা বা টাইপফেইস দিতে হবে সেটি নির্ধারণ অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা কাস্টমারের সেই কোম্পানি এবং কোম্পানির পণ্যকে মনে রাখতে অনেকটাই সাহায্য করে। আর এই কারণেই একটি লোগো ডিজাইন একজন প্রফেশনাল ডিজাইনারকে দিয়ে করানো উচিত। হয়ত কিছু টাকা মনে হতে পারে একটি ডিজাইনের জন্য কিন্তু সেটি আপনার পুরো কোম্পানিকে প্রেজেন্ট করছে সবার সামনে। তাই এটিও ব্যবসার মতই গুরুত্বের সাথে করা উচিত।

লোগো ডিজাইনব্যবসার জন্য এটি একটি অত্যন্ত জরুরী বিষয়। কারণ আপনার ব্যবসার একটি প্রতীক বা চিহ্ন হল এই লোগো। অনেকে মনে করতে ...
14/01/2021

লোগো ডিজাইনব্যবসার জন্য এটি একটি অত্যন্ত জরুরী বিষয়। কারণ আপনার ব্যবসার একটি প্রতীক বা চিহ্ন হল এই লোগো। অনেকে মনে করতে পারেন আমার ব্যবসাতে আর লোগো অত কি দরকার একটা শুধু লেখা দিয়ে নামটা উল্লেখ করলেই হবে সেটাই লোগো হিসেবে চালিয়ে দিতে পারব। ঠিক আছে আপনি চালিয়ে দিতে অবশ্যই পারবেন কিন্তু আপনার ব্যবসার আলাদা পরিচয় থাকবে না বা আপনি ব্র্যান্ড বানাতে পারবেন না। কিন্তু আপনি যদি নিজে ব্র্যান্ড হোন তাহলে অন্য কথা কারণ তখন নিজের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা মানুষ চিনবে। তবে যারা পারসোনাল ব্র্যান্ডিং এর জন্য ব্যবসা প্রসার পায় তারাও এই লোগো কেন এত বেশি প্রয়োজন হতে পারে সেটা জানে।
এবার আসি লোগো কি কি কাজ করে।
১। লোগো আপনার ব্যবসাকে সহজ ভাবে মনে রাখতে সাহায্য করে।
২। আপনার ব্যবসার আলাদা প্রতীক হিসেবে কাজ করে যেখানে আপনার ব্যবসার নাম বা কি নিয়ে ব্যবসা উল্লেখ না থাকলেও মানুষ চিনবে।
৩। ব্যবসাকে শুধু মাত্র একটি ব্যবসা থেকে ব্র্যান্ডে পরিণত করতে সাহায্য করে।
৪। লোগো মানুষকে ঐ কোম্পানির প্রতি আকৃষ্ট করতে সাহায্য করতে।
৫। আপনার লোগো হতে পারে আপনার পণ্যের আলাদা পরিচয়।
লোগো তৈরিতে কি কি কাজ করতে হয় একজন ডিজাইনারের?
অনেকেই মনে করে খুব সহজেই একটি ব্র্যান্ডের লোগো তৈরি করে ফেলা যায়। কিন্তু একটি লোগো তৈরি করতে একজন ডিজাইনারের অনেক সময় ব্যয় করতে হয় এবং অনেক কিছু চিন্তা ভাবনাও করতে হয়।
প্রথমত চিন্তা করতে হয় এই লোগো কোন ব্র্যান্ডের জন্য অর্থাৎ তারা কি ধরণের পণ্য বা সার্ভিস প্রদান করে থাকে তাদের কাস্টোমারদের কাছে। কারণ পণ্য বা সার্ভিস ভেদে লোগো ও পরিবর্তন হয়। একটি কোম্পানির মূল বিষয়টিকে বুঝে তারপরই লোগো তৈরি করা হয়। এছাড়া একই বিষয়টি রিসার্চ করতে হয় লোগোতে কালার পছন্দ করার জন্য।
দ্বিতীয়ত দেখতে হয় সেই কোম্পানি কি কি কাজে লোগোটি ব্যবহার করবে। বা কোথায় এই লোগোটি ব্যবহার করবে। কারণ লোগো তৈরি করার ক্ষেত্রে একটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ তা হল স্কেলিং অর্থাৎ একটি লোগোকে ছোট বা বড় যে ধরণেরই করুক না কেন লোগোকে দেখার সাথে সাথে চিনতে হবে যদি তা চিনতে পারা না যায় তাহলে লোগোটি যথাযথ হয়না।
লোগো তৈরি করতে যখন একজন ডিজাইনার চিন্তা করে তখন সে শুধু একটি ডিজাইন নিয়ে কাজ করে না। সেই লোগোটির বিভিন্ন ডিজাইন করে এবং এর মাধ্যমে সে ধীরে ধীরে কোনটি সেই কোম্পানির সাথে সবচেয়ে মানানসই তা পছন্দ করে। অনেক সময় দুই তিনটি পছন্দ হতে পারে তখন সেগুলো ক্লায়েন্টের সাথে আলোচনা করে পরবর্তী ধাপে যায়।
প্রথম স্কেচ ডিজাইন তৈরি হয়ে গেলে ডিজাটাল ভাবে সেই ডিজাইনটিকে রুপ দেয়। সেটির জন্য অনেকে প্রথমে ফটোশপ এবং পরবর্তীতে ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করে। তবে এগুলো ছাড়াও আরো অনেক সফটওয়ার আছে লোগো তৈরি করার জন্য। আর এই সফটওয়ার দিয়ে ভেক্টর ফাইল করা হয়। ভেক্টর ফাইল হল যে ফাইলকে আপনি বড় বা ছোট যেকোন সাইজে কনভার্ট করতে পারবেন লোগো বা ডিজাইনটি সবসময় শার্প থাকবে।
তারপর ক্লায়েন্টের সাথে আবার আলোচনায় বসতে হয় লোগোটি ঠিক আছে কিনা সেগুলো যাচাই করতে। যদি কিছু বিষয় বাদ দিতে হয় বা যুক্ত করতে হয় তাহলে তা ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলে পরিবর্তন করে নিতে হয়।
সবশেষে সেই লোগোটি বিভিন্ন ফরমেটে প্রদর্শন করে ক্লায়েন্টকে ডেলিভার করতে হয়। সাথে যদি ক্লায়েন্টের ব্যবসার জন্য ব্র্যান্ড আইডেন্টিটি ডিজাইনের প্রয়োজন হয় সেগুলো আলাদা ভাবে ডিজাইনারের সাথে আলোচনা করে ব্যবসার প্রয়োজনীয় ডিজাইনগুলো ফাইনাল ভাব নেয়া হয়।
কিন্তু এটি শুধুমাত্র ক্লায়েন্টের সাথে কিভাবে কথা বা কি বিষয় নিয়ে কথা বলতে হয় আর একজন ডিজাইনারের কি কি করতে হয় তা বলা হয়েছে। কিন্তু এই ডিজাইন করার জন্য ডিজাইনের আরো অনেক নিয়ম নীতি আছে যা ঠিক ঠাক মত মেনে একটি ডিজাইন রেডি করতে হয়। সেগুলো নিয়ে আরেক পর্বে বলব।

টেসলা মার্কেটিং স্ট্রেটেজি
09/01/2021

টেসলা মার্কেটিং স্ট্রেটেজি

টেসলা মার্কেটিং স্ট্রেটেজি
বর্তমানে টেসলা এবং ইলন মাস্ক এই দুই নাম শুনেনি এমন মানুষ পাওয়া ভার। ইলন মাস্ক হল টেসলা, স্পেইস এক্স, সোলার সিটি সহ আরো অনেক কোম্পানির মালিক এবং বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি। আজকে ইলন মাস্ককে নিয়ে তেমন কথা বলব না আজ বলব টেসলা নিয়ে।
বর্তমান বিশ্বে ব্যবসার প্রসারের জন্য সবচেয়ে যেই বিষয়টি মানুষ গুরুত্ব দেয় তা হল মার্কেটিং। বড় বড় কোম্পানি তাদের পণ্যের জন্য বিভিন্ন এড বানিয়ে থাকে। যাতে করে সেটি আকর্ষনীয় এবং লোভনীয় হয় আর মানুষজনও যাতে হুমড়ি খেয়ে পড়ে তাদের পণ্য কিনতে। কিন্তু টেসলা সাধারণত বড় কোম্পানি যেভাবে তাদের মার্কেটিং করে থাকে সেই দিকে যায়নি। তাদের ধরণটাই পুরোপুরি ভিন্ন করে ফেলেছে। এই ভিন্নতা যদিও বুঝতে গেলে দেখবেন এই পদ্ধতিতেও অনেক কোম্পানিই তাদের ব্যবসা করছে।
কিন্তু টেসলা কেন এত বড় কোম্পানিতে পরিণত হল?
তাহলে এবার সরাসরি আসা যাক মূল কথায়। অনলাইনের মধ্যেই ইলন মাস্কের টেসলার সবচেয়ে বড় মার্কেটিং হয়ে থাকে। আর এই সকল মার্কেটিং এর জন্য তিনটি সেক্টর প্রধান টার্গেট করা আছে।
১। ইউটিউব
২। টুইটার
৩। ব্লগ
এই তিনটির মাধ্যমে তাদের প্রচার সবচেয়ে বেশি করা হয়। তবুও একটু তো খটকা লেগেই থাকে। এগুলোতো সবাই ব্যবহার করে কিন্তু তাদের বিশেষত্ব কি?
প্রথমত টেসলা আগে মানুষের মাঝে প্রয়োজনীয়তাটা বুঝিয়েছে। তাদের গাড়ি কেন প্রয়োজন মানুষের। যেহেতু টেসলা ইলেক্ট্রিক কার তৈরি করে তাদের প্রধান বিষয়ই হল পরিবেশ দূষণ দূর করা। খুবই সহজ বিষয় কিন্তু এটিকে সবচেয়ে বড় বিষয় ভাবে দেখিয়েছে। আর অবশ্যই শুধুমাত্র পরিবেশের কথা মানুষকে বুঝিয়ে কাজ হবে না তাই মানুষের চাহিদাকে তারা তাদের পণ্যের মধ্যে তুলে এনেছে। যারা গাড়ি ব্যবহার করে তাদের দুইটি মূলত বিষয় প্রয়োজন স্পিড এবং ডিজাইন। তাদের গাড়ি করেছে অত্যাধুনিক ডিজাইনের এবং খুবই দ্রুতগামী যা বিশ্ব আলোড়ন সৃষ্টি করার জন্য অনেকটাই কার্যকর ছিল।
মার্কেটিং এর জন্য ইলন মাস্ক নিজের টুইটার ব্যবহার করতেন। তিনি প্রতিনিয়ত তাদের গাড়ির কি ধরণের পরিবর্তন হচ্ছে এবং কি কি নতুনত্ব আনা হচ্ছে তা নিয়ে লিখতেন আর যা সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অনেকের প্রশ্নের উত্তর এই বিলিয়নিয়ার নিজেই দিতেন তার টুইটারের মাধ্যমে। এতে তাদের ইন্টারেস্ট আরো একধাপ এগিয়ে গিয়েছে।
ইউটিউবকে কিভাবে ব্যবহার করতেন। বড় বড় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর আছেন যাদেরকে টেসলা প্রোমোশন বা ইন্ডাস্ট্রি ট্যুরের জন্য আহবান জানানো হত। যেহেতু সেই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের নিজস্ব ফেন বেইস আছে তাই তাদের মাধ্যমেই বলতে গেলে ফ্রি প্রমোশন হয়ে যায় টেসলা কোম্পানির। আর প্রায় যাদের কাছেই টেসলা আছে তাদের বিভিন্ন রিভিউ আর সুবিধার কথার মাধ্যমেই অন্য মানুষের কাছে টেসলার প্রমোশন হয়ে যায়। সাথে তো ব্লগাররা আছেই। তারা বিভিন্ন বিষয় নিউজ নিয়ে তাদের সাইটে ব্লগ করে যাচ্ছেন আর লাখ লাখ মানুষ সেগুলোর মাধ্যমে টেসলার বিশেষত্ব সম্পর্কে জানছে। যেমন আপনি যদি আগে না শুনে থাকেন এই যে এই পোস্টের মাধ্যমেই তাদের প্রচার হচ্ছে।
এরপর আসি আরেকটি মাধ্যম সেটি হল রেফার করা। টেসলাই একমাত্র কার কোম্পানি যার মধ্যে রেফারের মাধ্যমে বিভিন্ন সুযোগ গ্রহনের সুবিধা আছে। সেটি হতে পারে তাদের কোন পণ্য বা তাদের প্রমোশনাল কার প্রদর্শনীতে ফ্রিতে এন্ট্রি যা আসলেই সবার সৌভাগ্য হয় না। আর এই রেফারে দুইজনের জন্যেই কিছু না কিছু থাকেই। অর্থাৎ যে রেফার করছে সেও সুবিধা পাবে আর যে নতুন আসছে কাস্টোমার রেফারের মাধ্যমে সেও সুবিধা পাবে।
টেসলার আরো একটি সুবিধা দিচ্ছে তা হল আপনি টেসলা মোটরস শুধুমাত্র তাদের কাছেই পাবেন অর্থাৎ তাদের নিজস্ব সেলার বাদে অন্য কোন ডিলারের মাধ্যমে টেসলা কার সেল করে না। তাদের প্রত্যেক শোরুমে আপনি নিজে গিয়ে দেখে আসতে পারবেন তাদের নতুন ফিচার গুলো সাথে টেস্ট ড্রাইভিং তো থাকছেই ফ্রি। আর যেহেতু কোন ডিলারের মাধ্যমে তারা বিক্রয় করে না কোন এক্সট্রা টাকা যাওয়া বা সেলারের সাথে এক্সট্রা কমিশন নিয়েও চিন্তা করতে হয় না। যার মাধ্যমে তারা এপলের মতই সরাসরি কাস্টোমারদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারছে।
আর একটি বিষয় কি জানেন টেসলা এত জনপ্রিয় হওয়ার পিছনে কিন্তু আসলে একটিই মাত্র কারণ বিদ্যমান তা হচ্ছে ইলন মাস্ক। ইলন মাস্কের জনপ্রিয়তা টেসলাকে আরো অনেক উঁচু মাত্রায় নিয়ে গিয়েছে। তার সাকসেস এর গল্প এবং তার ব্যর্থতার গল্প সবকিছু মিলেই সে নিজে একটি ব্র্যান্ড যার কারণে তার ভিশন গুলো একে একে বাস্তবে রুপ দিচ্ছে। তবে একটি বিষয় অবশ্যই ভুললে হবে না তা হল ইলন মাস্ক টেসলাকে নিয়ে যে কথা গুলো দিচ্ছে তা সে পূরণ করে দেখাচ্ছে এবং সে ধরণের প্রোডাক্ট মানুষকে দিতে পারছে বলেই মানুষও সেদিকে ঝুঁকছে।

Business এর জন্য শুধু মাত্র এখন পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিলেই কিন্তু হয় না এখন আরো অনেক কিছু জানা প্রয়োজন। Facebook In...
03/01/2021

Business এর জন্য শুধু মাত্র এখন পণ্য নিয়ে ব্যবসা শুরু করে দিলেই কিন্তু হয় না এখন আরো অনেক কিছু জানা প্রয়োজন। Facebook Insights নামে একটি অপশন আছে। সেই অপশনটি কতজন কাজে লাগায়? এটা যদি কাজে না লাগিয়ে থাকে তাহলে অনেক বড় ভুল হচ্ছে কারণ বিশেষত অনলাইন ব্যবসায় এটা অনেক তথ্য গ্রহণে আপনাকে সাহায্য করতে পারে।
এই ধরণের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ দিয়ে যদি অনলাইন ব্যবসা শুরু করতে চায় তাহলে অনলাইনের আসল কার্যক্রমটাই ব্যহত হবে। এটা নিয়ে জানলে কিন্তু ব্যবসা না শুধু অন্য ক্ষেত্রেও অনেক কাজে লাগাতে পারবে সবাই।

Marketing
02/01/2021

Marketing

পুনরায় তৈরি হল ঢাকাই মসিলনকাজের শুরুতে মসলিন কাপড় বা তুলার কোনো নমুনাই গবেষকদের কাছে ছিল না। তাঁদের প্রথম কাজ ছিল যে তুল...
31/12/2020

পুনরায় তৈরি হল ঢাকাই মসিলন
কাজের শুরুতে মসলিন কাপড় বা তুলার কোনো নমুনাই গবেষকদের কাছে ছিল না। তাঁদের প্রথম কাজ ছিল যে তুলা থেকে সুতা কেটে মসলিন শাড়ি বোনা হতো, সেই তুলার গাছ খুঁজে বের করা।
গবেষক দল নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে ৩০০ বছর আগের শাড়িও পেয়েছেন। পরে পরীক্ষা করে দেখা যায়, তা আসলে পুরোনো সিল্কের কাপড়।
বহুদিন ঘোরাঘুরির পর তাঁরা হাসু ও নূরজাহান নামের অশীতিপর দুই বৃদ্ধার সন্ধান পান। তাঁরা বলতে পেরেছেন তাঁদের পূর্বপুরুষেরা মসলিন সুতা কাটতেন। তাঁদেরও ছোটবেলায় মিহি সুতার স্মৃতি রয়েছে।
লন্ডনের ভিক্টোরিয়া অ্যান্ড আলবার্ট মিউজিয়ামে প্রায় সাড়ে তিন শ ঢাকাই মসলিন শাড়ি সংরক্ষিত আছে। সেখানেই রয়েছে ১৭১০ সালে বোনা সেই শাড়িটি। প্রথম অবস্থায় শাড়িটি তৈরি করতে খরচ পড়েছে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা। গবেষকদের প্রত্যাশা, এই খরচ আস্তে আস্তে কমতে থাকবে। ইতিমধ্যে তাঁরা মোট ছয়টি শাড়ি তৈরি করেছেন। একটি শাড়ি প্রধানমন্ত্রীকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে।
এই প্রকল্পের মোট ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। ছয় বছরে ব্যাপক ঘোরাঘুরি, কলকাতা–লন্ডন করেও খরচ হয়েছে সোয়া ৪ কোটি টাকার মতো।
সূত্রঃ প্রথম আলো

https://www.prothomalo.com/bangladesh/%E0%A6%A2%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%87-%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A8%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%AE

How design can impact in your life?কিভাবে একটি ডিজাইন বা নকশা আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে? Design এর ক্ষেত্রে বলতে গেল...
30/12/2020

How design can impact in your life?
কিভাবে একটি ডিজাইন বা নকশা আপনার জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে?
Design এর ক্ষেত্রে বলতে গেলে একটা কথাই বলতে হয় আমাদের চারপাশে চোখ বুলালেই কিন্তু ডিজাইন বা নকশা পাবেন। আর পাবেন অনেক ধরণের Pattern যা ডিজাইন এর একটি অংশ। যেমন ধরুন আপনার দুইটি চোখের পাশাপাশি দৈর্ঘ্য সমান এবং আপনার দুইটি চোখের মাঝ বরাবর দূরত্বও কিন্তু সেই চোখের দৈর্ঘ্যের সমান। নিজেই আয়নার সামনে গিয়ে এখনই একবার দেখে নিতে পারেন।
অর্থাৎ আমাদের শরীর হতে সবকিছুতেই Pattern বিদ্যমান এবং ডিজাইন বিদ্যমান। ঠিক তাই আমরা যেকোন সুন্দর ডিজাইনের প্রতি সাধারণ ভাবেই আকৃষ্ট হই সেটা আমাদের Conscious Mind এই হোক বা Sub Conscious Mind এই হোক। এই ডিজাইনের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া যেমন আমাদের স্বভাবতই অভ্যাস ঠিক আমরা যদি এই ডিজাইনকে কাজে লাগাতে পারি তাহলে ব্যবসা বা কাজ যেকোন ক্ষেত্রেই আমরা যেকোন মানুষকে খুব সহজেই আকৃষ্ট করতে পারি। যা আপনারা লক্ষ্য করতে পারবেন বিভিন্ন ব্র্যান্ডের বিজ্ঞাপন থেকে।
ডিজাইনের অনেক নিয়ম নীতিও আছে সেই নিয়ম নীতি গুলো মেনে ডিজাইন তৈরি করলে সেটা মানুষকে বেশি আকর্ষণ করে। এখন নিয়ম নীতি গুলো কি? এক বাক্যে বা এক পোস্টে কখনোই সম্ভব না সেটা বলা কারণ এই নিয়ম নীতি দিয়েই প্রচুর বই ও বিদ্যমান যেখানে শুধু এই ডিজাইনিং এর রীতি নীতি শিখায়। তবে একটি কথা বলতে পারি এই নিয়ম নীতি তৈরি হয়েছে বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে। পরীক্ষা গুলো এধরণের ধরুন অনেক রঙের বিলবোর্ড আছে সব কয়টি ভিন্ন রঙের আপনার চোখ কোন বিল বোর্ডে যাবে? দেখা গিয়েছে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে হলুদ বা লাল বিলবোর্ড সবচেয়ে বেশি মানুষকে আকর্ষণ করে। তাই বলে কি অন্য রঙের বিলবোর্ড তৈরি হবে না? অবশ্যই হবে কারণ এক একটি রঙ এক এক ধরণের অর্থ বহন করে। ডিজাইনিং এর রঙ নিয়ে আরেকদিন বলা হবে। আজকে শুধু রঙ পেটার্ন এই সকল বিষয় যে আপনার একটি ডিজাইনকে মানুষের পছন্দের কারণ করে তুলতে পারে সেই সম্পর্কেই বলা।
তাই আপনি আপনার ব্যবসাকে তুলে ধরতে চাইলে এই রঙ গুলো সম্পর্কে বা ডিজাইন সম্পর্কে জানতে পারেন। তবে মানুষ ভেদে পছন্দ অবশ্যই তফাৎ হতেই পারে। কিন্তু যেই ডিজাইন সর্বজন স্বীকৃত তা সম্পর্কে জেনে রাখা ভাল।
The Draft Media

AdaptationA lot is changing in the world like the connection process with people, way of playing, way of entertainment, ...
29/12/2020

Adaptation
A lot is changing in the world like the connection process with people, way of playing, way of entertainment, business process, marketing process etc. Everything is changing and people are accepting these. People learned to adapt with the process of changing. So, adapting new thing is not new for people. But if you think you cannot change or adapt things you are wrong because you are already in the process of adaptation. Hope you soon realize how you also contributing to the adaptation.

The Draft Media

Just create content whenever you can.The Draft Media
28/12/2020

Just create content whenever you can.
The Draft Media

Technology আর Businessআমরা যদি তথাকথিত নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই বা ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই তাহলে সেটা হবে সাম...
28/12/2020

Technology আর Business
আমরা যদি তথাকথিত নিয়মে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাই বা ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই তাহলে সেটা হবে সামান্য পথ এগিয়ে যাওয়ার মত। কিন্তু যদি আমরা আসলেই আমাদের ব্যবসার কথা ভেবে থাকি এবং একটা ভাল পরিসরে ব্যবসার উন্নতি আশা করে থাকি তাহলে অবশ্যই আমাদেরকে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা শিখতে হবে।

যুগের সাথে তাল মেলানো বলতে কি বুঝায়?
যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলা বলতে আমাদের বহুল ব্যবহৃত ইন্টারনেটকে ব্যবহার করা। আবার ইন্টারনেট ব্যবহার করাও এখন আর আগের নিয়মে করা যায় না। প্রতি বছরই কিছু না কিছু পরিবর্তন হতেই থাকে। সেই পরিবর্তনকে শিখতে হবে, জানতে হবে এবং নিজের মধ্যে সেই ব্যবহারটা বাড়াতে হবে। কারণ একটি ব্যবসার অগ্রগতি নির্ভর করে ব্যবসা কতটুকু প্রসার এবং কতটুকু সহজলভ্য করছে তাদের ক্রেতাদের জন্য।

The Draft Media

Address

207/B, Yeasin Arafat Heights, West Bakalia, Sobuj Bagh R/A
Chawkbazar

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Draft Media posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share