Iqball Hossain Zihad

Iqball Hossain Zihad Welcome to the page of One of the Best Digital Marketing and SEO Experts in Bangladesh.

প্রিয়..🌺🌺
02/08/2026

প্রিয়..🌺🌺

পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ!!কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে,  অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তার...
06/06/2026

পাকিস্তানের পর এখন টার্গেট বাংলাদেশ!!
কয়েক বছর আগে পাকিস্তানেও শুরুটা হয়েছিল প্রেমের গল্প দিয়ে, অনলাইন পরিচয়, প্রেম, তারপর বিয়ের প্রস্তাব।

পরে তদন্তে যা বের হলো, সেটা ছিল ভয়ংকর।
Associated Press-এর তদন্ত অনুযায়ী, ২০১৮-১৯ সালের মধ্যে অন্তত ৬২৯ জন পাকিস্তানি নারী ও তরুণীকে ভুয়া বিয়ের মাধ্যমে চীনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পাকিস্তানের বিভিন্ন এলাকায় চীনা ও স্থানীয় দালালরা দরিদ্র এবং অল্পবয়সী মেয়েদের টার্গেট করত। তারপর ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে বিয়ের মাধ্যমে তাদের চীনে নিয়ে যাওয়া হতো।
যেসব ভুক্তভোগী কৌশলে পাকিস্তানে ফিরতে পেরেছিলেন, তারা অভিযোগ করেন যে চীনে নিয়ে যাওয়ার পর প্রথম কিছুদিন ভালো ব্যবহার করা হলেও পরে তারা বুঝতে পারেন যে তারা পাচারের শিকার হয়েছেন।

তাদের ওপর শারীরিক নির্যাতন, যৌন নির্যাতন, জোরপূর্বক গর্ভধারণের চাপ সৃষ্টি করা হতো এবং অনেককে পতিতাবৃত্তিতে বাধ্য করা হয়।
তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে পাকিস্তান প্রশাসন চীনা নাগরিক এবং স্থানীয় দালালদের আটক করে।

চীনে নারী পাচারের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর পাকিস্তানে আর সুবিধা করতে পারেনি চক্রটি।
একই চক্র এবার টার্গেট করেছে বাংলাদেশের দরিদ্র মেয়েদের। সেই একই প্যাটার্নে প্রতারণার ফাঁদ পাতা হচ্ছে।

প্রায় প্রতি সপ্তাহেই নিউজ দেখি, চীনা যুবক প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসেছে।
মুসলিম পরিবারগুলোর জন্য আরও বড় বিষয় হলো, একজন মুসলিম মেয়ের জন্য কোনো অমুসলিম পুরুষকে বিয়ে করা ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে বৈধ নয়। এটি স্পষ্ট হারাম।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী চীনে দীর্ঘদিনের এক সন্তান নীতির কারণে সেখানে কোটি কোটি পুরুষ নারীর তুলনায় বেশি।
তাই গ্রামের দরিদ্র মেয়েগুলোকে শুধুমাত্র ভোগ করার জন্যই ভুয়া বিয়ের ফাঁদ পাতা হয়েছে।
মনে রাখবেন, মানবপাচারকারী কখনো নিজেকে মানবপাচারকারী বলে পরিচয় দেয় না।
সুতরাং যেসব এলাকায় চীনা নাগরিক আসবে, এলাকাবাসীর উচিত বিষয়টি সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করা এবং সন্দেহজনক কিছু দেখলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো।

বাংলাদেশ সরকারকেও অনুরোধ করছি, এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। মিডিয়া বিষয়গুলোতে হাওয়া দিচ্ছে। মিডিয়া উচিত এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করা।
শেয়ার করা সারাদেশে ছড়িয়ে দিন।
© সংগ্রহ

#নিউজ

বাচ্চাদের জ bye দেখাবেন না, করানো শিখাবেন!শাহজালালের পোলা বইলা কথা।~Tariqul Islam
06/06/2026

বাচ্চাদের জ bye দেখাবেন না, করানো শিখাবেন!
শাহজালালের পোলা বইলা কথা।

~Tariqul Islam

06/06/2026

On the mandi....

22/05/2026

Welcome to the mandi...

প্রতিটি দোকানে, দোকানে এই লিখা প্রয়োজন।
22/05/2026

প্রতিটি দোকানে, দোকানে এই লিখা প্রয়োজন।

19/05/2026

যারা তার রবের সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে।
জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ সাহায্য নিকটবর্তী।

নৃশংসতা!!!   নীচের ছবিটা জুলাইখা আল শায়িব নামে এক মুসলিম আলজেরিয়ান তরুণীর। ১৯৫৭ সালে ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের সেনারা একটা মি...
10/05/2026

নৃশংসতা!!!
নীচের ছবিটা জুলাইখা আল শায়িব নামে এক মুসলিম আলজেরিয়ান তরুণীর। ১৯৫৭ সালে ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের সেনারা একটা মিলিটারি ভ্যানের সঙ্গে তাঁকে বেঁধে রেখেছে, সে অবস্থায় তোলা।

এর কিছু পরেই তাঁকে এভাবে বেঁধেই পুরো দশদিন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরানো হয় এবং লাউড স্পিকারে ফ্রান্স সরকারের তরফে জানান দেওয়া হয় যদি কোনও আলজেরিয়ান ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের চেষ্টা করে কিম্বা সাহায্য করে তবে এর ফল হবে এমনই। এমনকি সে নারী হলেও বিন্দুমাত্র অনুকম্পা প্রদর্শন করা হবে না।

এর ঠিক দশদিন পর, তাঁকে ২৫ অক্টোবর একটা সামরিক হেলিকপ্টার থেকে ফেলে হত্যা করে ফরাসি সেনাবাহিনী। পরবর্তীতে, ১৯৮৪ সালে তাঁর কবরের সন্ধান মেলে।

এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফরাসি শাসনাধীন ফ্রান্সের প্রাত্যহিক অনুষঙ্গ ছিল এই জুলুম, এই হত্যাযজ্ঞ। আমিন আল মুতাওয়াসসিতি তাঁর পরিবারের নিকটজনদের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন।

তাঁরই এক আত্মীয়, কার্ফিউ চলাকালে নিজের সন্তানকে খেলার মাঠ থেকে খুঁজতে গিয়েছিলেন। ফিরতে ফিরতে কার্ফিউ শুরুর সময় হয়ে যায়। পথে তাঁকে ধরে নিয়ে যায় ফরাসি সেনারা। কার্ফিউ ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে তাঁর সন্তানসহ মাটিচাপা দেওয়া হয়।

এই ঘটনাগুলো কিন্তু খুব বেশিদিন আগের নয়। মাত্র ৬০ বছরের কিছু বেশি কাল আগের। সময়ের হিসেবে ইতিহাস হয়ে পড়ার মত দূরত্বেরও নয়। সে সময়কার বহু মানুষ এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছেন।

সারা দুনিয়ায় যে পশ্চিমা দুনিয়া আমাদের তথাকথিত সভ্যতার শিক্ষা দেয়- সে শিক্ষার জাজ্বল্যমান উদাহরণ হচ্ছে এই ঘটনাগুলো।

১৮৩০ সাল থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক বছরে ফ্রান্স গোটা আলজেরিয়া দখল করে নেয়। এরপরই মুসলমানদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ জুলুম চলে। নগরের পর নগরে গণহত্যা চালানো হয়। আরবি শিক্ষা এবং 'ইসলামিক লেসন' অর্থাৎ ইসলাম শিক্ষা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। বহু মসজিদকে গীর্জায় বদলে ফেলা হয়।

১৬১২ সালে উসমানি খেলাফতকালে নির্মিত আলজেরিয়ার ঐতিহাসিক জামে মসজিদ জামা কাংশোয়াহ (جامع كتشاوة) ছিল সবচে’ বড়ো মসজিদ। ১৮৪৫ সালে এ মসজিদটি গীর্জায় বদলে ফেলে ফ্রন্স সরকার। Cathedral of St Philippe নাম দেওয়া হয়।

উমাইয়া খেলাফতের একেবারে শুরুতেই আলজিরিয়া ইসলামী খেলাফতের সীমাভূক্ত হয়েছিল। ইসলামের গোঁড়ার দিকেই। প্রখ্যাত বীর সেনাপতি সাহাবি উক্ববা বিন নাফি রা. আলজেরিয়ার বিজয় সূচনা করেন।

এরপর আবু আল-মুনজির দিনার রহ. সমগ্র আলজেরিয়ায় ইসলামকে পৌঁছে দিয়েছিলেন। বর্তমানেও আলজেরিয়ায় প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলমানের বাস।

১৯৫৪ সালের অক্টোবর ছিল পরাধীন আলজেরিয়ার উত্তপ্ত মাস। নভেম্বরেই শুরু হয় আলজেরিয়ান বিপ্লব। পনেরো লাখ মুক্তিযোদ্ধার রক্তস্রোতে ভেসে ১৩২ বছরের পরাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

স্বাধীন হয় আলজেরিয়া। ১৯৬২ সালের ৫ জুলাই আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন আলজেরিয়ার। যেই কাংশোয়া জামে মসজিদকে করে রাখা হয়েছিল গীর্জা সেটায় ১১৭ বছর পর হয় পুনরায় হয় জুমার নামাজ।

এই এ বছরও আলজেরিয়ার সদ্যগত স্বাধীনতা দিবসকে উপলক্ষ করে ফ্রান্স দুই ডজন আলজেরীয় মুক্তিকামীদের মাথার খুলি ফেরত পাঠিয়েছে। এইরকম বহু মুক্তিকামী মুসলমানদের হত্যার পর তাদের খুলি আজও সুসভ্য ফ্রান্সের যাদুঘরগুলোতে সংগ্রহে রাখা আছে।

আলজেরিয়ায় 'সভ্য' 'গণতান্ত্রিক' 'সেক্যুলার রাষ্ট্র' ফ্রান্স তার আধুনিক কালের ইতিহাসে যা করেছে তা কি করে এই পশ্চিমের মনস্তাত্ত্বিক গোলামিতে আবদ্ধ প্রজন্ম বিচার করবেন তা আমার জানা নেই! আজ যে ফ্রান্স সে ফ্রান্সের নাগরিকদের মাত্র এক পুরুষ আগের প্রজন্মই ছিল তারা। আজও ফ্রান্সের এই জুলুমবাজি মালির মাটিতে বিদ্যমান।

পাশ্চাত্য, ইউরোপের প্রতি আমাদের যে শির ঝুঁকে গেছে- যে দুনিয়ার চাকচিক্য আমাদের নজর কেড়েছে তাতে এই জুলুম এই ইতিহাস আমাদের হৃদয়ে কখনো প্রবেশ করবে না, কখনো দাগ কাটবে না।

আফসোস, আমরা নিজেদের জন্য কেবল এই দুনিয়াকে বেছে নিয়েই সন্তুষ্ট আছি। অথচ আমাদের অবস্থা তো কোরআন আমাদের জানাচ্ছে,

لَوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَنَطْبَعُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لا يَسْمَعُونَ

আমি চাইলে তাদেরকেও তাদের গুনাহের কারণে মুসিবতে আক্রান্ত করতে পারি। এবং (যারা উপেক্ষা করে এবং নিজেরা হঠকারী মনোভাবের জন্য শিক্ষা গ্রহণ করে না) আমি তাদের অন্তরে মোহর করে দেই, ফলে তারা কোনও কিছুই শুনতে পায় না। (আ‘রাফ ১০০)

ক্বাবার রবের শপথ, এই মোহর পড়ে যাওয়া অন্তরের জন্যই আজ আমাদের এই দূর্ভোগ। এই ইতিহাস, এই সত্য আজ আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে না!

বিশেষ দ্রষ্টব্য: মূল ছবিটি ছিল সাদা-কালো; পরবর্তীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এটি রঙিন ও উন্নতমানে পুনর্গঠিত করা হয়েছে।
(সংগৃহীত)

থ্যালাসেমিয়া: দেশে দুই কোটিরবেশি বাহক, প্রতিরোধে কী করবেনপ্রকাশিত জার্নাল পেপার নিয়ে প্রতিবেদন। লিংক কমেন্টে
26/04/2026

থ্যালাসেমিয়া: দেশে দুই কোটির
বেশি বাহক, প্রতিরোধে কী করবেন
প্রকাশিত জার্নাল পেপার নিয়ে প্রতিবেদন। লিংক কমেন্টে


উত্তর গাজা থেকে ডাঃ মোস্তফা নাঈম এই কঙ্কালটির পেছনের গল্পটি বর্ণনা করেছেন:আজ আমাদের এক প্রতিবেশীর মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেছ...
25/04/2026

উত্তর গাজা থেকে ডাঃ মোস্তফা নাঈম এই কঙ্কালটির পেছনের গল্পটি বর্ণনা করেছেন:

আজ আমাদের এক প্রতিবেশীর মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেছে, যা মাটির নিচে চাপা পড়া এবং পচে যাওয়া অবস্থায় ছিল। উত্তর গাজা থেকে শেষবার উচ্ছেদের সময় তিনি আহত হয়েছিলেন এবং টানা তিন দিন ধরে তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

যখন তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি আর বাঁচবেন না এবং কেউ তার কাছে পৌঁছাতে পারবে না, তখন তিনি নিজেই নিজের ওপর মাটি টেনে দিলেন এবং সিজদাহরত অবস্থায় নিজেকে সমাহিত করলেন। এখন, তার হাড়গুলো সিজদাহর ভঙ্গিতেই খুঁজে পাওয়া গেছে।

একটি গাছের পাশে তার মৃতদেহটি পাওয়া গেছে, যেটিকে তিনি তার শেষ বিশ্রামের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

তিনি তার পরিবারের জন্য একটি চিহ্ন রেখে গিয়েছিলেন - মাটির ওপরে একটি সুতো এবং গাছের একটি ছোট ডালের সাথে তার আংটিটি বেঁধে রেখেছিলেন যাতে তারা তাকে খুঁজে পায়।
সংগৃহীত ~

Address

Nazimuddin Road
Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqball Hossain Zihad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share