Mozumder It Solution Firm

Mozumder It Solution Firm IT Skill Development Training Center বাসায় বসে নিজেকে কিভাবে অনলাইন জগতে গড়ে তুলতে পারবেন সেই দিক নিদর্শনা দিয়ে থাকি।

“রমজান কেবল রোজা রাখার জন্যই নয়, ক্ষুধার্তদের খাওয়ানো, অন্যকে সাহায্য করা, জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রন করা, অন্যকে নিয়ে সমালো...
23/03/2023

“রমজান কেবল রোজা রাখার জন্যই নয়, ক্ষুধার্তদের খাওয়ানো, অন্যকে সাহায্য করা, জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রন করা, অন্যকে নিয়ে সমালোচনা না করা । এটাই রমজানের চেতনা“

সবাইকে Mozumder It Solution Firm এর পক্ষ থেকে জানাই মাহে রমজানের শুভেচ্ছা।

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়মআপনি কিন্তু এখন চাইলে ঘরে বসেই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন। কিন্তু আমাদের অনেকেরই অন...
22/10/2022

অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম

আপনি কিন্তু এখন চাইলে ঘরে বসেই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করতে পারবেন। কিন্তু আমাদের অনেকেরই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম সম্পর্কে ধারনা না থাকায় আমরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগি। আপনারা যাতে কয়েক ক্লিকেই জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারেন, সেজন্য অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম -গুলো তুলে ধরা হলো:

ধাপ ১: অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট তৈরি করতে প্রথমেই যেকোনো ব্রাউজার থেকে https://bdris.gov.bd/br/application ওয়েবসাইটে ভিজিট করুন। সেখানেই নতুন জন্ম নিবন্ধনের অপশন পেয়ে যাবেন। এরপরের অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম -গুলো খুবই সহজ।

ধাপ ২: ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার পর আপনি কোন এলাকার কার্যালয় থেকে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট গ্রহণ করতে চান তা নির্বাচন করুন। সেক্ষেত্রে আপনি চাইলে আপনার বর্তমান ঠিকানা অথবা স্থায়ী ঠিকানা বাছাই করতে পারবেন। আপনার জন্ম দেশের বাইরে হলে বাংলাদেশের দূতাবাস নির্বাচন করুন। এইসব নির্বাচিত এলাকার কার্যালয় থেকেই আপনাকে জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে।

ধাপ ৩: এরপর আপনাকে একটি ফরম পূরণ করতে হবে।

ফরমের প্রথমে আবেদনকারীর নামের দুটি অংশ ইংরেজিতে ও বাংলায় দুইভাবেই লিখতে হবে। ইংরেজিতে লেখার সময় অবশ্যই ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর ব্যবহার করতে হবে। মনে রাখবেন নামের দুটি অংশ আলাদা আলাদা লিখতে হবে। তবে আপনার নামের যদি একটি অংশই থাকে, যেমন আলিফ, তাহলে ১ম অংশ বাদ দিয়ে দ্বিতীয় অংশে নামটি লিখুন।
স্টার মার্কগুলো অবশ্যই লিখতে হবে।
তারপর নিবন্ধনকারীর জন্ম তারিখ উল্লেখ করতে হবে।
জন্মতারিখের পরের ঘর দুটিতে যথাক্রমে নিবন্ধনকারীর পিতামাতার কত তম সন্তান সেটি এবং নিবন্ধনকারীর লিঙ্গ উল্লেখ করতে হবে।
তারপর নিবন্ধনকারী শিশুর জন্মস্থানের ঠিকানা লিখতে হবে।
এই ঘরগুলো পূরণ করা শেষ হলে নিচের ডানদিকে থাকা ‘পরবর্তী’ বাটনটিতে ক্লিক করতে হবে।

ধাপ ৪: অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার জন্য এরপর আরেকটি ফরমে এই বিষয়গুলো পূরণ করতে হবে:

ফরমের প্রথম ঘরে নিবন্ধনকারীর পিতার ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন সনদের নম্বর লিখতে হবে। এর পরের ঘর দুটিতে নিবন্ধনকারীর পিতার জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর এবং জাতীয়তা উল্লেখ করতে হবে।

একইভাবে মাতার তথ্যও পূরণ করতে হবে।

তারপর ‘পরবর্তী’ বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৫: এরপর আপনাকে আপনার ঠিকানা দিতে হবে। প্রথমেই “আপনি কি নিম্নলিখিত কোন ঠিকানা স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করতে চান?” অপশন থেকে কোনোটিই নয় বাছাই করলে ঠিকানা দেওয়ার জন্য একটি পৃষ্ঠা সামনে চলে আসবে। আপনার জন্মস্থান ও স্থায়ী ঠিকানা এক হলে চেক বক্সে টিক দিন। অন্যথায় আলাদা করে লিখুন। একইভাবে বর্তমান ঠিকানার ঘর পূরণ করুন৷

ধাপ ৬: অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়মগুলো পরিপূর্ণভাবে সম্পাদন করার জন্য পরের পৃষ্ঠায় আবেদনকারীর তথ্য দিতে হবে। এখানে আবেদনকারীর সাথে নিবন্ধনকারীর সম্পর্ক, আবেদনকারীর মোবাইল নম্বর, ইমেইল জমা দিতে হবে। নিবন্ধনকারীর বয়স যদি ১৮ বছরের বেশি হয় তাহলে তিনি নিজেই আবেদন করতে পারবেন।

ধাপ ৭: সকল তথ্য নির্ভুলভাবে দিলে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হবেন না। অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়মগুলো ধাপ ৭ এর আগ পর্যন্ত ভালোভাবে মেনে চললে আর কোনো সমস্যায় পড়ার কথাও না! তথ্যগুলো জমা দেওয়ার পর আপনাকে একবার দেখানো হবে। তথ্যগুলো ভালোমতো যাচাই করে নিন। ভুল থাকলে সংশোধন করে ফেলুন। তারপর আপনাকে ইপিআই টিকার কার্ড এর সত্যায়িত কপি এবং জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের জন্য পিতা/মাতা/পিতামহ/পিতামহীর দ্বারা স্বনামে স্থায়ী ঠিকানা হিসেবে ঘোষিত আবাসস্থলের বিপরীতে হালনাগাদ কর পরিশোধের প্রমাণপত্র সংযোজন করতে হবে।

এরপর সাবমিট বাটনে ক্লিক করুন।

ধাপ ৮: জন্ম নিবন্ধনের আবেদন ঠিকভাবে সাবমিট করা হয়ে গেলে আপনাকে একটি আবেদন নম্বর দেওয়া হবে। এই নম্বর দিয়ে সহজেই জন্ম নিবন্ধনের অবস্থা জানতে পারবেন। এই পৃষ্ঠার “আবেদনপত্র প্রিন্ট করুন” বাটনটিতে ক্লিক করে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে নিন। এই তো জেনে নিলেন অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম -গুলো!

ধাপ ৯: আবেদন করার ১৫ দিন পর প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র এবং আবেদনপত্রটির প্রিন্ট কপি নিয়ে স্থানীয় নির্দিষ্ট কার্যালয়ে উপস্থিত হতে হবে। এগুলো জমা দেওয়ার পর জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেটটি পেয়ে যাবেন।

ব্যস, এই অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম -গুলো মেনে চললেই আপনার কাজ অনেকটুকু সহজ হয়ে যাবে।

জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগেজন্ম সনদ তৈরি করার নিয়ম হলো নির্ধারিত আবেদন ফর্ম পূরণ করে নিবন্ধকের নিকট কিছু দলিল বা প্রত্য...
22/10/2022

জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে

জন্ম সনদ তৈরি করার নিয়ম হলো নির্ধারিত আবেদন ফর্ম পূরণ করে নিবন্ধকের নিকট কিছু দলিল বা প্রত্যয়নসহ গিয়ে আবেদন করা। এছাড়া অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা যাবে। চলুন দেখে নেওয়া যাক নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে কি কি লাগে:

শিশুর বয়স ০ থেকে ৪৫ দিন হলে জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে

শিশুর পিতা-মাতার জতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অথবা পিতা-মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি)।
সংশ্লিষ্ট চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বা উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে প্রাপ্ত জন্ম সংক্রান্ত সনদের সত্যায়িত অনুলিপি।
হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের ফটোকপি অথবা ইউ.পি ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের ফটোকপি।
আবেদনকারীর (শিশুর) ১ পাসপোর্ট সাইজ কপি ছবি।
শিশুর বয়স ৪৫ দিন থেকে ৫ বছর পর্যন্ত হলে জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে

ইপিআই কার্ড (টিকা কার্ড) -এর সত্যায়িত ফটোকপি অথবা ইপিআই কর্মীর প্রত্যয়নপত্র।
হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের ফটোকপি অথবা ইউ.পি ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের ফটোকপি
শিশুর পিতা-মাতার জতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অথবা পিতা-মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি)।
আবেদনকারীর (শিশুর) ১ পাসপোর্ট সাইজ কপি ছবি।
বয়স ৫ বছরের বেশি হলে জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে

উপযুক্ত চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত প্রত্যয়নপত্র, অথবা শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদপত্র, অর্থাৎ পি.এস.সি/জে.এস.সি/এস.এস.সি অনুরূপ পরীক্ষার সার্টিফিকেটের ফটোকপি।
হোল্ডিং ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের ফটোকপি অথবা ইউ.পি ট্যাক্স পরিশোধের রশিদের ফটোকপি
পিতা-মাতার জতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অথবা পিতা-মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি)।
আবেদনকারীর ১ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
জন্ম তথ্য প্রদানকারী কারা?

জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম অনুযায়ী শিশুর পিতা বা মাতা বা অভিভাবক শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম সংক্রান্ত তথ্য নিবন্ধকের নিকট প্রদানের জন্য দায়ী থাকবেন।

এছাড়া যারা কোনো ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধনের জন্য নিবন্ধকের নিকট তথ্য প্রেরণ করতে পারবেন:

১) ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং সচিব;
২) গ্রাম পুলিশ;
৩) সিটি কর্পোরেশন বা পৌরসভার কাউন্সিলর;
৪) ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন অথবা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় নিয়োজিত স্বাস্থ্যকর্মী ও পরিবার কল্যাণকর্মী;
৫) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেক্টরে নিয়োজিত বেসরকারী প্রতিষ্ঠানের (এনজিও) মাঠকর্মী;
৬) কোনো সরকারী বা বেসরকারী হাসপাতাল বা ক্লিনিক বা মাতৃসদন বা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জন্মগ্রহণের ক্ষেত্রে উহার দায়িত্বপ্রাপ্ত মেডিকেল অফিসার অথবা ডাক্তার বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা;
৭) নিবন্ধক কর্তৃক নিয়োজিত অন্য কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী;
৮) জেলখানায় জন্মের ক্ষেত্রে জেল সুপার বা জেলার বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি;
৯) পরিত্যক্ত শিশুর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা;
জন্ম নিবন্ধন কোথায় করবেন?

জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম অনুযায়ী ব্যক্তির জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা বা বর্তমানে বসবাস করছেন এমন যেকোনো স্থানের নিবন্ধকের কাছে জন্ম নিবন্ধন করানো যাবে। জন্ম নিবন্ধনের জন্য যারা নিবন্ধক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন:

১) ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বা সরকার কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা সদস্য;
২) পৌরসভার মেয়র বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো কর্মকর্তা বা কাউন্সিলর;
৩) সিটি কর্পোরেশনের মেয়র বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা বা কাউন্সিলর;
৪) ক্যান্টনমেন্ট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা; ও
৫) বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত বা তৎকর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তা।
উল্লেখ্য, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন ও গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় জোনাল এক্সিকিউটিভ অফিসারগণ, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনসমূহে সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলরগণ, বরিশাল, সিলেট ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনে প্রধান কার্যালয়ে এবং নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনে পুরাতন পৌরসভা কার্যালয়ের কর্মকর্তাগণ জন্ম নিবন্ধকের দায়িত্ব পালন করছেন।

ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবেন?ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবেন?ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবেন?আমরা সবাই প্রতিনিয়তই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প...
19/10/2022

ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবেন?
ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবেন?
ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবেন?

আমরা সবাই প্রতিনিয়তই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোতে অনেক ধরনের ভিডিও দেখি। ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রামে আজ ভিডিও শেয়ারিং বেড়ে গেলেও, ভিডিও শেয়ারিং সাইট হিসেবে প্রথম জনপ্রিয় হয়ে উঠে ইউটিউব। আর ২০০৫ সালে ইউটিউব চালু হবার পরে ভিডিও এর ভিন্নতার মাত্রা আজকে গিয়ে অন্য এক চূড়ায় গিয়ে থেকেছে। তবে আমরা যদি আরো পেছনে যাই, ডিজিটাল ক্যামেরার আবির্ভাবের পর থেকেই ভিডিওর বিবর্তন শুরু, টেলিভিশনে বিভিন্ন অনুষ্ঠান প্রচারের জন্যে নির্মাণ করা চিত্রগুলো বানানোর পর থেকে প্রচারের আগ পর্যন্ত বেশ কয়েকবার এডিট বা সম্পাদন করা হতো। আর এই ভিডিও এডিটিং এর কাজই বর্তমানে এই তথ্য প্রযুক্তিময় যুগে চলে গিয়েছে অন্য এক চূড়ায়, কারণ নিজের দক্ষতা দেখিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশ সহ বিশ্বের অনেক দেশের মানুষেরাই আজ অর্থ উপার্জন করতে পারছে!

এখন প্রশ্ন আসতেই পারে, আমরা ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবো আর কিভাবে শিখবো? এই দুই প্রশ্নেরই উত্তর আপনাকে চমকে দিতে পারে। আমরা যদি ভিডিও এডিটিং শিখে ফেলি কিছু কোর্সের দ্বারা, এটা আমাদের জন্য অনেক সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিবে। তাহলে আমাদের ভিডিও এডিটিং এর আদ্যোপান্ত সম্পর্কে আগে ধারণা নিতে হবে। শুরুতেই যদি বলতে হয়, যে ভিডিও এডিটিং কি, এটি একটি স্কিল বা দক্ষতা যেটি যেকেউ নিজেদের ঘরে বসেই এই দক্ষতাটি অর্জন করতে সক্ষম হবে, শুরুতেই একটু জটিল লাগতে পারে ভিডিও এডিটিং এর বেশ কিছু ফিচারস, তবে বারবার প্র্যাক্টিসের দ্বারা তা কাটিয়ে উঠে ফেলা সম্ভব। ভিডিও এডিটিং এর বেশ কয়েকটি সুবিধা বা লাভের কথা যদি বলতেই হয় তাহলে একটু খুলেই বলতে হবে পুরো বিষয়টিই যাতে আপনারা বিস্তর ধারণা লাভ করতে সক্ষম হোন।

প্রথমেই যদি ভিডিও এডিটিং কেনো শিখবো এটার উত্তর দিতে হয় তাহলে অবশ্যই বলতে হবে, বর্তমানে ভিডিও এডিটিং একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে এবং যেটির মাধ্যমেও দ্বারা আয় করা সম্ভব। আপনারা খেয়াল করলে বুঝবেন, আমি শুরুতেই বলেছিলাম যে আমরা আজকাল সোশ্যাল মিডিয়াতে অসংখ্য ভিডিও দেখি যেগুলোর বেশিরভাগই এডিট করে তারপর আপলোড করা হয়। এর পেছনে অনেক কারণ আছেই, মূলত যেটা প্রধান তা হলো যাতে যে ভিডিওটা দেখছে কিভাবে তার মনোযোগ ধরে রাখা যায়, ভিডিও স্টোরির পাশাপাশি এডিটিং কারিকুরি দেখিয়েও তা সম্ভব। তো এখন কমবেশি সব ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানই নিজেদের উপস্থিতি মানুষের মধ্যে জানান দেয়ার জন্যে হলেও বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ করে। বর্তমানে এর চাহিদার জন্যেই অনলাইনে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান গুলো নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়া পেজগুলোতে পোস্ট বা ভিডিও শেয়ার করে থাকে, মার্কেটিং এর কাজটাও হয়ে এরই মাধ্যম।

যদি আমরা একটু চিন্তা করে দেখি, যে আসলে এই কাজটার জন্যে কোম্পানিগুলো নিজেদের প্রতিষ্ঠানে ভিডিও এডিটর নিয়োগ দেয়, কাজ করে দেয়ার বিনিময়ে ভালো একটা আয়ও হয়ে যায়। আর বর্তমানে টেক দুনিয়া যতোটা এগিয়ে যাচ্ছে, ভিডিও এডিটিং এর চাহিদা এমনিতেই বেড়ে চলেছে প্রতিনিয়তই। শুধু নিজ দেশের মধ্যে এটা সীমাবদ্ধ থাকছে না, বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতেও বাইরের দেশের প্রতিষ্ঠান্গুলো নিজেদের কাজগুলো ফ্রিলান্সিং এর মাধ্যমে ভিডিও এডিটিং এর কাজ করিয়ে নিচ্ছে, এতে অনেক মানুষেরই কর্মসংস্থান হচ্ছে। আর এই কাজটার চাহিদা দিনদিন এতোই বাড়ছে যে যেকেউ যেকোনো বয়সের মানুষ এই কাজটা শিখে নিজেদের ভিডিও এডিটিং এ ক্যারিয়ার বানিয়ে নিচ্ছে।

আয়ের একটা সুযোগ থাকার পাশাপাশি আরো অনেক কাজেই ভিডিও এডিটিং কাজে লাগতে পারে। যদি কেউ ভিডিও এডিটিং এ দক্ষ হয়ে থাকে তাহলে, তার একটা চাহিদা থাকবেই মানুষের কাছে। নিজের এই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে নিজের ব্যক্তিগত ব্যবহারেও ভিডিও এডি্টিং এর কাজ খুবই কার্যকরী হয়ে উঠে। হয়তো নিজেদের একটি অনুষ্ঠান বা ইভেন্ট চলাকালীন সময়ে কিছু দৃশ্য ধারণ করা হলো, এখন হুবুহু তাই ব্যবহার করা গেলেও খুব একটা ভালো ফল বয়ে আনে না। এই জন্যেই ভিডিও এডিটিং এর দক্ষতা থাকলে খুব সহজেই ভিডিওটি এডিট করে ব্যবহারের উপযোগী কর তোলা সম্ভব হবে।

ভিডিও তৈরির আরেকটা উদ্দেশ্য হলো এটা যাতে মানুষের মধ্যে কিছু না কিছু প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে। তা না হলে শুধু শুধু ভিডিও এর কোনো বানানোর কারণ নেই আসলে! একটা ভিডিও যতোটা মানুষের মনের মধ্যে প্রভাব খাটাতে পারবে, ততোই মানুষের মধ্যে সেই ভিডিও নিয়ে একটা আলোচনার ইচ্ছা বা আবেগ প্রকাশের ইচ্ছা থাকবেই। এমন অনেক বিষয়ই আছে আমাদের সমাজে যেগুলো অনেক জরুরি বিষয় আলোচনার দাবি রাখে তার কোনো সন্দেহ নাই। কিন্তু একটি ভিডিও এর মাধ্যমেই পুরো বিষয়টাকে গুছিয়ে তুলে ধরা গেলে মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেয়া সহজ হবে। মানুষের মধ্যে একটা বৈশিষ্ট্য আছে যে, অনেকেই কিছু জিনিস দেখার মাধ্যমে দ্রুত শিখে ফেলে, এই ক্ষমতার কারণে তাদেরকে ভিডিওতে কিছু উপস্থাপনের মাধ্যমে খুব সহজেই প্রভাবিত করা যাবে। মার্কেটিং এর এক অনন্য হাতিয়ার এই ভিডিও এডিটিং, এডিটেড ভিডিও সবসময়ে থেকেই যায়। একে অপরের মাঝে এই ভিডিও শেয়ায়ের দ্বারা ভিডিও ছড়িয়ে যায় অনেকেরই হাতে, যা একটা বিশাল জনগোষ্ঠীকে মূহূর্তের মধ্যেই তাদের মনযোগ নিয়ে ফেলা সম্ভব।

আগেই বলেছি যে ভিডিও একবার তৈরির পর তা কোথাও আপলোড করে দিলে, আর মানুষের শেয়ারের দ্বারা অনেকের মাঝে ছড়িয়ে পড়ার ফলে এক ভিডিও তার জনপ্রিয়তা পায়। সেই আপলোড করা ভিডিও যেকোনো সোশ্যাল মিডিয়া প্লার্টফর্মে কিন্তু থেকেই যায়, যদি না কতৃপক্ষের দ্বারা তা সড়িয়ে ফেলা হয়। ভিডিওটার টপিক নিয়ে কেউ গুগল বা ইউটিউবে সার্চ করলেই সে ভিডিওটি খুজে বের করা সম্ভব, আর তা পরবর্তীতে গবেষনার কাজেও ব্যবহার করা সম্ভব। অনেকেই আছে যারা একই বিষয়ে ভিডিও কন্টেন্ট বানিয়ে অনলাইনে দিয়ে দেয়, আর সেই টপিকের আলোকে যে কেউ একটু অনলাইনে ঘাটাঘাটি করলেই তারা অসংখ্য রিসোর্স থেকেই নিজেদের কাজে লাগিয়ে ফেলা সময়ের ব্যাপার। গবেষনার কাজে বা পড়ালেখার কাজে হোক, ভিডিও খুব ভালো একটি টুল কিছু শেখার জন্যে। কখনোই শেখা থেমে থাকে না, ধারাবাহিক এই শিখন পদ্ধতির মাধ্যমে। আর মজার বিষয় হলো যে অনলাইনে থেকে যাওয়া ভিডিও যেকোনো সময়, যেকোনো পরিস্থিতিতে ব্যবহার করা যাবে, শুধু প্রয়োজন ইন্টারনেট সংযোগ এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস। তো এই অসাধারণ ফিচারটাকে কাজে লাগিয়ে যেকেউ নিজেদের প্রয়োজন মেটাতে পারে।

গ্রাফিক্যালি কোনো কিছু উপস্থাপন করতে গেলেই সেখানে চলে আসে মানুষের কল্পনাশক্তির কত কিছু। তবে, ভিডিও এডিটিং এর সাথেও কিন্তু নিজেদের সৃজনশীল দিকটার সম্পর্ক আছে। একটা ভিডিও তখনি ভালো হবে, যখন সেটা যে দেখছে তার মনে নাড়া দিতে পারে। কিছু একটার সূচনা করে দিতে পারে। তো একজন ভিডিও এডিটর নিজের কল্পনা শক্তিকে কাজে লাগিয়েই সামনে এগিয়ে যাওয়া, তার কাজ দিয়ে দর্শকের মনের মধ্যে কিছু আবির্ভাব করার সু্যোগ সৃষ্টি হয়। নিজের সৃজনশীলতা বিকাশের একটা সুন্দর ক্ষেত্র কিন্তু ভিডিও এডিটিং, কারণ আমরা জানি কেউ একজন ভিডিও এডিট করার আগে তাকে ভাবে নিতে হয় যে সে আসলে কিভাবে আগাবে, কোন জায়গায় কিভাবে কোন জিনিসের মিশ্রণ করবে থেকে শুরু করে সবকিছু। আর এসব করতে পারাটা অবশ্যই একটি স্কিল বা দক্ষতা, কোনো সন্দেহ নাই!

তো এতক্ষন আমরা জানলাম যে ভিডিও এডিটিং দিয়ে আসলে আমরা কিভাবে কি থেকে কি করতে পারি, এর প্রয়োজনীয়তা কি আরো অনেক কিছু। কিন্তু এতো কিছু জানলে এখন নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছা করবে, এই স্কিলটা শিখবো কিভাবে? এর উত্তর দেবার আগে অবশ্যই এটা জানে রাখে জরুরি যে যেকোনো স্কিল প্রথমবারের মতো শিখতে গীলে অনেক বাধা পার করতে হয়, শুরুতেই অনেক কিছু দেখেই মনে হতে পারে যে এটি মনে হয় অনেক সহজ একটা কাজ, আসলে তা না। তবে কিছু গাইডলাইনস ফলো করে আগালে অনেক কষ্টই কম হবে। বর্তমানে এই স্কিলের মতো আরও অনেক কোর্স আছে যেগুলোর চাহিদা অনেক বেশি। যেকোনো জায়গা বা ট্রেনিং ইন্সটিটিউট বা অনলাইন প্লার্টফর্ম থেকে কিছু অর্থের বিনিময়ে এই স্কিলটা শিখে ফেলা যায়। বেশ কিছু জনপ্রিয় ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার আছে, যেগুলো দিয়ে যে কেউ ভিডিও এডিটিং শুরু করতে পারে।

জনপ্রিয় কয়েকটা হলো,

০১। এডোবে প্রিমিয়ার প্রো,

০২। এডোবে আফটার এফেক্টস,

০৩। এডোবে প্রিমিয়ার এলেমেন্টস,

০৪। ফিল্মোরা,

০৫। ভিএসডিসি,

০৬। লাইটওয়ার্কস,

০৭। ওপেনশট, ইত্যাদি

প্রিমিয়ার প্রো এর বিভিন্ন ভার্সন আছে, যেকোনো একটি দিয়েই কিন্তু যাবতীয় শিখার কাজটা শুরু করা যায়, কাজ শেখার মধ্যে কোনো ব্যাঘাত হবে না। তবে ইন্টারনেট কানেকশন আর একটি কম্পিউটার বা ল্যাপটপ থাকা আবশ্যক। আর কাজ শেখা শুরুর আগে নিজের ডিভাইসে সফটওয়্যার গুলো ওয়েব থেকেই নামিয়ে নিয়ে রাখতে হবে, তারপর সেটআপ দিয়ে দিতে হবে। রান হলে তা দিয়ে কাজ শুরু করা যাবে, আর কোর্স শুরু করলে গোছানো পদ্ধতিতে কাজ শেখা শুরু আরো সহজ হয়ে যাবে!

যদি শেষে কিছু বলতেই হয় তা হলো, বর্তমানে যেভাবে টেক দুনিয়া সামনে আগায় যাচ্ছে, এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে সামনের দিন গুলোতে ভিডিও এডিটিং অন্য এক মাত্রায় পৌছে যাবে, অনেক জটিল জটিল বিষয়ের আবির্ভাব হবে যা এটিকে করে তুলবে আকর্ষনীয়। তো ভিডিও এডিটিং কেউ যদি শখের বশেও শেখা শুরু করে, তার এই পরিশ্রম বৃথা যাবে না। সে তার সামনের দিনগুলোতে এই দক্ষতাটিকে কাজে লাগিয়ে নিজের উন্নতির জন্যে সামনে এগিয়ে যাবার প্রেরনা খুজে পাবে। তাই এই মূল্যবান স্কিলটি শিখে ফেলুন এখনি, এবং সামনে দেখতে থাকুন এটি কোথায় গিয়ে পৌছে! অনেক কিছুই বদলে যাবে দ্রুতই, ভিডিও এডিটিং অনলাইন জগতে অন্য একটা মাত্রা নিয়ে আসবে, এতে কোনো সন্দেহ নাই!

আপনি যদি একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন। চলুন জেনে নিই কম্পিউটার ব...
18/10/2022

আপনি যদি একজন কম্পিউটার ব্যবহারকারী হয়ে থাকেন তবে এই পোস্টটি আপনার জন্য অত্যান্ত গুরুত্বপুর্ন। চলুন জেনে নিই কম্পিউটার বিষয়ে কিছু দরকারি টিপস –

ট্রিক্স▬1▬

পেনড্রাইভ/মেমোরী কার্ডে লুকানো থাকা ফাইল উদ্ধার করার জন্য search option গিয়ে “.” শুধু ডট লিখে search দিন। সব ফাইল চলে আসবে।

কম্পিউটার হয়ে যাক আরও গতিশীল▬COMPUTER TIPS & TRICKS BANGLA

• GO “ RUN “ – tree লিখে এন্টার করুন।

• GO “ RUN “ – prefetch লিখে এন্টার করুন।( একটা নতুন উইন্ডো আসবে সব ফোল্ডার এবং ফাইল ডিলিট করুন।

• GO “ RUN “ – temp লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।

• GO “ RUN “ – %temp% লিখে এন্টার করুন। এখন টেম্পোরারী ফাইল গুলো ডিলিট করুন।

প্রতিটা ড্রাইভের উপর মাউসের রাইট বাটুন ক্লিক করুন তারপুর প্রপারট্রিজ এ ক্লিক করুন ডিস্ক ক্লিনআপ এ ক্লিক করুন। আশা করি আপনার কম্পিটার এ অনেক গতি বেড়ে যাবে। পুরাতন কম্পিউটার এর জন্য বেশী কার্যকরী।

▬ COMPUTER কেন এবং কিভাবে HANG হয়?

• কম্পিউটারের প্রসেসরের মান বা কাজের তুলনায় স্পীড কম হলে ।

• কম্পিউটার র‌্যামের তুলনায় বেশী পরিমাণ কাজ করলে।আপনার কম্পিউটার র‌্যাম এর পরিমাণ কম কিন্তু আপনি অনেক বড় বড় কয়েকটি প্রোগ্রাম চালু করলেন। তাহলে তো হবেই।

• কম্পিউটার হার্ডডিক্স এর কানেকশন এবং প্রসেসরের কানেকশন ঠিকমত না হলে, বার বার একই সমস্যা হতে পারে

• যদি বার বার হ্যাং হয় তাহলে Cooling Fan টা check করেন এটা স্পীডে গুরছে কিনা।

• hard diskএ Bad sector থাকলে বা অন্য কোন হার্ডওয়্যারে ত্রুটি থাকলে।

• অপারেটং সিস্টেমে ত্রুটি থাকলে মানে…কোনো সিস্টেম ফাইল file delete হয়ে যাওয়াকে বুঝায়। যার কারণে কম্পিউটারে সমস্যা হতে পারে।

• কম্পিউটার ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে সাধারণত Hang হতে পারে।

এই কারণেই কম্পিউটারে বেশী Hangহয়। আর এই ভাইরাস অপারেটিং সিস্টেমের কিছু ফাইলের কার্যপদ্ধতিকে বন্ধ করে দেয় যার কারণে কম্পিউটার প্রয়ই হ্যাং হয়। কম্পিউটারে অতি উচ্চ মানের এন্টি ভাইরাস ব্যবহার করুন।

• হাই গ্রাফিক্স সম্পন্ন গেইম চালালে তখন র‌্যাম সম্পূর্ণ লোড হয়ে যায় এবং hang হওয়ার সম্ভনা থকে।

• কম্পিউটারের ফাইলগুলো এলোমেলোভাবে সাজানো থাকলে তার জন্য hang হওয়ার সম্ভনা থকে। refresh চাপেন এবং RUN এ গিয়ে tree চাপেন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬2▬

মনিটর এ ছবি দেখা না গেলে- Confirm হন যে মনিটরটি on. এবং brightness control চেক করুন , এবং এটি ঠিক মত সেট হয়েছে কিনা খেয়াল করুন। মনিটর এর সকল কানেকশন চেক করুন এবং surge protector ও surge protector টি চালু কি না চেক করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬3▬

কিছু সময় পরপর Start থেকে Run-এ ক্লিক করে tree লিখে ok করুন। এতে র‌্যামের কার্যক্ষমতা বাড়ে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬4▬

Ctrl + Alt + Delete চেপে বা টাস্কবারে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Task Manager খুলুন।তারপর Processes-এ ক্লিক করুন। অনেকগুলো প্রোগ্রাম-এর তালিকা দেখতে পাবেন। এর মধ্যে বর্তমানে যে প্রোগ্রামগুলো কাজে লাগছে না সেগুলো নির্বাচন করে End Process-এ ক্লিক করে বন্ধ করে দেন। যদি ভুল করে কোনো প্রোগ্রাম বন্ধ করে দেন এবং এতে যদি অপারেটিং সিস্টেম এর কোন সমস্যা হয় তাহলে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬5▬

প্রতি সপ্তাহ একবার আপনার hard drive Defragment এবং disk cleanup করুন।(1. click start – all programs – accessori – system utility – Defragment drive utility
2. click start – all programs – accessory – disk cleanup)

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬6▬

পিসি সেফ মোডে চালু হলে কি করবেন?

উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে চালু হতে না পারলে অনেক সময় সেফ মোডে চালু হয়৷ সেফ মোড হলো উইন্ডোজের বিশেষ একটি অবস্থা যখন এটি একেবারে প্রয়োজনীয় ফাইল এবং ড্রাইভারসমূহ নিয়ে লোড হয়৷ বলা যেতে পারে ‘বিপদকালীন‘ অবস্থা যখন নূন্যতম রসদ দিয়ে প্রাণে বেচে থাকাটাই গুরুত্বপূর্ণ৷ সেফ মোডে উইন্ডোজ চালু হলে প্রাথমিক ভাবে রিস্টার্ট করে দেখা যেতে পারে পুনরায় স্বাভাবিকভাবে তা চালু হয় কিনা৷ বার বার করে ব্যর্থ হলে বুঝতে হবে সমস্যাটি গুরুতর৷ উইন্ডোজের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের ক্ষতি বা হার্ডওয়ারের সমস্যার কারণে তা হতে পারে৷ কোনো নতুন হার্ডওয়্যার সেটিংস পরিবর্তনের ফলে যদি উইন্ডোজ বার বার সেফ মোডে চলে যায় তবে পূর্ববর্তী সেটিংসটি রিভার্স করে ফেলাই শ্রেয়৷ সেফ মোডকে এজন্য ডায়াগনিস্টিক মোডও বলা হয়৷ উইন্ডোজ চালু হওয়ার সময় F8 চাপলে যে মেনু আসে সেখান থেকে সেফ মোড চালু করা যেতে পরে৷ তবে আগেই বলা হয়েছে; এটি ডায়াগনিস্টিক মোড৷ এই মোডে বাড়তি কোনো কিছুই যেমন- সাউন্ড, প্রিন্টার, হাই কালার ডিসপ্লে ইত্যাদি কিছুই কাজ করবে না৷.

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬7▬

আপনার hard disk এ দুইটি partition করুন এবং সেকেন্ড পার্টিশনে Install করুন সব large Softwares (like PSP, Photoshop, 3DS Max etc). Windows এর জন্য আপনার C Drive যথাসম্ভব খালি রাখুন যাতে Windows RAM full হওয়ার পর আপনার C Drive কে virtual memory হিসেবে use করতে পারে।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬8▬

আপনার পিসি পুরো বুট না হওয়া পযর্ন্ত কোন application open করবেননা।

কম্পিউটার টিপস /ট্রিক্স▬9▬

যে কোন application close করার পর আপনার desktop F5 চেপে refresh করে নিন, যা আপনার পিসির RAM হতে unused files remove করবে।

2D & 3D অ্যানিমেশন এর ফুল কোর্স শিখতে এখনি নিচের ↓ দেওয়া লিংকে ক্লিক করে আপনি ও হয়ে যান অ্যানিমেশন এর উপরে দক্ষ ফ্রিল্যা...
01/10/2022

2D & 3D অ্যানিমেশন এর ফুল কোর্স শিখতে এখনি নিচের ↓ দেওয়া লিংকে ক্লিক করে আপনি ও হয়ে যান অ্যানিমেশন এর উপরে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার 🤩🤩

https://drive.google.com/drive/folders/1k4eZ7DRgjZ3Kyv0FUcF_CMsI6WI2YNvQ?usp=sharing

বাসায় বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ফুল কোর্স শিখতে এখনি নিচের ↓ দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন😇🥰https://drive.google.com/drive/mobile...
13/07/2022

বাসায় বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন এর ফুল কোর্স শিখতে এখনি নিচের ↓ দেওয়া লিংকে ক্লিক করুন😇🥰

https://drive.google.com/drive/mobile/folders/1vCqu3ze8LR41NM6WC4FwSK-Jhz-eUlXG?fbclid=IwAR26MXN53dvhGWilup9ycpvJ-Li6TL1HUdKVcBuB99DDF-l9EVwfGChnMzQ

আশা করে পেইজে লাইক কমেন্ট এবং শেয়ার দিয়ে পাশে থাকবেন 😍😍
ধন্যবাদ।

ভারতে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য কাগজ সাজানোর নিয়ম/ যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে🏞
26/01/2022

ভারতে ভিসার আবেদন জমা দেওয়ার জন্য কাগজ সাজানোর নিয়ম/ যে সকল কাগজপত্র জমা দিতে হবে🏞

Address

Dhaka
1349

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mozumder It Solution Firm posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mozumder It Solution Firm:

Share