Trust Way

Trust Way At Trust Way 24, we empower small and struggling businesses to thrive in the digital landscape. Your business, our trust. For Details Call Now : 01879619667

Specializing in Meta Ads, Google Analytics, and advanced tracking solutions. Trust Way 24 – Grow Your Business with Confidence
At Trust Way 24, we specialize in transforming small businesses into thriving enterprises. Whether you're starting from scratch or looking to revitalize a declining business, our team is here to guide you every step of the way. We provide expert strategies in digital marke

ting, ensuring your business reaches the right audience and achieves sustainable growth. Our core mission is to inspire and empower entrepreneurs, helping them turn their dreams into successful businesses. From startups to struggling enterprises, Trust Way 24 is committed to driving results and building a brighter future for your business. Let us help you grow with confidence!

ড্রপশিপিং ব্যবসা ফেসবুকের মাধ্যমে শুরু করতে হলে কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়। এটি এমন একটি মডেল যেখানে আপনি নিজে স্টক না রেখ...
21/10/2024

ড্রপশিপিং ব্যবসা ফেসবুকের মাধ্যমে শুরু করতে হলে কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়। এটি এমন একটি মডেল যেখানে আপনি নিজে স্টক না রেখে সরাসরি সাপ্লাইয়ারের কাছ থেকে প্রোডাক্ট ক্রেতার কাছে পাঠান। নিচে ধাপগুলো দেওয়া হলো:

১. প্রোডাক্ট সিলেকশন:
আপনাকে এমন প্রোডাক্ট বাছাই করতে হবে যেগুলো ফেসবুক মার্কেটে ভালো সেল করতে পারে। এটি হতে পারে ট্রেন্ডি বা হাই ডিমান্ডের কোনো পণ্য।

২. সাপ্লাইয়ার খুঁজে বের করা:
যে ধরনের পণ্য বিক্রি করবেন, সেরকম নির্ভরযোগ্য সাপ্লাইয়ার খুঁজে বের করুন যারা ড্রপশিপিং সাপোর্ট করে।

৩. ফেসবুক পেজ তৈরি:
আপনার ব্যবসার জন্য একটি ফেসবুক পেজ তৈরি করুন এবং সেটিকে পেশাদারভাবে সাজান। পেজে প্রোডাক্টের ফটো, বিবরণ, মূল্য ইত্যাদি দিন।

৪. ফেসবুক বিজ্ঞাপন:
ফেসবুক বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে আপনার প্রোডাক্টকে প্রমোট করতে পারেন। আপনি টার্গেট অডিয়েন্স নির্বাচন করে তাদের জন্য বিজ্ঞাপন চালাতে পারেন, যেমন লোকেশন, বয়স, আগ্রহের ভিত্তিতে।

৫. অর্ডার ম্যানেজমেন্ট:
কাস্টমার যখন আপনার কাছ থেকে পণ্য অর্ডার করবে, আপনি সেই অর্ডারের তথ্য সাপ্লাইয়ারকে দিবেন এবং সাপ্লাইয়ার সরাসরি কাস্টমারের কাছে পণ্য পাঠাবে।

৬. পেমেন্ট গেটওয়ে সেটআপ:
আপনার ক্রেতাদের কাছ থেকে পেমেন্ট নিতে একটি সহজ পেমেন্ট গেটওয়ে সেটআপ করুন। যেমন: বিকাশ, নগদ বা আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেম (যদি প্রয়োজন হয়)।

৭. কাস্টমার সাপোর্ট:
কাস্টমারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এবং তাদেরকে দ্রুত সহায়তা দিন যাতে তারা আপনার ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা রাখে।

ড্রপশিপিং ব্যবসায় ফেসবুক একটি শক্তিশালী মাধ্যম হতে পারে যদি আপনি সঠিকভাবে বিজ্ঞাপন, প্রোডাক্ট নির্বাচন এবং কাস্টমার সাপোর্টের ওপর জোর দেন।


























21/10/2024
বিজনেস এবং ইসলাম: আমাদের রিজিকের পাথেয়ইসলামে ব্যবসা-বাণিজ্যকে একটি সম্মানজনক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (...
20/10/2024

বিজনেস এবং ইসলাম: আমাদের রিজিকের পাথেয়

ইসলামে ব্যবসা-বাণিজ্যকে একটি সম্মানজনক কাজ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, "সৎ ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন নবীদের, সিদ্দিকদের, এবং শহীদদের সঙ্গে থাকবে।" (তিরমিজি)

আল্লাহ তাআলা আমাদের সকলকে ব্যবসা করার মাধ্যমে হালাল রিজিক অর্জনের আদেশ দিয়েছেন, যাতে আমরা নিজেদের এবং পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সংগ্রহ করতে পারি এবং সমাজের কল্যাণে অবদান রাখতে পারি।

✅ সৎ ব্যবসা ও আমানত : ইসলামে ব্যবসায় সততা, ন্যায়পরায়ণতা এবং আমানতদারিতা একান্ত প্রয়োজনীয়। প্রতারণা এবং মিথ্যা কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

✅ হালাল পথে উপার্জন : ইসলাম আমাদেরকে হালাল ও বৈধ পথে ব্যবসা করতে উদ্বুদ্ধ করে, যাতে আমাদের রিজিক পবিত্র থাকে এবং আল্লাহর বরকত লাভ করতে পারি।

✅ যাকাত ও দান : ইসলামে ব্যবসার মাধ্যমে যে সম্পদ অর্জিত হয়, তা দ্বারা দুঃস্থদের সাহায্য করতে উৎসাহিত করা হয়েছে। আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ধন-সম্পদ থেকে যাকাত দেওয়া মুসলমানের দায়িত্ব।

আসুন, আমরা সবাই সৎ এবং হালাল পথে ব্যবসা করি এবং আল্লাহর কাছ থেকে রিজিকের বরকত কামনা করি। ব্যবসা আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করার একটি মাধ্যম, কিন্তু এটিকে অবশ্যই ইসলামের নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনা করতে হবে।

_"আর যখন নামায শেষ হয়, তখন জমিনে ছড়িয়ে পড়ো এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অন্বেষণ করো।"_ (সুরা আল-জুমুআ: ১০)

#ইসলাম #সৎব্যবসা #হালালউপার্জন #আল্লাহরবরকত

ইকমার্স বিজনেস শুরু করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এখানে প্রধান ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো: ১. বিজনেস আইডিয়া এবং ব...
17/10/2024

ইকমার্স বিজনেস শুরু করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এখানে প্রধান ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো:
১. বিজনেস আইডিয়া এবং বাজার গবেষণা: একটি সুনির্দিষ্ট পণ্য বা পরিষেবা নির্বাচন করুন। লক্ষ্যবস্তু বাজার বিশ্লেষণ করুন এবং প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানুন। আপনি কোন ধরনের পণ্য বিক্রি করবেন এবং তা কীভাবে বাজারে সফল হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা করুন।
২. বিজনেস প্ল্যান তৈরি করুন: আপনার ইকমার্স বিজনেসের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করুন। এতে থাকবে আপনার লক্ষ্য, টার্গেট অডিয়েন্স, মার্কেটিং

ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করার ধাপগুলো – ধাপে ধাপে গাইড.....আপনি কি ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে চান? এই ইনফোগ্রাফিকটি আপনাকে ব্...
17/10/2024

ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করার ধাপগুলো – ধাপে ধাপে গাইড.....

আপনি কি ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে চান? এই ইনফোগ্রাফিকটি আপনাকে ব্যবসা শুরু করার প্রয়োজনীয় ধাপগুলো দেখাবে। পণ্য নির্বাচন থেকে শুরু করে মার্কেটিং এবং পেমেন্ট সেটআপের মতো গুরুত্বপূর্ণ ধাপগুলো এখানে তুলে ধরা হয়েছে। নতুন বা অভিজ্ঞ যেই হোন না কেন, আপনার অনলাইন ব্যবসা সফল করতে এই গাইডটি আপনার জন্য উপকারী হবে। শুরু করতে প্রস্তুত? 🚀

ধাপগুলো:

পণ্য নির্বাচন 🎯
পণ্য প্রস্তুতি 💡
ওয়েবসাইট তৈরি 🌐
পেমেন্ট গেটওয়ে সেটআপ 💳
মার্কেটিং 📈
অর্ডার পূরণ 📦
আজই শুরু করুন এবং আপনার অনলাইন স্টোর গড়ে তুলুন!

ইকমার্স বিজনেস শুরু করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এখানে প্রধান ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো: ১. বিজনেস আইডিয়া এবং ব...
17/10/2024

ইকমার্স বিজনেস শুরু করতে আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে। এখানে প্রধান ধাপগুলো উল্লেখ করা হলো:

১. বিজনেস আইডিয়া এবং বাজার গবেষণা:
- একটি সুনির্দিষ্ট পণ্য বা পরিষেবা নির্বাচন করুন।
- লক্ষ্যবস্তু বাজার বিশ্লেষণ করুন এবং প্রতিযোগিতা সম্পর্কে জানুন।
- আপনি কোন ধরনের পণ্য বিক্রি করবেন এবং তা কীভাবে বাজারে সফল হতে পারে, তা নিয়ে গবেষণা করুন।

২. বিজনেস প্ল্যান তৈরি করুন:
- আপনার ইকমার্স বিজনেসের জন্য একটি নির্দিষ্ট পরিকল্পনা তৈরি করুন। এতে থাকবে আপনার লক্ষ্য, টার্গেট অডিয়েন্স, মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি, এবং বিক্রয় কৌশল।
- বাজেট তৈরি করুন এবং আয়-ব্যয়ের পরিকল্পনা করুন।

৩. আইনি বিষয় এবং নিবন্ধন
- আপনার ব্যবসার জন্য উপযুক্ত ব্যবসায়িক লাইসেন্স নিন।
- ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা এবং কর বিষয়ক নিবন্ধন করুন (যেমন: TIN, VAT)।

৪. ইকমার্স প্ল্যাটফর্ম নির্বাচন:
- আপনি কাস্টম ওয়েবসাইট তৈরি করতে পারেন অথবা WooCommerce, Shopify, বা WordPress-এর মতো জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারেন।
- ওয়েবসাইটের জন্য একটি ডোমেইন নাম নিবন্ধন করুন এবং হোস্টিং ব্যবস্থা করুন।

৫. ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভেলপমেন্ট:
- আপনার ওয়েবসাইটে পণ্য তালিকা, পেমেন্ট গেটওয়ে, এবং শিপিং ব্যবস্থা সংযুক্ত করুন।
- ওয়েবসাইটটিকে ব্যবহারবান্ধব ও মোবাইল ফ্রেন্ডলি করুন যাতে গ্রাহকরা সহজে পণ্য কিনতে পারে।

৬. পণ্য সংগ্রহ এবং ব্যবস্থাপনা:
- আপনার পণ্যের স্টক প্রস্তুত রাখুন এবং সাপ্লাই চেইন সেটআপ করুন।
- গুণগত মান এবং সঠিক মূল্য নির্ধারণ করুন।

৭. মার্কেটিং এবং প্রমোশন:
- ডিজিটাল মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আপনার পণ্য প্রচার করুন। SEO, Social Media Marketing, এবং ইমেইল মার্কেটিং ব্যবহার করতে পারেন।
- ফেসবুক এবং গুগল অ্যাডস-এর মাধ্যমে আপনার টার্গেটেড গ্রাহকদের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

৮. কাস্টমার সার্ভিস এবং পর্যালোচনা:
- গ্রাহকদের দ্রুত এবং কার্যকরী সেবা প্রদান করুন।
- গ্রাহকের পর্যালোচনা এবং ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন আনুন।

এই ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনি সফলভাবে একটি ইকমার্স বিজনেস শুরু করতে পারেন।

📌 ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরুর ৫টি সুবিধা!✅ ১. আপনি তখন নির্ভারছাত্রজীবনে আপনার ওপর পারিবারিক আর্থিক প্রত্যাশা তেমন থাকে না। ...
15/10/2024

📌 ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরুর ৫টি সুবিধা!


✅ ১. আপনি তখন নির্ভার

ছাত্রজীবনে আপনার ওপর পারিবারিক আর্থিক প্রত্যাশা তেমন থাকে না। বিয়ের আগ পর্যন্ত ঐভাবে নিয়মিত পরিবারের ব্যয়ভার নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হয় না। ফলে, ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করলে আপনি সেই ব্যবসা অনেকদূর এগিয়ে নিতে পারবেন, re-invest করতে পারবেন।

পরিবারের দায়িত্ব পাবার পর বা বিয়ের পর নতুন করে ব্যবসা শুরু করলে এই সুযোগ পাবেন না।

✅ ২. ব্যর্থ হলেও বিকল্প রাস্তা তখনো খোলা

ছাত্রজীবনে ব্যবসা করে ব্যর্থ হতে পারেন। সেখান থেকে শিখে আরো ইমপ্রুভ করতে পারবেন। কয়েক মাস ব্যবসা করার পর যদি মনে হয় 'আমাকে দিয়ে ব্যবসা হবে না', তাহলে আপনার তখনো রাস্তা খোলা।

বেশিরভাগ মানুষ ব্যর্থ হবার পর ব্যবসা শুরু করে। ফলে, তাদের পূর্ব-ব্যর্থতার প্রভাব ব্যবসায় পড়ে। এটার জন্য ব্যবসা দায়ি না না, বরং আপনি চাপে পড়ে ব্যবসা শুরু করায় নতুন আইডিয়া নিয়ে ভালোভাবে কাজ করতে পারেননি।

✅ ৩. খুব সামান্য থেকেই শুরু করতে পারবেন

পড়ালেখা শেষে কিছু করতে গেলে দেখবেন এমনিতেই সামাজিক চাপ শুরু হবে। নানান জায়গা থেকে শুনবেন- "চাকরি করছো? কী করছো?"

তখন চাইলেও ছোটোখাটো ব্যবসা দিয়ে শুরু করতে পারবেন না।

কিন্তু, ছাত্রজীবনে 'কী করছো?' এই প্রশ্ন এতোটা প্রাসঙ্গিক না। ফলে, আপনি খুব ছোট্ট থেকে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন।

✅ ৪. বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করেন

আপনি বর্তমান বিশ্বের প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ীদের দিকে তাকালে দেখবেন তাদের প্রায় সবাই ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করেন। পড়ালেখা শেষে নিজেদের ব্যবসায় ফুলটাইম সময় দেন। এটা থেকেই বুঝা যায় ছাত্রজীবন হলো ব্যবসা শুরুর সেরা সময়। মার্ক জাকারবার্গ, বিল গেটস থেকে শুরু করে বাংলাদেশের আয়মান সাদিক; এরকম অসংখ্য উদাহরণ আছে।

✅ ৫. স্বপ্নের পেছনে ছুটতে পারবেন

অনেকেই বলে 'আমি চাকরি করবো না'। তাদের জন্য সবচেয়ে উপযোগী হলো ছাত্রজীবনে এই স্বপ্নপূরণের চেষ্টা করা। তাহলে দেখা যাবে পড়ালেখা শেষ হবার সাথে সাথে তারা নিজের ব্যবসায় পুরো সময় দিবে; এমনকি অন্যদেরকে চাকরি দিতে পারবে।

এরকম স্বপ্নপূরণের জন্য ছাত্রজীবনে ব্যবসা শুরু করলে যেভাবে নেটওয়ার্ক তৈরি করা যায়, সেটা সময় গেলে কষ্টকর হয়ে উঠে।


যোগাযোগ : 01879-619667

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Trust Way posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share