সমগ্র দুনিয়ায়-মাহফুজ তো একটাই

সমগ্র দুনিয়ায়-মাহফুজ তো একটাই Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সমগ্র দুনিয়ায়-মাহফুজ তো একটাই, Advertising/Marketing, House-10, Road/23, Sector/07, Uttara, Dhaka -1230.

06/04/2025

'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'.....

ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে— পাকিস্তান ছিল বিশ্বের অন্যতম পারমাণবিক শক্তিধর, তবু গাজার রক্ষার্থে একটি বোমাও উড়ে আসেনি।

মিশরের বুক চিরে নীলনদ বয়ে গিয়েছে শতাব্দীর পর শতাব্দী, যা প্রাণ জুগিয়েছে আফ্রিকার মরুভূমিকে। অথচ, পাশেই গাজার শিশুরা তৃষ্ণায় কাঁপতে কাঁপতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিল।

সৌদি আরব, আরব আমিরাত ছিল তেলের সাগর তেলের সাগরে ভেসে থাকা বিলাসী সাম্রাজ্য, কিন্তু, গাজার অ্যাম্বুলেন্সগুলো পেট্রোল না পেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ছিল নিঃশব্দে, নিরূপায়। নিরবতা যেনো তাদের একমাত্র আর্তনাদ।

সর্বোচ্চ আশা-প্রত্যাশার অসংখ্য চোখ তাকিয়ে ছিল তুরস্কের দিকে। নেতৃত্বের স্বপ্নে বিভোর, ‘উম্মাহ’র দাবি করা মুখপাত্র। তবু, গাজার জন্য তারা কিছুই করলো না। না রসদ-সামগ্রীর সাহায্য, সামরিক সহযোগিতা, না নিরাপত্তা নিশ্চয়তায় কূটনৈতিক আগ্রাসন..

গোটা বিশ্বের মুসলমানদের ছিল ৫০ লাখ সৈন্য, ছিল ট্যাংক, ক্ষেপণাস্ত্র, যুদ্ধবিমান, স্যাটেলাইট, গোয়েন্দা বাহিনী, ছিল আধুনিক প্রযুক্তি এমনকি হাইড্রোজেন পরমাণু বোমা— কিন্তু, গাজার আকাশে একটাও ছায়া পড়েনি। গাজার দিকে কেউ হাঁটেনি।

সবকিছু থাকবে ইতিহাসে। গাজার মতোই– কাশ্মীর, উইঘুর, রোহিঙ্গা সহ বিভিন্ন প্রান্তে জুলুমাতের অন্ধকারে থাকা মুসলমানদের কথা। তবে, সবচেয়ে করুণভাবে লেখা থাকবে– 'তারা চুপ ছিল। সবাই নিরব ছিল। মৃত্যুর চেয়েও গভীর ছিল সে নীরবতা।'

08/03/2025

অতিরিক্ত ভালো হওয়া সমস্যা ঃ

গরু আমাদের দুধ দেয় না, আমরা কেড়ে নিই! গাধাও মোট বয় না, ধোপারা এককালে জোর করে কাজটি করাতো! হিসেব মত সিংহীও দুধ দেয়, সিংহও ওজন বইতে সক্ষম! কিন্তু সিংহকে দিয়ে ওসব করানো মানুষের ক্ষমতার বাইরে !!!

এই জন্য একটু বোকা আর ভালো মানুষদের গরু কিংবা গাধার সাথে তুলনা করা হয়! এই দু'টো প্রাণীর নামে কোনো মানুষকে ডাকা মানে তাকে অপমান করা! কিন্তু কাউকে সিংহ বললে সে উল্টো গর্ববোধ করবে!
সেই সিংহ- যে আজ অবধি মানুষের উপকার করল না, যার সামনে মানুষ গেলে মুহূর্তের মধ্যে পরপারে চলে যাবে, সেই সিংহ হচ্ছে মানুষের চোখে রাজা!
উপকারী গাধা হচ্ছে হাসির বস্তু !!!

অতিরিক্ত ভালো হওয়ার সমস্যা এটাই! অতিরিক্ত ভালো মানুষরা কারো কাছে গুরুত্ব পায় না !!!

তুমি নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে থাকো, ভালো মনে কারো ক্রমাগত উপকার করতে থাকো, আঘাতের পর আঘাত সহ্য করেও হাসিমুখে কাউকে ভালোবাসতে থাকো, তুমি তার চোখে 'গাধা' ছাড়া আর কিছুই হবে না !!!

যদি মনে করো সে একদিন এগুলোর মূল্য বুঝবে, তাহলে তুমি সত্যিই গাধা!
কারো কাছে নিজের দাম পেতে গেলে একবার অন্তত সিংহের মত হতেই হয় !!!

26/02/2025

গায়রত কী?
সাহাবীরা তাদের স্ত্রী'র নাম পর্যন্ত পরপুরুষকে বলতো না।
এটাই গায়রত।
একজন গায়রতহীন পুরুষ বড়ই ভয়ংকর।
এখনকার সময়ের পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূর, তারা তাদের স্ত্রীর বেপর্দা ছবি ফেসবুকে আপলোড দেয়!!
আল্লাহুম্মাগফিরলী..!

ঘটনা ১
একদিন এক ব্যাক্তি আলি ইবনু আবি তালিব (রা) কে জিজ্ঞাসা করলেন তার স্ত্রী কেমন আছে?
তিনি উত্তর দিলেন:
" যদি তোমার রক্ত হালাল হতো,তাহলে আমি তরবারি দিয়ে তোমার মাথা কেটে ফেলতাম।"
[ ইবনে কাসীর,আল- বিদায়া ওয়ান- নিহায়া]

ঘটনা ২
মক্কার এক মুশরিক তার উটকে জবেহ
করে দিচ্ছিলো। তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হলো আপনি উট টি জবেহ কেন করলেন?
আপনার টাকার প্রয়োজন হলেত বিক্রি করে দিতে পারতেন।
তখন লোকটি বললো,
এই উটের উপর আমার মহিলারা বসতো, বিক্রি করে দিলে এই উটের উপর অন্যপুরুষ বসবে এটা আমার সহ্য হবে না,
তাই এই উটই আমি রাখবো না।
একজন মুশরিক হওয়া সত্বেও তার কত গায়রত!!!
আর আমাদের ভাই- বোনদের কি দশা??
আস্তাগফিরুল্লাহ্

গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ। রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।

وَ مَا الۡحَیٰوۃُ الدُّنۡیَاۤ اِلَّا مَتَاعُ الۡغُرُوۡرِ ﴿۲۰﴾
আর দুনিয়ার জীবনটা তো ধোকার সামগ্রী ছাড়া আর কিছুই নয়।
(সুরা হাদীদ-২০)

এবং সেদিন জাহান্নামকে আনা হবে!
সেদিন মানুষ স্মরণ করবে, কিন্তু এই স্মরণ তার কি কাজে আসবে?
(সূরা ফাজর,আয়াত-২০)
স্ত্রীকে সাথে নিয়ে বন্ধুদের সাথে হাসি তামাসা আড্ডায় ব্যস্ত থাকে!!
বউয়ের চুল দেখা যাবে তাতে কষ্ট পাবে তো দূর, বিয়ের সময় বন্ধুকে নিজের বউকে দেখিয়ে পরে আবার শোনে, মেয়েটা কেমন রে!!
বন্ধুদের চোখের খোরাক বানিয়ে তারপর সে বিয়ে করে!
আর এটাই নাকি এখনকার ভদ্র সমাজের ট্রেন্ড!

আল্লাহুম্মাগফিরলী
আর এখনকার পুরুষদের গায়রত থাকবে তো দূরের কথা,,,
অনেকে গায়রত কি সেটাও জানেনা
হায় আফসোস!

এই উম্মাহর কোনো নারী গায়রতহীন পুরুষকে আপন করে নিছে এমন নজির নাই।
হায় আফসোস!
এই উম্মার পুরুষরা আজ জানেই না
গায়রত কী?
মহিলারা আজ বোঝে না গায়রতের মর্ম।
বরং তারা গায়রতহীন চাকচিক্যময় নিবেদিত পুরুষদেরই খুঁজে ফেরে হর হামেশা
গায়রতহীন পুরুষরা সবাই দাইয়ুজ রসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ তারা জান্নাত তো পাবেই না, জান্নাতের গন্ধও পাবে না।
ইয়া রব বুঝার তৌফিক দান করুন সকল মুসলিম ভাই বোনকে।
আল্লাহুম্মা........

16/01/2025

*_চোখের পাপ:- ভয়াবহতা ও শাস্তি এবং এ থেকে বাঁচার উপায়..._*


চোখ অন্তরের শাহি ফটক। অন্তর পর্যন্ত পাপ প্রবেশের প্রশস্ত রাস্তা। চোখের কারণে মানুষ বহু মন্দ কাজে জড়িয়ে পড়ে। চোখ অন্তরের ধ্বংস ত্বরান্বিত করে।

কোরআন-হাদিসে মানুষকে দৃষ্টি সম্পর্কে বারবার সাবধান করা হয়েছে। চলুুন, চোখের পাপের ভয়াবহতা হাদিস থেকে জেনে নিই।

▪️চোখের হেফাজত করতে আল্লাহর নির্দেশ:-

চোখ আল্লাহ কর্তৃক বান্দাকে প্রদত্ত এক মহান নিয়ামত। তিনি আমাদের চোখ দিয়েছেন তার নিদর্শনাবলি দেখতে।

বান্দার উচিত সে নিয়ামত ব্যবহারে আপন স্রষ্টাকে চেনা; তাঁর কৃতজ্ঞ থাকা। আল্লাহ বলেছেন, ‘দেখো, আমি কিভাবে নিদর্শনাবলি বর্ণনা করি, যাতে তারা বুঝে নেয়। ’ (সুরা : আনআম, আয়াত : ৬৫)

▪️দৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তীর:-

মানুষকে কুপথে পরিচালিত করতে শয়তান যে সব অস্ত্রের সাহায্য নেয়। মানুষের চোখ তার অন্যতম।

দৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তীর। ইবনু মাসউদ (রা.) বর্ণনা করেন। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘দৃষ্টি শয়তানের বিষাক্ত তীর। যে ব্যক্তি আল্লাহর ভয়ে দৃষ্টির হেফাজত করবে, তৎপরিবর্তে আল্লাহ তাকে এমন ঈমান দান করবেন, যার মিষ্টতা সে অন্তরে অনুভব করবে। ’ (তাবরানি, হাদিস : ১০৩৬২)

▪️দৃষ্টির অরক্ষণ বা অপব্যবহার মনকে অশান্ত করে:-

চোখের অনৈতিক ব্যবহারে মন অশান্ত হয়।
না পাওয়া আর আক্ষেপের অনলে দহন হতে হয়। ইবনুল কাইয়িম (রহ.) বলেছেন, যে ব্যক্তি দৃষ্টিকে ছেড়ে দেয়, তার আফসোস ও মনোবেদনা স্থায়ী হয়। অন্তরের জন্য অধিক ক্ষতিকর হলো চোখকে ছেড়ে দেওয়া, উম্মুক্ত করে দেওয়া। কেননা, সে তাকে এমন জিনিস দেখায়, যা থেকে সে ধৈর্য ধারণ করতে পারে না এবং তা অর্জনও করতে পারে না। আর এটা বড়ই কষ্টদায়ক।
(রওজাতুল মুহিব্বিন, পৃষ্ঠা-১১৩)

▪️অযাচিত দৃষ্টির পর আবার দৃষ্টি নয়:-

অযাচিত নিষিদ্ধ বস্তুতে দৃষ্টিপাতের ব্যাপারে মানুষের সর্বদা সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা উচিত। যেন হারাম কোনো বস্তুতে চোখ আটকে না যায়। একান্ত যদি দৃষ্টি পড়েই যায়, তাহলে দ্রুত চোখ সরিয়ে নেওয়া একজন সাচ্চা মুসলিমের একান্ত কর্তব্য। নবীজি (সা.) আলী (রা.)-কে সম্বোধন করে বলেছিলেন, হে আলী! দৃষ্টিকে দৃষ্টির অনুগামী কোরো না (অযাচিত দৃষ্টির পরে ইচ্ছাকৃত দৃষ্টি দিয়ো না); কেননা প্রথমটি তোমার জন্য বৈধ হলেও দ্বিতীয়টি অবৈধ। (তিরমিজি, হাদিস : ২৭৭৭)

▪️ব্যক্তির বিরুদ্ধে চোখের সাক্ষ্যদান:-

কিয়ামতের দিন মানুষের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ তার পক্ষে অথবা বিপক্ষে সাক্ষ্য দেবে। ভালো কাজের স্বীকারোক্তির সঙ্গে সঙ্গে খারাপ কাজগুলোর বর্ণনা দেবে অকপটে। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তর এদের প্রত্যেকটিই জিজ্ঞাসিত হবে। ’
(সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩৬)

▪️অবৈধ বস্তুর প্রতি তাকানোর শাস্তি:-

হারাম বস্তু থেকে আমাদের চোখ সরতেই চায় না। পরনারী কিংবা পরপুরুষ দেখলে চোখ ফেরানোর বদলে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখি। নাটক, সিনেমা, টিভি কিংবা সিনেমার পর্দায়, মোবাইলের স্ক্রিনে, পোস্টার আর বিলবোর্ডে সর্বত্র চোখের খিয়ানত। চোখের পাপ। এ পাপ থেকে হবে কি মাফ? আবু হুরায়রা (রা.) নবীজি (সা.) থেকে বর্ণনা করেন, ‘চোখের জিনা (হারাম জিনিসের প্রতি) তাকানো। ’ (বুখারি, হাদিস : ৬১২২)

▪️চোখের পাপ থেকে বাঁচতে করণীয়:-

চোখের অপরাধ থেকে বাঁচতে অসৎ সঙ্গ ত্যাগ করা আবশ্যকীয়। সামর্থ্য থাকলে দ্রুত বিবাহ করা নেওয়া, নচেত রোজা রাখা উচিত। হারাম দৃষ্টিপাত চোখের জিনার ভয়াবহতা হৃদয়ে জাগরুক রাখা চাই। যেসব জায়গায় চোখের খিয়ানত হয় সেসব জায়গায় গমনাগমন থেকে নিজেকে বিরত রাখা। খারাপ কিছু দেখলে ত্বরিত ইস্তিগফার করা। সর্বোপরি পূর্ণ একনিষ্ঠতার সঙ্গে নামাজ আদায় করা। কারণ ‘নামাজ অশ্লীল ও গর্হিত কাজ থেকে বিরত রাখে। ’ (সুরা : আনকাবুত, আয়াত : ৪৫)

02/12/2024

৩টি গল্পঃ
০১. নকিয়া অ্যান্ড্রয়েডকে গ্রহণ করেনি।
০২. ইয়াহু গুগলকে প্রত্যাখ্যান করেছিলো।
০৩. কোডাক এড়িয়ে গিয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরাকে।

শিক্ষাঃ
০১. ঝুঁকি নিতে হয়।
০২. পরিবর্তনকে গ্রহণ করতে হয়।
০৩. সময়ের সাথে পরিবর্তিত হতে না-চাইলে, বাতিল হয়ে যেতে হয়।

আর ২টি গল্পঃ
০১. ফেসবুক নিয়ে নিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ ও ইন্সটাগ্রামকে।
০২. দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় গ্র‍্যাব নিয়ে নিয়েছে উবারকে।

শিক্ষাঃ
০১. অতো ক্ষমতাধর হতে হবে, যাতে প্রতিদ্বন্দ্বীরা মিত্রতা করতে আগ্রহী হয়ে ওঠে।
০২. শীর্ষে উঠে যেতে হবে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে বিনাশ করে দিতে হবে।
০৩. নতুন আইডিয়ায় মনোযোগ দিতে হবে।

আরও ২টি গল্পঃ
০১. কর্নেল স্যান্ডার্স কেএফসি প্রতিষ্ঠা করেছেন ৬৫ বছর বয়সে।
০২. জ্যাক মা, যিনি 'কেএফসি'-তে চাকরি পাননি, প্রতিষ্ঠা করেছেন 'আলিবাবা' এবং ৫৫ বছর বয়সে অবসরে চলে গেছেন।

শিক্ষাঃ
০১. বয়স একটি সংখ্যা মাত্র।
০২. যারা চেষ্টায় থাকে, শুধুমাত্র তারাই সফল।

শেষ, কিন্তু শেষ নয়ঃ
০২. ল্যামবোর্ঘিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন একজন ট্রাক্টর-নির্মাতা, ফেরারি'র প্রতিষ্ঠাতা তাকে অপমান করেছিলো বলে এবং এর প্রতিশোধ হিসেবে।

শিক্ষাঃ
কাউকে তুচ্ছ ভাবতে নেই, কক্ষনো না।
স্রেফ পরিশ্রম করে যেতে হবে,
সময়কে বুদ্ধিমত্তার সাথে ইনভেস্ট করতে হবে,
ব্যর্থতাকে ভয় পাওয়া যাবে না।

11/03/2024

তোহমতঃ

"তোহমত" কত বড় যে ঘৃণিত একটা পাপের কাজ তাহা অনেকেই জানে না, আবার যারা জানে তারা মানে না! আর যারা মানে তারাই ভয়াভহ আজাব থেকে বেঁচে যাবে। গিবতের গুনাহ থেকেও মারাত্নক গুনাহ হলো তোহমত!!

রাসুল সঃ বলেন, গিবত জিনাহ থেকে মারাত্মক গুনাহ, সাহাবা রাঃ জিজ্ঞেস করলেন ইয়া রাসুলুল্লাহ সঃ যদি লোকটা সত্যি সত্যি কাজটা করে থাকে তাহলেও কি গিবত হবে? রাসুল সঃ বললে যদি সে সত্যি কোনো গুনাহর কাজ করে থাকে, আর তার পিছে তার ঐ দোষের কথা চর্চা করে তবে সেটাই হলো গিবত, কিন্তু যেই দোষের কথা চর্চা করা হয়েছে লোকটা যদি ঐ দোষটা করে না থাকে বা এমন কোনো দোষ তার উপর দেওয়া হচ্ছে বাস্তবে সেটা ঐ ব্যক্তি মধ্যে নাই, তবে সেটাই হবে তোহমত।

তোহমত এর শাস্তি কি? রাসুল সঃ বলেন হাসরের ময়দানে তোহমত কারিকে উঠানো হবে এবং যার বিরুদ্ধে তোহমত দেওয়া হয়েছিল তাকে তার সামনে হাজির করা হবে, আল্লাহ পাক তোহমতকারিকে বলবে তুমি যে তার বিরুদ্ধে এই এই অপবাদগুলা রটাইতা তাহা প্রমান করো, যখন সে প্রমান করতে পারবে না তখন জাহান্নামিদের শাস্তি দানের কারনে তাদের গলিত গরম রক্ত পুঁজের কুপের মধ্যে তোহমত কারিকে ডুবিয়ে রাখা হবে! এবং বলা হবে তুমি এই তোহমতের প্রমান দিয়ে তারপর সেখান থেকে বের হয়ে আসো!

তোহমত গিবত থেকেও ভয়াভহ কেনো? কারন হলো গীবতের গুনাহ হলো আপনার গুনাহ গুলা যার বিরুদ্ধে গীবত করেছেন তার কাছে চলে যাবে আর তার গুনাহ গুলা আপনার কান্দের উপর পরবে, রাসুলুল্লাহ সঃ বলেছে গীবত নেকিকে এমন ভাবে ধ্বংস করে দেয় যেমন মাথায় খুর ( ব্লেড) চালালে মাথার চুল সব ঝরে যায়, ঠিক তেমনই নেকি তার থেকে এই ভাবে ঝরে যায়, তবে যার বিরুদ্ধে গিবত করা হয়েছে তার কাছে যদি দোষ স্বীকার করে মাপ চায় আর ঐ ব্যক্তি যদি মাপ করে দেয় তাহলে মাপ হয়ে যাবে, এছারা গিবতের গুনাহ আল্লাহ পাকও মাপ করেন না, এইটা যার গিবত করা হয়েছে তারই হক্ব।।

রাসুলুল্লাহ (সঃ) গিবতকে জিনাহ থেকেও মারাত্নক কেনো বলেছেন? কারন হলো জিনাহ করে কেও যদি আল্লাহর কাছে তৌবা করে ( কোরআনে জিনাহর তৌবা যে ভাবে বলেছে সেভাবে যদি তৌবা করে) তো আল্লাহপাক মাপ করে দিবেন, তৌবার কারনে সে জান্নাতিও হয়ে গেলো, কিন্তু গিবত তো যার করেছে তার কাছেই মাপ চাইতে হবে, আল্লাহর কাছে মাপ চালেও কোনো কাজ হবে না, এখন সে যদি আমেরিকা থাকে তো মৃত্তুর আগে আমেরিকা গিয়ে হলেও তার কাছে মাপ চাইতে হবে, এই জন্যই হাদিসে বলা হয়েছে গিবত জিনাহ থেকেও মারাত্নক গুনাহ!!

গীবতের গুনাহ থেকেও তোহমতকে মারাত্মক গুনাহ এই জন্য বলা হয়েছে যে, হয়ত গিবতের পর তার কাছে কিছু আমল বাকি থাকার কারনে বা আল্লাহপাক রহম করে দয়াকরে জান্নাতে দিয়ে দিতে পারেন, কিন্ত আপনি যদি কারো গিবত না করে থাকেন তো আপার অঢেল নেকি থাকার পরও আপনি যার বিরুদ্ধে তোহমত দিয়েছেন হাসরের ময়দানে সেটা প্রমান করতে না পারলে আপনাকে উত্তাক্ত গরম রক্ত পুঁজের কুপে চুবিয়ে রাখা হবে, রক্ত পুঁজ তো এমনিতেই দুর্গন্ধ, তার উপর টগবগে গরম!! তো আপনার এতো হজ্ব রোজা নামাজ কিছুই কাজে আসতেছে না শুধু মাত্র তোহমত লাগানোর কারনে, এই জন্যই বলা হয়- তোহমত গিবত থেকরও মারাত্মক গুনাহ!!

আজকাল দেখা যায় কোনো ব্যক্তির সাথে আমার ধন্দ থাকার কারনে বা আমার সাথে মতানৈক্য না হওয়ার কারনে তার বিরুদ্ধে এমন সব কথা রটিয়ে দেই যা কোনো দিনই সেই ব্যক্তি করতে পারে না, অথবা বলেদেই যে, সে অমুক থেকে এত এত টাকা খাইছে, বা সে অমুক নিষিদ্ধ ব্যক্তি বা দেশের সাথে সম্পর্ক রাখে, ইত্যাদি ইত্যাদি, এগুলা যদি সত্য হয় তো গিবত হবে, আর যদি মিথ্যা হয় তো তোহমত হবে।

আর যদি ওজুহাত দেখিয়ে আল্লাহতালাকে বলি যে, আমি এইরকম শুনেছি, তো সেটার শাস্তি আরো ভয়াভহ হবে, কারন কোআনে আল্লাহপাক বলেছেন "আন্দাজে কথা বলার উপর লা'নত" আর হাদিসে আছে মানুষ মিথ্যাবাদি হওয়ার এইটুকুই যথেষ্ট যে, সে শুনা কথা যাছাই না করিয়াই তাহা প্রচার করে থাকে।

আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে গীবত, তোহমত থেকে বাঁচার তৌফিক দান করুন,

18/10/2023

শিক্ষার অহংকার

চাষার ছেলে বিদ্যা শিখে আসলো ফিরে গাঁয়
চোখের চশমা মাথায় দেওয়া ডিসকো জুতা পায়।

এমন ভাবে তার ভেতরে বিদ্যা গেছে ঢুকে
কথায় কথায় এখন শুধু ইংরেজি তার মুখে।

বিদ্যা শিখার এমন প্রভাব পড়ছে তাহার মাঝে
সবার সাথে মিশতে এখন পারে না আর লাজে।

সবার সাথে মিশতে গেলে মনে লাগে ভয়
চাষার সাথে চলবে বাবু তা কি করে হয়!

ঐ তো সেদিন বলল তারে তাহার বড় ভাই
ধান পেকেছে আয়রে ক্ষেতে ধান কাটিতে যাই।

বাবু বলে বলছ কি ভাই! ছি ছি, ছি ছি ,ছি
আমি ক্ষেতে কাজ করিলে বলবে লোকে কি!

এত পড়ে এখন যদি কাস্তে হাতে লই
তুমিই বল পড়াশোনার দাম থাকে আর কই!

ওই তো সেদিন বাবু সাহেব বাজার করতে গিয়ে
যন্ত্রণাতে পড়ল তাহার মর্যাদা মান নিয়ে।

মাঝ বাজারে এটা সেটা কিনছে যখন বাবু
দেখলো তারে ছোট্ট বেলার বন্ধু হেলাল-হাবু।

বহুদিন পর ছোট্ট বেলার সাথীর দেখা পেয়ে
হেলাল-হাবু বক্ষে চেপে ধরল তারে যেয়ে।

হেলাল-হাবু কেঁদে বলে কেমন আছিস ভাই
চল গিয়ে ঐ চা দোকানে একটু চা পান খাই।

চল গিয়ে ঐ কালো চাচার টং দোকানে বসি
ছোট্ট বেলার মত করি ঝগড়া হাসাহাসি।

বাবু বলে না রে দোস্ত তোরা দুজন যা
বুঝিস না কেন এসব এখন আমার সাজে না।

এখন যে দোস্ত কারি কারি বিদ্যা আমার ঘাড়ে
চাইলেও আমি যেথায় সেথায় বসতে পারি না রে।

10/09/2023
10/09/2023
04/06/2023

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) বলেছেন, ---
‘সমুদ্রের পানি দ্বারা ওজু করা উচিত নয়। কারণ সমুদ্র জাহান্নামের একটি স্তর।

সাঈদ ইবনু আবিল হাসান (রহিঃ)-এর বক্তব্যও ছিল অনুরূপ। তিনি বলতেন, ‘সমুদ্র হচ্ছে জাহান্নামের একটি স্তর।’

আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত
নবি কারীম (ﷺ) বলেছেন---
কেউ হাজ্জ, উমরাহ অথবা আল্লাহর পথে জিহাদের উদ্দেশ্য ছাড়া যেন সমুদ্রযাত্রা না করে। কারণ সমুদ্রের নিচে আগুন আছে এবং আগুনের নিচে আছে সমুদ্র।

আফসোস 😥😥আমরা ঘুরতে যায় সমুদ্রে আনন্দ উৎসব করতে ।

”[179]

মুআবিয়া ইবনু সাঈদ (রহিঃ) বলেছেন----
‘ভূমধ্যসাগর এবং মহাসাগরের নিম্নভাগে রয়েছে তামার তৈরি কূপের মতো ছোটো-বড়ো অনেক গর্ত। কিয়ামাতের দিন এগুলোকে উত্তপ্ত করা হবে।’

‘নবি কারীম (ﷺ) বলেছেন---
“নিশ্চয়ই জাহান্নাম দুনিয়াকে বেষ্টন করে আছে। আর এর পরেই জান্নাত অবস্থিত। এ কারণেই পুলসিরাত হচ্ছে জাহান্নামের ওপর দিয়ে জান্নাতে পৌঁছার একটি পথ।”

[181]

[179] আবূ দাঊদ, ২৪৮৯।
[180] Mediterranean Sea ইউরোপ ও আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যবর্তী একটি সাগর।
[181] আবূ নুআইম, তারীখু আসবাহান, ২/৫৪; গরীব মুনকার।

----------------------------------------------------------------------------------

ইমাম ইবনু রজব হাম্বালি রহ

Address

House-10, Road/23, Sector/07, Uttara
Dhaka -1230

Telephone

+8801712201372

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সমগ্র দুনিয়ায়-মাহফুজ তো একটাই posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সমগ্র দুনিয়ায়-মাহফুজ তো একটাই:

Share