Shelina Sanu

Shelina Sanu I love Bangladesh

ওনেক মোটা হইয়া গেছি ভাবলাম আজ থেকে রাত এ টানা তিন মাস সিদ্ধ সবজি খাবো,সুটকি ভর্তা বানাই তে গিয়া ওই খানে পাটায় ভাত খাইয়া ...
14/08/2026

ওনেক মোটা হইয়া গেছি ভাবলাম আজ থেকে রাত এ টানা তিন মাস সিদ্ধ সবজি খাবো,সুটকি ভর্তা বানাই তে গিয়া ওই খানে পাটায় ভাত খাইয়া ফেলছি, এখন এই প্লেট নিয়ে সামনে বসে আছি। 🙄🤦‍♀️🙈

আবারও ময়মনসিংহে  ৯ বছরের শিশুকে ভুট্টার জমিতে ধ-র্ষ-ণে*র পর হ-ত্যা করেছে দু'র্বৃ'ত্তরা। সারাদেশে যেনো ধ-র্ষ-ণে*র মহা উৎস...
22/05/2026

আবারও ময়মনসিংহে ৯ বছরের শিশুকে ভুট্টার জমিতে ধ-র্ষ-ণে*র পর হ-ত্যা করেছে দু'র্বৃ'ত্তরা। সারাদেশে যেনো ধ-র্ষ-ণে*র মহা উৎসব চলছে!🥹

22/05/2026

কি জবাব দেবে এই সমাজ ও রাষ্ট্র ব্যবস্থা🙄

21/05/2026
বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।...
20/05/2026

বড় বোনের সাথে সকালে স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল রামিসার। কিন্তু স্কুলের সময় ঘনিয়ে আসার পরও রামিসাকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

দুই বোন সবসময় একসাথেই স্কুলে যেত। তাই রামিসাকে না পেয়ে বড় বোন তখন বাসার নিচে খুঁজতে বের হয়েছিল আর মা পাশের বিভিন্ন ফ্ল্যাটগুলোতে খুঁজছিল।

পাশের ফ্ল্যাটে খুঁজতে গিয়ে মা দেখে দরজার সামনে রামিসার একটা জুতা পড়ে আছে। আরেকটা জুতা মিসিং। জুতা দেখে মা মনে করেছিল হয়তো কোন দরকারে পাশের বাসায় গিয়েছে।

রামিসার মা তখন দরজায় কয়েকবার করে নক করে।
কিন্তু দরজা খুলেনি। একপর্যায়ে ধাক্কাও দেয় কিন্তু
তাতেও দরজা খোলা হচ্ছিল না বরং ভিতর থেকে শক্ত করে দরজাটা লাগিয়ে দেয়া হয়েছিল।

দরজা না খোলায় রামিসার মায়ের মনের সন্দেহ গাঢ় হতে থাকে। চিৎকার দিয়ে আশেপাশের ফ্ল্যাটের সবাইকে ডাক দেয়ার পর ৯৯৯ এ কল দিয়ে পুলিশ আনা হয়।

পুলিশ এসে দরজায় ধাক্কা দিয়ে না খোলায় ভাঙার পরিকল্পনাও করে। অনেকক্ষণের প্রচেষ্টায় দরজাটা খোলা হয় এবং উপস্থিত সবাই দেখতে পায় রুমের চারদিকে র*ক্ত ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।

র*ক্তের উৎস খুঁজতে গিয়ে পুলিশ খাটের নিচে তাকিয়ে দেখে মাথা ছাড়া একটা ছোট্ট মেয়ের লা*শ অসহায়ভাবে পড়ে আছে। পুলিশের লোকজন তখন পা ধরে টেনে সেই লা*শ বের করে।

রামিসার শরীর পেলেও কা*টা মাথাটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

তারপর ছোট্ট রামিসার মাথা খুঁজতে রুমের চারদিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। রুমেও না পেয়ে এরপর যায় বাথরুমে এবং সেখানেই র*ক্তে ভেজা রামিসার কা*টা মাথাটা পাওয়া যায়।

আর ততক্ষণে ধ*র্ষক জাকির জানালার গ্রিল কেটে পালিয়ে গিয়েছে। জাকিরকে পালাতে তার স্ত্রী স্বপ্নাই সাহায্য করেছে।

রামিসার মা যখন দরজায় ধাক্কা দিচ্ছিল জাকিরের স্ত্রী তখন ইচ্ছে করেই দরজা খুলেনি যাতে তার স্বামী ঠিকঠাক ভাবে পালাতে পারে।

স্বপ্নাকে ধরার পরপরই তার জবানবন্দি নিয়েছে পুলিশ। স্বপ্না জানিয়েছে- তার স্বামী জাকির বিকৃত যৌ*নলালসা পছন্দ করতো। তার সাথেও এমন পাষবিক নির্যাতন করেছে।

রামিসাকে দেখে ভালো লাগার পরই তার স্বামী জাকির বাসা পাল্টিয়ে দুই মাস আগে এই ফ্ল্যাটে বাসা নিয়েছে যাতে বিকৃত যৌ*নাচারের স্বাদ মিটাতে পারে।

জাকিরের স্ত্রী স্বপ্নার ভাস্যমতে- ছোট্ট রামিসাকে টেনেহিঁচড়ে রুমে আনার পর তার স্বামী রামিসাকে ধ*র্ষণ করার চেষ্টা চালায়। কিন্তু রামিসা ছোট বাচ্চা হওয়ায়
যৌ*নাঙ্গে র*ক্তক্ষরণ শুরু হয়।

র*ক্তক্ষরণ টের পেয়ে জাকির দ্রুত গলা টিপে রামিসাকে হ*ত্যা করে। তারপর কেউ যাতে টের না পায় তাই স্বপ্নাকে সাথে নিয়েই লা*শ গুম করার জন্যে রামিসার শরীর থেকে মাথাটাকে কে*টে আলাদা করে ফেলে।

জাকিরের পরিকল্পনা ছিল মস্তকটাকে একজায়গায় ফেলবে এবং শরীরটাকে আরেক জায়গায় ফেলবে যাতে কেউ লা*শ চিনতে না পারে।

কিন্তু তার আগেই রামিসার মা দরজার সামনে চলে আসায় সেটা আর সম্ভব হয়নি। জাকিরও ততক্ষণে জানালা কেটে পালিয়ে গিয়েছে। আর তাকে পালাতে সাহায্য করেছে তারই স্ত্রী স্বপ্না।

এই ধ*র্ষক জাকির রিকশার মেকানিক। তার নামে আগেও নাটোরে মামলা হয়েছিল কিন্তু সে ঠিকই টাকা খাইয়ে জামিনে ছাড়া পেয়ে গেছে।

এবারে ধরা পেলেও হয়তো ঠিক আগের মতোই ছাড়া পেয়ে যাবে। কারণ এদেশে আইনের চেয়েও টাকা বড়।

দেশে প্রতিদিন অসংখ্য বাচ্চা বাচ্চা শিশু ধ*র্ষণ হচ্ছে ,শত শত মানুষ খু*ন হচ্ছে কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কোন ভ্রুক্ষেপ নাই। উল্টো সেদিন গলা বড় করে বলেছে- দেশে নাকি আইনশৃঙ্খলা সব ঠিকঠাক চলছে।

রামিসার বাবা মধ্যবিত্ত পরিবারের ,তেমন কোন ক্ষমতা নাই। অথচ আজকে কোন এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে ধ*র্ষণ হলে সারাদেশে তোলপাড় লেগে যেত, রেড এলার্ট জারি হতো। মিছিল মিটিং হতো, বিক্ষোভ হতো, আরও কতকিছু হতো!

কিন্তু এই ছোট্ট রামিসার বেলায় তা হবে না। কারণ সে তো আর এমপি, মন্ত্রীর মেয়ে না। তাই এভাবে সাধারণ জনগণের বাচ্চা মেয়েদের ধ*র্ষণের সংখ্যা শুধু বাড়তেই থাকবে।

খাটের নিচ থেকে পা ধরে যখন রামিসার লা*শটা বের করা হচ্ছিল মা টা তখন পড়নের কাপড় দেখেই রামিসাকে চিনে ফেলেছিল। মেয়েটা যে তাদের খুব আদরের ছিল।

এবছর রামিসার বয়স মাত্র ৮ হয়েছে। ক্লাস টুতে পড়তো মেয়েটা। বেশ হাসিখুশি এবং ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট ছিল সে।

এই ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা ছাড়া লা*শ দেখার পর সেখানেই মা বেহুশ হয়ে পড়ে গিয়েছিল। আর রামিসার অসহায় বাবাটা এখন মেয়ের ছবি হাতে নিয়ে অনবরত কাঁদতেছে।

ধ*র্ষক জাকির আগেরবার জামিন পেয়েছে এবারেও ঠিকই জামিন পেয়ে আরামসে ঘুরে বেড়াবে আর নতুন শিকার খুঁজবে। দিনশেষে আমরাও সবকিছু ভুলে যাব।
কিন্তু রামিসার বাবা-মা ভুলতে পারবে না।

তাদের চোখে আজীবন শুধু ভেসে উঠবে- তাদের ছোট্ট আদরের মেয়েটার মাথা কে*টে শরীর থেকে আলাদা করে খাটের নিচে ফেলে রাখা হয়েছিল।

ওয়াশরুম এ যাবি দরজা খুলে রাখো🤦‍♀️😇🤦‍♀️
20/05/2026

ওয়াশরুম এ যাবি দরজা খুলে রাখো🤦‍♀️😇🤦‍♀️

এই জা নো য়া রের সেটিংসে ঢুকে টাইম ম্যানেজমেন্ট থেকে কেউ রাত আর দিন কোনটা, সেটা ঠিক করে দিতে পারবেন? এই বজ্জাতে দিন ভরে ঘ...
19/05/2026

এই জা নো য়া রের সেটিংসে ঢুকে টাইম ম্যানেজমেন্ট থেকে কেউ রাত আর দিন কোনটা, সেটা ঠিক করে দিতে পারবেন? এই বজ্জাতে দিন ভরে ঘুমায়, আর রাত ভরে চিল্লায়। চিল্লাইতে চিল্লাইতে ম রা মানুষ ও জাগায় ফেলে। আমরা দুইটা মানুষ যে সারা দিন কামলা দিয়া রাত্রে একটু ম র তে বাসায় যাই, সেই ম র ন টাও কপালে জোটে না। কু ত্তা র বাচ্চা কুত্তার মতো ঘেউ ঘেউ করতে থাকে। একেবারে ননস্টপ!! অন্য ঘরে আটকে রাখলে এখানে ওখানে তার মহা মূল্যবান গুপ্তধন (হাগু/মুতু) বিসর্জন দিয়ে রাখে। 🤧 জ্বালার শেষ নাই। মনে চায়, ওরে মঙ্গলগ্রহে পাঠাই দেই। এই অত্যাচার আর সহ্য হয় না। পিলিজ লাগে, বলেন ওর সেটিংস কোথায়? কোনখানে কি ধরে চাপ দিলে ও রাত আর দিনের পার্থক্য বুঝবে? 🥺🤌

(পিন কমেন্টে আসল ছবিটা দেখে আইসেন! 😒)

উত্তরাবাসী রা কতটুকু জানেন??  এই বাসা, যেখানে আজ থেকে ২০ বছর আগে একটি ৬-৭বছরের শিশুকে ধর্ষন করে তার দেহটাকে আগুনে পুরিয়ে...
19/05/2026

উত্তরাবাসী রা কতটুকু জানেন??
এই বাসা,
যেখানে আজ থেকে ২০ বছর আগে একটি ৬-৭বছরের শিশুকে ধর্ষন করে তার দেহটাকে আগুনে পুরিয়ে দেয়া হয়,
বাচ্চাটির ধর্ষনকারীকে আজও গ্রেফতার করতে সক্ষম হননি পুলিশ, এরপর থেকে এই বিল্ডিং এর চতুর্থ তলায় বাচ্চার চিৎকার কান্নাকাটি শুনা যায়,
এসব দেখে বাড়ি ধিরে ধিরে খালি হতে থাকে, ভারাটিয়ারা সবাই ফ্লাট ছেরে চলে যায়,
এই বাড়ির দারোয়ানও চাকরি ছেড়ে দেয়, জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়,
তিনি একদিন রাতে অজস্র কান্নাকাটি শুনতে পায়,
কান্নাতে ছিলো ব্যথা কষ্টের অনুভব,
জেনো কেউ বাচ্চাটির উপর নির্জাতন করছে,
দারোয়ান ধিরে ধিরে ৪চতুর্থ তলায় যাওয়ার পর দেখতে পেলো, গায়ে আগুন লাগানো একটি শিশু কান্নায় জর্জরিত,
উনার দিকে হাত বাড়িয়ে কাঁদছে,
দারোয়ান এ দেখে ভয়ে নিচে নেমে গেলো,
তখন সেও চলে গেলো বাড়ি ছেড়ে
বাড়িটা রিজেক্ট করা হয়েছে,
বর্তমানে বাড়িটা বন্ধ,
পাশের বাসার কোন দারোয়ানকে জিজ্ঞাসা করলে কিছু বলতে চাচ্ছেনা তারা।

ঘটনাস্থল: Dhaka উত্তরা সেক্টর ১৩ নাম্বার রোড ১৪ নাম্বার বাসা।(মেয়েটির নাম মনি মুক্তা)

Address

Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Shelina Sanu posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share