Khadiza Akter

Khadiza Akter Welcome to my page
(63)

11/12/2025

উদ্ধার করা সাজিদ কে হা/স/পা/তা/লের
কর্তব্যরত চিকিৎসক সাজিদকে মৃ//ত ঘোষণা করেছেন 😭

11/12/2025

আলহামদুলিল্লাহ!
রাজশাহীতে গভীর নলকূপের পাইপে পড়ার ৩২ ঘণ্টা পর
শিশু সাজিদকে এইমাত্র জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

পরিক্ষার চাপ রে 😄
04/12/2025

পরিক্ষার চাপ রে 😄

12/11/2025

Celebrating my 2nd year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

09/11/2025

জলপাই আচার 😋

06/10/2025

ডিভোর্সের পর ছোট বোনটা দশ মাসের বাচ্চা নিয়ে আমাদের বাসায় এসে উঠলো। ভাবলাম বোনের বাচ্চাকে নিয়ে আমার স্ত্রী লুনার সময়টা এবার হয়তো ভালোই কাটবে। বোনটাও আমার এ বাড়িতে একটু শান্তিতে থাকতে পারবে। আমাদের বিয়ের সাত বছরেও কোনো বাচ্চাকাচ্চা হলো না। বাবা বললেন আমি বৃদ্ধ হয়েছি তো কি হয়েছে? তোদের চার ভাইবোনকে খাইয়ে পরিয়ে এতো বড় করতে পারলে শেষ বয়সে আমার ছোট মেয়ের দায়িত্বও নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

মাস তিনেক পর থেকেই আমার স্ত্রী লুনার সাথে বিথীর ঝামেলা হতে লাগলো। এ নিয়ে মা প্রায়ই আমার কাছে বিচার দিতেন। আমি লুনাকে বুঝানোর চেষ্টা করতাম যে আজ বিথীর অবস্থা যদি তোমার হতো তাহলে কি করতে?

একদিন অফিস থেকে এসে দেখি বিথী বারান্দায় বসে কাঁদছে। আমার স্ত্রী লুনা বললো, খালি তো বলো আমি খারাপ। তাইলে আজ দুপুরে মা কেন বিথীকে বকলো "বিয়ে দিয়েছি স্বামীর ঘর করার জন্য। নিজের খাসলতের কারণে স্বামীর ভাত খেতে না পেরে ভাই-ভাবীর ঘাড়ে এসে উঠেছিস। তুই মরতে পারিসনা?"

একটা মেয়ে তার এই চরম দুঃসময়ে নিজের মাকেই সবচেয়ে কাছে চায়, পাশে চায়। কিন্তু আমার বোনের বেলায় হলো সম্পূর্ণ উল্টা। মা কেনো জানি দিনকে দিন ওকে আর সহ্যই করতে পারছিলো না। রোজই কিছু না কিছু নিয়ে ঝামেলা হতো। আমার স্ত্রী লুনা মনেমনে তাতে বেশ খুশিই হতো। আমি হলাম মাঝখানে দিশাহারা। ছোট বোনের এমন বিপদে মাকে সামলাবো নাকি নিজের স্ত্রীকে সামলাবো!? কিন্তু মার আচরণে আমি দিনকে দিন অবাক হচ্ছি। নিজের মেয়ের এমন বিপদে মার এই আচরণ একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

বিথী রোজ রাতে বারান্দায় বসেবসে কাঁদে। আমার চার ভাইবোনের মধ্যে এই অসহায় বোনটা ছিল পরিবারের সবার চোখের মণি।তার প্রতি পরিবারের সবার আদরযত্ন ছিল অন্যরকম। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস আজ সেই সবচেয়ে বেশি অবহেলিত লাঞ্চিত।

আব্বার বয়স হয়েছে। বেশির ভাগ সময় অসুস্থ থাকেন। শুধু মুখটাই যা শক্ত আছে। আমার অন্য দুই ভাই বোন নিজের মতো করে আলাদা থাকে। আব্বা মাদ্রাসার শিক্ষক ছিলেন। এখন অবসরে আছেন। পেনশনের টাকা আর আমার চাকরির যৎসামান্য বেতনে কোনরকম দিন চলে যায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের একটাই সমস্যা। তা হলো টাকা। তার উপর এখন নতুন যোগ হয়েছে ছোট বোনটা। প্রতি মাসে তার এবং তার বাচ্চার পেছনে বাড়তি অনেকগুলা টাকা খরচা হয়। মাঝেমাঝে আমি বেদিশা হয়ে যাই খরচ সামলাতে সামলাতে। তবুও যতই অভাবে থাকি নিজের মায়ের পেটের বোনকে ফেলে তো আর দেয়া যায়না। এব্যাপারটা মাও বুঝতে চায়না আমার স্ত্রীও বুঝতে চায়না।

ইদানিং বিথী আমার সামনে আসতে চায়না। সবসময় নিজেকে লুকিয়ে রাখে। আমি বুঝতে পারি ওর মধ্যে হয়তো অপরাধ বোধ কাজ করে। বর্তমান উর্ধগতির বাজারে টানাপোড়েনের সংসারে হুট করে দুজন মানুষের বাড়তি খরচ নেহাতই কম না।

মাস শেষে আজ বেতন পেলাম। বিথীকে ডেকে জিগ্যেস করলাম "কিরে কই থাকিস সারাদিন? সবসময় এমন মন মরা হয়ে থাকিস কেন? মা আর লুনা ছাদে গেছে শুকনো কাপড় আনতে। আমি বাজারে যাব কিছু লাগবে তোদের? লাগলে বল মা আর তোর ভাবি জানতে পারবেনা। "

বোনটার মুখের দিকে তাকানো যাচ্ছে না। চেহারার কি হাল হয়েছে। চিন্তায় রাতের পর রাত না ঘুমিয়ে চোখ দুটো কঠোরের ভেতর ঢুকে গেছে। চাঁদমাখা মুখটার কি শ্রী হয়েছে! দুধে আলতা গায়ের রঙ ছিল বোনটার। অথচ ডিভোর্সের এই কয়েক মাসে যেন পাতিলের তলায় রুপ নিয়েছে।

ও ঝরঝরে কেঁদে উঠলো। বললো ভাইয়া মেয়েটার জ্বর দুদিন থেকে। বুকের দুধ ছাড়া বাড়তি কোনো খাবার মুখে দিতে পারিনা ভয়ে। মা ফ্রিজ লক করে রাখে। ভাবিও নিষেধ করেছে ওনাকে না বলে যেন কোনো কিছু না ধরি। তার কান্না ভরা কন্ঠে কথাগুলো শুনে আমার চোখ ভিজে এলো। তাকে শান্তনা দিয়ে বললাম, চিন্তা করিস না বোন। মানুষের খারাপ সময় আজীবন থাকেনা। রাত যত গভীর হয় ভোর তত নিকটে আসে। আমি বাজার থেকে তোর মেয়ের জন্য কিছু খাবারদাবার নিয়ে আসবো। তুই তোর খাটের নিচে লুকিয়ে রাখিস কেমন।

বাবার ভুলের খেসারত আজ বোনটাকে দিতে হচ্ছে। কত করে নিষেধ করেছি কোনো বিদেশি ছেলের কাছে বিথীকে বিয়ে দিও না। মার অতি চালাকি আর লোভের কারণে বাবা আমাদের ভাইবোনের কথা অগ্রাহ্য করে ছেলের কোনো খোঁজ খবর না নিয়েই তড়িঘড়ি করে বিয়ে দিয়ে দিল। বিয়ের কিছুদিন পর জানতে পারি ছেলের কোনো লেখাপড়া নেই তারউপর নেশা করে। সৌদি থেকে দেশে এসে কয়দিন রমরমা চললেও এখন ধারকর্জ করে নেশা করে। বিথী কিছু বললে গায়ে হাত তোলে। বিথীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। টাকার বিনিময়ে বাজে বন্ধুদের বাড়িতে এনে বিথীকে বলে তাদের মনোরঞ্জন করে খুশি করতে। বিথী রাজি না হওয়াতে তাকে মারপিট করে ডিভোর্স দিয়ে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।

গত মাসে একটা বড় কোম্পানিতে ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম। আজ এইচ আর থেকে ফোন করে কনফার্ম করলো। আগামী মাসে জয়েনিং। সেলারি বর্তমানের দিগুণ। আমার কেন জানি মনে হচ্ছে প্রায় দিগুণ সেলারির জবটা বিথী আর বিথীর মেয়ের জন্যই হয়েছে। নাহয় গত বার বছরে আমি মনে হয় বারটা ইন্টারভিউ ফেস করেছি। অনেক ভালো ভালো ইন্টারভিউ দিয়েও টেন পার্সেন্ট বাড়তি সেলারিতে কোথায়ও ঢুকতে পারলাম না। অথচ এখন কোনো রকম প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ ইন্টারভিউ ফেস করে চাকরি হয়ে গেল, তাও আবার দিগুণ সেলারিতে! অবিশ্বাস্য ব্যাপার। অসহায় বোন ভাগ্নীর রিজিক হয়তো আল্লাহ আমার মাধ্যমেই পাঠাচ্ছেন। যাক, বাসায় গিয়ে বিথীকে বলবো আর যেন চিন্তা না করে। আগামী মাস থেকে হাতখরচ বাবত ওকে কিছু টাকা দেব যেন ওদের মা মেয়ের প্রয়োজন মিটাতে পারে। সে সাথে একটা সেলাই মেশিন কিনে দিব। বিয়ের আগে যুব উন্নয়ন থেকে ওর সেলাইয়ের উপর প্রশিক্ষণ নেওয়া ছিল। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঘরে বসেই যেন অনলাইনে একটা ছোটখাটো বিজনেস দাড় করাতে পারে। আমার বিশ্বাস বিথী বেশ খুশি হবে আমার পরিকল্পনা শুনে এবং একজন সফল উদ্দোক্তাও হতে পারবে নিজের শ্রম আর বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগিয়ে।

এসব ভাবতে ভাবতে বাসের হেল্পার যখন আজমপুর আজমপুর বলে ডাকতে লাগলো তখন ভাবনায় আমার ছেদ পড়লো। বাস থেকে নেমে বনফুল থেকে দুই কেজি মিষ্টি নিলাম। ছোট বেলায় বিথীর মিষ্টি খুব ফেবারিট ছিল। তাছাড়া নতুন জবের সুসংবাদটা খালি মুখে দেওয়া বেমানান হবে। সারাদিনের ক্লান্তি আর ঘর্মাক্ত শরীর নিয়ে যখন বাসার সামনে আসি দেখি চেনা অচেনা অনেক মানুষের ভিড়। প্রতিবেশী কয়েকজনকে বলতে শুনলাম, এইতো মেয়ের ভাই এসেছে। বাসার সামনে লোকে লোকারণ্য। ভিড় ঢেলে ড্রয়িং রুমে প্রবেশ করতেই সবার কান্নাকাটির শব্দ কানে আসলো। বিথীর রুমের খোলা দরজায় চোখ পড়তেই দেখি বোন আমার ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে ঝুলে আছে। আমাকে দেখে বাবা হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে বলে উঠলেন খোকা তুই এসেছিস? এদিকে আমার যে সব শেষ হয়ে গেল রে বাবা। আমার সোনার ময়না পাখি উড়াল দিয়ে চলে গেল অচিন দেশে। দুপুরে বিথী মাছের পেটির পিসে কাঁটা কম সেজন্য পেটি খুটে ভাত খাইয়েছিল মেয়েকে। এ নিয়ে তোর মা আর বৌমা বিথীকে কথা শুনিয়েছে। তাতেই পাখি আমার অভিমান করে আত্নহত্যা করে ফেললো।

আমি যেন একমুহূর্তে পাথর মূর্তি হয়ে গেলাম। মাকে দেখলাম মেঝেতে বসে খাটে মাথা ঠেকিয়ে বিলাপ করে কাঁদতে। আমার স্ত্রী লুনা, বিথীর মেয়েকে কোলে নিয়ে কাঁদছে। আমার বাকি দুই ভাইবোন খবর পেয়ে বিকালেই চলে এসেছে। আমার ফোনের চার্জ শেষ হয়ে অফ হয়ে গিয়েছিল তাই কেউ কিছু জানাতে পারেনি। লোকজন বলাবলি করছে, থানায় খবর দেওয়া হয়েছে।

আমি তাকিয়ে দেখি বোন আমার ছাতক পাখির মতো আমার দিকেই যেন চোখ মেলে চেয়ে আছে। হাতের চুড়িতে ভাঁজ করা একটা চিরকুট পাওয়া গেল। তাতে ছোট বড় কষ্টের অক্ষরে লেখা- "ভাইয়া তুই এসেছিস? বিশ্বাস কর ভাইয়া এতো সুন্দর পৃথিবী ছেড়ে এতো তাড়াতাড়ি মোটেও যেতে ইচ্ছা করছিল না আমার। কিন্তু কি করবো? উপায় যে আমার আর ছিল না। পৃথিবীটা আমার জন্য জাহান্নাম হয়ে গেছে। আমার মেয়েটাকে তুই দেখে রাখিস ভাইয়া। পারলে আমাকে ক্ষমা করিস। আমি তোদের বোঝা ছিলাম। তাই বোঝাটাকে নামিয়ে মাটিচাপা দিয়ে দিস চিরদিনের জন্য। মা আর ভাবিকে বলিস ভালো থাকতে শান্তিতে থাকতে। আমি আর জালাতন করবো না কোনদিন।
সবাইকে নিয়ে খুব বেশি ভালো থাকিস ভাইয়া।"

ডিভোর্সির_সাতকাহন

কলমেঃ Imran_Khan_Ratan_ACMA
কেমন লাগলো জানাবেন।

সংগৃহীত

11/09/2025

আজকে আমি ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে গেছি। কালকেও আমি ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে যাবো।পরিশেষে, সারা জীবন আমি ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরেই যাবো।

08/09/2025

কন্টেন্ট মনিটাইজেশন পাওয়ার পর এখন তেমন কোনো ইনকাম নেই,,,, মনিটাইজেশন পাওয়ার আগে ভিডিও, রিলস,পোস্ট খুব ভাইরাল হতো, 🙂আর মনিটাইজেশন পাওয়ার পর এখন তেমন কোনো কিছুই ভাইরাল হয় না 🥲 এই রকম অবস্থা কার কার 🖐️🖐️

Address

Demra
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Khadiza Akter posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share