GDCL Tours & Travels

GDCL Tours & Travels GDCL Tours & Travels is a sister concern of GDCL Group of Companies.

We offers trusted visa processing, air ticketing, hotel booking, Hajj & Umrah, and worldwide tour packages with reliable service, fair prices, and timely travel solutions.

05/06/2026

✈️🌍 বিদেশে কা’জের স্বপ্ন পূরণে আপনার বিশ্বস্ত সহযোগী — GDCL Tours & Travels 🌍✈️

জিডিসিএল ট্যুরস এন্ড ট্রাভেলস-এর মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে বৈধ ও’য়া’র্ক পা’র’মিট ভি’সা প্রসেসিং চলমান।

✅ বর্তমানে ভি’সা প্রসেসিং চলমান দে’শসমূহ:

কা’না’ডা, অ’স্ট্রেলি’য়া, নিউ’জিল্যা’ন্ড, নেদা’রল্যা’ন্ড, আয়া’রল্যা’ন্ড, সা’র্বিয়া, স্লো’ভা’কিয়া, রা’শি’য়া, সি’ঙ্গা’পুর, আ’জার’বাই’জান, প’র্তুগা’ল, ম’ন্টিনি’গ্রো, কু’য়ে’ত, মাল’দ্বীপ, সৌ’দি আ’রব, কা’তা’র

🎯 বিদে’শে যেতে আগ্রহী প্রা’র্থীগণ পাঠান:

✔️ কাঙ্ক্ষিত দেশের নাম
✔️ পছন্দের কা’জের ক্যাটাগরি
✔️ কা’জের অভি’জ্ঞতা
✔️ সম্ভাব্য বাজেট
✔️ আপডেট C’V
✔️ পাস’পো’র্টের ১ম পেজের স্ক্যান ক’পি
✔️ পাস’পো’র্ট সাইজ ছ’বি

📧 Email: [email protected]

📱 WhatsApp / Telegram / IMO:
+8801710-644708

💼 আপনার দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও বাজেট অনুযায়ী প্রাথমিকভাবে যোগ্য বিবেচিত হলে আমাদের অভিজ্ঞ কনসালটেন্ট বিস্তারিত তথ্য প্রদান করবেন।

🔰 বৈধ ভি’সা’য় নিরাপদ কর্মসংস্থানই আমাদের অঙ্গীকার।

11/05/2026

রা’শি’য়ায় ওয়া’র্ক পা’রমি’ট ভি*সা’য় জ’রুরি নিয়ো’গ বিস্তারিত কমেন্টে 👇

🌍✈️ Planning your next trip?GDCL Tours & Travels is here to make your journey simple and stress-free!✅ Visa Processing✅ ...
11/05/2026

🌍✈️ Planning your next trip?

GDCL Tours & Travels is here to make your journey simple and stress-free!

✅ Visa Processing
✅ Air Ticketing
✅ Hotel Booking
✅ Hajj & Umrah Services
✅ Worldwide Tour Packages

Reliable service, fair price, and timely travel solutions for all countries.

📲 Contact us on WhatsApp: +9779713085938

GDCL Tours & Travels
Your Journey, Our Commitment

লাভের সবজি কচুর লতির চাষ পদ্ধতিবাংলাদেশে কচুর মুখী ও কচুর লতি জনপ্রিয় সবজি। এ ছাড়া কচুর শাক ও কচুর ডগা পুষ্টিকর সবজি হ...
15/07/2025

লাভের সবজি কচুর লতির চাষ পদ্ধতি

বাংলাদেশে কচুর মুখী ও কচুর লতি জনপ্রিয় সবজি। এ ছাড়া কচুর শাক ও কচুর ডগা পুষ্টিকর সবজি হিসেবে প্রচলিত। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এক হিসাব মতে, বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৩৫ হাজার হেক্টর জমিতে পানিকচুর চাষ হচ্ছে, যা থেকে প্রায় ৮০ থেকে ৯০ হাজার টন লতি পাওয়া যাচ্ছে। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে চাষ করা হলে উৎপাদনের পরিমাণ কয়েক গুণ বাড়ানো সম্ভব।

জাত: বাংলাদেশে লতিকচুর অনেক জাত থাকলেও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে অবমুক্ত লতিকচুর জাত ‘লতিরাজ’ চাষ বেশ লাভজনক।

মাটি: জৈব পদার্থসমৃদ্ধ পলি দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ। বেলেমাটিতে রস ধরে রাখা যায় না বলে চাষের জন্য এ ধরনের মাটি ভালো নয়।

জমি: মাঝারি নিচু থেকে উঁচু যেকোনো জমি। বৃষ্টির পানি জমে না, কিন্তু প্রয়োজনে সহজেই পানি ধরে রাখা যায়।

জমি তৈরি: কচুর লতি পানিকচু থেকে পাওয়া যায়। লতি উৎপাদনের জন্য পানিকচুর জমি শুকনো ও ভেজা উভয় অবস্খাতেই তৈরি করা যায়। শুকনোভাবে তৈরির জন্য চার থেকে পাঁচটি আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে ও সমান করতে হয়। ভেজা জমি তৈরির জন্য ধান রোপণে যেভাবে জমি কাদা করা হয় সেভাবে তৈরি করতে হয়।

রোপণ সময়: খরিপ মৌসুমে কচুর লতি পাওয়া যায় বা সংগ্রহ করা যায় বলে জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারি মাস রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।

বংশবিস্তার : পূর্ণবয়স্ক পানিকচুর গোড়া থেকে যেসব ছোট ছোট চারা উৎপন্ন হয় সেগুলোই বীজ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

চারা রোপণ পদ্ধতি: পানিকচুর চারা কম বয়সী হতে হয়। চার থেকে ছয় পাতার সতেজ চারাগুলোই রোপণের জন্য নির্বাচন করতে হয়। রোপণের সময় চারার ওপরের দুই থেকে তিনটি পাতা রেখে নিচের বাকি সব পাতা ছাঁটাই করে দিতে হয়। চারার গুঁড়ি বা গোড়া বেশি লম্বা হলে কিছুটা শিকড়সহ গুঁড়ির অংশবিশেষ ছাঁটাই করে দেয়া যেতে পারে। সারি থেকে সারি ৬০ সেন্টিমিটার এবং গাছ থেকে গাছ ৪৫ সেন্টিমিটার দূরত্বে চারা রোপণ করতে হয়। চারা রোপণে মাটির গভীরতা ৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার রাখতে হয়।

পরিচর্যা : গুঁড়ি থেকে চারা উৎপন্ন হওয়ার পর যদি মূল জমিতে চারা রোপণে দেরি হয় তাহলে সেগুলো ভেজা মাটি ও ছায়া আছে এমন স্খানে রেখে দিতে হয়। চারাগুলো আঁটি বেঁধে বা কাছাকাছি রাখতে হয়। রোপণের সময় বা পরে কিছু দিন পর্যন্ত জমিতে বেশি পানি থাকার কারণে যাতে চারা হেলে না পড়ে সে জন্য মাটি কাদা করার সময় খুব বেশি নরম করা উচিত নয়। গাছ কিছুটা বড় হলে গোড়ার হলুদ হয়ে যাওয়া বা শুকিয়ে যাওয়া পাতা সরিয়ে ফেলতে হয়। ক্ষেতের আগাছা পরিষ্কার করে জমি পরিচ্ছন্ন রাখতে হয়। রোপণের এক থেকে তিন মাসের মধ্যে ক্ষেতে কোনো প্রকার আগাছা যেন না থাকে সে দিকে লক্ষ রাখতে হয়। পানি কচুর গাছে লতি আসার সময় ক্ষেতে পানি রাখা উচিত নয়। তবে একেবারে শুকনো রাখলেও আবার লতি কম বের হয় বা লতির দৈর্ঘ্য কম হয়। সে জন্য জো অবস্খা রাখতে হয়।

সার প্রয়োগ: হেক্টর প্রতি জৈবসার ১৫ টন, ইউরিয়া ১৫০ কেজি, টিএসপি ১২৫ কেজি, এমওপি ১৭৫ কেজি ব্যবহার করতে হয়। ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সার জমি তৈরি শেষ চাষের সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে দিতে হয়। ইউরিয়া সার দুই কিস্তিতে রোপণের ৩০ দিন ও ৬০ দিন পর সারির মাঝে ছিটিয়ে দিয়ে হালকা সেচ দিতে হয়। জমিতে দস্তা ও জিংকের অভাব থাকলে জিংক সালফেট ও জিপসাম সার হিসেবে ব্যবহার করতে হয়। জয়পুরহাট অঞ্চলের লতিকচুর চাষিরা প্রতিবার লতি সংগ্রহ করার পর ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করেন।

সেচ ও নিকাশ: এটি একটি জলজ উদ্ভিদ হলেও দীর্ঘ সময় জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। বিশেষ করে লতি উৎপাদনের সময় পানি ধরে রাখা ঠিক নয়। পানি থাকলে কম বা না থাকলে (শুধু জো অবস্খা থাকলে) বেশি লতি বের হয়।
(সংগৃহীত)

 #বস্তায়_আঁদা_চাষের_সঠিক_নিয়ম: বস্তায় আঁদা চাষের জন্য উঁচু জায়গা ও জৈব সার সমৃদ্ধ দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি সব থেকে উত্তম।...
12/07/2025

#বস্তায়_আঁদা_চাষের_সঠিক_নিয়ম: বস্তায় আঁদা চাষের জন্য উঁচু জায়গা ও জৈব সার সমৃদ্ধ দোঁআশ ও বেলে দোঁআশ মাটি সব থেকে উত্তম।
#সময়ঃ বস্তায় আদা চাষের জন্য এপ্রিল-মে মাসে আদা রোপন করতে হয়।
#স্থানঃ বসতবাড়িতে বা বাগানে ৩০%-৪০% ছায়াযুক্ত স্থানে আদা ভালো হয়। সম্পূর্ণ ছায়া বা আলোতে আদা ভালো হয় না৷ তাই দিনের ২/৩ ভাগ আলো আসে এরকম জায়গায় বস্তা রাখতে হবে।
#আদার_জাত_নির্বাচনঃ বস্তায় চাষের জন্য জনপ্রিয় জাত বারি আদা_১ ও বারি আদা_২
#আদার_কন্দের_সাইজ_নির্বাচনঃ মাটি তৈরি হয়ে গেলে বস্তায় রোপনের জন্যে ৪০-৫০ গ্রাম সাইজেট আদার কন্দ প্রয়োজন। কন্দ ছোট করলে গাছ দূর্বল হয় ও ফলন কমে যেতে পারে।
#বীজ_শোধনঃ আদার কন্দ লাগানোর আগে কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ৩ গ্রাম হারে মিশিয়ে নিয়ে এক কেজি আদার কন্দ শোধন করে নিতে হবে। শোধনের পর কন্দগুলো সাথে সাথে রোপন করা যাবে না কমপক্ষে এক ঘণ্টা ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। রোদে শুকানো যাবে না।
#মাটি_প্রস্তুতঃ বস্তায় আদা চাষের জন্য আদার কন্দ রোপনের ১৫ দিন আগে মাটি ও সার প্রস্তুত করতে হবে।
#মাটি_তৈরিঃ আদা কন্দ বা রাইজোম জাতীয় মসলা ফসল তাই মাটি যত নরম ও ঝড়ঝড়ে হবে তত ভালো। এতে রাইজোম সহজেই মাটির নিচে বড় হতে পারে। শক্ত মাটিতে আদার ফলন কম হয় কারণ মাটি শক্ত হওয়ায় রাইজোম বড় হতে পারে না।
#বস্তা_নির্বাচনঃ বস্তায় আদা চাষের জন্য বস্তা সিমেন্টের বস্তা আদা চাষের জন্য উত্তম। ১টি সিমেন্টের ব্যাগ কেটে দুইটি করে আদার বস্তা হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। তাহলে বস্তার খরচ ৫০% কমে যাবে।
প্রতি বস্তার জন্য ঝুর ঝুরে পরিস্কার মাটি ১৫ কেজি, পঁচা গোবর ৫-৬ কেজি, টিএসপি ২০ গ্রাম, এমওপি (পটাশ) ১০ গ্রাম, জিপসাম ১০ গ্রাম, জিংক ৫ গ্রাম, বোরন ৫ গ্রাম, দানাদার কীটনাশক ১০ গ্রাম, কাঠের গুড়া ১ কেজি, ছাই ১ কেজি (সম্ভব হলে), ভার্মিকম্পোষ্ট ১ কেজি (সম্ভব হলে), বালু ১ কেজি (বেলে দোআঁশ মাটি হলে দরকার নেই)।
#মাটি_মিশ্রণ_বা_তৈরি_পদ্ধতিঃ সমস্ত সার মাটি দানাদার কীটনাশক, কাঠের গুড়া বালু ভালোভাবে মিশিয়ে ১২-১৫ দিন কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ১২-১৫ দিন পর পলিথিন উঠিয়ে মাটি উল্টাপাল্টা করে কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা রেখে দিতে হবে। তার পর বস্তায় ভরে ২-৩ দিন রেখে আদার বীজ বপন করতে হবে।
#বস্তায়_মাটি_ভরাটঃ বস্তায় সার মিশ্রিত মাটি এমন ভাবে ভর্তি করতে হবে যাতে বস্তার উপরের অংশ ২-৩ ইঞ্চি ফাঁকা থাকে।
#বস্তা_স্থাপন_পদ্ধতিঃ বৃষ্টির পানি জমাট বাধে না এমন যায়গায় সারিতে ৮-১০ ইঞ্চি পর পর পাশাপাশি ২ টি বস্তা স্থাপন করতে হবে। মাঝ খান দিয়ে চলাচলের জন্য রাস্তা রাখতে হবে যাতে সহজে চলাফেরা করা যায় এবং আন্তপরিচর্যা করতে সুবিধা হয়।
#আদা_কন্দ_রোপনের_গভীরতাঃ আদার বীজ মাটির ভিতরে ৩ থেকে ৪ ইঞ্চি গভীরে লাগাতে হবে। বীজ লাগানোর পর মাটি দ্বারা ঢেকে দিতে হবে।
#আগাছাঃ বস্তায় আদা চাষে তেমন কোন আগাছা হয় না। যদি আগাছা দেখা যায় তাহলে হাত দিয়ে নিড়ানি দিয়ে গোড়া পরিস্কার রাখতে হবে।
#সেচ_প্রয়োগঃ বৃষ্টি না হলে হালকা ছিটানো পানি দিতে হবে।
#পানি_নিষ্কাশনঃ মাটি ভরাটের আগে বস্তার নিচে, সাইডে ৪-৫ টি ফুটা করে দিতে হবে যাতে অতিবৃষ্টিতে বস্তায় পানি জমে না থাকে।
#সার_প্রয়োগ_প্রথম_কিস্তিঃ আঁদার কন্দ রোপনের ৫০ দিন পরে বস্তা প্রতি ১০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫ গ্রাম এমওপি একত্রে প্রয়োগ করতে হবে।
#দ্বিতীয়_কিস্তিঃ আদার কন্দ রোপনের ৮০ দিন পরে বস্তা প্রতি ইউরিয়া ৫ গ্রাম পটাশ, ৫ গ্রাম হারে গাছের চার পশে ছিটিয়ে দিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
#তৃতীয়_কিস্তিঃ আদার কন্দ রোপনের ১১০ দিন পরে ইউরিয়া ৫ গ্রাম পটাশ সার ৫ গ্রাম হারে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে
#রোগ_পোকাঃ এছাড়াও রোগবালাইয়ের আক্রমণ দেখা গেলে আপনার নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা /উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে আপডেট পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে।
#আঁদা_উত্তোলনঃ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারী মাসে তোলা যায়। আদার পাতা হলুদ হয়ে আসলে আদার পরিপক্ক হয়ে যায়।
#ফলনঃ উপযুক্ত পরিচর্যায় প্রতি বস্তায় গড়ে ১ কেজি ফলন হয়ে থাকে। সর্বোচ্চ ২ কেজি পর্যন্ত আঁদা পাওয়া যায়।

কুমড়া ও লতানো সবজি গাছের ফলন বৃদ্ধি করার জন্য 1G, 2G, 3G এবং 4G কাটিং2G,3G,4G বলতে যা বুঝায়ঃ2G, 3G, 4G দিয়ে বুঝায় মূলত ...
11/07/2025

কুমড়া ও লতানো সবজি গাছের ফলন বৃদ্ধি করার জন্য 1G, 2G, 3G এবং 4G কাটিং

2G,3G,4G বলতে যা বুঝায়ঃ

2G, 3G, 4G দিয়ে বুঝায় মূলত সেকেন্ড জেনারেশন, থার্ড জেনারেশন, ফোর্থ জেনারেশন।

আগে জেনে নিই, গাছের জেনারেশন কি ?

১) বীজ থেকে যে কান্ড বের হয় তার নাম 1G

২) 1G কাটার পর যেই শাখা বের হবে তার নাম 2G

৩) 2G কাটার পর যেই শাখা বের হবে তার নাম 3G

একটি লাউ গাছের প্রধান কান্ড বা স্টেম হলো ফার্স্ট জেনারেশন। প্রধান কান্ড থেকে বের হওয়া শাখা কান্ড হলো সেকেন্ড জেনারেশন। আর সেকেন্ড জেনারেশন কান্ড থেকে বের হওয়া প্রশাখা হলো থার্ড জেনারেশন। একেই ভাবে 3G থেকে বের হয় 4G .

লাউ, মিষ্টি কুমড়া ইত্যাদি লতানো গাছের অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রধান কাণ্ডে কখনো স্ত্রী ফুল হয় না, সবসময় পুরুষ ফুল হয়। তাই দেখা যায় যে, গাছে শুধু প্রধান কান্ড থাকলে সেই গাছে ফল হয় না।

এজন্য যা যা করণীয়ঃ

যখন গাছে প্রধান কাণ্ডে ১২ টি পাতা হয়ে যাবে তখন গাছের মাথা কেটে দিন। এতে গাছ আর লম্বা না হয়ে শাখা প্রশাখা বের করার জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়বে। তখন দেখা যাবে যে 2G শাখার বৃদ্ধি হতে থাকবে এবং পুরুষ ফুল এর পাশাপাশি স্ত্রী ফুল থাকবে। আবার যখন 2G শাখা ১২ টি পাতা হয়ে যাবে তখন সেই 2G শাখার মাথা কেটে দিলে সেই 2G শাখা থেকে 3G শাখা বের হবে। তখন স্ত্রী ফুলের ফলন বাড়বে। তবে 2G কাটিং থেকে 3G কাটিং দেওয়ার সময় কিছু 2G রেখে দেবেন কারণ 2G যে পুরুষ ফুলগুলো থাকবে তা দিয়ে 3G এর স্ত্রী ফুলকে পরাগায়নে সহায়তা করবে। যখন মন মতো স্ত্রী ফুল পেয়ে যাবেন তখন প্রধান কাণ্ডে থাকা পুরুষ ফুল এর সাথে হাত পরাগায়ন করে দিবেন। আর যদি 3G কাটিং এ মন মতো স্ত্রী ফুল না পান তাহলে 4G কাটিং করে দিবেন একেই পদ্ধতি অবলম্বন করে।

এভাবে 2G, 3G,4G কাটিং এর মাধ্যমে ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব যার মাধ্যমে আমাদের কৃষক ভাই বোনেরা সফলতা অর্জন করছে লাউ, মিষ্টি কুমড়া, চাল কুমড়া, শসা, জিঙ্গা , করল্লা সহ ইত্যাদি লতানো গাছে।

এভাবে 2G,3G ও 4G কাটিং এর মাধ্যমে ফলন বৃদ্ধি করা সম্ভব। যা অর্জন করেছে লাউ , মিষ্টি কুমড়া,চাল কুমড়া,শসা, ঝিঙ্গা,করলা সহ ইত্যাদি কুমড়া ও লতানো গাছে।

কাটিং এর সময় অবশ্যই জীবাণুমুক্ত ব্লেড অথবা ছুরি ব্যবহার করতে হবে যাতে ছত্রাকের আক্রমণ না ঘটে।
ছবিতে বিন্দু লাউ

Address

Dakhin Bishil, Mazar Road, Mirpur 1
Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when GDCL Tours & Travels posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share