Think Next Digital

Think Next Digital Think Next Digital is a Full Stack Marketing Solution for Small & Mid Level Business

বিজনেস শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে জানতেই হবেআমরা অনেকেই হুজগের বসে কোন চিন্তা ভাবনা না করেই ব্যবসা শুরু করে দেই। ক...
16/01/2025

বিজনেস শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে জানতেই হবে

আমরা অনেকেই হুজগের বসে কোন চিন্তা ভাবনা না করেই ব্যবসা শুরু করে দেই। কিন্তু ব্যবসা শুরু করবার আগে যে বিষয়গুলো আমাদের জানা উচিত সেগুলো আমরা অনেকেই এড়িয়ে যাই। তাই চলুন আজকে এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব ব্যবসা শুরুর আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে অবশ্যই জানতে হবে:

১. মার্কেট রিসার্চ করুন

বিজনেসেন আমার আগে আপনি যে বিষয়ের উপর বাজে প্রোডাক্টের উপর বিজনেস করছেন অবশ্যই সেটার মার্কেট রিসার্চ করুন। কেননা আপনি যে প্রোডাক্টের উপর বিজনেস করবেন সেটার যদি মার্কেটে চাহিদা না থাকে তাহলে আপনি কখনোই সে বিজনেস করে সফল হতে পারবেন। আবার চাহিদা থাকলেও সেটার প্রতিযোগী কতগুলো সেটিও জানা জরুরি।

২. লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

অবশ্যই আপনার একটি লক্ষ্য রয়েছে যে আপনি বিজনেস করে আগামী পাঁচ বছর বা ১০ বছর পর কোথায় যেতে চান বা কোন লক্ষ অর্জন করতে চান। এভাবে করে একটা পারফেক্ট গোল সেটআপ করুন। কেননা লক্ষ্য ছাড়া আপনি যখন কোন কিছু করতে যাবেন তখন আপনি কোন কিছুই ঠিক মতো করতে পারবেন না।

৩. বাজেট এবং ফান্ডিং পরিকল্পনা করুন

ব্যবসা করতে গেলে অবশ্যই আপনার অর্থ দরকার। এখন কিভাবে এই অর্থ যোগান করবেন এবং কোন কোন খাতে ব্যয় করবেন তার একটা সম্পূর্ণ বাজেট প্ল্যান শুরুতেই রেডি রাখতে হবে।

৪. সঠিক টিম তৈরি করুন

বিজনেস হচ্ছে একটা টিম গেম। আপনি যখন বিজনেস করতে নামবেন তখন আপনার অনেকজন দক্ষ লোকবল এর প্রয়োজন হবে। তাই আপনার যে লক্ষ্য সে অনুযায়ী একটা সঠিক টিম আপনাকে তৈরি করে নিতে হবে এবং সেটা কিভাবে করবেন সেটা বিজনেস আগেই চিন্তা করে নিতে হবে।

৫. ব্র্যান্ডিং এবং মার্কেটিং পরিকল্পনা করুন

বিজনেস শুধু নাম দিয়ে শুরু করলেই হবে না বরং সেটার জন্য আপনাকে প্রতিনিয়ত মার্কেটিং করে যেতে হবে। আর সেটা আরো বড় করতে চাইলে দরকার হচ্ছে সেটার ব্র্যান্ডিং করা। আর সেটার পরিকল্পনা অবশ্যই ব্যবসার শুরুর আগেই কিভাবে করবেন সেটা নির্ধারণ করে নিতে হবে।

৬. কাস্টমারদের চাহিদা বুঝুন

ব্যবসা যেহেতু করতে নামবেন তাই অবশ্যই আপনার মূল হচ্ছে কাস্টমাররা। তাই আপনাকে অবশ্যই ব্যবসার শুরুতেই আপনার সম্ভাব্য কাস্টমারদের চাহিদা কি সেটা বুঝতে হবে। কেননা কাস্টমারদের চাহিদা বুঝতে না পারলে আপনি অবশ্যই কাস্টমারদের সেরাটা দিতে পারবেন না।

৭. বিজনেস মডেল তৈরি করুন

প্রতিটি ব্যবসায়ের একটা নির্দিষ্ট মডেল রয়েছে। আপনার ব্যবসা কোন মডেলে পরিচালিত হবে সেটা আপনাকে অবশ্যই ব্যবসার শুরুতেই নির্ধারণ করে নিতে হবে। কারণ যখন আপনি বুঝে যাবেন যে আপনার বিজনেসের মডেল কোনটা তখন আপনি সে অনুযায়ী আপনার মার্কেটিং প্ল্যান তৈরি করতে পারবেন।

৮. নেটওয়ার্কিং শিখুন

বর্তমানে নতুন কারেন্সি বলা হয় নেটওয়ার্কিংকে। আপনাকে যদি আপনার বিজনেস কে বড় এবং সেরা করতে হয় তাহলে অবশ্যই আপনার নেটওয়ার্কিং বাড়াতে হবে। বর্তমান সময়ে নেটওয়ার্কিং ব্যতীত কেউই তাদের বিজনেস সফল করতে পারেনা।

৯. রিস্ক ম্যানেজমেন্ট পরিকল্পনা করুন

বিজনেস মানি রিস্কের খেলা। যখন আপনি বিজনেস করতে নামছেন তখন অবশ্যই আপনাকে রিস্ক নিতেই হবে। কেননা রিস্ক ছাড়া কোন বিজনেস হয় না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই এই রিস্ক ম্যানেজমেন্ট নিয়ে ব্যবসায়ের শুরুতেই পরিকল্পনা করে নিতে হবে।

১০. কাস্টমার সাপোর্ট সিস্টেম রেডি করুন

বর্তমানে বিজনেস গুলোর একটা সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কাস্টমার সাপোর্ট ঠিকভাবে দিতে না পারা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এই একটা কারণেই অনেক বিজনেস তাদের সঠিক গ্রোথ আনতে সক্ষম হচ্ছে না।

🎉✨ Cheers to a New Year full of opportunities, growth, and success! 🚀Wishing you a prosperous 2025 from all of us at Thi...
01/01/2025

🎉✨ Cheers to a New Year full of opportunities, growth, and success! 🚀

Wishing you a prosperous 2025 from all of us at Think Next Digital.

🌟 Let’s make it remarkable together!

১৬ই ডিসেম্বর: বিজয়ের রঙে রাঙানো এক ইতিহাস।লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা।সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জানাই সাল...
16/12/2024

১৬ই ডিসেম্বর: বিজয়ের রঙে রাঙানো এক ইতিহাস।

লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত আমাদের স্বাধীনতা।

সব বীর মুক্তিযোদ্ধাকে জানাই সালাম।

তোমাদের ত্যাগ চির অমর।

শুভ বিজয় দিবস।

14/12/2024

আপনি কি আপনার বিজনেসের ডিজিটালাইজেশন করেছেন, না কি ২০২৪ সালের শেষে এসে এখনো অফলাইনেই আছেন?

কেস স্টাডি - ১মাত্র ৪০ ডলার খরচ করে যেভাবে ১২৫০+ লিড এনে দিলাম ক্লায়েন্টের জন্য আমাদের Think Next Digital এর ক্লায়েন্ট...
04/12/2024

কেস স্টাডি - ১

মাত্র ৪০ ডলার খরচ করে যেভাবে ১২৫০+ লিড এনে দিলাম ক্লায়েন্টের জন্য

আমাদের Think Next Digital এর ক্লায়েন্টের কাজ করে যাচ্ছি অনেকদিন হলো। কিন্তু কখনো আমরা শেয়ার করিনি কাজগুলো নিয়ে। অনেকেই জানতে চায় যে আপনারা কি কি কাজ করেন কাদের নিয়ে করেন ইত্যাদি ইত্যাদি। তাই ভাবলাম এখন থেকে সময় পেলেই টুকটাক কেস স্টাডি শেয়ার করব।

এখানে যেটা দিয়েছি যে মাত্র ৪০ ডলার খরচ করে যেভাবে ১২৫০+ লিড এনে দিয়েছি ক্লায়েন্টের জন্য।

মূলত উনার বিজনেসটা হচ্ছে টা কোর্স বিজনেস। তাও আবার আবৃত্তির মত একটা কোর্স।

প্রথমদিকে উনার বাজেট ছিল কম। এর মূল কারণ হচ্ছে এর আগে তার থেকে একজন এরকম এড রান এর কথা বলে তার প্রায় ৫০ ডলারের উপরে মেরে দিয়েছিল।

যাইহোক তার সাথে কথা বলে আমাদের মার্কেটিং সিস্টেমটা কেমন হবে সেটা ঠিক করে ফেলেছিলাম।

যেহেতু হাতের সময় ছিল কম আর তার আগে একটা বড় বাজেট নষ্ট হয়ে গিয়েছে তাই আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল কম সময়ে ভালো রেজাল্ট এনে দেয়া।

আমরা যে কাজগুলো করেছিলাম সেগুলো হচ্ছে:

১. টার্গেটেড অডিয়েন্স খুঁজে বের করা
২. টার্গেটেড অডিয়েন্সের এই কোর্স রিলেটেড পেইন পয়েন্ট খুঁজে বের করা
৩. টার্গেটেড অডিয়েন্সদের জন্য অফার বের করা ( অফার মানে আবার ডিসকাউন্ট না এমন অফার তাদেরকে দেয়া যেটা সে রিজেক্ট করতে পারবে না )
৪. একটা ভালো এড কপি ও এড ক্রিয়েটিভ তৈরি করা
৫. এডটা নজরে রাখা এবং স্কেলিং করা

প্রথমত আমাদেরকে খুঁজে বের করতে হয়েছিল এই যে কোর্সটা এটা কাদের জন্য এবং তাদের পেইন পয়েন্ট এগুলো খুঁজে বের করা। তখন আমরা রিসার্চ করে তাদের এবং তাদের পেইন পয়েন্টগুলো বের করলাম।

এরপর তাদেরকে প্রদান করব এমন একটা সুন্দর অফার তৈরি করলাম।

আর এড কপি ও ক্রিয়েটিভ সেটা ক্লায়েন্ট দিলেও এখানে অফার ও টার্গেটেড অডিয়েন্সের পেইন পয়েন্ট কে কেন্দ্র করে আমরা এড কপিটাকে একটু ঘষামাজা করে নিলাম।

এবার হচ্ছে মুল খেলা মানে হচ্ছে এড রান করার পালা।

প্রথমে যখন আমরা কিছুদিন এটার এড রান করেছিলাম তখন এটার ভালো ফলাফল পাচ্ছিলাম না। কারণ হচ্ছে প্রথম দিকে আমরা টেস্টিং স্টেজে ছিলাম।

এডের রেজাল্ট ভালো কেন হচ্ছে না সেটা আমরা যখন বের করতে গেলাম তখন ভালো করে লক্ষ্য করলাম সমস্যাটা টার্গেটিং এ না। টার্গেটিং যেভাবে আছে সে অনুযায়ী চললে সেটা খারাপ না।

তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে সমস্যাটা তাহলে কোথায়।

সমস্যাটা ছিল এড কপিতে।

এখন বলতে পারেন বুঝলাম কিভাবে?

আপনি যখন লং টাইম এগুলো নিয়ে কাজ করবেন তখন বুঝে যাবেন সমস্যাটা কোথায় হচ্ছে।

আরেকটা বিষয় হচ্ছে মার্কেটিং এ সিওর শট বলে কিছু নেই।

আপনাকে বেটার রেজাল্ট পেতে হলে অবশ্যই A/B টেস্টিং করতে হবে।

এবং আমরাও ডিরেক্ট কোন ক্যাম্পেইনে যাইনি বরং প্রথমেই কিছুটা টেস্টিংয়ে গিয়েছিলাম।

আমরা যাচাই-বাছাই করেছিলাম কোন জায়গায় আমাদের ইমপ্রুভ করতে হবে।

ঠিক তখন দেখলাম কয়েকটা এড কপির মধ্যে আমাদের একটা এড কপিটা খুব ভালো কাজ করছে।

তখন আমরা যেটা করলাম সেই এড কপির সাথে আরও কিছু বিষয় যেগুলো কিনা আমাদের টার্গেটেড অডিয়েন্সের পেইন পয়েন্টের সমাধান করতে পারে সেগুলো আমরা সেখানে প্রদান করলাম।

ও হ্যাঁ আর একটু বলে রাখি আমাদের অডিয়েন্স সাইজটা আগে বেশ বড় ছিল যেহেতু এটা একটা নির্দিষ্ট সময়ের জন্য আর বাজেট ছিল খুব কম তাই আমরা অডিয়েন্স সাইজটাকে আরেকটু ন্যারো করলাম।

এরপর কি হলো?

দেখতেই পাচ্ছেন কি হয়ে গেছে মাত্র ৪০ ডলার খরচ করে ১২৫০+ লিড আমরা জেনারেট করতে সক্ষম হয়েছি আলহামদুলিল্লাহ।

দেখুন এই ক্যাম্পেইন থেকে আমরা যতদূর বুঝতে পেরেছি আপনার এড কপি + ক্রিয়েটিভ + অফার যদি শক্তিশালী হয় তাহলে আপনি আপনার অ্যাডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন থেকে বেস্ট রেজাল্ট বের করে আনতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

আমাদের কিন্তু টেস্টিং করার পর যখন আমরা উইনিং সবকিছু পেয়ে গেলাম তখন কিন্তু আমাদেরকে আর তেমন বেশি কিছু করতে হয়নি।

এখন আপনারা বলতে পারেন এগুলো তো সেসব ফেসবুকে পেয়েছে তার কি ওয়েবসাইট নেই আমরা কি রিটার্কেটিং করতে পারিনি।

দেখুন প্রথমত তার কোন ওয়েবসাইট নেই আর দ্বিতীয়তঃ সে আগে কখনো এড রান করেননি।

তাই এখানে খুব একটা রিটার্গেট করার সুযোগ ছিল কম। আর যখন আমরা দেখলাম আমাদের নিউ অডিয়েন্সের মাধ্যমে আমাদের ভালো রেজাল্ট আসছে তাই আর রিটার্কেটিং এ যাওয়ার প্রয়োজন পড়েনি।

এবার বলতে পারেন এই লিডগুলো কি কোয়ালিটি ফুল লিড ছিল?

এখানে মূল বিষয় হচ্ছে সবগুলো কোয়ালিটি ফুল না হলেও এখানে ম্যাক্সিমাম তাদেরকে ওয়ার্ম আপ এবং ফলোআপ করে করে সে একটা ভালো ফলাফল পাচ্ছে।

মূল বিষয় হচ্ছে আপনি গতানুগতিক বুষ্টিং বাটনে প্রেস করে কখনোই খুব ভালো রেজাল্ট প্রত্যাশা করতে পারবেন না।

আপনি যখন চিন্তা করেছেন যে আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর জন্য এডভারটাইজিং করবেন ফেসবুকের মাধ্যমে তখন অবশ্যই আপনাকে মার্কেটিং এর ইকো সিস্টেমটা বুঝতে হবে।

বিশ্বাস করুন মার্কেটিং কোন টুলস এর কাজ না বরং আপনার মার্কেটিং এর বেসিক নলেজ না থাকলে কিন্তু আপনি যত টুলসে এক্সপার্ট হন না কেন বেস্ট রেজাল্ট বের করে আনতে পারবেন না।

কেননা আপনি যে প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের এডভারটাইজিং করেন না কেন দিন শেষে তার কিন্তু একটা নির্দিষ্ট টার্গেট অডিয়াস রয়েছে এবং তাদের কিছু সমস্যা রয়েছে যা আপনাকে অবশ্যই সমাধান করতে হবে তাহলে কিন্তু মানুষ আপনার থেকে কিনবে। তাছাড়া কিন্তু কিনবে না।

যাইহোক লিখতে লিখতে এই পোস্টটা অনেক বড় হয়ে গেল। কেননা শুধুমাত্র এখানে আমরা আমাদের সফলতাকে প্রকাশ করতে চাইনি বরং চেয়েছি সেই সাথে যেন আপনার কোন কাজগুলো করা উচিত সেগুলো যেন আপনি বুঝতে পারেন।

আশা করি একটা ভালো আইডিয়া পেয়ে গিয়েছেন কিভাবে আপনার বিজনেস এর জন্য বেস্ট ROI পেতে হলে কিভাবে মার্কেটিং করতে হবে।

যাইহোক এই পোস্ট আর লম্বা করবো না আবারও কোন একটা ডিটেলস কেস স্টাডি নিয়ে আপনাদের সামনে হাজির হব ইনশাল্লাহ।

ও হ্যাঁ এই কেস স্টাডিটা আপনাদের কাছে কেমন লাগলো সেটা জানাতে ভুলবেন না কিন্তু। ধন্যবাদ।

বিজনেস শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে জানতেই হবে। আপনি কি একটি বিজনেস শুরু করার পরিকল্পনা করছেন? আপনি কি বিজনেস শুরুর ...
01/12/2024

বিজনেস শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে জানতেই হবে।

আপনি কি একটি বিজনেস শুরু করার পরিকল্পনা করছেন?

আপনি কি বিজনেস শুরুর আগে সমস্ত পরিকল্পনা তৈরি করে তারপর বিজনেসে নামছেন নাকি কোন পরিকল্পনা ছাড়াই কোন স্ট্রাটেজি ছাড়াই বিজনেসে নেমে পড়তে যাচ্ছেন?

বিজনেস শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো আপনাকে জানতে হবে তা আজকের এই এলাকায় আলোচনা করব:

১. মার্কেট রিসার্চ করুন:

আপনি নিশ্চয়ই কোন একটা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস নিয়ে বিজনেস করার পরিকল্পনা করেছেন।

এখন আপনার মূল দায়িত্ব হচ্ছে আপনার টার্গেট মার্কেট কারা বা টার্গেট অডিয়েন্স করা?

অবশ্যই পুরো ২০ কোটি মানুষ কখনোই আপনার অডিয়েন্স না। আর নতুন অবস্থায় আপনি চাইলেও এতজন মানুষকে সার্ভিস দিতে পারবেন না।

তাই শুরুতে ভালো করে মার্কেট রিসার্চ করুন এবং এটাও রিসার্চ করুন যে আপনার প্রোডাক্টটা মার্কেটে চলবে কিনা।

২. বিজনেস প্ল্যান তৈরি করুন:

আপনি বিজনেস শুরু আগেই বিজনেসের সামগ্রিক সকল পরিকল্পনা করে ফেলুন।

পরিকল্পনার বলতে আপনি কি নিয়ে বিজনেস করবেন, আপনার টার্গেটেড অডিয়েন্স বা গ্রুপ করা, কিভাবে আপনি প্রোডাক্ট তৈরি করবেন বা প্রোডাক্ট সোর্স করবেন কোথা থেকে, তারপর প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করবেন কিভাবে, কাস্টমারের সাথে রিলেশনশিপ কিভাবে বিল্ড আপ করবেন ইত্যাদি এই সামগ্রিক পরিকল্পনা বিজনেস শুরু করার আগেই যদি পরিকল্পনা করে ফেলেন তাহলে বিজনেসটা খুব সাজানো গোছানো হবে।

৩. বাজেট ও ফিনান্স

বিজনেস শুরু করার আগে আপনি ঠিক কত টাকা টোটাল বাজেট নিয়ে নামবেন সেটা একটা ক্লিয়ার ক্যালকুলেশন করে নিবেন।

যেমন প্রোডাক্ট তৈরি করতে বা সোর্স করতে কত টাকা খরচ যাবে, এডভারটাইজিং করতে কত টাকা যাবে, অফিস কিংবা অফিসের এমপ্লয়ীদের বেতন বাবদ টোটাল কত টাকা যেতে পারে এগুলো আগে থেকেই পরিকল্পনা করে রাখা ভালো।

৪. আইনি বিষয়াদি ও লাইসেন্সিং:

আপনার বিজনেস যদি পার্টনারশিপ হয় কিংবা যেরকমই হোক না কেন বিজনেস সংক্রান্ত যেসব লাইসেন্স বা আইনি বিষয় রয়েছে সেগুলো শুরু করার আগেই সুন্দরভাবে তৈরি করে ফেলা ভালো।

কেননা বিজনেস শুরু করার পর এগুলো নিয়ে ঝামেলা হলে তখন বিজনেসে মনোযোগ দিতে পারবেন না।

৫. সঠিক টিম তৈরি করুন:

চেষ্টা করবেন আপনার বিজনেসের জন্য একটা সাসটেনেবল পারফেক্ট টিম তৈরি করতে।

এক্ষেত্রে টিম মেম্বারদেরকে অবশ্যই চেষ্টা করবেন তাদের কমফোর্ট জোনে যেন কাজ করতে পারে সেটা নিশ্চিত হয়। এবং এক্ষেত্রে আপনার নেতৃত্বের দক্ষতা থাকা আবশ্যক। কারণ তার থেকে আপনার সেরাটা বের করে আনতে হবে।

৬. মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ডিং

আপনার বিজনেসের মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ডিং কিভাবে হবে কোন প্রসেসে হবে এর পরিপূর্ণ একটা রোড ম্যাপ কিন্তু বিজনেসের আগেই তৈরি করে ফেলা উচিত।

এতে কি লাভ?

এতে করে আপনি সহজেই মার্কেটিং এবং ব্র্যান্ডিং কিভাবে হবে সেটা নিয়ে ঝামেলা পোহাতে হবে না।

৭. মানসিক প্রস্তুতি নিন:

যদিও এটা সাত নাম্বারে রেখেছি। কিন্তু এটা সর্বপ্রথম মাথায় রাখা উচিত। আপনি যখন বিজনেস করতে নামছেন তার মানে আপনাকে সব দিক দিয়ে মানসিক একটা প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে।

কারণ বিজনেসে সব সময় সবকিছু সুন্দর এবং একরকম যাবে না। কখনো লাভ হবে বেশি কখনো লাভ হবে কম কখনো লস যাবে কিংবা কখনো ব্রেক ইভেন থাকবে। তাই সবদিক দিয়ে মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখবেন যেন কোন খারাপ পরিস্থিতি আসলে আপনার বিজনেস যেন থেমে না যায়।

৮. প্রযুক্তির ব্যবহার

যেহেতু বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ তাই আপনার বিজনেস যেরকমই হোক না কেন সেটার সাথে সম্পর্কিত সকল প্রযুক্তি সঠিকভাবে সদ্ব্যবহার করার চেষ্টা করবেন।

যেমন বর্তমানে অনলাইনে মার্কেটিং ছাড়া বিজনেস জমে না ঠিক তেমনি আপনার বিজনেসেও অনলাইনে মার্কেটিং টা করবেন তেমনি এটার সাথে আর যদি কোন প্রযুক্তিগত বিষয় যুক্ত করা যায় তাহলে সেটাও করবেন।

৯. নেটওয়ার্কিং এবং সম্পর্ক তৈরি:

বিজনেস এর ক্ষেত্রে আপনার অবশ্যই নেটওয়ার্কিং এবং সম্পর্ক তৈরিতে জোরদার ভূমিকা পালন করা দরকার। সেই নেটওয়ার্কিং হতে পারে আপনি যার থেকে প্রোডাক্ট সোর্স করেন তার সাথে, যাদের সাথে আপনি মার্কেটিং এর কাজ করাচ্ছেন তাদের সাথে এমনকি আপনার টিম মেম্বারদের সাথে।

এই নেটওয়ার্কিং কিভাবে তৈরি করবেন সেটা আগে থেকেই একটা পরিকল্পনা রেডি করে ফেলবেন।

১০. কাস্টমার সার্ভিসে ফোকাস করুন

প্রত্যেকটা বিজনেসে সবাই শুধু সেল করতে চায় এবং লাভ করতে চায়। কিন্তু যেটাই কেউই ফোকাস দেয় না ঠিকমত সেটা হচ্ছে কাস্টমার সার্ভিস। আপনার বিজনেসে যদি আপনি কাস্টমার সার্ভিসের ফোকাস না করেন তাহলে ধরে নিন আপনার বিজনেস থমকে যাবে।

ইন ফ্যাক্ট বেশিরভাগ বিজনেস এই কাস্টমার সার্ভিসের ভালো করতে না পারার ফলে বন্ধ হয়ে যায় বা চলতে কষ্ট হয়। তাই চেষ্টা করুন বিজনেস শুরুর আগেই কাস্টমার সার্ভিস কিভাবে উন্নত করবেন সেটা পরিকল্পনা করতে।

উপরের বলে দেয়া বিষয়গুলো মাথায় রেখে তারপর বিজনেস শুরু করবেন। ইনশাল্লাহ এতে করে আপনার বিজনেসের গতিও বাড়বে সেল বাড়বে এবং আপনি লং টাইম মার্কেটে টিকে থাকতে পারবেন।

Consumer Behaviour Analysis করেছেন তো?একটি ব্যবসার সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে তার গ্রাহকরা। তাদের কেনার অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্...
25/10/2024

Consumer Behaviour Analysis করেছেন তো?

একটি ব্যবসার সবচেয়ে বড় সম্পদ হচ্ছে তার গ্রাহকরা। তাদের কেনার অভ্যাস, পছন্দ-অপছন্দ এবং বাজারের ধরণগুলো বুঝতে পারলে আপনার ব্যবসা সহজেই উন্নতির পথে যেতে পারে! 📈

✅ Consumer Behaviour Analysis করতে পারলে আপনি জানতে পারবেন:

১. গ্রাহকরা কেন একটি পণ্য কিনছে বা কেন কিনছে না।
২. কোন চ্যানেল থেকে তারা সবচেয়ে বেশি ইন্টার‌্যাক্ট করছে।
৩. কোন ফ্যাক্টরগুলো তাদের ক্রয় সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলছে।

🎯 Consumer Behaviour Analysis এর সুবিধাগুলো কী?

১. আপনার কৌশলগুলোর ফলাফল আরও স্পষ্ট হবে।
২. সঠিক সময়ে সঠিক প্রোডাক্ট বা সেবা প্রস্তাব করতে পারবেন।
৩. ব্যবসার সেল ৩০-৫০% পর্যন্ত বাড়ার সম্ভাবনা থাকে! 💰
৪. এই বিশ্লেষণের মাধ্যমে আপনি শুধু গ্রাহকদের মনোভাবই নয়, তাদের সমস্যা ও সমাধানের উপায়ও খুঁজে পাবেন।

🔑 ব্যবসার জন্য এর ফলাফল কী হতে পারে?

🎯 বিক্রয় বৃদ্ধি: সঠিকভাবে Consumer Behaviour Analysis করলে আপনার সেল ৩০%-৫০% পর্যন্ত বাড়তে পারে!
🎯 কাস্টমার লয়ালটি বৃদ্ধি: গ্রাহকদের ইচ্ছা ও চাহিদা অনুযায়ী প্রোডাক্ট সাজানোর মাধ্যমে তাদের সাথে দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্ক তৈরি করা যায়।
🎯 ব্র্যান্ড ভ্যালু বৃদ্ধি: গ্রাহকদের মনোভাব ও প্রয়োজন অনুযায়ী সেবা দিতে পারলে ব্র্যান্ডের প্রতি আস্থা তৈরি হয়।
🎯 বিনিয়োগে রিটার্ন বাড়ানো: সঠিক গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর ফলে আপনার মার্কেটিং বাজেটের সর্বোচ্চ ব্যবহার সম্ভব হয়।

📈 আপনি কি জানেন?

গবেষণায় দেখা গেছে যে ব্যবসাগুলো যারা নিয়মিতভাবে গ্রাহকদের আচরণ বিশ্লেষণ করে, তারা অন্যান্যদের তুলনায় ৭০% বেশি লাভবান হয়!

সঠিকভাবে Consumer Behaviour Analysis করলে আপনার ব্র্যান্ডের কৌশল আরও বেশি প্রভাবশালী হবে এবং আপনার লাভের সম্ভাবনা বহুগুণে বেড়ে যাবে। 🚀

আপনার ব্যবসার সাফল্যের জন্য গ্রাহকদের চিন্তাধারা বুঝুন – আজই Consumer Behaviour Analysis শুরু করুন!

Think Next Digital এ আমরা Consumer Behaviour Analysis এর মাধ্যমে আপনার ব্যবসাকে আরও সঠিকভাবে পরিচালিত করতে সহায়তা করি।

02/10/2024

একটা নতুন বিজনেস এর জন্য ফেসবুক পেইজ ওপেন করার পর কতদিন পর এড রান করা উচিত। এবং কোন ধরনের এড রান কখন করা উচিত তা নিয়ে ভিডিওতে আলোচনা করা হয়েছে।

অনেক সময় আমরা বিভিন্ন অ্যাডভার্টাইজিং করার পর দেখি যে সেটার রেজাল্ট ভালো আসে না। এতে করে দেখা যায় যে যে প্রতিষ্ঠান আমা...
02/10/2024

অনেক সময় আমরা বিভিন্ন অ্যাডভার্টাইজিং করার পর দেখি যে সেটার রেজাল্ট ভালো আসে না। এতে করে দেখা যায় যে যে প্রতিষ্ঠান আমাদেরকে দিয়ে এডভারটাইজিং করাচ্ছে তাদের ভাষ্য থাকে ভাই মার্কেটিং টা ঠিকভাবে জমলো না।

তখন আমরা যেটা করি সেটা হচ্ছে একটু তার বিজনেস নিয়ে ডিপ এনালাইসিস করি। তখন যেটা দেখতে পাই বেশিরভাগের ক্ষেত্রে সেম জিনিসটাই ঘটে। সেটা হচ্ছে হয় তার প্রোডাক্ট ভালো না বা প্রোডাক্টে কোন ত্রুটি আছে। কিংবা মানুষ প্রোডাক্ট নিয়ে ভালো রিভিউ দেয়ার পরিবর্তে খারাপ রিভিউ দিচ্ছে।

আমরা হয়তো একটা ওয়ার্ডের সাথে সবাই পরিচিত সেটা হচ্ছে ওয়ার্ড অফ মাউথ মার্কেটিং। অর্থাৎ মুখে মুখে মার্কেটিং। যেমন ধরুন আপনি একটা মোবাইল ফোন কিনতে যাচ্ছেন এখন আপনি আপনার কোন বন্ধু বা বড় ভাইকে জিজ্ঞেস করলেন ভাই আমি কোন মোবাইলটা কিনতে পারি তখন সে বলল যে ওই কোম্পানির ওই মডেলটা কিনতে পারিস। আপনি হয়তো চিন্তা করেছিলেন যে অন্য আরেকটা কিনবে কিন্তু আপনাকে আপনার পরিচিত কেউ রেফার করার পর আপনি সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলেন।

আপনার কি মনে হয় অনলাইন মার্কেটিং কি শুধু টুলস নির্ভর মার্কেটিং এর মধ্যে ডিপেন্ড করে? মানুষ যখন কোন পণ্যবাস সেবা ক্রয় করার চিন্তা করে তখন সে আরও কয়েকজনের সাথে আলাপ আলোচনা করে যে আমি ওই জিনিসটা কিনতে চাচ্ছি এটা কি ভালো হবে। তখন আপনার প্রোডাক্ট আগে যারা কিনেছে তারা যদি খারাপ রিভিউ দেয় তখন কিন্তু সে কিনবে না।

একটু সহজ উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়ে দিন। ধরুন এখন Think Next একটা কোর্স লঞ্চ করল ফেসবুক মার্কেটিং এর উপর। আমরা প্রথম ব্যাচ শেষ করলাম। এবার দ্বিতীয় ব্যাচের ঘোষণা দিলাম। এখন দ্বিতীয় ব্যাচ যখন চালু করলাম তখন দ্বিতীয় ব্যাচে যারা ভর্তি হতে আগ্রহী তারা কিন্তু প্রথম ব্যাচে যারা করেছে তাদের কাছ থেকে খুঁজে খুঁজে জানার চেষ্টা করবে যে আচ্ছা ভাই Think Next কেমন কোর্স করায় তাদের থেকে কোর্স করলে আয় করতে পারব তো। দেখুন এখানে যদি আমার কোর্স কোয়ালিটি ভালো না হয় তাহলে কিন্তু আল্টিমেটলি আমি খুব ভালো মার্কেটিং করেও সেল আনতে পারব না।

ঠিক তেমনি অনলাইনের ক্ষেত্রেও বিষয়টা সেরকম। আপনার প্রোডাক্ট যদি সেরা না হয় আপনার মার্কেটিং খুব হাই কোয়ালিটির সেরা করেও লাভ হবে না। কেননা আপনি মার্কেটিং করে বিক্রি করতে যাচ্ছেন আপনার প্রোডাক্ট। আর আপনার সেই প্রোডাক্ট হচ্ছে মার্কেট ফিট না বা মার্কেটের ডমিনেট করার মত না। তাহলে কিন্তু আল্টিমেটলি আপনি বাকিদের থেকে পিছিয়ে যাবে।

তাই মার্কেটিং ভালো করার আগে আপনার প্রোডাক্ট তাকে ভালো করে নিন। কেননা যখন আপনার প্রোডাক্ট সেটা হবে তখন মার্কেটিং আপন আপনি আপনাকে ভালো রেজাল্ট দিবে।

অনেকেই রয়েছেন যারা কিনা কোন স্ট্রাটেজি ছাড়া বিজনেস করে থাকেন। স্ট্রাটেজি ছাড়া বিজনেস করা অনেকটা চোখ বন্ধ করে ঢিল মারা...
01/10/2024

অনেকেই রয়েছেন যারা কিনা কোন স্ট্রাটেজি ছাড়া বিজনেস করে থাকেন। স্ট্রাটেজি ছাড়া বিজনেস করা অনেকটা চোখ বন্ধ করে ঢিল মারার সমান। ইন ফ্যাক্ট অনেকের তাদের বিজনেস এর এডভারটাইজিং এর কাজে এরকম স্ট্রাটেজি বিহীন কাজ করে থাকেন।

দেখুন আপনি একটা ব্যবসা রান করছেন। এখন আপনার কি দরকার? অবশ্যই প্রচুর পরিমাণ সেল দরকার। এখন কিভাবে আপনি আপনার সেল বাড়াবেন? অবশ্যই আপনাকে একটা সুন্দর স্ট্রাটেজি প্ল্যানিং তৈরি করতে হবে যার মধ্যে থাকবে একটা Awesome Funneling. যারা এখন আপনার অডিয়েন্স অর্থাৎ বর্তমানে যারা আপনার পটেনশিয়াল অডিয়েন্স এবং ভবিষ্যতে যারা আপনার কাস্টমার হতে পারে তাদেরকে একটা জার্নির ভেতর দিয়ে নিয়ে যেতে হবে। একদম সুন্দর করে ফিল্ডারিং করে তাদেরকে কাস্টমার রূপান্তর করতে হবে।

আচ্ছা এমন কি কখনো হয়েছে আপনার সাথে যে আপনি কোন একটা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কেনার চিন্তা করেননি কিন্তু কিনে ফেলেছেন? অনেকবার হয়েছে তাই না? কেন হয়েছে জানেন? কারণ আপনি যাদের কাছ থেকে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কিনেছেন তাদের স্ট্রাটেজি এত সুন্দর করে তৈরি করা হয়েছিল যার দরুন আপনার ওই নির্দিষ্ট জিনিসটা কেনার প্রতি ইচ্ছা না থাকলেও আপনি আগ্রহী হয়েছেন। কেননা সেই প্রতিষ্ঠান আপনাকে খুব সহজেই একটা বায়ার জার্নির মধ্যে দিয়ে নিতে পেরেছে।

এখন আপনি যখন আপনার বিজনেসের জন্য অ্যাডভার্টাইজিং করবেন তখন কি আপনি চাইবেন না একটা সুন্দর স্ট্রাটেজি প্ল্যানিং এবং ফানেলিং রেডি করতে ? অবশ্যই চাইবেন। কেননা এমন যদি হয় যে আমি কোন প্রোডাক্ট কিনার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না কিন্তু তাদের ফানেলিং এ পড়ে কিনে ফেলেছি তাহলে এরকম অনেক অডিয়েন্স রয়েছে যারা কিনা আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য পাগল এবং দিশেহারা হয়ে আছে। শুধু আপনাকে তার পর্যন্ত পৌঁছাতে হবে।

কিন্তু বস আপনি যদি একটা সুন্দর স্ট্যাটেজি প্ল্যানিং না করে অ্যাডভার্টাইজিং করেন এবং আপনার বিজনেসের প্ল্যানিং করে থাকেন তাহলে আপনি তো তাদের পর্যন্ত পৌঁছাবেন না। এমনকি যারা আপনার প্রোডাক্ট কেনার জন্য আগ্রহী রয়েছে তারাও কখনোই তা সুন্দর বায়ার জার্নির মধ্যে দিয়ে গিয়ে আপনার প্রোডাক্ট কিনবে না।

একটা সত্যি কথা বলি কোন অডিয়েন্স কখনোই কোন অ্যাড একবার দেখে প্রোডাক্ট বা সার্ভিস কিনে নেয়। বরং কয়েকবার দেখার পর সে সেটা কেনার সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে।

আর তাই আপনার বিজনেসের জন্য আজকেই একটা সুন্দর প্রোপার স্ট্রাটেজি সাজিয়ে ফেলুন। অন্যথায় আপনার বিজনেসে লাল বাতি জলে যেতে পারে।

Think Next Digital দিচ্ছে Strategy Based Digital Marketing Solution. যেসব ক্লায়েন্টদের হাই বাজেট রয়েছে অ্যাডভার্টাইজিং এর জন্য তাদের জন্য আমরা খুব সুন্দর করে একটা স্ট্রাটেজি প্ল্যানিং করে দেই। এবং সাথে থাকে একটা Awesome Funneling. এবং যাদের কিনা পর্যাপ্ত বাজেট রয়েছে তাদের জন্য আমরা রেজাল্ট নিয়ে আসতে বদ্ধপরিকর থাকে।

তাই আর দেরি না করে আজই আপনার বিজনেসকে গ্রো করুন Strategy Based Digital Marketing Solution Agency Think Next Digital এর কাছ থেকে।

কষ্টের টাকায় শ্রেষ্ঠ এডভার্টাইজিংআপনি একটা বিজনেস রান করছেন। এখন আপনারা কি দরকার? অবশ্যই সেল দরকার। এখন অনলাইনে বিজনেসের...
28/09/2024

কষ্টের টাকায় শ্রেষ্ঠ এডভার্টাইজিং

আপনি একটা বিজনেস রান করছেন। এখন আপনারা কি দরকার? অবশ্যই সেল দরকার। এখন অনলাইনে বিজনেসের ক্ষেত্রে তো বিষয়টা এরকম না যে আপনি একটা ওয়েবসাইট খুলে বসলেন অথবা একটা ফেসবুক পেজ খুলে বসলেন আর সেল চলে আসলো। বরং আপনাকে নিয়মিত যদি আপনি আসলেই আপনার এডভার্টাইজিং করতে হবে আপনার প্রতিষ্ঠানের সেল বাড়ানোর জন্য।

যদি আপনি আসলেই আপনার প্রতিষ্ঠানের জন্য সেল বাড়াতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে হতে হবে কৌশলী এবং সাহসী। কেন এগুলো বললাম? প্রথম কথা হচ্ছে আমাদের দেশের অধিকাংশ উদ্যোক্তা রয়েছেন যারা কিনা প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর ক্ষেত্রে উচ্চমূল্যে কিনে আরো বেশি মূল্যে বিক্রি করতে দ্বিধাবোধ করে না। কিন্তু যখন তাদেরকে বলা হয় যে ভাই মার্কেটিং বাজেটটা একটু বাড়ান আপনার উপকার হবে আপনার সেল বাড়বে। তখন অনেকেই বলে ভাই আমার তো এখন এত বাজেট নেই এখন তো পারব না এই সেই।

কিন্তু একটু ভাবুন তো যদি আপনি এডভারটাইজিং এর জন্য একটু বেশি বাজেট ধরে নিচে সেটা ৫০০-১০০০ ডলার এর মধ্যে রাখেন তাহলে কি হবে?

আমি একটু বলি। এক্ষেত্রে আমরা যেটা করি আমরা পুরো বাজেটকে একবারে শেষ করি না। বরং সেই বাজেটকে আমরা প্রথমে কিছু টেস্টিং করি যেটাকে বলা হয় A/B Testing. সেই টেস্টিং এর মাধ্যমে আমি আমার ক্লায়েন্টদের আইডিয়াল অডিয়েন্স খুঁজে বের করার চেষ্টা করি। টেস্টিং করার পর যখন বুঝতে পারি যে এরা হচ্ছে আমার আইডিয়াল অডিয়েন্স এরপর সেই অডিয়েন্স গুলোকে নিয়ে একটা Funnel তৈরি করি।

Funnel গুলো আমরা তিনটি স্টেপে করি সেগুলো হল:

১.TOFU
২. Mofu
৩. Bofu

এক্ষেত্রে কোন সেকশনে আমরা কি কি কাজ করি সেগুলো নিয়ে একটু ছোট করে আলোচনা করি:

১.TOFU

এই সেকশনে আমরা আমাদের অডিয়েন্সদেরকে আমাদের পেইজে প্রচুর পরিমাণ এংগেজ করার চেষ্টা করি। আর যদি আমাদের ক্লায়েন্টদের টার্গেট থাকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সেল করার তাহলে ওয়েবসাইটে ভিজিটর নিয়ে আসার পরিকল্পনা করি। কেননা আমার লাগবে প্রচুর পরিমাণ Data.

২. Mofu

Tofu সেকশনে তো প্রচুর পরিমাণ ডাটা পেয়ে গেলাম এবার কি করব? এবার আমাদের কাজ হচ্ছে রিটারগেটিং। আগের ফানেলে নিয়ে যারা আমাদের ওয়েবসাইটে বা ফেসবুক পেইজে ভিজিট করেছে অথবা আমরা যে ভিডিও দিয়েছি সেগুলো কমপক্ষে ৫০% ভিউ করেছে তাদেরকে আমরা এডটা দেখাবো। এছাড়াও যদি এমন হয় যে আগের ফানেলে কেউ আমাদের প্রোডাক্ট কিনেছে। এবার যারা আমাদের প্রোডাক্ট কিনে নিই তাদেরকে আমরা দেখাবো।

৩. Bofu

এই ধাপটা হচ্ছে আমাদের আসল ধাপ। এখানে আমরা যারা আমাদের ওয়েবসাইটে ভিজিট করেছে এবং প্রোডাক্ট Add to Cart করেছে কিন্তু কিনে নি তাদেরকে আমরা দেখাবো। এরপর যারা আমাদের প্রোডাক্ট একাধিকবার দেখেছে কিন্তু কিনে নি অর্থাৎ তাদের সেই প্রোডাক্টের প্রতি ইন্টারেস্ট চলছে তাদের কেউ আমরা বারবার দেখাবো। দেখুন এই BOFU সেকশনে যারা চলে এসেছে তারা কিন্তু আমার একদম হট অডিয়েন্স। তাদের একটু খাদির আপ্যায়ন করলে তারা অবশ্যই আমার প্রোডাক্ট কিনবেই। এক্ষেত্রে তাদেরকে আমরা বিভিন্ন ডিসকাউন্ট, অফার, ফ্রি শিপিং, একটা কিনলে একটা ফ্রি, ফ্রি গিফট ইত্যাদি দিব। দেখবেন এই পর্যায়ে যারা চলে আসবে তারা ধুমাইয়া আপনার প্রোডাক্ট কিনতে থাকবে।

যাই হোক আমি চেষ্টা করলাম একটু হালকা করে আমাদের ফানেলিং সিস্টেমটা আপনাদের সাথে শেয়ার করা। সবার সাথে যে এরকম করে ফানেলিং হয় বা হবে বিষয়টা কিন্তু এরকম না। বরং বিজনেস ভেদে এটা ভিন্ন হয়ে থাকে।

তাই আপনাকে বলছি কষ্টের টাকা দিয়ে যেমন আপনি বিজনেস শুরু করছেন তেমনি আপনার এডভারটাইজিং এর জন্য কষ্টের টাকা আপনি কষ্টের টাকা বিনিয়োগ করছেন। এখন আপনি কি চাইবেন না এই কষ্টের টাকায় শ্রেষ্ঠ অ্যাডভার্টাইজের নিশ্চিত করতে?

আপনার কষ্টের টাকায় শ্রেষ্ঠ অ্যাডভার্টাইজিং নিশ্চিত করতে Think Next Digital সব সময় আছে আপনাদের পাশে।

Address

49/5, R. K Mission Road
Dhaka
1203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Think Next Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share