10/06/2026
বহুবিবাহের বিষয়টি যদি আমরা চার মাযহাবের নির্ভরযোগ্য নস বা উদ্ধৃতিগুলোর আলোকে গভীরভাবে বিশ্লেষণ করি, তবে একটি স্পষ্ট সত্য উন্মোচিত হয়। যে সমস্ত সুনির্দিষ্ট কারণে একজন পুরুষের জন্য প্রথম বা একটি মাত্র বিয়ে করা ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত কিংবা সাওয়াবের কাজ হয়ে দাঁড়ায়; ঠিক একই কারণ ও পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে একাধিক বিয়ে করাও ফরজ, ওয়াজিব, সুন্নাত ও সাওয়াবের কাজ হিসেবে গণ্য হয়।
অনুরূপভাবে, একজন স্ত্রীর ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনে যে ধরনের আর্থিক সক্ষমতা, শারীরিক সামর্থ্য এবং ইনসাফ বা কিছুক্ষেত্রে সমতা বজায় রাখা অপরিহার্য ও শরিয়তসম্মত শর্ত; একাধিক বিয়ের ক্ষেত্রেও ঠিক একই রকম সক্ষমতা ও ইনসাফ কায়েম করা সমানভাবে জরুরি।
মূলত চার মাযহাবের বিজ্ঞ ফকীহগণের মূল বক্তব্য বা নির্যাস এটাই।
আমরা যদি কোনো রকম পূর্বগ্রহ, একগুঁয়েমি বা প্রান্তিক চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে এই বিষয়ে তাহকিক (গবেষণা) করি, তবে এই ভারসাম্যপূর্ণ সারাংশটিই আমাদের সামনে বেরিয়ে আসবে। তাই এই সংবেদনশীল বিষয়টি মূল্যায়নের ক্ষেত্রে আমাদের সবারই অত্যন্ত ইনসাফপ্রিয় ও বস্তুনিষ্ঠ হওয়া জরুরি।
নিচের নসগুলোর প্রতি আমরা নজর বুলাতে পারি...
১. হানাফী মাযহাব প্রথম নস: "وَالنِّكَاحُ فِي حَالِ الِاعْتِدَالِ سُنَّةٌ مُؤَكَّدَةٌ، وَكَذَا التَّعَدُّدُ عِنْدَ الْحَاجَةِ وَأَمْنِ الْجَوْرِ، لِأَنَّ فِيهِ تَحْصِينَ الدِّينِ، وَإِعْفَافَ النَّفْسِ، وَاقْتِدَاءً بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ الرَّضِيِّ عَنْهُمْ، فَكَانَ طَاعَةً وَثَوَابًا." [المصدر: بدائع الصنائع في ترتيب الشرائع، للمؤلف: علاء الدين الكاساني الحنفي، كتاب النكاح، ج: ٢، ص: ٢٢٨، دار الكتب العلمية]
স্বাভাবিক ও ভারসাম্যপূর্ণ অবস্থায় বিবাহ করা সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। একইভাবে, প্রয়োজন বা জরুরত দেখা দিলে এবং বেইনসাফি থেকে নিরাপদ থাকার আত্মবিশ্বাস থাকলে একাধিক বিয়ে করাও সুন্নাত।
কারণ এর মধ্যে দ্বীনের হেফাজত ও নিজের চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা পায়, এবং নবী কারীম (সা.) ও তাঁর সন্তুষ্টভাজন সাহাবীগণের পুঙ্খানুপুঙ্খ অনুকরণ (ইকতিদা) নিশ্চিত হয়। অতএব, এটি একটি ইবাদত এবং সাওয়াবের কাজ।
দ্বিতীয় নস: "وَكَذَا التَّعَدُّدُ إلَى أَرْبَعٍ لِمَنْ احْتَاجَ إلَيْهِ لِعِفَّةٍ أَوْ نَحْوِهَا، وَقَدَرَ عَلَى النَّفَقَةِ وَالْعَدْلِ، لِأَنَّهُ سُنَّةُ الْأَنْبِيَاءِ وَالْمُرْسَلِينَ، وَسُنَّةُ نَبِيِّنَا صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: رد المحتار على الدر المختار (فتاوى شامي)، للمؤلف: ابن عابدين الشامي، كتاب النكاح، ج: ٣، ص: ٧، دار الفكر، بيروت]
অনুরূপভাবে, চারজন পর্যন্ত একাধিক বিয়ে করাও উত্তম—যার চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা বা এই জাতীয় অন্য কোনো কারণে এর প্রয়োজন রয়েছে এবং যে ভরণপোষণ দিতে ও ইনসাফ বজায় রাখতে পূর্ণ সক্ষম। কারণ এটি আম্বিয়া ও মুরসালীনগণের চিরন্তন সুন্নাত এবং আমাদের নবী (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের সুন্নাত।
তৃতীয় নস: "وَالتَّعَدُّدُ عِنْدَ الْحَاجَةِ سُنَّةٌ مَأْثُورَةٌ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ، لَكِنْ بِشَرْطِ الْقُدْرَةِ عَلَى الْعَدْلِ، فَمَنْ قَدَرَ عَلَى ذَلِكَ وَنَوَى الِاسْتِعْفَافَ كَانَ لَهُ أَجْرٌ عَظِيمٌ." [المصدر: الهداية في شرح بداية المبتدي، للمؤلف: برهان الدين الميرغيناني الحنفي، كتاب النكاح، ج: ١، ص: ١٩١، المكتبة الإسلامية]
আর প্রয়োজন বা জরুরতের সময় একাধিক বিয়ে করা একটি ঐতিহ্যগত সুন্নাত, যা নবী কারীম (সা.) এবং তাঁর সাহাবীগণ থেকে (আমলের মাধ্যমে) বর্ণিত হয়েছে। তবে শর্ত হলো ইনসাফ বা সমতা বজায় রাখার সামর্থ্য থাকতে হবে। সুতরাং, যার এই সামর্থ্য রয়েছে এবং সে (নিজের ও অপর নারীর) পবিত্রতা রক্ষার নিয়ত করে, তার জন্য রয়েছে মহান প্রতিদান বা সাওয়াব।
২. মালেকী মাযহাব প্রথম নস: "وَالتَّعَدُّدُ مَنْدُوبٌ لِمَنْ قَدَرَ عَلَيْهِ وَأَمِنَ الْجَوْرَ، لِأَنَّهُ مَظَنَّةُ تَكْثِيرِ الْأُمَّةِ الَّتِي بِهَا مُبَاهَاةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَلِمَا فِيهِ مِنْ إعْفَافِ النَّفْسِ وَإِقَامَةِ السُّنَّةِ الْمَأْثُورَةِ عَنِ السَّلَفِ الصَّالِحِ مَعَ الِالْتِزَامِ بِالْقِسْطِ." [المصدر: الشرح الكبير، للمؤلف: الشيخ أحمد الدردير المالكي، باب أحكام العدل بين الأزواج، ج: ٢، ص: ٢١٥، دار الفكر]
যার সামর্থ্য রয়েছে এবং যে অন্যায়ের (বেইনসাফির) আশঙ্কা থেকে নিরাপদ, তার জন্য একাধিক বিয়ে করা পছন্দনীয় বা মুস্তাহাব (মানদুব)। কারণ এটি উম্মতের সংখ্যা বৃদ্ধির শক্তিশালী মাধ্যম, যা নিয়ে নবীজী (সা.) কিয়ামতের দিন গর্ব করবেন। পাশাপাশি এর মাধ্যমে নিজের চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা পায় এবং পূর্ণ ইনসাফ বজায় রাখার সাথে সাথে সালাফে সালেহীনের আমলকৃত সুন্নাত প্রতিষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় নস: "الْأَصْلُ فِي النِّكَاحِ الْإِبَاحَةُ، وَقَدْ يَكُونُ مَنْدُوبًا إلَيْهِ كَمَا فِي حَقِّ مَنْ خَافَ الْعَنَتَ، وَكَذَلِكَ التَّعَدُّدُ لِمَنْ لَهُ سَعَةٌ وَحَاجَةٌ إحْيَاءً لِلسُّنَّةِ وَإِعْفَافًا لِلْمُسْلِمَاتِ." [المصدر: مواهب الجليل في شرح مختصر خليل، للمؤلف: شمس الدين الحطاب الرعيني المالكي، كتاب النكاح، ج: ٣، ص: ٤٠٥، دار الفكر]
বিবাহের মূল হুকুম হলো এটি বৈধ (মুবাহ)। তবে কোনো ব্যক্তি গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা করলে তার জন্য এটি মুস্তাহাব বা পছন্দনীয় হয়ে যায়। ঠিক একইভাবে, যার আর্থিক সচ্ছলতা ও বাস্তব প্রয়োজন রয়েছে, তার জন্য সুন্নাতকে জিন্দা করার উদ্দেশ্যে এবং মুসলিম নারীদের চারিত্রিক পবিত্রতা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য একাধিক বিয়ে করাও মুস্তাহাব।
তৃতীয় নস: "وَالْجَمْعُ بَيْنَ النِّسَاءِ إلَى أَرْبَعٍ مَنْدُوبٌ لِمَنْ قَوِيَتْ نَفْسُهُ عَلَى الْقِيَامِ بِحُقُوقِهِنَّ وَأَمِنَ الْمَيْلَ، لِمَا فِيهِ مِنْ اتِّبَاعِ فِعْلِ الرَّسُولِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: الفواكه الدواني على رسالة ابن أبي زيد القيرواني، للمؤلف: أحمد بن غنيم النفراوي المالكي، باب جامع في النكاح، ج: ٢، ص: ١١، دار الفكر]
যার মন-মানসিকতা ও শারীরিক-আর্থিক সামর্থ্য স্ত্রীদের অধিকার আদায়ের ব্যাপারে দৃঢ় এবং যে কোনো এক পক্ষের দিকে অন্যায়ভাবে ঝুঁকে পড়ার আশঙ্কা থেকে নিরাপদ—তার জন্য চারজন পর্যন্ত নারী একত্রিত করা (একাধিক বিয়ে) মুস্তাহাব। কারণ এর মধ্যে সরাসরি রাসূলুল্লাহ (সা.) ও সাহাবায়ে কেরামের কর্মের অনুকরণ রয়েছে।
৩. শাফেয়ী মাযহাব
প্রথম নস: "فَإِنْ لَمْ يَحْصُلْ بِهَا الْإِعْفَافُ لِشِدَّةِ شَهْوَتِهِ، أَوْ كَانَتْ مَرِيضَةً أَوْ كَبِيرَةً، اسْتُحِبَّ التَّعَدُّدُ إلَى أَرْبَعٍ، لِمَا فِيهِ مِنْ إعْفَافِ النَّفْسِ وَقَضَاءِ الْحَاجَةِ، وَاقْتِدَاءً بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: مغني المحتاج إلى معرفة معاني ألفاظ المنهاج، للمؤلف: الخطيب الشربيني الشافعي، كتاب النكاح، ج: ٤، ص: ٢٠٧، دار الكتب العلمية]
তীব্র চাহিদার কারণে যদি এক স্ত্রী দ্বারা চারিত্রিক পবিত্রতা অর্জন না হয়, অথবা স্ত্রী অসুস্থ কিংবা অতি বৃদ্ধা হন, তবে চারজন পর্যন্ত একাধিক বিয়ে করা মুস্তাহাব (পছন্দনীয়)। কারণ এর মধ্যে নিজের পবিত্রতা রক্ষা ও বাস্তব প্রয়োজন পূরণ হয়, এবং নবী কারীম (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের অনুকরণ ও অনুসরণ নিশ্চিত হয়।
দ্বিতীয় নস: "وَيُسْتَحَبُّ التَّعَدُّدُ لِمَنْ لَمْ يَعِفَّ بِوَاحِدَةٍ وَاحْتَاجَ إلَى زِيَادَةٍ لِأَجْلِ التَّحْصِينِ، لِأَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابَهُ جَمَعُوا بَيْنَ النِّسَاءِ تَقْدِيمًا لِمَصْلَحَةِ الْإِعْفَافِ." [المصدر: تحفة المحتاج في شرح المنهاج، للمؤلف: ابن حجر الهيتمي الشافعي، كتاب النكاح، ج: ٧، ص: ١٨٨، المكتبة التجارية الكبرى] যে ব্যক্তি এক স্ত্রীর মাধ্যমে নিজের দৃষ্টি ও চরিত্র সংযত রাখতে পারে না এবং সুরক্ষার জন্য তার অতিরিক্ত স্ত্রীর প্রয়োজন বোধ হয়, তার জন্য একাধিক বিয়ে করা মুস্তাহাব। কারণ নবী কারীম (সা.) এবং সাহাবায়ে কেরাম চারিত্রিক পবিত্রতা ও আত্মরক্ষার কল্যাণকে প্রাধান্য দিয়েই একাধিক নারী বিয়ে করেছিলেন।
তৃতীয় নস: "إذَا كَانَتْ هُنَاكَ حَاجَةٌ دَاعِيَةٌ إلَى التَّعَدُّدِ كَعَدَمِ عِفَّتِهِ بِالْوَاحِدَةِ أَوْ مَرَضِهَا، فَالتَّعَدُّدُ أَفْضَلُ، لِأَنَّ فِيهِ مَصْلَحَةَ الْإِعْفَافِ وَتَكْثِيرَ النَّسْلِ وَهُوَ سُنَّةُ السَّلَفِ." [المصدر: الحاوي الكبير في فقه مذهب الإمام الشافعي، للمؤلف: أبو الحسن الماوردي الشافعي، كتاب النكاح، ج: ٩، ص: ٤١، دار الكتب العلمية]
যখন একাধিক বিয়ের পেছনে কোনো সংগত কারণ বা ডাক থাকে—যেমন এক স্ত্রীতে পবিত্রতা অর্জন না হওয়া অথবা স্ত্রীর দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা—তখন এক স্ত্রীর ওপর সীমাবদ্ধ থাকার চেয়ে একাধিক বিয়ে করা উত্তম (আফদাল)। কারণ এতে আত্মসংযম ও বংশবৃদ্ধির কল্যাণ রয়েছে এবং এটিই পূর্বসূরী সালাফদের সুন্নাত বা অনুসৃত পথ।
৪. হাম্বলী মাযহাব প্রথম নস: "وَقَالَ بَعْضُهُمْ: التَّعَدُّدُ أَفْضَلُ لِمَنْ لَهُ قُدْرَةٌ عَلَيْهِ وَأَمِنَ الْجَوْرَ، لِأَنَّ فِيهِ تَكْثِيرَ النَّسْلِ، وَتَقْلِيلَ السَّفَاهَةِ، وَاقْتِدَاءً بِالنَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَصْحَابِهِ." [المصدر: المغني، للمؤلف: موفق الدين ابن قدامة المقدسي الحنبلي، كتاب النكاح، ج: ٧، ص: ٦، مكتبة القاهرة]
আমাদের আলেমদের কেউ কেউ বলেছেন: যার সামর্থ্য রয়েছে এবং যে বেইনসাফির ভয় থেকে নিরাপদ, তার জন্য একাধিক বিয়ে করাই উত্তম। কেননা এর মধ্যে বংশবৃদ্ধি ঘটে, সমাজ থেকে পাপাচার ও ব্যভিচার হ্রাস পায় এবং নবী কারীম (সা.) ও তাঁর সাহাবীগণের আদর্শের যথাযথ অনুকরণ সাধিত হয়।
দ্বিতীয় নস: "وَيُبَاحُ التَّعَدُّدُ إلَى أَرْبَعٍ، بَلْ يُسْتَحَبُّ عِنْدَ الْحَاجَةِ لِمَنْ قَدَرَ عَلَى النَّفَقَةِ وَالْعَدْلِ، لِأَنَّهُ سُنَّةُ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَخُلَفَائِهِ الرَّاشِدِينَ الَّذِينَ جَمَعُوا بَيْنَ النِّسَاءِ." [المصدر: كشاف القناع عن متن الإقناع، للمؤلف: منصور بن يونس البهوتي الحنبلي، كتاب النكاح، ج: ٥، ص: ٩، دار الكتب العلمية] চারজন পর্যন্ত একাধিক বিয়ে করা মূলগতভাবে জায়েজ; বরং প্রয়োজন বা জরুরতের সময় সেই ব্যক্তির জন্য এটি মুস্তাহাব—যে ভরণপোষণ দিতে এবং পূর্ণ ইনসাফ কায়েম করতে সক্ষম। কারণ এটি স্বয়ং নবী কারীম (সা.) এবং তাঁর খোলাফায়ে রাশেদীনের সুন্নাত, যাঁরা প্রত্যেকেই একাধিক বিয়ে করেছিলেন।
তৃতীয় নস: "وَالتَّعَدُّدُ أَفْضَلُ مَعَ الْحَاجَةِ وَالْأَمْنِ مِنَ الْجَوْرِ، لِأَنَّهُ الذِي كَانَ عَلَيْهِ عَمَلُ الصَّحَابَةِ رِضْوَانُ اللَّهِ عَلَيْهِمْ، وَفِيهِ إعْفَافٌ لِلْمَرْأَةِ الثَّانِيَةِ وَتَحْصِينٌ لِلْمُجْتَمَعِ." [المصدر: الفروع، للمؤلف: شمس الدين ابن مفلح الحنبلي، كتاب النكاح، باب نكاح الفتيات والتعدد، ج: ٨، ص: ٢١٤، مؤسسة الرسالة]
প্রয়োজন থাকা এবং বেইনসাফি থেকে নিরাপদ থাকার অবস্থায় একাধিক বিয়ে করাই উত্তম। কারণ সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-এর আমল বা কর্মপন্থা এই নীতির ওপরেই পরিচালিত ছিল। এছাড়া এর মধ্যে দ্বিতীয় স্ত্রীর চারিত্রিক পবিত্রতা রক্ষা এবং সামগ্রিকভাবে সমাজকে পাপাচার থেকে সুরক্ষিত রাখার বড় ধরণের কল্যাণ রয়েছে।"