মায়াতন্ত্র

মায়াতন্ত্র "মায়ায় বন্দি কিছু অদেখা রহস্যের গল্প। 🖤
প্রতিদিন এক নতুন রোমাঞ্চের খোঁজে..."

04/08/2026

"ফিরে পাওয়া"
পর্ব-১

সন্ধ্যে পার করে রাত কে স্বাগত জানাচ্ছে সময়টা। শহরের থেকে একটু দূরের গ্রাম্য জনজীবন, শহরের থেকে একটু ভিন্ন, জনমানব হীন রাস্তা, স্ট্রিট লাইট গুলো জ্বলছে। যতদূর চোখ যায়, শুধুই শুন্যতা।

সময়টা শীতের পূর্বে। হালকা হালকা কুয়াশা তে ঢেকে আছে পুরো চরাচর। দূরে কিছু কুকুরের ডাক শোনা যাচ্ছে। হালকা হালকা বাতাস বইছে। তাতে রাস্তার ধারে ছোট ছোট গাছ গুলো মাথা নাড়া দিয়ে উঠছে, কিছুক্ষন পর পর। আর বড় গাছ গুলো অনবরত ওই হাওয়ার তালে তাল মিলিয়ে মাথা নাড়িয়ে চলেছে মনে হয়।

এরই মাঝে শোনা গেল একটি নারী কণ্ঠ ভেসে আসছে দূর থেকে।

বাঁচাও !!!!!! বাঁচাও!!!!!!

আর সে প্রানপন ছুটে আসছে সামনের দিকে। আর বারে বারে পিছন ফিরে দেখছে। মেয়েটির পরনে একটি হালকা হলুদ রঙের তাঁতের শাড়ি, লাল ব্লাউজ, বেশ বড় চুল, সেটা কোমড়ের নিচ পর্যন্ত বেনি করা। আর সামনের কিছু ছোট চুল বেরিয়ে এসেছে। আর দৌড়ানোর সাথে সাথে হওয়ার বাড়ি খেয়ে সেটা ইতি উতি উড়ছে। কপালে একটা কালো টিপ, কানে ছোট একটা রিং। বাঁ হাতে একটা ঘড়ি। আর কাঁধে একটা ব্যাগ, যেটা ওর বুকের সামনে ধরা, দৌড়ানোর সুবিধার জন্য মনে হয়। তার পর দেখা গেল মেয়েটি বারে বারে, পিছন দিকে তাকাচ্ছে। আর প্রাণ পন ছুটে চলেছে।

"আরে ওই তো শালী ধর, না হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। সব প্রমান আছে ওর কাছে।"

এই কথা বলতে বলতে ওই মেয়েটির পিছু করতে থাকে; কয়েকটি স্যামার্কা লোক। তাদের চেহারা বেশ বলিষ্ঠ, আর উচ্চতায় বেশ লম্বা। গায়ে সবার ই কালো রংয়ের টাইট টিশার্ট আর জিন্স। আর একজনের হাতে দেখা গেল বন্দূক ।

হটাৎ ই ওদের মধ্যে একজনের ফোন বেজে ওঠে, তাতেই সবাই একটু থমকে যায়। ফোনটা রিসিভ করে। আর ওপাশ থেকে একটা পুরুষ কণ্ঠ ভেসে আসে।

আর তাকে বলতে শোনা যায়।

"এই তোরা ওকে আর এখানে আনবি না, শালী কে সোজা মায়ের ভোগে পাঠিয়ে দে।"

ওকে বস।

বলেই লোকটি ফোনটা রেখে দিল। আর সামনে তাকিয়ে দেখে কোথাও মেয়েটিকে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না।

তার মধ্যে একজন বিকৃত হাসি দিয়ে বলে উঠলো, "যাবে কোথায়। এই এরিয়া আমাদের সব হাতের মুঠোয়। তোরা সব চার দিকে ছড়িয়ে পর। আর মনে আছে, দেখলেই সোজা শুট"।

মেয়ে টি দৌড়াতে দৌড়াতে হাঁপিয়ে গিয়ে দাঁড়িয়ে পরে পিছন দিকে দেখতে দেখে কেউ নেই। তখন ও নিজের আঁচল দিয়ে ঘাম মুছতে মুছতে এগোতে থাকে।

তখনই ও শুনতে পায়---

আরে ওই তো ধর। বলেই ওরা দৌড়াতে থাকে, তখন মেয়েটি ও দেখতে পেয়ে দৌড় শুরু করে। আর ঠিক তখনই ও দেখতে পায়, সামনে দিয়ে একটা গাড়ি ছুটে আসছে, মেয়েটি হাত দেখিয়ে তাকে থামানোর চেষ্টা করে, আর সেটা দেখেই ওই লোকগুলোর মধ্যে একজন হটাৎ দাঁড়িয়ে যায়, আর তার বন্ধুক টা বার করে একটা শুট করে কোনো শব্দ হয় না। কিন্তু মেয়েটির সেই গুলি টি গিয়ে লাগে কাঁধে।

লোকটি আর একটা গুলি করে সেটি গিয়ে লাগে ডান হাতের বাহুতে।

তার পর আর একটি গুলি করে সেটি মেয়েটির লাগে ঠিক কোমড়ে।

সাথে সাথে মেয়েটি লুটিয়ে পড়ে সামনে এগিয়ে আসা গাড়িটির বনেটের উপর রক্তাক্ত অবস্থায়।

গাড়ির ড্রাইভার সশব্দে গাড়িটি ব্রেক কোষে দাঁড় করায়। এই রকম আকস্মিক ঘটনার জন্য গাড়ির চালক একদমই প্রস্তুত ছিল না। সেও হতভম্ভ হয়ে যায়।

কিছুক্ষন ওভাবে হতভম্ভ হয়ে বসে থাকার পর সে তাড়াতাড়ি গাড়ি থেকে নেমে এসে দেখে মেয়েটি রক্তাক্ত অবস্থায় গাড়ির উপর উপুড় হয়ে পরে আছে।

আর এই সময় অবস্থা বেগতিক দেখে ওই লোকগুলিও চম্পট দেয়। সেটা লক্ষ্য করে ছেলেটি।

ছেলেটির বয়স প্রায় ৩০/৩২, মাঝারি চেহারা। ফর্সা চোখে একটা চশমা। ছেলেটির নাম নিষান চৌধুরী ।

তাড়াতাড়ি করে ছেলেটি মেয়েটিকে সোজা করে দেখতে যায় যে মেয়েটি জীবিত আছে কিনা। কিন্তু ও সোজা করেই অবাক হয়ে যায়, আর ওর চোখ আটকে যায় মেয়েটির মুখের দিকে। আর অস্ফুটে ওর মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে----- রিধি,

কেমন লাগলো প্রথম পর্ব টা???

03/08/2026

মায়াতন্ত্রে স্বাগতম... 🖤

আলো আর আঁধারের সীমানায় জন্ম নেওয়া কিছু অদেখা রহস্য, অসমাপ্ত প্রেম আর গা ছমছমে থ্রিলার গল্পের এক মায়াবী জগত "মায়াতন্ত্র"।

খুব শীঘ্রই আসছে আমাদের প্রথম মেগা থ্রিলার ধারাবাহিক গল্প!
রহস্যের জালে নিজেকে জড়াতে সাথেই থাকুন। 👁️✨

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মায়াতন্ত্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share