Goat Farmers.

Goat Farmers. মারকেট থেকে বাদ দিয়ে খামারে আসুন,,,

ছাগল পালন ব্যর্থ হওয়ার কিছু তিতা সত্যঅনেকেই ছাগল পালন সম্পর্কে তেমন জ্ঞান না রেখেই বিশাল অঙ্কের টাকা ইনভেস্ট করে ফেলেন।...
20/12/2025

ছাগল পালন ব্যর্থ হওয়ার কিছু তিতা সত্য

অনেকেই ছাগল পালন সম্পর্কে তেমন জ্ঞান না রেখেই বিশাল অঙ্কের টাকা ইনভেস্ট করে ফেলেন।
🔴 শুরুতেই বড় সেড বানান—
চার ভাগ টাকার মধ্যে তিন ভাগ যায় শুধু সেড বানাতেই,
আর বাকি এক ভাগে ছাগল কেনা!
ফলাফল?
👉 ভালো ছাগল কেনার সুযোগই থাকে না।

🐐 ছাগল চেনেন না, তাই দালালের ফাঁদে পড়েন
হাটে গিয়ে দালালের কথায়
❌ খামারে পালনের অযোগ্য ছাগল কিনে
✔️ পুঁজি শেষ করে বাড়ি ফেরা—এটাই বাস্তবতা।

💸 ধার-দেনা করে খামার শুরু
বাপের টাকায় শুরু করলেও কিছুদিন পর শুরু হয় অর্থাভাব।
ঔষধ, ডাক্তার, দানাদার খাদ্য, ঘাস চাষ—
এই খরচগুলো চালাবেন কীভাবে? কেউ ভাবেন না।

⏳ ১–১.৫ বছর আয় না থাকার বাস্তবতা ভুলে যান
ভুল পদ্ধতিতে ইনভেস্ট করে
৬ মাস পরই হাতশূন্য হয়ে
👉 ছাগল পালন সেক্টরকেই গালাগালি শুরু!

📱 ইউটিউব দেখেই নিজেকে এক্সপার্ট ভাবা
ফলে খামারের সামান্য সমস্যাতেই
🚑 বাইরে ডাক্তার ডাকা,
যেটা নিজেই সমাধান করা যেতো।
👉 অযথা হাজার হাজার টাকা নষ্ট!

🌱 দেশি ঘাস বাদ দিয়ে বিদেশি ঘাসের পেছনে দৌড়
অথচ দেশি ঘাস-লতাপাতাই ছিল সবচেয়ে সাশ্রয়ী সমাধান।

🐐 শুরুতেই ২০–৫০টা ছাগল!
এলাকার বাজার, চাহিদা, সক্ষমতা—
কিছুই না বুঝেই “বড় খামারি” হওয়ার তাড়া।

💎 বিদেশি ছাগল কিনে অহংকার
হরিণের দামে ছাগল কিনে
“আমার কাছে এই আছে, সেই আছে” —
বাস্তব লাভ কোথায়?

😷 ছাগলের ঘরে যেতে নাকে রুমাল!
ছাগল চরাতে লজ্জা,
সামান্য কাজেও শ্রমিক ভাড়া—
এভাবে কি খামার চলে?

✅ ছাগল পালন ব্যবসা নয়, আগে এটা দায়িত্ব ও ধৈর্যের পরীক্ষা।
সঠিক জ্ঞান, ধাপে ধাপে বিনিয়োগ আর নিজের হাতে কাজ—
এই তিনটাই সফলতার চাবিকাঠি।

👉 আপনি যদি নতুন খামারি হন, ভুলগুলো থেকে শিখুন

টবে মিষ্টি কুমড়া গাছের চারা লাগানোর পর থেকে ফলন পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিস্তারিত প...
24/08/2025

টবে মিষ্টি কুমড়া গাছের চারা লাগানোর পর থেকে ফলন পর্যন্ত নিয়মিত পরিচর্যা ও সার ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। নিচে বিস্তারিত পদ্ধতি দেওয়া হলো:

চারা রোপণের পর থেকে ফলন পর্যন্ত পদ্ধতি:

চারা রোপণ (0-১৫ দিন):

প্রথম সার: গোবর সার বা কম্পোস্ট প্রয়োগ করুন (১ কাপ)।

পানি: ৩-৪ দিন পরপর সেচ দিন, তবে জলাবদ্ধতা এড়িয়ে চলুন।

পর্যাপ্ত সূর্যালোক: ৪-৬ ঘণ্টা রোদ নিশ্চিত করুন।

১-২ মাস বয়স (শাখা বৃদ্ধি):

সার: প্রতি ১৫-২০ দিনে ১ কাপ পচা গোবর সার বা কম্পোস্ট প্রয়োগ করুন।

পানি: নিয়মিত পানি দিন, মাটি যেন শুষ্ক না হয়।

পোকামাকড় থেকে রক্ষা: নিম তেল বা রসুন-মরিচের পানি প্রয়োগ করুন।

ছাঁটাই: গাছের শাখাগুলিকে ছেঁটে দিন, যাতে শক্তি ফুলে ব্যয় হয়।

৩-৪ মাস বয়স (ফুল আসা):

সার: প্রতি ১৫ দিন পর কলার খোসা ভিজানো পানি বা চাল ধোয়া পানি প্রয়োগ করুন।

পানি: গাছের গোড়ায় নিয়মিত পানি দিন, তবে অতিরিক্ত পানি দেবেন না।

ছত্রাকনাশক: যদি কোন ছত্রাকের আক্রমণ দেখা দেয়, তবে কপার অক্সিক্লোরাইড প্রয়োগ করুন।

ফল ধরার সময় (৪-৬ মাস):

সার: প্রতি ১৫ দিনে ১ কাপ কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করুন।

পানি: গাছের মাটির আর্দ্রতা বজায় রাখুন, তবে জলাবদ্ধতা থেকে বিরত থাকুন।

নিয়মিত পরিচর্যা: গাছের উপরিভাগের শুকানো পাতা বা শাখা ছেঁটে দিন।

এভাবে নিয়মিত সার, পানি ও পরিচর্যা দিলে টবে মিষ্টি কুমড়া গাছ থেকে ভালো ফলন পাওয়া যাবে।

কিছু কমন প্রশ্ন এবং সমাধান দেওয়া হলোঃ-🔷ছাগলের বাচ্চা দুধ পায় না?উত্তর: ছাগল গাভীন হওয়ার পর ২ মাস থেকে যত্ন নিতে হবে। ছাগ...
16/08/2025

কিছু কমন প্রশ্ন এবং সমাধান দেওয়া হলোঃ-

🔷ছাগলের বাচ্চা দুধ পায় না?

উত্তর:
ছাগল গাভীন হওয়ার পর ২ মাস থেকে যত্ন নিতে হবে। ছাগলকে জিংক ভিটামিন এবং পুষ্টিকর ঘাস দিতে হবে। ক্যালসিয়াম দিতে হবে। বাচ্চা দেওয়ার ২ সপ্তাহ পর ছাগলকে কৃমিনাশক দিতে হবে। ছাগলের পুষ্টি ঘাটতি থাকলে বাচ্চা দুধ পাবে না। আর এই যত্ন গাভীন হওয়ার ২ মাসের মধ্যই শুরু করতে হবে।

🔷ছাগল যথা সময়ে হিটে আসছে না?

উত্তর:
ছাগলের যথা সময়ে যত্ন না নিলে হিটে আসবে না। আর ছাগল যখনই হিটে আসুক বয়স সময় যা হোক ৮/১২ ঘন্টার মধ্য ব্রিডিং করানো উত্তম। ছাগলকে জিংক ভিটামিন এবং পুষ্টিকর ঘাস দিতে হবে। ক্যালসিয়াম দিতে হবে। বাচ্চা দেওয়ার ২ সপ্তাহ পর ছাগলকে কৃমিনাশক দিতে হবে। উপরের ১ নং প্রশ্নের ন্যায় ছাগলের পুষ্টি ঘাটতি হলে দুধ ও দিবে না সঠিক সময়ে হিটে ও আসবে না।

🔷ছাগলকে কি কাঁচা ঘাস দেওয়া যাবে?

উত্তর:
না ছাগলকে কাঁচা ঘাস না দেওয়া উত্তম। কাঁচা ঘাস ১/২ দিন শুকিয়ে ঘাসের ভেতরকার পানির পরিমান কমিয়ে তারপর ছাগলকে দেওয়া উত্তম। কাঁচা ঘাস খেলে ছাগলের অনেক রোগ হয়। তবে যে সকল ঘাসে পানির পরিমান কম তা সরাসরি দিতে পারেন। যেমন- দুর্বা ঘাস,বাগসা ঘাস,কাঠাল পাতা সহ ইপিল ইপিল গাছের পাতা।

🔷পি পি আর কখন দেবো?

উত্তর:
বছরে ২ বার পিপিআর দিবেন। বাচ্চার বয়স ৪ মাস হলে পিটিআর দিবেন। ছাগী বাচ্চা দেওয়ার ২ সপ্তাহ পর পিপিআর দিবেন।

🔷কৃমির জন্য কি করবো?

উত্তর:
আপনার খামারের সব ছাগলকে এক সঙ্গে কৃমির ডোজ দিতে হবে। ছাগলের অন্যতম প্রধান শত্রু কৃমি। আমি কৃমির জন্য হোমিও সাজেষ্ট করবো। বিজ্ঞ হোমিও ডাক্তার দের কাছ থেকে কৃমি ডোজ তৈরী করে নিবেন। দাম বেশি পড়লেও সাইড ইফেক্ট নেই।

🔷জিংক ভিটামিন চিটাগুর কিভাবে খাওয়াবো?

উত্তর:
পরিমান মত পানির সাথে গুলিয়ে কিম্বা দানাদার খাবারের সাথে।

পেট ফুলে গেলে কি করবো?
উত্তর:
কাঁচা ঘাস কম খাওয়াবেন। ভাত গম ভুষি এগুলো যদি খাওয়ান হবে এই সমস্যা হবে। শুকনা দানাদারের সাথে ডিসিপি কিম্বা ভিটামিন দিবেন। তাতে পেট ফুলবে না। পেট ফুলে গেলে খাবার পানি বন্ধ করবেন। দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।

🔷ছাগল জিমাচ্ছে করনীয় কি?

উত্তর:
ছাগল কে নিয়মিত টিকা দিতে হবে। এবং রুটিন মাফিক ছাগলকে খাবার দিতে হবে। দিনে একটা সময় ছেড়ে দিতে হবে যাতে দৌড়াতে পারে গায়ে রোদ লাগে।

#ছাগল #ছাগলখামার #ছাগলপালন

০-দিন থেকে ১-মাস বয়স পর্যন্ত চিনা হাঁসের বাচ্চা পালন পদ্ধতি :১। বাচ্চা ফুটার পর ২৪ ঘন্টা পর এবং ৪০ ঘন্টার ভিতরে বাচ্চাকে...
09/08/2025

০-দিন থেকে ১-মাস বয়স পর্যন্ত চিনা হাঁসের বাচ্চা পালন পদ্ধতি :

১। বাচ্চা ফুটার পর ২৪ ঘন্টা পর এবং ৪০ ঘন্টার ভিতরে বাচ্চাকে প্রথম খাবার পানি দিতে হবে।

২। প্রথমে বাচ্চাকে লাইসুভিট যুক্ত পানি বা লেবুর রস এবং চিনি মেশানো পানি প্রতিটা বাচ্চাকে ধরে খাওয়াতে হবে।

৩। লাইসুভিট ১ লিটার পানিতে ১ গ্রাম মিস্ক করে খাওয়াবেন আর যদি চিনি আর লেবুর রস দেন সেই ক্ষেত্রে ২৫০ মিলি পানিতে ১০-১৩ ফুটা লেবুর রস এবং এক চা চামচ চিনি মিস্ক করে খাওয়াবেন।

৪। পানি খাওয়ানো হলে বাচ্চাকে ৩০ মিনিট পরে খাবার দিতে হবে।

৫। যাদের খামারে বাচ্চার পরিমান ১৫পিছ এর বেশি আমি ব্যাক্তিগত ভাবে মনে করি আপনাদের বাচ্চা গুলোকে ব্রুডিং করানো উচিত, আর যদি ১৫ পিছের মত থাকে তাহলে মা চিনা হাঁসের সাথেই রাখতে পারেন কোন সমস্যা হবে না, তবে খেয়াল রাখতে হবে মা চিনা হাঁস সঠিক ভাবে বাচ্চাকে উম দিচ্চে কিনা।

৬। পানি খাওয়ানোর পর বাচ্চা গুলোকে যেখানে রাখবেন সেখানে নিচে ভালো কাপড় বিছিয়ে দিবেন যাতে বাচ্চা গুলো খাবার দেখতে পারে এবং ঠুকরিয়ে খাবার খেতে পারে।

৭। খাবার হিসেবে ভালো মানের বয়লার স্টারটার খাবার ছিটিয়ে দিবেন।

৮। বাচ্চাকে খুব দ্রুত বড় করার জন্য বয়লার স্টারটার খাবার দিতে পারেন, অথবা সোনালী স্টারটার।

৯। পানি এমন ভাবে দিতে হবে যাতে বাচ্চার শরীরের না পরে কারন চিনা হাসের বাচ্চা ঠান্ডা লেগে গেলে সমস্যা হতে পারে।

১০। ১ম দিন থেকে ৪র্থ দিন অবদি বাচ্চা গুলোকে লাইসুভিট খাওয়াবেন, প্রতি ৬ ঘন্টা পর পর পানি চেঞ্জ করে নতুন ভাবে দিতে হবে মেডিসিন যুক্ত পানি ৬ ঘন্টার বেশি ব্যবহার করবেন না।

১১। ৫ম দিন থেকে ৮ম দিন অবদি বাচ্চাকে এনরোসিন ভেট মেডিসিন খাওয়াবেন এটা ঠান্ডার জন্য অনেক ভালো কাজ করে এবং বাচ্চার মৃত্যু হার কমায়।

১২। ৯ম দিন থেকে ১২তম দিন অবদি থায়াবিন বি১ বি২ / ভিটা ৩ খাওয়াতে পারেন এতে বাচ্চার ঘার বাকা পা প্যারালাইসিস এর সমস্যা হবে না।

১৩। ১৩তম দিন থেকে ১৬তম দিন অবদি জিংক খাওয়াতে পারেন এতে বাচ্চা খুব দ্রুত বাড়বে।

১৪। বাচ্চা ৩০ দিন না হলে পানিতে দিবেন না এতে বাচ্চার ঠান্ডা লাগতে পারে।

১৫। বাচ্চার বয়স ২৫-২৭ দিন হলে প্রথম ডাক প্লেগ ভ্যাক্সিন করাতে হবে।

১৬। প্রথম ভ্যাক্সিন দেয়ার পর ১৫ দিন পরে আবার ২য় ভ্যাক্সিন মানে ডাক প্লেগ বুস্টার ডোজ করাতে হবে।

🐄 নতুন গরুর খামারিদের জন্য কিছু টিপস! (যা মেনে চললে সফলতা নিশ্চিত, আর না মানলে হতে পারে চরম ক্ষতি)🔴 ১. শুরু করো ছোট পরিস...
17/06/2025

🐄 নতুন গরুর খামারিদের জন্য কিছু টিপস!

(যা মেনে চললে সফলতা নিশ্চিত, আর না মানলে হতে পারে চরম ক্ষতি)

🔴 ১. শুরু করো ছোট পরিসরে।
বেশি গরু দিয়ে নয়, ১-২টা দিয়ে শিখে এগোও।

🔴 ২. নিজের হাতে কাজ শেখো।
শুধু কর্মচারীর ওপর নির্ভর করলে ঠকতে পারো।

🔴 ৩. ভালো জাতের গরু বেছে নাও।
বাজারে যা পাওয়া যায়, তাই না নিয়ে খামারের উপযোগী জাত কিনো।

🔴 ৪. গরুর ঘর বানাও স্বাস্থ্যকরভাবে।
বাতাস চলাচল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, ও আরাম যেন থাকে।

🔴 ৫. খাবারে কখনো কার্পণ্য করো না।
গরু যেমন খাবে, তেমনি দেবে লাভ।

🔴 ৬. গোচারণ বা হাঁটার জায়গা রাখো।
স্থির গরু রোগে বেশি পড়ে।

🔴 ৭. প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়মতো খাবার দাও।
রুটিন মানা জরুরি।

🔴 ৮. নিয়মিত পরিষ্কার করো গরুর ঘর ও শরীর।
পরিষ্কার না রাখলে অসুখ হবেই।

🔴 ৯. গরুর শরীর প্রতিদিন দেখে রাখো।
অসুস্থ হওয়ার আগেই বুঝতে শিখো।

🔴 ১০. পশু চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখো।
ছোট সমস্যা বড় হওয়ার আগেই সমাধান করো।

🔴 ১১. ওষুধ ও ভ্যাকসিন নিয়মিত দাও।
ব্লাক কোয়ার্টার, এফএমডি, ব্রুসেলোসিস—সব ভ্যাকসিন সময়মতো জরুরি।

🔴 ১২. খামারের খরচের হিসাব রাখো।
কত খরচ, কত আয়—লিখে রাখো প্রতিদিন।

🔴 ১৩. ভালো মানের গো-খাদ্য ব্যবহার করো।
ভেজাল খাবারে গরুর ওজন কমে যায়, অসুস্থ হয়।

🔴 ১৪. গরু কেনার সময় লোকাল খামারি বা নির্ভরযোগ্য উৎস বেছে নাও।
দালালের খপ্পরে পড়ো না।

🔴 ১৫. ঋণ নিয়ে খামার শুরু না করাই ভালো।
প্রথমে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী বিনিয়োগ করো।

🔴 ১৬. সামাজিক মিডিয়ায় যুক্ত থাকো।
খামারি গ্রুপে থাকো, শেখো, শেয়ার করো।

🔴 ১৭. সিজন বুঝে মোটা তাজা করো।
কোরবানির সময় দাম বেশি—তাই ওই সময় গরু ফিট করে তোলো।

🔴 ১৮. গরুর মল, প্রস্রাব পরিষ্কারে যত্নবান হও।
দূষণ ও রোগ ছড়ায় নইলে।

🔴 ১৯. কর্মচারী রাখলে, তার কাজ শেখাও ও মনিটর করো।
সব দায়িত্ব না দিয়ে পর্যবেক্ষণ করো।

🔴 ২০. নিয়মিত ওজন মেপে দেখো গরুর বৃদ্ধি হচ্ছে কিনা।
এইটায় বুঝবে লাভ হবে কিনা।

🔴 ২১. গরুর মধ্যে খিঁচুনি, খাবারে অনীহা দেখলে দ্রুত ব্যবস্থা নাও।
সময় নষ্ট করলে বড় ক্ষতি।

🔴 ২২. অন্য খামারিদের সফলতা ও ভুল থেকে শেখো।
নিজে সব শিখতে গেলে সময় ও টাকা দুটোই যাবে।

🔴 ২৩. শিক্ষামূলক ভিডিও, সেমিনার ও প্রশিক্ষণ নাও।
শেখার কোনো বিকল্প নেই।

🔴 ২৪. গরুকে যেমন খাবার, তেমনি যত্ন দরকার।
একটাও অবহেলা করা যাবে না।

#গরুপালন #গরুরখামার

✅কোন সারের কি কাজে চলুন জেনে নেই......✅ #️⃣ ইউরিয়া সার:👉 গাছের ডাল-পালা, কান্ড ও পাতার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়।👉 পাতাকে গাঢ় সব...
11/06/2025

✅কোন সারের কি কাজে চলুন জেনে নেই......

✅ #️⃣ ইউরিয়া সার:
👉 গাছের ডাল-পালা, কান্ড ও পাতার দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায়।
👉 পাতাকে গাঢ় সবুজ করে তোলে, ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়ক।
👉 গাছের প্রোটিন উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

✅ #️⃣ টিএসপি/ডিএপি (ফসফেট সার):
👉 গাছের প্রাথমিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে।
👉 মূল গঠনে সাহায্য করে, ফুল ও ফল আসতে সাহায্য করে।
👉 ফলের পরিপক্বতা দ্রুত ঘটায়।

#️⃣ ✅পটাশ (এমপি সার):
👉 ক্লোরোফিল তৈরিতে সহায়তা করে, শর্করা চলাচলে সাহায্য করে।
👉 গাছকে করে রোগ প্রতিরোধী ও খরা সহনশীল।
👉 নাইট্রোজেনের কার্যকারিতা বাড়ায়।

✅ #️⃣ জিপসাম সার:
👉 সালফার সরবরাহ করে যা নাইট্রোজেন শোষণে সহায়ক।
👉 প্রোটিন ও তেল তৈরিতে সাহায্য করে।
👉 ভিটামিন ও কো-এনজাইম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

✅ #️⃣ জিংক সালফেট:
👉 প্রোটিন তৈরিতে সাহায্য করে।
👉 গাছের হরমোনের কাজ সক্রিয় করে।

✅ #️⃣ বোরন সার:
👉 ফুল ও ফলের বিকৃতি রোধ করে।
👉 ফল ধারণে সহায়তা করে।
👉 তেল জাতীয় ফসলে ১৯.৮%–২৩% পর্যন্ত ফলন বৃদ্ধি করে!

✅ সঠিক সময়ে সঠিক সার প্রয়োগ করলে গাছ থাকবে সুস্থ, সবল এবং ফলন হবে দ্বিগুণ।
#সবজি_চাষ #ছাদবাগান

🌿 ছাদকৃষির জন্য এক ডজন টিপস ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান...
04/06/2024

🌿 ছাদকৃষির জন্য এক ডজন টিপস

ছাদ বাগানীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। টবে, ড্রামে গাছ লাগানো হয়। কেউ ফল, কেউবা সবজির গাছ লাগান। কেউ সফল হন। কেউ সফল হন না। ছোট ছোট কিছু ভুল বাগানীরা করে থাকেন। সে কারণে যত্ন নিলেও ফল আসে না। এখানে ছাদ বাগানীদের জন্য কিছু টিপস দেয়া হলো, যা মানলে সফলতা পাওয়া সহজ হতে পারে।

প্রথমেই মনে রাখতে হবে, টবে বা ড্রামে গাছ লাগালে তাকে খাবার দিতে হবে। প্রকৃতিতে বিদ্যমান গাছের মতো সে খাবার সংগ্রহ করতে পারে না। রোগ-বালাই হলো কিনা সেটাও বুঝে ব্যবস্থা নিতে হবে। ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে।

১. মাটির সাথে অবশ্যই কিছু কোকোপিট মেশাবেন। গাছের গোড়া স্যাতস্যাতে হতে দিবেন না। স্যাতস্যাতে হলে অসংখ্য রোগ হবে। মাটি ভেজা থাকবে তবে স্যাতস্যাতে না। কেকোপিট মেশালে পানি কম দিলেও হবে। কোকোপিট (নারকেলের ছোবলার গুড়া) পানি ধরে রাখে। অতি বৃষ্টি হলে গোড়ায় পানি জমতে দেয় না। হালকা হওয়ায় ছাদে ওজনের চাপ পড়ে না। এছাড়া কোকোপিটে কিছু পুষ্টি উপাদান আছে। যা গাছের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কোকোপিটে চারা দ্রুত গজায়, বড় হয়। মাটির চেয়ে কোকোপিটে চারা ভালো হয়।

২. গাছের জন্য বিরিয়ানি হলো সরিষার খৈল-পচা পানি। মাটির হাড়িতে খৈল পচাতে হবে। কমপক্ষে ৫ দিন। ৭ দিন কিংবা বা ১৫ দিন হলে উত্তম। অল্প পানিতে পচিয়ে তার সাথে আরো পানি মিশিয়ে দিতে হবে। এটি গাছের জন্য অত্যন্ত উপকারী। একটু গন্ধ হয়, তাই অল্প একটু গুড় দিতে পারেন। ছাদে হাড়িতে পচালে বাসায় গন্ধ আসবে না। বৃষ্টির সময় খৈল-পচা পানি দেবেন না। পুকুরের নিচে থাকা পাক কাদা গাছের জন্য খুব উপকারী।

৩. আমরা জানি, মাটিতে অসংখ্য ক্ষতিকর ছত্রাক থাকে। যা গাছকে মেরে ফেলার জন্য যথেস্ট। তাই মাটি রেডি করার সময় কিছুটা বায়োডামা সলিট দিবেন। এটি উপকারী ছত্রাক। মাটিতে ক্ষতিকারক উপাদানগুলো মেরে ফেলে। আবার জৈব সারের কাজও করে। গাছের জন্য মাটি হবে ঝুরঝুরে, হালকা।

৪. যাই লাগান না কেন, ভালো জাতের বীজ কিনা নিশ্চিত হয়ে নেবেন। ভালো বীজে ভালো ফসল হবে। নতুবা যতই যত্ন নেন না কেন, সব পরিশ্রম বেলাশেষে জলে যাবে। বীজ থেকে নিজে চারা করা উত্তম। কারণ বাজার থেকে যে চারা কিনবেন সেটার জাত ভালো হবে সে নিশ্চয়তা কোথায়? ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নেয়া উত্তম। পদ্ধতি হলো- ছত্রাকনাশক দেয়া পানিতে কিছুটা সময় বীজ ভিজিয়ে রাখতে হবে। ম্যানসার, মেটারিল দুটি ছত্রাকনাশক।

৫. গাছ বেশি তো ফলন বেশি- এটি ভুল ধারণা। অল্প জায়গায় বেশি গাছ লাগানো যাবে না। গাছ পাতলা করে লাগাতে হবে। বেশি লাগালে গাছ প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাবে না। একটি ফলের ক্রেটে মাত্র দুটি গাছ। একটি টবে একটি গাছ। ক্রেট বা টবে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখতে হবে।

৬. ছাদে মাচা দেয়া সমস্যা। কারণ ঘুঁটি থাকে না। এ জন্য ফলের ক্রেটের চারপাশে লাঠি বেঁধে সহজে মাচা দেয়া যায়। লতাপাতা জাতীয় গাছ লাগানোর পাত্র একটু গভীর হলে উত্তম। গাছের জন্য সবচেয়ে বেশি ভালো জৈব সার হলো পাতা-পচা সার, তারপর ভার্মি কম্পোস্ট, তারপর গোবর সার। পাতা-পচা সার সহজলভ্য নয়। দাম বেশি। কিন্তু ভার্মি কম্পোস্ট সহজলভ্য। মাটির সঙ্গে মিনিমাম ৪০% জৈব সার দেয়া উত্তম।

৭. নিম কীটনাশককে ক্ষতিকারক পোকা-মাকড় খুব অপছন্দ করে। এটি দিলে তারা বিরক্ত বোধ করে। গাছে বাসা বাঁধতে পারে না। প্রতি সাত দিনে একবার সব গাছের পাতায় নিম কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। মাসে একবার ইপসম সল্ট স্প্রে করে দেয়া উত্তম। একইভাবে মাসে একবার পানির সঙ্গে হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড মিশিয়ে স্প্রে করা ভালো।

৮. ডাটা, পুইশাক, লালশাক, ধনেপাতা এসব লাগাতে পারেন। মাত্র ২৫ দিনে খেতে পারবেন। লালশাক লাগালে নেট দিয়ে ঘিরে দেবেন। শাকপাতা লাগালে দ্রুত আউটপুট পাবেন। যা আপনাকে প্রেরণা দেবে। পুইশাক গাছের পাতায় দাগ হলে পাতা কেটে দিন। অথবা ছত্রাকনাশক স্প্রে করেন। অথবা গাছ উঠিয়ে আবার লাগান। ইউরিয়া সার দিলে পুইশাক দ্রুত বাড়বে। শশা গাছের বৃদ্বির জন্য ডিএপি সার দিলে ভালো হবে। শশা গাছে ছাড়া ছাড়া ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। খুব রোদ, গাছের গোড়ায় মালচিং করে দিয়ে উত্তম ফল মিলবে। মালচিং হলো গাছের গোড়ায় বিশেষ পলিথিন কিংবা শুকনো পাতা, খড় দিয়ে ঢেকে দেয়া।

৯. ফুল আসার পরে প্রানোফিক্স অথবা মিরাকুরান গাছের পাতায় শেষ বিকালে স্প্রে করবেন। বাসায় দুইটি গ্রুপের ছত্রাকনাশক রাখা ভালো। যেমন- ম্যানসার, মেটারিল। ১৫ দিনে একবার স্প্রে করবেন। এগরোমিন্ড গোল্ড অনুখাদ্য বা অন্য কোনো অনুখাদ্য বাসায় রাখতে হবে। মাসে কমপক্ষে একবার স্প্রে করবেন। অতিরিক্ত গরম, বৃষ্টি, খাদ্যের অভাব, গাছ রোগাক্রান্ত, আবহাওয়া দ্রুত আপডাউন করা ইত্যাদি কারণে ফুল ঝরে পড়তে পারে। আবার পরাগায়ন না হলে ঝরে পড়তে পারে। এ জন্য হাতের মাধ্যমে পরাগায়ন করতে হবে। পুরুষ ফুলের পরাগদণ্ড নারী ফুলে গর্ভে ঘষে দিতে হবে।

১০. ছাদ বাগানে গাছ মারা যাওয়ার অন্যতম কারণ পানি বেশি বা কম দেয়া। যতটুকু লাগে ঠিক ততটুকু পানি দিতে হবে। কোন গাছের কি চাহিদা, রোগ একটু স্টাডি করলে সহজে সফল হতে পারবেন।

১১. গাছের পাতার নিচে খেয়াল করবেন। বেগুন গাছের পোকা মারার জন্য সেক্স ফোরেমান ফাঁদ লাগাবেন। ডগা ছিদ্র বা ফল ছিদ্র হলে সাইপারমেত্রিন গ্রুপের কীটনাশক দিতে হবে। একটি বেগুন গাছ অনেক দিন ফল দেয়। ঢেড়স গাছ বেশি রোদ পড়ে এমন জায়গায় লাগাবেন। বেগুন, ঢেড়স, লালশাক, পুইশাক, ধনেপাতা, ডাটা শাক- এসব গাছের খুব যত্ন করতে হয় না।

১২. রসুন আর লবঙ্গ বেটে সেই পানি গাছে স্প্রে করলে পোকা কম আসবে। মরিচ গাছে নেপথলিন বেঁধে দিন, পোকা কম আসবে। পাতা কোকড়ালে ভার্মিটেক কিংবা এবোম কীটনাশক দিন। কোকড়ানো পাতা ফেলে দিন। মরিচ গাছে দশ দিন পর পর ডায়মেথট গ্রুপের (যেমন টাফগর) কীটনাশক দিলে উপকার হবে। সবকিছু করছেন, তারপরও কাজ হচ্ছে না। এক্ষেত্রে গাছের জায়গা বদল করেন, উঠিয়ে অন্যত্র লাগান।
*যেকোন প্রকার বাগান বিষয়ক সেবার জন্য, যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে।

খামার ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ার কারনঃ-----------------------------------------------------1) সঠিক জ্ঞান না নিয়ে খামার শুরু করলে...
16/04/2024

খামার ক্ষতি গ্রস্থ হওয়ার কারনঃ
-----------------------------------------------------
1) সঠিক জ্ঞান না নিয়ে খামার শুরু করলে ক্ষতি গ্রস্থ হয়।
2) জাত-মান সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না থাকলে।
3) ঘাসের ব্যবস্থা না থাকলে।
4) গাভী বা বকনা হিটে না আসলে এবং হিটে আসলেও কনসিভ না করলে ডেইরী খামার ক্ষতি গ্রস্থ হয়।
5) দুধের দাম পর্যাপ্ত না পাওয়ার কারনে।গবাদিপশু পালন ও কৃষি।
6) চিকিৎসা বিষয়ে প্রাথমিক ধারনা না থাকা। যার ফলে ভুলভাল চিকিৎসা দিয়ে ক্ষতি ডেকে আনা।
7) ভিটামিন জাতীয় খাদ্য সম্পর্কে ধারনা না থাকা।
8) নিয়মিত কৃমি মুক্ত না করলে ডেইরী খামার ক্ষতি গ্রস্থ হয়।
9) ভ্যাক্সিন আপডেট না করলে ডেইরী খামার ক্ষতির সম্মুখিন হয়।
10) ডেইরী খামার নিয়মিত পরিষ্কার না করলে ক্ষতি গ্রস্থ হয়।

উপরে উল্লেক্ষিত কারন গুলো ডেইরী খামার ক্ষতি গ্রস্থের মূল। প্রিয় খামারি ভাই ও বোনেরা আপনার খামারে উক্ত কারন গুলো বিদ্যমান থাকতে দিবেন না, তবেই আপনি খামার করে লাভের মুখ দেখতে পাবেন ইনশাআল্লাহ্!
খামার বাড়ি

আসুন শুরু করি,কি কি করবেন? মাত্র দুই শতক জায়গায়,শাক সবজিঃ শাক সবজি দিয়ে শুরু করুন। মাত্র ১শতক জমিতে আমাদের নিয়মে শাক সবজ...
14/01/2024

আসুন শুরু করি,
কি কি করবেন?
মাত্র দুই শতক জায়গায়,

শাক সবজিঃ
শাক সবজি দিয়ে শুরু করুন। মাত্র ১শতক জমিতে আমাদের নিয়মে শাক সবজি চাষ করলে সারা বছর আপনাকে আর বাজার থেকে শাক সবজি কিনে খেতে হবে না। কমপক্ষে ৭ ধরনের শাকসবজী বীজ সংগ্রহ করুন পছন্দ মতো। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৩০০ টাকা খরচ করুন। অবশ্যই গ্রাম থেকে স্থানীয় দেশী বীজ সংগ্রহ করুন, এতে পরবর্তী বছরের জন্য বীজ রাখতে পারবেন, আর বীজ কিনতে হবে না। মাচা করতে ৭০০ টাকা রাখুন। বেড তৈরী সহ মোট ১,০০০ টাকা খরচ হবে।

মুরগি পালনঃ
মুরগি পালন শুরু করুন।
৬/৭ টা দেশী মুরগি দিয়ে, ৫,০০০ টাকা খরচ হবে মুরগির ঘর বানাতে। ১৪ টা মুরগির জন্য এই মডেল টা।
৫,০০০ টাকা লাগবে ৭ টা দেশী মুরগি কিনতে। আমাদের সিস্টেমে মুরগী পাললে প্রতিদিন একটি করে দেশী মুরগি খেতে পারবেন, আর বাজার থেকে মুরগি কিনতে হবে না।

হাস পালনঃ
৬ মাস বয়সি ১২-১৪ টা ডিম পাড়া হাস কিনলে প্রতিদিন গড়ে ৬ টা ডিম পাবেন। এতে বাজার থেকে আর ডিম কিনতে হবে না। একেক টা হাস ৪০০ টাকা করে ১৪ টা হাসের দাম আসবে ৫,৬০০ টাকা, ঘর বানাতে ৫,০০০ টাকা।

গরু পালনঃ
আপনি যদি বিষমুক্ত চাষাবাদ করতে চান তাহলে একটা দেশী গাভী গরু আপনার লাগবেই। দেশী গাভী গরু প্রতিবছর আপনাকে একটা করে বাছুর দিবে একটানা ১০/১২ বছর। বাছুর কে দুধ খাওয়ানোর পরও আপনি ৩ লিটার দুধ পাবেন প্রতিদিন। যদি সারা বছর দুধ খেতে চান তাহলে একটি গাভীর দুধ শুকানোর আগে আরেকটি গর্ভবতি গাভী কিনতে হবে। একটা দেশী গাভী গরুর দাম নিবে ৪৫-৫০ হাজার টাকা। দুইটা গাভী রাখার জন্য একটা ঘর বানাতে খরচ হবে সর্বসাকুল্যে ১০,০০০ টাকা।

ছাগল পালনঃ
মাত্র ৩ টা দেশী ছাগী এবং ১ টি পাঠা ছাগল দিয়ে শুরু করুন। একটা দেশী ছাগল বছরে দুইবার এবং একেক বারে কমপক্ষে দুটি করে বাচ্চা দিবে। এই বাচ্চা গুলোর বয়স ৬ মাস হলেই জবাই করে খাওয়ার উপযুক্ত হয়। ৩ টা ছাগী থেকে বছরে ১২ টা বাচ্চা পাবেন, অর্থাৎ আপনি যদি গর্ভবতী ছাগল দিয়ে পালন শুরু করেন তাহলে ৬/৭ মাস পর থেকেই প্রতিমাসে একটি করে ছাগল খেতে পারবেন। ৪ টা দেশী ছাগলের দাম নিবে ২৪ হাজার টাকা। ছাগলের ঘর বানাতে খরচ হবে ৫ হাজার টাকা। ৩/৪ টা ছাগলের জন্য আপনাকে ঘাস চাষ করতে হবে না। ঝোপঝাড় ও রাস্তার পাশের ঘাস, লতাপাতা খাইয়ে ছাগল পালতে পারবেন।

কবুতর পালনঃ
কথায় আছে ১০টা মুরগির বাচ্চায় যে পরিমাণ পুষ্টিগুণ, ১টা কবুতরের বাচ্চায় তার থেকে বেশী পুষ্টি। আপনি যদি ১২-১৬ জোড়া কবুতর পালেন তাহলে প্রতি সপ্তাহে ২ জোড়া কবুতরের বাচ্চা খেতে পারবেন।
১২ জোড়া কবুতরের দাম ৬,০০০ টাকা। একটা কবুতরের ঘর বানাতে খরচ হবে ৫,০০০ টাকা।

মাছ পালনঃ
এটা কিছুটা ব্যয় বহুল। একটা ৬ শতকের ছোট পুকুর কাটতে খরচ হবে এককালীন ৩৫ হাজার টাকা। পুকুর প্রস্তুতি ও পোনা ক্রয় করতে আরো ৫ হাজার টাকা। একবার পুকুর কাটলে সারাজীবন নিশ্চিন্ত। ৫০/৬০ কেজি মাছ ৫,৬ মাসে উৎপাদন করতে পারলে পরিবারের চাহিদা পুরন হবে। রুই, কাতলা প্রধান মাছ, সাথে থাকবে গ্রাস কার্প, মৃগেল, স্বরপুটি ইত্যাদি।

যে যেটুকু পারেন সেটুকু করুন।
সব কিছু শুরু করতে পারেন ১লক্ষ ৫০হাজার(কম বা বেশী) টাকা বাজেটে।
অনেকেই আপনাকে বলবে লক্ষ লক্ষ টাকা লস হবে, তারা আদতে দেশের ভালো চায় না। আপনার ভালো চায় না।।
সাহস করুন, শুরু করুন, লেগে থাকুন, সাফল্য আসবেই।
তবে শর্ত হলো আপনাকে প্রশিক্ষণ নিয়ে কাজ টা শুরু করতে হবে 🙂।

Address

Mudaforjong
Comilla
3525

Telephone

+8801781806785

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Goat Farmers. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Goat Farmers.:

Share