15/01/2026
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বসতঘরে আগুন দেওয়ার আগে ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাড়ির মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় ১৩ লাখ টাকা। এরপর পরিকল্পনা অনুযায়ী চট্টগ্রামের রাউজান ও রাঙ্গুনিয়ায় একের পর এক বসতঘরে আগুন লাগানো হয়। গ্রেপ্তার আসামিদের স্বীকারোক্তি ও পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, সাবেক ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে দেশে-বিদেশে অস্থিরতা তৈরির অংশ হিসেবেই এই অগ্নিসংযোগ করা হয়েছিল। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতনের চিত্র তুলে ধরে ভারতসহ আন্তর্জাতিক পরিসরে আন্দোলন ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল মূল উদ্দেশ্য।
গত সোমবার চট্টগ্রামের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হারুনের আদালতে আসামি মনির হোসেনের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। সেখানে তিনি জানান, মায়ের হত্যার বিচার চেয়ে প্রথমে তিনি স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার কাছে যান। ওই নেতা তাকে আশ্বাস দেন যে বিচার পাওয়া যাবে, তবে তার জন্য শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে।
জবানবন্দিতে মনির বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অংশ হিসেবে হিন্দু, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ ও পাহাড়ি সম্প্রদায়ের বসতঘরে আগুন দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। বিনিময়ে তাকে এক লাখ টাকা দেওয়ার পাশাপাশি রাঙামাটি পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কমিশনার করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। তিনি অশিক্ষিত বলে জানালে তাকে বলা হয়, ‘হাসিনা ফিরে এলে শিক্ষিত হওয়া লাগবে না।
তথ্যসুত্র : বার্তা বাজার
(বিস্তারিত - https://bartabazar.com/news/250933/