Shakib Hasan

Shakib Hasan Keep Me Support

প্রতিটি ছেলের বুকের ভেতর একসাথে তিনটা যুদ্ধ চলে: পরিবারের দায়িত্ব, নিজের স্বপ্ন, আর প্রিয় মানুষকে ধরে রাখার লড়াই। দুর্ভা...
09/08/2026

প্রতিটি ছেলের বুকের ভেতর একসাথে তিনটা যুদ্ধ চলে: পরিবারের দায়িত্ব, নিজের স্বপ্ন, আর প্রিয় মানুষকে ধরে রাখার লড়াই। দুর্ভাগ্য হলো, এই তিন যুদ্ধে জিততে গিয়ে অনেক ছেলে শেষ পর্যন্ত নিজেকেই হা'রিয়ে ফেলে..!

07/08/2026

বনানী টালী খাতা অফিসের পিছনে রাস্তার মোড় এর আগুন লেগেছে!

Part 4

আসসালামু আলাইকুম, আমি সৈকত। আমি একজন মধ্যবিত্ত স্বল্প আয়ের মানুষ। আমার বাবা ছিলেন সরকারী চাকুরীজীবি। ভাগ্যের নির্মম পরিহ...
07/08/2026

আসসালামু আলাইকুম,
আমি সৈকত। আমি একজন মধ্যবিত্ত স্বল্প আয়ের মানুষ। আমার বাবা ছিলেন সরকারী চাকুরীজীবি। ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে তিনি একসময় চাকুরিচ্যুত হন। আমাদের পরিবারে নেমে আসে অন্ধকারের ছায়া।
আমাদের বংশের বাকিরা যখন টিনের ঘর তুলে ফেলেছে আমরা তখনও খড়ের ঘরে থাকি। আমার বাবা অভাবে ওষুধটাও কিনে খেতে পারতো না।

টানাপোড়নের মধ্য দিয়ে বাবার চাকরি হয় একটা এমপিওভুক্ত স্কুলের শিক্ষক হিসেবে। যেখানে তার বেতন ছিলো মাত্র ১২০০ টাকা। এরমাঝেই তিনি অসুস্থ হয়ে পরেন। ডায়াবেটিস, সেখান থেকে চোখ নষ্ট হয়ে যাওয়া, টাকার অভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা থেকে কিডনি ফেইলিওর এভাবে দীর্ঘদিন রোগে ভুগে আমার বাবা মারা যান।

আমি আর আমার বোন বহু কষ্টে পরিবারের সবার দয়ায় পড়ালেখা করেছি৷ আমি প্রথম যেদিন ঢাকায় আসি পড়তে আমার পকেটে সেদিন ছিলো মামা-খালাদের মিলিয়ে দেয়া ২০০০ টাকা। যার ১০০০ টাকা হোস্টেলের খরচেই চলে গিয়েছিলো। বাকি ১০০০ টাকায় মাস কীভাবে চালাবো সেই চিন্তায় সদ্য এইচএসসি পাশ করা সৈকত সেদিন বিশাল বড় তোষক আর কাপড়ের ব্যাগ হাতে নিয়ে দেড় ঘন্টা হেঁটেছিলো টাকা বাঁচানোর তাগিদে।

দিনের পর দিন না খেয়ে থাকতাম কারণ আমার কাছে তো খাওয়ার টাকা নেই, কে দিবে টাকা! দুপুরে কিছু ভাতের ভ্যানে ৩০ টাকায় ডিমের তরকারী আর ভাত পাওয়া যেতো, ওটাই ছিলো আমার সারাদিনের একমাত্র খাবার। গভীর রাতে ক্ষুধার জ্বালায় মেসে সবাই ঘুমিয়ে যাওয়ার পর অন্ধকার রান্নাঘরে হাড়িপাতিল হাতড়ে দেখতাম তলানিতে কিছু পরে আছে কী না। যেদিন কিছু খাবার থেকে যেতো সবাই খাওয়ার পরও, সেদিন রাতে আমার আধপেটা খাবার জুটে যেতো।

খাবারের টাকা জোটাতে আমি কাঠফাটা গরমে গ্যাস ফিলিং স্টেশনে দাঁড়িয়ে হকারিও করেছি একসময়। যেখান থেকে দিনে আয় হতো মাত্র ১৫০ টাকা।

এত কষ্ট করে বড় হয়েছি দেখেই হয়তো, মানুষের বিপদআপদে আমি কখনো না করতে পারিনি। কারণ আমি অভাবের চরম মূল্য চুকানো মানুষ। আমার সাধ্য আছে কাউকে সাহায্য করার আর আমি তাকে খালি হাতে ফিরিয়েছি সেটা কখনো হয় নাই, হবেও না। মাঝরাতে ঢাকা শহরের এই মাথা থেকে ওই মাথায় কারো রক্ত লাগলে যেমন দৌঁড়ে গেছি, তেমনি গরীব বাচ্চারা যেনো অন্তত অক্ষর পরিচয় শিখতে পারে সেজন্য মাথার ঘাম পায়ে ঝরিয়ে মজার ইশকুলও গড়েছি।

এভাবে টানাটানি করে আস্তেধীরে একটু সুখের মুখ দেখতে শুরু করেছিলাম। আমাদের জীবনে একটা পুতুল আসলো, আমার বোনের মেয়ে মিনহা। দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা, চিকিৎসা আর হতাশার পর হওয়া আমাদের ফ্যামিলির প্রথম বাবু। ওর মতো বুদ্ধিমান, মায়াময়, চমৎকার এবং সাহসী বাবু আমি জীবনে দেখি নাই। আমার নিজের ভাগনী বলে বলছিনা। অপরিচিত মানুষও ওকে নিয়ে কোথায় গেলে মায়ায় পরে যায়, আদর করে দিয়ে যায়৷ ১৫ দিন পর আমার মা'টার প্রথম জন্মদিন পালন করার কথা। ওর জন্মদিন ঘিরে কত প্ল্যান হচ্ছিলো! কত আনন্দ হতো মনে হলেই!

এত আনন্দ কপালে সইলো না। হুট করে একদিন জানা গেলো ওর লিউকেমিয়া৷ দিব্যি সুস্থসবল বাচ্চা, খেলছে,হাসছে, সারাক্ষণ বাসা মাতিয়ে রাখছে। সেই বাচ্চার নাকি এত কঠিন অসুখ করেছে।
আমার এবং আমার পরিবারের সাধ্যে যতখানি কুলায় ওর জন্য আমরা সব করছি। ওর চিকিৎসায় কোন কমতি রাখছি না। আশার ব্যাপার এটাই যে দীর্ঘ সময় এবং ব্যয়বহুল চিকিৎসা হলেও ওর পুরোপুরি সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার সম্ভাবনা ৯০ শতাংশেরও বেশি।

আমি যদি আপনার কোন উপকার কখনো সজ্ঞানে অথবা অজ্ঞানে করে থাকি, আপনার কাছে হাতজোড় করি ভিক্ষা চাইছি, একটু আমার পাশে দাঁড়ান। এই কঠিন দূর্যোগের দিনে আপনার একটা ছোট্ট ডোনেশন থেকেও ওর একদিনের ওষুধটা হয়তো ম্যানেজ হয়ে যেতে পারে। এরকম ছোট ছোট সাহায্য এক সাথে করে হয়তো ওর পুরো একটা কেমোথেরাপি সেশনের খরচ উঠে যেতে পারে।

আমার নাম সৈকত হলেও সমুদ্রের বিশাল প্রাচুর্য কোনোদিনই আমার ভাগ্যে জোটেনি। ঠিক বাস্তবের সৈকতের মতো। ঢেউ আসে, ছুঁয়ে যায়, তারপর আবার ফিরে যায়। আমার জীবনেও সুখগুলো বারবার ঠিক সেভাবেই এসেছে। মনে হয়েছে, এবার বুঝি সব ঠিক হয়ে যাবে। তারপর একসময় আবার সবকিছু শূন্য হয়ে গেছে।

আজ প্রথমবারের মতো আমি একটা সমুদ্র চাই। নিজের জন্য না। আমার ছোট্ট ভাগনীর জন্য।

আপনার সামর্থ্যের যতটুকুই সম্ভব, হয়তো একটা ছোট্ট ডোনেশন, হয়তো শুধু এই ক্যাম্পেইনটা অন্যদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, সেই ছোট ছোট ঢেউগুলো একসাথে হয়তো একটা সমুদ্র হয়ে উঠতে পারে।

আমি শুধু এমন একটা সমুদ্র চাই - যে তার সবটুকু জল দিয়ে আমার মা'টাকে বাঁচিয়ে রাখবে। এমন একটা সমুদ্র - যার কোনো ঢেউ আমার পৃথিবীর সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে আর আমার কাছ থেকে কেড়ে নেবে না।

ডোনেশনের লিংক কমেন্টে-

এমন মৃত্যু যেন আল্লাহ কাউকে না দেয়, গতকাল রাত আটটার দিকে একটি সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি পটুয়াখালীর নিষিদ্ধ পল্লীতে এক...
05/08/2026

এমন মৃত্যু যেন আল্লাহ কাউকে না দেয়, গতকাল রাত আটটার দিকে একটি সোর্সের মাধ্যমে জানতে পারি পটুয়াখালীর নিষিদ্ধ পল্লীতে একজন মানুষ মারা গিয়েছেন। তথ্য সংগ্রহ করতে আমি যখন সেখানে যাই এর মধ্যে আমাদের পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ তিনি চলে আসেন। তিনি আমাদের সাথে নিয়ে সেই ঘরে প্রবেশ করেন যে মহিলার কাছে তিনি এসেছিলেন তার সাক্ষাৎকার নেই, এবং তিনি যা বলেছেন সেই কথা নাই বলি,,,,,,

তবে যখন তার মরদেহ সেই ঘর থেকে সামনে নামানো হয় তখন তার আত্মীয়-স্বজন যে দুই জন এসেছিলেন তারা সেই অ্যাম্বুলেন্সের স্ট্যাচার ধরতে নারজ কারণ সামনে দাঁড়িয়ে ছিল মিডিয়ার লোকজন তারা ফুটেজ নিবে এজন্য। স্থানীয় কয়েকজনকে সেই স্ট্যাচার ধরার জন্য অনুরোধ করলেও কেউ সামনে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ৫ মিনিটের মত অনুরোধ করতেছিল কেউ একজন স্ট্যাচার টি ধরে এম্বুলেন্স উঠিয়ে দেওয়ার জন্য এগিয়ে আসে নাই।

তখন আমি বলি আমি ধরবো তার সাথে এম্বুলেন্সের যিনি ছিলেন তিনি এগিয়ে এসেছেন আর পুলিশের একজন কর্মকর্তা ও ডোম ঘরের একজন কর্মকর্তা মিলে সামনে নিয়ে আসি।

স্ট্যাচার ধরা অবস্থায় সেই ফুটেজ অনেকে আমাকে মেসেঞ্জার ও মেনশন দিচ্ছেন তাদেরকে বলব যিনি চলে গেছেন তিনি তো চলে গেছেনিই পরিবারবর্গ তাদের কি অবস্থায় রেখে গেছেন। আমি ভাই তারে একজন মানুষ হিসাবে দেখেছি এবং এই কাজটি করেছি। এতে আমার কোনো কিছু ভাবতে হয় নাই।

২৭টা বিয়ের কথা ভাবতে পারেন এইসময়ে? এই মেয়েটার বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদ বলা হচ্ছে। প্রতারণা করে ২৭টা বিয়ে ক...
04/08/2026

২৭টা বিয়ের কথা ভাবতে পারেন এইসময়ে? এই মেয়েটার বাড়ি চট্টগ্রামের চন্দনাইশের কাঞ্চনাবাদ বলা হচ্ছে। প্রতারণা করে ২৭টা বিয়ে করেছে বলে দাবি তার এক জামাইয়ের। মেয়েটার নাম অনামিকা রয়। সে এসএসসি পাস এবং নার্সিং কোর্স করা! কিন্তু নিজেকে সে দাবি করে ডাক্তার, MBBS করেছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে,বিসিএস ক্যাডার এবং অক্সফোর্ডে যাচ্ছে পিএইচডি করতে!

মেয়ে হিন্দু ধর্মের। তবে নিজেকে পরিচয় দেয় মুসলিম। ভালোবেসে ইসলাম গ্রহণ করার কথা বলে। তারপর নিজের নাম রেখেছে ফারিয়া জান্নাত সুভা! এই কথা বলে আরও বেশি সিম্প্যাথি এচিভ করেছে অনেকের কাছ থেকে। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার থেকে শুরু করে বিসিএস ক্যাডার পর্যন্ত এমন কোন মানুষ নেই এর দ্বারা প্রতারিত হয় নাই! তার নামে রেজিস্ট্রেশনকৃত এবং তার নাম ছাড়া রেজিস্ট্রেশন করা প্রায় ৩৪ টি সিম পাওয়া গিয়েছে।

২৭ জন ভুক্তভোগীর কাছ থেকে ১৫-২০ লাখ এবং 50 লক্ষ করে টাকা কাবিন নিয়ে বিয়ে করে। তারপরে তাদেরকে ফাঁসিয়ে কাবিনের টাকা আদায় করে এবং টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। বেশিরভাগই সামাজিকভাবে অসম্মানিত হওয়ার ভয়ে টাকা দিয়ে দেয়। মেয়েটা একেক সময় একেক সিম ইউজ করে এবং তাকে ট্রেস করা যায় না কোন ভাবেই কোন এলাকাতে বেশিদিন থাকে না একেকজনকে ফাঁসিয়ে ওই এলাকা থেকে পালিয়ে যায় ঘরের টাকা পয়সা গয়না সবকিছু নিয়ে।

নেককার বান্দা পরিচিত করে আসলেই নিজেকে ঢেকে রাখে অপরাধকে আড়াল করে রাখার জন্য এবং কেউ যেন তাকে না বুঝতে পারে।
এই মেয়ের কার্যকলাপ এত চতুর এবং সুন্দর স্ক্রিপ্টেড কেউ ধরতে পারে না এবং কি বিসিএস ক্যাডার এবং ডাক্তার পর্যন্ত এর ফাঁদে পা দিয়ে জীবন শেষ করেছে মানসম্মান এবং আর্থিকভাবে সবকিছু হারিয়েছে।
চট্টগ্রামের পোলাপাইন সাবধান থাকবেন!
এসবকিছুই তার ২৭ নম্বর স্বামীর দেওয়া তথ্য!
তথ্য: আরিফুল রাবু

03/08/2026
রাজধানীর উত্তরায় একটি বাসার গ্রিল কেটে ডা. সারা রোকসানা নামের এক নারী চিকিৎসককে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। নিহত ওই চিকিৎসক...
31/07/2026

রাজধানীর উত্তরায় একটি বাসার গ্রিল কেটে ডা. সারা রোকসানা নামের এক নারী চিকিৎসককে হত্যা করেছে দূর্বৃত্তরা। নিহত ওই চিকিৎসক কটিয়াদী উপজেলার জালালপুর ইউনিয়নের ভূইয়া বাড়ি এলাকার শিক্ষক মজিবুল হক বাচ্চুর মেয়ে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) উত্তরার ফায়দাবাদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

প্রতিমন্ত্রী যখন বললেন, “যে টিচার মনোযোগ দিয়ে পড়ায় না, তাকে আমার দরকার নাই”—তখন মনে হলো আমাদের মনের ক্ষো/ভটাই কেউ একজন উ...
30/07/2026

প্রতিমন্ত্রী যখন বললেন, “যে টিচার মনোযোগ দিয়ে পড়ায় না, তাকে আমার দরকার নাই”—তখন মনে হলো আমাদের মনের ক্ষো/ভটাই কেউ একজন উচ্চারণ করলেন।

দুর্গম হাওরের চারটা প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে গিয়ে যখন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ দেখলেন ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণীর অনেক বাচ্চারা সাধারণ যোগ-বিয়োগ পর্যন্ত পারছে না, তখন তিনি আর ক্ষো/ভ ধরে রাখতে পারেননি। শিক্ষকদের সরাসরি
আ/ল্টি/মেটাম দিয়ে যা বলেছেন, একদম জায়গামতো হাত দিয়েছেন!

প্রাইমারি স্কুলের অনেক স্কুলে শিক্ষকরা ক্লাসে গিয়ে মোবাইলে রিলস দেখা নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, আর বাচ্চাদের ধমকে বলেন, “একটা কথা বলবা না, যা পারো বসে লেখো!”
৩য়-৫ম শ্রেণীর একটা শিশু যদি সাধারণ যোগ-বিয়োগ না পারে, তবে এত বছর ক্লাসে তারা কী শিখলো?

হ্যাঁ, সব শিক্ষক এক নন। এত এত শিক্ষকের ভিড়ে এখনো কয়েকজন অসাধারণ শিক্ষক আছেন, যারা নিজেদের সেরাটা দিয়ে পড়ান। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা। কিন্তু আফসোস, এই সংখ্যাটা খুব কম!

শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আসুক, ভালো শিক্ষকরা সম্মান পাক আর দায়িত্বজ্ঞানহীনরা জবাবদিহিতার আওতায় আসুক।যে টিচার মনোযোগ দিয়ে পড়ায় না, সেই টিচার দরকার নাই এই কথাটাই এখন বাস্তবায়ন করা দরকার।
ধন্যবাদ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে এই সত্যটা তুলে ধরার জন্য!

এই লোক আরেক লিজেন্ড!!  ওনার এক জীবনে যা যা অর্জন :- ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি 🫣১. মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর বিক্রম খেতা...
27/07/2026

এই লোক আরেক লিজেন্ড!! ওনার এক জীবনে যা যা অর্জন :- ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি 🫣

১. মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর বিক্রম খেতাব অর্জন।

২. ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে যশোর ক্যান্টনমেন্টে বিদ্রোহের নেতৃত্ব প্রদান ও একাধিক সম্মুখযুদ্ধে নেতৃত্ব প্রদান।

৩. বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন।

৪. ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে দায়িত্ব পালন।

৫. বিএনপির সর্বোচ্চ ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন।

৬. সাতবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়া। আরও দুইবার বর্জন করেছেন, একবার ভোররাতে ডাকাতি হয়েছে। দশবার হতে পারতেন।

৭. বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী, পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বাণিজ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন।

৮. ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক হওয়া।

৯. বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে)-র সভাপতি হিসেবে দুই মেয়াদে দায়িত্ব পালন।

১০. এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (AFC) সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়া।

১১. ফিফার আপিল ও ডিসিপ্লিনারি কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন।

১২. ১৯৬৪–১৯৬৬ সালে পূর্ব পাকিস্তানের দ্রুততম মানব হওয়া।

১৩. ১০০ ও ২০০ মিটার স্প্রিন্টে স্বর্ণপদক অর্জন।

১৪. জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার (১৯৮০) লাভ।

১৫. FIFA Order of Merit (২০০৪) সম্মাননা অর্জন।

১৬. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স ও এমএ ডিগ্রি অর্জন।

১৭. রক্তে ভেজা একাত্তর, গণতন্ত্র রিমাণ্ডে, সৈনিক জীবন এবং গৌরবাঙ্গনেসহ একাধিক গ্রন্থ রচনা।

© আপনার আমার কি কি অর্জন আছে?

দেশে কি তাহলে কোনো টুথপেস্ট ইউজ করবো না? বাংলাদেশে এমন একটা জিনিস দেখানে যেটাতে ভেজাল নাই৷ সৌদিতে আমি অরজিনাল সেনসোডেন্ট...
26/07/2026

দেশে কি তাহলে কোনো টুথপেস্ট ইউজ করবো না? বাংলাদেশে এমন একটা জিনিস দেখানে যেটাতে ভেজাল নাই৷

সৌদিতে আমি অরজিনাল সেনসোডেন্ট ইউজ করতাম৷ দেশে আসার পর চিন্তা করলাম কোনটা ভালো হবে৷ কিন্তু আজ একটা নিউজ দেখে পুরা শক খেলাম আমি৷

বাংলাদেশের বাজারে বিক্রি হওয়া ৩৪টি টুথপেস্টের নমুনা পরীক্ষা করে ২৬টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে৷

সবচেয়ে বেশি মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে ‘মেডিপ্লাস ফ্লুরিড জেল’-এ, যার প্রতি ১০০ গ্রামে কণার সংখ্যা ৩২০টি

দেশের বাজারে বিক্রি হওয়া যেসব ২৬টি টুথপেস্টে মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে (প্রতি ১০০ গ্রামে):

2. Closeup Red Hot – 160

3. Closeup Menthol Fresh – 160

4. Kodomo Ultra Shield Formula (Strawberry) – 140

5. Signal Green Tea – 120

6. Pepsodent Advance Salt – 100

7. Himalaya Complete Care – 100

8. Sensodyne Fresh Mint – 80

9. Pepsodent Sensitive Expert – 60

10. White Plus Red – 60

11. White Plus Pro Sensitive Gel – 60

12. Meril Baby Strawberry – 60

13. Signal Whitening – 60

14. Mediplus TGP Formula – 60

15. am.pm. Herbal Toothpaste – 40

16. Mediplus DS – 40

17. Pepsodent Germicheck+ – 40

18. Meril Baby Orange – 40

19. Magic Herbal – 40

20. Meswak – 40

21. Closeup Menthol Fresh (Sachet) – 40

22. Dentin Gel Toothpaste – 20

23. Pepsodent Kids Orange – 20

24. Closeup Lemon Sea Salt – 20

25. Brush Up Whitening Gel – 20

26. White Plus Pro Sensitive – 20

আপনার ব্যবহৃত টুথপেষ্ট এখানে আছে কোনটা?

#মাইক্রোপ্লাস্টিক #টুথপেস্ট

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shakib Hasan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category