10/10/2024
উপমহাদেশে প্যাগান ধর্মগুলোর উপাসনার বড় একটা পার্ট কিন্তু নারীশক্তিকে ঘিরে। যেমন, কলকাতার সবচেয়ে বড় উৎসবে ওরা কার পুজো করে? এক নারী মুর্তির।
কিংবা পুরো ভারতের সবচেয়ে বড় উৎসব দিওয়ালি, সেখানেও।
এই যে এক নারী 'শক্তির' প্রতি নিঃশর্ত সাবমিশন, এটা কিন্তু উপমহাদেশের কালচারকে ব্যপকভাবে প্রভাবিত করেছে, শক্তি বা ভক্তির যেকোনো জায়গাতে তারা সেই 'মা' কে দেখতে পায়। যেমন, দেশমাতৃকা - যেখানে দেশকে মা ডেকে আরো একটা নারী শক্তির রুপ দেওয়া হলো। একইভাবে, বন্দে মাতরম, কিংবা, মা তুঝে সালাম ইত্যাদি।
নারীকে অপরিসীম শক্তি রুপে কল্পনা করে তার কাছে নিঃশর্ত সাবমিশনের কারণে ইউনিভার্সাল মাসকুলিনিটি উপমহাদেশে বিশেষ করে হিন্দুসমাজে দাড়াতে পারে না। একইসাথে, ভারতীয়রা ঐতিহাসিকভাবে মার্শাল জাতি না হওয়ার পিছনের অন্যতম কারণও এই নারীশক্তির উপাসনা।
আমাদের জাতীয় সঙ্গীতে রবীন্দ্রনাথ সেই একই কাজ করে। ওখানে মা বলে যাকে ডাকা হচ্ছে, সে নিজের মা নয়, দেশকে এক দেবী রুপে কল্পনা করে তাকে মা বলা হলো।
এখানে অনেকে একটা ডাম্ব প্রশ্ন করে, আমরা তো নিজের মায়ের আনুগত্য করি। সেক্ষেত্রে?
উত্তর হলো, আমাদের জন্মদাত্রী মায়ের আনুগত্য তো নিঃশর্ত নয়, আল্লাহ আদেশ করেছেন বলেই। এবং সেখানে শর্তও আছে, শিরকসহ নানান বিষয়ে মায়ের আনুগত্য করা যায় না।
দ্বিতীয়তঃ মায়ের আনুগত্য জন্মদাত্রী মা রুপেই, নারী রুপে নয়। আপনার স্ত্রীও তো আপনার সন্তানের মা, তাই বলে কী আপনি আপনার স্ত্রীর আনুগত্য করবেন?
ভারতীয় ফেমিনিস্টরা ব্যাপারটাকে একটা আধ্মতাকিক রূপ দিতে জোর চেষ্টা চালায়। কোটি পুরুষ একজন মিথিকাল নারীশক্তির সামনে মাথা নোয়াচ্ছে, এটা ফেমিনিস্টদের কাছে স্বর্গের মতো।
যত গভীরে যাবেন, তত বুঝতে পারবেন, একমাত্র ইসলামই মাসকুলিনিটিকে প্রোপার মর্যাদা দিয়েছে।