17/01/2025
🖤🇧🇩🇧🇩🇧🇩উপজাতি
👉উপজাতির সংখ্যা—৫০
👉উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে-- ৮টি
👉মুসলমান উপজাতি- পাঙন ও লাউয়া
👉মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি- গারো, খাসিয়া
👉পিতৃতান্ত্রিক উপজাতি- মারমা ও হাজং,সাঁওতাল
👉উপজাতিদের জন্য সরকারি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান- ৩টি
👉উপজাতীয় সাংস্কৃতিক একাডেমি- বিরিশিরি, নেত্রকোণা (প্রথম প্রতিষ্ঠিত; ১৯৭৭ সালে)
👉ট্রাইবাল কালচারাল ইন্সটিটিউট- রাঙামাটি
👉 ট্রাইবাল কালচার একাডেমি- দিনাজপুর
👉 পার্বত্য চট্টগ্রামের উপজাতিদের বর্ষবরণকে সামগ্রিকভাবে বলা হয়- বৈসাবি
👉ত্রিপুরাদের কাছে বর্ষবরণ--বৈসু
👉 মারমাদের কাছে বর্ষবরণ--সাংগ্রাইং
👉চাকমাদের কাছে বর্ষবরণ—বিঝু নামে পরিচিত ।
👉 একমাত্র খেতাবপ্রাপ্ত আদিবাসী/উপজাতি মুক্তিযোদ্ধা- ইউ কে চিং (বীর বিক্রম)
👉 ইউ কে চিং ছিলেন—মারমা উপজাতি ।
👉শান্তিবাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা- মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
👉শান্তিবাহিনীর বর্তমান চেয়ারম্যান- জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারাম (সন্তু লারমা)
👉জনসংখ্যায় সবচেয়ে বেশি – চাকমা ।
👉 ‘চাকমা’ শব্দের অর্থ—মানুষ ।
👉চাকমা --চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান (চট্টগ্রামের খাবার)
👉 চাকমা বিদ্রোহের নায়ক- জুম্মা খান (কার্পাস বিদ্রোহ) (১৭৭৬-৮৭)
👉চাকমাদের কাছে বর্ষবরণ—বিঝু নামে পরিচিত ।
👉 জনসংখ্যায় দ্বিতীয়- সাঁওতাল
👉 সাঁওতাল বাস করে--রাজশাহী, রংপুর, বগুড়া ও দিনাজপুর
👉 সাঁওতাল বিদ্রোহের নায়ক- ২ ভাই কানু আর সিদু (১৮৫৫-৫৬)
👉সবচেয়ে বেশি উপজাতি বাস করে--পার্বত্য চট্টগ্রামে ।
👉পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতি বাস করে- ১১টি
👉 পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাচীনতম অধিবাসী- মুরং বা ম্রো
👉রাখাইনরা এসেছে- মায়ানমার থেকে
👉 ত্রিপুরা বা টিপরা বাস করে--খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি (খাবার)
👉লুসাই--খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙামাটি (খাবার)
👉মগ--খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি, বান্দরবান ও পটুয়াখালী (মগরা খাবার পটু)
👉মারমা--বান্দরবান, কক্সবাজার ও পটুয়াখালী (মারমা বান্দর কক্স পটু)
👉 রাখাইন -- কক্সবাজার ও পটুয়াখালী (রাখাইন কক্স পটু)
👉 রাখাইনরা বেশি বাস করে--পটুয়াখালীতে ।
👉খুমী--বান্দরবানের লামা, রুমা ও থানচি থানায়
👉পাংখো—বান্দরবান
👉মুরং/ম্রো—বান্দরবান
👉বনজোগী--বান্দরবানের গহীন অরণ্যে
👉চক--বান্দরবানের লামা থানায়
👉তঞ্চংগা—রাঙামাটি
👉কুকি—রাঙামাটি
👉 খ্যাং--রাঙামাটির কাপ্তাই ও রাজস্থালী