04/02/2023
করব না আর ঝ*গড়া ঝা*টি এই ধরেছি কা*ন
এবার বুবু আয়না ফিরে রাখ না অভিমান।
কথা দিলাম করব না আর ঝ*গড়া মা*রামা*রি
ভাঙ*ব না তোর খেলার পুতুল রাঙা মাটির হাড়ি।
ফুল করা সেই রঙিন বালিশ চাইব না আর কভূ
তোকেই আমি দিয়ে দিলাম আয় ফিরে আয় তবু।
আয়রে বুবু শুনাই তোরে মস্ত সুখবর
ডিম দিয়েছে তোর পোষা সেই কাজলা কবুতর।
জানিস বুবু সকাল বেলা দু*ষ্ট ছেলের দল
কেড়ে নিতে চেয়েছিল আমার খেলার বল।
আমি তাদের ইচ্ছে মত দিয়েছি বোন মে*রে
মায়ের কাছে বিচার দিতে গিয়েছে সব তে*ড়ে।
তোরে ছাড়া কেমন করে ফিরব আমি ঘরে
বাড়ি গেলেই রাগ করে মা মা*রবে আমায় ধরে।
ফিরলে ঘরে রাগের মাথায় মার*বে যখন মায়
কে আমারে আগলে ধরে মার নেবে নিজ গায়।
রাগা*ন্বিত মায়ের মাথা ঠান্ডা করার ছলে
মা*রব তোকে কা*টব তোকে কে যাবে রে বলে।
বলবে হেসে দিয়েছি মা আচ্ছা মত ঝে*ড়ে
এবার না হয় ভাইটিরে মোর দাও না মা গো ছেড়ে।
দেখ না বুবু আকাশে মেঘ করছে টলোমল
ক্ষনিক পরেই আকাশ ফে*ড়ে নামবে শ্রাবণ ঢল।
গুরু গুরু করুন সুরে ডাকছে মেঘের ভেলা
আয়রে খোকা আয় রে খেলি বৃষ্টি ভেজার খেলা।
সকল সুখের সঙ্গী আমার বুবু তোমায় ছাড়া
কেমন করে দিব রে এই মেঘের ডাকে সাড়া।
এই অবেলায় মেঘের দেশে মেলতে গেলে ডানা
মা কখনো মানবে না তা করবে আমায় মানা
বৃষ্টি ভিজে খেলার লাগি আসলে চোখে পানি
তুই ছাড়া আর ধরবে কে বল মায়ের আঁচল টানি।
মিটাতে মোর মনের আশা প্রাণের এ আকুতি
তুই ছাড়া কে মায়ের সাথে করবে ওকালতি।
মধুর মধুর কথা বলে মায়ের হৃদয় কেড়ে
বলবে মাগো ভাইটি রে মোর খেলতে যেতে দে রে।
মিষ্টি কথায় কাজ না হলে তুলবে অজুহাত
বলবে মা গো যা ও ঘরে যাচ্ছে পু*ড়ে ভাত।
মা কে চোখের আড়াল করে সোহাগ চুমু কে*টে
বলবে এবার যা রে পা*গল চা*পড় দিয়ে পিঠে।
বৃষ্টি ভেজা শরীর নিয়ে ফিরবো যখন ঘরে
তুই ছাড়া কে ভেজা শরীর মুছবে আদর করে ।
তাড়াতাড়ি আয় না বুবু সয়না প্রাণে আর
তুই ছাড়া যে বিশ্বভুবন লাগে অন্ধকার।
অনেক হলো লুকোচুরি ধ*রছি এবার পা
তুই না এলে আসবো আমি বল রে ঠিকানা।
আমিও যাব তুই গেলি বোন যেথায় যে পথ দিয়ে
তোর কবুতর লাল বালিশ আর পুতুল গুলো নিয়ে