Iqball Hossain Zihad

Iqball Hossain Zihad Welcome to the page of One of the Best Digital Marketing and SEO Experts in Bangladesh.

22/05/2026

Welcome to the mandi...

প্রতিটি দোকানে, দোকানে এই লিখা প্রয়োজন।
22/05/2026

প্রতিটি দোকানে, দোকানে এই লিখা প্রয়োজন।

19/05/2026

যারা তার রবের সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে।
জেনে রাখ, নিশ্চয়ই আল্লাহ সাহায্য নিকটবর্তী।

নৃশংসতা!!!   নীচের ছবিটা জুলাইখা আল শায়িব নামে এক মুসলিম আলজেরিয়ান তরুণীর। ১৯৫৭ সালে ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের সেনারা একটা মি...
10/05/2026

নৃশংসতা!!!
নীচের ছবিটা জুলাইখা আল শায়িব নামে এক মুসলিম আলজেরিয়ান তরুণীর। ১৯৫৭ সালে ১৫ অক্টোবর ফ্রান্সের সেনারা একটা মিলিটারি ভ্যানের সঙ্গে তাঁকে বেঁধে রেখেছে, সে অবস্থায় তোলা।

এর কিছু পরেই তাঁকে এভাবে বেঁধেই পুরো দশদিন শহরের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরানো হয় এবং লাউড স্পিকারে ফ্রান্স সরকারের তরফে জানান দেওয়া হয় যদি কোনও আলজেরিয়ান ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের চেষ্টা করে কিম্বা সাহায্য করে তবে এর ফল হবে এমনই। এমনকি সে নারী হলেও বিন্দুমাত্র অনুকম্পা প্রদর্শন করা হবে না।

এর ঠিক দশদিন পর, তাঁকে ২৫ অক্টোবর একটা সামরিক হেলিকপ্টার থেকে ফেলে হত্যা করে ফরাসি সেনাবাহিনী। পরবর্তীতে, ১৯৮৪ সালে তাঁর কবরের সন্ধান মেলে।

এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ফরাসি শাসনাধীন ফ্রান্সের প্রাত্যহিক অনুষঙ্গ ছিল এই জুলুম, এই হত্যাযজ্ঞ। আমিন আল মুতাওয়াসসিতি তাঁর পরিবারের নিকটজনদের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন।

তাঁরই এক আত্মীয়, কার্ফিউ চলাকালে নিজের সন্তানকে খেলার মাঠ থেকে খুঁজতে গিয়েছিলেন। ফিরতে ফিরতে কার্ফিউ শুরুর সময় হয়ে যায়। পথে তাঁকে ধরে নিয়ে যায় ফরাসি সেনারা। কার্ফিউ ভঙ্গের অভিযোগে তাঁকে তাঁর সন্তানসহ মাটিচাপা দেওয়া হয়।

এই ঘটনাগুলো কিন্তু খুব বেশিদিন আগের নয়। মাত্র ৬০ বছরের কিছু বেশি কাল আগের। সময়ের হিসেবে ইতিহাস হয়ে পড়ার মত দূরত্বেরও নয়। সে সময়কার বহু মানুষ এখনো পৃথিবীতে বেঁচে আছেন।

সারা দুনিয়ায় যে পশ্চিমা দুনিয়া আমাদের তথাকথিত সভ্যতার শিক্ষা দেয়- সে শিক্ষার জাজ্বল্যমান উদাহরণ হচ্ছে এই ঘটনাগুলো।

১৮৩০ সাল থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক বছরে ফ্রান্স গোটা আলজেরিয়া দখল করে নেয়। এরপরই মুসলমানদের উপর ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ জুলুম চলে। নগরের পর নগরে গণহত্যা চালানো হয়। আরবি শিক্ষা এবং 'ইসলামিক লেসন' অর্থাৎ ইসলাম শিক্ষা নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়। বহু মসজিদকে গীর্জায় বদলে ফেলা হয়।

১৬১২ সালে উসমানি খেলাফতকালে নির্মিত আলজেরিয়ার ঐতিহাসিক জামে মসজিদ জামা কাংশোয়াহ (جامع كتشاوة) ছিল সবচে’ বড়ো মসজিদ। ১৮৪৫ সালে এ মসজিদটি গীর্জায় বদলে ফেলে ফ্রন্স সরকার। Cathedral of St Philippe নাম দেওয়া হয়।

উমাইয়া খেলাফতের একেবারে শুরুতেই আলজিরিয়া ইসলামী খেলাফতের সীমাভূক্ত হয়েছিল। ইসলামের গোঁড়ার দিকেই। প্রখ্যাত বীর সেনাপতি সাহাবি উক্ববা বিন নাফি রা. আলজেরিয়ার বিজয় সূচনা করেন।

এরপর আবু আল-মুনজির দিনার রহ. সমগ্র আলজেরিয়ায় ইসলামকে পৌঁছে দিয়েছিলেন। বর্তমানেও আলজেরিয়ায় প্রায় ৯৯ শতাংশ মুসলমানের বাস।

১৯৫৪ সালের অক্টোবর ছিল পরাধীন আলজেরিয়ার উত্তপ্ত মাস। নভেম্বরেই শুরু হয় আলজেরিয়ান বিপ্লব। পনেরো লাখ মুক্তিযোদ্ধার রক্তস্রোতে ভেসে ১৩২ বছরের পরাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।

স্বাধীন হয় আলজেরিয়া। ১৯৬২ সালের ৫ জুলাই আত্মপ্রকাশ ঘটে স্বাধীন আলজেরিয়ার। যেই কাংশোয়া জামে মসজিদকে করে রাখা হয়েছিল গীর্জা সেটায় ১১৭ বছর পর হয় পুনরায় হয় জুমার নামাজ।

এই এ বছরও আলজেরিয়ার সদ্যগত স্বাধীনতা দিবসকে উপলক্ষ করে ফ্রান্স দুই ডজন আলজেরীয় মুক্তিকামীদের মাথার খুলি ফেরত পাঠিয়েছে। এইরকম বহু মুক্তিকামী মুসলমানদের হত্যার পর তাদের খুলি আজও সুসভ্য ফ্রান্সের যাদুঘরগুলোতে সংগ্রহে রাখা আছে।

আলজেরিয়ায় 'সভ্য' 'গণতান্ত্রিক' 'সেক্যুলার রাষ্ট্র' ফ্রান্স তার আধুনিক কালের ইতিহাসে যা করেছে তা কি করে এই পশ্চিমের মনস্তাত্ত্বিক গোলামিতে আবদ্ধ প্রজন্ম বিচার করবেন তা আমার জানা নেই! আজ যে ফ্রান্স সে ফ্রান্সের নাগরিকদের মাত্র এক পুরুষ আগের প্রজন্মই ছিল তারা। আজও ফ্রান্সের এই জুলুমবাজি মালির মাটিতে বিদ্যমান।

পাশ্চাত্য, ইউরোপের প্রতি আমাদের যে শির ঝুঁকে গেছে- যে দুনিয়ার চাকচিক্য আমাদের নজর কেড়েছে তাতে এই জুলুম এই ইতিহাস আমাদের হৃদয়ে কখনো প্রবেশ করবে না, কখনো দাগ কাটবে না।

আফসোস, আমরা নিজেদের জন্য কেবল এই দুনিয়াকে বেছে নিয়েই সন্তুষ্ট আছি। অথচ আমাদের অবস্থা তো কোরআন আমাদের জানাচ্ছে,

لَوْ نَشَاءُ أَصَبْنَاهُمْ بِذُنُوبِهِمْ وَنَطْبَعُ عَلَى قُلُوبِهِمْ فَهُمْ لا يَسْمَعُونَ

আমি চাইলে তাদেরকেও তাদের গুনাহের কারণে মুসিবতে আক্রান্ত করতে পারি। এবং (যারা উপেক্ষা করে এবং নিজেরা হঠকারী মনোভাবের জন্য শিক্ষা গ্রহণ করে না) আমি তাদের অন্তরে মোহর করে দেই, ফলে তারা কোনও কিছুই শুনতে পায় না। (আ‘রাফ ১০০)

ক্বাবার রবের শপথ, এই মোহর পড়ে যাওয়া অন্তরের জন্যই আজ আমাদের এই দূর্ভোগ। এই ইতিহাস, এই সত্য আজ আমাদের হৃদয় স্পর্শ করে না!

বিশেষ দ্রষ্টব্য: মূল ছবিটি ছিল সাদা-কালো; পরবর্তীতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে এটি রঙিন ও উন্নতমানে পুনর্গঠিত করা হয়েছে।
(সংগৃহীত)

থ্যালাসেমিয়া: দেশে দুই কোটিরবেশি বাহক, প্রতিরোধে কী করবেনপ্রকাশিত জার্নাল পেপার নিয়ে প্রতিবেদন। লিংক কমেন্টে
26/04/2026

থ্যালাসেমিয়া: দেশে দুই কোটির
বেশি বাহক, প্রতিরোধে কী করবেন
প্রকাশিত জার্নাল পেপার নিয়ে প্রতিবেদন। লিংক কমেন্টে


উত্তর গাজা থেকে ডাঃ মোস্তফা নাঈম এই কঙ্কালটির পেছনের গল্পটি বর্ণনা করেছেন:আজ আমাদের এক প্রতিবেশীর মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেছ...
25/04/2026

উত্তর গাজা থেকে ডাঃ মোস্তফা নাঈম এই কঙ্কালটির পেছনের গল্পটি বর্ণনা করেছেন:

আজ আমাদের এক প্রতিবেশীর মৃতদেহ খুঁজে পাওয়া গেছে, যা মাটির নিচে চাপা পড়া এবং পচে যাওয়া অবস্থায় ছিল। উত্তর গাজা থেকে শেষবার উচ্ছেদের সময় তিনি আহত হয়েছিলেন এবং টানা তিন দিন ধরে তার রক্তক্ষরণ হচ্ছিল।

যখন তিনি বুঝতে পারলেন যে তিনি আর বাঁচবেন না এবং কেউ তার কাছে পৌঁছাতে পারবে না, তখন তিনি নিজেই নিজের ওপর মাটি টেনে দিলেন এবং সিজদাহরত অবস্থায় নিজেকে সমাহিত করলেন। এখন, তার হাড়গুলো সিজদাহর ভঙ্গিতেই খুঁজে পাওয়া গেছে।

একটি গাছের পাশে তার মৃতদেহটি পাওয়া গেছে, যেটিকে তিনি তার শেষ বিশ্রামের স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন।

তিনি তার পরিবারের জন্য একটি চিহ্ন রেখে গিয়েছিলেন - মাটির ওপরে একটি সুতো এবং গাছের একটি ছোট ডালের সাথে তার আংটিটি বেঁধে রেখেছিলেন যাতে তারা তাকে খুঁজে পায়।
সংগৃহীত ~

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (২১এপ্রিল, ১৫২৬)ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক মোড় ঘোরানো সংঘাত। এই যুদ্ধ শুধু একটি সিংহাসনের লড়াই ...
24/04/2026

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ (২১এপ্রিল, ১৫২৬)

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাসে এক মোড় ঘোরানো সংঘাত। এই যুদ্ধ শুধু একটি সিংহাসনের লড়াই ছিল না; এটি ছিল দুটি ভিন্ন যুদ্ধনীতি, সংস্কৃতি ও দীর্ঘদিন ধরে বপন করা স্বপ্নের মুখোমুখি হওয়া।

তৎকালীন দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদী তখন নিজের সাম্রাজ্যের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা সামলাতে ব্যস্ত। অভিজাতদের অসন্তোষ, শাসনের কঠোরতা, সব মিলিয়ে প্রশাসন নড়বড়ে, পাশাপাশি কম প্রশিক্ষিত বিশাল সৈন্যবাহিনী। দিল্লির সুলতান ইব্রাহিম লোদী নিজের রাজ্যের ভেতরেই শত্রু তৈরি করেছিলেন, যা ধীরে ধীরে তাকে একা করে দেয়।

এই সুযোগে পাঞ্জাবের গভর্নর দৌলত খান লোদী এবং লোদীর কাকা আলাম খান লোদী গোপনে ষড়যন্ত্র শুরু করেন। তারা বাইরে থেকে সাহায্য খুঁজতে থাকেন।
তখনই তারা ডাক পাঠান জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর এর কাছে। অন্যদিকে জহিরউদ্দিন মুহাম্মদ বাবর ফারগানার এক নির্বাসিত রাজপুত্র, নিজের জন্য একটি স্থায়ী সাম্রাজ্যের স্বপ্ন দেখছিলেন। বহু ব্যর্থতা, প্রচেষ্টা ও অপারগতার পর তাঁর চোখ পড়ে হিন্দুস্তানের দিকে।

১৫২৬ সালের ২১ এপ্রিল, পানিপথের বিস্তীর্ণ মাঠে দুই বাহিনী মুখোমুখি হয়। ইব্রাহিম লোদীর বিশাল সেনা, হাতি, অশ্বারোহী, পদাতিক সংখ্যায় অনেক বেশি। বাবরের তুলনামূলক ছোট কিন্তু সুসংগঠিত ও কৌশলী বাহিনী।
বাবরের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাঁর আধুনিক কৌশল ও প্রযুক্তি। যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে -
তুলুঘমা কৌশল: শত্রুকে ঘিরে ফেলার পরিকল্পনা।
আগ্নেয়াস্ত্র ও কামান: তৎকালীন ভারতীয় যুদ্ধক্ষেত্রে নতুন এক আতঙ্ক।
অন্যদিকে লোদীর বাহিনী ছিল ঐতিহ্যগতভাবে বিশাল কিন্তু কম সমন্বিত।

চূড়ান্ত লড়াই: যুদ্ধ শুরু হতেই কামানের গর্জন যেন ইতিহাসের বুক কাঁপিয়ে তোলে। হাতিরা ভয় পেয়ে নিজেদেরই শিবিরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
বাবরের শৃঙ্খলিত আক্রমণ ধীরে ধীরে লোদীর বিশাল বাহিনীকে ছিন্নভিন্ন করে দেয়। শেষ পর্যন্ত ইব্রাহিম লোদী যুদ্ধক্ষেত্রেই নির্মম ভাবে নিহত হন।
যার ফলশ্রুতিতে এক নতুন যুগের সূচনা হয়৷ এই যুদ্ধের মাধ্যমে দিল্লি সালতানাতের পতন ঘটে এবং ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়। জহিরউদ্দিন বাবর হয়ে উঠেন সম্রাট বাবর।

এই যুদ্ধের গল্প শুধু বিজয়ীর নয় বরং
হাজারো সৈনিকের প্রাণহানি, পরিবার হারানো মানুষের কান্না, এক যুগের অবসান, আরেক যুগের সূচনা। ইব্রাহিম লোদীর পতন আমাদের মনে করিয়ে দেয় – ক্ষমতা যত বড়ই হোক, সময়ের স্রোতে তা ভেঙে পড়তে পারে।

পানিপথের প্রথম যুদ্ধ আমাদের শেখায় –
কেবলমাত্র ঐতিহ্য ও সংখ্যাই বিজয় এনে দিতে সক্ষম নয়৷ নির্দিষ্ট লক্ষ্য, কৌশল, দূরদৃষ্টি এবং সমন্বিত শক্তিই বিজয় নিয়ে আসে৷
সংগৃহীত ~



আজ ২১শে এপ্রিল ঠিক এই দিনে, ১৯৩৮ সালে পাকিস্তানের লাহোরে ইন্তেকাল করেন বিশ্ব বরেণ্য ইসলামী কবি ও দার্শনিক, উপমহাদেশের বি...
21/04/2026

আজ ২১শে এপ্রিল ঠিক এই দিনে, ১৯৩৮ সালে পাকিস্তানের লাহোরে ইন্তেকাল করেন বিশ্ব বরেণ্য ইসলামী কবি ও দার্শনিক, উপমহাদেশের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ড. আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল। তিনি পাকিস্তানের জাতীয় কবি এবং বিংশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কবি। তার অন্যতম চিন্তা দর্শন ছিল হিন্দুস্তানে একটি স্বাধীন ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করা। ইকবালের কলমে মুসলমানদের হারিয়ে যাওয়া প্রাচ্যের ইতিহাস পুনরুত্থিত হয়েছিল যার ফলে তাকে শা'য়ের-ই মাশরেক তথা প্রাচ্যের কবি হিসেবে আখ্যায়িত করা হতো। তার কবিতা যেমনিভাবে পাঠককে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের ভালোবাসায় সিক্ত করত; তেমনি ভাবে জিহ|দের স্পৃহায় নিজেদেরকে উজ্জীবিত করত।

মুহাম্মদ ইকবালের জন্ম ১৮৭৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে। তাঁর জন্মের বছরেই খিলাফতে উসমানিয়া খেলাফতে সুলতান হোন দ্বিতীয় আবদুল হামিদ খান, যিনি প্যান-ইসলামিজম ধারণার প্রধান প্রবক্তা। এই ধারণা ইকবালের উম্মাহ চেতনা ও রাজনৈতিক ভাবনাকে স্পর্শ করে প্রবলভাবে। যার ফলে তিনি ব্রিটিশ ভারতে দেখেছিলেন এক আলাদা মুসলিম রাষ্ট্র সমবায়ের স্বপ্ন যা পরবর্তীতে পাকিস্তান হিসেবে বাস্তবায়িত হয়।

শৈশবে স্থানীয় মসজিদেই কুরআন শিক্ষার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চা শুরু হয় আল্লামা ইকবালের। পরবর্তীতে স্কটিশ মিশন কলেজ থেকে লাহোর গভর্নমেন্ট কলেজ যেখানে শুরু হয় তাঁর চিন্তাজগতের আলোড়ন। তথা, টমাস আর্নোল্ড এর সান্নিধ্য ও প্রাচ্য পাশ্চাত্যের চিন্তাধারার সেতু খোঁজে পান তিনি। অতঃপর ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শন অধ্যয়ন একইসাথে ব্যারিস্টারি সনদও অর্জন করেন তিনি। সবশেষে জার্মানির মিউনিখ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পারস্য দর্শন "Development to Metaphysics in Persia" নিবন্ধ লিখে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।

এই সময়ে তিনি ইসলামের উপর ৬ টি বক্তৃতা প্রদান করেন যা পরবর্তীতে "The Reconstruction of Religious Thought in Islam" নামে সংকলিত হয় ও বাঙলায় "ইসলামে ধর্মীয় চিন্তার পুনর্গঠন" নামে অনূদিত হয়। এ বইয়ের চিন্তাকেন্দ্রে তিনি রেখেছেন আল কোরআনকে এবং হাজির করেছেন ইসলামের দার্শনিক পাঠ। স্থবির হয়ে পড়া ইসলামের চিন্তার জগৎকে নাড়িয়ে দিয়েছিলেন তিনি। যেখানে সমালোচনা করেছেন সুফিদের নিষ্ক্রিয়তাকে, প্রশ্ন করেছিলেন গ্রিক দর্শনের মনন নির্ভরতাকে এবং জোর দিয়েছিলেন ইজতিহাদ বিষয়ে।

ইকবাল সাহিত্যে তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: "আসরার-ই-খুদি" প্রকাশিত হয় ১৯১৫ সালে। ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি অধ্যাপক। অতঃপর এই বইয়ের মাধ্যমেই তাঁর পরিচয় ঘটে বিশ্বব্যাপী। এরপরেই তিনি লিখেছিলেন "রমুজ-ই-বেখুদি" এবং মহাকাব্য "জাভিদনামা"। তাঁর বচনে, দুনিয়ার অস্তিত্বকে বোঝা মনে করে নিজেকে সরিয়ে নিলে নিজ অধঃপতন শুরু হয়। তিনি আত্মসত্তার বিকাশে জোর দিলেন এবং বিকশিত জাতির কথা উল্লেখ করলেন যা তাঁর ভাষায় প্রতিফলিত হয়েছিল "মিল্লাত" ধারণায়।

তিনি যেমন ভেবেছিলেন দুনিয়ার মুসলমানের মুক্তির কথা, তেমনি ভেবেছিলেন উপমহাদেশীয় মুসলমানের রাজনৈতিক আত্মিক মুক্তির কথা এবং বাতলে দিয়েছিলেন সে পথ। বলেছিলেন, ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রদেশ সমূহকে একত্রে অখণ্ড একটি মুসলিম রাষ্ট্র সমবায়ের কথা। সেখানে তিনি উল্লেখ করতে ভুলেননি আমাদের বাংলার মুসলমানের কথাও।

সেই মহান কবি, তাওহীদের কবি, ইশকের কবি, আত্মজাগরণের কবি, প্রাচ্যের কবি, দার্শনিক আল্লামা ইকবালের ৮৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। আল্লাহ তাঁকে বেহেশতের উঁচু মাকাম দান করুক। আমিন।
সংগৃহীত ~



▌নববর্ষ উৎযাপনকে নিয়ে বাদশাহ আলমগীর [রহিমাহুল্লাহ]- এর ধিক্কার!◾️ভারতপতি মুঘোল সম্রাট বাদশাহ আলমগীর তাঁর পুত্র মুআযযামের...
14/04/2026

▌নববর্ষ উৎযাপনকে নিয়ে বাদশাহ আলমগীর [রহিমাহুল্লাহ]- এর ধিক্কার!

◾️ভারতপতি মুঘোল সম্রাট বাদশাহ আলমগীর তাঁর পুত্র মুআযযামের উদ্দেশ্যে লিখেন,
“প্রিয় পুত্র! মুহাম্মাদ মুআযযাম, আল্লাহ তোমাকে রক্ষা করুন ও নিরাপদ রাখুন। আমি একজন বিশ্বস্থ প্রতিনিধি থেকে অবগত হয়েছি যে, তুমি এ বছর ফার্সিদের মতন ‘নওরোজ’ (নববর্ষ) বড় আয়োজনের সাথে উদযাপন করেছো!
আল্লাহর অনুগ্রহে তোমার ঈমানকে সংযত রাখো। তুমি কোন ব্যক্তি থেকে এই বিদআতকে পরিগ্রহ করলে? স্পষ্টত, তুমি তো ঐ আরব ব্যক্তি (মুহাম্মাদ ﷺ ) দ্বারা আদিষ্ট, যিনি ‘বিশ্ববাসীর নেতা’ হিসাবে মনোনীত। তবুও তুমি কোন ব্যক্তির কারণে তাঁর সম্মানহানি করলে?
যাইহোক, মূলত এটি অগ্নিপূজকদের একটি উৎসব। হিন্দু কাফিরদের আকিদা অনুযায়ী- এ দিনটি অভিশপ্ত বিক্রমজিৎ- এর সিংহাসনে আরহনের দিন। আর এটা শুরু হয় হিন্দুদের যুগ থেকে। অতএব, তোমার জন্য উচিত নয় এই উৎসব পালন করা এবং এমন বোকামির পুনরাবৃত্তি করা।
(কবিতা:)
‘আমি তো বলতে বলতে অনেক বলেছি।... কিন্তু তোমরা (পুত্ররা) কেউ বুঝলে না।’
আমি আমার আল্লাহর নিকট প্রত্যেক গুনাহের জন্য ক্ষমার আরযি করি এবং তার নিকটেই তাওবা করি।” (সমাপ্ত)
----------------------------------------------------
📗 রেফারেন্স: রুকাআতে আলমগীরী, পত্র: ০২।
✏️ ফারহান খান
⏰১ জুলাই ‘২২
#নববরষ

Donnobad...  #রকমারি🥰
11/04/2026

Donnobad... #রকমারি🥰

বাইতুল মোকারম মসজিদের খতিবের প্রতিবাদ।।লিংক কমেন্টে
03/04/2026

বাইতুল মোকারম মসজিদের খতিবের প্রতিবাদ।।লিংক কমেন্টে

Address

Nazimuddin Road
Dhaka
1211

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Iqball Hossain Zihad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share