তাকওয়া ম্যারেজ মিডিয়া

তাকওয়া ম্যারেজ মিডিয়া Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from তাকওয়া ম্যারেজ মিডিয়া, Media Agency, Dhaka Chandragati.

"তাকওয়া ম্যারেজ মিডিয়া "তে আপনাকে স্বাগতম। এটি বিবাহ যোগ্য পাত্র-পাত্রীর সন্ধান , জীবনসঙ্গী খুঁজে বের করা বৈবাহিক মিডিয়ার মত একটা মিডিয়া সংস্থা। বিধবা, বন্ধ্যা, ডিভোর্সি ও ছেলে-মেয়েদের বিবাহের মাধ্যমে যিনা- ব্যভিচারমুক্ত সমাজ তৈরি করাই আমাদের লক্ষ্য।

বহুবিবাহের বিষয়টি যদি আমরা চার মাযহাবের নির্ভরযোগ্য নস বা উদ্ধৃতিগুলোর আলোকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তবে একটি স্পষ্ট সত্য...
10/06/2026

বহুবিবাহের বিষয়টি যদি আমরা চার মাযহাবের নির্ভরযোগ্য নস বা উদ্ধৃতিগুলোর আলোকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তবে একটি স্পষ্ট সত্য উন্মোচিত হয়। যে সমস্ত সুনির্দিষ্ট কারণে একজন পুরুষের জন্য প্রথম বা একটি মাত্র বিয়ে করা ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত কিংবা সাওয়াবের কাজ হয়ে দাঁড়ায়; ঠিক একই কারণ ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে একাধিক বিয়ে করাও ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত ও সাওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হয়।

​অনুরূপভাবে, একজন স্ত্রীর ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যে ধরনের আর্থিক সক্ষমতা, শারীরিক সামর্থ্য এবং ইনসাফ বা কিছুক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখা অপরিহার্য ও শরিয়তসম্মত শর্ত; একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রেও ঠিক একই রকম সক্ষমতা ও ইনসাফ কায়েম করা সমানভাবে জরুরি।
মূলত চার মাযহাবের বিজ্ঞ ফকীহগণের মূল বক্তব্য বা নির্যাস এটাই।

আমরা যদি কোনো রকম পূর্বগ্রহ, একগুঁয়েমি বা প্রান্তিক চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এই বিষয়ে তাহকিক (গবেষণা) করি, তবে এই ভারসাম্যপূর্ণ সারাংশটিই আমাদের সামনে বেরিয়ে আসবে। তাই এই সংবেদনশীল বিষয়টি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সবারই অত্যন্ত ইনসাফপ্রিয় ও বস্তুনিষ্ঠ হওয়া জরুরি।

নিচের নসগুলোর প্রতি আমরা নজর বুলাতে পারি...

​১. হানাফী মাযহাব ​প্রথম নস: ​"وَالنِّكَاحُ فِي حَالِ الِاعْتِدَالِ سُنَّةٌ مُؤَكَّدَةٌ، وَكَذَا التَّعَدُّدُ عِنْدَ الْحَاجَةِ وَأَمْنِ الْجَوْرِ، لِأَنَّ فِيهِ تَحْصِينَ الدِّينِ، وَإِعْفَافَ النَّفْسِ، وَاقْتِدَاءً بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ الرَّضِيِّ عَنْهُمْ، فَكَانَ طَاعَةً وَثَوَابًا." [المصدر: بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع، للمؤلف: علاء الدين الكاساني الحنفي، كتاب النكاح، ج: ٢، ص: ٢٢٨، دار الكتب العلمية]
স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় বিবাহ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। একইভাবে, প্রয়োজন বা জরুরত দেখা দিলে এবং বেইনসাফি থেকে নিরাপদ থাকার আত্মবিশ্বাস থাকলে একাধিক বিয়ে করাও সুন্নাত।
কারণ এর মধ্যে দ্বীনের হেফাজত ও নিজের চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা পায়, এবং নবী কারীম (সা.) ও তাঁর সন্তুষ্টভাজন সাহাবীগণের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুকরণ (ইকতিদা) নিশ্চিত হয়। অতএব, এটি একটি ইবাদত এবং সাওয়াবের কাজ।

​দ্বিতীয় নস: ​"وَكَذَا التَّعَدُّدُ إلَى أَرْبَعٍ لِمَنْ احْتَاجَ إلَيْهِ لِعِفَّةٍ أَوْ نَحْوِهَا، وَقَدَرَ عَلَى النَّفَقَةِ وَالْعَدْلِ، لِأَنَّهُ سُنَّةُ الْأَنْبِيَاءِ وَالْمُرْسَلِينَ، وَسُنَّةُ نَبِيِّنَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: رد المحتار على الدر المختار (فتاوى شامي)، للمؤلف: ابن عابدين الشامي، كتاب النكاح، ج: ٣، ص: ٧، دار الفكر، بيروت]

অনুরূপভাবে, চারজন পর্যন্ত একাধিক বিয়ে করাও উত্তম—যার চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা বা এই জাতীয় অন্য কোনো কারণে এর প্রয়োজন রয়েছে এবং যে ভরণপোষণ দিতে ও ইনসাফ বজায় রাখতে পূর্ণ সক্ষম। কারণ এটি আম্বিয়া ও মুরসালীনগণের চিরন্তন সুন্নাত এবং আমাদের নবী (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের সুন্নাত।

​তৃতীয় নস: ​"وَالتَّعَدُّدُ عِنْدَ الْحَاجَةِ سُنَّةٌ مَأْثُورَةٌ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ، لَكِنْ بِشَرْطِ الْقُدْرَةِ عَلَى الْعَدْلِ، فَمَنْ قَدَرَ عَلَى ذَلِكَ وَنَوَى الِاسْتِعْفَافَ كَانَ لَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ." [المصدر: الهداية في شرح بداية المبتدي، للمؤلف: برهان الدين الميرغيناني الحنفي، كتاب النكاح، ج: ١، ص: ١٩١، المكتبة الإسلامية]
আর প্রয়োজন বা জরুরতের সময় একাধিক বিয়ে করা একটি ঐতিহ্যগত সুন্নাত, যা নবী কারীম (সা.) এবং তাঁর সাহাবীগণ থেকে (আমলের মাধ্যমে) বর্ণিত হয়েছে। তবে শর্ত হলো ইনসাফ বা সমতা বজায় রাখার সামর্থ্য থাকতে হবে। সুতরাং, যার এই সামর্থ্য রয়েছে এবং সে (নিজের ও অপর নারীর) পবিত্রতা রক্ষার নিয়ত করে, তার জন্য রয়েছে মহান প্রতিদান বা সাওয়াব।

​২. মালেকী মাযহাব ​প্রথম নস: ​"وَالتَّعَدُّدُ مَنْدُوبٌ لِمَنْ قَدَرَ عَلَيْهِ وَأَمِنَ الْجَوْرَ، لِأَنَّهُ مَظَنَّةُ تَكْثِيرِ الْأُمَّةِ الَّتِي بِهَا مُبَاهَاةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلِمَا فِيهِ مِنْ إعْفَافِ النَّفْسِ وَإِقَامَةِ السُّنَّةِ الْمَأْثُورَةِ عَنِ السَّلَفِ الصَّالِحِ مَعَ الِالْتِزَامِ بِالْقِسْطِ." [المصدر: الشرح الكبير، للمؤلف: الشيخ أحمد الدردير المالكي، باب أحكام العدل بين الأزواج، ج: ٢، ص: ٢١٥، دار الفكر]
যার সামর্থ্য রয়েছে এবং যে অন্যায়ের (বেইনসাফির) আশঙ্কা থেকে নিরাপদ, তার জন্য একাধিক বিয়ে করা পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব (মানদুব)। কারণ এটি উম্মতের সংখ্যা বৃদ্ধির শক্তিশালী মাধ্যম, যা নিয়ে নবীজী (সা.) কিয়ামতের দিন গর্ব করবেন। পাশাপাশি এর মাধ্যমে নিজের চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা পায় এবং পূর্ণ ইনসাফ বজায় রাখার সাথে সাথে সালাফে সালেহীনের আমলকৃত সুন্নাত প্রতিষ্ঠিত হয়।

​দ্বিতীয় নস: ​"الْأَصْلُ فِي النِّكَاحِ الْإِبَاحَةُ، وَقَدْ يَكُونُ مَنْدُوبًا إلَيْهِ كَمَا فِي حَقِّ مَنْ خَافَ الْعَنَتَ، وَكَذَلِكَ التَّعَدُّدُ لِمَنْ لَهُ سَعَةٌ وَحَاجَةٌ إحْيَاءً لِلسُّنَّةِ وَإِعْفَافًا لِلْمُسْلِمَاتِ." [المصدر: مواهب الجليل في شرح مختصر خليل، للمؤلف: شمس الدين الحطاب الرعيني المالكي، كتاب النكاح، ج: ٣، ص: ٤٠٥، دار الفكر]
বিবাহের মূল হুকুম হলো এটি বৈধ (মুবাহ)। তবে কোনো ব্যক্তি গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করলে তার জন্য এটি মুস্তাহাব বা পছন্দনীয় হয়ে যায়। ঠিক একইভাবে, যার আর্থিক সচ্ছলতা ও বাস্তব প্রয়োজন রয়েছে, তার জন্য সুন্নাতকে জিন্দা করার উদ্দেশ্যে এবং মুসলিম নারীদের চারিত্রিক পবিত্রতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একাধিক বিয়ে করাও মুস্তাহাব।

​তৃতীয় নস: ​"وَالْجَمْعُ بَيْنَ النِّسَاءِ إلَى أَرْبَعٍ مَنْدُوبٌ لِمَنْ قَوِيَتْ نَفْسُهُ عَلَى الْقِيَامِ بِحُقُوقِهِنَّ وَأَمِنَ الْمَيْلَ، لِمَا فِيهِ مِنْ اتِّبَاعِ فِعْلِ الرَّسُولِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: الفواكه الدواني على رسالة ابن أبي زيد القيرواني، للمؤلف: أحمد بن غنيم النفراوي المالكي، باب جامع في النكاح، ج: ٢، ص: ١١، دار الفكر]
যার মন-মানসিকতা ও শারীরিক-আর্থিক সামর্থ্য স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে দৃঢ় এবং যে কোনো এক পক্ষের দিকে অন্যায়ভাবে ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিরাপদ—তার জন্য চারজন পর্যন্ত নারী একত্রিত করা (একাধিক বিয়ে) মুস্তাহাব। কারণ এর মধ্যে সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের কর্মের অনুকরণ রয়েছে।

​৩. শাফেয়ী মাযহাব
​প্রথম নস: ​"فَإِنْ لَمْ يَحْصُلْ بِهَا الْإِعْفَافُ لِشِدَّةِ شَهْوَتِهِ، أَوْ كَانَتْ مَرِيضَةً أَوْ كَبِيرَةً، اسْتُحِبَّ التَّعَدُّدُ إلَى أَرْبَعٍ، لِمَا فِيهِ مِنْ إعْفَافِ النَّفْسِ وَقَضَاءِ الْحَاجَةِ، وَاقْتِدَاءً بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: مغني المحتاج إلى معرفة معاني ألفاظ المنهاج، للمؤلف: الخطيب الشربيني الشافعي، كتاب النكاح، ج: ٤، ص: ٢٠٧، دار الكتب العلمية] ​
তীব্র চাহিদার কারণে যদি এক স্ত্রী দ্বারা চারিত্রিক পবিত্রতা অর্জন না হয়, অথবা স্ত্রী অসুস্থ কিংবা অতি বৃদ্ধা হন, তবে চারজন পর্যন্ত একাধিক বিয়ে করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)। কারণ এর মধ্যে নিজের পবিত্রতা রক্ষা ও বাস্তব প্রয়োজন পূরণ হয়, এবং নবী কারীম (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের অনুকরণ ও অনুসরণ নিশ্চিত হয়।

​দ্বিতীয় নস: ​"وَيُسْتَحَبُّ التَّعَدُّدُ لِمَنْ لَمْ يَعِفَّ بِوَاحِدَةٍ وَاحْتَاجَ إلَى زِيَادَةٍ لِأَجْلِ التَّحْصِينِ، لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابَهُ جَمَعُوا بَيْنَ النِّسَاءِ تَقْدِيمًا لِمَصْلَحَةِ الْإِعْفَافِ." [المصدر: تحفة المحتاج في شرح المنهاج، للمؤلف: ابن حجر الهيتمي الشافعي، كتاب النكاح، ج: ٧، ص: ١٨٨، المكتبة التجارية الكبرى] ​ যে ব্যক্তি এক স্ত্রীর মাধ্যমে নিজের দৃষ্টি ও চরিত্র সংযত রাখতে পারে না এবং সুরক্ষার জন্য তার অতিরিক্ত স্ত্রীর প্রয়োজন বোধ হয়, তার জন্য একাধিক বিয়ে করা মুস্তাহাব। কারণ নবী কারীম (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরাম চারিত্রিক পবিত্রতা ও আত্মরক্ষার কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েই একাধিক নারী বিয়ে করেছিলেন।

​তৃতীয় নস: ​"إذَا كَانَتْ هُنَاكَ حَاجَةٌ دَاعِيَةٌ إلَى التَّعَدُّدِ كَعَدَمِ عِفَّتِهِ بِالْوَاحِدَةِ أَوْ مَرَضِهَا، فَالتَّعَدُّدُ أَفْضَلُ، لِأَنَّ فِيهِ مَصْلَحَةَ الْإِعْفَافِ وَتَكْثِيرَ النَّسْلِ وَهُوَ سُنَّةُ السَّلَفِ." [المصدر: الحاوي الكبير في فقه مذهب الإمام الشافعي، للمؤلف: أبو الحسن الماوردي الشافعي، كتاب النكاح، ج: ٩، ص: ٤١، دار الكتب العلمية] ​
যখন একাধিক বিয়ের পেছনে কোনো সংগত কারণ বা ডাক থাকে—যেমন এক স্ত্রীতে পবিত্রতা অর্জন না হওয়া অথবা স্ত্রীর দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা—তখন এক স্ত্রীর ওপর সীমাবদ্ধ থাকার চেয়ে একাধিক বিয়ে করা উত্তম (আফদাল)। কারণ এতে আত্মসংযম ও বংশবৃদ্ধির কল্যাণ রয়েছে এবং এটিই পূর্বসূরী সালাফদের সুন্নাত বা অনুসৃত পথ।

​৪. হাম্বলী মাযহাব ​প্রথম নস: ​"وَقَالَ بَعْضُهُمْ: التَّعَدُّدُ أَفْضَلُ لِمَنْ لَهُ قُدْرَةٌ عَلَيْهِ وَأَمِنَ الْجَوْرَ، لِأَنَّ فِيهِ تَكْثِيرَ النَّسْلِ، وَتَقْلِيلَ السَّفَاهَةِ، وَاقْتِدَاءً بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: المغني، للمؤلف: موفق الدين ابن قدامة المقدسي الحنبلي، كتاب النكاح، ج: ٧، ص: ٦، مكتبة القاهرة]
আমাদের আলেমদের কেউ কেউ বলেছেন: যার সামর্থ্য রয়েছে এবং যে বেইনসাফির ভয় থেকে নিরাপদ, তার জন্য একাধিক বিয়ে করাই উত্তম। কেননা এর মধ্যে বংশবৃদ্ধি ঘটে, সমাজ থেকে পাপাচার ও ব্যভিচার হ্রাস পায় এবং নবী কারীম (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের আদর্শের যথাযথ অনুকরণ সাধিত হয়।

​দ্বিতীয় নস: ​"وَيُبَاحُ التَّعَدُّدُ إلَى أَرْبَعٍ، بَلْ يُسْتَحَبُّ عِنْدَ الْحَاجَةِ لِمَنْ قَدَرَ عَلَى النَّفَقَةِ وَالْعَدْلِ، لِأَنَّهُ سُنَّةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَخُلَفَائِهِ الرَّاشِدِينَ الَّذِينَ جَمَعُوا بَيْنَ النِّسَاءِ." [المصدر: كشاف القناع عن متن الإقناع، للمؤلف: منصور بن يونس البهوتي الحنبلي، كتاب النكاح، ج: ٥، ص: ٩، دار الكتب العلمية] ​চারজন পর্যন্ত একাধিক বিয়ে করা মূলগতভাবে জায়েজ; বরং প্রয়োজন বা জরুরতের সময় সেই ব্যক্তির জন্য এটি মুস্তাহাব—যে ভরণপোষণ দিতে এবং পূর্ণ ইনসাফ কায়েম করতে সক্ষম। কারণ এটি স্বয়ং নবী কারীম (সা.) এবং তাঁর খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত, যাঁরা প্রত্যেকেই একাধিক বিয়ে করেছিলেন।

​তৃতীয় নস: ​"وَالتَّعَدُّدُ أَفْضَلُ مَعَ الْحَاجَةِ وَالْأَمْنِ مِنَ الْجَوْرِ، لِأَنَّهُ الذِي كَانَ عَلَيْهِ عَمَلُ الصَّحَابَةِ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ، وَفِيهِ إعْفَافٌ لِلْمَرْأَةِ الثَّانِيَةِ وَتَحْصِينٌ لِلْمُجْتَمَعِ." [المصدر: الفروع، للمؤلف: شمس الدين ابن مفلح الحنبلي، كتاب النكاح، باب نكاح الفتيات والتعدد، ج: ٨، ص: ٢١٤، مؤسسة الرسالة]
প্রয়োজন থাকা এবং বেইনসাফি থেকে নিরাপদ থাকার অবস্থায় একাধিক বিয়ে করাই উত্তম। কারণ সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর আমল বা কর্মপন্থা এই নীতির ওপরেই পরিচালিত ছিল। এছাড়া এর মধ্যে দ্বিতীয় স্ত্রীর চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা এবং সামগ্রিকভাবে সমাজকে পাপাচার থেকে সুরক্ষিত রাখার বড় ধরণের কল্যাণ রয়েছে।"

❤️‎‎ইশ! বিয়ের নিয়মটা যদি এমন হতো।‎‎ছেলে থাকবে স্টুডেন্ট, মেয়েও থাকবে স্টুডেন্ট। ছেলের বয়স ১৮ আর মেয়ের বয়স ১৬ হওয়ার সাথে ...
01/06/2026

❤️‎‎
ইশ! বিয়ের নিয়মটা যদি এমন হতো।
‎
‎ছেলে থাকবে স্টুডেন্ট, মেয়েও থাকবে স্টুডেন্ট। ছেলের বয়স ১৮ আর মেয়ের বয়স ১৬ হওয়ার সাথে সাথেই তাদের বিয়ে দিবে।
‎
‎বিবাহর আগে তারা যেভাবে থাকতো এখনো সেভাবে থাকবে। ছেলে ছেলের বাসাই থাকবে, মেয়ে মেয়ের বাসাই থাকবে।
‎
‎আগে যেভাবে মেয়ের খরচ তার বাবা দিতো, এখনো ঠিক তেমন দিবে।
‎
‎সম্ভব হলে ছেলে অথবা ছেলের পরিবার দিবে। মধ্যখান দিয়ে হবে একটি হালাল সম্পর্ক তৈরি হবে। দুজন প্রেম করবে বাট কোনো প্রকার পাপ হবে না। হবে শুধু সোয়াব। পূর্ণ হবে অর্ধেক দ্বীন।
‎
‎দুজন মিলে দ্বীনের পথে চলা সহজ হবে। চোখের যিনা থেকে বাচা যাবে। ইসলামের বিধি নিষেধ গুলু মেনে চলা সহজ হবে। হালাল ভাবে সব কিছু গড়ে উঠবে।
‎
‎তারপর ছেলে যখন তার ক্যারিয়ার উন্নত করতে পারবে চাকরি-বাকরি, অথবা ব্যাবসা করে নিজে চলা এবং স্ত্রীকে চালানোর মতো সামার্থ হবে, তখন তার বাসাই তার বউকে নিয়ে আসবে।
‎
‎এতে করে বাঁচবে সমাজ, হবেনা কোনো যিনা, হবেনা কোনো পাপাচার। এটা সকল পিতা মাতার বুঝা উচিত। ❤️

 #ফসখে নিকাহ (বিবাহ বাতিল হওয়া) মানে হলো—তালাক ছাড়াই শরীয়ত বা আদালতের মাধ্যমে বিবাহ সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া। ফসখে নিকাহ মানে ...
22/04/2026

#
ফসখে নিকাহ (বিবাহ বাতিল হওয়া) মানে হলো—তালাক ছাড়াই শরীয়ত বা আদালতের মাধ্যমে বিবাহ সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া। ফসখে নিকাহ মানে যেন কোনো বিবাহই হয়নি।

অর্থাৎ শরীয়ত অনুমোদিত বিভিন্ন কারণে কাযী/শরয়ী কোর্ট বা মুসলিম বিচারকের মাধ্যমে তালাক ছাড়াই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার বিবাহ ভেঙে দেয়াকে ফসখে নিকাহ বলে।

হানাফি ফিকহে বিভিন্ন কারণে ফাসখ হতে পারে। প্রধান কারণগুলো সংক্ষেপে নিচে দেওয়া হলো—

১) ধর্মত্যাগ (ইরতিদাদ)
২) দোষ বা গুরুতর শারীরিক সমস্যা যেমন: সহবাসে অক্ষমতা, গুরুতর যৌন রোগ,
মানসিক অসুস্থতা।
৩) স্বামীর অনুপস্থিতি বা দীর্ঘদিন নিখোঁজ থাকা
৪) ভরণপোষণ না দেওয়া (নাফাকা)
৫) প্রতারণা বা শর্ত ভঙ্গ
৬) স্বামী বা স্ত্রীর ধর্মীয় অযোগ্যতা। যেমন—বিবাহ শুদ্ধ হওয়ার শর্ত না থাকা (ইজাব-কবুল, সাক্ষী ইত্যাদির ঘাটতি)।
৭) পারস্পরিক বিরোধে শরয়ী আদালতের সিদ্ধান্ত

🔷 ফসখে নিকাহকে তালাকের সংখ্যার মধ্যে গণনা করা হবে না।

الفقه الإسلامى و أدلته: (3153/4، ط: دار الفكر)
وأما الفسخ: فهو نقض العقد من أصله، أو منع استمراره، ولا يحتسب من عدد الطلاق، ويكون غالبا في العقد الفاسد أو غير اللازم.

স্বামী যিনা-ব্যভিচার সহ বিভিন্ন গোনাহে লিপ্ত থাকা স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার ফসখে নিকাহ (বিবাহ ভঙ্গ) এর কোনো কারণ নয়।

🔶 স্বামী মুরতাদ এবং তার মুসলমান স্ত্রীর মধ্যকার তালাক হবে না। বরং ফসখে নিকাহ বা বিবাহ ভঙ্গ হবে।

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেউ ইসলাম ত্যাগ (মুরতাদ) করলে, হানাফি ফিকহ অনুযায়ী এর বিধান বিভিন্ন কিতাবে এভাবে এসেছে—
مأخَذُ الفَتوی
في الدر المختار: (وارتداد أحدهما) أي الزوجين (فسخ) فلا ينقص عددا (عاجل) بلا قضاء (فللموطوءة) ولو حكما (كل مهرها) لتأكده به (ولغيرها نصفه) لو مسمى، أو المتعة (لو) (ارتد) وعليه نفقة العدة (ولا شيء من المهر والنفقة سوى السكنى) (به يفتى) اھـ (۳/۱۹۴)۔

যদি স্বামী-স্ত্রীর কেউ মুরতাদ হয়, তাহলে তাদের বিবাহ ফাসখ (বাতিল) হয়ে যায়; এটি তালাক হিসেবে গণ্য হয় না এবং তালাকের সংখ্যা কমায় না। এই বিচ্ছেদ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়, এতে কাজীর (বিচারকের) রায়ের প্রয়োজন নেই।
যদি সহবাস হয়ে থাকে, তাহলে স্ত্রী পূর্ণ মহর পাবে, সহবাস না হলে অর্ধেক মহর বা ‘মুতআ’ পাবে, যদি স্বামী মুরতাদ হয়, তবে তার উপর ইদ্দতের খরচ (নাফাকা) ওয়াজিব হবে, তবে মহর ও নাফাকা ছাড়া কেবল বাসস্থানের অধিকার থাকবে। এই মতের উপরই ফতোয়া প্রদান করা হয়।
📚 (আদ-দুররুল মুখতার-৩/১৯৪)

এর ব্যাখ্যায় ফাতাওয়ায়ে শামীতে এসেছে
وفي الفتاوی الشامية: (قولہ:بلا قضاء)ٲي بلا توقف علی قضاء القاضي، وکذا بلا توقف علی مضي مدۃ في المدخول بھا کما في البحر اھ (۳/۱۹۴)۔
“বিচারকের রায় ছাড়া” অর্থ হলো—
এটি কাজীর সিদ্ধান্তের উপর নির্ভরশীল নয়, বরং স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হয়। এমনকি সহবাস হয়ে থাকলেও, কোনো নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার অপেক্ষা নেই; বরং সাথে সাথেই বিচ্ছেদ সংঘটিত হবে।
📚 (ফাতাওয়ায়ে শামী (রদ্দুল মুহতার)-৩/১৯৪)

আর ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়াতে বলা হয়েছে

وفي الفتاوی الھندية: ارتد أحد الزوجين عن الإسلام وقعت الفرقة بغير طلاق في الحال قبل الدخول وبعده، ثم إن كان الزوج هو المرتد فلها كل المهر إن دخل بها ونصفه إن لم يدخل بها اھـ (۱/۳۳۹)۔
স্বামী-স্ত্রীর কেউ ইসলাম ত্যাগ করলে, তালাক ছাড়াই তাৎক্ষণিকভাবে বিচ্ছেদ ঘটে, তা সহবাসের আগে হোক বা পরে। যদি স্বামী মুরতাদ হয়- সহবাস হয়ে থাকলে স্ত্রী পূর্ণ মহর পাবে, সহবাস না হলে অর্ধেক মহর পাবে।
📚 (ফাতাওয়ায়ে হিন্দিয়া-১/৩৩৯)

এছাড়া আল-বাহরুর রায়িক শরহু কানযুদ দাকায়িক-এ উল্লেখ আছে:

وفي البحر الرائق شرح کنز الدقائق: وإن أخبرت المرأة أن زوجها قد ارتد لها أن تتزوج بآخر بعد انقضاء العدة في رواية الاستحسان وفي رواية السير ليس لها أن تتزوج قال شمس الأئمة السرخسي: الأصح رواية الاستحسان (ٳلی قوله) قال في جامع الفصولين وتعتد بثلاث حيض لو حرة ممن تحيض وبثلاثة أشهر لو آيسة، أو صغيرة وبوضع الحمل لو حاملا اھـ (۳/۲۱۵) واللہ أعلم بالصواب!

যদি স্ত্রী জানায় যে তার স্বামী মুরতাদ হয়েছে, তাহলে ‘ইস্তিহসান’ মত অনুযায়ী সে ইদ্দত শেষ হওয়ার পর অন্যত্র বিয়ে করতে পারবে। যদিও অন্য একটি বর্ণনায় এর বিপরীত মতও আছে, তবে ইমাম আস-সারাখসী এর মতে, ইস্তিহসানের মতটাই অধিক সহীহ।
এখানে ইদ্দতের সময়কালও নির্ধারণ করা হয়েছে—
হায়েজ হয় এমন স্বাধীন নারীর ইদ্দত: ৩ হায়েজ
যাদের হায়েজ হয় না (বৃদ্ধা বা অপ্রাপ্তবয়স্ক): ৩ মাস
গর্ভবতী হলে: সন্তান প্রসব পর্যন্ত
📚 (আল-বাহরুর রায়িক শরহু কানযুদ দাকায়িক-৩/২১৫)

وارتداد أحدهما فسخ فى الحال، وهذا قول أبى حنيفة وأبى يوسف، وقال محمد: إن كانت الردة من المرأة، فكذالك، وإن كانت من الزوج فهى فرقة بطلاق (تبيين الحقائق-2\622، مجمع الأنهر، بيروت، دار الكتب العلمية-1\546، رد المحتار-4\366)

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কেউ একজন মুরতাদ (ইসলাম ত্যাগকারী) হলে, সাথে সাথে তাদের বিবাহ ফাসখ (বাতিল) হয়ে যায়—এটি ইমাম আবু হানিফা ও ইমাম আবু ইউসুফ (রহ.)-এর মত।
আর ইমাম মুহাম্মদ (রহ.) বলেন—
যদি স্ত্রী মুরতাদ হয়, তাহলে একইভাবে (ফাসখ হয়ে) বিচ্ছেদ হবে
আর যদি স্বামী মুরতাদ হয়, তাহলে তা তালাকের মাধ্যমে বিচ্ছেদ হিসেবে গণ্য হবে।
📚 (তাবয়ীনুল হাকায়েক-২/৬২২; মাজমাউল আনহুর-১/৫৪৬; রদ্দুল মুহতার-৪/৩৬৬)

🔷 স্বামী মুরতাদ হওয়ার পর স্ত্রীর অন্যত্র বিয়ের জন্য ইদ্দত পালন করতে হবে। ইদ্দত পূর্ণ হওয়া ছাড়া অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া বৈধ হবে না। ইদ্দতের সময়সীমা হল, ঋতুমতি মহিলার জন্য পূর্ণ তিন ঋতুস্রাব আর অন্তঃসত্ত্বা হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়া পর্যন্ত।
📚 (কিতাবুল হুজ্জাহ আলা আহলিল মাদীনা-২/৩০৫; আলমাবসূত, সারাখসী-৫/৪৯; ফাতাওয়া বায্যাযিয়া-৬/৩২১; ফাতহুল কাদীর-৩/২৯৮; আদ্দুররুল মুখতার-৩/১৯৩)

Address

Dhaka Chandragati

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:30
Tuesday 09:00 - 23:30
Wednesday 09:00 - 23:30
Thursday 09:00 - 23:30
Friday 09:00 - 23:30
Saturday 09:00 - 23:30
Sunday 09:00 - 23:30

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when তাকওয়া ম্যারেজ মিডিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category