21/01/2026
যখন আমরা কোনো কিছু পাওয়ার জন্য তীব্র আশা করি কিংবা আল্লাহর কাছে বেশি বেশি চাইতে থাকি,তখন আগে পরে গুটি কতেক নামাজ পড়ে আশা করতে থাকি এই বুঝি দোয়া কবুল হয়ে আমি ফলাফল পেয়ে যাবো,তারপর??
তারপর দুদিন যেতে না যেতেই ফল পাওয়া টা আমাদের কাছে এত গুরত্বপুর্ন মনে হয়,যেনো আমরা যে আল্লাহর কাছে করুণা আশা করছি,সেটা ভুলে যাই,
আমরা ভুলে যাই,আল্লাহ যদি চায় তো আমি ফলাফল পাবো কিংবা পাবো না।শেষমেশ না পাওয়া থেকে তীব্র হতাশায় ডুবে যাই,এবং আফসোস এর রাজ্যে বিচরণ করি!আমরা ভাবতে থাকি আমাদের সাথে কেনো এমন হলো!!কেনো এটা পেলাম না,ঐটা পেলাম না!!
আবার মুখে বলতে থাকি,আমি তো শুধু আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করি!!
ইহা কি তাওয়াক্কুল??
তাওয়াক্কুল বোঝার জন্য এই লাইন টুকু ই যথেষ্ট
"নিশ্চই আল্লাহ পাক আমার জন্য যথেষ্ট!এবং আল্লাহ পাক অবশ্যই আমার কথা শোনেন।আল্লাহ পাক যখন ইচ্ছা আমাকে যা খুশি দান করবেন,এবং অবশ্যই আল্লাহ পাক আমাকে পরীক্ষা করার অধিকার রাখেন এবং ইনশাল্লাহ আল্লাহ পাক আমাকে নিরাশ করবে না কিংবা আল্লাহ আমার পরীক্ষা কে আমার জন্য সহজ করে দিবেন!"
আমাদের এতটুক চিন্তা মাথায় কাজ করে না,ইয়াকুব আলাইহি সাল্লাম কি তার হারিয়ে যাওয়া পুত্র দের নিয়ে আল্লাহ পাকের দরবারে দোয়া করে নি?তিনি যে দীর্ঘ বছর ধৈর্য ধরে কাটিয়ে দিয়েছেন,আল্লাহর উপর ভরসা রেখেছেন,তিনি কি ফলাফল পান নি??তিনি দোয়া করতে ভুলেন নি,সাথে যেটা সবচেয়ে বেশি দরকারি ছিল সেটা হচ্ছে ধৈর্য!! উনি আল্লাহর প্রেরিত পয়গম্বর হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহর জন্য কঠিন পরীক্ষা দিয়েছেন ধৈর্যধারণ করেছেন।
সুতরাং শুধু মাত্র দোয়া না,সাথে ধৈর্য বা তাওয়াক্কুল সবচেয়ে গুরত্ব পূর্ণ।কখনোই দোয়ার ব্যাপারে ধৈর্য হারা হতে নাই..
আল্লাহ পাক সকল দোয়া কবুল করেন।কিন্তু সেই দোয়ার ফলাফল উনি যথাসময়ে প্রদান করেন।যখন আমাদের দরকার!!হোক দুনিয়াতে,নয়তো আখিরাতের জন্য আমাদের দোয়া গুলো গচ্ছিত থাকে🤍🤍