Upfront Technology

Upfront Technology we are ready to give you full computer skill development and freelancing service. Our team can give y
(1)

ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে 'গ্যারোতে' নামক এক নির্মম পদ্ধতিতে মৃত্যু*দণ্ড দেওয়া হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে ব্যক্তি...
09/08/2025

ছবিতে দেখা যাচ্ছে এক কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তিকে 'গ্যারোতে' নামক এক নির্মম পদ্ধতিতে মৃত্যু*দণ্ড দেওয়া হচ্ছে। এই পদ্ধতিতে ব্যক্তিকে একটি কাঠের চেয়ারে বসিয়ে তার গলা ও মাথা লোহার যন্ত্র দিয়ে চেপে ধরা হতো, তারপর ধীরে ধীরে পেছন থেকে হাতল ঘুরিয়ে গলা চেপে, নাহয় গলার ভিতর লোহার রড ঢুকিয়ে শ্বাসনালী ভে*ঙে দেয়া হতো। ছবিতে, একদিকে পাহারাদার নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে আছে, অন্যদিকে মৃ*ত্যুর যন্ত্র ঠান্ডা হয়ে ঘুরছে অপরাধীর বিচার নামের অজুহাতে। এই শাস্তি ছিল স্পেনে উপনিবেশিক শাসকদের ক্ষমতার নির্মম প্রয়োগ-যেখানে মানবাধিকারের ছিটেফোঁটাও ছিল না। মৃ*ত্যুর পূর্ব মুহূর্তেও তার মুখে প্রতিবাদ নেই, কেবলই একটি জাতির নিপীড়নের অস্ফুট আর্তনাদ। ইতিহাসের এই মুহূর্ত শুধু এক ব্যক্তির মৃত্যুই নয়, বরং এক সমগ্র জাতিগোষ্ঠীর আত্মার উপর চেপে বসা অমানবিক শাসনের প্রতিচ্ছবি।

Scienspectra

আপনি জাতীয় হিরো, আপনি আইডল। আপনাদের কারনে এখনো ভাতে মাছে হাহাকার লাগে নাই। বিনা ধান ২৫ নামের এক ধরণের ধান আবিস্কার করেছে...
10/05/2023

আপনি জাতীয় হিরো, আপনি আইডল।
আপনাদের কারনে এখনো ভাতে মাছে হাহাকার লাগে নাই। বিনা ধান ২৫ নামের এক ধরণের ধান আবিস্কার করেছেন ড. সাকিনা খানম (বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী )। সালাম নিবেন, ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা নিবেন। আপনার এই ৮ বছরের গবেষণায় দেশে প্রথমবারের মতো অতি লম্বা ও সবেচেয়ে সরু ধান আবিস্কারে আমরা উপকৃত হয়েছি। অযথা মোটা চাল চিকন করে প্রিমিয়াম কোয়ালিটি বলে কর্পোরেটরা চালাতে পারবে না। এই চাল বাসমতির বিকল্প হতে পারে। ফলন ভালো। প্রতি বিঘায় ২২ মণ এবং প্রতি হেক্টরে ৭ দশমিক ৬২ মণ ধান উৎপাদিত হয়েছে। “প্রচলিত বোরো ধানের জাতের চেয়ে এই ধানে রোগ ও পোকার আক্রমণ নেই বললেই চলে। এ ধান চাষে পানি যেমন কম লাগে ইউরিয়া সারও কম লাগে।”
অভিনন্দর ড, সাকিনা এবং প্রতিষ্ঠান।

.                      ☀️E ছাড়া☀️একবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রসিকতা করে মাইকেল মধূসুদন দত্তকে বললেন - মাইকেল, তুমি কি ই...
19/04/2023

. ☀️E ছাড়া☀️

একবার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রসিকতা করে মাইকেল মধূসুদন দত্তকে বললেন - মাইকেল, তুমি কি ইংরেজি বর্ণমালার E কে বর্জন করে একটি পূর্ণ অনুচ্ছেদ লিখতে পারবে?

মধূসুদন সহাস্যে বললেন :

I doubt I can. It’s a major part of many many words. Omitting it is as hard as making muffins without flour. It’s as hard as spitting without saliva, napping without a pillow, driving a train without tracks, sailing to Russia without a boat, washing your hands without soap. And, anyway, what would I gain? An award? A cash bonus? Bragging rights? Why should I strain my brain? It’s not worth doing.

[লক্ষ করুন, কোনো শব্দে E নেই।]

অনুচ্ছেদটির অর্থ :

আমার সন্দেহ আমি পারবো কি না। এটা অনেক শব্দের প্রধান অংশ। এটা ময়দা ছাড়া পিঠা বানানোর মতোই কঠিন। লালা ছাড়া থু থু মারার মতো, বালিশ ছাড়া ঘুমানোর মতো, রেললাইন ছাড়া রেলগাড়ি চালানোর মতো, নৌকা ছাড়া রাশিয়া যাত্রা করার মতো, সাবান ছাড়া হাত ধোয়ার মতো কঠিন। যাইহোক, এটা করতে পারলে আমি কী পাবো? কোনো পুরষ্কার? কোনো টাকা? কোনো অধিকার? তো অযথা কেন আমার মস্তিষ্ককে চাপ দেবো? এটা কোনো কাজের কাজ নয়।

মেধার চর্চা আজকাল নেই,
চারদিকে পরচর্চা!
Collected-----------------

শরীর চলে না, তবুও ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল মুক্তাগাছার হাসানুল--------------------------------------------‘সালটা ২০১৬। দিন দি...
04/04/2023

শরীর চলে না, তবুও ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল মুক্তাগাছার হাসানুল
--------------------------------------------
‘সালটা ২০১৬। দিন দিন আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। কী করব, কোথায় যাব কিছুই বুঝে উঠতে পারছিলাম না। সবে জীবন শুরু, কত স্বপ্ন, কত কিছু করার ইচ্ছা—ধীরে ধীরে সব শেষ হয়ে যাচ্ছিল। কিন্তু একটা জেদ চেপে বসল। যত কষ্ট হোক কিছু একটা আমি করব।

পেপারে ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে যত ধরনের লেখা ছাপা হতো, সেগুলো পড়তাম। মনে মনে চিন্তা করে ফেললাম এর চেয়ে ভালো কাজ আর নেই। আমার মতো শারীরিক অক্ষম মানুষের জন্য উপযোগী।

কাজ করতে গিয়ে অনেকের কটুকথাও শুনতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে এটা ক্লিকের কাজ। লাভ নেই সব ভুয়া।’ গত মঙ্গলবার রাতে এমনটাই বলছিলেন ময়মনসিংহ জেলার মুক্তাগাছার ফ্রিল্যান্সার হাসানুল ইসলাম। বলেছেন তাঁর সফলতার গল্প।

#শুরুর_কথা
২০১৪ সালে মুক্তাগাছার শহীদ স্মৃতি সরকারি কলেজে বিপণন বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষে পড়তেন হাসানুল। ক্রিকেট খেলতেন নিয়মিত। দৈনিক পত্রিকার তথ্যপ্রযুক্তি পাতাগুলোর নিয়মিত পাঠক ছিলেন।

হাসানুলের বাবা মো. আমিনুল ইসলাম পেশায় ছিলেন গাড়িচালক। ২০১১ সালে গলার ক্যানসারে আক্রান্ত হন তিনি। তার পর থেকে একটু একটু করে সরে আসেন তাঁর পেশা থেকে। হাসানুল সবার বড় সন্তান। বড় ছেলে হিসেবে দায়িত্বও বেশি। তখন থেকেই হাসানুলের চিন্তা—জীবনে অনেক বড় হতে হবে।

এদিকে হঠাৎ হাসানুলের শারীরিক অসুস্থতা দেখা দেয়। তিনি কঠিন এক স্নায়ুরোগ মাইওপ্যাথিতে আক্রান্ত হন। মাংসপেশি দুর্বল হয়ে পড়ে, শরীর দিনে দিনে ভেঙে পড়ে। এর মধ্যেও ফ্রিল্যান্সিং শেখার আগ্রহে ভাটা পড়ে না। তবে ভালোভাবে শেখার কোনো জায়গা পান না। একদিকে শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে, অন্যদিকে নিজেকে গোছাতে থাকলেন। হাসানুল বলেন, ‘যখন যে যেটা করতে বলত, তখন তা-ই করতাম। ইউটিউব থেকে শুরু করে বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিংয়ের মার্কেটপ্লেস (ফ্রিল্যান্সারদের জন্য আউটসোর্সিং কাজ পাওয়ার ওয়েবসাইট) ঢুকে দেখতাম।’

এমনই অসুস্থ হয়েছিলেন হাসানুল যে হাঁটাচলা করতে পারতেন না। এটা ২০১৬ সালের কথা। এক চেয়ার থেকে আর এক চেয়ারে গিয়ে বসতেও অন্যের সহায়তা নিতে হতো হাসানুলের। কোনোভাবেই নিজেকে বোঝাতে পারেন না, তাঁর জীবন এখানেই থেমে যাবে। কিন্তু কিছু একটা করার জেদ সব সময় কাজ করত। পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে তাঁর দায়িত্ব অনেক। জেদ ধরে কম্পিউটার নিয়েই পড়ে থাকলেন হাসানুল।

তখন ইন্টারনেট-সংযোগের মাসিক খরচ দেওয়াও মুশকিল হয়ে যাচ্ছে। মা-বাবা বলে বসলেন, কিছু হবে না, বাদ দাও। তখনো জেদ বজায় রাখলেন হাসানুল। এদিকে পড়াশোনাও করতে হচ্ছে। বন্ধুবান্ধব ধরে ধরে শুধু পরীক্ষার সময় তাঁকে নিয়ে যেতেন কলেজে। ২০১৭ সালে অনলাইনে আউটসোর্সিংয়ের কাজ দেওয়া-নেওয়ার মার্কেটপ্লেস ফাইভারে নিজের একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন হাসানুল। তারপর দিনের পর দিন চেষ্টা করতে থাকেন নিজে নিজেই।

হাসানুল ইসলাম বলেন, ‘আসলে শারীরিক অসুস্থতা কোনো অক্ষমতা নয়, মন সুস্থ থাকলে সব সুস্থ। সবচেয়ে বড় কথা, মনে সাহস থাকতে হবে।’ যদি ধৈর্য আর দক্ষতা বাড়াতে পারে কেউ, তবে আমার মতো শারীরিকভাবে যাঁরা অক্ষম, তাঁরা সহজেই ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজটি করতে পারে।

আমার এখন মাসে কমবেশি ৭০০ ডলার আয় হয়। আমি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের কাজ করে থাকি। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা সংক্ষেপে (এসইও) ও অনলাইন রিসেপশন ম্যানেজমেন্ট (ওআরএম) নিয়ে কাজ করছি।’

ফ্রিল্যান্সার হিসেবে সফলতা পাওয়ার পর হাসানুল বিয়ে করেছেন শাহনাজ হাসানকে। তাঁদের এক ছেলে সাফুয়ান ইবনে হাসান। নিজের কাজটা ভালো করে করতে হবে, এটাই মূল লক্ষ্য হাসানুলের। নিজে কাজ করছেন, আর প্রশিক্ষণও দিচ্ছেন তরুণদের। হাসানুল বলেন, ‘সামনের পরিকল্পনাগুলো আমার বড়। নিজেই দক্ষ জনবল তৈরি করে একটি প্রতিষ্ঠান করব।’- prothomalo

"মা,আমার বয়সে তোমার মুড অফ হতো?""সেটা কি জিনিস?""ধ‍্যাৎ,এই যে আমার হয়...কিছুই ভালো লাগে না!""নাহ, এত সময় ছিলো না। কাছের ...
03/04/2023

"মা,আমার বয়সে তোমার মুড অফ হতো?"
"সেটা কি জিনিস?"

"ধ‍্যাৎ,এই যে আমার হয়...কিছুই ভালো লাগে না!"
"নাহ, এত সময় ছিলো না। কাছের কলেজে পড়তাম, জামাকাপড় কাঁচতে আসতাম হাফ টাইমে। আবার কলেজ। বিকেলে নিজের সময় বলতে টাইপ ক্লাস..."

"তুমি প্রেম করোনি?"
"দাদার একটা বন্ধু ছিলো, বেশ ভালো লাগতো। কথা সেরকম হয়নি কখনো"

"তোমার কোনো ফ‍্যান্টাসি ছিলো না?"
"নাহ। দাদা-বৌদির সংসারে অবিবাহিত মেয়েদের ফ‍্যান্টাসি থাকে না। বিয়ের পরদিন যখন চলে যাচ্ছিলাম, কাঁদতে কাঁদতে তোর বড়মামাকে বলেছিলাম দোকানে জামাকাপড় ইস্ত্রি করতে দেয়া আছে যেন নিয়ে আসে। এবার বল তোর ভাষায় কোনটা ফ‍্যান্টাসি?"

" আচ্ছা মা, তোমার কাছে অপেক্ষা মানে কি?"
"ও তুমি বুঝবে না। তুমি তো কল ওয়েটিংয়ে রেগে যাওয়া মানুষ! সেই সকালে অফিস গিয়ে সন্ধ‍্যেবেলা ফেরার অপেক্ষা তোরা বুঝবি না। কথায় কথায় মোবাইলের ম্যাসেজ ছিলো না। তোর বাবার ফেরার অপেক্ষাটুকু ছিলো। বছরের একটি সময় আমাদের একটা ফ‍্যামিলি ছবি হতো। কখনো সময় পেলে দেখিস বুঝতে পারবি। একটা খেটে খাওয়া সাংসারিক মানুষের হাসি আছে...ঐ যে তোর বাবা পিঠে হাত দিতো আমার, ওটাই আমার সাফল‍্য, ওটাই আমার প্রেম, ওটাই আমার ভালোবাসা।"

"বাবা তোমাকে আই লাভ ইউ বলেছে কখনো?"
"মাসকাবারির লিস্টে মনে করে পন্ডস, পাউডার, গ্লিসারিন, সাবান আর শীতকালে মনে করে একটা ক্রিম উনি কখনো ভুল করেননি। জামাকাপড় ভেজাতে দেয়ার সময় প্রতিবার পকেটে পাওয়া দশটা টাকার নোট রাখতে ভুলে যায়নি কখনো। বাজারের লঙ্কা, হলুদের প‍্যাকেট ভুল হলেও আমার বাদামের প‍্যাকেট ভুল হয়নি কখনো। তোর কাছে ভালোবাসা মানে কি জানি না। আমি এগুলো নিয়ে আজও ভীষন সুখী একজন স্ত্রী।"

"তোমার কখনো মনে হয়নি এই লোকটার সাথে আর থাকা যাচ্ছে না?"
"পাঁচ মিনিট আগেই এই ডায়লগ দিয়েছি। যাইনি কেন জানিস? দিনে আট/দশবার তিন চামচ চিনি দিয়ে বড় কাপে চা আমাকে কেউ করে খাওয়াবে না, তোর বাবা ছাড়া।"

"আরে আরে মা, শুনে যাও...শুনে যাও।"
"তোরও সংসার হবে। তবু একটা কথা শোন, কখনো মানিয়ে নিতে শেখ বলবো না। শুধু বলবো, ভালোটুকু খুঁজে আরো ভালো থাকার চেষ্টা করবি। ছেড়ে তো বেড়িয়ে আসাই যায়, থেকে যেতে পারলে তবেই তো একটা ফ‍্যামিলি অ্যালবাম পরের জেনারেশন পাতা উল্টে দেখবে।"

(সংগৃহীত)

অধিকাংশ স্টুডেন্ট বলে আমিতো লেখাপড়া করি আমার ধারা কি ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব। আমি বলি আপনাকে দিয়ে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং...
02/04/2023

অধিকাংশ স্টুডেন্ট বলে আমিতো লেখাপড়া করি আমার ধারা কি ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব। আমি বলি আপনাকে দিয়ে অবশ্যই ফ্রিল্যান্সিং করা সম্ভব যদি আপনার জানার এবং শেখার আগ্রহটা থাকতে হবে।

আপনার ইচ্ছা শক্তিকে বাড়ানোর জন্য নিম্নে ছবি দুইটাই তার প্রমাণস্বরূপ। তারা যদি অল্প বয়সে ফ্রিল্যান্সিং শিখে আয় করতে পারে তাহলে আপনি কেন পারবেন না।
ফ্রিল্যান্সিং শিখে ঘরে বসে আয় করি।
নিজের ক্যারিয়ার নিজে গঠন করি।



#ফ্রি_ক্লাস_করে_জেনে_নিন_বিস্তারিত

আত্মহত্যার প্রবনতা ছিল, জীবনে দুইবার তিনি সুইসাইডাল চিন্তা করেছিলেন। একবার শৈশবে অভাবের বঞ্চনায়, আবার পরিণত বয়সে যখন তার...
30/03/2023

আত্মহত্যার প্রবনতা ছিল, জীবনে দুইবার তিনি সুইসাইডাল চিন্তা করেছিলেন। একবার শৈশবে অভাবের বঞ্চনায়, আবার পরিণত বয়সে যখন তার সব আছে, তখন।

শৈশব দিয়েই শুরু করি, তার পরিবারে তিনবেলা খাবারের নিশ্চয়তা ছিল না, দুপুরে রান্না হলে, রাতের খাবার ছিল অনিশ্চিত।

অনেকেই শৈশবে ফিরে যেতে চায়, কিন্তু তিনি কখনো শৈশবে ফিরতে চান না। প্রচন্ড ক্ষুধার যন্ত্রণা, অভাব আর বঞ্চনার অনুভূতি তার স্মৃতিতে প্রবল।
ক্ষুধা পেটে রাস্তায় যখন হাটতেন তখন দেখতেন বিত্তবানরা দামী খাবার খাচ্ছে, তিনি তাকিয়ে থাকতেন, যদি কখনো কেজন তাকে দেখে খাবার তুলে দেয়! কেউ দেয়নি।

তিনি উপলব্ধি করতেন জন্মগত কারনে গরীব বঞ্চিত, আশেপাশের ধনী মানুষগুলোকে দেখে তিনি তিনি অবাক বিস্ময়ে ভাবতেন ওদের অনেক আছে তবুও কেন ওরা আমাদের টেনে তুলছে না? খুব ছোট বয়সেই তিনি বুঝে যান ধনী গরীবের বৈষম্য।

সংখ্যালঘু নির্যাতনের কারনে প্রায় সব সদস্য দেশ ছেড়ে বহু আগেই চলে গিয়েছিল, কেবল টিকে ছিল তার পরিবার। তিনি কখনো তার আত্মীয়দের দেখেননি। বিপদে কখনো পাননি নির্ভরতার ছায়া।

বাবা ছিলেন তৃতীয় শ্রেণির সরকারী কর্মচারী। যে সামান্য আয় তাতে পাঁচ ছেলেমেয়েকে নিয়ে সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হতো প্রতিনিয়ত। অভিমান হতো খুব বাবা মার প্রতি, এই সমাজের প্রতি।

শারিরিক কিছু প্রতিবন্ধকতা কারনে স্কুলে কেউ তাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহন করেনি, পরিবারেও তিনি ছিলেন আলাদা, একাকী।

পড়াশুনায় মারাত্মক খারাপ ছাত্র ছিলেন। ফেল করতেন অন্তত ছয় সাত সাবজেক্টে। বন্ধুহীন তিনি শুয়ে শুয়ে সৃষ্টিকর্তাকে ডাকতেন কেবল- আমাকে একটা সুযোগ দাও, আমি ভালো কিছু করবো।

মিরাকেল ঘটল যেন, যেই ছেলে কখনো অংকে পাশ করতে পারেনি, সে নব্বই পচানব্বই করে পাওয়া শুরু করল। কিন্তু ঐ যে অভাব যার নিত্যসঙ্গী পথ তার এতো মসৃণ নয়, এসএসসি পর টাকার অভাবে দুই বছর বন্ধ ছিল পড়াশুনা করতে পারেননি, নিজে টিউশনি করিয়ে টাকা জমিয়ে ইন্টারে ভর্তি হন।

এরপর কেবল এগিয়ে চলা। ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেন, একের পর এক সিভি ড্রপ করেন,সিও পোস্ট থেকে কেরানী। অল্প সময়ের ব্যবধানেই চাকুরী পেয়ে যান, একে একে দেশের টপ প্রাইভেট অর্গানাইজেশনের উচ্চ পদে কাজ করেন তিনি, আরও বড় পোস্টে বড় কর্মকর্তা করে পাঠানো হয় বিদেশে।

কিন্তু বিদেশের মাটিতে প্রবল সম্পদের মাঝে থেকে তিনি উপলব্ধি করেন, জীবনের অর্থ কী? একদিন তার টাকা ছিল না, টাকার অভাবে ঘরে ভাত ছিল না, আজ টাকা আছে কিন্তু এই টাকা দিয়ে কি হবে? ছাদের কিনারায় দাড়িয়ে তিনি ভাবে যদি লাফিয়ে পড়ি, মরে যাব, দুইদিন সবাই কাঁদবে, তারপর ভুলে যাবে। তবে কেন এতো সংগ্রাম, তবে কেন এই মানবজনম?

জীবনের অর্থ খুজেতে তিনি বের হন। পথে খুঁজেন কিছু বোকা মানুষ। কারন বোকারাই গড়তে জানে, চালাকরা খোঁজে স্বার্থ। কিছু বোকা মানুষ পেয়ে যান, মাত্র পাঁচজনকে নিয়ে গড়ে তুলেন একটি সংগঠন। সেই সংগঠনটি আজ লাখ লাখ অভুক্ত, বঞ্চিত, আশাহীন মানুষের বেঁচে থাকার ভরসা, আশার প্রদীপ।
জীবনের প্রতি তার এক্সপেকটেশন নেই, তিনি পরিশ্রম করতে জানেন,

আমাদের সকলের প্রিয়  #মেহেজাবিন আপু  #ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া নাটকে এত সুন্দর করে সব কিছু উপস্থাপন করেছেন অনেক ভালো লেগেছে ।...
29/03/2023

আমাদের সকলের প্রিয় #মেহেজাবিন আপু #ফ্রিল্যান্সার নাদিয়া নাটকে এত সুন্দর করে সব কিছু উপস্থাপন করেছেন অনেক ভালো লেগেছে । স্বামীর টাকায় যখন সংসার চলছে না তখন এক বান্ধবীর মাধ্যমে তথ্য পেলেন ফ্রিল্যান্সিং এর তারপর সংসারের সকল কাজের পাশাপাশি শুরু করলেন ফ্রিল্যান্সিং।
আর আমাদের ছাত্রছাত্রী ভাই ও বোনেরা এখনো ভাবছেন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবেন নাকি করবেন না।

#ফ্রিল্যান্সার_নাদিয়া_নাটকের জন্য মেহেজাবিন বাংলাদেশের আইসিটি মন্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক স্যারের কাছ থেকে সম্মাননা পেলেন।

তাই আর নয় ছুটাছুটি । এবার আসুন ক্যারিয়ার গড়ি।
ফ্রিল্যান্সিং করে একটি সুন্দর ও স্মার্ট ক্যারিয়ার তৈরি করুন।


ভাইয়া / আপু রমজান মাস উপলক্ষে  আমাদের একটি আইটি কোম্পানির পক্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখানোর পাশাপাশি অনলাইন থেকে ইনকাম করা...
25/03/2023

ভাইয়া / আপু
রমজান মাস উপলক্ষে আমাদের একটি আইটি কোম্পানির পক্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সিং শিখানোর পাশাপাশি অনলাইন থেকে ইনকাম করার সুযোগ দিচ্ছে।

আপনার কি ফ্রিল্যান্সিং বিষয়ে বিস্তারিত জানার আগ্রহ আছে?

আমাদের কোম্পানির পক্ষ থেকে ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্যে একটি অনলাইন ফ্রী সেমিনার হয়ে থাকে।
আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান এবং ফ্রিল্যান্সিং শিখার পাশাপাশি ইনকাম করতে চান তাহলে, ফ্রিল্যান্সিং কি, কিভাবে করে, ক্লাস কয়টা, ইনকাম কতো এসবকিছু জানার জন্য আপনাকে আমাদের অনলাইন ফ্রি সেমিনারটি দেখতে হবে।

আপনি কি সেমিনারটি দেখতে ইচ্ছুক?

(বি:দ্র: প্রয়োজন হলে দিবো নয়তো না)
আমাদের অনলাইন ফ্রি সেমিনারটি দেখলে আপনি সব বুঝতে পারবেন এবং আপনার সকল প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন।

সেমিনারটি দেখতে হলে আপনাকে আমাদের আমাদের একটি অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। কারন, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সেমিনার কাউকে সুযোগ দেওয়া হয় না।

আপনি কি রেজিস্ট্রেশন ফর্ম পূরন করতে ইচ্ছুক।

রেজিষ্ট্রেশন ফর্ম:
https://forms.gle/tC4p944dFGecXjqN9

রেজিষ্ট্রেশন সময় রেফারেন্স নাম : sbfrish*ta042

রেজিষ্ট্রেশনটি পূরন করে আমাকে জানান।

শুভ জন্মদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যার নেতৃত্ব  এবং দূরদর্শীতার ফল আজকের এই বাংলা।  কৃতজ্ঞতার সহিত  আপনা...
17/03/2023

শুভ জন্মদিন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
যার নেতৃত্ব এবং দূরদর্শীতার ফল আজকের এই বাংলা। কৃতজ্ঞতার সহিত আপনাকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি।

মূর্খ যখন বিত্তবান হয়!একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে, কোন খাবার না পেয়ে একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে...
04/03/2023

মূর্খ যখন বিত্তবান হয়!
একটি ইঁদুর খাবার খুঁজতে খুঁজতে রাজার ঘরে প্রবেশ করে, কোন খাবার না পেয়ে একটি হীরের টুকরো গিলে ফেলে। হীরের টুকরো চুরি যাওয়ার কারণে রাজ-প্রাসাদে সবার ঘুম হারাম হয়ে যায়। রাজা মশাই জ্যোতিষী কে ডেকে পাঠায়, জ্যোতিষী বলে হীরের টুকরো ইদুরে খেয়ে ফেলেছে। সেনাপতি, রাজার হীরে উদ্ধারের জন্য রাজ্যময় পুরস্কার ঘোষণা করে।
একজন শিকারীকে খোঁজ করে, ইঁদুর মেরে হীরে উদ্ধারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
শিকারি যখন ইঁদুর মারতে ইঁদুরদের বাসস্থানে পৌঁছোয়, সে দেখে শত শত ইঁদুর একে অন্যের সংগে দলবেঁধে শুয়ে আছে, আর একটা ইঁদুর সবার থেকে আলাদা এক জায়গায় একটি ইটের ওপর রঙিন কাপড়ের বিছানা করে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছে।
শিকারি তখন ওই ইঁদুরটাকে ধরে, আর তার পেট চিরে হীরে বের করে, রাজার হাতে সেটা তুলে দিলেন, রাজামশাই অনেক খুশি হয়ে শিকারীকে তার প্রাপ্য পুরস্কার দিয়ে দিলেন,
এবং তাকে জিজ্ঞেস করেন,
-হাজারো ইঁদুরের মধ্যে তুমি কিভাবে বুঝলে যে, ওই ইঁদুরটাই হীরে চুরি করেছে..?
শিকারি জবাবে বলে,
-খুবই সহজ ! মূর্খ যখন হঠাৎ বিত্তবান হয়ে যায়, তখন নিজেকে অন্যের থেকে আলাদা মনে করে, নিজের জাতির সঙ্গে মেলামেশা বন্ধ করে দেয়।
মূর্খ ইঁদুরটা ঠিক তাই করেছিল, হীরা চুরি করে নিজেকে সবচেয়ে ধনী এবং ইঁদুরদের রাজা ঘোষণা দিয়েছিল।
বর্তমান সমাজে কিছু কিছু ব্যক্তিদের মাঝে এমন আচরন পরিলক্ষিত হচ্ছে!!!
বড় বড় নেতাদের সাথে সেলফি কিংবা ছবি তোলার যোগ্যতা থাকলেই মানুষ কখনো বড় মনের হয় না...। আজকাল দেখছি অনেকেই নেতা নেত্রী সহ বিভিন্ন শিল্পীদের সাথে ছবি তুলে প্রোফাইল ছবিতে যোগ দিয়েছেন ; তারা কি বুঝাতে চায় বোধগম্য হয় না। এটাও ঐ মূর্খতা ছাড়া আর কিছুই নয়।
সংগৃহীত

Address

Kajir Dewri, VIP Tower Chittagong, Chittagong Division
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Upfront Technology posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Upfront Technology:

Share