Atiq Rahman

Atiq Rahman General Manager & Head of Sales
TVS Auto Bangladesh

13/06/2026

ব‍্যবসায় সফল হতে হলে মানতে হবে
———————————————————
ব্যবসা একটি পরিকল্পিত ও ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, যেখানে সফলতা অর্জনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও গুণাবলী অনুসরণ করা প্রয়োজন। শুধুমাত্র পুঁজি থাকলেই ব্যবসায় সফল হওয়া যায় না; বরং সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি, পরিকল্পনা, দক্ষতা এবং মানসিকতার সমন্বয়ই একজন উদ্যোক্তাকে সফল করে তোলে। নিচে ব্যবসার সাফল্যের জন্য বিশেষ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক আলোচনা করা হলো।

* পরিষ্কার লক্ষ্য নির্ধারণ (Clear Vision & Goals): ব্যবসা শুরু করার আগে আপনার লক্ষ্য পরিষ্কার হতে হবে—আপনি কী অর্জন করতে চান এবং কোথায় পৌঁছাতে চান। লক্ষ্য পরিষ্কার থাকলে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়।

* সঠিক পরিকল্পনা তৈরি (Proper Business Plan): একটি ভালো পরিকল্পনা ব্যবসার ভিত্তি। এতে লক্ষ্য, বাজেট, কৌশল এবং ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত থাকে।

* বাজার ও গ্রাহক বিশ্লেষণ (Market Research): আপনার পণ্য বা সেবা কার জন্য এবং তাদের চাহিদা কী—এসব জানা খুব জরুরি। এতে ব্যবসা পরিচালনা আরও কার্যকর হয়।

* মানসম্মত পণ্য বা সেবা প্রদান (Quality Product/Service): ভালো মানের পণ্য বা সেবা গ্রাহকের সন্তুষ্টি বাড়ায় এবং তারা বারবার ফিরে আসে।

* গ্রাহকের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা (Customer Satisfaction): গ্রাহকের সন্তুষ্টি ব্যবসার মূল শক্তি। ভালো ব্যবহার ও সেবা দিলে তারা অন্যদের কাছেও আপনার ব্যবসা সুপারিশ করবে।

* দক্ষ ব্যবস্থাপনা ও নেতৃত্ব (Effective Management): কর্মী, সময় ও কাজ—সবকিছু দক্ষভাবে পরিচালনা করতে পারা ব্যবসার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

* সুশৃঙ্খল আর্থিক ব্যবস্থাপনা (Financial Control): আয়-ব্যয়ের সঠিক হিসাব রাখা এবং বাজেট মেনে চলা ব্যবসাকে স্থিতিশীল রাখে।

* কার্যকর মার্কেটিং কৌশল (Smart Marketing Strategy): ভালো পণ্য থাকলেও সঠিক প্রচার না হলে বিক্রি হবে না। তাই কার্যকর মার্কেটিং অপরিহার্য।

* নতুনত্ব ও উদ্ভাবনের চর্চা (Innovation): সময় অনুযায়ী নতুন ধারণা ও উন্নয়ন ব্যবসাকে প্রতিযোগিতায় এগিয়ে রাখে।

* হিসাব করে ঝুঁকি নেওয়া (Calculated Risk-taking): ব্যবসায় ঝুঁকি থাকবেই, তবে চিন্তাভাবনা করে ঝুঁকি নিলে বড় সাফল্য অর্জন সম্ভব।

* ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখা (Patience & Consistency): দ্রুত ফল না পেলে হতাশ না হয়ে নিয়মিত কাজ চালিয়ে যেতে হয়।

* সঠিক টিম ও কর্মী নির্বাচন (Strong Team): দক্ষ ও বিশ্বস্ত টিম ব্যবসার অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করে।

* প্রতিযোগী বিশ্লেষণ করা (Competitor Analysis): প্রতিযোগীদের কার্যক্রম বুঝে নিজের কৌশল উন্নত করা যায়।

* প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার (Use of Technology): আধুনিক প্রযুক্তি কাজকে সহজ, দ্রুত এবং কম খরচে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে।

* পরিবর্তনের সাথে খাপ খাওয়ানো (Adaptability): বাজারের পরিবর্তনের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

* সময়ের কাজ সময়ে সম্পন্ন করা (Time Management & Discipline): সময়মতো কাজ সম্পন্ন করলে বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ে এবং ব্যবসার গতি বজায় থাকে।

* দায়বদ্ধতা বজায় রাখা (Responsibility/Commitment): প্রতিশ্রুতি রক্ষা করা এবং দায়িত্ব পালন করা ব্যবসায় আস্থা তৈরি করে।

* সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা (Decision Making / Judgement): ভালো-মন্দ বিচার করে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া ব্যবসার সাফল্যের অন্যতম চাবিকাঠি।

উপরের বিষয়গুলো অনুসরণ করলে একটি ব্যবসা সুসংগঠিত ও টেকসইভাবে গড়ে তোলা সম্ভব। সফল ব্যবসা গড়ে তুলতে হলে শুধু একটি বা দুটি গুণ নয়, বরং এই সবগুলো দিকের সমন্বয় প্রয়োজন। পরিকল্পনা, পরিশ্রম, দায়িত্ববোধ এবং সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের মাধ্যমে যেকোনো ব্যবসায় সফলতা অর্জন করা সম্ভব।

11/06/2026

সত্য যদি আঘাত হয়ে আসে, তবে তা আর আলোর পথ দেখায় না
—————————————————————————————-
মানুষের জীবনে সত্যের গুরুত্ব অপরিসীম। সত্যই মানুষের বিবেককে জাগ্রত করে, সম্পর্ককে স্বচ্ছ রাখে এবং সমাজকে সুস্থ পথে এগিয়ে নিয়ে যায়। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা অনেক সময় ভুলে যাই—সত্য বলার ধরনও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সত্য যদি এমনভাবে বলা হয়, যা অন্যের হৃদয়ে আঘাত হানে, তাহলে সেই সত্য তার আসল উদ্দেশ্য হারিয়ে ফেলে।

প্রতিটি মানুষেরই অনুভূতি আছে। আমরা সবাই চাই আমাদের ভুলগুলো কেউ দেখিয়ে দিক, কিন্তু সেই দেখানোর ভঙ্গিটা যেন সম্মানজনক হয়। কেউ যদি রূঢ় ভাষায় বলে, “তুমি কিছুই পারো না”, তাহলে সেই কথার মধ্যে সত্য থাকলেও তা গ্রহণ করা কঠিন হয়ে যায়। অন্যদিকে, যদি বলা হয়, “এই জায়গাটায় তুমি আরও ভালো করতে পারো”, তাহলে একই সত্য মানুষ সহজে গ্রহণ করতে পারে এবং নিজেকে উন্নত করার প্রেরণা পায়।

সত্য বলার সময় মানবিকতা বজায় রাখা মানে সত্যকে আড়াল করা নয়; বরং সত্যকে এমনভাবে উপস্থাপন করা, যাতে তা মানুষকে ভেঙে না দেয়, বরং গড়ে তোলে। একটি সুন্দর ভাষা, সঠিক সময় এবং সহানুভূতিশীল মনোভাব—এই তিনটি বিষয় সত্যকে আরও শক্তিশালী করে তোলে।

আমরা যদি সত্য বলার নামে কাউকে ছোট করি, অপমান করি বা তার আত্মসম্মানে আঘাত করি, তাহলে আমরা
আসলে সত্যের মর্যাদা নষ্ট করি। কারণ সত্যের কাজ মানুষকে পথ দেখানো, তাকে ধ্বংস করা নয়। তাই আমাদের উচিত সত্য বলার আগে একবার ভাবা—আমার কথাটি কি
মানুষটিকে সাহায্য করবে, নাকি তাকে কষ্ট দেবে?

অতএব, সত্য বলা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু তার সঙ্গে মানবিকতা যোগ করা আরও বেশি প্রয়োজন। কারণ যে সত্য মানুষকে বুঝতে সাহায্য করে, সেটিই প্রকৃত সত্য—আর যে সত্য মানুষকে ভেঙে দেয়, তা শুধু শব্দের কঠোরতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

03/06/2026

মেধা পথ দেখায়, সিস্টেম সেই পথকে সমৃদ্ধিতে রূপ দেয়
—————————————————————————-
সমাজ ও অর্থনীতির অগ্রগতির আলোচনা করতে গেলে আমরা প্রায়ই একটি প্রচলিত ধারণার মুখোমুখি হই—অর্থই নাকি সবকিছুর মূল চালিকা শক্তি। কিন্তু গভীরভাবে বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অর্থ কখনোই সূচনা নয়; বরং এটি একটি ফলাফল। প্রকৃত উন্নয়নের শুরু হয় মেধা থেকে, আর সেই মেধাকে বাস্তব সাফল্যে রূপ দেয় একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ভিত্তিক সিস্টেম।

মেধা মানুষের চিন্তাশক্তিকে প্রসারিত করে, নতুন ধারণার জন্ম দেয় এবং সমস্যার সৃজনশীল সমাধান খুঁজে বের করতে সহায়তা করে। একটি মেধাভিত্তিক সমাজে ব্যক্তি তার যোগ্যতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পায়। এর ফলে উদ্ভাবন (innovation), দক্ষতা এবং উৎপাদনশীলতা বাড়ে—যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির ভিত্তি তৈরি করে।

তবে শুধুমাত্র মেধা থাকলেই সফলতা নিশ্চিত হয় না। যদি সেই মেধাকে কাজে লাগানোর জন্য কার্যকর কোনো সিস্টেম না থাকে, তাহলে তা একসময় থেমে যায় বা অন্যত্র সরে যায়। একটি দুর্বল বা পক্ষপাতদুষ্ট সিস্টেমে মেধার সঠিক মূল্যায়ন হয় না; বরং সেখানে প্রাধান্য পায় পরিচয়, প্রভাব বা অর্থ। এর ফলে মেধাবীরা হতাশ হয়, উদ্ভাবনের গতি কমে যায় এবং সমাজ ধীরে ধীরে স্থবির হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক সিস্টেম মেধাকে যথাযথভাবে বিকশিত ও ব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে। এটি নিশ্চিত করে যে যোগ্য ব্যক্তি সঠিক স্থানে পৌঁছাতে পারে এবং তার দক্ষতা সমাজ ও অর্থনীতির কল্যাণে কাজে লাগে। যখন মেধা ও সিস্টেম একসাথে কার্যকরভাবে কাজ করে, তখনই টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়।

অতএব, একটি সত্যিকারের সমৃদ্ধ সমাজ গড়ে তুলতে হলে আমাদের দৃষ্টি কেবল অর্থের দিকে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। বরং প্রয়োজন মেধার বিকাশ এবং একটি ন্যায়সঙ্গত, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক সিস্টেম প্রতিষ্ঠা করা। কারণ শেষ পর্যন্ত—মেধা পথ দেখায়, আর সিস্টেম সেই পথকে সমৃদ্ধিতে রূপ দেয়।

29/05/2026

The Polished Opportunist – মুখে নীতি, ভেতরে নিজের স্বার্থ
——————————————————————————

সমাজে, রাষ্ট্রে বা প্রতিষ্ঠানে কিছু ব্যক্তি আছেন, যারা নিজেদেরকে নীতিবান, value-driven এবং fair leader হিসেবে উপস্থাপন করেন।তাদের ভাষায় থাকে integrity, accountability, ethics—সবই textbook-perfect।
কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।এই ধরনের নেতৃত্বে একটি অদ্ভুত pattern দেখা যায়—নিজেদের সিদ্ধান্তকে বলা হয় “strategic”,আর অন্যের সিদ্ধান্ত হয়ে যায় “mistake”।নিজেদের সুবিধা—“organizational priority”,অন্যের প্রয়োজন—“lack of alignment”।

নীতির কথা তারা বলেন ঠিকই,কিন্তু সেই নীতি সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হয় না।বরং প্রয়োগ হয় পরিস্থিতি এবং স্বার্থ অনুযায়ী।

সবচেয়ে শক্তিশালী দিক হলো—তারা কখনো নিজেদেরকে ভুল জায়গায় দাঁড় করান না।সবসময় তারা “right side”-এ,আর বাকিরা “under evaluation”এ।

এই polished opportunism খুব সূক্ষ্ম —এটা চোখে পড়ে না সহজে, কিন্তু impact তৈরি করে গভীরে।

ফলাফল? ধীরে ধীরে সবাই বুঝে যায়—সঠিক হওয়া জরুরি না,কর্তা ব‍্যক্তিকে সন্তুষ্ট রাখাই নিরাপদ।এটাই সমাজের সবচেয়ে নীরব কিন্তু বিপজ্জনক পরিবর্তন।

23/05/2026

সুবিধাভোগী দুনিয়ায় তেলের তেলেসমাতি
—————————————————————
আজকের বাস্তবতায় আমরা এমন এক পৃথিবীতে বাস করছি, যেখানে অনেক সময় যোগ্যতার চেয়ে “তেলের জোর” বেশি কাজ করে। এখানে দক্ষতা নয়, কথার মাধুর্য; পরিশ্রম নয়, তোষামোদ—অনেক ক্ষেত্রেই এগুলোই হয়ে ওঠে এগিয়ে যাওয়ার শর্টকাট।

এই “তেলের তেলেসমাতি” আসলে এক ধরনের সূক্ষ্ম খেলা। বাইরে থেকে এটা ভদ্রতা, সম্মান বা loyalty মনে হতে পারে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে এটা সত্যকে আড়াল করে, ভুলকে ঢেকে রাখে, আর সঠিক মানুষকে পিছিয়ে দেয়।

যারা তোষামোদে পারদর্শী, তারা খুব ভালো করেই জানে
কখন কী বলতে হবে, কাকে খুশি রাখতে হবে, আর কোন সত্যটা চেপে যেতে হবে। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা অনেক সময় বাস্তবতা না দেখে “শুনতে ভালো লাগে” এমন কথার উপর নির্ভর করেন।

এর সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয় দুইভাবে—
প্রথমত, যোগ্য মানুষ ধীরে ধীরে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়ে। তারা বুঝতে পারে, এখানে দক্ষতার চেয়ে “কাকে খুশি রাখা যায়” সেটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
দ্বিতীয়ত, সমাজ, রাষ্ট্র বা প্রতিষ্ঠান নিজের অজান্তেই ভুল পথে হাঁটা শুরু করে। কারণ, সত্যিকারের feedback আর পৌঁছায় না।

এই সুবিধাভোগী দুনিয়ায় সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হলো—এখানে তোষামোদ শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো সিস্টেমকে দুর্বল করে দেয়।একসময় এমন অবস্থা তৈরি হয়, যেখানে সবাই জানে কী হচ্ছে, কিন্তু কেউ আর সত্য বলার সাহস করে না।

তবুও আশা আছে।কারণ ইতিহাস বলে, টেকসই সাফল্য কখনো তোষামোদের উপর দাঁড়িয়ে থাকে না। শেষ পর্যন্ত টিকে থাকে সততা, যোগ্যতা এবং স্পষ্ট কথা বলার সাহস।

শেষ কথা:“তেলের তেলেসমাতি সাময়িক সুবিধা দিতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এটি উন্নতির পথ বন্ধ করে দেয়।”

সেরা আইডিয়ার কোনো সীমানা নেই————————————————Swiss engineer ও inventor George de Mestral একদিন হাঁটতে গিয়ে দেখলেন গাছের ব...
09/05/2026

সেরা আইডিয়ার কোনো সীমানা নেই
————————————————
Swiss engineer ও inventor George de Mestral একদিন হাঁটতে গিয়ে দেখলেন গাছের বীজ তার কাপড়ে আটকে আছে—সেখান থেকেই জন্ম নেয় Velcro।Velcro হলো এক ধরনের বিশেষ ফাস্টেনার (বন্ধ করার ব্যবস্থা), যেটা দুইটা অংশ দিয়ে কাজ করে—এক পাশে ছোট ছোট hook (কাঁটার মতো) আর অন্য পাশে loop (নরম ফাইবার) থাকে।দুইটা একসাথে চাপলে লেগে যায়, টান দিলে খুলে যায়।যা সাধারণত বাচ্চাদের জুতা, ব্যাগ, ক‍্যাপ ইত্যাদিতে ব‍্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়

American scientist Spencer Silver এমন এক ধরনের আঠা তৈরি করেছিলেন যা ঠিকমতো আটকে থাকত না—পরে সেটাই হয়ে ওঠে Post-it Notes-এর আইডিয়া। Post-it Notes হলো ছোট ছোট sticky paper (হালকা আঠাযুক্ত কাগজ),যেগুলো দেয়াল, বই ,ছোট নোট লেখা বা ডেস্কে লাগানো যায়—আবার সহজেই খুলেও ফেলা যায়, কোনো দাগ ছাড়া।

আবার Isaac Newton গাছ থেকে আপেল পড়তে দেখে ভাবতে শুরু করেছিলেন—সেখান থেকেই আসে মাধ্যাকর্ষণের ধারণা।

এ কথাগুলো একারনেই বললাম কারন আমরা অনেক সময় মনে করি, ভালো আইডিয়া পেতে হলে দরকার নির্দিষ্ট পরিবেশ—নীরব ঘর, সাজানো টেবিল, বা দীর্ঘ পরিকল্পনা। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। জীবনের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সৃজনশীল চিন্তাগুলো অনেক সময় জন্ম নেয় এমন জায়গায়, যা আমরা কল্পনাও করতে পারি না।

হয়তো ব্যস্ত রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে, কিংবা হঠাৎ কোনো সাধারণ কথোপকথনের মাঝেই মনের ভেতর নতুন কিছু ভাবনার ঝলক আসে। কখনো ক্লান্তির মুহূর্তে, কখনো আনন্দের সময়—চিন্তার স্ফুলিঙ্গ ঠিকই জ্বলে ওঠে। কারণ, আমাদের মস্তিষ্ক সবসময় কাজ করে, শুধু আমরা সবসময় তাকে খেয়াল করি না।

আইডিয়া আসার জন্য নির্দিষ্ট কোনো সময় বা স্থান নেই। বরং, খোলা মন আর সচেতন দৃষ্টিভঙ্গিই নতুন চিন্তার সবচেয়ে বড় উৎস। আপনি যদি প্রতিটি অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেখার চেষ্টা করেন, তাহলে জীবনের প্রতিটি মুহূর্তই হয়ে উঠতে পারে সম্ভাবনার দরজা।

তাই আইডিয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না—নিজেকে প্রস্তুত রাখুন। কারণ, সেরা আইডিয়াটি হয়তো আপনার কাছে আসবে একদম অপ্রত্যাশিত কোনো মুহূর্তে,একদম অচেনা কোনো জায়গায়।

https://www.facebook.com/share/14cQtzrY9Qq/?mibextid=wwXIfr

A place for sharing and discussing real-life sales experiences, ideas, and strategies.

Channel টি subscribe করে next VDO দেখুন-
04/05/2026

Channel টি subscribe করে next VDO দেখুন-

IQ এবং EQ( Emotional Intelligence)একে অপরের বিকল্প নয় বরং পরিপূরক!!

01/05/2026

যেখানে ন্যায় নেই, সেখানে মৎস্যন্যায়ই শক্তিশালী
————————————————————
সমাজে ন্যায়বিচারই হলো শৃঙ্খলার মূল ভিত্তি। যেখানে ন্যায় থাকে, সেখানে মানুষ নিরাপদ বোধ করে, দুর্বলও তার অধিকার পায়। কিন্তু যখন এই ন্যায় হারিয়ে যায়, তখনই শুরু হয় “মৎস্যন্যায়”—যেখানে বড় শক্তি ছোটকে গ্রাস করে, আর শক্তিই হয়ে ওঠে একমাত্র সত্য।

মানুষের সমাজে আইন ও নৈতিকতা না থাকলে স্বাভাবিকভাবেই শক্তিশালী ব্যক্তি বা গোষ্ঠী নিজেদের ক্ষমতা ব্যবহার করে দুর্বলদের উপর আধিপত্য বিস্তার করে। তখন ন্যায়-অন্যায়ের পার্থক্য মুছে যায়, এবং ব্যক্তিগত স্বার্থই হয়ে ওঠে প্রধান চালিকা শক্তি। এই অবস্থায় সমাজে ভীতি, অবিচার এবং অস্থিরতা বৃদ্ধি পায়।

আজকের বিশ্বেও এর প্রতিফলন স্পষ্ট। ব্যবসায় বড় প্রতিষ্ঠান ছোটদের দমন করে, রাজনীতিতে ক্ষমতাবানরা নিজেদের সুবিধামতো নিয়ম ব্যবহার করে, আর দৈনন্দিন জীবনে অনেক সময় শক্তিশালী মানুষ দুর্বলকে অবহেলা করে। ফলে ন্যায়বিচার না থাকলে সমাজ ধীরে ধীরে ভারসাম্য হারায়।

তাই একটি সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজন ন্যায়, সততা এবং দায়িত্বশীলতা। কারণ ন্যায়বিচারই পারে শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে এবং দুর্বলকে রক্ষা করতে। ন্যায় যেখানে প্রতিষ্ঠিত, সেখানে মৎস্যন্যায়ের কোনো স্থান নেই।

29/04/2026

Think Twice, Act Once
——————————————-
আমরা অনেক সময় আবেগের বশে এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেই, যেটার প্রভাব আমাদের অনেক দূর পর্যন্ত গিয়ে পড়ে—কখনো ভালো, কখনো খারাপ।

একটা কথা মনে রাখুন—দ্রুত সিদ্ধান্ত সবসময় সঠিক সিদ্ধান্ত না।রাগের মুহূর্তে বলা একটি কথা,না ভেবে করা একটি ইনভেস্টমেন্ট,বা তাড়াহুড়ো করে নেওয়া একটি সিদ্ধান্ত—এসবই পরে আমাদের আফসোসের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

জীবনের অনেক কিছুই “undo” করা যায় না।তাই কাজ করার আগে একটু থামুন, ভাবুন, বিশ্লেষণ করুন।Think Twice, Act Once.

কারণ—একটা সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে এগিয়ে দেয়,
আর একটা ভুল সিদ্ধান্ত আপনাকে অনেক পিছিয়ে দিতে পারে।

19th Dhaka Motor Show on 25th April at ICCB,Dhaka
27/04/2026

19th Dhaka Motor Show on 25th April at ICCB,Dhaka

Address

Dhaka

Telephone

+8801919194251

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Atiq Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Atiq Rahman:

Share