মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun মন খুলে বলুন -Mon Khule Bolun
আপনার না বলা কষ্ট, দুশ্চিন্তা আর সমস্যার কথা এখানে বলুন।
ইনবক্সে পাঠান।

09/02/2026

হাসবেন্ড দুই মাস পর বাসায় এসেছে। তার বোনও এসেছে—প্রায় ৭/৮ দিন হবে। ননদের মেয়ের বয়স প্রায় ১৫ বছর। সে আমাদের সাথেই ঘুমায়। এই ব্যাপারটা আমি কীভাবে মেনে নেব? বাসায় আরও রুম খালি আছে, সেখানে ঘুমাতে পারে। কিন্তু সে ওখানে ঘুমাবে না—আমার রুমেই শুতে হবে। ননদও কিছু বলে না, উল্টো বলে, এখানেই শুয়ে পড়। অথচ আমার স্বামী সে দুই দিন পর আবার চলে যাবে, তারপর আবার ১/২ মাস পর বাড়ি আসবে।

এত বড় মেয়ে, প্রেম করে কয়েকটা—তার কি এতটুকু কমন সেন্স নেই? আর তার মায়েরও কি কোনো বুদ্ধি নেই? রুমে তো সারাদিন সবাই থাকেই, অন্তত রাতে তো একটু একা থাকার সুযোগ পাওয়া উচিত। সেটাও হয় না। কিছুদিন পরপরই বাপের বাড়ি চলে আসে।
এরা কি মানুষ? কিভাবে আমি বিষয়টা হ্যন্ডেল করব?
কিছু বলতেও পারছিনা সইতেও পারছিনা। দুই মাস পর বাসায় এসে যদি তার মেয়ের সাথেই ঘুমায় তারা ভাইকে বিয়ে দিলো কেনো আমি তো বুঝতে পারছিনা।

পাঠিয়েছেন
— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আপু
✉️ জীবনের যেকোনো সুখ-দুঃখের, বাস্তব জীবনের গল্প পাঠাতে যোগাযোগ করুন আমাদের ইনবক্সে

02/02/2026

ভুলত আমি করছি । কিন্তু দোষ কি পুরাটাই আমার ?

মহিলার ছবিটা দিলাম কারন উনি নিজেই সামনে এসছেন নিজের গল্পটা বলে সবাইকে সাবথান করে দিতে।

৩ বছর প*র*কী*য়া করেছেন স্বামীকে ঠকিয়ে। ৩ বছরে স্বামীকে নিজের কাছে ঘেষতে পর্যন্ত দেয় নাই । আরেক পুরুষকে ভালবেসে। অবশেষে সেই পুরুষ তার কাছ থেকে ৩ বছরে ২.৫ লাখ টাবা খেয়ে তাকে অস্বিকার করেছে।

স্বামী সব জানতে পেরে বলেছে তুমি যদি আগে বলতা কাউকে তুমি ভালবাস তাহলে তার সাথে তোমাকে আমি নিজে বিয়ে দিয়ে দিতাম।

এখন স্বামীর কাছেও তার জায়গা নেই।

স্বামী শাসন করত বেশি । মিষ্টি মিষ্ট প্রেমের বাক্য বলতে পারত না। মিথ্যে ভালবাসার অভিনয় করতে পারত না। কবি সাহিত্যকদের মত করে ভালবাসা প্রকাশ করতে পারত না। যে গুলো খোজার জন্য তিনি প*র*কী*য়া করলেন।

এখন তিনি ২ জায়গাতেই পরিত্যাক্ত। পথের ফকির।

টাকা ছাড়া এক ভুয়া সাংবাকি তার ভিডিও করে নাই। টা্কার বিনিময়ে উনার শরীর চেয়েছিল সেই সাংবাদিক। এবং বলেছিল তোমার সবইত দিয়ে দিয়েছ । এখন আর এটা করতে আপত্তি কোথায়।

এই মহিলা লাইভে ,টেলিভিশানে এসেছ তার মত অন্যান্য মহিলাদের শতর্ক করে দিতে।

কিন্তু আদৌ কেউ সতর্ক হবে ?
হলে কি এরকম ঘটনা বার বার ঘটে ?

মেয়েটি সবার কাছে জানতে চায়- ভুলত আমি করছি । কিন্তু দোষ কি পুরাটাই আমার ?


মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun

আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়াশোনা করছি। গত মাসের মানে ডিসেম্বর মাসের ২৩ তারিখ আমার বিয়ে হয় মোবাইলে প্রবাসি ছেলের সাথে।তার...
02/02/2026

আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়াশোনা করছি। গত মাসের মানে ডিসেম্বর মাসের ২৩ তারিখ আমার বিয়ে হয় মোবাইলে প্রবাসি ছেলের সাথে।
তার সাথে আমি এ কয়দিনেও ই*জি হতে পারিনি।

সমস্যা হয়তো দুরত্বের কারণে হচ্ছে। প্র*তি*রা*তে সে আমাকে পোশাক খুলতে বলে। আমার ইচ্ছে হয় না তবুও বাধ্য হয়ে খুলতে হয়।

মাঝে মধ্যে খুলতে না চাইলে তারসাথে মনমালিন্য হয়। এটা কি স্বাভাবিক নাকি সেটা বুঝতে পারছি না।

ছোটবোন ভেবে পরামর্শ চাই, দয়া করে বাজে মন্তব্য করবেন না।

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun #জীবনেরকথা

ঠিক পরামর্শ দিবেন প্লিজ... আমাদের বিয়ে হয়েছে ৩ বছর,  এর মধ্যে ৫ মাসের একটা বাচ্চা আছে।  আমার বয়স ২৫,  হাসবেন্ডের ৩২। বাচ...
31/01/2026

ঠিক পরামর্শ দিবেন প্লিজ...

আমাদের বিয়ে হয়েছে ৩ বছর, এর মধ্যে ৫ মাসের একটা বাচ্চা আছে। আমার বয়স ২৫, হাসবেন্ডের ৩২।

বাচ্চা হওয়ার পর থেকে হাসবেন্ডের সাথে আগের মতো বন্ডিং টা আর নেই, সে যতটা কেয়ার করতো, সে সব ৫০% কমে গেছে।

একা একা সারাক্ষণ বাচ্চা সামলাই, বাট রাত হলে সে কখনো মাথায় হাত বুলিয়ে একটা বার আদর বা শান্তনাও দেয়না।

বাচ্চা হওয়ার এই ৫ মাসে ৩ বার শুধু শা*রি*রী*ক সম্পর্ক হয়েছে, তাও ৪/৫ মিনিটের মতো।
আমি সি*জা*রি*য়া*ন মা।

আমার অনেক ইচ্ছে করে, তার সাথে ই*ন্টি*মে*ট হতে, বাট সে হতে চায়না।
কারণ জিজ্ঞেস করলে, বলে.. এখন নাকি ইন্টারেষ্ট পায়না, বাচ্চার প্রোপার্টি মনে হয়। তার শরীর নাকি দূর্বল।
বাট আমি দিন দিন মানসিক রোগী হয়ে যাচ্ছি, হাসবেন্ডের কাছে শা*রী*রি*ক মানসিক কোনো শান্তি পাচ্ছি না। উল্টো বাচ্চা একা হাতে মানুষ করতে হচ্ছে।

আচ্ছা, সব পুরুষ ই কি এমন??
খারাপ চিন্তা কখনো মাথায় আসেনা, বাট ইচ্ছে করে অনেক। ডিপ্রেশনে চলে যাচ্ছি দিন দিন।
কিভাবে বুঝালে হাসবেন্ড বুঝবে, প্লিজ সাহায্য করবেন

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun
#জীবনেরকথা

আমাদের সংসারের বয়স ছয় বছর। চাকরির কারণে আমি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ঢাকার বাইরে থাকি, আর আমার পরিবার থাকে ঢাকায়। এই দীর্ঘ...
31/01/2026

আমাদের সংসারের বয়স ছয় বছর। চাকরির কারণে আমি স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ঢাকার বাইরে থাকি,
আর আমার পরিবার থাকে ঢাকায়। এই দীর্ঘ সময়ে আমার স্ত্রীর প্রতি বিশ্বাসে কখনোই কোনো ঘাটতি ছিল না।
আমাদের চার বছরের একটি সন্তান আছে। সব মিলিয়ে সংসারটা ভালোই চলছিল, অন্তত আমার চোখে তাই মনে হতো।

কিন্তু তিন মাস আগে হঠাৎ এমন একটি ঘটনা ঘটে, যা আমাকে ভেতর থেকে সম্পূর্ণ ভেঙে দেয়।
একদিন আচমকাই আমার স্ত্রী বাসা থেকে নি*খোঁ*জ হয়ে যায়।
দুই দিন পর জানতে পারি, সে অন্য একজনের সঙ্গে চলে গেছে। আমি বহুবার তাকে ফিরে আসতে অনুরোধ করেছি, বোঝানোর চেষ্টা করেছি, কিন্তু সে তখন আমার কোনো কথাই শুনতে রাজি হয়নি।

এই সময়টা আমার জীবনের সবচেয়ে কঠিন সময় ছিল। একদিকে ছোট সন্তান, অন্যদিকে ভয়ংকর মানসিক চাপ।

আমি একটি সম্মানজনক চাকরিতে আছি, তাই বিষয়টি কাউকে বলতেও পারিনি। সমাজ, মান-সম্মান আর পরিবারের কথা ভেবে সব কষ্ট নিজের ভেতরেই চেপে রেখেছিলাম।

অসহায় হয়ে শুধু সৃষ্টিকর্তার কাছে দোয়া করেছি—যেন সে নিজে থেকেই ভুল বুঝে ফিরে আসে।
দুই সপ্তাহ পর সে নিজ ইচ্ছায় আমাদের বাসায় ফিরে আসে। নিজের ভুল স্বীকার করে, ক্ষমা চায়।

তখন সন্তানের ভবিষ্যৎ, সামাজিক বাস্তবতা আর এই প্রশ্নটা আমাকে নাড়িয়ে দেয়—আমাদের ভুলের দায় কেন একটা নিষ্পাপ শিশুকে বহন করতে হবে? এসব ভেবেই আমি তাকে ক্ষমা করে দিই।

কিন্তু ক্ষমা করা আর মন থেকে মেনে নেওয়া যে এক নয়, সেটা এখন বুঝতে পারছি। ঘটনার পর থেকে আমি আর স্বাভাবিক হতে পারিনি।

তার কাছে যেতে পারছি না, তার সঙ্গে ঘুমাতে পারছি না। মনে হয় ভেতরে কোথাও একটা অদৃশ্য দেয়াল দাঁড়িয়ে গেছে। তার কাছে গেলেই অস্থির লাগে।

সে কাছে আসতে চাইলে আমি অজান্তেই তাকে দূরে সরিয়ে দিই, কখনো কখনো খারাপ ব্যবহারও করে ফেলি।

দিন যত যাচ্ছে, আমার আচরণ ততই বদলে যাচ্ছে। আমি নিজেই বুঝতে পারছি, এই মানসিক অবস্থায় সংসার টেনে নেওয়া দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।

হয়তো আমি এখনো তাকে পুরোপুরি গ্রহণ করতে পারিনি, হয়তো সেই আঘাতটা এখনো ভেতরে কাঁচা রয়ে গেছে।
এই অবস্থায় আমার কী করা উচিত—এই প্রশ্নের উত্তর আমি নিজেও খুঁজে ফিরছি।

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun #জীবনেরকথা

কিছুদিন আগে দুই বান্ধবী আমার চেম্বারে আসে। দুজনের বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। পরিচয় গোপন রাখছি। ধরা যাক, একজনের...
28/01/2026

কিছুদিন আগে দুই বান্ধবী আমার চেম্বারে আসে। দুজনের বয়স আনুমানিক ২০ থেকে ২১ বছরের মধ্যে। পরিচয় গোপন রাখছি।
ধরা যাক, একজনের নাম X, অন্যজন Y। দুজনেই অবিবাহিতা।
X আমার রোগী। Y তাকে সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে। তাদের অভিযোগ প্রায় একই রকম— তলপেটে ব্যথা, গা জ্বালাপোড়া করা ভাব, মুখে রুচি নেই, শরীর দুর্বল লাগে, মাঝে মাঝে মাথা ঘোরে।

আমি স্বাভাবিকভাবেই পিরিয়ডের ইতিহাস জানতে চাইলাম। কিন্তু মেয়েটি ঠিকভাবে কিছুই বলতে পারল না।
যেহেতু সে অবিবাহিতা, তাই সরাসরি কিছু জিজ্ঞেস করাও শোভন মনে হয়নি। রুটিন অনুযায়ী একটি আল্ট্রাসাউন্ড আর একটি প্রস্রাব পরীক্ষা করতে দিলাম।
রিপোর্ট দেখে খুব একটা অবাক হইনি।
আল্ট্রাসাউন্ডে দেখা গেল, সে প্রায় তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

এই ধরনের ঘটনা আমাদের কাছে নতুন নয়। বাস্তবতা হলো, প্রায় সব সনোলজিস্টই নিয়মিত এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।
মেয়েটি যথারীতি কিছুটা নাটক করল। কীভাবে এমন হলো, সে নাকি কিছুই জানে না।

এটাতেও অবাক হওয়ার কিছু নেই। আজকাল অনেকের ক্ষেত্রেই সবকিছু “আপনা-আপনি” হয়ে যায় বলে দাবি করা হয়। এসব অভিজ্ঞতা আমাদের অচেনা নয়।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে আমি সাধারণত চুপ থাকি। ডায়াগনোসিস জানিয়ে দিই, তারপর আর কোনো মন্তব্য করি না। যত বড় গল্পই হোক, সেটা আমার দায়িত্বের অংশ নয়।
তবে এখানে আসল বিষয়টা গর্ভধারণ নয়। আসল বিষয় হলো, মেয়েটি অবিবাহিতা। বাস্তবতা যাই হোক, সে এই সন্তান রাখতে চায় না। সেটাই তার সিদ্ধান্ত।
আমি নিজে টারমিনেশন করি না, এ সম্পর্কিত পরামর্শও দিই না। তাই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানিয়ে আমি পেশেন্টকে ছেড়ে দিই।
কিন্তু এখানেই পরিস্থিতি বদলে যায়। মেয়েটি এখানেই এমআর করাতে চায়। কান্নাকাটি, অনুরোধ, হাত-পা ধরা সবই শুরু হয়ে যায়। “ম্যাডাম, আমি কী করব? আমাকে বাঁচান।”

অনেক বুঝিয়ে তাকে কাউন্টারে পাঠানো হলো।
আমার চেম্বার আর কাউন্টার পাশাপাশি। মাঝখানে কাঁচের পার্টিশন। কথাবার্তা স্পষ্ট শোনা যায়। যেহেতু এটি অবৈধ গর্ভপাতের বিষয়, তাই কর্তৃপক্ষও বিষয়টিতে আগ্রহী ছিল।

টাকার অঙ্ক নিয়ে দরকষাকষি চলছিল।
হঠাৎ রোগীর সঙ্গে আসা বান্ধবী Y উত্তেজিত হয়ে জোরে বলে উঠল— “এখানে এত টাকা কেন চাইছেন? আমি তো গত মাসেই মাত্র তিন হাজার টাকায় করিয়েছি!”

এই একটি বাক্যেই পুরো চিত্রটা পরিষ্কার হয়ে যায়। যে মেয়েটি আরেকজনকে নিয়ে এসেছে, সেও ঠিক এক মাস আগেই একই কাজ করেছে।

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun
#জীবনেরকথা

আমার বয়স মাত্র ৩০ বছর। বিয়ের প্রায় সাত বছর পার হয়ে গেছে। আমি একজন ২.৫ বছরের শিশুর মা। কিন্তু এই সাত বছরে আমি যা পেয়েছি, ...
27/01/2026

আমার বয়স মাত্র ৩০ বছর। বিয়ের প্রায় সাত বছর পার হয়ে গেছে।
আমি একজন ২.৫ বছরের শিশুর মা। কিন্তু এই সাত বছরে আমি যা পেয়েছি, তা ভালোবাসা নয়, সম্মান নয়, নিরাপত্তাও নয়—পেয়েছি শুধু অবিরাম মানসিক নির্যাতন, অবহেলা আর গভীর একাকিত্ব।

বিয়ের শুরু থেকেই আমাদের সম্পর্ক কখনোই স্বাভাবিক ছিল না।
কথায় কথায় দোষ ধরা, আমার কথা গুরুত্ব না দেওয়া, বিষাক্ত আচরণ, আর সবসময় নিজেকে নির্ভুল প্রমাণ করার এক ধরনের অসুস্থ মানসিকতা—সব মিলিয়ে সে একজন আত্মকেন্দ্রিক মানুষ। আমার বাবা-মাকে সে কখনোই সম্মান করেনি।
তারা বাড়িতে এলেই তার আচরণ বদলে যেত। প্রথম এক-দুদিন ভালো থাকলেও সেটা ধরে রাখতে পারত না। তার ভেতরে লোভী মানসিকতাও স্পষ্ট।
সবচেয়ে কষ্টের সত্য হলো—সে আমাকে ভালোবাসে না। সময় দেয় না, যত্ন নেয় না। গত সাড়ে তিন বছর ধরে আমাদের মধ্যে কোনো শারীরিক সম্পর্ক নেই। ঝগড়া হলেই বিছানা আলাদা হয়ে যায়। দিনের পর দিন কথা না বলা—এটাই নাকি তার দেওয়া শাস্তি। আর ঝগড়ার সময় গায়ে হাত তোলার ঘটনাও ঘটেছে। প্রায় ছয় বছর ধরে এই নির্যাতন আমি সহ্য করে যাচ্ছি।
আমি মাঝেমধ্যে চিৎকার করি, তর্ক করি—কারণ আমি মানুষ, কোনো অনুভূতিহীন পাথর নই। কিন্তু তার কাছে এটাও অপরাধ। তার দাবি, তার সঙ্গে কথা বলতে হলে আমাকে সবসময় নিচু স্বরে কথা বলতে হবে। তার শর্তগুলো শুনলে অবাক হতে হয়—শারীরিক সম্পর্ক চাইলে আমাকে হতে হবে স্লিম, আকর্ষণীয়, নিখুঁত শরীরের অধিকারী। অথচ সে নিজেই শারীরিকভাবে অসুস্থ ও অনফিট। এই বাস্তবতাটা আমি প্রথম বুঝতে পারি ২০২১ সালে। তখন ভেবেছিলাম, হয়তো সময়ের সঙ্গে সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু কিছুই বদলায়নি। বদলানোর কোনো চেষ্টাও সে করেনি।
তার ভাষায়, সব সমস্যার মূল আমি। আমি নাকি জেদি, তর্কপ্রবণ, কথা শুনি না। অথচ সত্য হলো—আজও আমার তার প্রতি অনুভূতি আছে। আর এই ভালোবাসাই ধীরে ধীরে আমাকে মানসিকভাবে ভেঙে দিচ্ছে। ঝামেলা হলেই সে আমার বাবা কিংবা বোনকে ফোন করে আমার বিরুদ্ধে নানান কথা বলে। আমার সম্মান চূর্ণ করে দেয়।
আজ আমি টানা ত্রিশ মিনিট ধরে তাকে একটি প্রশ্নই করেছি— “তুমি কি এই সংসারটা করতে চাও?” সে একবারের জন্যও উত্তর দেয়নি।
আমার বয়স মাত্র ৩০। এই বয়সে এত ট্রমা বহন করা আমার পক্ষে আর সম্ভব হচ্ছে না। ছয় মাস আগে আমি আমার মাকে হারিয়েছি। আজ বারবার মনে হয়—মা বেঁচে থাকলে হয়তো আমাকে এভাবে একা লড়তে হতো না।
আমি নিজেকে প্রশ্ন করি— ভুলটা কি শুধুই আমার? একজন নারী কি শুধু সহ্য করার জন্যই জন্মায়? নিজের মানসিক সুস্থতা আর সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবার অধিকার কি আমার নেই?
অভিজ্ঞ ও সচেতন মানুষদের কাছে আমার প্রশ্ন— এই পরিস্থিতিতে আমার কী করা উচিত? আমি কোন পথে এগোব?

— নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক
মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun
#জীবনেরকথা

আমার স্ত্রী গভীরভাবে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছে, আর এর মানসিক যন্ত্রণা আমাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিয়েছে।আমরা দু’জনই কর্মজীবী, তবে আল...
26/01/2026

আমার স্ত্রী গভীরভাবে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েছে, আর এর মানসিক যন্ত্রণা আমাকে ভেতর থেকে ভেঙে দিয়েছে।

আমরা দু’জনই কর্মজীবী, তবে আলাদা শহরে কাজ করি। তার পোস্টিং কক্সবাজারে, আর আমি থাকি চট্টগ্রামে। বিয়ের আগেই আমি জানতাম, তার একটি পূর্বের সম্পর্ক ছিল।

সব জেনেশুনেই তাকে জীবনসঙ্গী হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম এবং সংসার শুরু করি।
বিয়ের পর প্রায় দুই বছর আমরা একসঙ্গেই ছিলাম। কিন্তু গত দেড় বছর ধরে তার চাকরির কারণে আলাদা থাকতে হচ্ছে।
এই সময়েই আমি বুঝেছি, বিয়ের পর পরকীয়া একজন স্বামীর জীবন কীভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে।

তার অবৈধ সম্পর্কের বিষয়টি জানার পর আমাদের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এরপর আমি তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দিই।
গত চার মাস ধরে আমাদের মধ্যে কোনো কথা, দেখা কিংবা শারীরিক সম্পর্ক নেই।
এই শুক্রবার হঠাৎ করেই সে নিজে আমার কাছে আসে।

এসে জানায়, সে তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা। সাধারণত এমন খবর একজন স্বামীর জন্য আনন্দের হওয়ার কথা, কিন্তু আমার ক্ষেত্রে তা হয়নি।

কারণ গত চার মাসে আমাদের মধ্যে কোনো দাম্পত্য সম্পর্কই ছিল না। তাহলে এই গর্ভধারণ কীভাবে সম্ভব, তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়।

সে আমার কাছে এই সন্তানের স্বীকৃতি চাইতে এসেছে। তার এই দাবি আমাকে স্তব্ধ করে দিয়েছে।

বিষয়টি আমার কাছে সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমি তার সঙ্গে কোনো রকম বিশৃঙ্খলা করিনি। শুধু বলেছি, সে যেন আমার বাসা ছেড়ে চলে যায়।

কিন্তু সে উল্টো হুমকি দিয়েছে—আমি যদি সন্তানের স্বীকৃতি না দিই, তাহলে সে আমার বিরুদ্ধে মামলা করবে।
এই মুহূর্তে আমি তাকে তালাকও দিতে পারছি না, কারণ সে গর্ভবতী।
পুরো পরিস্থিতি আমাকে চরম মানসিক অস্থিরতায় ফেলে দিয়েছে।
কী সিদ্ধান্ত নেব, কোন পথে এগোব—কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।
বারবার মনে হচ্ছে, এই পৃথিবীতে ভালো মানুষের কোনো মূল্য নেই।

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun
#জীবনেরকথা

অনুগ্রহ করে বাজে মন্তব্য করবেন না।আমার স্বামীকে সম্প্রতি একটি কুকুর কামড়েছিল। এরপর তিনি নিয়ম অনুযায়ী র‍্যাবিস ভ্যাকসিন ন...
25/01/2026

অনুগ্রহ করে বাজে মন্তব্য করবেন না।

আমার স্বামীকে সম্প্রতি একটি কুকুর কামড়েছিল।
এরপর তিনি নিয়ম অনুযায়ী র‍্যাবিস ভ্যাকসিন নিয়েছেন।
সেই দিন রাতেই আমরা স্বামী স্ত্রী হিসেবে মিলিত হই। আমরা নতুন দম্পতি।

এখন আমার প্রশ্ন হলো—
ভ্যাকসিন নেওয়ার সময় আমাদের যে সহবাস হয়েছে, তাতে কি কোনো সমস্যা হতে পারে?

এতে কি আমার বা আমার স্বামীর স্বাস্থ্যের কোনো ঝুঁকি আছে?
এই অবস্থায় আমরা কি স্বাভাবিকভাবে আমাদের দাম্পত্য সম্পর্ক চালিয়ে যেতে পারবো?
এ বিষয়টি নিয়ে পরিষ্কার ধারণা পেতে চাই।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun
#জীবনেরকথা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মন খুলে বলুন - Mon Khule Bolun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share