Maruf Chowdhury

Maruf Chowdhury Boost your online presence with one of the best SEO specialists in Bangladesh. Hi, I am Maruf Chowdhury.

A professional digital marketer and Shopify Expert with passion. I have a team of some hardworking and trustworthy people. Whether you're an early-stage startup or an established large business, we always can help you to grow your business on the online platform.

16/10/2024
নিজেকে প্রফেশনাল ফটোশপ এক্সপার্ট পরিচয় দেওয়ার পর যখন ক্লায়েন্ট সেম্পল দেখতে চাই, ইনবক্সে আমি...
04/09/2024

নিজেকে প্রফেশনাল ফটোশপ এক্সপার্ট পরিচয় দেওয়ার পর যখন ক্লায়েন্ট সেম্পল দেখতে চাই, ইনবক্সে আমি...

17/08/2024
05/07/2024

প্রচন্ড রোদের মধ্যে হযরত আবু বকর (রাঃ) তাঁর ঘর থেকে বের হয়ে আসলেন।
মসজিদ-ই-নববীর দিকে হাঁটতে শুরু করলেন আবু বকর (রাঃ)। পথেই দেখা হয়ে গেল উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) এর সাথে। আবু বকরকে জিজ্ঞেস করলেন উমর,
– এই গরমের মধ্যে বাড়ি থেকে বের হয়ে আসলেন যে!
– কি করবো? দুঃসহ ক্ষুধা তাড়িয়ে নিয়ে এসেছে আমাকে বাড়ি থেকে।
– হে আবা বকর, আমি নিজেও যে একই কারণে ঘর থেকে বের হয়ে এসেছি।
দুজনে কথা বলতে বলতে এগিয়ে গেলেন। হঠাত দেখলেন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এগিয়ে আসছেন তাঁদের দিকে। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নিজেই কথা তুললেন,
– কি ব্যাপার? এই অসময়ে কোথায় যাচ্ছ তোমরা?
– ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), ক্ষুধার কষ্টই আমাদের বাড়ি থেকে বের করে এনেছে।
– সেই পবিত্র স্বত্তার শপথ যাঁর হাতে আমার প্রাণ, আমিও যে একই কারণে বের হয়ে এসেছি ঘর থেকে। চলো সামনে এগিয়ে যাই।
তিনজন মিলে হাঁটতে হাঁটতে পৌঁছলেন আবু আইয়ুব আল-আনসারী (রাঃ) এর বাড়িতে। আবু আইয়ুব (রাঃ) এর স্বভাব ছিল প্রতিদিন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর জন্য খাবার তৈরী করে অপেক্ষা করা। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) না এলে বাড়ির সবার সাথে সেই খাবার ভাগাভাগি করে খেতেন আবু আইয়ুব।
সেদিনও অপেক্ষা করছিলেন তিনি। কিন্তু রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খাবারের সময় না আসায় তিনি সবাইকে নিয়ে খাওয়া শেষ করে ফেলেছিলেন।
খাবার শেষ হয়ে গেছে। আর রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এবং তাঁর দুই সঙ্গীকে নিয়ে এলেন। এই অবস্থায় আবু আইয়ুব আল-আনসারী তাড়াতাড়ি একটি বকরী জবাই করে ভুনা করার ব্যবস্থা করলেন। তাঁর স্ত্রী রুটি বানিয়ে ফেললেন ইতিমধ্যে। মেহমানদের সামনে খাবার পরিবেশন করা হলো এক সময়ে।
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেতে নিয়ে থেমে গেলেন হঠাত। তারপর একটি রুটির উপরে কিছু ভুনা মাংস রেখে সেটি আবু আইয়ুব আনসারী'র হাতে দিয়ে বললেন,
"একটু আমার মেয়ে ফাতিমার কাছে দিয়ে এসো এই খাবার। অনেক দিন হয় আমার মেয়ে এমন খাবার খেয়েছে।"
আবু আইয়ুব আনসারী ফাতিমা (রাঃ) খাবার দিয়ে ফিরে এলেন। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর দুই প্রিয় সাথীকে নিয়ে খাবার খেলেন। খাবার শেষে খাবারের দিকে তাকিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, "রুটি, মাংস, খুরমা, পাকা ও আধ-পাকা খেজুর!"
এইটুকু বলতেই গলা ধরে এলো তাঁর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। দু'চোখ ভর্তি পানি নিয়ে আবার কথা বললেন রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম),
"মহিমান্বিত আল্লাহর শপথ, এইসবই হচ্ছে সেই নি'আমত - যার বিষয়ে তোমাদেরকে কিয়ামতের দিন তোমাদেরকে জিজ্ঞেস করা হবে। তোমরা যখন কোন নি'আমত গ্রহণ করার জন্য হাত বাড়াবে, তখন 'বিসমিল্লাহ' ( بسم الله ) বলবে। তারপর তৃপ্তি নিয়ে খাবার শেষ করার পরে বলবে - 'আল'হামদুলিল্লাহিল্লাযি হুয়া আশবা'আনা ওয়া আন'আমা 'আলাইনা ওয়াআফদ্বাল' ( الحمد لله الذي هو أشبعنا وأنعم علينا وأفضل )
অর্থঃ সমস্ত প্রশংসা মহান আল্লাহ পাকের যিনি আমাদেরকে পরিতৃপ্ত করেছেন এবং আমাদেরকে নিয়ামত দান করেছেন যা অনেক উত্তম।"
[সুত্রঃ 'আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত একটি দীর্ঘ হাদীস।

হায়াতুস সাহাবাঃ খন্ড ১, পৃষ্ঠা ৫১৫ – ৫১৮

আত তারগীব ওয়াত তারহীব, জাকিউদ্দিন আব্দুল আযীম আল-মুনযিরি (রহিমাহুল্লাহ)

সুওয়ারুম মিন হায়াতিস সাহাবাঃ খন্ড ১, পৃষ্ঠা ১২৪ – ১৩০]
_______________
মহিমান্বিত আল্লাহ তা'আলার #অসীম_নিআমতের বিপরীতে কোনো সন্তুষ্টিই তো প্রকাশ করতে পারছি না আমি!
পারছি কি আমরা?

__মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে কখনো পড়িনিএকটু পড়েই দেখুন না, জাযাকাল্লাহ।❤️পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্ল...
29/06/2024

__মৃত্যু নিয়ে এতো সুন্দর লেখা আগে কখনো পড়িনি

একটু পড়েই দেখুন না,

জাযাকাল্লাহ।❤️

পরলোকগত কুয়েতি লেখক আব্দুল্লাহ যারাল্লাহ র মৃত্যুর আগে লিখে যাওয়া কিছু অনুভূতি -

"মৃত্যু নিয়ে আমি কোনো দুশ্চিন্তা করবো না, আমার মৃতদেহের কি হবে সেটা নিয়ে কোন অযথা আগ্রহ দেখাবো না। আমি জানি আমার মুসলিম ভাইয়েরা করণীয় সবকিছুই যথাযথভাবে করবে।"

يُجَرِّدُونَنِي مِنْ مَلَابِسِي

তারা প্রথমে আমার পরনের পোশাক খুলে আমাকে বিবস্ত্র করবে,

يَغْسِلُونَني

আমাকে গোসল করাবে,

يَكْفِنُونَنِي

(তারপর) আমাকে কাফন পড়াবে,

يُخْرِجُونَنِي مِنْ بَيْتِي

আমাকে আমার বাসগৃহ থেকে বের করবে,

يَذهَبُونَ بِي لِمَسَكِنِي الجَدِيدِ (القَبْرُ)

আমাকে নিয়ে তারা আমার নতুন বাসগৃহের (কবর) দিকে রওনা হবে,

وَسَيَأتِي كَثِيرُونَ لِتَشْيِيْعِ الجَنَازَتِي

আমাকে বিদায় জানাতে বহু মানুষের সমাগম হবে,

بَلْ سَيَلْغِي الكَثِيرُ مِنهُم أَعْمَالَهُ وَمَوَاعِيدَهُ لِأَجْلِي دَفْنِي

অনেক মানুষ আমাকে দাফন দেবার জন্য তাদের প্রাত্যহিক কাজকর্ম কিংবা সভার সময়সূচী বাতিল করবে,

وَقَدْ يَكُونُ الكَثِيرُ مِنهُم لَمْ يَفَكِّرْ في نَصِيحَتِي يَوماً مِنْ الأيّامِ

কিন্তু দুঃখজনকভাবে অধিকাংশ মানুষ এর পরের দিনগুলোতে আমার এই উপদেশগুলো নিয়ে গভীর ভাবে চিন্তা করবে না,

أَشْيَائِي سَيَتِمُّ التَّخَلُّصُ مِنهَا

আমার (ব্যক্তিগত) জিনিষের উপর আমি অধিকার হারাবো,

مَفَاتِيحِي

আমার চাবির গোছাগূলো,

كِتَابِي

আমার বইপত্র,

حَقِيبَتِي

আমার ব্যাগ,

أَحْذِيَتِي

আমার ‍জুতোগুলো,

وإنْ كانَ أَهْلِي مُوَفِّقِينَ فَسَوفَ يَتَصَدِّقُونَ بِها لِتَنْفَعَنِي

হয়তো আমার পরিবারের লোকেরা আমাকে উপকৃত করার জন্য আমার ব্যবহারের জিনিসপত্র দান করে দেবার বিষয়ে একমত হবে,

تَأَكِّدُوا بِأَنَّ الدُّنيا لَنْ تَحْزَنْ عَلَيَّ

এ বিষয়ে তোমরা নিশ্চিত থেকো যে, এই দুনিয়া তোমার জন্য দু:খিত হবে না অপেক্ষাও করবে না,

وَلَنْ تَتَوَقَّفْ حَرَكَةُ العَالَمِ

এই দুনিয়ার ছুটে চলা এক মুহূর্তের জন্যও থেমে যাবে না,

وَالاِقْتِصَادُ سَيَسْتَمِرُ

অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কিংবা ব্যবসাবাণিজ্য সবকিছু চলতে থাকবে,

وَوَظِيْفَتِي سَيَأتِي غَيرِي لِيَقُومَ بَها

আমার দায়িত্ব (কাজ) অন্য কেউ সম্পাদন করা শুরু করবে,

وَأَمْوَالِي سِيَذْهَبُ حَلَالاً لِلوَرَثِةِ

আমার ধনসম্পদ বিধিসম্মত ভাবে আমার ওয়ারিসদের হাতে চলে যাবে,

بَينَمَا أنا سَأُحَاسِبُ عَليها

অথচ এর মাঝে এই সম্পদের জন্য আমার হিসাব-নিকাশ আরম্ভ হয়ে যাবে,

القَلِيلُ والكَثِيرُ.....النَقِيرُ والقَطمِيرُ......

ছোট এবং বড়….অনুপরিমাণ এবং কিয়দংশ পরিমান, (সবকিছুর হিসাব)

وَإن أَوَّلَ ما مَوتِي هو اِسمِي !!!!

আমার মৃত্যুর পর সর্বপ্রথম যা (হারাতে) হবে, তা আমার নাম!!!

لِذَلكَ عِنْذَما يَمُوتُ سَيَقُولُونَ عَنِّي أَينَ "الجُنَّةُت"...؟

কেননা, যখন আমি মৃত্যুবরণ করবো, তারা আমাকে উদ্দেশ্য করে বলবে, কোথায় “লাশ”?

وَلَن يَنَادُونِي بَاِسمِي....

কেউ আমাকে আমার নাম ধরে সম্বোধন করবে না,

وَعِندَما يُرِيدُونَ الصَّلاةَ عَلَيَّ سِيَقُلُونَ اُحْضُرُوا "الجَنَازَةَ" !!!

যখন তারা আমার জন্য (জানাযার) নামাজ আদায় করবে, বলবে, “জানাযাহ” নিয়ে আসো,

وَلَن يُنَادُونِي يِاسْمِي ....!

তারা আমাকে নাম ধরে সম্বোধন করবে না….!

وَعِندَما يَشْرَعُونَ بِدَفنِي سَيَقُولُونَ قَرِّبُوا المَوتَ وَلَنْ يَذكُرُوا اِسمِي ....!

আর, যখন তারা দাফন শুরু করবে বলবে, মৃতদেহকে কাছে আনো, তারা আমার নাম ধরে ডাকবে না…!

لِذَلِكَ لَن يَغُرَّنِي نَسبِي وَلا قَبِيلَتِي وَلَن يَغُرَّنِي مَنْصَبِي وَلا شَهرَتِي ....

এজন্যই দুনিয়ায় আমার বংশপরিচয়, আমার গোত্র পরিচয়, আমার পদমযার্দা, এবং আমার খ্যাতি কোনকিছুই আমাকে যেন ধোঁকায় না ফেলে,

فَمَا أَتْفَهُ هَذِهِ الدُّنْيَا وَمَا أَعْظَمَ مُقَلِّبُونَ عَليهِ .....

এই দুনিয়ার জীবন কতই না তুচ্ছ, আর, যা কিছু সামনে আসছে তা কতই না গুরুতর বিষয়…

فَيا أَيُّهَا الحَيُّ الآنَ ..... اِعْلَمْ أَنَّ الحُزْنَ عَليكَ سَيَكُونُ على ثَلَاثَةٍ أَنْواعٍ:

অতএব, (শোন) তোমরা যারা এখনো জীবিত আছো,….জেনে রাখো, তোমার (মৃত্যুর পর) তোমার জন্য তিনভাবে দু:খ করা হবে,

1ــ النَّاسُ الَّذِينَ يَعْرِفُونَكَ سَطْحَيّاً سَيَقُولُونَ مِسْكِينٌ

১. যারা তোমাকে বাহ্যিক ভাবে চিনতো, তারা তোমাকে বলবে হতভাগা,

2ــ أَصْدِقَاؤُكَ سَيَحْزُنُونَ سَاعَات أَو أَيَّامَاً ثُمَّ يَعُودُونَ إِلَى حَدِيثِهِم بَلْ وَضَحِكَهُم.....

২. তোমার বন্ধুরা বড়জোর তোমার জন্য কয়েক ঘন্টা বা কয়েক দিন দু:খ করবে, তারপর, তারা আবার গল্পগুজব বা হাসিঠাট্টাতে মত্ত হয়ে যাবে,

3ــ الحُزْنُ العَمِيقُ فِي البَيْتِ سَيَحْزُنُ أَهْلِكَ أُسْبُوعاً.... أُيسْبُوعَينِ شَهراً ....شَهرَينِ أَو حَتَّى سَنَةً وَبَعْدَهَا سَيَضْعُونَكَ فِي أَرْشِيفِ الذَّكَرِيّاتِ !!!

৩. যারা খুব গভীর ভাবে দু:খিত হবে, তারা তোমার পরিবারের মানুষ, তারা এক সপ্তাহ, দুই সপ্তাহ, একমাস, দুইমাস কিংবা বড় জোর একবছর দু:খ করবে। এরপর, তারা তোমাকে স্মৃতির মণিকোঠায় যত্ন করে রেখে দেবে!!!

اِنْتَهَتْ قِصَّتُكَ بَينَ النَّاسِ وَبَدَأَتْ قِصَّتُكَ الحَقِيْقِيّةِ وَهِيَ الآخِرةُ ....

মানুষদের মাঝে তোমাকে নিয়ে গল্প শেষ হয়ে যাবে, অত:পর, তোমার জীবনের নতুন গল্প শুরু হবে, আর, তা হবে পরকালের জীবনের বাস্তবতা,

لَقدْ زَالَ عِندَكَ:

তোমার নিকট থেকে নি:শেষ হবে (তোমার):

1ــ الجَمَالُ

১. সৌন্দর্য্য

2ــ والمَالُ

২. ধনসম্পদ

3ــ والصَحَّةُ

৩. সুস্বাস্থ্য

4ــ والوَلَدُ

৪. সন্তান-সন্তদি

5ــ فَارقَت الدَّور

৫. বসতবাড়ি

6ــ القُصُورُ

৬. প্রাসাদসমূহ

7ــ الزَوجُ

৭. জীবনসঙ্গী

وَلَمْ يَبْقِ إِلَّا عَمَلُكَ

তোমার নিকট তোমার ভালো অথবা মন্দ আমল ব্যতীত আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না,

وَبَدَأَتِ الحَيَاةُ الحَقِيقَيَّةُ

শুরু হবে তোমার নতুন জীবনের বাস্তবতা,

وَالسُّؤَالُ هُنا : ماذا أَعْدَدْتَ لِلقُبَرِكَ وَآخِرَةَكَ مِنَ الآنَ ؟؟؟

আর, সে জীবনের প্রশ্ন হবে: তুমি কবর আর পরকালের জীবনের জন্য এখন কি প্রস্তুত করে এনেছো?

هَذِهِ حَقِيقَةٌ تَحْتَاجُ إلى تَأمَّلٍ

*ব্স্তুত: এই জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে তোমাকে গভীর ভাবে মনোনিবেশ করা প্রয়োজন,*

لِذَلِكَ أحرصُ عَلى :

এজন্য ‍তুমি যত্নবান হও,

1ــ الفَرَائِضِ

১. ফরজ ইবাদতগুলোর প্রতি

2ــ النَّوَافِلِ

২. নফল ইবাদতগুলোর প্রতি

3ــ صَدَقَةُ السِّرِّ

৩. গোপন সাদাকাহ’র প্রতি

4ــ عَمَلُ الصَّلِحِ

৪. ভালো কাজের প্রতি

5ــ صَلاةُ اللَّيلِ

৫. রাতের নামাজের প্রতি

لَعَلَّكَ تَنْجُو....

যেন তুমি নিজেকে রক্ষা করতে পারো….

إِنْ سَاعَدْتَ عَلى تَذْكِيرِ النَّاسِ بِهَذِهِ المُقَالَةِ وَأنتَ حَيُّ الآنَ سَتَجِدُ أَثَرَ تَذكِيرِكَ في مِيزَانِكَ يَومَ القِيامَةِ بِإِذْنِ اللهِ .....

এই লিখাটির মাধ্যমে তুমি মানুষকে উপদেশ দিতে পারো, কারণ তুমি এখনো জীবিত আছো, এর ফলাফল আল্লাহ’র ইচ্ছায় তুমি কিয়ামত দিবসে মিজানের পাল্লায় দেখতে পাবে,

قال الله تَعالى : ((فَذَكِّرْ فَإِنَّ الذِّكْرَ تَنْفَعُ المُؤمِنِينَ))

আল্লাহ বলেন: ((আর স্মরণ করিয়ে দাও, নিশ্চয়ই এই স্মরণ মুমিনদের জন্য উপকারী))

لِمَاذَا يَخْتَارُ المَيِّتِ "الصَّدَقَةَ لو رَجَعَ للدُّنيا....

তুমি কি জানো কেন মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ প্রদানের আকাঙ্খা করবে, যদি আর একবার দুনিয়ার জীবনে ফিরতে পারতো?

كَمَا قَالَ تَعَالى: ((رَبِّ لَو لا أَخَّرْتَنِي إلى أَجَلٍ قَرِيبٍ فَأَصَّدَّقَ....))

আল্লাহ বলেন: ((হে আমার রব! যদি তুমি আমাকে আর একটু সুযোগ দিতে দুনিয়ার জীবনে ফিরে যাবার, তাহলে আমি অবশ্যই সাদাকাহ প্রদান করতাম….))

ولَمْ يَقُلْ :

তারা বলবে না,

لِأعتَمَرَ

উমরাহ পালন করতাম,

أو لِأُصَلَّي

অথবা, সালাত আদায় করতাম,

أو لِأصُومُ

অথবা, রোজা রাখতাম,

قالَ العُلَماءُ : ما ذَكَرَ المَيِّتُ الصَّدَقَةَ إلا لِعَظِيمِ مَا رَأى مِن أَثَرِها بَعدَ مَوتِهِ

আলেমগণ বলেন: মৃতব্যক্তিরা সাদাকাহ’র কথা বলবে, কারণ তারা সাদাকাহ প্রদানের ফলাফল তাদের মৃত্যুর পর দেখতে পাবে,

فَأَكْثِرُوا مِنَ الصَّدَقَةِ وَمِن أَفضَلِ ما تَتَصَدَّقُ بِهِ الآنَ 10 ثَوَان مِنْ وَقْتِكَ لِنشَرِ هذا الكَلامَ بِنِيَّةِ النَّصْحِ فَالكَلمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ.


সংগৃহীত পোস্ট।

গুনাহে জারিয়া এবং সদকায়ে জারিয়া---------------------------------------------------------রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি...
27/06/2024

গুনাহে জারিয়া এবং সদকায়ে জারিয়া
---------------------------------------------------------
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
مَنْ سَنَّ فِي الإِسْلاَمِ سُنَّةً حَسَنَةً فَعُمِلَ بِهَا بَعْدَهُ كُتِبَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِ مَنْ عَمِلَ بِهَا وَلاَ يَنْقُصُ مِنْ أُجُورِهِمْ شَىْءٌ
“যে ব্যক্তি ইসলামে কোন ভাল রীতির প্রচলন করবে এবং পরবর্তীকালে সে অনুযায়ী আমল করা হয় তাহলে আমল কারীর সাওয়াবের সমপরিমাণ সাওয়াব তার জন্য লিপিবদ্ধ করা হবে। এতে তাদের সাওয়াবের কোন রূপ ঘাটতি হবে না।”
[সহিহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৪৯/ ইলম (كتاب العلم), যে ব্যক্তি কোন ভাল রীতি কিংবা মন্দ রীতি প্রচলন করে এবং যে ব্যক্তি সত্যপথের দিকে আহ্বান করে কিংবা ভ্রান্তির দিকে ডাকে]
---------------------------------------------------------

গুনাহে জারিয়া প্রসঙ্গে বাস্তব জীবন থেকে নেয়া কিছু শিক্ষণীয় ঘটনাঃ
(১)
আহমাদ ইমাদুদ্দীন রাযী ছিলেন মিশরের প্রসিদ্ধ অর্থোপেডিক সার্জন। তিনি আইনুশ শামস বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন অনুষদের ডেপুটি ডিন এবং মিশরের স্বাস্থ্যমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি সব দিক দিয়েই প্রসিদ্ধ ব্যক্তিত্ব ছিলেন।

ডা. রাযী ৫ জুন হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হন। তাঁকে পূর্ব কায়রোর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালটি ছিল তাঁর বন্ধুর। ডা. রাযীকে অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যাওয়া হয় এবং তার ‘কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশন’ শুরু হয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে হার্ট চেম্বারে একটি সূক্ষ্ম ইলাস্টিক টিউব (ক্যাথেটার) প্রবেশ করানো হয়। এটি রোগীর রোগ নির্ণয় করে। ক্যাথেটারাইজেশন কর্মী খুব দক্ষ ছিলেন না। তিনি সামান্য ভুল করে বসলেন। এই সামান্য ভুলের কারণে মিশরের প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও অর্থোপেডিক সার্জন অপারেশন টেবিলেই মারা যান। এটি বড় ধরনের সংবাদ ছিল। মিশরীয় মিডিয়া ঘটনাটিকে লুফে নিয়েছিল।

সরকার তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটিও ক্যাথেটারাইজেশনকে দায়ী করে। এটি আপাতদৃষ্টিতে একটি সাধারণ খবর। সারা বিশ্বে এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকে। চিকিৎসাকর্মী ও চিকিৎসকদের অবহেলার কারণে প্রতিদিন শত শত রোগী মারা যায়। কিন্তু এ খবর সাধারণ হয়েও অসাধারণ হল কেন?

কারণ মিশরে কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশনের জন্য ২০১৬ সালের আগে সার্জনের চেয়ে বেশি অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেশনের প্রয়োজন ছিল। ডা. রাযী তার মেয়াদকালে অভিজ্ঞতা ও সার্টিফিকেশন কমিয়ে শত শত যুবককে প্র্যাক্টিসের অনুমতি দিয়েছিলেন।

তাঁর চিন্তা ছিল, সার্জারি সার্জন করেন। তাই সার্জন কোয়ালিফাইড ও অভিজ্ঞ হওয়া প্রয়োজন। সাপোর্টিং স্টাফরা অপারেশনের সময় কেবল ছুরি ও কাঁচি ধরে রাখে। এতে খুব বেশি সার্টিফিকেশন ও অভিজ্ঞতার প্রয়োজন হয় না। তাই ডা. রাযীর অনুকম্পায় সার্জারির সাপোর্ট-স্টাফ বৃদ্ধি পায়। এভাবে ডাক্তার ও সার্জনদের ব্যক্তিগত অনুশীলন বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ডা. রাযী নিজেই অনভিজ্ঞ স্টাফের অনভিজ্ঞতার শিকারে পরিণত হন।

আমাদের বন্ধু রেজা বশির তারার এই পরিস্থিতিকে ‘গুনাহে জারিয়া’ বলে থাকেন। তিনি জাপানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত। আমি গত মাসে জাপানে গিয়েছিলাম। সেখানে তারার সাহেবের বক্তব্য ছিল, আমরা জীবনে যেসব সৎকর্ম করি, তাকে সদকায়ে জারিয়া বলা হয়। বিশেষ বিশেষ নেককাজ সদকায়ে জারিয়া হলে আমাদের কিছু কিছু গুনাহ ও ভুলগুলোও ‘গুনাহে জারিয়া’। এগুলোর কুপ্রভাবও অনবরত চলতে থাকে এবং মানুষকে বছরের পর বছর বরং শত শত বছর এর পরিণতি ভোগ করতে হয়। আমাদের মৃত্যুর পরেও আমাদের খাতায় লিপিবদ্ধ হতে থাকে।

বিশ্বাস করুন, কুরআনের অনুবাদ আমার সমস্ত উপলব্ধি পরিবর্তন করে দিয়েছে। ইসলাম শুধু অতটুকুর নাম নয়, যা সচরাচর আমরা করে বা বুঝে থাকি। আল্লাহর বাণী সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং এই ভিন্ন বাণীতে তিনি বারবার বলছেন, আপনি এই পৃথিবীতে যা করছেন তার জন্য আপনাকে দুনিয়া ও আখেরাত উভয় ক্ষেত্রেই জবাবদিহি করতে হবে। ডা. আহমাদ ইমাদুদ্দীন রাযীর সঙ্গে এটাই ঘটেছে। তিনি তাঁর ভুল সিদ্ধান্তের গ্রাসে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু প্রশ্ন হল, মৃত্যুতে কি তিনি রক্ষা পেয়ে যাবেন?

না, তার (ইচ্ছাকৃত) ভুল সিদ্ধান্তের দায় তাকে বহন করতে হবে। যতদিন মিশরের লোকেরা তার কারণে নিয়োগ হওয়া অযোগ্য লোকদের ভুল ‘কার্ডিয়াক ক্যাথেটারাইজেশনে’র শিকার হতে থাকবে, ডা. রাযীর বোঝাও বাড়তে থাকবে। তাই আমাদেরও বেঁচে থাকা উচিত। এই ধরনের গুনাহ আমাদের দুনিয়ার জীবনে এবং আখেরাতে উভয় জগতেই দংশন করতে থাকবে।

(২)
অনেক দিন আগে একজন দায়রা জজের সঙ্গে আমার দেখা হয়েছিল। তাঁর একটি হাত ছিল কাটা। আমি তাঁকে দুর্ঘটনার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তার চোখ অশ্রুসজল হয়ে ওঠে। তিনি বলছিলেন, ‘আমি আমার মেয়েকে নিয়ে কেনাকাটা করতে গিয়েছিলাম। সেখানে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ছেলে আমার মেয়ের ব্যাগ টান দেয়। আমার মেয়ে ব্যাগটি শক্ত করে ধরে। ফলে সেও বাইকের সাথে হেচড়াতে লাগল। আমি সাহায্যের জন্য ছুটে গেলে ডাকাতেরা আতঙ্কিত হয়ে গুলি চালায়। একটি গুলি আমার হাতে এবং অন্যটি মেয়ের মাথায় লাগে। মেয়ে সেখানেই মারা যায়। আমার হাতের ক্ষত বেশ খারাপ হয়ে ওঠে। ডাক্তার দুই মাস পরে হাত কেটে ফেলতে বাধ্য হন।’

এরপর তিনি ফুপিয়ে কাঁদতে লাগলেন। আমি তাঁকে সান্ত্বনা দিলে তিনি চোখ মুছতে মুছতে বললেন, ‘আমি আমার মেয়ে বা আমার হাতের জন্য কাঁদছি না। আমি অপরাধীদের কারণে কাঁদছি। আমি চাকরিকালে মাত্র কয়েক হাজার টাকার লোভে অনেক চোর-ডাকাত আসামীকে ছেড়ে দিয়েছিলাম। প্রতিদিন আমার মনে হয়, আমাকে যে গুলি করেছে সে আমারই ছেড়ে দেওয়া কোনো অপরাধী হবে। এই অনুভূতি আমাকে আর বাঁচতে দিচ্ছে না।’

(৩)
করাচিতে এক ট্রাফিক পুলিশ অফিসারের সাথে সাক্ষাৎ হয়েছিল। তাঁর গল্পটিও খুব বেদনাদায়ক। তাঁর পরিবার ভ্রমণে বের হয়েছিল। রাস্তার অপর পাশ থেকে একটি গাড়ি এসে তাদের গাড়িকে ধাক্কা দেয়। গাড়িটি ছোট ছিল। একেবারে খাদে গিয়ে পড়ে। অফিসারের পুরো পরিবার দুর্ঘটনায় মারা যায়।

তিনি তার ঘটনা শোনান। বলেন, আমি টাকার বিনিময়ে ড্রাইভিং ভালোভাবে জানে না— এমন ব্যক্তির জন্যও ড্রাইভিং লাইসেন্স ইস্যু করতাম। যারা রাস্তায় ট্রাফিক আইন অমান্য করেছে তাদের কাছ থেকে এক-দুই হাজার টাকা নিয়ে ছেড়ে দিতাম।

আমার মনে হয়, যে আমার পরিবারকে হত্যা করেছে, সে অবশ্যই আমার থেকে পাওয়া লাইসেন্সধারী অথবা আমিই কোনো ছোট/বড় ভুলের পর তাকে ছেড়ে দিয়ে থাকব। পরে সে আমার পুরো পরিবারকে হত্যা করেছে।

(৪)
একইভাবে আমি শিক্ষা বোর্ডের একজন সাবেক চেয়ারম্যানকে পেয়েছি, যার পরিবার একটি নির্মাণাধীন সেতুর পিলার চাপায় নিহত হয়েছে। তাঁর বক্তব্য ছিল, আমি শত শত অযোগ্য যুবককে মেডিকেল কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ করে দিয়েছিলাম। হয়তো সেতুটি তাদের কারো হাতে নির্মিত হয়েছিল এবং এটি আমার নিজের পরিবারের ওপর পড়েছিল।

(৫)
একজন দুধওয়ালাকে পেয়েছিলাম। তাঁর তিনটি সন্তান ছিল। তিনজনই শারীরিকভাবে দুর্বল ছিল। তিনি আমাকে বলেছিলেন, আমার বাচ্চাদের শৈশবে দুধে অ্যালার্জি ছিল। তারা দুধ পান করতে পারত না। যার কারণে তাদের শারীরিক বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে। আমি বললাম, আজকাল এই রোগটি নিরাময়যোগ্য। আপনি একজন ভালো ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করতেন!

তিনি মুচকি হেসে উত্তর দিলেন, দুনিয়ায় এই রোগের চিকিৎসা থাকবে; কিন্তু আমার বাচ্চারা এই চিকিৎসায় সেরে উঠতে পারবে না। এই বিশ্বাসের কারণ জিজ্ঞাসা করলে তিনি একটি ভয়ানক গল্প বলেন, আমার পঞ্চাশটি মহিষ ছিল। আমি এগুলোর দুধ বিক্রি করতাম। আমি লোভে পড়ে বেশি দুধের জন্য মহিষকে ইনজেকশন দিতে শুরু করি। দুধে ডিটারজেন্ট পাউডার, ইউরিয়া সার ও পানি মিশিয়ে পরিমাণ বাড়াতে শুরু করি। আমি এটি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করি। কিন্তু মহান আল্লাহ আমার বাচ্চাদের জন্য দুধে অ্যালার্জি তৈরি করেছিলেন। আমি তাদের নিয়ে ঘুরতে থাকি। কোনো ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলে আমার চোখের সামনে ওই হাজারো শিশুর চেহারা ভেসে ওঠে, যাদেরকে আমি ইউরিয়া, ডিটারজেন্ট পাউডার মেশানো দুধ পান করিয়েছি। তাদের কী পরিণতি হয়েছে? তারা কি বেঁচে আছে? বেঁচে থাকলে তাদের পাকস্থলির কী অবস্থা? তাই আমি এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, আমার সন্তানদের রোগ অনিরামেয়। চিকিৎসা হয়ে থাকে রোগের, গুনাহের নয়; আর আমি একজন গুনাহগার।

(৬)
কিছুদিন আগে আমি এক বন্ধুর অফিসে গিয়েছিলাম। সেদিন তাঁর ডিপার্টমেন্টে নিয়োগ চলছিল। বন্ধু আমাকে বলে, এটা স্বজনপ্রীতির দুনিয়া। আমার কাছে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় শ্রেণির জন্যও মন্ত্রীদের কাছ থেকে সুপারিশ আসছে।

তারপর চিরকুটের পুরো স্তুপ আমার সামনে রাখল। আমি আমার বন্ধুকে গুনাহে জারিয়ার তত্ত্ব শুনিয়ে বললাম, ‘তুমি তোমার কোনো সুপারিশকৃত ও অযোগ্য চাপরাশির হাতে মরতে চাইলে সমস্ত চাকরি এই চিরকুটগুলোতে ভাগ করে দাও। আর নিজের এবং নিজ পরিবারের সুরক্ষা চাইলে কেবল যোগ্যতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নাও। যোগ্য ব্যক্তিদের নির্বাচন কর। তুমিও সদকায়ে জারিয়ার অংশ হয়ে যাবে। তাদের এবং তাদের পরিবারের লোকদের দুআ দশকের পর দশক তোমার পরিবারকে রক্ষা করবে।

আমার বন্ধুর চোখ অশ্রুসজল হয়ে উঠল। সে সব চিরকুট ছিঁড়ে ডাস্টবিনে ফেলে দিল। পিএকে ডেকে বলল, ‘আমরা প্রার্থীদের তালিকা ঝুলাব না। তুমি তাদের সবাইকে অফিসে সরাসরি ডাকো। তাদের সরাসরি নিয়োগ দেব এবং ‘আমি এই সেবামূলক কাজের জন্য জেলে যেতেও প্রস্তুত!’

সোর্সঃ https://www.alkawsar.com/bn/article/3447/

জাভেদ চৌধুরী। প্রসিদ্ধ সাংবাদিক, কলাম লেখক ও উপস্থাপক। এক্সপ্রেস নিউজে (৯ জুলাই ২০২৩) গুনাহে জারিয়া শিরোনামে তাঁর লেখাটি ছিল অত্যন্ত মর্মস্পর্শী। লেখক কোনো আলেম নন। তাই লেখাটির প্রতিটি অংশ ফিকহী বিচারে দেখার সুযোগ নেই। তবে এই লেখা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আছে অনেক কিছু।

অনুবাদ করেছেন : ওয়ালিউল্লাহ আব্দুল জলীল

ইলমে হাদীসের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিভাষা:সাহাবী (ﺻﺤﺎﺑﻰ): যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ ( ﷺ) এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমান...
26/06/2024

ইলমে হাদীসের গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিভাষা:

সাহাবী (ﺻﺤﺎﺑﻰ): যিনি ঈমানের সঙ্গে রাসুলুল্লাহ ( ﷺ) এর সাহচর্য লাভ করেছেন এবং ঈমানের সঙ্গে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে রাসুলুল্লাহ (ﷺ )-এর সাহাবী বলা হয়।

তাবেঈ (ﺗﺎﺑﻌﻰ) : যিনি রাসুলুল্লাহ (ﷺ )-এর কোন সাহাবীর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবেঈ বলা হয়।

তাবে-তাবেঈ ( ﺗﺎﺑﻌﻰ ﺗﺎﺑﻊ ) : যিনি কোন তাবেঈ এর নিকট হাদীস শিক্ষা করেছেন অথবা অন্ততপক্ষে তাঁকে দেখেছেন এবং মুসলমান হিসেবে মৃত্যুবরণ করেছেন তাঁকে তাবে-তাবেঈ বলা হয়।

মুহাদ্দিস (ﻣﺤﺪﺙ) : যিনি হাদীস চর্চা করেন এবং বহু সংখ্যক হাদীসের সনদ ও মতন সম্পর্কে বিশেষ জ্ঞান রাখেন তাঁকে মুহাদ্দিস বলা হয়।

শাইখ (ﺷﻴﺦ) : হাদীসের শিক্ষাদাতা রাবীকে শায়খ বলা হয়।

শাইখান (ﺷﻴﺨﺎﻥ ) : সাহাবীগনের মধ্যে আবূ বকর (রাঃ) ও উমর (রাঃ)- কে একত্রে শাইখান বলা হয়। কিন্তু হাদীস শাস্ত্রে ইমাম বুখারী (রাহি.) ও ইমাম মুসলিম (রাহি.)-কে এবং ফিক্বহ-এর পরিভাষায় ইমাম আবূ হানীফা (রাহি.) ও আবূ ইউসুফ (রাহি.)-কে একত্রে শাইখান বলা হয়।

হাফিয (ﺣﺎﻓﻆ ) : যিনি সনদ ও মতনের বৃত্তান্ত সহ এক লাখ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হাফিয বলা হয়।

হুজ্জাত (ﺣﺠﺔ ) : অনুরূপভাবে যিনি তিন লক্ষ হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাঁকে হুজ্জাত বলা হয়।

হাকিম ( ﺣﺎﻛﻢ ) : যিনি সব হাদীস আয়ত্ত করেছেন তাকে হাকিম বলা হয়।

রিজাল (ﺭﺟﺎﻝ) : হাদীসের রাবী সমষ্টিকে রিজাল বলে। যে শাস্ত্রে রাবীগণের জীবনী বর্ণনা করা হয়েছে তাকে আসমাউর-রিজাল বলা হয়।

রিওয়ায়াত (ﺭﻭﺍﻳﺔ ): হাদীস বর্ণনা করাকে রিওয়ায়াত বলে। কখনও কখনও মূল হাদীসকেও রিওয়ায়াত বলা হয়। যেমন- এই কথার সমর্থনে একটি রিওয়ায়াত (হাদীস) আছে।

সনদ (ﺳﻨﺪ ): হাদীসের মূল কথাটুকু যে সূত্র পরম্পরায় গ্রন্থ সংকলনকারী পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে সনদ বলা হয়। এতে হাদীস বর্ণনাকারীদের নাম একের পর এক সজ্জিত থাকে।

মতন (ﻣﺘﻦ ): হাদীসে মূল কথা ও তার শব্দ সমষ্টিকে মতন বলে।

মারফূ ( ﻣﺮﻓﻮﻉ): যে হাদীসের সনদ (বর্ণনা পরম্পরা) রাসুলুল্লাহ (ﷺ ) পর্যন্ত পৌঁছেছে তাকে মারফূ হাদীস বলে।

মাওকূফ (ﻣﻮﻗﻮﻑ ) : যে হাদীসের বর্ণনা- সূত্র ঊর্ধ্ব দিকে সাহাবী পর্যন্ত পৌঁছেছে , অর্থাৎ যে সনদ -সূত্রে কোন সাহাবীর কথা বা কাজ বা অনুমোদন বর্ণিত হয়েছে তাকে মাওকূফ হাদীস বলে। এর অপর নাম আসার।

Courtesy: নতুন নকিব

আরও জানতে:

The Path to a Meaningful Life - May Allah guide you.

I'm reading 'The 33 Strategies of War' by Robert Greene. Greene mentions all the great warriors and their historical war...
25/06/2024

I'm reading 'The 33 Strategies of War' by Robert Greene. Greene mentions all the great warriors and their historical wars, but he neglects to mention Khalid bin Waleed and Hazrat Umar Farooq R.A and Hazrat Ali R.A. I'm thinking, is there any greater warrior than Khalid bin Waleed and Hazrat Ali r.a? Napoleon himself commented on Khalid bin Waleed's battles and appreciated him. Americans have used his strategies in several battles.

Today I read Napoleon's strategy, and it was reminiscent of Khalid bin Waleed's. Read Khalid bin Waleed first and then Napoleon and you'll see that if there was no Khalid bin Waleed there wouldn't be any Napoleon. Napoleon used no strategy of his own but all of those of Khalid bin Waleed's.

There was a time when I used to read world's great worriers and I read Alexander the great and Julius Caesar, Napoleon etc and then Hazrat Khalid bin Waleed and after him I read no one because I needed someone better than him to satisfy my thirst and the history lacked such a worrior so I stopped reading more.

Why do these people neglect such real heroes and specialists of the battlefield? As far as I know, it's because they fear that if they portrayed their real humanity and strategies, the world would convert to Islam, and the misconceptions and misunderstandings created by the West would be dispelled.

For example, when the Battle of Yarmouk was about to be fought, Khalid bin Waleed amassed his army from defeated cities of Rome to face the biggest and deadliest battle. As a result, the Romans returned to their defeated cities and started looting houses and insulting women, while the poor people cursed them, stating that the Muslims were better than their own people because their dignity was intact. Herculean remarked that this was the reason why they were winning battles - because they had strategy, discipline, dignity, and honor.

When Khalid bin Waleed won the Battle of Yarmouk and returned to the defeated cities, the citizens welcomed them with flowers in their hands and smiles on their faces. My heart cracked when Robert Greene neglected him and mentioned those who used his strategies.

Collected: Emily Bronte

নিজের অজান্তে আপনিও জড়িয়ে যাচ্ছেন সুদের মত কঠিন পাপের সাথে। আপনি বা আমি কেউই সুদ মুক্ত নই। বিস্তারিত: https://bit.ly/4bI...
11/06/2024

নিজের অজান্তে আপনিও জড়িয়ে যাচ্ছেন সুদের মত কঠিন পাপের সাথে। আপনি বা আমি কেউই সুদ মুক্ত নই।

বিস্তারিত: https://bit.ly/4bI0weD

খুবই জরুরি একটা লিংক, চাইলে সেভ করে রাখতে পারেন অথবা পিডিএফ আকারে ডাওনলোড করে রাখতে পারেন। বাচাই করা পাওয়ারফুল দোয়াগুলো ...
03/06/2024

খুবই জরুরি একটা লিংক, চাইলে সেভ করে রাখতে পারেন অথবা পিডিএফ আকারে ডাওনলোড করে রাখতে পারেন।

বাচাই করা পাওয়ারফুল দোয়াগুলো এড করা হয়েছে। বোনাস হিসেবে সাথে কিছু অসাধারন ভিডিও লিংক ও থাকছে ।

https://bit.ly/4bI0weD

26/05/2024

The best time to plant a tree was 20 years ago. The second best time is now.

Address

Anderkillah Mashjid Market
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Maruf Chowdhury posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Maruf Chowdhury:

Share