26/06/2024
✓ বন্ধুকে আমি যা দিলাম- ট্রানজিট, সমুদ্রবন্দর, বিমানবন্দর, তিস্তা প্রকল্প, আন্তঃসংযোগ রাস্তা, ট্রেনসহ আরও হাজার হাজার সুবিধা!
✓বিনিময়ে বন্ধু আমাকে যা দিলো- সীমান্ত হত্যা, ফারাক্কা বাঁধ, টিপাইমুখ বাঁধ, বর্ষা মৌসুমে পানি, শুষ্ক মৌসুমে খরা, অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ সহ হাজার হাজার সমস্যা।
কলিজার বন্ধু আমার ☺️🤝ব্রিটিশরা যখন ভারতবর্ষে প্রথম ব্যবসা করতে আসলো তার কিছুদিন পর স্থায়ী জায়গা চাইলো। আওরঙ্গজেব তখন পিটায়-পাটায় ব্রিটিশদের ভারত ছাড়া করলো।
তারও বহু বছর পর তারা আবার আসলো ওয়াইন আর ধাতু নিয়ে। সুবেদারদের ঢেলে ঢেলে ওয়াইন খাওয়ালো। দুটো জাহাজ ভেড়ানোর অনুমতি পেলো।
তার কিছুদিন পর জাহাজ রাখার ঘাট চাইলো, তারপর মালামাল রাখার ওয়্যারহাউজ। তারপর একদিন ওয়্যারহাউজে চুরি হলো, ওয়্যারহাউজে বাউন্ডারি দিলো। ব্যবসা বাড়লো।
তারপর ওয়্যারহাউজ চালাতে ব্রিটিশ অফিসার আসলো, তাদের থাকার বাংলো হলো। বাংলোর নিরাপত্তায় পাহাড়াদার এলো। উঁচু প্রাচীর হলো। সৈন্য এলো। দুর্গ হলো। এরপর মুঘলদের পতন হলো ব্রিটিশদের হাতে।
২০০ বছরের গোলামীর রাস্তা শুরু হয়েছিলো দুটো জাহাজ ভেড়ানোর ঘাট দিয়ে।
ভারত রেল ট্রানজিট নিবে, তারপর রেলে দামি পন্য বহন করবে, কিছু উচ্ছৃঙ্খল বাঙালি (!) রেলে হামলা করবে। নিরাপত্তায় সৈন্য আসবে, ঘাটি হবে। ব্যবসা বাড়বে। দুর্গ হবে।
তারপর আমরা পাসপোর্ট ছাড়া বোম্বে, গুজরাট, কাশ্মীর ঘুরতে পারবো!রাসেল ভাইপার গত ৪-৫ বছরেও ছিল, এর বিষের তীব্রতা আমাদের দেশীয় গোখরা সাপের থেকেও কম। এগুলি ছিল, যেটা ছিলোনা সেটা হচ্ছে একটা রেলপথ। রাসেল ভাইপারের প্যাঁচে প্যাঁচে ওইটাও আপনার আমার পিছনে হয়ে গেলো।
এখন কেডা যে আসল ভাইপার, বোঝাবেন সময় আসুক।
Copy Post