মুহতারামা আহলিয়া

মুহতারামা আহলিয়া প্রতিটি শব্দ, প্রতিটি অনুভব—হালাল প্রেমের গল্পে জান্নাতের ডাক। এই পেজে থাকবে— হালাল প্রেমের গল্প, দাম্পত্য জীবনের শিক্ষণীয় কথা, এবং রূহানী ভালোবাসার স্পর্শ।

মুমিনের জীবনের দুটি শক্তিশালী হাতিয়ার হলো 'সবর' (ধৈর্য) এবং 'শুকরিয়া' (কৃতজ্ঞতা)। দাম্পত্য জীবনে যে দম্পতি এই দুটি গুণের...
30/11/2025

মুমিনের জীবনের দুটি শক্তিশালী হাতিয়ার হলো 'সবর' (ধৈর্য) এবং 'শুকরিয়া' (কৃতজ্ঞতা)। দাম্পত্য জীবনে যে দম্পতি এই দুটি গুণের চর্চা করেন, আল্লাহ তাঁদের সংসারে বরকত ও প্রশান্তি দান করেন।"

ক্ষমা মহান আল্লাহর একটি বিশেষ গুণ। পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে একে অপরের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলে সংসার...
28/11/2025

ক্ষমা মহান আল্লাহর একটি বিশেষ গুণ। পারিবারিক ও দাম্পত্য জীবনে একে অপরের ভুল-ত্রুটিগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখলে সংসারে আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয় এবং ভালোবাসা বৃদ্ধি পায়।

কিভাবে সুন্দর করবেন আপনার বিবাহিত জীবন।:প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন ☺️ #মুহতারামা_আহলিয়া  #দাম্পত্য
13/10/2025

কিভাবে সুন্দর করবেন আপনার বিবাহিত জীবন।
:
প্রিয়জনের সাথে শেয়ার করুন ☺️

#মুহতারামা_আহলিয়া #দাম্পত্য

28/09/2025

সুন্নাহ ❣️😊

একটি মেয়ে ছিল, যে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতে খুব ভালোবাসতো।সময় পেলেই সে কোরআন তেলাওয়াত করতো। তার ব্যাগে সবসময় একটি ছ...
24/09/2025

একটি মেয়ে ছিল, যে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করতে খুব ভালোবাসতো।
সময় পেলেই সে কোরআন তেলাওয়াত করতো। তার ব্যাগে সবসময় একটি ছোট কোরআন থাকতো।
গাড়িতে বসেও সে কোরআন পড়ত। তার তেলাওয়াত এতটাই মধুর ছিল যে, যে কোনো কঠিন হৃদয়ের মানুষও তা শুনে গলে যেত।

রাতে ঘুম ভেঙে গেলেও সে সাথে সাথে কোরআন পড়া শুরু করতো।
একদিন সেই মেয়েটি ইন্তেকাল করে। আদরের মেয়েকে হারিয়ে মা পাগলের মতো হয়ে যায়।

হঠাৎ এক রাতে মেয়ের মা তাকে স্বপ্নে দেখে। ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর তিনি মেয়ের ঘর থেকে কান্নার আওয়াজ শুনতে পান।
ভয়ে সেই রাতে ঘরে যাননি। পরের দিন সকালে ঘটনাটি মেয়ের বাবাকে বলেন, কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন না।

কিছুদিন পর আবার রাতের বেলা মা একই কান্নার আওয়াজ শুনতে পান এবং এবার বাবাকে ডেকে আনেন। বাবাও সেই আওয়াজ শুনে ভয় পেয়ে যান।

অবশেষে ঘটনাটি তারা এলাকার ইমাম সাহেবকে জানান।
ইমাম সাহেব এক রাত তাদের বাড়িতে থেকে বিষয়টি যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেন।

রাত একটা বাজতেই সবাই স্পষ্টভাবে সেই কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলো—মনে হচ্ছিল অনেক মানুষ একসাথে কাঁদছে।
ইমাম সাহেব নিজেও কান্নায় ভেঙে পড়লেন এবং বললেন:
“এগুলো ফেরেশতাদের কান্নার আওয়াজ। এই মেয়েটি প্রতিদিন এই সময়ে কোরআন তিলাওয়াত করতো। তা শুনতে ফেরেশতারা এখানে আসতো। এখন তাকে না পেয়ে প্রতিদিন রাতেই তারা এসে কান্না করে।”

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
«কোরআন পাঠে দক্ষ ব্যক্তি উচ্চমর্যাদাসম্পন্ন ফেরেশতাদের সঙ্গী হবে»
(সুনান আবু দাউদ, হাদিস: ১৪৫৪)

🌿 আল্লাহ আমাদের সবাইকে এভাবে কোরআন তেলাওয়াত করার তাওফিক দিন। আমীন 🤲

#মুহতারামা_আহলিয়া #গল্প

23/09/2025

সাহাবীদের যুগে বিয়ে


১. খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার বড় মেয়ে যাইনাব বিনতে মুহাম্মদ রাদিয়াল্লাহু আনহা। তিনি তাঁর মেয়েকে বিয়ে দেন আবুল আ'স ইবনে রাবি'র সাথে। যিনি ছিলেন খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহার বোন হালা বিনতে খুওয়াইলিদ রাদিয়াল্লাহু আনহার ছেলে।

অর্থাৎ, খাদিজা রা. তাঁর বোনের ছেলের সাথে মেয়ের বিয়ে দেন।


২. একজন নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করেন। তাঁর ইচ্ছের কথা জানান নিজের বোনকে। সেই বোন আবার তাঁর স্বামীর সাথে কথা বলেন— আমার বোন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে বিয়ে করার ইচ্ছে পোষণ করছে।

তখন সেই স্বামী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যান বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই প্রস্তাবে রাজি হন এবং সর্বশেষ বিয়ে করেন সেই নারীকে।

তিনি ছিলেন মাইমুনা বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহা, তাঁর বোন লুবাবা বিনতে হারিস রাদিয়াল্লাহু আনহা, বোনের স্বামী (বিয়ের ঘটক) আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু; রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাচা।


৩. নিজেদের ঘরবাড়ি, সম্পদ সব ফেলে রেখে সাহাবীরা মদীনায় হিজরত করেন। হিজরতকারী সাহাবীদের মধ্যে দ্রুততম সময়ে নিজের পায়ে দাঁড়ান কোন সাহাবী? মুহাজির সাহাবীদের মধ্যে সর্বপ্রথম বিয়ে করেন কোন সাহাবী?

তিনি ছিলেন আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু।


৪. সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে ধনী ছিলেন আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু, অন্যতম গরীব ছিলেন বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহু।

আব্দুর রহমান ইবনে আউফ তাঁর বোন হালা বিনতে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহাকে বিয়ে দেন বিলাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর সাথে।


৫. উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু এবং সায়িদ ইবনে যায়িদ রাদিয়াল্লাহু আনহু— দুজনই জান্নাতের সুসংবাদপ্রাপ্ত সাহাবী।

দুজনই একে অন্যের বোন বিয়ে করেন!

উমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বিয়ে করেন আতিকা বিনতে যায়িদ রাদিয়াল্লাহু আনহাকে, সায়িদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বিয়ে করেন ফাতিমা বিনতে খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহাকে।


৬. সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিয়ে করেন কোন সাহাবী?

ইসলামে একসাথে ৪ স্ত্রীর অধিক রাখার অনুমতি নেই। কিন্তু, স্ত্রী যদি ইন্তেকাল করে, তালাক দেয়া হয়, তাহলে আরো বিয়ে করা যায়। অর্থাৎ, একসাথে সর্বোচ্চ ৪ জন স্ত্রী থাকতে পারেন। যার মানে, একজন পুরুষ চারের অধিক বিয়ে করা টেকনিকালি পসিবল।

সাহাবীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিয়ে করেন আব্দুর রহমান ইবনে আউফ রাদিয়াল্লাহু আনহু। তিনি অন্তত ১৫টি বিয়ে করেন।


৭. যাইনাব বিনতে জাহশ রাদিয়াল্লাহু আনহার সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বিয়ে হলে মদীনার সমাজে কানাঘুষা শুরু হয়। আল্লাহ পবিত্র কুরআনে সেটা এড্রেস করেছেন।

সবচেয়ে বেশি যেটা নিয়ে আলোচনা হয়, সেটা হলো পালকপুত্রের স্ত্রীকে বিয়ে।

এর বাইরে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্ট ছিলো।

যাইনাব বিনতে জাহশ রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সপ্তম স্ত্রী।

তবে, ইতোপূর্বে দুজন স্ত্রী ইন্তেকাল করেন— খাদিজা রাদিয়াল্লাহু আনহা এবং যাইনাব বিনতে খুজাইমা রাদিয়াল্লাহু আনহা।

তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ৪ জন স্ত্রী জীবিত। সাওদা, আয়িশা, হাফসা এবং উম্মে সালমা রাদিয়াল্লাহু আনহুন্না।

অর্থাৎ, যখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাইনাব বিনতে জাহশ রাদিয়াল্লাহু আনহাকে বিয়ে করেন, তখন তিনি ছিলেন একসাথে থাকা পঞ্চম স্ত্রী।

কিন্তু, ইসলামে তো একসাথে ৪ স্ত্রীর বিধান?

যার মানে দাঁড়ায়, আল্লাহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য বিশেষ করে যতো ব্যতিক্রম নিয়ম রাখেন, তারমধ্যে অন্যতম ছিলো ৪ জনের অধিক স্ত্রী রাখা; যা যাইনাব রাদিয়াল্লাহু আনহার সাথে বিয়ের মাধ্যমে কার্যকর হয়।


৮. হুসাইন রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্ত্রী আতিকা বিনতে যায়িদ রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন তাঁর চেয়ে প্রায় ২৬ বছরের বড়ো।

যায়িদ ইবনে হারিসা রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্ত্রী উম্মে আইমান রাদিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন তাঁর চেয়ে প্রায় ২০ বছরের বড়ো।

অর্থাৎ, স্ত্রীরা ছিলেন স্বামীদের তুলনায় ২০-২৬ বছরের বড়ো!

উমর ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু আনহুর বয়স তখন ৫৫ বছর। তিনি বিয়ে করেন আলী ইবনে আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু আনহুর মেয়ে উম্মে কুলসুম বিনতে আলী রাহিমাহাল্লাহকে। ফাতিমা রাদিয়াল্লাহু আনহার মেয়ে উম্মে কুলসুমের বয়স তখন ১১ বছর।

স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য ছিলো ৪৪ বছর।


৯. দুজন সাহাবী ছিলেন প্রবাদপ্রতিম কাপল! তারা একে অন্যকে অনেক ভালোবাসতেন। স্বামী যখন আঘাতপ্রাপ্ত হলেন, অসুস্থ হলেন, তখন তিনি স্ত্রীর জন্য দুআ করলেন— আমার ইন্তেকালের পর আল্লাহ যেন তোমাকে আমার চেয়েও সেরা মানুষের স্ত্রী বানান!

স্ত্রী অবাক। আপনার চাইতে সেরা আর কে হতে পারে?

স্বামীর দুআ কবুল হয়।

তাঁর ইন্তেকালের পর তার স্ত্রীকে বিয়ে করেন খোদ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম।

সেই স্ত্রী ছিলেন উম্মে সালামা রাদিয়াল্লাহু আনহা।


১০. স্বামী-স্ত্রী একে অন্যকে এতো ভালোবাসতেন যে, তারা দুজন প্রতিজ্ঞা করেন, কেউ আগে ইন্তেকাল করলে অন্যজন আর বিয়ে করবেন না।

স্বামী আগে ইন্তেকাল করলেন।

তার স্ত্রীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন আর কেউ না, মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহু; যিনি ছিলেন তৎকালীন খলিফা।

মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর বিয়ের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন সেই নারী সাহাবী। কারণ, তিনি তাঁর স্বামীর সাথেই জান্নাতে সংসার করার কমিটমেন্ট করেছিলেন।

সেই নারী ছিলেন উম্মে দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা।

এখানে একটা ইন্টারেস্টিং ফুটনোট আছে। উম্মে দারদা তো মেয়ের নামে নাম হয়। অর্থাৎ, তার মেয়ে ছিলেন দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা, মা উম্মে দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহা।

মা-মেয়ে দুজনকেই খলিফারা বিয়ের প্রস্তাব দেন। কিন্তু, দুজনই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। মা প্রত্যাখ্যান করেন মুআবিয়া রাদিয়াল্লাহু আনহুর প্রস্তাব, আর মেয়ে প্রত্যাখ্যান করেন (মূলত মেয়ের বাবাই) ইয়াযিদ ইবনে মুআবিয়ার প্রস্তাব (প্রস্তাবের সময় ইয়াযিদ খলিফা ছিলো না)।

©

আমার জীবন যদি একটি বই হয়, তবে তুমি সেই অধ্যায় যেটা পড়ে কখনো শেষ করতে চাই না।প্রিয়জন এমন একজন, যার সান্নিধ্য আপনার মনকে এ...
20/09/2025

আমার জীবন যদি একটি বই হয়, তবে তুমি সেই অধ্যায় যেটা পড়ে কখনো শেষ করতে চাই না।

প্রিয়জন এমন একজন, যার সান্নিধ্য আপনার মনকে এতটাই শান্তি দেয় যে, তার সাথে কাটানো প্রতিটি মুহূর্তকে আপনি চিরস্থায়ী করতে চান।

#মুহতারামা_আহলিয়া #অনুভূতি

আপনি সাথে থাকলেই পৃথিবীর প্রতিটি রং সুন্দর লাগে, আর প্রতিটি রাতের অন্ধকারেও আলো খুঁজে পাই।একজন প্রিয় মানুষ আপনার জীবনকে ...
19/09/2025

আপনি সাথে থাকলেই পৃথিবীর প্রতিটি রং সুন্দর লাগে, আর প্রতিটি রাতের অন্ধকারেও আলো খুঁজে পাই।

একজন প্রিয় মানুষ আপনার জীবনকে এমনভাবে আলোকিত করে, যখন জীবনের সব কঠিন সময়ও সহজ মনে হয়।

প্রিয়জনদেরকে ট্যাগ করে দিন, যারা আপনার জীবনে আলো নিয়ে আসে।

#মুহতারামা_আহলিয়া #অনুভূতি

তুমি আমার কাছে শুধু একজন মানুষ নও...তুমি আমার প্রতিটি শ্বাসে মিশে থাকা সবচেয়ে প্রিয় নাম।একজন প্রিয় মানুষ শুধু চোখের সামন...
17/09/2025

তুমি আমার কাছে শুধু একজন মানুষ নও...
তুমি আমার প্রতিটি শ্বাসে মিশে থাকা সবচেয়ে প্রিয় নাম।

একজন প্রিয় মানুষ শুধু চোখের সামনে নয়, বরং হৃদয়ের গভীরে বাস করে। যখন কেউ আপনার প্রতিটি চিন্তা, প্রতিটি শ্বাসে মিশে থাকে, তখন সে শুধু প্রিয়জন নয়, বরং জীবনের একটি অংশ হয়ে যায়।

আপনার প্রিয়জনের জন্য এমন একটি বাক্য লিখুন।

#মুহতারামা_আহলিয়া #অনুভূতি

একটা সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয় না কেবল ভালোবাসায়, বরং আস্থা, ধৈর্য আর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধায়।সম্পর্ককে সুন্দর ও মজবুত কর...
14/09/2025

একটা সুন্দর সম্পর্ক তৈরি হয় না কেবল ভালোবাসায়, বরং আস্থা, ধৈর্য আর পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধায়।

সম্পর্ককে সুন্দর ও মজবুত করতে, ভালোবাসা, আস্থা, ধৈর্য এবং শ্রদ্ধা এই চারটি গুণের সমন্বয় প্রয়োজন। এর যেকোনো একটির অভাব হলে সম্পর্ক দুর্বল হয়ে পড়ে।

আপনারা কোন গুণটি দিয়ে নিজেদের সম্পর্ককে মজবুত করেছেন?

#মুহতারামা_আহলিয়া #অনুভূতি

Address

Indira Road, West Rajabajar
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মুহতারামা আহলিয়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share