13/04/2023
is one of my favorite drinks.
আপনি যখন সোসাইটির কোন প্রবলেম সলভ করার জন্য সেখানে হাত দিবেন তাহলে সেখানে শুধুমাত্র ওই পার্টিকুলার প্রবলেমটাতে হাত দিলে প্রবলেম সলভ হবে না। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম যে মাথা ব্যথার জন্য নাপা বা অন্য কোন ওষুধ যদি খান তাহলে সেটা পার্টিকুলার ওই দিনের জন্য আপনার মাথা ব্যাথা কমায়, কিন্তু আপনি যদি এটার সমাধান বের করতে চান তাহলে প্রবলেমটা কি সেটা আপনাকে ফাইন্ড আউট করতে হবে এটা কি মাইগ্রেন? ব্লাড প্রেশার এর জন্ন্য হচ্ছে সেটা জানতে হবে।
ভ্রাম্যমান আদালতে এই রমজানে যে অভিযান গুলো চলতেছে এটাকে আপনি পুরোপুরি নেগেটিভ ভাবেও দেখতে পারবেন না আবার পুরোপুরি সমর্থনও করা যাচ্ছে না. কারণ আপনি যদি সোসাইটির এই প্রবলেমটা নিয়ে কাজ করতে চান দ্রব্যমূলের ঊর্ধ্বগতি মূল্য কোথাও কোন কন্ট্রলে নাই বা খাবারের মান কন্ট্রোলে নাই বা নকল পণ্য বিক্রি প্রবলেম নিয়ে যদি আপনি কাজ করতে যান তাইলে শুধুমাত্র এইভাবে কাজ করে এটার কোন প্রকার সলিউশন আনা যাবে না. কারণ আপনি যদি একচুয়ালি এই প্রবলেমটা সলভ করতে চান তাহলে আপনাকে এটা ফুল ইকো সিস্টেমে হাত দিতে হবে.
ইকো সিস্টেম বলতে ধরেন ইকো সিস্টেমের শুরুতে যদি ইমপোর্টার থাকে তাহলে এই সিস্টেমের এন্ড ইউজার হবে আমরা যারা কাস্টমার। আর ইকো সিস্টেমে কাস্টমারের ঠিক আগের ধাপটাই হচ্ছে এই ডিসিসি মত দোকানদার যারা সরাসরি কাস্টমার এর কাছে সেল করছে। এখন ভ্রাম্যমাণ আদালতের স্টেপ গুলা কি শুধু এই ইকো সিস্টেমের পার্টিকুলার তাদেরকে ( ব্যাবসায়ি ) ঘিরেই এটা জানার কোন উপায় নাই। কারণ এই রেড বুল বছর দুই তিন আগে আরো একবার নিষিদ্ধ হয়েছিল এবং এভাবেই দোকানে যেয়ে সেগুলো ধ্বংস করা হয়েছে কিন্তু আপনি যদি আসলেই এই প্রবলেমটা নিয়ে পার্মানেন্টভাবে সমাধান করতে চান,তাইলে আপনাকে এটা ইম্পোর্টার কে কারা ইমপোর্ট করতেছে সেই জায়গাটায় কাজ করতে হবে.
সেটা যদি না হয় তাহলে প্রতি বছর আপনি জানেন যে আপনার রোজার মাসে একটাই কাজ dcc মার্কেট সহ গুলশানের বিভিন্ন মার্কেটে যাবেন এবং রেডবুল ধ্বংস করবেন।
ভ্রাম্যমান আদালতে কাজটা অ্যাপ্রেসেট করার মত অবশ্যই কিন্তু স্টেপগুলা অ্যাপ্রিশিয়েট এখনো করতে পারতেছি না কারণ তারা কি ফুল ইকো সিস্টেম নিয়ে কাজ করতেছে নাকি মাথা ব্যথা বলে প্রতিদিন তারা একটা করে নাপা খাওয়ায় দিচ্ছে যদি নাপা দিয়ে ট্রিটমেন্ট করতে চায় তাইলে এটা আসলে কোন সল্যুশন না লোক দেখানোর কাজ।
আর ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাজের সাথে সমর্থন জানানোর কথা যদি বলা হয় সেটার কারণটা হলো যখন আপনি একটা ইকো সিস্টেমে কাজের জন্য হাত দিবেন তখন ওই ইকো সিস্টেমে যারা অপেক্ষাকৃত একটু দুর্বল তারা সবার আগে ঝরে পড়বে যেমন এটা বঙ্গবাজারের ক্ষেত্রেও আমরা দেখছি যারা বড় ব্যবসায়ী তারা হয়তো কোন না কোন ভাবে সার্ভিস করবে কিন্তু যারা একটা ছোট ব্যবসায় তারা কিন্তু বড় ধাক্কার মধ্যে পড়ে গেছে আবার দোকানের মধ্যে যারা একটু বড়/ভালো অবস্থানে আছে,তারা রিকভার করে ফেলবে কিন্তু অনেক ছোট দোকানে ৫০,০০০ টাকা জরিমানাও অনেক বড়। তাই এখানে একটা মানবিক ব্যাপার চলে আসে। তবে সমধান এর জন্ন্য এইখানে মানবিকতা হয়তো, উপেক্ষা করা উচিত , যদি না তারা পুরা ইকো সিস্টেমে কাজ করার স্টেপ নেয়। সেটা না নিয়ে যদি, এই কনটেন্ট মেকিং এ ফোকাস হয়, তাইলে এদের কাজ করার প্রোসেসে একমত হওয়া যাবে না।
এটাকে আরেকভাবে , স্টার্টআপ মডেলের সাথে তুলনা করা যায়। যখন আপনার কোম্পানির পয়সা শেষ করে ফেলবেন , তখন আপনি কোম্পানির চালানোর জন্য team মেম্বার ছাটাই এ চলে যাবেন। ছাটাই করে কিছুদিন পর আবার প্রফিট মডেল যেতে সময় লাগবে না। তখন মার্কেটে আবার আপনি এক্সাম্পল হয়ে যাবেন।
সে সময় অনেক ছোট রিসোর্স চারা আছে যারা হয়তো ধাক্কাটা সামলায় উঠতে মোটামুটি ছয় সাত মাস লেগে যায় যেটা তাদের একটা লাইফে একটা বড় ইম্প্যাক্ট ক্রিয়েট করে অবশ্যই নেগেটিভ অর্থে। আবার, যেটা হয়তো দেখা যায় সিনিয়র রিসোর্সদের ক্ষেত্রে একটু কম ফেস করতে হয়। অনেক টা বড় ব্যাবসায়ি, এবং ছোট ব্যাবসায়িদের মত।
মেইন জিনিসটা হল যে আপনি কি সাময়িকভাবে প্রবলেম টাকে সলভ করতেছেন নাকি ফুল ইকো সিস্টেমটা নিয়ে কাজ করতে চাচ্ছেন। যদি ফুল ইকো সিস্টেম নিয়ে কাজ করতে চান তাহলে তো দোকানের সেলসম্যানকে “এটার দাম এত টাকা কিভাবে হলো” এটা জিজ্ঞেস করার কোন মানে আমি দেখি না , যেখানে একমাত্র কারন থাকতে পারে ফেসবুক মনিটাইজেশনে নিজেদের ভিউ টাকে ডেভলপ করে ফেলা in a dramtic way.