Md. Ashik Azad

Md. Ashik Azad Entrepreneur | WordPress Designer | Facebook & Instagram Ads Expert | Web Developer | Content Writer

ইন্টারনেটের সবচেয়ে Dangerous Digital writer কে জানেন ?Dan Koe...আমি ১০০+ ঘণ্টা তার কোর্স, বই, কন্টেন্ট নিয়ে রিসার্চ করে ...
30/01/2026

ইন্টারনেটের সবচেয়ে Dangerous Digital writer কে জানেন ?
Dan Koe...

আমি ১০০+ ঘণ্টা তার কোর্স, বই, কন্টেন্ট নিয়ে রিসার্চ করে এই লেখাটা লিখছি। শিখেছি, Brand build করা মানে শুধু পোস্ট দেওয়া না এটা একেবারে Systematic Architecture।

এখানে Dan এর ৬টা Hardcore Lesson যা আপনার Personal Brand-কে নতুন লেভেলে নিয়ে যাবে।

1. Dan’s Content Ecosystem

Dan একটা ছোট Tweet দিয়েই শুরু করে।
এটাই তার idea lab।

ভালো perform করলে সেটাকে Expand করে →

Tweet → Newsletter → Thread → YouTube Script → Blog → LinkedIn & IG Repurpose।

রেজাল্ট? Daily নতুন কিছু বানানোর ঝামেলা নাই, তবু consistent posting।

2. You are the Niche

Market কে chase করবেন না।
নিজেকেই Market বানান।

→ নিজের জন্য যা useful, সেটা তৈরি করুন।
→ নিজের past self এর জন্য লিখুন।
→ নিজের problem solve করুন, solution শেয়ার করুন।

Ali Abdaal থেকে Chris Do সবাই এই ফর্মুলা ফলো করেছে।

3. Sell Digital Products

Client work করা মানে Linear income।
কাজ করলে টাকা, না করলে নাই।

Digital Product করা মানে Exponential income।
একবার বানান, lifetime royalty।

James Clear এর Atomic Habits এখনো মাসে লাখ লাখ কপি বিক্রি হয় (Source: Publisher Reports, 2023)। ঘুমিয়ে থেকেও ইনকাম।

Dan বলে,
“Stop trading time, start trading ideas.”

এগুলো শুধু শুরু।
Dan-এর আরও ৩টা Masterclass হ্যাকস আছে,
যা জানলে আপনার Personal Branding game পুরো বদলে যাবে।

But wait, this is just the beginning! 😏
Want to go next-level?

Hit and smash the follow button::
💥💥💥 Saimstory

আজ হাদি ভাই হত্যার বিচারহীনতার ৪৭ তম দিন।
ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত, ইনকিলাবের আগুন জ্বলবে 🔥



©️©️©️

03/12/2025

২০২৬ সালে আপনি কী কী শিখতে শুরু করতে পারেন??

1. Artificial Intelligence & Machine Learning
2. Cybersecurity & Ethical Hacking
3. Full-Stack Software Development
4. Cloud Engineering & DevOps
5. Data Analytics & Automation

মার্কেট রিসার্চ (Market Research) – সম্পূর্ণ গাইডই-কমার্স বা যেকোনো ব্যবসার সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো মার্কেট রিসার্চ। এটি...
27/11/2025

মার্কেট রিসার্চ (Market Research) – সম্পূর্ণ গাইড

ই-কমার্স বা যেকোনো ব্যবসার সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো মার্কেট রিসার্চ। এটি ছাড়া আপনি কখনো নিশ্চিতভাবে জানবেন না যে আপনার প্রোডাক্ট গ্রাহকের কাছে চাহিদা রাখে কিনা, অথবা বাজারে কতটা সুযোগ আছে।

1. মার্কেট রিসার্চ কি?

মার্কেট রিসার্চ হলো এমন প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে:
গ্রাহকের চাহিদা এবং পছন্দ বোঝা,
প্রতিযোগিতার অবস্থা এবং বাজারের সুযোগ চিহ্নিত করা,
সঠিক প্রোডাক্ট, মূল্য এবং মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি ঠিক করা।
সহজ কথায়, এটি ব্যবসার জন্য “রোডম্যাপ” তৈরি করার মতো।

2. কেন মার্কেট রিসার্চ জরুরি?

বাজারের চাহিদা বোঝা: কোন প্রোডাক্ট বেশি বিক্রি হবে তা আগে থেকেই জানা যায়।

ঝুঁকি কমানো: ভুল প্রোডাক্টে টাকা এবং সময় খরচ হওয়া এড়ানো যায়।

প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ: প্রতিযোগীদের শক্তি এবং দুর্বলতা জানা যায়।

ট্রেন্ড চিহ্নিত করা: নতুন প্রোডাক্ট বা সিজনাল প্রোডাক্টের সুযোগ ধরতে সাহায্য করে।

গ্রাহকের মনোভাব বোঝা: তারা কেন কিনছে বা কেন না কিনছে, সেটা বুঝতে সাহায্য করে।

3. মার্কেট রিসার্চের ধরণ

(ক) প্রাইমারি রিসার্চ (Primary Research)

সরাসরি গ্রাহকের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করা।

উদাহরণ:

সার্ভে বা প্রশ্নাবলী

গ্রাহকের ইন্টারভিউ

ফোকাস গ্রুপ ডিবেট

ফায়দা: সঠিক এবং নির্ভুল তথ্য পাওয়া যায়, গ্রাহকের প্রকৃত চাহিদা বোঝা যায়।

(খ) সেকেন্ডারি রিসার্চ (Secondary Research)

বিদ্যমান তথ্য বা ডেটা ব্যবহার করা।

উদাহরণ:

মার্কেট রিপোর্ট, আর্টিকেল, ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের ডেটা

গুগল ট্রেন্ডস, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যানালাইটিক্স

ফায়দা: দ্রুত তথ্য পাওয়া যায় এবং খরচ কম হয়।

4. মার্কেট রিসার্চের স্টেপ-বাই-স্টেপ প্রক্রিয়া

1️⃣ টার্গেট অডিয়েন্স চিহ্নিত করা

বয়স, লিঙ্গ, লোকেশন, আগ্রহ এবং অনলাইন ব্যবহার বুঝে নিন।

উদাহরণ: ফ্যাশন প্রোডাক্ট কিনছে মূলত ১৮–৩৫ বছর বয়সী গ্রাহকরা।

2️⃣ প্রোডাক্ট ডিমান্ড অ্যানালিসিস

কোন প্রোডাক্ট বেশি সার্চ হচ্ছে, কোনটি বেশি বিক্রি হচ্ছে, সেটা ট্র্যাক করুন।

টুলস: Google Trends, Amazon Best Sellers, Daraz বা অন্য মার্কেটপ্লেস।

3️⃣ প্রতিযোগিতা বিশ্লেষণ

মূল প্রতিযোগীরা কোন প্রোডাক্ট বিক্রি করছে, দাম, অফার, কাস্টমার রিভিউ।

উদাহরণ: যদি এক কোম্পানি একই প্রোডাক্টে ফ্রি শিপিং দেয়, আর অন্য দেয় না, সেটা লক্ষ্য করুন।

4️⃣ প্রাইসিং স্ট্র্যাটেজি

বাজার এবং প্রতিযোগী অনুযায়ী দাম ঠিক করুন।

লক্ষ্য রাখুন গ্রাহক কতটা দামে কিনতে ইচ্ছুক।

5️⃣ গ্রাহকের সমস্যা ও প্রয়োজন বোঝা

গ্রাহক কেন অন্য প্রোডাক্ট থেকে দূরে সরে যাচ্ছে, কেন তারা সন্তুষ্ট নয়।

উদাহরণ: দীর্ঘ ডেলিভারি, খারাপ সার্ভিস বা দাম বেশি হলে কেন কম বিক্রি হচ্ছে।

6️⃣ ফিডব্যাক এবং সার্ভে

সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ইমেইল দিয়ে গ্রাহকের মতামত সংগ্রহ করুন।

উদাহরণ: প্রোডাক্টের কোন ফিচার সবচেয়ে প্রিয়, কোনটি পরিবর্তনের প্রয়োজন।

7️⃣ ট্রেন্ড এবং ভবিষ্যতের সুযোগ বিশ্লেষণ

নতুন প্রোডাক্ট, ফ্যাশন, সিজনাল চাহিদা বা প্রযুক্তি ট্রেন্ড ধরুন।

উদাহরণ: শীতকালে জ্যাকেট বা গরম কাপড় বেশি বিক্রি হবে।

8️⃣ ডেটা অ্যানালাইসিস

সব তথ্য বিশ্লেষণ করুন এবং সিদ্ধান্ত নিন কোন প্রোডাক্ট নিয়ে এগোবেন।

এটি আপনাকে ফোকাসড মার্কেটিং এবং ইনভেন্টরি ম্যানেজমেন্ট করতে সাহায্য করে।

5. ই-কমার্সে মার্কেট রিসার্চের বিশেষ গুরুত্ব

প্রোডাক্ট, প্রাইস এবং অফারের ক্ষেত্রে ভুল করার সুযোগ কমে।

গ্রাহকের চাহিদা অনুযায়ী প্রোডাক্ট লঞ্চ করা যায়।

সঠিক মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি তৈরি করা যায়।

ব্যবসা টেকসই এবং লাভজনক হয়।

মার্কেট রিসার্চ হল যেকোনো ই-কমার্স উদ্যোক্তার সবচেয়ে বড় টুল। এটি করলে আপনি বুঝবেন কোন প্রোডাক্ট বিক্রি হবে, কোন মার্কেটে ফোকাস করতে হবে, এবং কোথায় ঝুঁকি আছে। সংক্ষেপে, মার্কেট রিসার্চের ওপর ব্যবসার সাফল্য নির্ভর করে।

মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়ে কীভাবে সবজি এক্সপোর্ট শুরু করবেন?বাংলাদেশে হাজারো মানুষ সবজি রপ্তানি করে নিয়মিত আয় করছেন। আবার অনে...
23/11/2025

মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়ে কীভাবে সবজি এক্সপোর্ট শুরু করবেন?

বাংলাদেশে হাজারো মানুষ সবজি রপ্তানি করে নিয়মিত আয় করছেন। আবার অনেকেই সঠিক প্রসেস না জানার কারণে তাদের পণ্যের সঠিক দাম পাচ্ছেন না। কিন্তু কেমন হয় আপনি যদি আপনার উৎপাদিত সবজি দেশের বাইরে রপ্তানি করতে পারেন?

অনেকেই এটা মনে করেন যে—“এক্সপোর্ট শুরু করতে তো অনেক টাকা লাগে!”

আসলে না।
সঠিক প্ল্যান থাকলে মাত্র ২ লাখ টাকায়ও আপনি নিজের সবজি এক্সপোর্ট শুরু করতে পারেন।

চলুন জেনে নেই -

১। পণ্য নির্বাচন

শুরুতে ১–২টি সবজি দিয়ে শুরু করাই ভালো।
✔️ লাউ
✔️ মরিচ
✔️ টমেটো/ঢেঁড়স
✔️ পটল
এসব পণ্যের চাহিদা মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ান দেশে নিয়মিত থাকে।

২️। সংগ্রহ ও প্যাকেজিং

লোকাল ফার্ম বা আড়ত থেকে তাজা সবজি সংগ্রহ করুন
✔️ গ্রেডিং (সাইজ অনুযায়ী বাছাই)
✔️ পরিষ্কার
✔️ বায়ু চলাচলযোগ্য প্যাকেজিং
এই ধাপগুলো ঠিকঠাক করলে শিপমেন্টে পণ্য নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কমে যায়।

৩️। পরিবহন ও রপ্তানি

সবজি দ্রুত নষ্ট হয়, তাই বেশিরভাগই এয়ার কার্গোতে যায়।
ঢাকা বিমানবন্দর থেকে প্রতিদিনই মধ্যপ্রাচ্যের দেশে কার্গো যায়—

৪️। মোট বাজেট হিসাব (২ লাখ টাকা)

সবজি ক্রয়: ৮০০০০ টাকা

প্যাকেজিং, শ্রমিক, অন্যান্য খরচ: ২০০০০ টাকা

কার্গো ও শিপিং: ১০০০০০ টাকা

👉 সব মিলিয়ে মোট খরচ: ২,০০,০০০ টাকা

আয় কত হতে পারে?

সম্ভাব্য বিক্রি: ২.৪ লাখ টাকা
📈 সম্ভাব্য লাভ: প্রায় ৪০,০০০ টাকা (প্রতি শিপমেন্টে)

অর্থাৎ—এক্সপোর্ট নিয়মিত করতে পারলে আয় স্থায়ীভাবে বেড়ে যেতে পারে এবং অতিরিক্ত সবজি নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমবে।

কেন এখনই শুরু করবেন?

- প্রবাসীদের কাছে ফ্রেশ ভেজিটেবলের নিয়মিত ডিমান্ড
- কম প্রোডাকশন টাইম
- আলাদা টেস্টের কারণে বাংলাদেশি সবজির আলাদা চাহিদা
- দ্রুত কার্গো সুবিধা
- কম বাজেটে শুরু করা যায়

22/11/2025

IELTS-এর জন্য বাবার ৭০,০০০+ টাকা নষ্ট করার পর...

যা শিখলাম!!

"তৃতীয়বার পরীক্ষা দিতে গিয়ে বাবার চোখে যে কষ্ট দেখলাম..."
সেই দিনটা কখনো ভুলব না।

বাবা ATM ও নিজ থেকে আরও ২৮,৪৫০ আমার হাতে তুলে দিলেন। আমার তৃতীয় IELTS attempt এর জন্য।

তিনি কিছু বললেন না। কিন্তু চোখে যে হতাশা দেখলাম... 😢

First attempt: Overall 5.5 → ২২,৫০০ টাকা Second attempt: Overall 6.0 → ২২,৫০০ টাকা Third attempt: ??? → আরও ২৮,৪৫০ টাকা

Total: ৭০,০০০+ টাকা!

আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটা অনেক বড় অংক। 😔

আমার Writing এর আসল সমস্যা কী ছিল?

প্রথম দুই attempt এ:

Writing Task 1: 5.5
Writing Task 2: 5.0
মানে পুরো Writing section টাই disaster!

কিন্তু কেন?

আমি তো:
✅ Grammar জানি
✅ Vocabulary মুখস্থ করেছি
✅ Sample essays পড়েছি
✅ Online courses করেছি

তাও কেন হচ্ছে না? 😭

একদিন রাতে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে জিজ্ঞেস করলাম:

"আমি কি সত্যিই চেষ্টা করছি? নাকি শুধু পরীক্ষা দিয়ে যাচ্ছি?"

Diary খুলে honest হলাম নিজের সাথে:

❌ কোনো structured plan নেই
❌ Random ভাবে essays লিখছি
❌ কোনো feedback নিচ্ছি না
❌ Same mistakes বারবার repeat করছি
❌ Practice করছি, কিন্তু improve করছি না!

এটা practice না, এটা just "going through the motions"!

🔄 "The Night Everything Changed":

সেই রাতে সিদ্ধান্ত নিলাম:

"এটা শুধু পরীক্ষা না। এটা বাবার বিশ্বাস। এটা আমার স্বপ্ন। এবার differently করতে হবে!"

একটা কাগজে লিখলাম:

"90 Days. Last Chance. No Excuses."

আমার 90-Day "Do or Die" Plan!! 📅

Phase 1: "The Brutal Honesty Phase" (Day 1-15)

🎯 কী করলাম:

Writing evaluation নিলাম (IELTS School BD থেকে)।

Detailed report এলো:

Task 1 Problems:

"Student repeats same vocabulary"
"Lacks variety in sentence structure"
"Overview is missing or inadequate"
"Data comparison is weak"

Task 2 Problems:

"Ideas are too general, not developed"
"No real-world examples or evidence"
"Paragraph structure is unclear"
"Conclusion introduces new information"

এই report টা ছিল wake-up call!
এতদিন ভাবতাম সমস্যা আমার English এ। কিন্তু আসল সমস্যা ছিল approach এ!

Phase 2: "The Learning Phase" (Day 16-45)

বুঝলাম শুধু practice করলে হবে না। সঠিকভাবে practice করতে হবে।

🔹 Task 1 এর জন্য:

প্রতিদিন ১টা graph/chart নিতাম এবং:

Step 1: ৫ মিনিট analyze করতাম

কী ধরনের data?
Main trend কী?
Highest/lowest কোথায়?
কোন comparisons করা যায়?

Step 2: Structure plan করতাম (৩ মিনিট)

Intro কীভাবে paraphrase করব?
Overview এ কী কী main points থাকবে?
কোন details paragraphs এ দেব?

Step 3: লিখতাম (১৩ মিনিট)

Step 4 (Most Important!): Model answer এর সাথে compare করতাম

আমি কী miss করেছি?
Model answer কী ভাবে describe করেছে?
কোন vocabulary/structures তারা use করেছে?
এই Step 4 টাই game-changer ছিল! 💡

🔹 Task 2 এর জন্য:

"The Idea Journal" technique শিখলাম।

একটা notebook কিনলাম - "My Argument Arsenal"

প্রতিদিন:

Morning (15 min): ১টা IELTS topic → brainstorm করতাম ideas

- For arguments কী হতে পারে?
- Against arguments কী?
- Real examples কী আছে?

Afternoon (20 min): সেই topic নিয়ে research করতাম:

- News articles পড়তাম
- Statistics খুঁজতাম
- Case studies দেখতাম
- সব notebook এ note করতাম

Evening (30 min): Full essay লিখতাম - কিন্তু এখন ideas ready থাকত!

Night (15 min): নিজের essay আরেকবার পড়ে evaluate করতাম:

- Task Response: Question fully address করেছি?
- Coherence: Flow কি smooth?
- Vocabulary: Repetition আছে কিনা?
- Grammar: Common mistakes check করেছি?

Phase 3: "The Feedback Loop" (Day 46-75)

এটা ছিল সবচেয়ে important phase!

Weekly routine:

📝 সোমবার: ২টা essays লিখতাম (1 Task 1 + 1 Task 2)
📝 মঙ্গলবার: IELTS School BD - Instructor থেকে Feedback নিতাম।

📝 বুধবার: Detailed feedback পেতাম:

- Band score prediction
- Specific mistakes highlighted
- Suggestions for improvement
- Alternative phrasings

📝 বৃহস্পতিবার: Same essays আবার লিখতাম feedback মেনে

📝 শুক্রবার: Original vs Revised compare করতাম - কতটা improve হয়েছে?

📝 শনিবার-রবিবার: New topics practice + vocabulary building

📊 Progress Track (Mock Tests):

Week 2:

Task 1: 5.5
Task 2: 5.5
Overall Writing: 5.5

Week 5:

Task 1: 6.0
Task 2: 6.0
Overall Writing: 6.0

Week 8:

Task 1: 6.5
Task 2: 6.5
Overall Writing: 6.5

Week 11:

Task 1: 7.0
Task 2: 7.0
Overall Writing: 7.0

Improvement দেখতে পাচ্ছিলাম! এটাই motivation ছিল!

🎯 Exam Day (Day 90):

সেদিন সকালে বাবা বললেন:

"যাই হোক, তুই চেষ্টা করেছিস। আমি জানি ভালো কিছুই হবে"

এই কথা শুনে চোখে পানি এসে গেল।

But I was confident. এবার আলাদা ছিল। এবার prepared ছিলাম।

Writing Test:

Task 1: Line graph ছিল (UK tourism)

Overview instantly লিখতে পারলাম
Comparisons smoothly করলাম
Exact 155 words, 18 minutes
Confident feel করলাম

Task 2: "University education should be free. Discuss."

Ideas ready ছিল (আমার Idea Journal এ এই topic ছিল!)
PEEL method apply করলাম
Real examples দিলাম (Germany's free education system)
320 words, 38 minutes
2 minutes proofread করলাম

Result Day (13 days later):

হাত কাঁপছিল result check করতে গিয়ে।

Click করলাম।

Screen এ দেখলাম:

Overall: 7.5 🎉

Breakdown:

Listening: 7.5
Reading: 7.5
Writing: 7.0
Speaking: 8.0

😭 সেই মুহূর্ত:

বাবাকে result দেখালাম।
তিনি কিছু বললেন না। শুধু আমাকে জড়িয়ে ধরলেন।

সেই হাগ টা... সেই feeling টা... words এ বলা impossible। 💙

What Happened Next 🎓

University of Melbourne থেকে admission offer + 50% scholarship!

অস্ট্রেলিয়ায় এখন Master's করছি Computer Science এ। 🇦🇺

যে ৭০,০০০+ টাকা "নষ্ট" হয়েছিল? সেটা আসলে lesson ছিল:
"Smart work beats hard work. Strategy beats effort."

~ কোন এক IELTS যোদ্ধার গল্প!!

আজকের দিনে ব্যবসা করতে হলে একটা Facebook Business Page কেন জরুরি?বাংলাদেশে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নতুন করে অনলাইন ব্...
19/11/2025

আজকের দিনে ব্যবসা করতে হলে একটা Facebook Business Page কেন জরুরি?

বাংলাদেশে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ নতুন করে অনলাইন ব্যবসা শুরু করছে।
কিন্তু একটা জায়গায় এসে সবাই আটকে যায়—
“আমার সেল আসে না, মানুষ বিশ্বাস করে না, ক্লায়েন্ট ধরে রাখতে পারি না।”

এটার মূল কারণ খুব সোজা—
তাদের কোনো Professional Business Page নেই বা ঠিকভাবে সেটআপ করা নেই।

আজকের দিনে ব্যবসার জন্য একটি ফেসবুক পেজ শুধু “সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট” নয়,
বরং আপনার ব্র্যান্ডের পরিচয়, বিশ্বাস, পরিচ্ছন্নতা এবং প্রমাণ।

চলো দেখি কেন business page এত গুরুত্বপূর্ণ—

১. Trust Build করার সবচেয়ে সহজ জায়গা হলো page

মানুষ অনলাইনে কিনতে গেলে প্রথমে দেখে—
“এই পেজটা আসল? নকল? বিশ্বাস করা যায়?”

👉 পেজে থাকলে—
• About
• Address
• Phone number
• Customer reviews
• Real photos
• Delivery proof
এসব মানুষকে নিরাপত্তা দেয়।

❌ শুধু ইনবক্সে প্রোডাক্ট দিলে তা কখনো বিশ্বাসযোগ্য হয় না।

২. Business Page = আপনার ব্র্যান্ডের পরিচয়

মানুষ ব্র্যান্ড থেকে কিনতে চায়।
একটা Professional Business Page ব্র্যান্ডকে আলাদা করে তুলে ধরে।

👉 Logo
👉 Cover photo
👉 Highlighted services
👉 Storytelling posts
এগুলোই তৈরি করে ব্র্যান্ডের impression।

একটা সুন্দর পেজ দেখে কাস্টমার নিজের থেকেই বলে—
“এই পেজটা পেশাদার মনে হচ্ছে।”

৩. পেজ ছাড়া Boost / Ads সম্ভব নয়

অনেকে বলে—
“Boost দিলে সেল আসবে।”

কিন্তু Boost করতে হলে তো Business Page লাগবেই!

আর Boost =
👉 নতুন কাস্টমার
👉 বেশি রিচ
👉 বেশি অর্ডার

এই সবই পেতে হলে পেজ থাকা বাধ্যতামূলক।

৪. Business Page আপনার সম্ভাব্য কাস্টমারের ব্যাংক

মানুষ আজই না কিনলেও—
আগামী মাসে, আগামী সপ্তাহে আবার আপনার পেজেই ফিরে আসে।

কারণ পেজে—
• প্রোডাক্টের ছবি
• প্রাইস
• রিভিউ
• ভিডিও
• অফার
—সব একসাথে থাকে।

একটা Post save করে রাখলেই ভবিষ্যতে অর্ডার পাওয়া যায়।
এটাই হলো long-term sales।

৫. পেজের মাধ্যমে আপনি ২৪/৭ ব্যবসা চালাতে পারেন

আপনি ঘুমাচ্ছেন,
আপনি ব্যস্ত,
আপনি বাইরে—

তবুও আপনার পেজে মানুষ—
👉 পোস্ট দেখছে
👉 দাম জিজ্ঞেস করছে
👉 রিভিউ দেখছে
👉 অর্ডার দিচ্ছে

Business Page = আপনার অনলাইন দোকান,
যা সবসময় খোলা থাকে।

৬. Professional Page কাস্টমারকে Confident করে

আপনি যদি চান কাস্টমার দাম না দেখে ভ্যালু দেখে—
তাহলে Business Page আপনাকে সেই প্রেজেন্টেশন দেয়।

একটা Professional Page বলে দেয়:
“এই পেজে কিনলে নিরাপদ, এখানে কাস্টমারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।”

৭. প্রতিযোগীদের থেকে এগিয়ে থাকার সেরা উপায়

আজকাল প্রায় সব ব্যবসারই একটা পেজ আছে।
যাদের পেজ নেই বা ভালোভাবে সেট করা নেই—
তারা বাজারে পিছিয়ে পড়ে।

একটা ভালো Business Page আপনার ব্র্যান্ডকে প্রতিযোগীর থেকে ১০ ধাপ এগিয়ে রাখে।

Bottom Line:

আজকের দিনে ব্যবসা করতে হলে—
❌ শুধু পণ্য থাকা
❌ শুধু পোস্ট দেওয়া
—কাজ করবে না।

✔️ একটি professional, well-managed Facebook Business Page
হলো ব্যবসার সবচেয়ে বড় সম্পদ।

এটা আপনার—
👉 পরিচয়
👉 বিশ্বাস
👉 বিক্রির মেশিন
👉 কাস্টমারের সাথে সম্পর্কের সেতু

সবকিছু একসাথে।

📌 প্রতিদিন এমন রেজাল্ট-ওরিয়েন্টেড মার্কেটিং টিপস পেতে ফলো করে রাখুন।

প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলেআনিসুল ইসলাম নাঈমকম্পিউটার ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি সহজ করে দেয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। প...
17/08/2025

প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে
আনিসুল ইসলাম নাঈম

কম্পিউটার ও মানুষের মধ্যে যোগাযোগের বিষয়টি সহজ করে দেয় প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ। প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ দিয়ে খুব সহজে যেভাবে আমরা বুঝি ও পরে কম্পিউটার যেভাবে বুঝতে পারে, সেভাবে প্রোগ্রাম বা নির্দেশাবলি লেখা যায়। অনেকেই প্রোগ্রামিং শিখতে চান। কিন্তু এটি শেখার সঠিক পদ্ধতি ও ক্যারিয়ার সম্পর্কে জানেন না। প্রোগ্রামিং শেখা ও এর ক্যারিয়ারের আদ্যোপান্ত নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন গুগলের ‘রিসার্চ সায়েন্টিস্ট’ ড. কিশোয়ার শাফিন।
প্রোগ্রামিং মূলত কম্পিউটারকে দিয়ে কোনো একটি নির্দিষ্ট কাজ করতে নির্দেশনা দেওয়ার পদ্ধতি। কম্পিউটার নিজ থেকে ভাবতে পারে না, শুধু প্রদত্ত কমান্ড অনুসরণ করে কাজ করতে পারে। অর্থাৎ ঠিক যেভাবে কম্পিউটারকে বলা হবে, সেভাবে কাজ করবে। কম্পিউটার বাইনারি ভাষা বুঝে। তাই চাইলেই বাইনারিতে কোড লেখা যেতে পারে। তবে বাইনারিতে কোড লেখা অনেক কঠিন, তা প্রচুর সময় নেয়।

প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ কী?
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ হলো কম্পিউটারকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য কাঠামোভিত্তিক এবং নিয়মতান্ত্রিক ভাষা। প্রয়োজন এবং ধরনের ওপর ভিত্তি করে কোনো একটি সমস্যা সমাধান করার জন্য বিভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। সাধারণ ব্যবহারের জন্য সি++, জাভা ও পাইথন জনপ্রিয়। এ ছাড়া ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ও ডেভেলপমেন্টের জন্যও জাভাস্ক্রিপ্ট ও পিএইচপি ব্যবহার করা হয়। The Great Bangladesh

সিএসইতে না পড়েও প্রোগ্রামিং শেখা যাবে?
প্রোগ্রামিং এখন শুধু একটি একাডেমিক মেজরের জন্য সীমাবদ্ধ নেই। কম্পিউটারে ডেটা প্রসেসিং করতে গেলেই যেহেতু প্রোগ্রামিংয়ের প্রয়োজন হয়, তাই প্রোগ্রামিং শেখা অনেক উপকারী দক্ষতাগুলোর একটি। অনেক আন্তবিভাগীয় বিষয়, যেমন বায়োইনফরমেটিকস, কেম-ইনফরমেটিকস, ডিজিটাল হিউম্যানিটিস, কম্পিউটেশনাল ফাইন্যান্সের এখন অনেক চাহিদা রয়েছে। এখন মেশিন লার্নিংয়ের মাধ্যমে বড় বড় ডেটাসেটে অনেক সমস্যা সমাধান করা হচ্ছে, যা আগে প্রায় অসম্ভব ছিল। যেহেতু ডেটা ম্যানিপুলেশন, প্রবাবিলিস্টিক মডেলিং, মেশিন লার্নিংয়ের জন্যও প্রোগ্রামিং প্রয়োজনীয়, তাই সিএসসিপড়ুয়াদের বাইরেও এখন প্রোগ্রামিংয়ের চাহিদা বাড়ছে।

প্রোগ্রামিং কেন শিখব?
প্রোগ্রামিংয়ের একদম বেসিক দুটো অ্যাপ্লিকেশন হলো ডেটা প্রসেসিং এবং ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন, যা যেকোনো ক্ষেত্রে অনেক প্রয়োজনীয় একটি দক্ষতা। প্রোগ্রামিংয়ের মাধ্যমে নিজের সমস্যা সমাধানের দক্ষতাও বাড়িয়ে নেওয়া যায়। একটা বড় সমস্যাকে কীভাবে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করে সেটা ধাপে ধাপে সমাধান করতে হয়, তা প্রোগ্রামিং শিখতে গেলে ভালোভাবে চর্চা হয়ে যায়, যা প্রোগ্রামিংয়ের বাইরেও অনেক সাহায্য করে। তা ছাড়াও কোন সমস্যার গভীরতা কতটা এবং সেটাকে বিভিন্ন দিক থেকে কীভাবে যাচাই করা যায়, সেটার চর্চাও হয়।

কী কী ল্যাংগুয়েজ শিখব?
অনেক ধরনের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ আছে, তাই ঠিক কোনটা শিখবেন এটা বলা একটু কঠিন। তবু আমার নিজস্ব মতামত হলো, কেউ যদি প্রোগ্রামিং এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভালো করতে চায়, তাহলে তার অন্তত একটি কম্পাইলড ল্যাংগুয়েজ, যেমন সি++ আর একটি ইন্টারপ্রেটেড ল্যাংগুয়েজ এবং পাইথন জানা থাকা উচিত। অন্যদিকে কম্পাইলড ল্যাংগুয়েজে যেমন সি++ এ কোড প্রথমে মেশিন কোডে রূপান্তর করে তারপরে এক্সিকিউট করা হয়, কম্পাইলড ল্যাংগুয়েজের সিনট্যাক্স বা নিয়মগুলো একটু কঠিন হয় এবং কোথায় ভুল হচ্ছে তা বের করা একটু কঠিন হয়। কিন্তু কম্পাইলড ল্যাংগুয়েজ দ্রুত এক্সিকিউট হয় এবং সহজে স্কেল করা যায়, যা অনেক সফটওয়্যারের জন্যও বেশ প্রয়োজনীয়। বলে রাখা ভালো, পাইথনকে চাইলে কম্পাইলড ল্যাংগুয়েজ হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। একটি কম্পাইলড এবং একটি ইন্টারপ্রেটেড ল্যাংগুয়েজ জানার সুবিধা হলো, আপনি খুব সহজেই ইন্টারপ্রেটেড ল্যাংগুয়েজ দিয়ে প্রোটোটাইপ করে ফেলতে পারবেন। আর কম্পাইলড ল্যাংগুয়েজ দিয়ে সমাধানটিকে প্রোডাকশনের জন্য তৈরি করতে পারবেন। যাদের ইচ্ছা যেকোনো একটি ল্যাংগুয়েজ শিখবেন। কিন্তু যারা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হতে চান না, তাদের এমন একটি সফটওয়্যার শেখা উচিত, যার সাপোর্ট অনেক ভালো। এখন পাইথনে অনেক মেশিন লার্নিং লাইব্রেরি এবং এপিআই সাপোর্ট আছে, যা পরবর্তী সময়ে অনেক কাজে দেয়। তবে কারও ওয়েব ডেভেলপমেন্ট বা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনে ঝোঁক থাকলে পিএইপি বা জাভাস্ক্রিপ্ট শিখতে পারেন। একাডেমিক কাজে এখন পাইথন অনেক বেশি ব্যবহার করা হয়। তাই হায়ার স্টাডি করতে গেলে পাইথনে ভালো দক্ষতা জরুরি।

কীভাবে শুরু করব?
এখন ইন্টারনেটের যুগ, তাই নিজে এখন ঘরে বসেই প্রোগ্রামিং শেখা যায়। আমার মতে, একেবারেই নতুনদের একটি ইন্টারপ্রেটেড ল্যাংগুয়েজ পাইথন দিয়ে শেখা শুরু করা উচিত। এতে এর মেসেজগুলো বুঝতে বেশি সমস্যা হয় না। ইউটিউবে এমন অনেক কোর্স আছে, এর মধ্যে freeCode Camp .org-এর কোর্সগুলো বেশ জনপ্রিয় এবং সহজে বোঝা যায় (https://www. youtub e.com /watch? v=eWRfhZUzrAc)। এ ছাড়া আরেকটি চ্যানেল Telusko-ও বেশ জনপ্রিয়। এখানে ভিডিওগুলো বেশি বড় হয় না। তাই মনোযোগ ধরে রাখা সহজ হয়। তা ছাড়া বাজারে এখন অনেক বই এবং টিউটোরিয়াল পাওয়া যায়, যেগুলো ব্যবহার করে ঘরে বসেই প্রোগ্রামিং শেখা যায়। হাতেখড়ি হয়ে যাওয়ার পর যখন পাইথন কিছুটা আয়ত্তে চলে আসবে, তখন গুগল ফর এডুকেশনের পাইথন ক্লাস করা যেতে পারে (https://developers. google.c om/edu /python), যা প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্টের জন্য বেশ ভালো।

প্রোগ্রামিং শিখে চাকরির সুযোগ কেমন?
ভালো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বা ওয়েব ডেভেলপার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে পারলে দেশ ও দেশের বাইরে তার অনেক চাহিদা রয়েছে। প্রতিবছর বাংলাদেশ থেকে অনেকে সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বিশ্বের বড় বড় প্রতিষ্ঠানে যোগদান করছেন। তবে প্রোগ্রামিংকে ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে চাইলে নিজেকে অনেক ভালোভাবে প্রস্তুত করতে হবে এবং সমস্যা সমাধানের দিকে অনেক মনোযোগ দিতে হবে। এর বাইরেও এখন প্রায় সব প্রতিষ্ঠানেই প্রোগ্রামারের প্রয়োজন হয়। তাই সে ক্ষেত্রে অনেক বিকল্প থাকে। সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের বাইরেও প্রোগ্রামিং একটি কাঙ্ক্ষিত দক্ষতা, যা আপনাকে যেকোনো ক্ষেত্রে আলাদাভাবে প্রতিষ্ঠিত হতে সাহায্য করবে।

ড. কিশোয়ার শাফিন, রিসার্চ সায়েন্টিস্ট, গুগল।

অনুলিখন: আনিসুল ইসলাম নাঈম

সোর্স আজকের পত্রিকা

Experts warn that flavored e-cigarettes can cause permanent lung damage, citing a U.S. teen who developed “popcorn lung”...
29/07/2025

Experts warn that flavored e-cigarettes can cause permanent lung damage, citing a U.S. teen who developed “popcorn lung” after va**ng in secret for three years. This condition, once linked to diacetyl in popcorn factories, scars small airways and causes chronic coughing and breathlessness. With over 180 flavoring chemicals in e-cigs—many turning toxic when heated—experts stress the urgent need for regulation and awareness, especially as fruity, candy-like flavors attract youth.

**e

ডিসেম্বর ২০২৪ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন পাঁচ কাপের বেশি কফি পান করলে মস্তিষ্কের বয়স ৬.৭ বছর পর্যন্ত কমতে পা...
28/07/2025

ডিসেম্বর ২০২৪ সালের একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, প্রতিদিন পাঁচ কাপের বেশি কফি পান করলে মস্তিষ্কের বয়স ৬.৭ বছর পর্যন্ত কমতে পারে।

গবেষণায় অংশগ্রহণকারীরা যারা বেশি কফি পান করেন, তারা মনোযোগ, প্রসেসিং স্পিড, এবং ভিজুয়োমোটর কো-অর্ডিনেশন সম্পর্কিত বিভিন্ন পরীক্ষায় ভালো স্কোর করেছেন। এমনকি বয়স, লিঙ্গ এবং ধূমপানের বিষয়টি হিসাব করেও দেখা গেছে, তাদের শরীরে প্রদাহজনিত চিহ্ন তুলনামূলকভাবে কম।

গবেষকরা মনে করছেন, এই উপকারের পেছনে রয়েছে কফিতে থাকা ক্যাফেইন, ম্যাগনেশিয়াম, ভিটামিন বি৩, এবং প্রদাহ হ্রাসকারী যৌগ। বিশেষ করে অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন (AFib) রোগীদের জন্য কফি উপকারী হতে পারে, যারা মানসিক অবনতির ঝুঁকিতে থাকেন – কফি এই ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

আরও গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি কফি পান করলে মস্তিষ্কে অ্যামিলয়েড-বিটা (Aβ) প্রোটিন জমা হওয়ার হার কমে, যা আলঝেইমার এবং ডিমেনশিয়া রোগের ঝুঁকি কমায়। যারা দিনে মাত্র এক বা দুই কাপ কফি পান করেন, তাদের মধ্যে এই রোগের প্রবণতা বেশি দেখা গেছে।

কফি মস্তিষ্কে বিষাক্ত অ্যামিলয়েড প্ল্যাক তৈরি কমিয়ে দিতে পারে, কারণ এটি Aβ প্রোটিন তৈরি এবং এর বিষক্রিয়া কমিয়ে দেয়। কফির বিভিন্ন উপাদান ক্যাফেইনের সঙ্গে মিলিত হয়ে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

📢 Meta-এর নতুন ফিচার একেবারে গেমচেঞ্জার। এখন Facebook Ads ট্র্যাকিং হবে আরো স্মার্ট—Ads Manager-এ যুক্ত হয়েছে "URL Param...
08/05/2025

📢 Meta-এর নতুন ফিচার একেবারে গেমচেঞ্জার।

এখন Facebook Ads ট্র্যাকিং হবে আরো স্মার্ট—Ads Manager-এ যুক্ত হয়েছে "URL Parameters" সেকশন, যা দিয়ে UTM কোড অ্যাড করা যাবে অনেক সহজে।

🆕 এই ফিচার দিয়ে আপনি পারবেন:
🔗 লিঙ্কে ডিরেক্ট UTM কোড বসিয়ে ট্র্যাক করতে
📊 কোন অ্যাড বা ক্যাম্পেইন কনভার্সন আনছে সেটা একদম ক্লিয়ারলি বুঝতে
📍 কোন অডিয়েন্স/টার্গেটিং কাজ করছে, কোনটা নয়

⚡️ Cool part is Meta এখন অটোমেটিক UTM সাজেশন দিচ্ছে—মানে ম্যানুয়ালি বানাতে হবে না!

🎯 ফুল বেনিফিট:
✅ ডেটা-ড্রিভেন ডিসিশন নিতে পারবেন
✅ Google Analytics-এ ক্লিন রিপোর্ট
✅ ক্লায়েন্ট বা বসকে স্মার্টলি শো করতে পারবেন প্রোগ্রেস

📌 Pro টিপস:
→ এড চালানোর পাশাপাশি এখন থেকে ট্র্যাকিং মাস্টার হতে হবে
→ Shopify, WordPress, GA—সবার সাথে কাজ করে এই কোড
→ যারা ডিজিটাল মার্কেটিং শিখছেন বা ক্লায়েন্ট হ্যান্ডেল করছেন, তাদের জন্য এটা must-know স্কিল।

Address

Dhaka

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md. Ashik Azad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md. Ashik Azad:

Share

Category