MxN Modern Herbal Food Ltd.

MxN Modern Herbal Food Ltd. Health Questions

21/12/2021
19/12/2021

#শীতে_অ্যাজমা__অ্যালার্জি_নিয়ন্ত্রণে_রাখবেন_যেভাবে

#দ্য_আমেরিকান_কলেজ_অব_অ্যালার্জি_ও_অ্যাজমা_অ্যান্ড_ইমিউনোলজি (এসিএএআই) শীতে অ্যালার্জি ও অ্যাজমার প্রকোপ থেকে বাঁচতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়েছে।

#ফ্লুর_টিকা_নিন : অ্যাজমা থাকলে আপনার জন্য এ পরামর্শটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে, অ্যাজমা ও ফ্লু উভয়েই শ্বাসতন্ত্রের রোগ। অ্যাজমা রোগীদের ফ্লু হলে তারা ঘনঘন তীব্র অ্যাজমা অ্যাটাকে আক্রান্ত হতে পারেন, এমনকি জীবননাশক জটিলতাও তৈরি হতে পারে।

#নিয়মিত_ঘর_পরিষ্কার_করুন : এটা ঠিক যে শীতকালে বাইরের চেয়ে ঘরের অ্যালার্জেন দ্বারা অ্যালার্জিতে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি। এ কারণে আপনার অথবা পরিবারের কোনো সদস্যের অ্যালার্জি থাকলে প্রতিদিন ঘর পরিষ্কার করার ব্যাপারে মনোযোগী হতে হবে। ডাস্ট মাইটের (ধুলোর কীট) মতো অ্যালার্জেন দূর করতে নিয়মিত ম্যাট্রেস ও বিছানা পরিষ্কার করতে হবে। ঘরের বেসমেন্ট ও বাথরুমের স্যাঁতস্যাতে জায়গায় ছত্রাকের বিস্তার রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। পোষা প্রাণীর শরীর থেকে খসে পড়া আঁইশ, লালা ও মূত্রের একটি প্রোটিন অ্যালার্জিতে ভোগায় বলে শীতকালে এগুলোর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলতে হবে।

#হাত_ধোয়ার_প্রবণতা_বজায়_রাখুন : আপনার নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস থাকলে ভালো। কিন্তু না থাকলে বাইরে থেকে ঘরে আসামাত্র হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এ অভ্যাসে কোল্ড ও ফ্লুর ভাইরাস দূর হয়ে যায়। এসব ভাইরাস অ্যাজমা ও অ্যালার্জির উপসর্গকে আরও খারাপ করে। নিয়মিত সাবান ও পানি দিয়ে হাত ধোয়া হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাধারণ স্বাস্থ্যবিধি, যা আপনাকে বিভিন্ন মারাত্মক ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

#ফার্নেস_ফিল্টার_ব্যবহার_করুন : ফার্নেস ফিল্টার ঘরের বাতাসের মান নিয়ন্ত্রণ রাখতে সহায়তা করে। ডিভাইসটি ঘরের ভেতরের অনাকাঙ্ক্ষিত নোংরা বা ধুলো দূর করে এগুলোর রিসার্কুলেটিং প্রতিরোধ করে। ঘরের বাতাস থেকে নোংরা বা ধুলোর পরিমাণ কমলে অ্যালার্জির প্রবণতাও কমে যায়। আপনার ঘরের বাতাস থেকে অ্যালার্জেন দূর করতে এমইআরভি-১১ বা ১২ ফিল্টার বেছে নিন। প্রতি এক থেকে তিন মাসে ফার্নেস ফিল্টার পরিবর্তন করা ভালো।

#ফায়ারপ্লেস_থেকে_দূরে_থাকুন : শীতকালে ঠাণ্ডা তাড়াতে অনেকে বাইরের উন্মুক্ত স্থানে বিভিন্ন জিনিস বা আবর্জনা একত্রিত করে আগুন জ্বালিয়ে থাকেন। কিন্তু এ ধরনের ফায়ারপ্লেস অ্যাজমা রোগীদের জন্য ভালো নয়। অগ্নিকূণ্ডের ধোঁয়া অ্যাজমা অ্যাটাকের কারণ হতে পারে।

10/07/2020

#করোনাকালে_জরুরি_দাঁতের_চিকিৎসায়

করোনাকালীন সময়ে অন্যান্য চিকিৎসার মতো দাঁতের চিকিৎসাও পুরো বিশ্বই সীমিত করা হয়েছে।

এর প্রধান কারণ হলো দেহের অন্যান্য অঙ্গের চেয়ে মুখ নাক এসব করোনা ভাইরাসের বিশেষ আক্রমণস্থল হিসেবে বিবেচিত। দাঁতের চিকিৎসা করার সময় ডাক্তার ও রোগী উভয়েই ভাইরাল সংক্রমণের বিশেষ ঝুঁকিতে থাকেন।

করোনা ভাইরাসে আক্রান্তে ঝুঁকির সময়েও যেসব সমস্যা হলে অবহেলা না করে অবশ্যই দাঁতের চিকিৎসার জন্য ডেন্টাল ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে:
• মুখের ভেতরে বা দাঁতের অসহনীয় ব্যথা
• দুর্ঘটনায় চোয়াল বা দাঁত ভেঙে যাওয়া
• মাড়ি থেকে ঘন ঘন রক্তপাত
• চোয়ালের কোনো অংশে ফুলে যাওয়া
• দাঁত দিয়ে শক্ত কিছু ভাঙতে গিয়ে দাঁত ফেটে গেলে
• মুখের কোনো অপারেশনের পরে ক্ষত শুকাতে অতিরিক্ত সময় নিলে আগের লাগানো আলগা দাঁত বা ডেঞ্চার ও ক্যাপ-ব্রিজ ইত্যাদিতে ফাটল ধরা বা নষ্ট হওয়া
• বাঁকা দাঁত সোজা করার অর্থোডন্টিক কাজের জন্য মুখে লাগানো ব্রেস যদি মুখে কোনো অসুবিধা সৃষ্টি করে।

03/07/2020

#ইমিউনিটি_বাড়ানোর_বিজ্ঞানসম্মত_প্রাকৃতিক_উপায়

#নভেল_করোনাভাইরাস
বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে মানবসভ্যতা ভয়ংকর এক পরিণতির সম্মুখীন। নভেল করোনাভাইরাস আমাদের অস্তিত্বকে চরমভাবে একটি চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আজ সমগ্র বিশ্ব এক হয়ে লড়ছে বিধ্বংসী এই ভাইরাসের বিরুদ্ধে, যার কোনো নিশ্চিত সমাধান এখন পর্যন্ত অনিশ্চিত। এর প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কৃত না হওয়ায় বাড়তি সতর্কতা এবং প্রতিরোধই এর থেকে মুক্তি পাওয়ার একমাত্র উপায়। আর তাই সবাইকে বাসায় থাকতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে এবং শাকসবজি, ভিটামিন সি-যুক্ত ফলমূলের সঙ্গে এমন কিছু খেতে বলা হচ্ছে, যাতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা বাড়ে। অস্তিত্বের লড়াইয়ে যেখানে মুখ থুবড়ে পড়ছে, সেখানে ন্যাচারাল থেরাপি দেখাচ্ছে নতুন এক আলোর মুখ।

বিশেষ করে বাংলাদেশের মতো স্বল্প আয়ের দেশগুলোর জন্য বর্তমান প্রেক্ষাপট আসলেই এক কল্পনাতীত উপাখ্যান। জাতির এই ক্রান্তিকালে ন্যাচারাল থেরাপির মাধ্যমে দেহের রোগ প্রতিরোধ ও ফুসফুসের কর্মক্ষমতা কীভাবে বাড়ানো যায়, সেই চেষ্টাই চলছে। এদিকে করোনার সঙ্গে ডেঙ্গু যুক্ত হয়ে যে সংকটময় সময় চলছে, তখন আমাদের পরিবারের সুস্বাস্থ্য আর সুরক্ষার কথা চিন্তা করে পূর্ণাভা নিয়ে এসেছে ইমিউন বুস্টার প্যাক, যেখানে আছে আলইকসির (কালিজিরা তেলের সফট জেল ক্যাপসুল), নিউট্রিলিনা (সামুদ্রিক শৈবাল স্পিরুলিনা ক্যাপসুল) ও জিনেরা (কোরিয়ান রেড জিনসেং), যা আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

প্রথমত, ‘আমেরিকান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ রিসার্চ’-এর এক পাবলিকেশন অনুযায়ী, কোভিড-১৯ সংক্রমণে এবং মৃত্যুহার রোধে যে চিকিৎসা প্রোটোকলের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে, তাতে আছে কালিজিরা তেল (Black seed oil), যা ‘Aliksir’ নামে পূর্ণাভা লিমিটেড বাজারজাত করে আসছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণ চিকিৎসায় কালিজিরা তেল অর্থাৎ ‘Aliksir’ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু ভূমিকা পালন করে। এটি রোগীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুলাংশে বৃদ্ধি করে, শরীরের কোষগুলোকে কোভিডের হাত থেকে সুরক্ষা করে পাশাপাশি আক্রান্ত কোষগুলো দ্রুত সারিয়ে ফেলে। রক্তশূন্যতা রোধ করে রোগীকে দ্রুত সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।

পূর্ণাভার আরেকটি অনবদ্য পণ্য ‘Nutrilina’, যা কোভিড-১৯ প্রতিরোধ এবং প্রতিকারে একদিকে যেমন ইমিউনিটি বাড়ায়, অন্যদিকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত সেরে উঠতে পর্যাপ্ত পুষ্টি সরবরাহ করে। পূর্ণাভার ইমিউন বুস্টার প্যাকের অন্তর্ভুক্ত অন্য যে পণ্যটি নিয়ে বলা হচ্ছে, তা ইতিমধ্যেই চীনের উহানে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে সিভিয়ার কেসে প্রয়োগ করার তথ্য পাওয়া যায়। এটি চায়নার ট্রেডিশনাল মেডিসিনের তালিকায় শীর্ষস্থানীয় একটি পথ্য, যার নাম ‘Ginseng’। যা পূর্ণাভা ‘Ginera’ নামে নিয়ে এসেছে। এটি একদিকে যেমন ভাইরাস ধ্বংসকারী হিসেবে কাজ করে, অন্যদিকে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুলাংশে বাড়িয়ে দেয়। আর এসব কিছু বৈজ্ঞানিক গবেষণা দ্বারা প্রমাণিত। ক্রেতাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে এবং সম্পূর্ণ ফ্রি ডেলিভারি সুবিধাসহ এই সময়ের সবচেয়ে প্রয়োজনীয় প্রোডাক্টগুলো পেতে পারেন এই ‘Immune Booster Pack’-এ! যা কোভিড-১৯ প্রতিরোধ এবং প্রতিকারে একদিকে যেমন ইমিউনিটি বাড়ায়, অন্যদিকে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত সেরে উঠতে পর্যাপ্ত পুষ্টি সরবরাহ করে।

Address

Burichong, Islami Bank 4th Flore
Cumilla
3520

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MxN Modern Herbal Food Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to MxN Modern Herbal Food Ltd.:

Share