Earn From Freelancing

Earn From Freelancing Do you prefer a job with a steady paycheck but with slow growth or one that you are passionate to pursue even if there might be some initial hiccups?

Freelancing gives you a chance to experience and experiment with an alternative style to 9 to 5 work.

18/02/2022

বর্তমানে ওয়েব ডিজাইনের মাধ্যেমেও ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। এটি একটি উচ্চ আয়ের সম্মানজনক পেশা।

ওয়েব ডিজাইন কি?

ওয়েব ডিজাইন মানে হচ্ছে একটা ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে বা এর সাধারন রূপ কেমন হবে তা নির্ধারণ করা। ওয়েব ডিজাইনার হিসেবে আপনার কাজ হবে একটা পূর্ণাঙ্গ ওয়েব সাইটের টেম্পলেট বানানো। যেমন ধরুন এটার লেয়াউট কেমন হবে। হেডারে কোথায় মেনু থাকবে, সাইডবার হবে কিনা, ইমেজগুলো কিভাবে প্রদর্শন করবে ইত্যাদি। ভিন্ন ভাবে বলতে গেলে ওয়েবসাইটের তথ্য কি হবে এবং কোথায় জমা থাকবে এগুলো চিন্তা না করে, তথ্যগুলো কিভাবে দেখানো হবে সেটা নির্ধারণ করাই হচ্ছে ওয়েব ডিজাইনার এর কাজ। আর এই ডিজাইন নির্ধারণ করতে ব্যাবহার করতে হবে কিছু প্রোগ্রামিং, স্ক্রিপ্টিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ।


কেন শিখবেন ওয়েব ডিজাইন?

আমাদের দেশে মূলত লোকজন ‘কোন কাজটা আমি শিখবো’ বা ‘আমি কোন কাজটা পারবো’ এধরনের প্রশ্ন না করে বরং বলে ‘কিভাবে সহজে আয় করবো’ বা ‘এটা শিখে কত টাকা আয় করবো’। যারা আয় কত করবেন বা রাতারাতি কিভাবে আয় করবেন এইসব চিন্তা করেন তাদের জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। যদিও ওয়েব ডিজাইন আসলে উচ্চ আয়ের পেশার মধ্যে অন্যতম কিন্তু আপনি যদি আয়ের কথাটাই মাথায় রেখে এগুতে চান তাহলে আমি বলবো আপনার জন্য ওয়েব ডিজাইন নয়। ওয়েব ডিজাইন, গ্রাফিক ডিজাইন বা প্রোগ্রামিং এই ধরনের পেশা আসলে তাদের জন্য যারা ক্রিয়েটিভ কিছু করতে চান এবং নিজের কাজের মধ্যেই নিজেকে খুজে পেতে চান। ওয়েব ডিজাইন যেহেতু কোডিং এবং প্রোগ্রামিং এ ভরপুর আর প্রোগ্রামিং-এর নেশা ছাড়া প্রোগ্রামিং করা সম্ভব নয় তাই এধরনের কাজ শুধুমাত্র তাদের জন্য যারা এই কাজের প্রতি আকর্ষণ বোধ করেন। তবে বাস্তবতা হচ্ছে শিখে যাওয়ার পর আপনি অন্য যেকোনো পেশা থেকে এখানেই ভালো আয় করতে পারবেন।

কি কি শিখতে হবে?

ওয়েব ডিজাইন বিভিন্ন পরিপ্রেক্ষিতের উপর নির্ভর করে মোটামুটি কয়েক ধরনের ল্যাঙ্গুয়েজ এবং স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে করা হয়ে থাকে আবার শুরুতে ফটোশপ ব্যাবহার করে প্রথমে এটার ঘটন নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এদের মধ্যে বহুল ব্যবহৃত গুলো নিচে আলোচনা করা হল –

এইচটিএমএল (HTML): HTML একটি মার্কআপ ভাষা। ব্রাউজার কোন একটা সাইটের ভিউয়ার যা দেখতে পায় তা এইচটিএমএল দিয়ে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। এটি কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, বরং যেকোনো প্রোগ্রামিং থেকে অনেক সহজ। এটা এতটাই সহজ যে যেকোনো সাধারন মানুষ যে প্রোগ্রামিং শিখতে চায় না, সেও হাসির ছলে ছলে HTML শিখে নিতে পারে। যেমন আমরা যদি কোন একটা প্যারাগ্রাপ প্রদর্শন করতে চাই তখন এমন লিখতে হয়।

This is a paragraph

অর্থাৎ ‘This is a paragraph’ এই টেক্সট টুকো ব্রাউজার এ একটা প্যারাগ্রাপ হিসেবে প্রদর্শিত হবে।

সিএসএস (CSS): এটাও একটা মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ। এটি নির্ধারণ করে দেয় ব্রাউজার জেই কন্টেন্ট HTML দ্বারা প্রদর্শিত হবে সেটা দেখতে কেমন হবে। অর্থাৎ লেখাটার ফন্ট কত বড় হবে। পাশে কতটুকু জায়গা খালি থাকবে। একটা লেখা থেকে আরেকটার দূরত্ব কতটুকু হবে, এটির রঙ কি হবে বেকগ্রাউন্ড কি হবে, এমনকি সর্বশেষ CSS3 দিয়ে কন্টেন্টে এনিমেশন ও যুক্ত করা যায়। যেমনঃ পূর্বে আমরা একটা HTML paragraph লিখেছিলাম। এখন আমরা চাইলে নিচের কোডটুকু দিয়ে সেই প্যারাগ্রাপ এর টেক্সট এর রঙ লাল করে দিতে পারি।

p {color: red;}

জাভাস্ক্রিপ্ট/জেকুয়েরি (javascript/jQuery): এই দুটোকে মূলত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কিছুটা কাছাকাছি ধরা যায়। মূলত দু,টি জিনিসের কাজ একি তবে জেকুয়েরি হচ্ছে জাভাস্ক্রিপ্টেরই একটা রূপ যা সাইটে জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহারকে অনেকটাই সহজ করে। আর এগুলোর কাজ হচ্ছে সাইটটা ইন্টারেক্টিভ করা। অর্থাৎ ভিজিটর একটা বাটনে ক্লিক করলে মেনু ওপেন হবে। অথবা একটা ফর্ম সাবমিট করলে কনফার্মেশন মেসেজ দেখাবে ইত্যাদি।

মূলত কাজ শুরু করতে এই কয়েকটি ল্যাঙ্গুয়েজে দক্ষতা এবং বাস্তব কাজে ব্যবহার করার যোগ্যতা অর্জন করলেই হবে। তবে এই ধরনের কাজে অভিজ্ঞতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। উত্তরোত্তর নতুন অনেক কিছু শিখে নিজেকে আরও প্রফেশনাল আরও যোগ্য ওয়েব ডিজাইনার করে তুলতে হবে।
কোথায় কাজ করবেন?

ফ্রিলান্স মার্কেটপ্লেসে ওয়েব ডিজাইন এবং ফ্রন্ট-ইন্ড-ওয়েব ডেভেলপমেন্টের হাজারো কাজ পাওয়া যায় এবং এই ধরনের কাজে প্রতিদ্বন্দ্বিতা তুলনামূলক কম তবে চাহিদা বেশি। তাই সহজে কাজ পাবেন এবং এধরনের কাজের দামও বেশি। একজন সাধারনমানের ফ্রিলান্সারের ঘণ্টাপ্রতি কাজ করার রেট হয় ২ ডলার, কিন্তু একজন ওয়েব ডিজাইনার এর ঘণ্টাপ্রতি রেট শুরুতেই ১০ বা ১২ ডলার হয়ে থাকে। তবে অনেকের ধারনা ওয়েব ডিজাইন বা ডেভেলপমেন্ট শিখলে শুধু ফ্রিলান্স করতে হবে এবং না করলে আয় বন্ধ, তাদের জন্য বলছি, themeforest.net এবং এধরনের অনেক মার্কেট আছে যেখানে ওয়েব টেম্পলেট এবং ওয়েব ইলিমেন্ট খুবই ভালো দামে বিক্রি করা যায়। এক্ষেত্রে আপনি আপনার একটি ডিজাইন করা টেম্পলেট বহুবার বিক্রি করতে পারবেন এবং এবং কোয়ালিটি ভালো হলে প্রতিমাসে একেকটা টেম্পলেট এর আয় দিয়েই আপনি রাজার হালে চলতে পারবেন।

সারসংক্ষেপ যা বলা উচিত তা হচ্ছে, ওয়েব ডিজাইনার বা ডেভেলপার হতে হলে যেমন আপনার প্রচুর ধৈর্য আর সময়ের দরকার তেমনি আবার শিখে নিলে এটাই হচ্ছে উচ্চ আয়ের এবং সম্মানজনক পেশা।

অনলাইনে ঘরে বসে ইনকাম করার অনেক উপায় রয়েছে। এর মধ্যে ডাটা এন্ট্রি এখন বেশ পরিচিত একটি মাধ্যম সবার কাছে। ডাটা এন্ট্রি হচ্...
16/02/2022

অনলাইনে ঘরে বসে ইনকাম করার অনেক উপায় রয়েছে। এর মধ্যে ডাটা এন্ট্রি এখন বেশ পরিচিত একটি মাধ্যম সবার কাছে। ডাটা এন্ট্রি হচ্ছে মূলত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ডাটা ইনপুট করা। এই ডাটা এন্ট্রি বিভিন্ন ডিভাইসে সম্পন্ন করা যেতে পারে।

কোনো টেক্সট ইনপুট থেকে শুরু করে কোনো প্রোগ্রামের ডাটা স্প্রেডশিটে সরবরাহ করা পর্যন্ত সকল কাজ ডাটা এন্ট্রির অন্তর্ভুক্ত। এ ছাড়াও ডকুমেন্ট স্ক্যান করা বা অডিও ফাইলকে লেখায় পরিণত করাকেও ডাটা এন্ট্রির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। অর্থাৎ যে কোনো ধরনের ডাটা এন্টার বা ইনপুট এর কাজই ডাটা এন্ট্রি হিসেবে বিবেচিত হবে।ইন্টারনেট মানেই ডাটার বিশাল এক সমারোহ। আপনিও চাইলে ঘরে বসেই এই কাজটি করে আয় করতে পারেন। কম পরিশ্রম এবং ঘরে বসেই কাজটি করা যায়। আর এজন্য বয়স কোনো বাঁধা নয়। যে কোনো বয়সী নারী-পুরুষ সবাই কাজটি করতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে ডাটা এন্ট্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন-

> এজন্য আপনার যা প্রয়োজন-আপনার দ্রুত টাইপ করার দক্ষতা থাকতে হবে। সেই সঙ্গে ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে বের করা, বেসিক ইংরেজি জ্ঞান, কাজ বুঝে নেওয়ার দক্ষতা, ওয়ার্ড ও এক্সেল ব্যবহারের জ্ঞান থাকতে হবে।
> এবার আপনাকে যে কোনো একটি ওয়েবসাইট থেকে কাজ খুঁজে নিতে হবে। ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডটকম, পিপলপারআওয়ার এর মতো ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে ডাটা এন্ট্রির কাজ করা যাবে। অনেক কোম্পানি প্রতিদিনই এসব ওয়েবসাইটে ডাটা এন্ট্রির কাজের জন্য লোক খোঁজে। আপনি যদি টাইপিংয়ে যথেষ্ট দক্ষ হন ও নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করতে জানেন, তবে খুব সহজে প্রচুর ডাটা এন্ট্রির কাজ পেতে পারেন।

> এছাড়াও একই ক্লায়েন্ট থেকে ডাটা এন্ট্রির কাজ পাওয়ার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা থাকে। তাই মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারলে ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মসমূহে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ডাটা এন্ট্রির কাজ করে আয় করা যেতে পারে।

> ক্যাপচা এন্ট্রি ডাটা এন্ট্রির কাজসমূহের মধ্যে সবচেয়ে সহজ বলে যে কেউ এটি করতে পারে। ক্যাপচা দেখে দেখে তাতে থাকা লেখা ইনপুট করার কাজই হচ্ছে ক্যাপচা এন্ট্রি। তবে সহজ হওয়ায় এই কাজ পাওয়া অধিক কঠিন। ক্যাপচা এন্ট্রি করে আয়ের পরিমাণ নির্ণয় করে টাইপিং স্পিডের উপর। তাই ক্যাপচা এন্ট্রি থেকে আয় করতে হলে ভালো টাইপিং স্পিড থাকা আবশ্যক।

> কপি করে পেস্ট করা ডাটা এন্ট্রির অন্যতম একটি উপায়। নাম শুনেই বুঝে থাকবেন যে এটি সবচেয়ে সহজ ধরনের ডাটা এন্ট্রির কাজ। এই কাজে শুধুমাত্র এক ফাইল থেকে অন্য ফাইলে কোনো লেখা কপি করে (ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বা এক্সেল স্প্রেডশিটে) পেস্ট করতে হয়। সাধারণ ইংরেজি বুঝার ক্ষমতা আছে এমন যে কেউ এই সহজ কাজ করে আয় করতে পারেন।

> ই-মেইল রিডিং বা ই-মেইল প্রসেসিং একটি জনপ্রিয় ডাটা এন্ট্রির ধরন। এই ক্ষেত্রে নির্দেশনা অনুযায়ী প্রদত্ত মেইলসমূহ প্রসেস করতে হয়। ই-মেইল প্রসেসিং এর কাজ বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। তবে বেশিরভাগ সময় কাজের সঙ্গেই কীভাবে কী করতে হবে তা উল্লেখ করা থাকে। এই কাজ হতে পারে ইমেইল গুছিয়ে লেখা কিংবা প্রদত্ত ই-মেইল এড্রেসসমূহে মেইল ফরওয়ার্ড করা। যতটা সহজ মনে হলো আদতে ততটা সমজ নয়। এজন্য আপনার ইংরেজি ভাষার দক্ষতা থাকতে হবে খুবই ভালো।

> বিভিন্ন ক্যাটালগ থেকে ডাটা কালেক্ট করে ওয়েব সিস্টেমে সংগ্রহকৃত তথ্য লেখা ডাটা এন্ট্রির অন্যতম কাজ। বিভিন্ন ধরনের ডাটা বা তথ্য লেখা এই ক্যাটাগরির কাজের অন্তর্ভুক্ত। প্রদত্ত সোর্সকে কাজে লাগিয়ে ওয়ার্ড ডকুমেন্ট বা এক্সেল স্প্রেডশিটে তথ্য সাজানো হয়।

> ডাটা ফরম্যাটিং হচ্ছে প্রদত্ত ডাটাকে সঠিকভাবে সাজানোকে বুঝানো হয়েছে। এই ধরনের কাজে বিশাল ডাটাকে সঠিক ও সুন্দরভাবে সাজাতে হয়। আয়ের পরিমাণ অধিক হওয়ার পাশাপাশি শ্রমের পরিমাণ বেশি প্রয়োজন হয় ডাটা ফরম্যাটিং এর কাজের ক্ষেত্রে।

> ডাটা এন্ট্রির কাজের মধ্যে অন্যতম আর একটি কাজ হচ্ছে অডিও টু টেক্সট। যে কোনো অডিও শুনে শুনে তা ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড লেখা ডাটা এন্ট্রির আরেকটি ক্যাটাগরি। এতে সাধারণত কোনো বিষয় ইংরেজিতে শুনে তা লিখতে হয়, তাই এই কাজ করতে হলে অবশ্যই ইংরেজি ভাষা শোনার ও শুনে লেখার প্রখর জ্ঞান প্রয়োজন। ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে এই ধরনের ডাটা এন্ট্রির কাজগুলোর জন্য বেশ অংকের অর্থ পাওয়া যায়।

বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং সেক্টরের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যাটাগরি হলো ডিজিটাল মার্কেটিং।  ডিজিটাল মার্কিটিং শিখে ঘরে বসে আয় করা য...
13/02/2022

বর্তমানে ফ্রীল্যান্সিং সেক্টরের সবচেয়ে জনপ্রিয় ক্যাটাগরি হলো ডিজিটাল মার্কেটিং। ডিজিটাল মার্কিটিং শিখে ঘরে বসে আয় করা যায়।
তবে তা সঠিক দিকনির্দেশনা ও মানসম্মত প্রশিক্ষনের মাধ্যেমেই সম্ভব। প্রবল ইচ্ছাশক্তি এবং দৃঢ় প্রচেষ্টা সফলতার জন্যে অপরিহার্য।
-- ডিজিটাল মার্কেটিং কাজে যা লাগবে
১. ভালো এন্ড্রেয়েট মোবাইল / ল্যাপটপ বা কম্পিউটার। তবে মোবাইল দিয়ে কাজ শিখলেও মার্কেটপ্লেসে কাজের জন্যে অবশ্যই ল্যাপটপ অথবা কম্পিউটারের প্রয়োজন।
২. দ্বিতীয়ত, প্রবল ইচ্ছাশক্তি ও ইনকামের চাহিদা থাকতে হবে।

Address

B-1/1, Rupkatha Plaza (4th & 5th Floor) Bazar Bus Stand, Savar, Dhaka 1340 Savar, Dhaka 1340 Savar, Dhaka Division
Dhaka

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801813530618

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Earn From Freelancing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Earn From Freelancing:

Share