Lockshi Owl লক্ষ্মী পেঁচা

Lockshi Owl লক্ষ্মী পেঁচা আমি সবার অলক্ষ্যে মানুষের উপকার করি, ক্ষতি করি না।
(1)

কথা কিন্তু সত্য
15/01/2026

কথা কিন্তু সত্য

Enjoy the videos and music you love, upload original content, and share it all with friends, family, and the world on YouTube.

This is Machado, the alleged opposition leader of Venezuela. In terms of popularity, she would be like a 3rd/4th grade p...
05/01/2026

This is Machado, the alleged opposition leader of Venezuela. In terms of popularity, she would be like a 3rd/4th grade party in our country. This leader has enough bad reputation for creating unrest in the country with the direct and indirect support of America. That is why the patriotic Venezuelan people do not like her at all.
On the other hand, the founder of modern Venezuela, the mastermind of Venezuela's development, Maduro, is considered an angel by the common people of that country.
America has had its eyes on oil-rich Venezuela for a long time, just as they have their greed for our Bangladesh's Saint Martin and the Bay of Bengal.
As part of its traditional stratagem and conspiracy, the US tried to make the Venezuelan people's eyes shine by giving Machado the Nobel Prize. But the patriotic Venezuelan people, sensing the US conspiracy, did not pay any attention to the Nobel Prize.
When the Deep State was ready to commit su***de out of shame and hatred, Machado came forward, splashed Nobel water and bought a part of country's army. A treacherous chapter was created in the history of Venezuela. The US helicopter captured Venezuela's Maduro without any hindrance.
The people of the whole world are watching. There is nothing to be done.
The development of Venezuela has been ruined by the magic of Nobel. The foreheads of the Venezuelan people have been burned. The enlightened Venezuela has sunk into darkness.
The Nobel laureate Machado, who was involved in the conspiracy with the Deep State, smiled.

বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে জামায়াতের নতুন মিথ্যাচার।এই স্বাধীনতাবিরোধী দলটি আজ নতুন তথ্য বাজারে ছেড়েছে তাদের সেক্রেটারি জে...
14/12/2025

বুদ্ধিজীবী হত্যা নিয়ে জামায়াতের নতুন মিথ্যাচার।

এই স্বাধীনতাবিরোধী দলটি আজ নতুন তথ্য বাজারে ছেড়েছে তাদের সেক্রেটারি জেনারেলের মাধ্যমে। একাত্তরের ১৪ই ডিসেম্বর আমাদের শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীদের নাকি হত্যা করেছে ভারতীয় বাহিনী। তার বক্তব্য-- ১৪ই ডিসেম্বর ঢাকা নাকি ছিল ভারতীয় বাহিনীর দখলে।
মিথ্যাচারের একটা সীমা থাকে। মিথ্যা মহাপাপ। ইতিহাসকে মিথ্যা দিয়ে ঢাকতে চাওয়া আরো বড় পাপ।
ডিসেম্বরে সারাদেশ থেকে পিছিয়ে-পালিয়ে ঢাকায় জমা হয়েছিল পাকবাহিনী। ১৪ তারিখে ঢাকায় ছিল তাদের ৯৩ হাজার সৈন্য। ঢাকা ছিল সম্পূর্ণ তাদের দখলে। সেখানে ভারতীয় বাহিনী তো দূরের কথা, মুক্তিবাহিনীর গেরিলারা পর্যন্ত প্রবেশ করেনি। করার প্রয়োজন বোধ করেনি। কারণ পাকবাহিনীর পরাজয় যে আসন্ন তা সবাই জেনে গিয়েছিলেন। ৯৩ হাজার পাকবাহিনী ঢাকার প্রতিটি ইঞ্চি টহল দিচ্ছিল। সেই সময় ভারতীয় বাহিনীর হাতে বুদ্ধিজীবী নিধনের আষাঢ়ে গল্প ফেঁদেছে জামায়াত।
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস লেখা হয়েছে অনেক। সেগুলোতে বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রসঙ্গ আছে। এমনকি পাকবাহিনীর জেনারেলরাও যেসব বই লিখেছে, সেগুলোর কোনোটাতেই ১৪ তারিখে ভারতীয় বাহিনীর ঢাকায় অবস্থানের তথ্য নেই। বুদ্ধিজীবী হত্যা তো দূরের কথা।
রাও ফরমান আলী এবং আল বদর প্রধান মঈনুদ্দীনের যে নোটবুক পাওয়া গেছে সেগুলোতে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের তালিকা আছে। মঈনুদ্দীনের নোটবুকে ২০ জন বুদ্ধিজীবীর নামের পাশে লাল ক্রসচিহ্ন। অর্থাৎ তাদের হত্যার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

আসলে একাত্তর জামায়াতের জন্য এক চিরস্থায়ী বাঁশ। যত নড়বে তত ব্যথা পাবে। গত দেড় বছর ধরে জামায়াতের ঈদ চলছে। কিন্তু তারপরেও বাঁশ তো বাঁশই। একাত্তর একাত্তরই।

অশান্তির ময়না পাখি:৫ই আগস্ট তারিখে, শেখ হাসিনার নির্বাসনের পর, আমরা সবাই দেখেছি, সেনাবাহিনীর সুচিন্তিত নির্লিপ্ততার সুয...
12/11/2025

অশান্তির ময়না পাখি:

৫ই আগস্ট তারিখে, শেখ হাসিনার নির্বাসনের পর, আমরা সবাই দেখেছি, সেনাবাহিনীর সুচিন্তিত নির্লিপ্ততার সুযোগ নিয়ে, জেঞ্জি সোনারা গণভবন লুট করেছিল। কেউ রান্না করা তরকারি খেয়ে নিল। মায়ের বয়সী প্রধানমন্ত্রীর বক্ষবন্ধনী দিয়ে নিজের মস্তক ঢাকলো কেউ; কেউবা তাঁর অন্তর্বাস মেলে ধরলো নিজের মুখের সামনে; শাড়ি দিয়ে নিজের শ্রীনিতম্বখান পেঁচিয়ে নিল কোনো কিশোরী; এসব লুটের সুবর্ণ সুযোগ যারা মিস করলো, তাদের কেউবা পুকুরের মাছ, হাঁস চুরি করলো। কেউ হয়তো বা কিছুই না পেয়ে এক গাছা কচুর লতি লুট করে মহানন্দে ফেসবুকে সেলফি লোডালো। এর পর প্রত্যেকে যার যার বাসায় ফিরে এমন সব সূর্যসন্তানের জন্মদানজনিত মহাগৗরবে পিতামাতা ও আত্মীয়-স্বজনের মুখ উজ্জ্বল করলো।

যখনকার কথা বলছি, লুট তখনও চলমান। হঠাৎ মাথার উপরে শোনা গেলো: ‘জয় বাংলা’, ‘জয় বঙ্গবন্ধু’! লুটেরা জেঞ্জিরা সবাই অবাক! এই শ্লোগানতো এখন শোনা যাবার কথা নয়! কে দিচ্ছে এমন বদখত শ্লোগান? খোঁজ খোঁজ খোঁজ। অবশেষে সবাই লক্ষ্য করলো, মাথার উপরে সিলিঙ থেকে একটি পাখির খাঁচা ঝুলছে এবং তাতে দাঁড়ের উপর তিড়িং তিড়িং লাফিয়ে শ্লোগান দিচ্ছে এক ময়না, হয়তো এত হৈচৈ হট্টগোল দেখে ভীষণ ভয় পেয়ে, নিজের জীবনাশঙ্কায়। সবের কিংবা মবের মাথা তখন খুব গরম, শরীরেও খুব জোশ। ময়নাটিকে নামিয়ে খাঁচাসহ পিষে মেরেই ফেলতো তারা। ভাগ্যক্রমে এক ‘সহৃদয়’ (এমন ‘মাল’ বিরল যদিও) সমন্বয়ক ছিল কাছাকাছি। স-খাঁচা ময়নাটিকে উদ্ধার করে সে নিজের বাড়িতে নিয়ে গেলো।

প্রথম কয়েক দিন সমন্বয়কের পিতা-মাতা পুত্রের কাজ-কর্মে উৎসাহও দেননি, বাধাও দেননি। বাসায় পরিবেশ-পরিস্থিতি মোটামুটি, শান্ত, নীরব। পাখিও নীরবই রইল। ইতিমধ্যে শান্তিবুড়ো প্যারিস থেকে উড়ে এসে প্রধান উপদেষ্টা হয়ে বাংলাদেশে জুড়ে বসলেন। পাখি তখনও নীরব। সমন্বয়কের পরহেজগার পিতা-মাতার একদিন হুঁস হলো, ছেলেকে ডেকে তাঁরা বললেন যে লুটের ময়না ঘরে স্থান দিতে তাঁরা নারাজ। ইতিমধ্যে এ নিয়ে সমন্বয়ক পুত্রের সঙ্গে তার পিতামাতার মৃদু বাদানুবাদও হয়েছে। তাছাড়া সমন্বয়কেরও পাখি পোষার ফুসরৎ কই? তার চোখে তখন টু-পাইস কামানোর রঙিন সুর্মা।

যাই হোক, নিজের ঘরে ঝামেলা আর না বাড়িয়ে সমন্বয়ক যেদিন সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলো শান্তি বুইড়ার অফিসে, সেদিন ময়নাটা শান্তিবুড়োকে উপহার দিয়ে এলো। হয়ে গেলো ‘কইয়ের তেলে কৈ ভাজা’, কিংবা ‘গঙ্গা জলে গঙ্গা পূজা’। ঘাড় থেকে ময়নার বোঝা ও মাথা থেকে লুট-জনিত শেষ অস্বস্তিটুকুও নেমে গেলো।

ময়নার খাঁচা এখন ঝুলছে শান্তি বুইড়ার অধিবেশন কক্ষে, ঘরের ইন্টেরিয়র ডেকোরেশনের অংশ হিসেবে। পিকাসোর ‘শান্তির পায়রা’ নেইতো কী হয়েছে, (আফ্রিকার সম্রাট) বোকাসোর ‘অশান্তির ময়নাতো’ আছে!

ময়না বেচারা নতুন জায়গায় সারা দিন চুপচাপই থাকে। কিন্তু যখনই কোনো অধিবেশন শুরু হয়, কিংবা কোনো সমন্বয়ক বা পরামর্শক, বিশেষ করে আইন পরামর্শকের গলা সে শুনে, কিংবা তাদের (না-)পাকি গন্ধটা তার নাকে যায়, অমনি ময়না বলে উঠে: ‘জয় বাংলা! জয় বঙ্গবন্ধু!’

খুবই বিব্রতকর একটা অবস্থা। এক বার, দুই বার, তিন বার। এক দিন, দুই দিন, তিন দিন। সবাই বিরক্ত হতে শুরু করলো। অবোধ পাখি, বুঝলাম, কিন্তু বাণী তার খুবই আপত্তিকর, সহ্যের অতীত। শান্তিবুড়ো, সমন্বয়ক, উপদেষ্টা সবার গায়ে আগুন ধরে যায় পাখির এই বুলি শুনে। মানুষ হলে কবেই মব জাস্টিস করে মেরে ফেলতো, কিংবা আবোল তাবোল কোনো মামলার হাজার ৩৩৩৬তম আসামী করে জেলের ‘দানা’ খাওয়াতো, কারণ পাখি ভেতো বাঙালি নয় যে ভাত খাবে। পাখি বলে কি মানুষ না?

পাখিকে নতুন কথা শেখানোর জন্যে শিক্ষক নিয়ে আসা হলো ঢাকা বিশ্বমাদ্রাসার যোগাযোগ বৈকল্য বিভাগ থেকে। ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’, ‘তুই ক্যাডা, মুই ক্যাডা? রাজাকার রাজাকার’ ইত্যাদি বুলি শেখানোর বহু বৈজ্ঞানিক চেষ্টা ব্যর্থ হবার পর উপদেষ্টা পরিষদের জরুরি ও উচ্চপর্যায়ের এক সভায় সর্বসম্মতিক্রমে অবোধ ময়নার মৃত্যুদণ্ড স্থির হলো।

পাখির দানাপানি বন্ধ করে দেওয়া হলো প্রথমে। কয়েক দিন অভুক্ত-পিপাসার্ত থেকে খুবই দুর্বল হয়ে গেলো বটে, কিন্তু পাখির গোয়ার্তুমি গেল না। কোন মতে জড়ানো কণ্ঠে ধীর গতিতে: ‘জঅয় বাআআংলাআ, জয়য় বঙগঅবঅনধুউ’ বলেই চললো ময়না। মানুষ হলে না হয় চরথাপ্পর বা ধমক দিয়ে থামানো যেতো, কিন্তু সামান্য পাখির আওয়ামি লিগের মতো অতবড় গাল কই যে ইউনুস গং-এর ক্রমাগত থাপ্পর সহ্য করে যাবে।

শান্তিবুড়োর আর যত দোষই থাক, কোনো প্রকার ভিন্নমত সহ্য করেন তিনি, এমন অপবাদ তাঁর শত্রুও দেবে না। ময়নার গোঁয়ার্তুমি দেখে শান্তিবুড়োর ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলো। ‘এই সোদানির ফোয়ারে ফিরিজর মইধ্যে ঢুকাই রাখঅ, এক ঘণ্টা! মনার বাইচ্যা মনা কতক্ষণ ‘জয় বাংলা’ গাইত পারে, চাই!’ (অনুবাদ কি লাগবে? মহাপুরুষের ঐশী বাণী অনুবাদ করা উচিতও নয়!) পরিচারকেরা শান্তিবুড়োর মুখে এমন নিষ্ঠুর আদেশ শুনে বিমর্ষ হলো বটে, কিন্তু আদেশ তাদের পালন করতেই হলো, কারণ প্রাক্তন সরকারের পুলিশের মতো তারাও হুকুমের গোলাম।

ঘণ্টাখানেক পর ফ্রিজ থেকে বের করা হলো পাখিকে। কয়েক দিনের অভুক্ত, ঠাণ্ডায় জমতে থাকা ময়না থর থর করে কাঁপছিল। সবাই আশ্চর্য হলো এই দেখে যে মুমূর্ষু ময়না বিদ্রুপের দৃষ্টিতে স্থির তাকিয়ে আছে, অন্য কেউ নয়, শুধু শান্তিবুড়োর দিকে। কিন্তু মৃতুযন্ত্রণা সহ্য করেও যে ময়নার কম্পিত ঠোঁট থেকে বিরবির করে ‘জঅঅঅয় বাআআআংলাআআ, জঅঅয় বঙগঅঅবঅঅনধুউউ’ ধ্বনিই বের হচ্ছে, সেটা বুঝতে অসুবিধা হলো না কারোরই, যমুনায় হাজির স্বাধীনতার পক্ষ ও বিপক্ষ, উভয় দলের। তাদের অনেকেরই মনে পড়লো, ১৯৭১ সালে কীভাবে শত নির্যাতন সহ্য করেও মুক্তিযোদ্ধারা ‘জয়বাংলা’ বলে চিৎকার করে উঠতো।

শান্তিবুড়োর চাটগাঁইয়া গায়ের গরম রক্ত যেন মাথায় উঠে গেলো। নিজে ‘সুদির পুত’ হয়েও সামান্য ময়নাকে ‘সুদির ভাই’ বলে নিজের হাতে খামচে ধরলেন এবং অনতিবিলম্বে ঢুকিয়ে দিলেন তিনি ডিপফ্রিজে। ‘চব্বিশ ঘন্টার আগে সোদানির পোয়ারে বাইর ন গরিবা! জয়বাংলা এই বার বন্ধ ন অইলে ইতারে ক্যাঁচা খাই ফালাইয়ম!’

পাখিকে কাঁচা খেয়ে ফেলার প্রয়োজন হলো না। চব্বিশ ঘণ্টা পর দেখা গেলো, ময়না ঠাণ্ডায় জমে শক্ত হয়ে আছে। আবারও বলছি, ময়না বলে কি মানুষ না?

[নীরবতা ভঙ্গ করিয়া শাস্তা কহিলেন: ‘গল্পটা এখানেই শেষ হলে ক্লাইমেক্সটা তেমন কড়াপাকের হতো না। শান্তিবুড়ো লক্ষ্য করলেন, ময়নার মৃতদেহে ডান পা উঠে আছে মাথার উপরে, তর্জনী উঁচিয়ে রাখা, যা প্রথমত, নিশ্চিতভাবে রেসকোর্সের মাঠে বঙ্গবন্ধুর উচ্ছ্রিত তর্জনীকে স্মরণ করিয়ে দেয়, এবং দ্বিতীয়ত, কোনো সন্দেহ থাকে না, সেই ‘জয় বাংলা’ বলেই পাখি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে, যে ‘জয়বাংলা’ ১৯৭১ সালে শান্তিবুড়োর নিজেরও নাকি শ্লোগান ছিল।

শান্তিবুড়ো ভেবেছিলেন, রাতের ডিনারে ময়নার রোস্ট খাবেন। মৃত পাখির তর্জনীর ইঙ্গিতটা বুঝে সেই দুঃসাহস আর করলেন না। শান্তি বুইড়ার অশান্তি বেড়ে গেল। প্রতি রাতে ময়নাকে স্বপ্নে দেখে ঘুম ভেঙ্গে যায়।

07/11/2025

আইরিশ চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক বার্নাড শ এর মতে 'নোবেল প্রাইজ শয়তানের সৃষ্টি!
========================
বিখ্যাত আইরিশ চিন্তাবিদ ও সাহিত্যিক জর্জ বার্নার্ড শ বলেছিলেন, আমি ডিনামাইট তৈরির জন্য আলফ্রেড নোবেলকে ক্ষমা করতে পারি, কিন্তু নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তনকারীকে ক্ষমা করতে পারি না, কারণ একমাত্র মানুষরূপী শয়তানই এমন পুরস্কার প্রবর্তন করতে পারে। সূত্র : ইন্টারনেট।

আজ থেকে ৮৭ বছর আগে ১৯২৬ সালের এই দিনে নোবেল পুরস্কারের অর্থ গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তিনি এসব কথা বলেছিলেন।

সুইডিশ রসায়ন বিজ্ঞানী আলফ্রেড নোবেল ডিনামাইট আবিষ্কারের পর 'মৃত্যুর সওদাগর' হিসেবে নিন্দিত হওয়ায় নোবেল পুরস্কার প্রথা চালু করেছিলেন। কিন্তু এই প্রথা চালু হওয়ার পর বেশি দিন না যেতেই পুরস্কারটিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে থাকে পাশ্চাত্য। কেবল তাই নয় এই পুরস্কারকে ব্যবহার করা হয় পাশ্চাত্যের আধিপত্যকামী, বিভেদকামী, শোষণকামী ও হত্যাযজ্ঞের নীতি জোরদারের হাতিয়ার হিসেবে।

তাই স্পষ্টভাষী সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ জর্জ বার্নার্ড শ (১৮৫৬-১৯৫০) এই পুরস্কারের তীব্র সমালোচনা করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

পবিত্র ধর্ম ইসলাম ও বিশ্বনবী (সা.) সম্পর্কে নিজের গভীর শ্রদ্ধাবোধের জন্যও খ্যাতি অর্জন করেছেন এই সুনাম-ধন্য মনীষী। তিনি বলেছেন, আগামী একশ’ বছরের মধ্যে যদি কোনো ধর্ম ব্রিটেন, এমনকি গোটা ইউরোপের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে পারে, তা হলে সেটা হবে ইসলাম।

শ আরো বলেছেন, আমি মুহাম্মাদ (সা.) এর ধর্মকে সব সময়ই গভীর শ্রদ্ধার চোখে দেখি, কারণ এর রয়েছে বিস্ময়কর গতিশীলতা বা শক্তি। আমার দৃষ্টিতে এটা হচ্ছে একমাত্র ধর্ম যার রয়েছে অস্তিত্বের জগতের পরিবর্তশীলতার সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়ার বা খাপ খাইয়ে নেয়ার ক্ষমতা, আর এ কারণে ইসলাম প্রত্যেক যুগেই মানুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম।

তিনি বলেন, আমি মুহাম্মাদকে (সা.) কে অধ্যয়ন করেছি, তিনি ছিলেন একজন বিস্ময়কর মানুষ এবং আমার মতে খ্রিস্ট বা ঈসা (আ.) এর বিরোধী হওয়ার ধারে কাছেও তিনি ছিলেন না, মুহাম্মাদ (সা.) কে অবশ্যই মানবতার ত্রাণকর্তা বলা উচিত।

জর্জ বার্নার্ড বলেন, আমি মুহাম্মাদ (সা.) এর ধর্ম সম্পর্কে এ ভবিষ্যদ্বাণী করছি যে, এই ধর্ম আগামী দিনের ইউরোপে গৃহীত হবে এবং এই ধর্মকে সাদরে বরণ করে নেয়া এখনই শুরু হয়েছে।

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষনের সময় বিশ্বের মানবতাবাদী সব নেতারা ওয়ার্ক আউট করলেও আমেরিকা ও ইসরাইলের সমর্থকরা ওয়ার্ক আউট...
27/09/2025

জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর ভাষনের সময় বিশ্বের মানবতাবাদী সব নেতারা ওয়ার্ক আউট করলেও আমেরিকা ও ইসরাইলের সমর্থকরা ওয়ার্ক আউট করেনি। এই ঘটনার মধ্য দিয়ে ডঃ ইউনুস আবারো প্রমাণ করলেন তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ও ইসরাইলিদের ঘনিষ্ঠ মিত্র।

24/08/2025

ইসলামের নামে ধর্ম ব্যবসায়ীদের সম্পর্কে কিছু জেনে নিন।

Address

Dilkusha Main Road, Motijheel
Dhaka
1000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Lockshi Owl লক্ষ্মী পেঁচা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share