GonoVision

GonoVision Unbiased news & people’s voice from Bangladesh to the world

আজকে মেসির কান্না দেকে কার মন ভাল নাই
07/07/2026

আজকে মেসির কান্না দেকে কার মন ভাল নাই

মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, হাদির হত্যাকারীদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্...
03/06/2026

মঙ্গলবার (২ জুন) কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ধর্মতলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, হাদির হত্যাকারীদের রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করার পর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর ফোন পান তিনি। তাকে বলা হয়, এই বিষয়টি যেন বাইরে জানাজানি না হয়।

তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে একটা বড় খুনিকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করেছিল। যা নিয়ে বাংলাদেশে অনেক আন্দোলন হয়েছিল। অন্য দেশের কথা আমি বলছি না। আমার অধিকারও নেই বলার। কিন্তু আমি যেটা বলতে চাইছি তা হলো ওই হত্যাকারীরা মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে চলে আসে। বাংলায় আসার পর আমাদের এসটিএফ তাদের ধরে। এইটা তাদের কৃতিত্ব।’

তিনি বলেন, ‘কিন্তু তারপর কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নিজে আমাকে ফোন করে জানিয়েছিলেন, আপনি রাজ্য পুলিশকে জানিয়ে দিন এটা যেন বাইরে না যায়। কারণ এটা দেশের ব্যাপার।’

অমিত শাহকে উদ্দেশ্যে করে মমতা প্রশ্ন ছুড়ে বলেন, ‘কাকে দিয়ে খুন করিয়েছিলেন? কার কার নাম বেরিয়ে ছিল? আজকের সরকার পরিবর্তন হলেও আমি সবটাই জানি। আমার হৃদয়টাই একটা কথার ভান্ডার। তথ্য ভান্ডার।’

তিনি বলেন, ‘এতদিন আমি বলিনি। কিন্তু আজকে অত্যাচারে শেষ সীমায় গেছে বলে আমাকে মুখ খুলতে হয়েছে। আমি সেই নামটা বলতে চাইছি না, বললে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে যাবে। আমি বাংলাদেশকে ভালোবাসি। দেশের স্বার্থে ওই নাম আমি বলব না।’

১ম মত এই ব্যাপারটা থেকে এটা এখন দিনের আলোর মত পরিস্কার যে হাদি হত্যার পেছনে ভারত প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে হলেও জড়িত। যেটা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ জানে।

২য় বিষয় হচ্ছে, হাদির শ্যুটার ফয়সালকে গ্রেফতারের পর বাংলাদেশের হাতে তুলে দেয়া হয় নি। ভারত খুবই দ্রুত তাকে কোর্টে তুলে নামমাত্র একটা মামলা দিয়ে জেল দিয়ে দিল। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও এই বিষয়ে আগ্রহ দেখায় নি। অথচ বাংলাদেশের সাথে ভারতের আসামি বা বন্দী বিনিময় টাইপের একটা চুক্তিও আছে আমি যতদূর জানি। তাহলে সব সুযোগ থাকার পরেও এত বড় আলোচিত একটা হত্যাকান্ডের আসামীকে বাংলাদেশে ফেরত আনার ব্যাপারে বাংলাদেশের সরকার মানে ড. ইউনুস সরকার কেন এতটা নিস্ক্রিয় থাকবে? এটা কি সন্দেহজনক নয়?

৩য় বিষয় হচ্ছে, ততকালীন ইন্টেরিম গর্ভমেন্ট হাদি হত্যার ঘটনার বিচারে চরমভাবে গড়িমসি করেছে। তারা বিচারের রায় দিয়েছে আগডুম আাগডুম একটা স্ক্রিপ্ট সাজিয়ে। নেই কোন শক্ত প্রমান। নেই কোন জোড়ালো সাক্ষী সাবুদ। শেষমেশ আসল আসামি পাওয়া গেছে। কিন্তু সে থাকে দুবাই। করে আওয়ামিলীগ। এটা আওয়ামিলীগ করিয়েছে এটা তখন সাধারণ মস্তিষ্কের প্রতিটি বাঙালিই ভেবেছে। সুতরাং, জনগণের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে আসামিও লীগের করা হয়েছে। আর আসামি যেহেতু দুবাই থাকে। সেখান থেকে আসামি আনা তো সম্ভব না। সুতরাং আমরা বিচার করে দিয়েছি। আমরা গেলাম। ব্যাস চলে গেল ইন্টেরিম সরকার। এগুলো কি সন্দেহজনক না?

এরপর এলো বিএনপি। এবং এরপর কিছুদিনের মধ্যেই হাদির শুটার ফয়সালকে কলকাতা পুলিশ গ্রেফতার করে। এবং সেই খবর গোপন রাখতে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি কে বলেন। আর হাদিকে যে শুটার করেছে এবং সেদিন যে বাইক চালাচ্ছিল দুজনকেই খুবই দ্রুত ভারতের আদালতে একটা সাজা দিয়ে জেলে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। সুতরাং হাদি কেস শেষ। বিচার হয়ে গেছে। এইতো সমাপ্তি টানা হয়ে গেল। তাইতো?

এবার এই পুরো বিষয়টা পর্যবেক্ষন করলে দেখবেন এখানে ভারত জড়িত এটা নিশ্চিত। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়! ইন্টেরিম গর্ভমেন্ট কেন গড়িমসি করলো বিচারের নামে? এবং বিএনপি সরকারই বা শ্যুটার ফয়সালকে বাংলাদেশের কাছে ফিরিয়ে আনার যথাযথ ব্যাবস্থা নিলো না? আর নির্বাচনে হেরে কেন মমতা এই টপিক আবার তুলল? নাম কেন বলল না? নাকি বাংলাদেশীদের উইপোকা বলা অমিত শাহর হাত আছে শহীদ ওসমান হাদীর খুনের পিছনে??? বোঝাই যাচ্ছে এই টপিক মমতা আবার বের করেছে কাওকে ব্ল্যাকমেল করতে।

আমি ভাবছি অন্য কথা।

এই যে এতো এতো হিংসুক শাহবাগী পুরুষ এবং মহিলা টোকাই হাদিরে নিয়ে দুই দিন পর পর কটাক্ষ করে কথা বলে তাদের এখন কি হবে?

তারা কি বুঝবে যে হাদি মাত্র ১ বছরের ব্যবধানে শুধু মাত্র তার ক্যারেক্টার এবং জবানের জোরে এতো গুরুত্বপুর্ণ হয়ে উঠেছিল যে তাকে ভয় পেয়ে একটা রিজিওনাল জিওপোলিটিকাল পাওয়ার একশন নিয়েছিল?

হাদি নিশ্চয় তাদের মসনদ কাপিয়ে দিয়েছিল। হাদি নিশ্চয়ই এমন গুরুত্বপুর্ণ একজন হয়েছিল স্বল্পতম সময়ের ব্যবধানে যার কারণে একটা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্য মন্ত্রী হাদিকে নিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে আবার টপিক তুলে।

আর অন্যদিকে এই পুরুষ ও মহিলা টোকাইগুলোকে কাকরাইলের লেরি ডগও কামড়ায় না।

সম্পুর্ণ ভিডিওঃ

494K views · 20K reactions | শহিদ ওসমান হাদির খুনে ভা*রত জড়িত এইটা খুবই স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি লুকাচ্ছেন বা কাকে লুকাচ্ছেন এইটাই এখন জানবার বিষয়! কার নাম প্রকাশ হলে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠবে, আমরা জানতে চাই! এর উত্তর বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নের সাথে জড়িত। এইখানে কোন ছাড় দেওয়া হবে না। | ইনকিলাব মঞ্চ
শহিদ ওসমান হাদির খুনে ভা*রত জড়িত এইটা খুবই স্পষ্ট। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি লুকাচ্ছেন বা কাকে লুকাচ্ছেন এইটাই এখন জানবার বিষয়! কার নাম প্রকাশ হলে বাংলাদেশ উত্তাল হয়ে উঠবে, আমরা জানতে চাই! এর...
https://www.facebook.com/watch/?ref=saved&v=937522512602178

ভারতের সাথে বাংলাদেশের যতগুলো ইস্যু নিয়ে বিরোধ, তার মধ্যে বর্ডার কিলিং হচ্ছে অন্যতম প্রধান। অথচ সেই বর্ডার কিলিংয়ের সংজ্...
03/06/2026

ভারতের সাথে বাংলাদেশের যতগুলো ইস্যু নিয়ে বিরোধ, তার মধ্যে বর্ডার কিলিং হচ্ছে অন্যতম প্রধান। অথচ সেই বর্ডার কিলিংয়ের সংজ্ঞাই সালাহউদ্দিন আহমেদ পাল্টে দিতে চাচ্ছেন, তাও আবার ভারতীয় ন্যারেটিভের পক্ষ নিয়ে।

তিনি বলছেন, কেউ যদি অপরাধ করতে গিয়ে, চোরাচালান করতে গিয়ে বিএসএফের হাতে মারা পড়ে, "আমাদের সীমানার ভেতরে" বা তাদের সীমানার ভেতরে, তাহলে সেটা নাকি বর্ডার কিলিং হবে না! শুধুমাত্র বিএসএফ যদি বিনা কারণে বর্ডারের ভেতরে বা জিরো লাইনে গুলি করে কাউকে হত্যা করে, তাহলেই নাকি বর্ডার কিলিং হবে।

এরচেয়ে ভয়ঙ্কর বাংলাদেশবিরোধী, মানবতাবিরোধী কথা হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে অন্য কোনো ক্ষমতাসীন নেতা বলেছেন কি না, আমার জানা নাই।

কারণ ভারত যে দুইদিন পরপর বর্ডারে হত্যাকাণ্ড ঘটায়, সেগুলো তো এমনি এমনি ঘটায় না। প্রতিটা হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রেই তাদের অজুহাত থাকে, হত্যার শিকাররা হয় অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করার চেষ্টা করছিল, অথবা গরু চোরাচালান করছিল।

সালাহউদ্দিন বলতে গেলে এইসব হত্যাকাণ্ডকে একপ্রকার বৈধতা দিয়ে দিলেন। তার এই সংজ্ঞা অনুসারে ইভেন ফেলানী খাতুনের হত্যাকাণ্ডও বর্ডার কিলিং না। কারণ ফেলানীও অবৈধভাবেই বর্ডার পাড়ি দিচ্ছিল।

তার এই সংজ্ঞা অনুসারে তাকে ভারতে পাচার করার পর, মতান্তরে সে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করার পর বর্ডারে যদি তাকে মেরে ফেলা হতো, সেটাও বর্ডার কিলিং হতো না। জাস্ট ভারতের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার হতো।

ইচ্ছাকৃত হোক, বা অনিচ্ছাকৃত হোক, এই বক্তব্যের অর্থ হচ্ছে ভারতকে লাইসেন্স দিয়ে দেওয়া - শুধু নিরাপরাধ মানুষকে মাইরো না। এর বাইরে অপরাধী, চোরাচালানকারী, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদেরকে গ্রেপ্তার না করেই গুলি করে মেরে সাফ করে ফেলো, আমাদের কোনো আপত্তি নাই।

যেকোনো সভ্য দেশে এই ধরনের বক্তব্যের পর মন্ত্রিত্ব ধরে রাখাই কঠিন হতো। কিন্তু আমাদের দেশে কিছুই হবে না। ইভেন গৃহপালিত বিরোধীদলও এর শক্ত কোনো বিরোধিতা করবে না। সালাহউদ্দিন আহমেদকে তার বক্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়াতে পারবে না।

সালাহউদ্দিনের এই বক্তব্যের পুরস্কার হিসেবে আজকেই বিএসএফ সাতক্ষীরা সীমান্তে দুইজনকে গুলি করে হত্যা করেছে।

গৃহপালিত বিরোধীদলগুলো কিছু না করুক, অন্তত বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে এই হত্যাকাণ্ডগুলোর এবং এগুলোকে বৈধতা দেওয়া সালাহউদ্দিনের এই বক্তব্যের প্রতিবাদ আপনাকে করতেই হবে। রাজপথে যদি নাও হয়, অন্তত সোশ্যাল মিডিয়াতে হলেও।

বিএনপির ৫ বিপদ – পারবে কি মোকাবেলা করতে?১ম বিপদ১টা নির্মম সত্যি। গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে কোন সরকার জনগণের ভোটে পর পর দুইবার...
02/06/2026

বিএনপির ৫ বিপদ – পারবে কি মোকাবেলা করতে?
১ম বিপদ

১টা নির্মম সত্যি। গত ৫৫ বছরে বাংলাদেশে কোন সরকার জনগণের ভোটে পর পর দুইবার ক্ষমতায় আসে নাই।

তারমানে – ২০৩১ সালে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে কি আসবে না – তা অতীতের ড্যাটা বিশ্লেষণ করলে আপাতত ‘সম্ভাবনা’ কম।

তবে মানুষই ইতিহাস তৈরি করে।

এই ইতিহাস তৈরি করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। জনগণের ভোটে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসতে হলে ভোটারদের অন্তরকে জয় করতে হবে।

হাতে ৫৬ মাসের মতো আছে। এই ৫৬ মাসে বিএনপিকে সেই কাজগুলো করতে হবে যা জনগণের জন্য সত্যিকারে কিছু কল্যাণ বয়ে আনবে।

ঘুষ দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরতে হবে, মানুষের ভ্যাট ট্যাক্সের টাকা ইচ্ছেমতো ব্যবহার করা যাবে না, মানুষকে নির্যাতন করা যাবে না, মানুষের অধিকার। কিন্তু এই ঘুষ, দুর্নীতি, অনিয়ম, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি থেকে জনগণকে মুক্তি দেয়া কঠিন – এগুলো চলতে থাকলে বিএনপির প্ল্যান কাজ করবে না এবং তাদের বিপদ তৈরি হবে।

২য় বিপদ –

জাশি ও এনসিপি। বিএনপি তাদের কাছে সোনার ডিম পাড়া হাসা। বিএনপিকে চাপে রেখে তারা যেমন সুবিধা আদায়ে তৎপর, গত ১৮ মাসের সরকারের দুর্নীতি আর অনিয়ম তদন্ত করলে অনেকেই বিপদে পড়বে – বিএনপি যেন সেই তদন্ত না করে তার জন্য চাপ দিয়ে যাবে।

একই সাথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো – ৯ অগাস্ট ২০২৪ থেকে বিএনপির বিরুদ্ধে তারা যে সর্বাত্মক অনলাইন ডিমেইমিং ক্যাম্পেইন এবং চূড়ান্ত লেভেলের অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে,

সেখান থেকে তারা এক চুলও সরবে না। বিএনপিকে ব্যর্থ করার জন্য যা যা করা দরকার, তারা তাই করবে।

তারা ১০০ অতিরিক্ত এমপি আর ক্ষমতার ভাগ নেয়ার যেমন চেষ্টা করবে, একই সাথে বিএনপির সুনাম ধ্বংস করার সব চেষ্টা করছে। তাদের টার্গেট ২০৩১ সালের নির্বাচন এবং সে লক্ষ্যে তারা নেমে পড়েছে। প্রধানত বিএনপি তাদের প্রধান টার্গেট।

৩য় বিপদ –

বাণিজ্য চুক্তি বিএনপির জন্য এক বিশাল বিপদ তৈরি করেছে অথচ যার জন্য বিএনপি দায়ী না।

আওয়ামী লীগ গুছিয়ে নিচ্ছে। তারা মাঠে নামবে। এমনকি তারা জাশি আর এনসিপির সাথে যুক্ত হয়ে মাঠে নামবে। এই বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন শুরু হলে নানা সমস্যা তৈরি হবে এবং আওয়ামী লীগ, জাশি, এনসিপি তার চরম সুযোগ নিবে। সব দায় বিএনপির উপর চাপিয়ে দিবে। ইতিমধ্যে জাশি প্রধান বলেছেন তাদের বিন্দুমাত্র দায় নাই। তারমানে তারা ইতিমধ্যে হাত মুছে ফেলেছে এবং সব দায় বিএনপির উপর চাপানোর প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে।

৪র্থ বিপদ-

৩০ লাখ কোটি টাকার ঋণের বোঝা। এরপরে আরও লোন করতে হচ্ছে। বিএনপি যদি ঋণের বোঝা নিয়ন্ত্রণ না করতে পারে – বিএনপি এবং বাংলাদেশ উভয়ই কল্যাপস করবে। যদি আগামী ৫ বছরে ঋণের পরিমাণ আর ১০-১৫ লাখ কোটি টাকা বেড়ে যায়, পুরো দেশ দেউলিয়া হয়ে যাবে। এবং দেউলিয়া যে হবে না, সে কথা নিশ্চিত করে বলার উপায় নাই। ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ধারণা করা শুরু করেছে – বাংলাদেশ ঋণ শোধের সক্ষমতা হারিয়ে ফেলছে।

৫ম বিপদ –

বিএনপি এমন সময়ে ক্ষমতায় এসেছে যখন অর্থনীতি আর কর্মসংস্থানের অবস্থা ভয়াবহ খারাপ। দারিদ্র্য বাড়ছে। বেকারত্ব ২০১৮ থেকে বাড়ছে, এখনও বাড়ছে। সাথে সীমাহীন ঘুষ দুর্নীতি মানুষের জীবনকে অসহনীয় করে তুলছে।

বিনিয়োগ চরম লেভেলের খারাপ অবস্থায় আছে। ব্যবসায়ীরাও চরম হতাশ হয়ে গেছেন। তারা রফতানি বাড়ানোর জন্য যা যা দরকার – তা যে নেই বা সরকার সেগুলো দিতে পারবে কিনা সেই সন্দেহ পরিষ্কার করে বলছে।

একদিকে বিনিয়োগ নাই, অন্যদিকে ব্যাংক লুটপাটের কারণে ব্যবসায়ীদের আর টাকা দিতে পারছে না। ঋণ দেয়া তো দূরের কথা প্রায় ৭০ লাখ আমানতকারীর আসল টাকাই দিতে পারছে না।

এবং বিপদের বিষয়টা এখানে এমন যে আপাতত এর কোন সমাধান নাই। এই বিপদ এমন বিপদ যে চাইলেই আগামী ৪-৫ বছরেও সমাধান করা যাবে না। বেকারত্ব আগামী ৪/৫ বছরের কমবে না। আরও বাড়তে পারে। সরকার বিদেশে লোক পাঠানোকে গুরুত্ব দিচ্ছে। সেটা হয়তো কিছুটা সমাধান দিতে পারে। তবে দেশে বিনিয়োগ না বাড়লে, কর্মসংস্থান না বাড়লে, ব্যাংকগুলো সাপোর্ট দিতে না পারলে – দেশের অর্থনীতির ভঙ্গুর দশা আরও খারাপ হতে পারে।

আপাতত বিএনপি এই ৫ বড় বিপদের উপর দাঁড়িয়ে আছে। তাদের অবস্থা কী হবে তা নির্ভর করবে এই ৫ বিপদ থেকে তারা বাংলাদশের মানুষকে মুক্তি দিতে পারে কি পারে না – তার উপর।

মৃণাল কান্তি এবং শেখ হাসিনা!শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ই মে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর থেকে তার স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার সাথে স্বা...
02/06/2026

মৃণাল কান্তি এবং শেখ হাসিনা!

শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ই মে বাংলাদেশে ফিরে আসার পর থেকে তার স্বামী ওয়াজেদ মিয়ার সাথে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে কখনোই একটি দিন বা একটি রাত কাটাননি শেখ হাসিনা। তার স্বামী ওয়াজেদ মিয়া প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত তার মহাখালির আনবিক কমিশনের কোয়ার্টারেই রয়েছেন। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আসার পর মহাখালীর ওয়াজেদ মিয়ার কোয়ার্টারে থাকলেও ওয়াজেদ মিয়া থাকতেন ঐ কোয়ার্টারের ভিতরের রেস্ট হাউজে। দুজন দুজনের সাথে দিনে- রাতে দেখা সাক্ষাৎ তো দূরের কথা - মুখোমুখিও হতেন না।স্বামী কোয়ার্টারে থাকার সময় এবং পরবর্তীতে ধানমন্ডি বত্রিশের পিত্রালয় থাকতে শেখ হাসিনা নিয়মিত রুটিন মাফিকভাবে প্রতিদিন সন্ধ্যার ঠিক একঘন্টা আগে গোসল করে পাউডার, পারফিউম মেখে লম্বা চুলের বেণী করে, চকচকে নতুন শাড়ি- ব্লাউজ পড়ে খুবই পরিপাটি হয়ে কাউকে সঙ্গে না নিয়ে শুধুমাত্র জীপ গাড়ি এবং ড্রাইভার জালালকে সাথে নিয়ে বেরিয়ে যেতেন এবং ঘন্টা দুয়েক পরে ফিরে আসতেন। শুধু ঐ সময়ে ওই অজ্ঞাত স্থানে যাওয়া ছাড়া শেখ হাসিনা আর কখনোই জীপ গাড়ি নিয়ে একা বের হতেননা। ১৯৮৭ সালে মুন্সিগঞ্জ হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি তরুণ যুবক মৃণাল কান্তি দাসের সাথে শেখ হাসিনার পরিচয় হয়। এবং পরিচয়ের পর থেকে মৃণাল কান্তি দাস বত্রিশ নাম্বারে বঙ্গবন্ধু ভবনে থাকতে শুরু করেন। শেখ হাসিনা তখন ঐ বাড়িতেই থাকতেন।।গভীর রাত পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু ভবনের লাইব্রেরি কক্ষে ভেতর থেকে দরজা লাগিয়ে মৃণাল কান্তি দাস আর শেখ হাসিনার কুটকুট করে কথা বলতেন এবং খিলখিল করে হাসতেন। শেখ হাসিনার কাছে মৃনালের গ্রহণযোগ্যতা এতটাই বেড়ে গেল যে তা সকলের ঈর্ষার কারণ হয়ে দাড়ালো।মৃণাল হয়ে উঠলো শেখ হাসিনার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি! তার ক্ষমতা এতটাই বেড়ে গেল যে, ১৯৯০ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির জেনারেল সেক্রেটারী সৈয়দা সাজেদা চৌধুরীকে অপমান- অপদস্ত করে বঙ্গবন্ধু ভবন থেকে বের করে দিলেন।একদিন বঙ্গবন্ধু ভবনে মৃণাল সহ চারজন তাস খেলছে । বেলা তখন তিনটা-সাড়ে তিনটা। এমন সময় শেখ হাসিনার একমাত্র আপন মামা আকরাম মামু এসে কুভঙ্গিতে কুইঙ্গিত করে বললেন, “এই মৃণাল যাওনা, তোমার জন্য না খেয়ে বসে আছে!” মৃণাল তার বন্ধুদের সামনে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের জন্য জবাব দিল “ আরে থাক, থাকতে দেন কিছুক্ষণ না খেয়ে!” একদিন মৃণাল শেখ হাসিনার উপর রাগ করে চলে গেল।। শেখ হাসিনা নিজে গিয়ে রাগ ভাঙ্গিয়ে মৃনাল কান্তি দাসকে বংগবন্ধু ভবনে নিয়ে এলেন। ১৯৯১ সালে শেখ হাসিনা নির্বাচনে হারার পর মৃণাল বিভিন্ন অসন্তুস্টির কারণে শেখ হাসিনাকে ছেড়ে চলে যায়।শেখ হাসিনা নিজে তিনবার মৃণালকে ফিরিয়ে আনতে যান কিন্তু সে ফিরে আসেনা। বরং শেখ হাসিনার সাথে তার দৈহিক সম্পর্কের কথা প্রচার করতে থাকে। কথায় কথায় মৃণাল হাসতে হাসতে বলতে থাকে, শেখ হাসিনা সাথে তার সম্পর্ক অনেক গভীর!

নোটঃ হাসিনার পুত্র সজীব এর চেহেরা আর মৃণাল দাসের চেহেরার মিল এবং হাসিনার হিন্দুপ্রেম / ভারত প্রেম এর রহস্য বুঝতে পারছেন?

সুত্রঃ মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান রেন্টু রচিত পুস্তক "আমার ফাঁ"সি চাই"

02/06/2026

যে ৪ টি চাকরী AI কখনোই নিতে পারবে না 👇

বাইকের কর আদায় করতে না পেরে তৈল এর দাম বাড়িয়ে দিল বিএনপি সরকার।
01/06/2026

বাইকের কর আদায় করতে না পেরে তৈল এর দাম বাড়িয়ে দিল বিএনপি সরকার।

কোনো কোনো ছাত্র বা ছাত্রীকে দেখে আপনার মনে হয়, আরে, এ তো জিনিয়াস, লাইফে নিশ্চয়ই বড় কিছু হবে।আবার কাউকে কাউকে দেখে আপ...
30/05/2026

কোনো কোনো ছাত্র বা ছাত্রীকে দেখে আপনার মনে হয়, আরে, এ তো জিনিয়াস, লাইফে নিশ্চয়ই বড় কিছু হবে।

আবার কাউকে কাউকে দেখে আপনি নিশ্চিত হয়ে যান, এটা একেবারেই অপদার্থ, জীবনে কিছুই করতে পারবে না!

বাস্তব ঘটে উল্টোটা। যাকে আপনি "বিরল প্রতিভা" ভেবেছিলেন, সে ছাপোষা কেরানি, ভবঘুরে বা মাদকাসক্ত হয়ে দিন কাটায়, আর যাকে "কোনো কাজের না" মনে করেছিলেন, সে একদিন উচ্চ পদাধিকারী, পাবলিক ফিগার বা শিল্পপতি হয়ে ওঠে।

কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেন এটা হয়? এমনটা ঘটার কারণ আর কিছুই না, আপনি যাকে অপদার্থ ভেবেছিলেন তার IQ (পড়া মুখস্থ করার সামর্থ্য) কম হলেও EQ (দায়িত্বশীল হয়ে ওঠার যোগ্যতা), SQ (অন্যদের সাথে নেটওয়ার্ক তৈরি করার ক্ষমতা) ও AQ (হাল ছেড়ে না দেবার মানসিকতা) অনেক বেশি। আর যাকে মেধাবী ভেবেছিলেন তার মধ্যে শুধু IQ ছাড়া আর কিছুই নেই!

গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের মধ্যে উচ্চ EQ, SQ ও AQ আছে তারা, যাদের উচ্চ IQ আছে তাদের তুলনায় জীবনে এগিয়ে যায়, যদিও আমাদের দেশের বেশিরভাগ স্কুল ছাত্রছাত্রীদের IQ বাড়ানোর জন্য সচেষ্ট হলেও EQ, SQ ও AQ এর উন্নতির দিকে নজর দেয় না।

আপনি জানলে অবাক হবেন, পেশাগত জীবনে প্রায় ক্ষেত্রেই উচ্চ IQ সম্পন্ন একজন মানুষ, উচ্চ EQ, SQ ও AQ সম্পন্ন একজনের অধীনে কাজ করে। বিশ্বের বেশিরভাগ সফল মানুষের IQ সাধারণ মানের। উদাহরণস্বরূপ, একটি কোম্পানির কর্মচারীদের IQ অনেক বেশি হয়, পক্ষান্তরে ওই কোম্পানির মালিকের IQ কম থাকলেও EQ, SQ ও AQ বেশি থাকে। IQ কম থাকলেও আপনি জীবনে কোনো না কোনোভাবে উতরে যাবেন, কিন্তু EQ, SQ ও AQ কম থাকলে আপনি জীবনে প্রতি পদে পদে ধরা খাবেন।

আপনার সন্তানকে পড়াশুনার পাশাপাশি জীবনের অন্যান্য দিকগুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দিন। তার মধ্যে কায়িক শ্রমের অভ্যাস গড়ে তুলুন, তাকে অভাবের মধ্যে চলতে শেখান, খেলাধুলা, বিজ্ঞান, শিল্প, সাহিত্য ইত্যাদির প্রতি তার আগ্রহ তৈরি করুন। মোদ্দা কথা, তার মধ্যে IQ এর পাশাপাশি EQ, SQ এবং AQ এর বিকাশ ঘটান, যেন সে বড়দের মুখাপেক্ষী না হয়ে থেকে স্বাধীনভাবে কিছু করতে সক্ষম হওয়ার মতো বহুমুখী চরিত্রের মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠে।

খালেদা জিয়া আর কখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।তবে যদি জিয়া পরিবারের কেউ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হ...
30/05/2026

খালেদা জিয়া আর কখনো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন না।

তবে যদি জিয়া পরিবারের কেউ ভবিষ্যতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয় তবে সাধারন মানুষ হিসেবে আমার অনুরোধ হবে, আল্লাহর ওয়াস্তে এবার দূর্নীতিটা একটু কম করুন।

দেশটাকে আগের বার ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় জাহান্নাম বানিয়ে গিয়েছিলেন। সারা দেশে জংগীবাদীদের অভয়ারন্য করেছিলেন। বাংলা ভাই, শায়খ আব্দুর রহমান থেকে শুরু করে খালেদা পুত্র মহা দূর্নীতিবাজ তারেক রহমান এই বাংলাদেশকে মিনি পাকিস্তান করেছিলো। এবার কি মিনি আফগানিস্তান করার ইচ্ছা আছে আপনাদের?

দেশের উন্নয়নের ছিটে ফোটাও করতে পারেন নি আগের টার্মে। বিদ্যুৎখাত ধ্বংস করেছিলেন। এবার কোন বালটা ছিড়বেন সেটা জনগন জানে। উন্নয়ন না করুন কিন্তু দেশকে আগের টার্মে পরপর চারবার শীর্ষ দূর্নীতিগ্রস্থ দেশ বানিয়েছিলেন। জংগীদের আস্তানা করেছিলেন, শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীদের নিজ সরকারের মন্ত্রী করেছিলেন। এমন কোনো খারাপ কাজ নেই যেটা আপনারা করেন নি। এবার ক্ষমতায় এসে এসব করা কি বাদ দিতে পারবেন?

মনে হয় না। কারন কুত্তার লেজ সব সময় বাকাই থাকে। আপনারা হচ্ছেন সেই কুত্তা পার্টি। আপনাদের লেজ কখনো সোজা হবে না।

দেশকে কলুষমুক্ত করতে হলে আপনাদের থেকে দেশকে মুক্ত করতে হবে। তাই, বাংলাদেশের জন্য খালেদার দল বিএনপি হচ্ছে একটি অভিশাপের নাম। এই দলটি নিষিদ্ধ করা দেশের ভবিষ্যতের জন্য একান্ত জরুরী।

আমাদের দুর্ভাগ্যই এই জাতির দুর্ভাগ্য।যে ব্যক্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিলেতে বসে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ রাজনীতি করেছে, সে-ই আজ দে...
30/05/2026

আমাদের দুর্ভাগ্যই এই জাতির দুর্ভাগ্য।

যে ব্যক্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে বিলেতে বসে ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ রাজনীতি করেছে, সে-ই আজ দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখছে। এই দীর্ঘ সময়ে সে দেশের পক্ষে কোনো আন্তর্জাতিক সেমিনারে কথা বলেনি, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে জাতীয় স্বার্থ নিয়ে আলোচনা করেনি, কোনো রাষ্ট্রের সঙ্গে রাষ্ট্রের স্বার্থ রক্ষায় বৈঠকেও বসেনি। অথচ আজ সে-ই নাকি দেশের নেতৃত্ব দেবে!

আসলে পর্দার আড়ালে থাকা দাদাবাবুরা সব সময়ই এমন একজন অযোগ্য মানুষ খুঁজে বেড়ায়, যাকে ক্ষমতায় বসিয়ে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়—কান ধরে উঠবস করানো যায়। কারণ তারা খুব ভালো করেই জানে, যোগ্য ও দৃঢ় মানুষ যদি ক্ষমতায় থাকে, তাকে কেনা যায় না, তাকে চালানোও যায় না।

সত্যিই, এমন নেতৃত্বের স্বপ্ন দেখতে বাধ্য হওয়া জাতি হিসেবে আমরা বড়ই দুর্ভাগা।

Address

Cox's Bazar
470

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GonoVision posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category