10/08/2026
“চট্টগ্রামে স্বাগত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, তবে রাঙ্গুনিয়ায় না পাওয়ার আক্ষেপটা রয়ে গেল হৃদয়ে”
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আগামীকাল চট্টগ্রামে আসছেন—এতে আমরা আনন্দিত, উচ্ছ্বসিত ও গর্বিত। তবে এই আনন্দের মাত্রা আরও বহুগুণ বেড়ে যেত, যদি এই সফরের কর্মসূচিতে প্রিয় রাঙ্গুনিয়াকেও অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
১৯৮১ সালের ৩০ মে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম সমাধি করা হয় রাংগুনিয়া জিয়ানগরে । ফলে জিয়ানগর শুধু রাঙ্গুনিয়ার একটি স্থান নয়;দেশ ও জাতীয়তাবাদী আদর্শে বিশ্বাসী মানুষের কাছে এটি ইতিহাস, আবেগ ও ভালোবাসার এক অনন্য ঠিকানা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ফটিকছড়ি, হাটহাজারী ও চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন এলাকায় রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে অংশ নেবেন। এর পাশাপাশি যদি রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রথম সমাধিস্থলে জিয়ারতের একটি কর্মসূচি থাকত, তাহলে রাঙ্গুনিয়ার মানুষ নিঃসন্দেহে আরও আনন্দিত ও আবেগাপ্লুত হতো।
দুঃখজনক হলেও সত্য, রাঙ্গুনিয়া জিয়ানগরের ঐতিহাসিক গুরুত্ব যথাযথভাবে সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের কাছে তুলে ধরতে দায়িত্বশীল কিছু ব্যক্তি ব্যর্থ হয়েছেন—এমনটাই আমাদের মনে হয়। তা না হলে হয়তো চট্টগ্রাম সফরের রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির একটি অংশ রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরেও হতে পারত।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার সংবাদকর্মী হিসেবে যুক্ত থাকায় হয়তো আগের মতো সরাসরি রাজনীতির মাঠে সক্রিয় নই, কিংবা নীতিনির্ধারকদের কাছেও তেমন গুরুত্ব নেয় আমাদের। কারণ আমরা ‘ড্রয়িংরুমের রাজনীতি’ করি না—আমরা আদর্শের রাজনীতি করি।
দলের দুঃসময়ে শ্রম, সময় ও ত্যাগ দিয়েছি; তাই দলের প্রতি আমাদের ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা আজও অটুট। চাটুকারিতা নয়, দলের স্বার্থে যৌক্তিক কথা বলতে আমরা কখনো দ্বিধা করি না।
দলের প্রয়োজন হলে, কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছাড়াই যেকোনো সময় আবারও সম্মুখসারিতে দাঁড়াতে প্রস্তুত।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, চট্টগ্রামে আপনার আগমন আমাদের আনন্দিত করেছে। শুধু একটি প্রত্যাশা রয়ে গেল—কোনো একদিন রাঙ্গুনিয়ার জিয়ানগরেও আপনার পদধূলি পড়বে, আর সেই দিন রাঙ্গুনিয়ার মানুষের আবেগ-ভালোবাসা পূর্ণতা পাবে।
"Atv News