Top Digital Product BD

Top Digital Product BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Top Digital Product BD, Marketing Agency, Cox's Bazar.

দেখতে দেখতে পেয়ে গেলাম আবারো রমজান। তাই আবারো শুকরিয়া আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ যেন সবাইকে ৩০ বা ২৯ রোজা সঠিকভা...
12/03/2024

দেখতে দেখতে পেয়ে গেলাম আবারো রমজান। তাই আবারো শুকরিয়া আদায় করি আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহ যেন সবাইকে ৩০ বা ২৯ রোজা সঠিকভাবে করার তৌফিক দান করে। (আমিন)

উনাকে কেউ চিনেন আপনারা 😅চিনে থাকলে তিশাকে মেনশন করে দেখিয়ে দিন 😆
17/02/2024

উনাকে কেউ চিনেন আপনারা 😅
চিনে থাকলে তিশাকে মেনশন করে দেখিয়ে দিন 😆

12/02/2024
আলহামদুলিল্লাহ্ 🥰 দেশের আকাশে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি রোববার দিবাগত রাতে ...
12/02/2024

আলহামদুলিল্লাহ্ 🥰 দেশের আকাশে ১৪৪৫ হিজরি সনের পবিত্র শাবান মাসের চাঁদ দেখা গেছে। আগামী ২৫ ফেব্রুয়ারি রোববার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে বরাত পালিত হবে।

11/02/2024

“নির্দিষ্ট ভাবে লক্ষ্য ঠিক করতে পারা মানেই সেই লক্ষ্য অর্ধেক পূরণ হয়ে গেছে”

– জিগ জ্যাগলার

জুমা মোবারক
09/02/2024

জুমা মোবারক

ফেসবুক ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন করলে এখন খরচ বাড়ছে অন্য দিকে বেশি সেল করাও যাচ্ছে না তাই ব্যবসার খরচ কমাতে এবং হোয়াটসঅ্যাপ মাক...
06/02/2024

ফেসবুক ম্যাসেজ ক্যাম্পেইন করলে এখন খরচ বাড়ছে অন্য দিকে বেশি সেল করাও যাচ্ছে না

তাই ব্যবসার খরচ কমাতে এবং হোয়াটসঅ্যাপ মাকেটিং করুন সেল করুন দ্বিগুণ আপনি যদি একজন অনলাইন উদ্যোক্তা হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের হোয়ায়াটসঅ্যাপ মাকেটিং সফটওয়ারটি আপনার জন্য

বর্তমানে ফেসবুকে এড দিতে গেলে বেশিরভাগ উদ্যোক্তা পিছিয়ে থাকে। সেলসের চেয়ে এডে খরচ বেশি, এড একাউন্ট ব্যান করে দিচ্ছে, তাদের ইচ্ছে মতন টাকা কাটতেছে, ফেসবুক একাউন্ট হ্যাক হয়ে যাচ্ছে, হয়তো বা টাকা না থাকার কারণে আপনি পিছিয়ে আছেন। টাগেট অডিয়েন্সের কাছে সঠিক এড পাটাতে না পারলে এডের টাকাটা ও লস,

তাহলে সমাধান কি?

ফেসবুক এড ছাড়া কিভাবে আপনি আপনার সাভিস বা পোডাক্ট বেশি সেল করতে পারবেন। বড় বড় কোম্পানি রা ফেসবুকে এড না দিয়ে যেভাবে তাদের পোডাক্ট বা সাভিস সেল করে থাকেন। যেগুলো আমি নিজে ৫ ভাগ থেকে তিন ভাগ ফ্রি মাকেটিং করে সেল করি। আপনি সোসিয়াল মিডিয়া যত বেশি ব্যবহার করবেন তত বেশি আপনার লাভ। আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস বেশি সেল করতে পারবেন। আপনি কেন পিছিয়ে পরবেন

হোয়াটসঅ্যাপ বাল্ক মার্কেটিং কি এবং কেন করবেন ?

হোয়াটসঅ্যাপ মার্কেটিং একটি বিশেষ ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং যা হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজিং সিস্টেমকে ব্যবহার করে কাস্টমারদের সাথে সম্পর্ক উন্নয়ন করে এবং ব্র্যান্ড প্রমোশন করে। এটি একটি নতুন কিন্তু খুব কার্যকরী ডিজিটাল মার্কেটিং মাধ্যম।এটি ব্যবহার করে আপনার যেকোন ব্যবসা বা সার্ভিস সম্পর্কিত সকল বিষয় আপনার সম্ভাব্য

হাজার হাজার গ্রাহককে একক্লিকে পাঠিয়ে ব্যবসা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।হোয়াটসঅ্যাপ মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো আপনার ব্যবসা,সার্ভিস কিংবা ব্র্যান্ডকে প্রমোট করা এবং গ্রাহককে এই সংক্রান্ত তথ্য জানানো।

কিভাবে আপনি WhatsApp মার্কেটিং কৌশল থেকে উপকৃত হতে পারেন?
নিচে কিছু তথ্য তুলে ধরছি একটু মনোযোগ দিয়ে দেখুন

১।পৃথিবীব্যাপি প্রতিদিন প্রায় ৬০ বিলিয়ন ম্যাসেজ সেন্ট করা হয় হোয়াটসঅ্যাপ এর মাধ্যমে: : যেটা পুরো পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮.৫ গুন বেশি ।বাংলাদেশে এই সংখ্যা কয়েক মিলিয়ন যেটা প্রতিদিন আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য হোয়াটসঅ্যাপ ম্যাসেজে আপনার ব্যবসার প্রমোশন করলে সেটা পৌছে যাবে লক্ষ লক্ষ ব্যবহারকারির কাছে। যেটা ব্যবসা ও বিক্রি দুটোই বৃদ্ধি করবে।

২। হোয়াটসঅ্যাপ এর রয়েছে অবিশ্বাস্য এনগেজমেন্ট হারঃ হোয়াটসঅ্যাপ এ মোট ম্যাসেজের ৯৮% ম্যাসেজ ওপেন করা হয় এবং পড়া হয়।RichMsg বাল্ক হোয়াটসঅ্যাপ সার্ভিসের মাধ্যমে আপনি কয়েক ক্লিকে হাজার হাজার ব্যবহারকারির কাছে ম্যাসেজ পাঠাতে পারবেন।সেইসাথে পাঠানো যাবে ব্যবসার প্রোমোশনাল ছবি,ভিডিও ও পিডিএফ। যা ব্যবসা সম্প্রসারনে রাখবে ইতিবাচক ভূমিকা।

৩। কম খরচে মার্কেটিং এর সুবিধা আপনি যদি কম খরচে ব্যবসার মার্কেটিং মাধ্যম খুঁজছেন, তাহলে Bulk WhatsApp Marketing আপনার জন্য একটি সহজ মার্কেটিং মাধ্যম হতে পারে। অন্যান্য যেকোন মার্কেটিং মাধ্যম যেমন টিভিতে বিজ্ঞাপন, বিলবোর্ড,পোস্টার থেকে আপনি যদি মার্কেটিং এর জন্য হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন তবে আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে খুব বেশি অর্থ খরচ হবে না। অল্প বিনিয়োগে, আপনি অনেক মানুষের সাথে সংযোগ করতে পারবেন এবং আপনার ব্যবসার মার্কেটিং লক্ষ্য অর্জিত হবে।

৪। ব্যবসা বা সার্ভিসের বিক্রি বৃদ্ধি: হোয়াটসঅ্যাপ বাল্ক মার্কেটিং এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার ব্যবসার বিক্রি বৃদ্ধি করতে পারবেন। কেননা বর্তমান তরুন প্রজন্ম ইন্টারনেট ও সোশালমিডিয়া গুলোতে বেশি সক্রিয় থাকে।Bulk WhatsApp Marketing Software এর মাধ্যমে খুব সহজেই আপনার প্রমোশনাল ছবি,ভিডিও, পিডিএফ তাদের কাছে পৌছে যাবে। যার ফলে আপনার বিক্রি বেড়ে যাবে কয়েকগুন।
Order Now: https://topdigitalproductsbd.com/
01610968253

লিড জেনারেশন কি? লিড জেনারেশন কিভাবে করে? লিড জেনারেশন আয়একটি কোম্পানি বা প্রোডাক্ট তখনি সফলতা পায় যখন মানুষের কাছে প্র...
05/02/2024

লিড জেনারেশন কি? লিড জেনারেশন কিভাবে করে? লিড জেনারেশন আয়

একটি কোম্পানি বা প্রোডাক্ট তখনি সফলতা পায় যখন মানুষের কাছে প্রচলিত হয়। আমরা অনেকগুলো ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি বা প্রোডাক্ট চিনি এবং ব্যবহার করি। এগুলো সম্পর্কে আমরা কীভাবে জানলাম? আমরা কি কখনো বাইরের দেশে গিয়ে প্রোডাক্ট সম্পর্কে জেনে আসি? এই প্রযুক্তির যুগে আমাদের এমন কিছুই করতে হয়না।

আমরা ঘরে বসেই বিশ্বব্যাপী প্রচলিত সকল পপুলার কোম্পানি বা প্রোডাক্ট সম্পর্কে জেনে নিতে পারি। আর এর সবটুকু সম্ভব হয়েছে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কারণে। ডিজিটাল মার্কেটিং কে কয়েকভাগে ভাগ করা যায়। তবে আমাদের আজকের পোস্টে আমরা জানবো লিড জেনারেশন কি? লিড জেনারেশন কিভাবে করে? লিড জেনারেশন করে কত টাকা আয় করা যায়? লিড জেনারেশনের ভবিষ্যৎ কি? তো কথা না বাড়িয়ে চলুন শুরু করি।

লিড জেনারেশন কি?

লিড জেনারেশন হল একটি তথ্য সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কোন সার্ভিস বা প্রোডাক্ট প্রোমোশন বা বিক্রি করার জন্য টার্গেটেড কোম্পানি বা ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা। তথ্য গুলো সাধারণত ইমেইল, নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার ইত্যাদি হয়। আপনার ইমেইল এর স্প্যাম বক্স চেক করে দেখুন অনেকগুলো অচেনা অজানা মেইল পাবেন। খেয়াল করে দেখুন যে সোর্স থেকে মেইল এসেছে সেখানে আপনি কখনো সাবস্ক্রাইব বা রেজিস্ট্রেশন করেন নি, তাহলে এই মেইল কোথায় থেকে আপনার কাছে আসলো?

আপনার কাছে এভাবে অপরিচিত সোর্স থেকে মেইল আসার কারন কেউ আপনার ডাটা তাদের দিয়েছে। অনলাইনে এই ডাটার অনেক মূল্য এবং মার্কেটিং এর জন্য অনেক কার্যকরী একটি পদ্ধতি।

লিড জেনারেশন কিভাবে করে?

ইন্টারনেট ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই লোকাল এবং ইন্টারন্যাশনাল লিড জেনারেট করতে পারবেন। লিড জেনারেশনের অনেক গুলো পদ্ধতি প্রচলিত আছে। আজকে আমরা লিড সংগ্রহ করার কার্যকরী উপায় সম্পর্কে জানবো।

লিড জেনারেশন একটি ক্রিয়েটিভ প্রক্রিয়া, এখানে নিয়ম মেনে সব সময় কাজ করতে হবে বা এভাবেই সব ডাটা খুঁজে পাবেন এমন কোন বাধ্যবাধকতা নেই। আপনি নিজস্ব জ্ঞান বা ক্রিয়েটিভিটি ব্যবহার করে লিড জেনারেট করতে পারবেন। তবে কিছু পদ্ধতি আছে যেগুলো সহজেই আপনার কাঙ্খিত লিড আপনাকে জেনারেট করে দেবে, পদ্ধতি গুলো সম্পর্কে একটু আইডিয়া নেওয়া যাক।

গুগল সার্চ- লিড জেনারেশন এর জন্য গুগল বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন প্রথম ধাপ, কারণ আপনি আপনার নিজের নাম গুগল এ সার্চ করে দেখুন অনেক তথ্য পাবেন। লিড জেনারেশনে আপনাকে যে সকল ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের তথ্য সংগ্রহ করতে হবে তাদের ম্যাক্সিমাম তথ্য আপনি গুগলে পাবেন।

সঠিক ভাবে তথ্য বের করতে আপনার কিছু সার্চ টেকনিক জানতে হবে। সার্চ টেকনিক ব্যবহার করে সহজেই বিভিন্ন তথ্য বের করা যায়। ধরুন ক্লাইন্ট আপনাকে আমেরিকায় থাকা সব রিয়েল স্টেট কোম্পানির নাম বের করতে বললো। এখন আপনি যদি গুগলে শুধু রিয়েল স্টেট লিখে সার্চ দেন তাহলে পুরো পৃথিবীর রিয়েল স্টেট গুলো দেখাবে। কিন্তু আপনি যদি রিয়েল স্টেট ইন আমেরিকা লিখে সার্চ করেন তাহলে শুধু আমেরিকার রিয়েল স্টেট গুলো দেখতে পারবেন। অর্থাৎ আপনাকে ভালো করে গুগল বা সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে সার্চ করা জানতে হবে।
সোশ্যাল মিডিয়া- আমরা যখন কোন সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ওপেন করি তখন অনেক পার্সোনাল তথ্য দিতে হয়। এদের মধ্যে নাম এবং ইমেইল অবশ্যই দিতে হয়। যদিও প্রোফাইল থেকে এসকল পার্সোনাল ডাটা হাইড করে রাখা যায় কিন্তু বিভিন্ন টুল ব্যবহার করে হাইড করা ডাটা সংগ্রহ করা যায়। যেমন লিংকডিন সেলস ন্যাভিগেটর নামে একটা টুল আছে যেটা দিয়ে ইউজারের প্রায় সকল তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়। আর মোটামুটি সব কর্পোরেট পারসন বা কোম্পানি লিঙ্কডিনে তাদের প্রোফাইল তৈরি করে রাখে। লিঙ্কডিন বাদেও ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার সহ সকল পপুলার সোশ্যাল মিডিয়া লিড জেনারেশনের জন্য উপযুক্ত

একটি মাধ্যম।

বিশেষ সার্চ ইঞ্জিন- Yelp নামে একটি সার্চ ইঞ্জিন আছে যা আপনাকে প্লাম্বার, রেস্টুরেন্ট, হোম সার্ভিস ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান বা পারসনের খোঁজ বের করে দেবে। এরকম অনেক সার্চ ইঞ্জিন আছে যেগুলো বিশেষ বিশেষ কাজের জন্য তৈরি। কারণ আপনাকে যদি বলা হয় যে ভার্জিনিয়া তে যে যে রেস্টুরেন্ট আছে সেগুলোর ডাটা সংগ্রহ করে দিতে তাহলে গুগল এ সার্চ করে আপনি পর্যাপ্ত ডাটা পাবেন না। কিন্তু বিশেষ ভাবে তৈরি সার্চ ইঞ্জিন প্রতিটি রেস্টুরেন্ট এর তথ্য আপনাকে কোন ঝামেলা ছাড়াই দেখাবে।এরকম আরও অনেক টুল আর ওয়েবসাইট আছে যেগুলো লিড জেনারেশন আরও সহজ করে দিয়েছে। এদের মধ্যে whatsapp marketing tool অন্যতম। আমরা ইতিমধ্যে লিড জেনারেশনের বিভিন্ন টুল আর ওয়েবসাইট সম্পর্কে জানলাম, এখন সফল ভাবে লিড জেনারেট করার পদ্ধতি সম্পর্কে জানবো।

প্রথম ধাপ- কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য যখন লিড জেনারেট করা হয় তখন কিছু বিষয় মাথায় রাখতে হয়। যেমন এই লিড আপনি কি কাজে ব্যবহার করবেন বা এই লিড এর উদ্দেশ্য কি? কারণ আপনার চাহিদার উপর ডিপেন্ড করবে কি কি তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
এখন যদি আপনি ইমেইল মার্কেটিং করার জন্য লিড জেনারেট করেন তাহলে শুধু নাম আর ইমেইল অ্যাড্রেস হলেই আপনার কাজ হয়ে যাবে। অন্যদিকে আপনি যদি আপনার টার্গেটেড কাস্টমারদের রুচি বা পছন্দ সম্পর্কে গবেষণা করতে বা আইডিয়া নিতে চান তাহলে আপনাকে অনেক তথ্যই সংগ্রহ করতে হবে। অর্থাৎ আপনাকে শুরুতে নির্ধারণ করে নিতে হবে কি কি লিড আপনার প্রয়োজন।

দ্বিতীয় ধাপ- আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আপনার কাস্টমার টার্গেট করে গুগল এ সার্চ করবেন। কারণ আপনার টার্গেট করা যত প্রতিষ্ঠান বা পারসন আছে তাদের খুঁজে বের করতে হবে। আপনি লোকাল সার্চ করার জন্য বিভিন্ন লোকাল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করতে পারবেন। এখানে আপনার মূল উদ্দেশ্য কাস্টমার খুঁজে বের করা।

তৃতীয় ধাপ- টার্গেট করা কাস্টমার খুঁজে বের করার পর আপনাকে তথ্য সংগ্রহ করা শুরু করে দিতে হবে, এখানে আপনি চাইলেই কাস্টমারের সকল তথ্য পাবেন না। কারণ আপনি যে তথ্য খুঁজছেন তা পাবলিক প্লেসে রাখা হয়না। তবে নাম বা ঠিকানা এসব তথ্য সহজে পাওয়া গেলেও ইমেইল এবং ফোন নাম্বার পাওয়া খুব কঠিন। আর আপনার কাস্টমার সার্চ এ যদি কোন কোম্পানি পেয়ে থাকেন তাহলে সেখানে আপনাকে সচেতন ভাবে ডাটা নিতে হবে।

কারণ আপনার লিড জেনারেশনের উদ্দেশ্য আপনার পণ্য বা সার্ভিস এর মার্কেটিং করা। এখন কোন কোম্পানি মেইল এ যদি আপনি আপনার প্রমোশনাল মেইল সেন্ড করেন তাহলে কি কোন লাভ হবে? কিন্তু আপনি যদি সাইটের মালিক বা মেইন অ্যাডমিন কে মেইল সেন্ড করতে পারেন তাহলে কিন্তু আপনার উদ্দেশ্য সফল হবে।

চতুর্থ ধাপ- তৃতীয় ধাপ থেকেও যদি আশানুরূপ ডাটা না সংগ্রহ হয় তাহলে আপনাকে কিছু ট্রিক্স ফলো করতে হবে। যেমন কোন ওয়েব পেজে যদি ইমেইল বা নাম ঠিকানা কিছুই না পেয়ে থাকেন তাহলে ভিউ সোর্স নামক অপশন ইউজ করতে পারেন। আর এই কাজটি আপনি করবেন কন্টাক্ট পেজ এ গিয়ে। সেখানে শুরুর দিকে আপনি অথর এর সোশ্যাল অ্যাকাউন্ট আইডি বা অথর এর নাম পাবেন। এই তথ্য দিয়ে নতুন করে সার্চ করে কোন ভাবে ওই অথর কে পেয়ে গেলে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং মেথড ব্যবহার করে আপনার কাঙ্খিত ডাটা সংগ্রহ করতে পারবেন।

পঞ্চম ধাপ- উপরে বর্ণনা করা কোন পদ্ধতি যদি কাজে না লাগে তখন আপনি লিড জেনারেশন টুল ব্যবহার করতে পারেন। টুল ব্যবহার করে অনেক সহজে এবং তাড়াতাড়ি ডাটা কালেক্ট করা যায়। এতো পরে এই পদ্ধতি বর্ণনা করার কারণ ম্যানুয়ালি করলে অনেক অর্গানিক ডাটা পাওয়া যায়। অন্য ক্ষেত্রে টুল গুলোর ফ্রী ভার্শনে অনেক লিমিটেশন আছে এবং কিছু কিছু টুল সম্পূর্ণ পেইড। ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য পেইড টুল ব্যবহার করে লিড জেনারেট করা অনেক ব্যয়বহুল।

বিশেষ টিপ- লিড জেনারেট করতে হলে আপনাকে সবসময় আপ-টু-ডেট থাকতে হবে। কারণ যতদিন ব্যবসা থাকবে লিড তত দিন লাগবে। লিড জেনারেশনের অনেক প্রচলিত পদ্ধতি থাকলেও সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ফোরাম, সোশ্যাল গ্রুপ অনেক কার্যকরী পদ্ধতি।
লিড জেনারেশন করে কত টাকা আয় করা যায়?

অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোয় চেক করলে আমরা লিড জেনারেশন নিয়ে অনেক জব পোস্ট বা গিগ দেখতে পাই। সেখানে ভালো করে লক্ষ্য করলে দেখা যায় তারা শুধু লিড জেনারেশন করে মাসে ১০০ ডলার থেকে শুরু করে ১০০০ ডলার পর্যন্ত আয় করছে, এ কাজ অপেক্ষাকৃত সহজ হওয়ায় মার্কেটে অনেক কম্পিটিশন থাকে। কিন্তু তারপরেও এক্সপার্ট কিছু মানুষ আছে যারা এর দ্বারা অনেক স্মার্ট এমাউন্ট আয় করছে।

লিড জেনারেশন এর ইনকাম ডিপেন্ড করে লিড এর সংখ্যার ওপর। কোন কোন প্রোজেক্ট এর জন্য ক্লাইন্ট ১ কে ডলার পর্যন্ত খরচ করে। তবে একবারে নিম্ন থেকে যদি অ্যাভারেজ হিসেব করা হয় তাহলে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ১ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করার সম্ভাবনা থাকে।অতএব বলা যায় শুধু লিড জেনারেশন করার মাধ্যমে অনেক ভালো ইনকাম করা সম্ভব।

লিড জেনারেশনের ভবিষ্যৎ কি?

২১ শতক থেকে পৃথিবীব্যাপী তথ্য নিয়ে সংগ্রাম শুরু হবে, অর্থাৎ আমরা আগে থেকেই বুঝতে পারছি তথ্য কতোটা গুরুত্বপূর্ণ, সে দিক থেকে বিচার করলে লিড জেনারেশন কখনো বন্ধ হবে না। যতদিন পর্যন্ত বিজনেস বেঁচে থাকবে ততদিন পর্যন্ত লিড প্রয়োজন পরবে।
একটি কোম্পানি বা প্রোডাক্ট কে এগিয়ে নিতে এবং সফল ভাবে এর মার্কেটিং করতে লিড এর কোন বিকল্প নেই। ভবিষ্যতে এই লিড জেনারেশনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স এর ব্যবহার বাড়বে। মোটকথা লিড জেনারেশনের চাহিদা দিন দিন বাড়বে কমবে না।

লিড জেনারেশন ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ বর্তমানে কোন বিজনেস সামনে এগিয়ে নিতে লিড অনেক ভালো গুরুত্ব রাখে। এই পদ্ধতি ব্যবহারের কারনে পণ্য খুব সহজে এবং ঝামেলাহীন ভাবে কাস্টমারের কাছে পৌঁছায়। আমাদের আজকের লেখায় আমরা লিড জেনারেশন সম্পর্কে অনেক বিষয় পরিষ্কার ধারণা পেলাম। লিড জেনারেশন করেও যে ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব সে সম্পর্কে জানলাম। আশা করি আজকের লেখা আপনাদের অনেক অনেক ভালো লেগেছে ধন্যবাদ।

আমার একটা হোয়াটসঅ্যাপ মাকেটিং সফটওয়্যার আছে যেটার মাধ্যমে আপনি ফ্রিতে লিড জেনারেশন করতে পারবেন ফ্রিতে হোয়াটসঅ্যাপ মাকেটিং করতে পারবেন আমার পেইজে ওয়েবসাইটের লিংক দেওয়া আছে

“ভবিষ্যৎ তাদের হাতেই, যারা তাদের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে”  – ইলানর রুজভেল্ট
01/02/2024

“ভবিষ্যৎ তাদের হাতেই, যারা তাদের স্বপ্নকে বিশ্বাস করে”

– ইলানর রুজভেল্ট

ই-মেইল মার্কেটিং করা কেন দরকার?অন্যান্য ইনকাম সোর্সের পাশাপাশি একটা অন্যতম আর্নিং সোর্স হচ্ছে — ই-মেইল মার্কেটিং।  কিন্ত...
30/01/2024

ই-মেইল মার্কেটিং করা কেন দরকার?

অন্যান্য ইনকাম সোর্সের পাশাপাশি একটা অন্যতম আর্নিং সোর্স হচ্ছে — ই-মেইল মার্কেটিং। কিন্তু, ই-মেইল মার্কেটিং করার আগে আপনাকে জানতে হবে- এটা কেন করা দরকার!

ব্যাপারটা এমন নয় যে, আপনাকে ই-মেইল মার্কেটিং করতেই হবে বাধ্যতামূলক। কিন্তু, করলে কি সুবিধা এবং না করলে অসুবিধা এগুলো জেনে আপনিই সিদ্ধান্ত নেবেন — আপনার ই-মেইল মার্কেটিং করা উচিত কি-না।

ই-মেইল মার্কেটিং ব্যাপারটা আসলে কী? এটা কিভাবে করে?
ই-মেইল মার্কেটিং করার জন্য প্রথমে মানুষজনের ই-মেইল কালেক্ট করতে হবে। তাদের একটা লিস্ট বানাতে হয়। এই লিস্টটা এমন একটা এসেট হয়, যেটা আপনি পরিপূর্ণ ভাবে নিজের কন্ট্রোলে রাখতে পারবেন এবং কেউ আপনার কাছ থেকে নিতে পারবে না।

যেমন- ধরুন আপনার একটা ইউটিউব চ্যানেল আছে। যেখানে আপনার 50,000 সাবস্ক্রাইবার আছে। আগামীকাল ইউটিউব চাইলেই এমনকিছু করতে পারে যে, আপনার চ্যানেলটা তারা ব্যান করে দিলো। যেকোনো কারণ দেখিয়ে ব্যান করলো।

ইউটিউব যদি এমন একটা সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলে তাহলে আপনার এমন কোনো ক্ষমতাই নেই যে আপনি এই সিদ্ধান্তটা আঁটকাবেন। আপনাকে এক কথায় মেনে নিতে হবে। সুতরাং, আপনার যে ইউটিউব চ্যানেলটা এটার সম্পূর্ণ মালিক আপনি না। দিনশেষে এটার হাইয়েস্ট অথরিটি থাকে ইউটিউবের ওপর।

আবার,

ধরলাম আপনার একটা ব্লগ আছে। যেখানেও অনেক মানুষজন আছে। এই মানুষ গুলো অধিকাংশ সময়ই আসে গুগল থেকে বা সার্চ ইঞ্জিন থেকে। এখন আজকে যদি গুগল সিদ্ধান্ত নেয় যে, আপনার পেইজ আর র‌্যাঙ্ক করাবে না। তাহলে একদম সাথে সাথে আপনার ট্রাফিক একদম ডাউন হয়ে যাবে। সুতরাং, আপনার ব্লগ সাইটের বেলায়ও একই ঘটনা ঘটবে যেটা ইউটিউবের বেলায় ঘটেছিলো।

এছাড়াও-
ফেসবুক পেইজের বেলায়ও একই ঘটনা। হয়ত আপনার ফেসবুকে 60,000 লাইক আছে। ফেসবুক সিদ্ধান্ত নিলো যে সে আপনার পেইজ আর প্রোমট করতে পারবে না। এক্ষেত্রে কিন্তু আপনার হাতে কিচ্ছু নেই, আপনি কিচ্ছু করতে পারবেন না।

মোটকথা- ফেসবুক, গুগল, ইউটিউব অথবা যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়ায়ই বলেননা কেন- কোনো কিছুই আপনি শতভাগ নিজের করে পাচ্ছেননা বা নিজের মত কন্ট্রোল করতে পারবেন না।
কিন্তু, এমন একটা বিষয় হচ্ছে ” ই-মেইল লিস্ট ” যেটা আপনি নিজের ইচ্ছেমত কন্ট্রোল করতে পারবেন। একদম নিজের! ই-মেইল মার্কেটিং করার কিছু সুযোগ-সুবিধা আছে। যেমন—

সুবিধা নাম্বার এক—
ধরুন, আপনার কাছে 1,000 মানুষের ই-মেইল লিস্ট আছে। এই লিস্টের সম্পূর্ণ মালিক আপনি। এটা কন্ট্রোল করবেন আপনি। এই 1,000 মানুষের কাছে আপনি আপনার ইচ্ছেমত, যখন, যেভাবে খুশী— সেভাবেই রিচ করতে পারবেন। এটা হলো, ই-মেইল লিস্টের সবচেয়ে বড় সুবিধা।
অর্থাৎ, আপনার হাতে যে মানুষ গুলো থাকবে তারা আপনারই থাকবে। অন্য কেউ এদেরকে কেড়ে নিতে পারবে না।

সুবিধা নাম্বার দুই—
ই-মেইল মার্কেটিং করে আপনি একটা কূল অডিয়েন্সের সাথে আস্তে আস্তে ওয়ার্ম-আপ করতে পারবেন। অর্থাৎ, একটা কূল অডিয়েন্সকে ধীরে ধীরে ওয়ার্ম-আপ করে তাদের কাছে নিজের প্রোডাক্ট, কোর্স ইত্যাদি সেল করতে পারবেন।

ধরুন, আপনি কোনো রাস্তায় গিয়ে অথবা র‌্যান্ডম কোথাও গিয়ে যালে পাচ্ছেন তাকে ধরেই বললেন— ” ভাই, আমি অমুক। আমার হোয়াটসঅ্যাপ মাকেটিং ইমেল মাকেটিং সফটওয়্যার আছে। আপনি আমার সফটওয়্যার গুলো নেন। আমি এই এই সুবিধা দিচ্ছি। আপনি নিয়ে নেন। ”

মানুষজন কী আসলেই আপনার সার্ভিস নেবে? মোটেই না। বরং; তারা আপনাকে পাগল ভাববে। তারা আসলেই আপনাকে জানেনা, চেনেনা। আপনি কে, আপনি কি করেন, কিভাবে কি করেন, আপনার কাছ থেকে সার্ভিস নিয়ে তাদের কীই-বা লাভ আর কীই-বা লোকসান— তারা কিছুই জানে না। এক্ষেত্রে এভাবে একজন রাস্তার মানুষের কথায় তারা সার্ভিস

কেন নেবে? কোন যুক্তিতে?

এই মানুষ গুলো হচ্ছে কূল অডিয়েন্স। এই কূল অডিয়েন্সটাকে আপনি ই-মেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে ওয়ার্ম-আপ করতে পারবেন।
এজন্য, প্রথমে তাদের ই-মেইল দিলেন যে- আপনি ব্যক্তিটা আসলে কে। এরপরে, আপনি কেন তাদের ই-মেইল দেবেন, আপনি কি কি সেল করেন, কেন আপনার সফটওয়্যার গুলো নিবে, পূর্বে আপনার সফটওয়্যারের মাধ্যমে কি কি কাজ করা যায় , আপনার সফটওয়্যারে সম্পর্কিত রিভিউ ইত্যাদি বিষয়ে আস্তে-ধীরে তাদেরকে একটার পর একটা ই-মেইল দিয়েই যাবেন।

এভাবে কূল অডিয়েন্স যখন ওয়ার্মড হবে, তখনই আপনি খুব সহজেই তাদের কাছে আপনার পোডাক্ট সেল করতে পারবেন।

আরো একটা সহজ উদাহরণ যদি দেয়া হয়—

এক্ষেত্রে আপনি সম্পূর্ণ অপরিচিত একজন মানুষ অথবা এমন কেউ যে মানুষটা আপনার চ্যানেলের বিশটা ভিডিয়ো-ই দেখেছে তাকে বললেন আপনার সার্ভিসটা নিতে। এখন এই মানুষটার বেলায় কিন্তু আপনার সার্ভিসটা নেয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি। কারণ, সে আপনাকে চেনে। সে আপনার সার্ভিসের জন্য একজন ওয়ার্ম অডিয়েন্স।
সুতরাং, একটা কূল অডিয়েন্সের থেকে একটা ওয়ার্ম অডিয়েন্সের কাছে সার্ভিস সেল করাটা সহজ। আর এই অডিয়েন্স ওয়ার্ম-আপটা ই-মেইল মার্কেটিং করে খুব সহজেই করা যায়। আপনি চাইলেই একটা অডিয়েন্সকে ওয়ার্ম-আপ করতে পারবেন। এটা ই-মেইল মার্কেটিংয়ের একটা বিশেষ সুবিধা।

সুবিধা নাম্বার তিন—

এখন যারাই ইন্টারনেট ব্যবহার করে, এমন ৯৯% মানুষের নিজস্ব ই-মেইল আছে। এমন মানুষ খুব কম পাবেন যাদের ই-মেইল নেই। হয়ত অন্যান্য সোশ্যাল সাইট নেই এমন মানুষ অহরহ পাওয়া গেলেও, ই-মেইল নেই এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম। অর্থাৎ, ইন্টারনেট ব্যবহার করে মানেই ই-মেইল আছে এমনটা ধরে নেয়াও দোষের কিছু না!

সুতরাং, যারা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া বা সাইট ( ফেসবুক, পিন্টারেস্ট, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব ইত্যাদির যেকোনো কিছু ) ব্যবহার করে না তাদের কাছে পৌঁছাতে পারবেন খুব সহজেই।

সুবিধা নাম্বার চার—

ই-মেইল মার্কেটিং খুব সহজেই স্কেলেবল। অর্থাৎ, একটা ছোট ই-মেইল সাবসক্রাইবারের জন্য আপনার যে কাজ করা লাগবে, একটা বিশাল সাবসক্রাইবার লিস্টের জন্যও আপনার একই কাজ করা লাগবে। এক্ষেত্রে আপনার বাড়তি কোনো কাজ করতে হবে না।

যেমন- আপনার ই-মেইল লিস্টে এখন 100 জন সাবস্ক্রাইবার আছে। আপনি তাদেরকে একটা ই-মেইল দিলেন। এই ই-মেইলটা লিখতে আপনার যে সময় এবং শ্রম যাবে এই একই সময় এবং শ্রম যাবে যদি আপনার লিস্টে দুই লাখ সাবস্ক্রাইবার ও থাকতো। একটুও কম বা বেশিও হতো না। সুতরাং, এই ব্যাপারটা খুব সহজেই স্কেল করা যায়।
এছাড়া-ও

ই-মেইল মার্কেটিংয়ে কিছু এডভান্স সিস্টেম ব্যবহার করা হয়। যেমন- অটো রেসপন্ডার সিরিজ, সিকোয়েন্সিং ইত্যাদি। যেগুলো ব্যবহারের ফলে পুরো বিষয়টা অটোমেটিক হয়ে যায়। এক্ষেত্রে একটিভ কাজ খুব কম করা লাগে। শুরুর দিকে আপনার কাজ করা লাগবে। কিন্তু, প্রাথমিক কাজ গুলো সব সেট-আপ করার পর নিজের কাজ খুব কম করা লাগে। লিস্ট যতই বড় হোক না কেন, অটোমেটিকই সব চলতে থাকে।
তাই বলা যায় – ই-মেইল মার্কেটিংটা খুবই স্কেলেবল! একবার শুরু করার পর বারবার কষ্ট করার কোনো ঝামেলাই নেই।

সুবিধা নাম্বার পাঁচ —

ই-মেইল মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে আপনি একটা মানুষকে কনভার্ট করার বা তার কাছে আপনি আপনার পোডাক্ট বা সার্ভিস সেল করার জন্য অনেক লম্বা একটা সময় পাবেন। যেটা অন্য ক্ষেত্রে হয় না।
যেমন- আমার একটা হোয়াটসঅ্যাপ মাকেটিং সফটওয়্যার আছে , ফ্রি মাকেটিং করা যায় সেগুলো মাকেটিং করার জন্য হয়৷ এই কোর্সের জন্যই একটা ভিডিয়ো বানানো হলো। যেটা দিয়ে ফেসবুকে Ad দেয়া হলো। এই ভিডিয়োটা একশো’জন মানুষ দেখলো, স্ক্রল করে চলে গেলো। এছাড়া তারা কিছুই করলো না। এই একশো’জন কিন্তু হারিয়ে গেল, তারা আমার কোনো কাজেই আসলো না।

অন্যদিকে, ই-মেইল মার্কেটিং করা হলে— আমার একটা ইমেল কালেক্ট করা সফটওয়্যার আছে যেটার মাধ্যমে আপনি ফ্রিতে যেকোন দেশের বা কান্টি ভিত্তিক বা টার্গেটেড অনুযায়ী কিওয়ার্ড দিয়ে আপনি ইমেল লিস্ট কালেক্ট করতে পারবেন ইমেল কোনটা ফেক ইমেল কোনটা ভেলিড তা চেক করতে পারবেন ইমেল ও পাঠাতে পারবেন। অথবা ফেসবুকে একটা Ad দিলে, সেখানে মানুষজনের নাম এবং ই-মেইল চাইলেন। বিনিময়ে তাদেরকে ফ্রী কিছু একটা অফার করলেন। হতে পারে- একটা পিডিএফ অথবা মিনিকোর্স অথবা যেকোনো কিছু।

তখন এই Ad টা যদি একশো’জন মানুষ দেখে, তাদের মধ্য থেকে অন্তত বিশজন আপনার কথামত নাম এবং ই-মেইল দেবেই। এই বিশজন মানুষ নিজ থেকে যতদিন না আনসাবস্ক্রাইব করবে ততদিন পর্যন্ত আপনি তাদেরকে হাতে রাখতে পারবেন। ধীরে ধীরে তাদেরকে আপনার কোর্স সম্পর্কে জানাতে পারবেন এবং সেল ও করতে পারবেন।

Ad এর বেলায় আপনার তাৎক্ষণিক কাওকে লাগেই সেল করার জন্য এবং যেটা ঘটার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। এজন্য আপনি যখন ই-মেইল মার্কেটিং করবেন, তখন যারা যারা আপনার লিস্টে আছে তাদেরকে আপনি লাইফটাইম পাবেন কোর্স বা প্রোডাক্ট অথবা সাভিস সেল করার জন্য। সুতরাং, এক্ষেত্রে আপনার কূল অডিয়েন্সকে ওয়ার্ম-আপ করার সুযোগটা ভালো পাচ্ছেন।

সুবিধা নাম্বার ছয়—
আপনার যদি ই-মেইল মার্কেটিং সাবস্ক্রাইবারদের একটা বড় লিস্ট থাকে, এটা কিন্তু একটা ভালো ট্রাফিক সোর্সও হতে পারে।
ধরুন – আপনার একটা ফেসবুক পেজ অথবা ওয়েব সাইট আছে যেখানে আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেল করেন যেখানে হাজারখানেক মানুষ আছে। সেখানকার ভিজিটরদের নাম, ই-মেইল কালেক্ট করে প্রতি সপ্তাহে তাদের একটা করে ই-মেইল দিলেন। ই-মেইলে আপনার সাপ্তাহিক দুয়েকটা আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আর্টিকেল লিংক দিয়ে সেগুলো পড়ার জন্য ইনভাইট করতে পারেন।

হাজারখানেক মানুষ থেকে যদি ৫% মানুষও ওই লিংকে ক্লিক করে থাকে তাহলে প্রতি সপ্তাহে আপনি ৫০ জন মানুষ পাচ্ছেন যেটা প্রতিমাসে দু’শ জন মানুষে গিয়ে দাঁড়াবে। অর্থাৎ৷, আপনি একটা ছোট ই-মেইল লেখার কারণে প্রতিমাসে দু’শ জন মানুষ এক্সট্রা পাচ্ছেন।
যদি আপনার লিস্টটা এক হাজারের না হয়ে আরো বেশি— পঞ্চাশ হাজারের হয় তাহলে ভেবে দেখেন আপনার একটা ই-মেইলের কারণে আপনি কত কত রিটার্নিং কাস্টমার পাবেন। লিস্ট যত বড় হবে আপনি আপনার সাইটে তত বেশি রিটার্নিং সেল পাবেন।

এতগুলো সুবিধা দেখে অবশ্যই বোঝার কথা যে, আপনার আসলে কেন ই-মেইল মার্কেটিং করা দরকার। এখন সুযোগ লুফে নেবার জন্য ই-মেইল মার্কেটিং শুরু করতে চাইলে আপনার জন্য আছে কিছু টিপস—
ই-মেইলের জন্য যেভাবে সাবজেক্ট লিখতে হয়, এরকম কিছু সাবজেক্ট লেখার টেমপ্লেট এখানে পাবেন। যে টেমপ্লেটটা ফলো করলে আপনার ই-মেইল গুলোতে অনেক বেশি মানুষ ক্লিক করবে, অনেক মানুষ পড়বে। টেমপ্লেটটূ চাইলে এখানে ক্লিক করে আপনার নাম এবং ই-মেইলটা দিলে টেমপ্লেটটা আপনি ফ্রী তেই পেয়ে যাবেন।

একটা ই-মেইল মার্কেটিং সফটওয়্যার –Email Extrect এই সফটওয়্যারটা দিয়ে আপনি ফ্রি ইমেল মাকেটিং করতে পারবেন। ইমেল কালেক্ট করতে পারবেন। ইমেল চেকারের মাধ্যমে ইমেল চেক করতে পারবেন। ফ্রি ইমেল করতে পারবেন ইমেল মাকেটিং সফটওয়্যার টি কিভাবে ব্যবহার করে দেখতে চাইলে এখানে ক্লিক করতে পারেন। সাথে আরো ফ্রি আরো সফওয়্যার হোয়াটসঅ্যাপ মাকেটিং সফটওয়্যার, ফেসবুক মাকেটিং সফটওয়্যার টেলিগ্রাম মাকেটিং সফওয়্যার আরো 50 টি কন্টেন্ট রাইটি হেডলাইন গুলো আমি আপনাকে ফ্রিতে দিবো একটা কিনলে 5টি ফ্রি
https://topdigitalproductsbd.com
01724608807

Address

Cox's Bazar

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Top Digital Product BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share