Hyper Commission

Hyper Commission Helping you with digital products, business ideas and ex*****on process.

এক লোক পরকালে তার আমলনামায় পাপের বিশাল ভান্ডার নিয়ে সৃষ্টিকর্তার সামনে উপস্থিত হল।তাকে জাহান্নামে পাঠানোর আদেশ দেয়া হল, ...
11/12/2024

এক লোক পরকালে তার আমলনামায় পাপের বিশাল ভান্ডার নিয়ে সৃষ্টিকর্তার সামনে উপস্থিত হল।
তাকে জাহান্নামে পাঠানোর আদেশ দেয়া হল, তবে নিজ ইচ্ছা অনুযায়ী জাহান্নাম সিলেক্ট করতে বলা হল।
লোকটার সামনে অনেকগুলো জাহান্নামের স্যাম্পল দেয়া হল এবং জিজ্ঞেস করা হল সে কোনটাতে যাবে।
⚠️ স্যাম্পল ০১ রক্তের মত লাল টগবগে আগুনে পরিপূর্ণ দোজখ
⚠️ স্যাম্পল ০২ মাইনাস ইনফিনিটি তাপমাত্রায় থাকা বরফের তৈরি নরক
⚠️ স্যাম্পল ০৩ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় থাকা তপ্ত বালুর মরুভূমি
⚠️ স্যাম্পল ০৪ ময়লা পচা ম-ল মু-ত্রে পরিপূর্ণ বিশাল এক লেকের জাহান্নাম

এবং আরও অনেক টাইপের . . . . . .

লোকটা ভয়ে ভয়ে সবগুলা স্যাম্পল পরিদর্শন করার সময় হটাত দেখতে পেল, ম-ল মু-ত্রে পরিপূর্ণ যে দোজখ সেটার উপরে এক ভদ্রলোক আরাম আয়েশে বসে চা খাচ্ছে।

এটা দেখে তার মনে হতে লাগলো, অন্যান্য নরকের তুলনায় এটা অপেক্ষাকৃত সহজ এবং এটা সে সহ্য করতে পারবে।

যে কথা সেই কাজ, দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে নরকের কর্মীদের বলল আমি এইটাতে যাইতে চাই। কর্মীরা তার আবেদন তাড়াতাড়ি অনুমোদন সাপেক্ষে ঢিল মেরে তাকে তার পছন্দের নরকে ফেলে দিলো।

ধরাশশশশ..... ধুরুমমমম.... বগবগবগ

ওমা! একি!

আমি তো Gu এর ডোবায় ডুবে যাচ্ছি।
লোকমায় লোকমায় Gu খাচ্ছি।

এমনতো হওয়ার কথা ছিল না?

আমারতো ডোবার উপরে বসে চা খাওয়ার কথা।

এটা অন্যায়। হে নরকের কর্মী, এ অন্যায়।

নরকের সুপারভাইজার উত্তরে বলল – তুমি যা দেখেছো ঠিকই দেখেছো। তুমিও ডোবার উপরে ভেসে চা খাওয়ার সুযোগ পাবে তবে, ৩৬ বছর পর।

এই নরকে প্রত্যেক জাহান্নামী একটা করে চা পান বিরতি পায় ৩৬ বছর পর পর। তুমি যাকে দেখে ডিসিশন নিয়েছিলে, সে টানা ৩৬ বছর Gu খাওয়ার পরে চা খাওয়ার এই সুযোগ পেয়েছে। সময় হলে তুমিও পাবে। 😂 😂

গল্পটা বলার কারন হচ্ছে, আমরা অধিকাংশ সময়ই অনলাইনে মানি মেকিং অপুরচুনিটি দেখে, দিক পাশ না ভেবে ডিসিশন নিয়ে ফেলি এই ভেবে যে, এটা মনে হয় খুব দ্রুত এবং সহজ উপায় ভালভাবে আরাম আয়েশে কাজ করে জীবন পার করে দেয়ার জন্য। বাস্তবতা কিন্তু আসলে এরকম নয়, অনেক কঠিন।

আমরা শুধুমাত্র সফল মেন্টরদের চা খাওয়ার পর্বটা দেখি। তাদের বিগত বছরের Gu খাওয়ার পর্ব দেখি না।

মনে রাখবেন, সফল হতে চাইলে বিক্রয় করার বা করতে পারার কোন বিকল্প নাই। আপনাকে বিক্রি করা শিখতেই হবে। যত বেশী বিক্রি করতে পারবেন তত তাড়াতাড়ি চা খাওয়ার সুযোগ পাবেন। যত দেরিতে বিক্রি শিখবেন তত লম্বা সময় নিয়ে আপনাকে অপেক্ষা (খারাপভাবে বললাম না) করতে হবে।

আর বিক্রি করা জানলে আপনি আপনার নিজের প্রোডাক্ট, সার্ভিস সেল করতে পারবেন অনায়াসে। পুঁজি কম থাকলে অন্যের প্রোডাক্ট সার্ভিস অথবা স্কিল সেল করে কমিশন জেনারেট করতে পারবেন সহজেই।

অনলাইনে ক্যারিয়ার, বিজনেস এবং স্কিল ডেভেলপের আগে অনলাইন সেলস এবং অ্যাডভারটাইজিং শিখুন।

সিদ্ধান্ত আপনার
ডিজিটাল সেলস, অ্যাডভারটাইজিং এবং অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শিখতে কমেন্টে দেয়া লিংকে ভিজিট করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিন।

ব্যাবসা করতে চাই, কিন্তু আব্বা টাকা দিতে চায় না? কেন?বাবা টাকা দিচ্ছে না ভয়ে।কারণ বাবা এর আগে ব্যাবসা করেনি কিংবা যাদেরক...
10/12/2024

ব্যাবসা করতে চাই, কিন্তু আব্বা টাকা দিতে চায় না? কেন?
বাবা টাকা দিচ্ছে না ভয়ে।
কারণ বাবা এর আগে ব্যাবসা করেনি কিংবা যাদেরকে কাছ থেকে ব্যাবসা করতে দেখেছেন তাদের ৯০% ই হয়তো ধড়া খেয়েছে।
পুত্রের কথা বার্তা কিংবা বাবাকে বুঝানোর দক্ষতা যখন বাবার ভয়কে জয় করতে পারে না তখন বাবা টাকা দিতে চায় না।
এখেত্রে আমি বলব পুত্রের দোষ।
তার ব্যাবসা করার জন্য যে কমিউনিকেশন স্কিল প্রয়োজন হয় সেটা এখনও তৈরী হয়নি।
নিজের অতি আপনজনের ভয় দূর করে পয়সা বের করতে না পারলে সে কিভাবে অন্যের ভয় দূর করে সেই পয়সা আবার ঘরে ফিরিয়ে আনবে?
যদি জানতে চান কিভাবে মানুষের মনে, যা আছে তা হারানোর ভয় অথবা যা নেই তা পাবার আকাঙ্ক্ষা ক্রিয়েট করে নিজেকে অথবা নিজের প্রোডাক্ট কিংবা সার্ভিস বিক্রি করতে হয় তাহলে এই কোর্সটা আপনার জন্য।
যত দ্রুত শিখে প্রয়োগ করবেন, তত দ্রুত মার্কেট কাঁপাবেন। অন্যের সাকসেস দেখার অপেক্ষায় গড়িমসি, দ্বিধাদন্দ, আর সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগে সময় নষ্ট করবেন, তো পরে কাঁদবেন।
একমাত্র দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরাই সফল হয়।

কমেন্টে লিংক দেয়া আছে। হাজার মানুষের চাইতে নিজেকে এগিয়ে রাখতে এখনই এই মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিন।

ভয় নাকি ভালোবাসা?যাদের বয়স ৩২ থেকে ৪৫ এর আশেপাশে তাদের মোটামুটি অধিকাংশই মোহাব্বাতে ছবিটা দেখেছেন হয়তো।এই ছবিতে অমিতাভ ব...
10/12/2024

ভয় নাকি ভালোবাসা?

যাদের বয়স ৩২ থেকে ৪৫ এর আশেপাশে তাদের মোটামুটি অধিকাংশই মোহাব্বাতে ছবিটা দেখেছেন হয়তো।

এই ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের অনেক বিখ্যাত একটা ডায়ালগ আছে।

সেটা হচ্ছে

“মোহাব্বাত অর ডড় কি জুন্মে

জিত হামেশা ডড় কি হোগি”

মানে হচ্ছে ভালোবাসা আর ভয়ের দৌড়ে জয় সবসময় ভয়ের হয়।

যদিও সিনেমার শেষে দেখানো হয় ভালোবাসার জয়।

কিন্তু বাস্তব এরকম নয়। বাস্তবে ৯৯ শতাংশ মানুষই ভয়কাতুরে। ভয়ের কাছে হার মানে।
যারা ভয় দেখাতে পারে, তারা হয়ে ওঠে ক্ষমতাবান এবং শক্তিশালী।
আর যারা ভয় তৈরি করে সেই ভয়ের সমাধান বিক্রি করতে পারে তারা হয়ে ওঠে উদ্যোক্তা কিংবা সেলসম্যান।

মানুষের মাঝে ভয় তৈরি করতে পারা একটা জাদুকরী স্কিল।
রাইট ওয়েতে ভয় তৈরি করে তাকে সঠিক তাবিজ অফার করুন, দেখবেন তরতর করে পকেটে হাত দিয়ে উনার পয়সা আপনাকে দেয়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে যাবে।

বিক্রি করার জন্য “ভয়” একটা বিশাল ফ্যাক্টর। আপনাকে শুধু সেই ভয়টা খুঁজে বেড় করে আপনার কাস্টমারের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে।

যদি জানতে চান কিভাবে মানুষের মনে ভয় তৈরি করে তার সঠিক সলিউশন হিসেবে আপনার প্রোডাক্ট অফার করবেন, তাহলে কমেন্টে দেয়া লিংকে ক্লিক করুন।

সাবধান উদ্যোক্তা হওয়া সহজ নাআমাদের মধ্যে অনেকেই উদ্যোক্তা হতে চাই, মনে করি উদ্যোক্তা হইলে দেশ বিদেশ ট্যুর, বাড়ি গাড়ি সাথ...
20/11/2024

সাবধান উদ্যোক্তা হওয়া সহজ না
আমাদের মধ্যে অনেকেই উদ্যোক্তা হতে চাই, মনে করি উদ্যোক্তা হইলে দেশ বিদেশ ট্যুর, বাড়ি গাড়ি সাথে সুন্দরী নারী সব হাসিল হবে। কিন্তু একবারও কি চিন্তা করি, উদ্যোক্তা / CEO ব্যাডারা কি কি সমস্যার সমাধান করে? নাকি হুজুগে উদ্যোক্তা হতে গিয়ে লসের সম্মুখীন হই?

যদি CEO, বিজনেস পারসন কিংবা উদ্যোক্তা হতে চান, তবে এই ৫০ টা প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বের করুন

✅ আপনি কেন বিজনেস করতে চান?
✅ কি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে বিজনেস করতে চাচ্ছেন?
✅ আপনার টার্গেট কাস্টমার কারা?
✅ আপনার প্রোডাক্ট এমন কি ইউনিক ভ্যালু প্রোভাইড করে?
✅ আপনার বিজনেসের কম্পিটিটর কারা এবং তাদের চেয়ে আপনি কেন আলাদা?
✅ আপনার প্রাইসিং স্ট্রাটেজি কি?
✅ আপনি কিভাবে আপনার বিজনেসের প্রমোশন এবং মার্কেটিং করবেন?
✅ আপনার প্রজেক্টেড সেলস এবং রেভেনিউ কত?
✅ আপনার প্রজেক্টেড প্রফিট মার্জিন কত?
✅ শুরু করার জন্য এবং মোটামোটি গ্রো করার জন্য আপনার কত টাকা দরকার?
✅ কিভাবে আপনি আপনার ব্যাবসার সফলতা পরিমাপ করবেন?
✅ আপনার শর্ট টার্ম এবং লং টার্ম গোল কি?
✅ আপনার বিজনেসের টার্গেট মার্কেট কোনটা?
✅ আপনার ইন্ডাস্ট্রির সাকসেস ফ্যাক্টর কোনগুলা?
✅ আপনার বিজনেস কিভাবে গ্রো এবং ম্যানেজ করবেন?
✅ কোন কাজগুলো আপনি পারেন, আর কোনগুলা আপনি পারেন না?
✅ আপনার অপুরচুনিটি এবং থ্রেড কি কি?
✅ বিজনেস করার জন্য আপনি টাকা কোথায় পাবেন?
✅ আপনার ব্রেকইভেন পয়েন্ট কোনটা?
✅ আপনার প্রজেক্টেড ক্যাশ ফ্লো এবং ব্যালেন্স সীট কত?
✅ আপনার প্রজেক্টেড ইনকাম স্টেট্মেন্ট কত?
✅ কিভাবে আপনি আপনার ইনভেন্টরি ম্যানেজ করবেন?
✅ টাকা কোন অ্যাকাউন্টে ঢুকবে এবং কোন অ্যাকাউন্ট থেকে খরচ হবে?
✅ কিভাবে আপনি আপনার কর্মচারীদের ম্যানেজ করবেন?
✅ কিভাবে আপনি আইনি জটিলতা এবং অনুমোদন সমস্যার সমাধান করবেন?
✅ আপনার কোম্পানির রিস্ক ম্যানেজমেন্ট করবেন কিভাবে?
✅ আপনার এক্সিট স্ট্রাটেজি কি?
✅ প্রপার্টি কিভাবে হ্যান্ডেল করবেন?
✅ পরিবহন এবং ডেলিভারি সমস্যার সমাধান কি?
✅ কাস্টমার সার্ভিস কিভাবে দিবেন?
✅ টেকনোলজি কিভাবে সেটআপ করবেন?
✅ বিজনেসটাকে ইন্টারন্যাশনালি কিভাবে গ্রো করবেন?
✅ পরিবেশদূষণের ব্যাপার থাকলে সেটা কিভাবে ম্যানেজ করবেন?
✅ সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট করবেন কিভাবে?
✅ আপনার বিজনেসের স্ট্রাটেজিক পার্টনারশিপ ডিলিংস কিভাবে করবেন?
✅ আপনি কিভাবে একত্রীকরণ এবং অধিগ্রহণ পরিচালনা করবেন?
✅ আপনি কীভাবে সংকট ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করবেন?
✅ আপনি কিভাবে সাস্টেইনিবিলিটি পরিচালনা করবেন?
✅ কিভাবে আপনি কর্পোরেট সোশ্যাল রেস্পন্সিবিলিটিস এবং অ্যাডমিনিস্ট্রেসন ম্যানেজ করবেন?
✅ আজ থেকে ৫/১০/২০ বছর পর আপনার বিজনেসকে কোথায় দেখতে চান?
✅ কিভাবে আপনি আপনার বিজনেস স্কেল করবেন?
✅ কিভাবে আপনি আপনার ব্যাবসার পরিধি বিস্তার করবেন?
✅ কম্পিটিশন বেড়ে গেলে কিভাবে আপনার ব্যাবসায় বৈচিত্র্য আনবেন?
✅ কিভাবে আপনার বিজনেসে ইনোভেসন করবেন?
✅ আপনি ডিজিটাল ট্রান্সফরমেসন কিভাবে পরিচালনা করবেন?
✅ গ্লোবালাইজেশন করবেন কিভাবে?
✅ আপনি কীভাবে তথ্যের গোপনীয়তা এবং সুরক্ষা পরিচালনা করবেন?
✅ সোশ্যাল মিডিয়া এবং অনলাইন প্রেজেন্স কিভাবে মেইন্টেইন করবেন?
✅ কিভাবে আপনি অটোমেশন এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যাপ্লাই করবেন?
✅ কিভাবে আপনি ইন্ডাস্ট্রি চেঞ্জ এবং বাধা বিপত্তি হ্যান্ডেল করবেন?

আশা করি এরপর উদ্যোক্তা হওয়ার আগে ১০০ বার ভেবেচিন্তে তারপর সিদ্ধান্ত নিবেন।

তবে একটা কথা কি জানেন? এই সমস্যাগুলোর ৯০ ভাগ বা তারও বেশি আপনি অন্যকে দিয়ে সমাধান করিয়ে নিতে পারবেন যদি আপনার ব্যাবসায় ক্যাশফ্লো তৈরি করতে পারেন। আর লেনদেন শুরু হয় বিক্রির মাধ্যমে। বিক্রি করতে চাইলে আপনাকে বুঝতে হবে কোথায় মানুষের সমস্যা, আবেগ, চাহিদা, ভয়, ব্যাথা, বিপদ ইত্যাদি। সেই অনুযায়ী ঠিক করবেন আপনি কোন নিশে গিয়ে কোন প্রোডাক্ট কার কাছে তার কোন সমস্যার সমাধান হিসেবে বিক্রি করবেন।

তাই উদ্যোক্তা হওয়ার আগে বিক্রি করা শিখুন। টেস্ট করে অন্যের ব্যাবসার পন্য বা সেবা বিক্রি করতে পারেন কি না। তারপর নিজে উদ্যোক্তা হোন।

কোন একটা প্রোডাক্ট কিভাবে বিক্রি করতে হয় অথবা বিক্রয়ের জন্য কিভাবে সেলিং অ্যাঙ্গেল ক্রিয়েট করতে হয় সেটা জানতে চাইলে আমার কোর্সে জয়েন করতে পারেন। এমন কিছু শিখবেন যা অন্য কেউ শিখায় না, এমন কিছু জানবেন যা অন্য কেউ জানায় না।

https://hypercommission.com

১৬ ই মে, ২০২৩। রাত বাজে ৯ঃ৩০। বনশ্রী, ঢাকা।ঝুম বৃষ্টি, এর মধ্যে হটাৎ আমার ছেলে বায়না ধরলো চিকেন ফ্রাই খাবে। ঐদিন মঙ্গলবা...
03/06/2023

১৬ ই মে, ২০২৩। রাত বাজে ৯ঃ৩০। বনশ্রী, ঢাকা।

ঝুম বৃষ্টি, এর মধ্যে হটাৎ আমার ছেলে বায়না ধরলো চিকেন ফ্রাই খাবে। ঐদিন মঙ্গলবার ছিল। ঢাকা শহরের অধিকাংশ এলাকায় প্রতি মঙ্গলবারে কেএফসির একটা অফার থাকে। ৯৯৯ টাকায় ২৪ পিস চিকেন, তাও আবার হোম ডেলিভারি। দিলাম কেএফসি তে ফোন।

ওপাশ থেকে ফোন ধরে বলল, স্যার বৃষ্টির কারনে আমাদের রাইডার অ্যাভেইলেবল নেই। আপনাকে অফারটা আমাদের আউটলেটে এসে নিতে হবে। পোলাডারে ধুনফুন বুঝানের ট্রাই করলাম, কিন্তু চালাকি বুইঝা ফালাইলো। যাই হোক, এক হাতে পোলা আরেক হাতে ছাতা নিয়া রিকশায় উঠলাম।

ওমা, এইবার তো আরেক ঝামেলায় পরলাম। রাস্তার কাজ চলমান থাকার কারনে এবং সেই সাথে বৃষ্টি হওয়ার জন্য রাস্তায় ভয়াবহ জ্যাম। রিক্সা, গাড়ী তো দূরে থাক, বাইকও লরাচরা করতে পারতাছে না। প্রায় ৪০ মিনিট বসে থেকে ৩০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার পর, আমার লক্ষ্মী বাচ্চাটা বুঝতে পারলো যে, আজকে আর চিকেন খাওয়া হবে না। সে নিজে থেকেই অতিস্ট হয়ে বলল, বাবা আজকে বাসায় চলে যাই, কালকে খাব। এদিকে এমন একটা অবস্থা যে, ওই রিক্সা নিয়েও বাসায় ফেরা পসিবল না। দুই সাইডেই জ্যাম। ততক্ষনে বৃষ্টিও কমে যাওয়ার কারনে রিক্সা থেকে বাপ ব্যাটা একসাথে নেমে গেলাম বাসায় ফেরার উদ্দেশে।

হাটছি আর ছয় বছরের দুষ্ট বাচ্চার আজগুবি প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছি। হটাৎ তার চোখ আটকে গেলো এক ফেরিওয়ালা ইলিশ বিক্রেতার দিকে। পাতিলের উপরে রাখা ছেনি, তার উপর ১ কেজি সাইজের ৫ টা চকচকে পদ্মার ইলিশ। দেখে আমারও জিভে জল এসে গেলো। ছেলে জিজ্ঞেস করলো, বাবা এগুলা ইলিশ মাছ না? আমি বললাম হুম। আমাদের বাসার ফ্রিজে কি ইলিশ মাছ আছে? না আব্বু, শেষ হয়ে গেছে। তাহলে তুমি ইলিশ মাছ নিয়ে নাও। আমি ইলিশ ফ্রাই দিয়ে ভাত খাবো।

মাঝি কয়, স্যার টাটকা মাছ, নিয়া যান। এই কয়ডাই আছে। বেইচা বাসায় যামুগা। আমি বললাম কত? কইলো, স্যার সারাদিন এই সাইজের মাছ বেচ্ছি ১৫০০ টাকায়। আপনি যদি সবগুলা নেন তাইলে একদাম ৫০০০ টাকা রাখুম। বেইচা বাসায় যামু তারাতারি, বৃষ্টির দিন, ব্যাবসা ভাল না।

৫০০০ টাকায় ৫ টা ১ কেজি সাইজের ইলিশ খারাপ না। বাজার থেকে কিনতে গেলে মিনিমাম ৬৫০০ থেকে সাত হাজার টাকা লাগবে। মানিব্যাগ হাতায়া দেখি, সব মিলায়া ৩৫০০ টাকা আছে। চিন্তা করলাম, থাক সবগুলা নেয়ার দরকার নাই। বরং একটা নিয়ে যাই আপাতত ছেলের ইচ্ছাপূরণ করি।

আমি বললাম, ভাই সবগুলা কিনার মত ব্যালেন্স নাই, আপনি একটা কত রাখবেন? বলল একটা বেচুম না। ক্যান? স্যার, আপনার কাছে একটা বেইচা পরে আবার বাকী ইলিশগুলা নিয়া বইসা থাকন লাগবো। নিলে ৫টাই নেন। লাগলে দাম আরও কমায়া রাখুম। মনের মধ্যে একইসাথে সন্দেহ আবার লোভও কাজ করলো। চিন্তা করলাম, মাছ পচা না তো। ভালো কইরা টিপ্পা টুইপ্পা দেখলাম। মাছ তো ঠিকই আছে। টসটসা তাজা।

জিগাইলাম, মামা কত রাখবেন বলেন। কয় আর ২০০ কম দেন। ৪৮০০ টাকা দেন। আমি বললাম তাইলে মামা বাদ দেন। আমার কাছে এখন এত টাকা নাই। একটা দিলে দেন। আমি হাটা ধরছি। পিছন পিছন আসা শুরু করলো ওরা ২ জন। বলল মামা মাছগুলা নিয়া যান, জিতবেন।

থাক মামা বাদ দেন। আইচ্ছা লাস্ট কত দিবেন বলেন, আমি ৩০০০ টাকা বললাম এই ভেবে, যে যদি দেয় তাহলে জিতলাম আর না দিলে নাই। এতগুলা মাছ আমার নেয়ার ইচ্ছা ছিল না, কারন ফ্রিজে পর্যাপ্ত বাজার ছিল যেখানে আমরা মানুষ মাত্র তিন জন। দেখলাম ২ জনের একজন আরেকজনরে কয়, দিয়া দে। কাইলকা বাইত যাওন লাগবো। আমি তো অবাক। সেই সাথে খুশীও। ওয়াও। মাছগুলো আবার চেক করলাম। ওরা হলুদ রঙের পলিতে মাছগুলো প্যাক করলো। আমি টাকা বের করতে লাগলাম।

মাছ আমার হাতে দেয়ার সময় আরও ৫০০ টাকার জন্য প্রচন্ড জোরাজোরি করতে লাগলো। কিন্তু দাম ঠিক হয়ে যাওয়ার পরে কি আর কেউ বাড়তি টাকা দিতে চায়? আমিও তার ব্যাতিক্রম ছিলাম না। তড়িঘড়ি করে মাছ নিয়ে কেটে পরলাম।

বাসায় এসে দেখলাম ৫ টা মাছের মধ্যে ২ টা পুরাই পচা, আর বাকী ৩ টা অখাদ্য চিটাগাং এর হিমায়িত ইলিশ। প্রত্যেকটার ওয়েট আনুমানিক ৫০০ গ্রাম করে।

ঘটনাটা কোথায় ঘটেছিল আসলে? ওরা ২ টা ব্যাগ মেইন্টেইন করে। একটা আপনাকে দেখানোর জন্য আরেকটা থাকে পাতিলের আড়ালে আপনাকে গচিয়ে দেয়ার জন্য। আপনার কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার সময় ওরা এমন একটা সিচুয়েসন ক্রিয়েট করবে, যাতে করে আপনি নিজেই ইমারজেন্সি লিভ নেন।

লেসনঃ রাত করে কখনও ফেরিওয়ালাদের কাছ থেকে ইলিশ মাছ কিনবেন না। যদি কিনেনও তাহলে দরদাম ঠিক হবার পরে আপনি নিজ হাতে মাছ প্যাক করে তারপর নিবেন।

গল্পটা বলার কারনঃ

বর্তমানে বেশ কিছু ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান ফ্রিল্যান্সিং, সিপিএ মারকেটিং এবং সিপিএ পেইড মার্কেটিং এর নাম করে প্রতারনা করছে। কিভাবে? তারা বলবে, ক্লাস চলাকালীন ইনকাম অথবা প্রথম দিন থেকেই ২০ থেকে ৩৫ ডলার, এমনকি ১০০ ডলার দৈনিক ইনকাম।

ফ্রি সেমিনারে যাবেন, তাদের নিজেদের লাইফস্টাইল আর ধার করা কিছু আকাউন্ট এর স্ক্রিনশট অথবা পেমেন্ট প্রুফ দেখাবে, মানে পদ্মার কচকচা ইলিশ আর কি। টুলস আর সফটওয়্যার এর নাম করে, ২০০০ থেকে ৩০০০ টাকা চাইবে। আপনিও কিনবেন, কেন কিনবেন? কারন আপনি ভাববেন যে, ২০ কিংবা ৩০ ডলার বাদ, যদি প্রতিদিন ৫ ডলারও ইনকাম হয়, তাহলে এই ইনভেস্টের টাকা তো প্রথম সপ্তাহেই উঠে যাবে।

ফক্কা। কোর্সে ঢুইকা দেখবেন, পচা ইলিশ। কিছু ফালতু স্প্যা*মিং মেথড শিখিয়ে মার্কেটে ছেড়ে দিবে।

মনে রাখবেন, ফ্রিল্যান্সিং, ডিজিটাল মার্কেটিং, সিপিএ মার্কেটিং, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সহজ বিষয় না। এই পেশা অত্যন্ত ক্রিয়েটিভ। সঠিক যায়গায়, সঠিক মানুষকে, সঠিক মেসেজ দিতে না পারলে এই ফিল্ডে হাগার হাগার ডলার কামানো ৯৯% ইম্পসিবল।

আমার একটা কোর্স আছে যেখানে আমি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর উপর ভালো ধারনা দিয়েছি এবং এটা যে কোন সহজ বিষয় নয় সেটা দেখিয়েছি কয়েকটা ক্যাম্পেইন করে। অধিকাংশ ক্যাম্পেইনই ফেইল। বাট তিন গুন প্রফিটের উইনিং ক্যাম্পেইনও আছে। শিখা এবং জানার জন্য হলে প্রি রেকর্ডেড কোর্সটি করে দেখতে পারেন। নতুন কিছু নতুন ভাবে জানবেন কথা দিচ্ছি।

সবাই ভালো থাকেন, নিজেকে ধোঁকা থেকে দূরে রাখেন।

আপনি কখনও ধনী হওয়া কিনতে পারবেন না। আপনি চাইলেই দারাজ অ্যামাজন কিংবা আলিবাবায় গিয়ে ৫০০ টাকার নোট দিয়ে ৫০০০০/= টাকার বান্...
01/06/2023

আপনি কখনও ধনী হওয়া কিনতে পারবেন না। আপনি চাইলেই দারাজ অ্যামাজন কিংবা আলিবাবায় গিয়ে ৫০০ টাকার নোট দিয়ে ৫০০০০/= টাকার বান্ডেল কিনতে পারবেন না।

সম্পদ, স্বাস্থ্য এবং সম্পর্ক কখনও কেনা যায় না। তৈরি করে নিতে হয়।

কথাগুলো বলার কারন হচ্ছে আমরা অধিকাংশ সময়ই অনলাইনে অন্যের ইনকাম দেখে দৌড় দেই, কিন্তু এটা জানতে চাই না বা বুঝতে চাই না যে, সে কিভাবে সেই ইনকামটা করেছে।

না জানি কত রাত জেগে পরিশ্রম করে, কতবার ফেইল করে আর হতাশা থেকে উঠে দাড়িয়ে সফলতার মুখ দেখেছে। লোকের কটু কথার আড়ালে গিয়ে কত বিনিদ্র রজনী চোখের পানিতে বিছানার বালিশ সিক্ত করেছে। স্রোতের বিপরীতে গিয়ে সবাইকে মিথ্যা প্রমাণ করতে কতই না শ্রম আর ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে হয়েছে সেটা সে ই ভাল জানে। (তাদের জন্য আমার পক্ষ থেকে জানাই অশ্রুসিক্ত ভালবাসা আর বুকভরা শ্রদ্ধা)

তবে বিপরীত ভাবেও প্রশ্ন থাকতে পারে।

সে কি সত্যি নিজে ইনকাম করেছে নাকি ১০০০ জন মেম্বার কাজে লাগিয়ে করেছে? মেম্বার দিয়ে সে ফেক সাইন আপ করায়নি তো? সে যদি পেইড মার্কেটিং করে তাহলে সেখানে সে কত টাকা ইনভেস্ট করেছে? পুরোটাই কি প্রফিট ছিল? এমনও তো হতে পারে, যে তার রেভেনিউ এর চাইতে অ্যাড স্পেন্ড অনেক বেশি ছিল। নাকি সে অন্যের ভিডিও কেটে ব্লার করে নিজের ইনকাম বলে চালিয়ে দিচ্ছে?

কারন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেঞ্ছ এর যুগে সবই সম্ভব।

তাই ধোঁকা খাওয়ার আগে সাবধান হন।

১০,০০০ টাকা দিয়ে কোর্স করে কখনই আপনি আপনার মেনটরের ইনকাম ছিনিয়ে নিতে পারবেন না।

এরকম মানসিকতা থেকে বেড়িয়ে আসুন।

মনে রাখবেন, অঢেল পয়সা ইনকাম করে শুধুমাত্র বুদ্ধিমান, পরিশ্রমী, ধৈর্যশীল অথবা সৌভাগ্যবান মানুষ।

আপনি যদি সোনার চামচ মুখে নিয়ে জন্মগ্রহন না করে থাকেন অথবা সৌভাগ্যবান না হয়ে থাকেন, কিন্তু সফল হতে চান, তাহলে আপনাকে বুদ্ধিমান, পরিশ্রমী এবং ধৈর্যশীল হতেই হবে। এর কোন বিকল্প নেই। আর বুদ্ধি বারে ধোঁকা খাইলে, ফেইল করলে, বই পরলে, কোর্স করলে, ট্রেইনিং করলে।

ইঁদুর মারেন, তেলাপোকা মারেনছারপোকা মারেন, পিঁপড়াগুলো মারেনযাদুর কাঁঠি, ম্যাজিক চকদাগ দিলে মরে, ঘষা দিলে মরেতেইলাচুরা মরে...
31/05/2023

ইঁদুর মারেন, তেলাপোকা মারেন
ছারপোকা মারেন, পিঁপড়াগুলো মারেন
যাদুর কাঁঠি, ম্যাজিক চক
দাগ দিলে মরে, ঘষা দিলে মরে
তেইলাচুরা মরে।
চুরার ঘরে চুরা তেইলা চুরা
জাগায় খায় জাগায় ব্রেক
ইদুরগুলা ব্রেক।
লাইনে খায় সিরিয়ালে মরে
কাইত হইয়া খায়, চিত হইয়া মরে
লাফায়া খায় দফায়া মরে
ইঁদুরগুলা মরে।
ইঁদুর চিকা মারামারি, নষ্ট করে বাসাবাড়ি
ওষুধ কিনেন তাড়াতাড়ি……

আপনি যদি ঢাকার অভিজাত এলাকা যেমন ধরুন গুলশান, বনানী, বারিধারা, বসুন্ধারা কিংবা ধানমন্ডি এর বাইরের কোন এলাকায় থেকে থাকেন তাহলে উপরের লাইনগুলো আপনি অন্তত একবার হলেও শুনেছেন। ঢাকার ওলিতে গলিতে ভ্যানগাড়ির উপর মাইকিং করে বিক্রি করা এই যাদুর কাঠি ম্যাজিক চকের সাথে আমরা সবাই পরিচিত।

আসল কথায় আসি। এখনকার সময়ে সবাই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখতেছে কিংবা শিখাচ্ছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর ২ টা পার্ট। একটা টেকনিক্যাল আরেকটা বায়োলজিকাল। আপনি হয়তো ভাবছেন, টেকনিক্যাল তো বুঝলাম, কিন্তু এর ভিতরে আবার বায়োলজি আইলো কই থেইকা?

রং তামাশা করেন?

না ভাই। খাড়ান, বুঝায়া কই।

কোন একটা অ্যাড নেটওয়ার্কের ড্যাসবোর্ড কিভাবে অপারেট করতে হয়, সেখানে কিভাবে টাকা ঢুকায়া অ্যাড এর জন্য স্পেন্ড করতে হয়, অ্যাড শেষ হওয়ার পর কিভাবে সেখান থেকে ডাটা অ্যানালাইসিস করে বের করতে হয় এই বিষয়গুলা জানতে পারাটা হচ্ছে টেকনিক্যাল বিষয়। এবং এটা শিখাটা কোন রকেট সাইন্স না। চাইলে যে কেউ পারবে। কিন্তু আপনি সেই সব অ্যাড প্লাটফর্মে আপনার ক্লায়েন্টকে কি মেসেজ দিবেন এটা হচ্ছে বায়োলজিকাল।

বায়োলজিকাল কেন?

কারন প্রত্যেকটা প্রানীকে সৃষ্টিকর্তা কিছু কিছু বিল্ট ইন সফটওয়্যার ইন্সটল করে পাঠিয়েছে। ঐসব সফটওয়্যার আপনাকে ভালভাবে বুঝে আপনার প্রোডাক্টকে সেই অ্যাংগেলে অ্যাডভারটাইজ করতে হবে।

যেমন?

অ্যাপল এর আইফোন মানুষ কেন কিনবে? এইটা কি তার সারভাইবালে কোন হেল্প করে? না। তার পেটের ক্ষুধা মিটায়? না। তার ভয় দূর করে? না। তাহলে কেন কিনে মানুষ?

আরেকজনের চাইতে নিজেকে উপরে বা সুপিরিয়র দেখাতে। (এটা প্রি ইন্সটল্ড সফটওয়্যার বাই গড)

আপনি কি জানেন, মানুষ তার আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবের চাইতে এগিয়ে থাকতে চায়? এটা সকল প্রাণী এবং মানুষের রক্তগত অভ্যাস। এরকম আরও বেশ কয়েকটা বায়োলজিকাল চাহিদা আছে যেগুলো আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে। আমার কোর্সে অবশ্য এই ব্যাপারগুলো নিয়ে আরও বিস্তর আলোচনা করেছি।

ফেসবুক, গুগল কিংবা অন্যান্য অ্যাড নেটওয়ার্কে অ্যাড দিতে পারাটা আহামরি কোন স্কিল না, এটা অনেকটা কুরিয়ারের গাড়ী চালানোর মত। আপনি যত ফুয়েল দিবেন, সে তত দৌড়াবে। যদিও বর্তমান চাকরীর বাজারে এই স্কিলেরও যথেষ্ট ডিমান্ড আছে। তবে এর চাইতে বড় স্কিল হচ্ছে, সঠিক মানুষকে তার সাইকোলজি বুঝে সঠিক মেসেজ দিতে পারা। এইটা অসাধারন এবং ক্রিয়েটিভ স্কিল হওয়ায় এর চাহিদা এবং পে অফ অনেক অনেক বেশী।

কিন্তু আমাদের দেশের অধিকাংশ ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেইনাররা ডিজিটাল মার্কেটিং ট্রেইনিং এর নামে শুধু অ্যাড চালানো শিখায়, কিন্তু সেই অ্যাডে কার জন্য কি লিখতে হবে সেটা শিখায় না। সবাই আপনাকে ভ্যানগাড়ি চালানো শিখাবে, কিন্তু সেই ভ্যানগাড়িতে করে ম্যাজিক চক বিক্রির জন্য ছড়া বানিয়ে মানুষের আবেগে ঢুকে বিক্রির কৌশল কেউ শিখাবে না।

মনে রাখবেন, এই সেক্টরে উন্নতি করতে হলে আপনাকে জানতে হবে হিউম্যান সাইকোলজি এবং অ্যাডভারটাইজিং। এর কোন বিকল্প নেই।

আপনি যদি একবার মানুষের সাইকোলজি বুঝেন, সে আসলে কি চায়, কিভাবে চায় সেই রহস্য জানেন,
তাহলে প্রোডাক্ট সেল করা তো মামুলি ব্যাপার, আপনি আপনার চাকুরী, ব্যাবসা এবং দাম্পত্য জীবনসহ জীবনের সমস্ত ক্ষেত্রে সফল হবেন।

আমরা সবাই মনে করি, আচ্ছা কালকে শিখবো অথবা কালকে করবো। সব কিছুর জন্য আগামীকাল, আগামি মাস কিংবা আগামি বছরের অপেক্ষা করি। এ...
30/05/2023

আমরা সবাই মনে করি, আচ্ছা কালকে শিখবো অথবা কালকে করবো। সব কিছুর জন্য আগামীকাল, আগামি মাস কিংবা আগামি বছরের অপেক্ষা করি। এরকম করতে করতে আর কোন কিছুই শিখাই হয় না, করা তো দূরে থাক।

কিছুদিন পরে হটাত দেখি, আমি যেটা মনে মনে ভাবতেছিলাম, সেটা আরেকজন ভেবে করেও ফেলেছে।

আসলে আমরা অলস, প্রচন্ড অলস। আমরা সব সময় খাবারটা মুখে আসা পর্যন্ত ওয়েট করি। অথচ অপেক্ষা না করে, যদি একটু কষ্ট করে, ঘাম ঝড়িয়ে, শ্রম দিয়ে, জবরদস্তী করে অ্যাকশন নিতাম, তাহলে সময়ের আগেই সফলতার দ্বারে 😄 পৌঁছে যেতাম।

জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত আপনার জন্য গিফট। আপনি কিছুক্ষন পর বেচে থাকবেন কি না, তার কোন নিশ্চয়তা নেই। তাই যে কাজটা আজকে করা উচিৎ বলে মনে করছেন, সেটা এক্ষুনি করুন।

সিদ্ধান্ত আপনার। আরও দশজনের মত বসে থাকবেন, নাকি শুরুটা আপনিই করবেন?

ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচাইতে বেস্ট গোল কোনটা, যেটা করার পর তার সবচাইত...
29/05/2023

ক্রিস্টিয়ানো রোনাল্ডোকে একবার জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো তার ফুটবল ক্যারিয়ারের সবচাইতে বেস্ট গোল কোনটা, যেটা করার পর তার সবচাইতে আনন্দ লেগেছিল? উত্তরে সে বলেছিল, জুভেন্টাসের গোলকিপার বুফন এর জালে দেয়া বাইসাইকেল গোলের কথা। পরক্ষনেই সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিল, সেটা কি সে*ক্স এর চাইতেও আনন্দদায়ক ছিল? রোনালদো একটু কাচুমাচু করে বলেছিল, নো। নট বেটার দেন সে*ক্স।

সে*ক্স এমন এক বিষয়, যেটা আমাদের অস্তিত্তের সাথে জড়িত। সৃষ্টিকর্তা এর মাঝে এমন একটা অসম্ভব আনন্দ দিয়ে রেখেছে যা আমরা চাইলেও স্কিপ করতে পারি না। সে*ক্সের কারনে পৃথিবী তার সৌন্দর্য এবং অস্তিত্ব ধরে রেখেছে বছরের পর বছর। আর তাই আমাদের সে*ক্সের কথা শুনতে ভাল লাগে, দেখতে ভাল লাগে এবং করতে ভাল লাগে।

আজকে কথা বলবো Ad*ult ইন্ডাস্ট্রি এবং অপার সম্ভাবনা নিয়ে।

আপনি যদি “Top 10 Most Po*rn Watching Countries in the World” লিখে গুগলে সার্চ দেন তাহলে দেখবেন, লিস্টের দশটা দেশের মধ্যে ৬ টাই ইসলামিক কান্ট্রি। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, এই লিস্টের প্রথমে আছে পাকিস্থান, ইরান ৪র্থ এবং সপ্তমে সৌদিআরব।

কোন এক মনিষী বলেছিলো, “আমি উপমহাদেশে মুসলমান দেখেছি কিন্তু ইসলাম দেখিনি, অন্যথায় আমি পশ্চিমে মুসলমান দেখিনি কিন্তু ইসলাম দেখেছি।”

অবশ্য আমার আজকের বিষয়বস্তু কোন রকম তর্কে না গিয়ে বরং সুযোগ এবং সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলা। পৃথিবীতে এরকম মানুষ আপনি পাবেন না, যার হাতে মোবাইল অথবা বাসায় কম্পিউটার আছে এবং সে কোনদিন Po*rn দেখেনি। এটা এমন একটা ইন্ডাস্ট্রি, যার কনজিউমার সবাই। এক কথায় সবাই। মুফতি সাহেব থেকে শুরু করে হাজী সাহেব, রিকশাওয়ালা থেকে শুরু করে ইলন মাস্ক পর্যন্ত।

কথা হচ্ছে যারা Po*rn দেখে তারা কি খারাপ মানুষ? যদি তাই হয় তাহলে আপনি, আমি, আমরা সবাই খারাপ। এখন ধরে নিলাম আপনি, আমি, আমরা সবাই ভাল, খারাপ জিনিষ দেখি না। কিন্তু কোটি কোটি মানুষ তো দেখে। আর যেহেতু তারা দেখে, সেহেতু তাদের কাছে আমার আপনার বিক্রি করার মত প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আছে। কারন তারাওতো মানুষ। আর মানুষ যেখানে ব্যবসা সেখানে।

প্রশ্ন হচ্ছে এই বিশাল জনগোষ্ঠীর কাছে কিভাবে পৌঁছাবেন? ক্যামনে কইরা ঐসব ওয়েবসাইটে আমরা আমাদের পন্যের বিজ্ঞাপন দিতে পারি? কোন টাইপের প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস বিক্রি করা যেতে পারে ঐসব ওয়েবসাইটে? হালাল হারামের প্রশ্ন থাকলে আমি বলবো আপনি তাদেরকে আলোর পথে নিয়ে আসার জন্য একটা কোর্স তৈরি করে বিজ্ঞাপন দিন। তারাও আলোর পথে আসলো, আপনারও কোর্স বিক্রির মাধ্যমে কিছু অর্থ উপার্জন হল, পাশাপাশি একটা ভাল কাজ ও হলো।

যদি জানতে চান, কিভাবে লজ্জা নিশের মারকেটিং করে, যদি বুঝতে চান সেখানে কি ধরনের প্রোডাক্ট এর চাহিদা এবং বিক্রি বেশী, যদি দেখতে চান ফেসবুক গুগলের চাইতে ১০ গুন কম খরচ করে কিভাবে মারকেটিং করতে হয়, তাহলে আমার সিগনেচার কোর্সটিতে দ্রুত এনরোল করুন।

হালাল হারাম এবং ফ্রিল্যাঞ্ছিংঃহালাল হারাম সব যায়গায় আছে। আপনি চাইলে সব যায়গায় হালালের গন্ধ পাবেন, কিন্তু অলস হলে সব যায়গ...
28/05/2023

হালাল হারাম এবং ফ্রিল্যাঞ্ছিংঃ

হালাল হারাম সব যায়গায় আছে। আপনি চাইলে সব যায়গায় হালালের গন্ধ পাবেন, কিন্তু অলস হলে সব যায়গায়ই আপনি হারাম খুঁজে পাবেন।

একটা উদাহরন দেই-

মানুষ মসজিদে গিয়েও হারাম কাজ বা অন্যের ক্ষতি করতে পারে। যেমন, সবাই কিন্তু মসজিদে নামাজ পরতে যায় না। কেউ কেউ জুতা চুরি করতেও যায়। তাহলে মসজিদে যারা যায় তাদের সবাই যে সূফী, দরবেশ কিংবা জান্নাতি ব্যক্তি হবে ব্যাপারটা এরকম না।

আবার ধরুন একজন ডক্টর নিষিদ্ধ পতি*তালয়ে গেল কোন পতি*তার চিকিৎসা করাতে। ডক্টরের চোখ দিয়ে দেখলে আপনি স্বীকার করবেন যে সে একটা ভাল কাজ বা মানুষের উপকার করতে গিয়েছিল। যা কি না জান্নাতে যাওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত।

তার মানে কি দাঁড়ায়? আপনি চাইলে পবিত্র যায়গায় গিয়েও পাপ করতে পারেন, আবার নিষিদ্ধ স্থানে গিয়েও পুন্য করতে পারেন।

নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন, কেননা আল্লাহ কেবলমাত্র মানুষকেই বিবেক দিয়েছে। অন্য প্রাণীর বিবেক নাই, তার কোন হিসেবও নাই। আপনার বিবেকই বলে দিবে আপনার কোন কর্ম হালাল আর কোন কর্ম হারাম।

অলসতা আর অজুহাত থেকে বেড়িয়ে এসে উদ্যোগ নিন। কাজ শিখুন। লেগে থাকুন। ভাগ্য আপনার সহায় হবে।

সিদ্ধান্ত আপনার।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hyper Commission posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share