বৃহত্তর কুমিল্লা প্রবাসী কল্যাণ হেল্প

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhaka
  • বৃহত্তর কুমিল্লা প্রবাসী কল্যাণ হেল্প

বৃহত্তর কুমিল্লা প্রবাসী কল্যাণ হেল্প Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from বৃহত্তর কুমিল্লা প্রবাসী কল্যাণ হেল্প, Social Media Agency, United States of America, Dhaka.

19/01/2026

নিউ ইয়র্কের টাইমস স্কোয়ার (Times Square) শুধু একটি জায়গা নয়—এটা নিউ ইয়র্ক শহরের প্রতীক।



১) টাইমস স্কোয়ারের গুরুত্ব কী?

টাইমস স্কোয়ারকে বলা হয় “The Crossroads of the World”। এর গুরুত্ব কয়েকটি দিক থেকে—
• 🌆 বিশ্বখ্যাত প্রতীক: উজ্জ্বল ডিজিটাল বিলবোর্ড, আলো আর মানুষের কোলাহলের জন্য এটি সারা বিশ্বে পরিচিত।
• 🎭 বিনোদনের কেন্দ্র: ব্রডওয়ে থিয়েটারগুলো এখানেই—বিশ্বমানের নাটক ও মিউজিক্যালের প্রাণকেন্দ্র।
• 🗞️ সংবাদ ও ইতিহাস: নিউ ইয়র্ক টাইমস পত্রিকার কারণে জায়গাটির নামকরণ হয়েছিল।
• 🎉 নিউ ইয়ার্স ইভ বল ড্রপ: প্রতি বছর ৩১ ডিসেম্বর রাতের ঐতিহাসিক “Ball Drop” এখানেই হয়, যা কোটি মানুষ সরাসরি বা টিভিতে দেখে।
• 💰 পর্যটন ও অর্থনীতি: নিউ ইয়র্কের সবচেয়ে ব্যস্ত ও লাভজনক পর্যটন এলাকা।



২) নিউ ইয়র্কে ঘুরতে এসে টাইমস স্কোয়ারে না গেলে কেমন হয়?

সংক্ষেপে বললে—
👉 নিউ ইয়র্কের স্বাদটা পুরোটা পাওয়া যায় না।
• আপনি শহরটা দেখবেন, কিন্তু তার হৃদস্পন্দনটা মিস করবেন
• বিশেষ করে রাতে টাইমস স্কোয়ার না দেখলে নিউ ইয়র্কের আলো-ঝলমল রূপ অদেখাই থেকে যায়
• যদিও ভিড়, শব্দ ও বাণিজ্যিকতা অনেকের কাছে বিরক্তিকর লাগতে পারে, তবু একবার না গেলে আফসোস হয়



৩) টাইমস স্কোয়ার কত সালে উত্পত্তি হয়েছিল?
• 🗓️ ১৯০৪ সাল
এই বছর এলাকাটির নাম বদলে Times Square রাখা হয়।



৪) কেন টাইমস স্কোয়ার তৈরি/নামকরণ হয়েছিল?

এর পেছনে মূল কারণ—
• 🏢 New York Times পত্রিকা
১৯০৪ সালে নিউ ইয়র্ক টাইমস তাদের নতুন সদর দপ্তর তৈরি করে তখনকার Longacre Square এলাকায়
• পত্রিকার প্রভাবেই শহর কর্তৃপক্ষ এলাকাটির নাম বদলে রাখে Times Square
• এরপর সাবওয়ে স্টেশন, থিয়েটার, বিজ্ঞাপন ও ব্যবসা দ্রুত বাড়তে থাকে



সংক্ষেপে

টাইমস স্কোয়ার হলো—

ইতিহাস + আলো + বিনোদন + নিউ ইয়র্কের আত্মা

নিউ ইয়র্ক ভ্রমণে এটি না দেখা মানে
আইফেল টাওয়ার না দেখে প্যারিস ফেরার মতো।

14/11/2025
13/11/2025

ব্রিটিশ শাসনের সময় এক ব্রিটিশ অফিসার এক ভারতীয় যুবকের মুখে থাপ্পড় দেন। সাথে সাথে যুবকটিও তাঁর সমস্ত শক্তি দিয়ে বৃটিশ অফিসারকে এতো জোরে থাপ্পড় মারে অফিসার মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

এই অপমানে হতবাক হয়ে যাওয়া অফিসার ভাবলেন সামান্য এক ভারতীয় যুবক কীভাবে এমন এক সাম্রাজ্যের সেনা অফিসারকে থাপ্পড় মারল যে সাম্রাজ্যের সূর্য কখনো অস্ত যায় না।

তিনি দ্রুত তার পোস্টে গিয়ে ওই ভারতীয়কে কঠোর শাস্তি দেওয়ার জন্য দাবী করলেন।
কিন্তু উচ্চপদস্থ কমান্ডার তাকে শান্ত করে বললেন ভারতীয় লোকটিকে শাস্তি না দিয়ে বরং তাকে পুরষ্কৃত করতে। আর পুরষ্কার হিসাবে তাকে দশ হাজার রুপি উপহার দিতে।

অফিসার ঘৃণায় চিৎকার করে বললেন এটা শুধু আমার, আপনার অপমান না। বরং এটা বৃটিশ মহারাণীরও অপমান। আর আপনি বলছেন তাকে শাস্তি না দিয়ে আরো পুরষ্কৃত করতে।

কমাণ্ডার এবার বললেন- এটা একটি সামরিক আদেশ আর তুমি দেরি না করে এ আদেশ পালন করবে।
জুনিয়র অফিসার তার কমান্ডারের আদেশ মেনে দশ হাজার রুপি সাথে নিয়ে ওই ভারতীয়ের কাছে গিয়ে বললেন- অনুগ্রহ করে আমাকে ক্ষমা করে দিন। আর এই দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করুন।

ভারতীয় যুবক উপহার গ্রহণ করলেন এবং ভুলে গেলেন যে তাকে তার দেশের মাটিতে এক ঔপনিবেশ সেনা অফিসার দ্বারা থাপ্পড় মারা হয়েছে।

সেই সময়ে দশ হাজার রুপি অনেক বড় অর্থ। তিনি এই অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে কয়েক বছরের মধ্যে জীবনের মান উন্নত করে বেশ বিত্তশালী হয়ে ওঠলেন। আগে ছিলেন একজন সাধারণ যুবক। এখন সমাজে বেশ প্রতিষ্ঠিত।


অনেক বছর পর সেই ইংরেজ কমান্ডার তার জুনিয়র অফিসারকে ডেকে নিয়ে গিয়ে বললেন- তুমি কি সেই ভারতীয়কে মনে রেখেছো- যে তোমাকে থাপ্পড় মেরেছিলো?

অফিসার বলল: সেই অপমান আমি ভুলি কেমন করে?

কমান্ডার বললেন: এখন সময় এসেছে।তুমি তাকে খুঁজে বের করো এবং জনসম্মুখে তাকে জোরে থাপ্পড় মেরে এসো।
অফিসার বলল: সেটা কিভাবে সম্ভব। যে গরীব থাকা অবস্থায় আঘাতের পাল্টা জবাব দিয়েছিলো। আর এখন সে বেশ বিত্তবান। সেতো আমাকে মেরেই ফেলবে।

কমান্ডার বললেন: আমি যা বলছি তাই করো। এটাও তোমার উপর আদেশ।
জুনিয়র অফিসারকে আদেশ মানতে হয়। তিনি সেই ভারতীর কাছে গেলেন এবং খুর জোরে তাকে থাপ্পড় মারলেন।
কিন্তু এবার ঘটলো সম্পূর্ণ উল্টো ঘটনা।

ভারতীয় যুবক এবার কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা গেল না। এমনকি সাহস করে অফিসারের দিকে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না।

অফিসার হতবাক হয়ে ফিরে এসে তার কমান্ডারের কাছে গেলেন।
কমান্ডার বললেন: আমি তোমার মুখে বিস্ময়ের ছাপ দেখছি। তুমি এতো বিস্মিত কেন?

অফিসার বলল: যখন সে দরিদ্র ছিলো। তখন সে পাল্টা আঘাত করেছিলো। কিন্তু আজ যখন তার বিত্ত রয়েছে তখন সে চোখ তুলে তাকাতে পর্যন্ত পারলো না। এটা কেমন করে সম্ভব।

ইংরেজ কমান্ডার ধীরভাবে বললেন: প্রথমবার তার কাছে তার সম্মান ছাড়া আর কিছু ছিল না। সে সেটাকেই সবচেয়ে মূল্যবান মনে করেছিল এবং তা রক্ষার করার জন্য সে মৃত্যু ঝুকি নিয়েও লড়েছিলো। আর এখন সে আর সেটা রক্ষার চেষ্টা করে নি। কারণ তার কাছে এখন তার সম্মানের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে বিত্ত। যেদিন সে দশ হাজার রুপি উপহার হিসাবে গ্রহণ করেছে সেদিনই সে তার মর্যাদা, আত্ম সম্মানবোধ রুপির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে।

আর বিত্তের কাছে মানুষের আত্ম সম্মানবোধ যখন বিক্রি হয়ে যায় তখন যে কোন মানুষের মেরুদণ্ডও বাঁকা হয়ে যায়।

আসুন আত্মসম্মানবোধ বজায় রাখি। পদ , উপহার কিংবা কোনো কিছুর লোভে নিজেকে বিক্রি না করে নিজের মেরুদণ্ড শক্ত রাখি।

- collect

20/09/2025

🇺🇸 ​আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি রাজ্য ও তাদের রাজধানীর নাম নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো:

📌​Alabama (অ্যালাবামা) - রাজধানী: Montgomery (মন্টগোমারি)

📌​Alaska (আলাস্কা) - রাজধানী: Juneau (জুনো)

📌​Arizona (অ্যারিজোনা) - রাজধানী: Phoenix (ফিনিক্স)

📌​Arkansas (আরকানসাস) - রাজধানী: Little Rock
(লিটল রক)

📌​California (ক্যালিফোর্নিয়া) - রাজধানী: Sacramento (স্যাক্রামেন্টো)

📌​Colorado (কলোরাডো) - রাজধানী: Denver (ডেনভার)

📌​Connecticut (কানেকটিকাট) - রাজধানী: Hartford (হার্টফোর্ড)

📌​Delaware (ডেলাওয়্যার) - রাজধানী: Dover (ডোভার)

📌​Florida (ফ্লোরিডা) - রাজধানী: Tallahassee (তালাহাসি)
📌​Georgia (জর্জিয়া) - রাজধানী: Atlanta (আটলান্টা)

📌​Hawaii (হাওয়াই) - রাজধানী: Honolulu (হনুলুলু)

📌​Idaho (আইডাহো) - রাজধানী: Boise (বোইসি)

📌​Illinois (ইলিনয়) - রাজধানী: Springfield (স্প্রিংফিল্ড)

📌​Indiana (ইন্ডিয়ানা) - রাজধানী: Indianapolis (ইন্ডিয়ানাপলিস)

📌​Iowa (আইওয়া) - রাজধানী: Des Moines (দেস মোইনেস)

📌​Kansas (কানসাস) - রাজধানী: Topeka (টোপিকা)

📌​Kentucky (কেন্টাকি) - রাজধানী: Frankfort (ফ্রাঙ্কফোর্ট)

📌​Louisiana (লুইজিয়ানা) - রাজধানী: Baton Rouge (ব্যাটন রুজ)

📌​Maine (মেইন) - রাজধানী: Augusta (অগাস্টা)

📌​Maryland (মেরিল্যান্ড) - রাজধানী: Annapolis (অ্যানাপলিস)

📌​Massachusetts (ম্যাসাচুসেটস) - রাজধানী: Boston (বোস্টন)

📌​Michigan (মিশিগান) - রাজধানী: Lansing (ল্যান্সিং)

📌​Minnesota (মিনেসোটা) - রাজধানী: Saint Paul (সেন্ট পল)

📌​Mississippi (মিসিসিপি) - রাজধানী: Jackson (জ্যাকসন)

📌​Missouri (মিসৌরি) - রাজধানী: Jefferson City (জেফারসন সিটি)

📌​Montana (মন্টানা) - রাজধানী: Helena (হেলেনা)

📌​Nebraska (নেব্রাস্কা) - রাজধানী: Lincoln (লিঙ্কন)

📌​Nevada (নেভাদা) - রাজধানী: Carson City (কারসন সিটি)

📌​New Hampshire (নিউ হ্যাম্পশায়ার) - রাজধানী: Concord (কনকর্ড)

📌​New Jersey (নিউ জার্সি) - রাজধানী: Trenton (ট্রেন্টন)

📌​New Mexico (নিউ মেক্সিকো) - রাজধানী: Santa Fe (সান্তা ফে)

📌​New York (নিউ ইয়র্ক) - রাজধানী: Albany (আলবানি)

📌​North Carolina (নর্থ ক্যারোলাইনা) - রাজধানী: Raleigh (রালেই)

📌​North Dakota (নর্থ ডাকোটা) - রাজধানী: Bismarck (বিসমার্ক)

📌​Ohio (ওহাইও) - রাজধানী: Columbus (কলাম্বাস)

📌​Oklahoma (ওকলাহোমা) - রাজধানী: Oklahoma City (ওকলাহোমা সিটি)

📌​Oregon (ওরেগন) - রাজধানী: Salem (সালেম)

📌​Pennsylvania (পেনসিলভেনিয়া) - রাজধানী: Harrisburg (হ্যারিসবার্গ)

📌​Rhode Island (রোড আইল্যান্ড) - রাজধানী: Providence (প্রভিডেন্স)

📌​South Carolina (সাউথ ক্যারোলাইনা) - রাজধানী: Columbia (কলাম্বিয়া)

📌​South Dakota (সাউথ ডাকোটা) - রাজধানী: Pierre (পিয়ের)

📌​Tennessee (টেনেসিস) - রাজধানী: Nashville (ন্যাশভিল)

📌​Texas (টেক্সাস) - রাজধানী: Austin (অস্টিন)

📌​Utah (ইউটা) - রাজধানী: Salt Lake City (সল্ট লেক সিটি)

📌​Vermont (ভার্মন্ট) - রাজধানী: Montpelier (মন্টপেলিয়ার)

📌​Virginia (ভার্জিনিয়া) - রাজধানী: Richmond (রিচমন্ড)

📌​Washington (ওয়াশিংটন) - রাজধানী: Olympia (অলিম্পিয়া)

📌​West Virginia (ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া) - রাজধানী: Charleston (চার্লস্টন)

📌​Wisconsin (উইসকনসিন) - রাজধানী: Madison (ম্যাডিসন)

📌​Wyoming (ওয়াইওমিং) - রাজধানী: Cheyenne
(শাইয়েন)

22/08/2025

ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল এক নারীর কারণে। তার নাম হেলেন। এটা সবাই জানি।

কিন্তু স্টেফানি আইজাক (Stefanie Isak) নামটি কয়জন জানি?

১৬ বছরের এই ইহুদী মেয়েটার কারণে সারা পৃথিবী ধ্বংস হবার উপক্রম হয়েছিল।

ধনী ব্যবসায়ীর মেয়ে। একদিন রাস্তার ধারে বসে থাকা এক চিত্র শিল্পিকে দিয়ে সখ করে মেয়েটি তার একখানা ছবি আঁকাল। অসম্ভব রুপবতী এই নারীর ছবি আঁকতে গিয়ে মনের অজান্তে শিল্পি তার প্রেমে পড়ে গেল। ছেলেটির বয়স তখন ১৮।

তার স্বপ্ন চিত্রশিল্পী হওয়া। Academy of Fine Arts, Vienna-তে চেষ্টা করছে ভর্তি হবার জন্য। কিন্তু পারছে না।ছেলেটির সময় কাটে রাস্তার ধারে বসে ছবি এঁকে, আর মাঝে মাঝে পথচারীদের ছবি এঁকে দু-চার পয়সা রোজগার করে।

শিল্পীদের মন খুব রোমান্টিক হয়, এটাই স্বাভাবিক।তারপর দিন মেয়েটিকে সে propose করে বসল।মেয়েটি হ্যাঁ বা না কিছুই বলে নাই। ছেলেটি মাঝে মাঝেই মেয়েটির বাড়ীর সামনে বসে থাকত। যদি এক পলক মেয়েটিকে সে দেখতে পায়। উঁচু প্রাচীর ঘেরা বিশাল লোহার গেট। ছেলেটি তার পোষা কুকুরটিকে গেটের ফাঁক দিয়ে বাড়ীতে ঢুকিয়ে দিত। কুকুরটির মুখে থাকত প্রেমপত্র।

ভিয়েনা আসার সময় তার মা এই কুকুরটিকে তার সাথে দিয়েছিল। ছেলেটি খুব ভালবাসতো কুকুরটিকে। বলা যায় এই কুকুরটি ছিল তার মায়ের দেয়া শেষ উপহার। কারণ এর পর আর কোনদিন তার মা Klara-র সাথে তার দেখা হয়নি। তিনি মারা যান।

মেয়েটির পরিবার বিষয়টি আমলে নিল। ছেলেটি চালচুলোহীন রাস্তার ছেলে। তার উপর ইহুদী নয়। এই সম্পর্ক কিছুতেই সম্ভব নয়। আর ছেলের ভবিষ্যত বলে কিছুই নেই। কিন্তু ছেলেটি যে পাগলের মতন ভালবাসত মেয়েটিকে। উত্তর না পেলেও সে চিঠি লিখে যেত।

একদিন কুকুরের মুখে চিঠি দিয়ে আবার পাঠাল সেই বাড়ীতে। কিন্তু কুকুরটি আর ফিরে এল না। পরদিন ছেলেটি কুকুরটির মৃতদেহ খুঁজে পেল। নির্মম ভাবে মেরে ফেলা হয়েছে। অসম্ভব কষ্টে ছেলেটি কাঁদতে কাঁদতে ফিরে এল। আর কোনদিন ওই বাড়ীর সামনে সে যায়নি।

এই চালচুলোহীন ছেলেটি পরে যা করেছিল তা পৃথিবীর নির্মম ইতিহাস। বলা যায় ছেলেটি নিজ হাতে গত শতাব্দীর ইতিহাস লিখে গেছে।

ছেলেটির নাম এডলফ হিটলার।collect.

17/07/2025

*চোরের আশীর্বাদে!* 👇

একজন স্কুল শিক্ষক শিশুদের চোর সম্পর্কে হোমওয়ার্ক দিয়েছিলেন — তাদেরকে এই বিষয়ে একটি প্রবন্ধ লিখতে বলেছিলেন।

অষ্টম শ্রেণির একজন মেধাবী ছাত্র নিম্নলিখিত প্রবন্ধটি লিখেছিল:

চোরও আমাদের দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তারা কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতির উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।

আপনি এটি পড়ে অবাক হতে পারেন — আমাকে এটি সম্পর্কে একটু আলোকপাত করতে দিন।

সিন্দুক, তালা, লকার, আলমারি — এগুলি সবই চোরদের কারণে তৈরি হয়।

এই জিনিসপত্র তৈরি করে এমন অনেক কারখানা এবং ওয়ার্কশপ এই পেশার কারণে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে।

এমনকি বাড়িতেও, জানালার গ্রিল, ল্যাচ এবং শক্তিশালী দরজা স্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ছুতার এবং শ্রমিকদের কাজ দেয়।

বাড়ি, দোকান, স্কুল, কলেজ, অফিস এবং কারখানার সুরক্ষার জন্য, রক্ষী এবং প্রহরী নিয়োগ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

সিসিটিভি ক্যামেরা, মেটাল ডিটেক্টর এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করে এমন কোম্পানিতে লোকেরা চাকরি পায়।

চোরদের কারণেই পুলিশ, আদালত, বিচারক, আইনজীবী এবং অন্যান্য কর্মীরাও কর্মসংস্থান পান।

পুলিশের জন্য - ব্যারিকেড, অস্ত্র, গুলি, লাঠি, ইউনিফর্ম, যানবাহন এবং মোটরসাইকেল - সবকিছুই কেনা হয়, যা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করে।

চোরদের জন্যই আমাদের জেল, কারারক্ষী এবং জেল কর্মীরা নিযুক্ত।

এছাড়াও, যখন মোবাইল, ল্যাপটপ, গাড়ি, মোটরসাইকেল, বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি, পার্স, লিপস্টিক এবং অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি হয়ে যায় - তখন মানুষকে আবার কিনতে হয়, যা বাণিজ্য বৃদ্ধি করে এবং ব্যবসা বৃদ্ধি করে।

বিখ্যাত এবং কুখ্যাত চোররা প্রায়শই *রাজনীতিতে প্রবেশ করে, যার ফলে আরও বড় চুরি হয়*

আরও অনেক কিছু বলা যেতে পারে - আমাদের দেশের অর্থনীতিতে চোরদের অবদান সত্যিই খুবই তাৎপর্যপূর্ণ!

শিক্ষক এই গবেষণা-পূর্ণ প্রবন্ধটিকে সম্পূর্ণ ১০০% নম্বর দিয়ে পুরস্কৃত করেছেন এবং ছাত্রটিকে মেধা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
লেখা: সংগৃহীত

16/07/2025

📌এক দেশে অদ্ভুত এক নিয়ম ছিল। যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ত, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো। ওই দেশের রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।

সেই দেশে এক পিতা পুত্র খুব ভালোবাসত একে অপরকে। সময় গড়িয়ে গেল। পিতা বুড়ো হলেন, তিনি আর আগের মতো কাজ করতে পারেন না। দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে। কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না। তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।

পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল। শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না। সে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এলো এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল। প্রতিদিন চুপিচুপি খাবার এনে তাকে খাওয়াতে লাগল।

একদিন রাজা তার প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন। তিনি ঘোষণা করলেন: "যে ছাই দিয়ে দড়ি বুনে এনে দিতে পারবে, তাকে পুরস্কৃত করা হবে!"

ঘোষণা শুনে লোকজন হতভম্ব হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব? ছেলেটি এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল। বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"

ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল। দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল। সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতে নিল।

এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর আগা আর গোড়ার খুঁজে বের করো!"

ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না। ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"

ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।

এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"

এবার সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হলো। বাবা বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করে তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"

ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল। রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়া দিতেই এর ভেতরের মৌমাছিরা উড়তে লাগল, ফলে ঢোলে আঘাত ছাড়াই শব্দ হতে লাগল!

রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠিন প্রশ্নের উত্তর পেলে?"

ছেলে বলল, "মহারাজ, আমার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমার বৃদ্ধ বাবাই সব উত্তর দিয়েছেন।"

ছেলের কথা শুনে রাজা খুবই নরম হয়ে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের কঠিন সমস্যার সমাধান বের করতে অভিজ্ঞতা সবচেয়ে মূল্যবান।

রাজা সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন, "আজ থেকে আর কোনো বৃদ্ধকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে না!" এরপর থেকে সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পরিবারের সঙ্গেই আনন্দে থাকতে লাগলেন।

শিক্ষা: অভিজ্ঞতা অমূল্য। বয়স্করা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্বই নয়, বরং এটা আমাদের সৌভাগ্য।
©️

28/06/2025

বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তি, যিনি 'বিসিএস' পরীক্ষায় দুইবার প্রথম হয়েছেন !

বোর্ড কর্মকর্তারা জিজ্ঞেস করলেন, “জনাব, নাজিম উদ্দিন, আপনি কেন আগেরবার প্রথম হয়েও সিভিল সার্ভিসে যোগদান করলেন না?”
ছেলেটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য পাশ করেছে।
পাশ করেই বিসিএস পরীক্ষা দিল এবং প্রচণ্ড পরিশ্রমের ফল হিসেবে প্রথম হল (১০ম বিসিএস পরীক্ষা)।

কিন্তু সবাইকে অবাক করে দিয়ে সেই ছেলে চাকরিতে যোগদান করলো না।

পরবর্তীতে ১২তম বিসিএস পরীক্ষা চলে এলো এবং সেই ছেলে আবার ভাইভাতে উপস্থিত!
ভাইভা বোর্ডের উপস্থিত সবাই অবাক হয়ে দেখল এই ছেলে ১০ম বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম মেধাস্থানে ছিল।
বোর্ড কর্মকর্তারা জিজ্ঞেস করলেন,
“জনাব, নাজিম উদ্দিন, আপনি কেন আগেরবার প্রথম হয়েও সিভিল সার্ভিসে যোগদান করলেন না?”

উত্তরে নাজিম উদ্দিন জানালেন,
আগেরবার বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার পরেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন,
তাই আর সিভিল সার্ভিসে যোগদান করেন নি।

তারপর, বোর্ড কর্মকর্তারা জিজ্ঞেস করলেন, “এবার কেন আপনি আবার বিসিএস পরীক্ষা দিয়েছেন?”
উত্তরে নাজিম উদ্দিন যা জানালেন তাতে বোর্ড কর্তাদের চক্ষু চড়কগাছ!
নাজিম উদ্দিনের সরল উত্তর, “আসলে আমি একটু যাচাই করে দেখলাম, আমার সেই মেধা আর প্রস্তুতি ঠিক আছে কিনা”।

নাজিম উদ্দিন হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সি‌স্টেমস বিভাগের প্রফেসর নাজিম উদ্দিন ভূঁইয়া, এফসিএমএ।

তিনি দ্বিতীয় বারেও বিসিএস পরীক্ষায় প্রথম হন।

কিন্তু যোগদান করেননি, পেশা হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতাকেই বেছে নেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসে একজন মানুষই বিসিএসে দুইবার প্রথম হয়েছেন, কিন্তু তিনি নিজেকে মহাজ্ঞানী ভেবে যাকে-তাকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করেননি।

কারণ, তিনি জানতেন, “যিনি যত বেশি জ্ঞানী, তিনি তত বেশি বিনয়ী।
Collect

21/01/2025

২য় মেয়াদে আমেরিকার ৪৭ তম প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করে ডোনাল্ড জে. ট্রাম্পের ঊনিশ পদক্ষেপঃ

১.লক্ষ লক্ষ অপরাধী অবৈধ বিদেশি নাগরিকদের বহিষ্কার
২.ক্যাচ-এন্ড-রিলিজ পদ্ধতির অবসান
৩.সীমান্ত সুরক্ষার জন্য সামরিক বাহিনী প্রেরণ
৪.মাদক চক্রগুলোকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা
৫.বিদেশী গ্যাংদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ
৬.মুদ্রাস্ফীতি সংকট সমাধানের জন্য পদক্ষেপ
৭.নিজস্ব তেল এবং গ্যাসের উপর স্বনির্ভরতা বাড়ানো,
৮.বৈদ্যুতিক গাড়ি বাধ্যতামূলক করার আদেশ বাতিল
৯.মার্কিন উৎপাদন নিজ দেশ ফিরিয়ে আনা,
১০.উচ্চ কর থেকে আমেরিকানদের সুরক্ষা দিতে শুল্ক সুবিধা,
১১.সবক্ষেত্রে সরকারী সেন্সরশিপ বন্ধ
১২.বিচার বিভাগকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা বন্ধ
১৩.সাংবিধানিক আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা
১৪.শহরগুলিতে আইন ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা
১৫.পাবলিক স্কুলে জাতি এবং লিঙ্গ ভিত্তিক বৈষম্যের অবসান
১৬.মেধাভিত্তিক জাতীয় সমাজ গঠন,
১৭.দুইটি লিঙ্গের ঘোষণা: পুরুষ এবং মহিলা। এর বাইরে আর কোনো লিঙ্গ নেই।
১৮.কোভিড ভ্যাকসিনের কারণে যাঁরা সামরিক বাহিনী থেকে চলে গিয়েছিলেন, তাঁদের পূর্ণ বেতনসহ পুনঃস্থাপন।
১৯. সেনাবাহিনীর মিশন হলো অন্য দেশের সেবা না করে আমেরিকার সেবা করা, আমেরিকার শত্রুদের পরাজিত করা।

কপি পোষ্ট

Address

United States Of America
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বৃহত্তর কুমিল্লা প্রবাসী কল্যাণ হেল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share