ইতিহাসের খোঁজে

ইতিহাসের খোঁজে Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from ইতিহাসের খোঁজে, Social Media Agency, Dhaka.

২০০৫ সালে কেনিয়ার একটি ছোট শহরে বসবাসকারী রবার্ট মুতাই চেলোগইয়ের মুখে ছোট একটি সমস্যা দেখা দেয়। তখন কেউই ভাবতে পারেনন...
18/07/2026

২০০৫ সালে কেনিয়ার একটি ছোট শহরে বসবাসকারী রবার্ট মুতাই চেলোগইয়ের মুখে ছোট একটি সমস্যা দেখা দেয়। তখন কেউই ভাবতে পারেননি, সেটিই তার জীবনের দীর্ঘ ২৩ বছরের এক কঠিন সংগ্রামের সূচনা হতে যাচ্ছে।

চিকিৎসকেরা ধারণা করেন, তিনি নোমা (Noma) নামে একটি বিরল সংক্রমণে আক্রান্ত হয়েছেন। অপুষ্টি ও পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাবের সঙ্গে সম্পর্কিত এই রোগ ধীরে ধীরে তার মুখমণ্ডলে মারাত্মক ক্ষতি করে এবং একপর্যায়ে তিনি দৃষ্টিশক্তিও হারান।

চিকিৎসার আশায় তার পরিবার জমি, গবাদিপশুসহ প্রায় সবকিছুই বিক্রি করে দেয়। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত চিকিৎসা আর পুরোপুরি মেলেনি।

এই দীর্ঘ সংগ্রামের পুরো সময়ে একজন মানুষ কখনো তার পাশ ছেড়ে যাননি- তার স্ত্রী। প্রতিদিন, প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে তিনি রবার্টের পাশে ছিলেন, নিঃস্বার্থভাবে।

দীর্ঘদিন তাদের গল্প সবার অজানাই ছিল। পরে কেনিয়ার এক কনটেন্ট নির্মাতা সামাজিক মাধ্যমে রবার্টের জীবনসংগ্রামের কথা তুলে ধরলে বিষয়টি মানুষের নজরে আসে।

এরপর বিভিন্ন দিক থেকে আর্থিক সহায়তা আসতে শুরু করে এবং রবার্টকে বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য কেনিয়াটা ন্যাশনাল হাসপাতালে নেওয়া হয়।

তবে ততদিনে সময় অনেকটাই ফুরিয়ে গিয়েছিল।

২০২৬ সালের ১৫ মার্চ, টানা ২৩ বছর রোগের সঙ্গে লড়াই করার পর রবার্ট মুতাই চেলোগই মারা যান।

তার জীবনের শেষ অধ্যায় শুধু একটি রোগের গল্প নয়; এটি এমন এক ভালোবাসার গল্প, যা দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে অসুস্থতা, দারিদ্র্য ও অনিশ্চয়তার মধ্যেও হার মানেনি। তার স্ত্রী শেষ পর্যন্ত যে সঙ্গ দিয়েছেন, সেটিই রবার্টের জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি হয়ে রয়ে গেছে।

এটি মানুষের পায়খানার বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফসিলাইজড নমুনা (Coprolite)। প্রায় ১,২০০ বছর পুরোনো এক ভাইকিং এটি ত্যাগ করেছিল, যা...
17/07/2026

এটি মানুষের পায়খানার বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফসিলাইজড নমুনা (Coprolite)। প্রায় ১,২০০ বছর পুরোনো এক ভাইকিং এটি ত্যাগ করেছিল, যার মূল্য প্রায় ৩৯,০০০ ডলার (প্রায় ৪৮ লক্ষ টাকা)!

এই বিশাল 'ঐতিহাসিক মল' পাওয়া গিয়েছে ১৯৭২ সালে ইংল্যান্ডের ইয়র্ক শহরে। লয়েডস ব্যাংকের একটি নতুন শাখার নির্মাণকাজ চলাকালে এর সন্ধান মেলে। নামও রাখা হয় সেই প্রতিষ্ঠানের নামে - The Lloyds Bank Coprolite।

এর দৈর্ঘ্য ৮ ইঞ্চি ও প্রস্থ ২ ইঞ্চি, যা এখন পর্যন্ত মানব ইতিহাসে পাওয়া সবচেয়ে বড় ফসিলাইজড মল।

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এই ভাইকিং ব্যক্তি সম্ভবত ৯ম শতাব্দীতে বসবাস করতেন, এবং তার খাদ্যতালিকায় ছিল মাংস ও রুটি। কিন্তু তার অন্ত্র ছিল পরজীবীতে (parasite) ভরপুর, বিশেষত Whipworm ও Maw-worm। এতে বোঝা যায়, তিনি প্রায়ই পেটের অসুখে ভুগতেন।

মজার বিষয় হলো, ১৯৯১ সালে ড. অ্যান্ড্রু জোন্স নামের এক Dung Scientist বা প্যালিওস্ক্যাটোলজিস্ট এটি বীমার জন্য মূল্যায়ন করতে গিয়ে বলেন, “এটি আমার দেখা সবচেয়ে রোমাঞ্চকর পায়খানা! ক্রাউন জুয়েলের মতোই এটা অমূল্য।”

বর্তমানে এই পায়খানার নমুনাটি সংরক্ষিত আছে ইয়র্কের Jorvik Viking Centre-এ, একটি কাচের বাক্সে। ২০০৩ সালে দুর্ঘটনাক্রমে এটি পড়ে ভেঙে তিন টুকরো হয়ে যায়, পরে সেটি পুনর্গঠন করা হয়।

আজও কেন্দ্রটি গর্বের সঙ্গে একে “The Turd’s Final Resting Place” বলে উল্লেখ করে। এমনকি ২০২১ সালে তারা আয়োজন করে “Poo Day!” নামে ভার্চুয়াল কর্মশালা, যেখানে দর্শকরা শিখেছিলেন কীভাবে এক ভাইকিংয়ের মল আজ আমাদের প্রাচীন মানবজীবন, খাদ্যাভ্যাস ও রোগ সম্পর্কে অমূল্য তথ্য দিচ্ছে!

নিজের বাড়ির সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল স্বামীর পুলিশি টহল গাড়ি। সেই গাড়ির পেছনের অংশে উঠে পড়েছিলেন তিনি, হয়তো কোনো কিছু খ...
16/07/2026

নিজের বাড়ির সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল স্বামীর পুলিশি টহল গাড়ি। সেই গাড়ির পেছনের অংশে উঠে পড়েছিলেন তিনি, হয়তো কোনো কিছু খুঁজতে।

কিন্তু কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দরজা বন্ধ হয়ে যায়, আর সেটিই হয়ে ওঠে তার জীবননাশের কারণ। প্রচণ্ড গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা পড়ে থেকে শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারান তিনি।

ঘটনাটি ঘটে ২০২০ সালের ২১ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মায়ামি শোরস এলাকায়।

সেদিন মধ্যরাতের দায়িত্ব শেষ করে পুলিশ কর্মকর্তা অ্যারিস্টিডিস পলিনো বাড়ি ফিরে নিজের পুলিশি এসইউভিটি বাড়ির ড্রাইভওয়েতে রেখে ঘুমিয়ে পড়েন।

এ সময় তার স্ত্রী ক্লারা পলিনো গাড়িটির পেছনের অংশে ওঠেন। ধারণা করা হয়, তিনি সেখানে কোনো কিছু খুঁজছিলেন। কিন্তু দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই গাড়ির স্বয়ংক্রিয় লক ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে যায় এবং তিনি ভেতরে আটকা পড়েন।

পুলিশি ব্যবহারের জন্য তৈরি ওই গাড়ির পেছনের অংশ ছিল বিশেষভাবে নিরাপত্তাব্যবস্থায় সুরক্ষিত।

জানালায় ছিল লোহার গ্রিল, সামনের ও পেছনের অংশ আলাদা করতে ছিল ধাতব খাঁচা, আর ভেতর থেকে দরজা খোলার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। দরজা কেবল বাইরে থেকেই খোলা যেত।

ফলে ক্লারা সম্পূর্ণভাবে ভেতরে আটকে যান। তার সঙ্গে কোনো মোবাইল ফোন ছিল না। হর্ন বাজানোরও সুযোগ ছিল না। আবাসিক এলাকায় আশপাশে এমন কেউও ছিলেন না, যিনি বিষয়টি লক্ষ্য করতে পারতেন।

সেদিন তাপমাত্রা ৯০ ডিগ্রি ফারেনহাইটেরও বেশি ছিল। প্রচণ্ড গরমে প্রায় চার ঘণ্টা গাড়ির ভেতরে আটকে ছিলেন ক্লারা।

বিকেল প্রায় ৫টার দিকে ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে খুঁজে না পেয়ে অ্যারিস্টিডিস পলিনো বাড়ির পেছনের উঠানে ক্লারার মোবাইল ফোনটি দেখতে পান। এরপর তিনি ও তার ছেলে চারপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন এবং একপর্যায়ে গাড়ির পেছনের অংশে ক্লারাকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান।

তারা দ্রুত তাকে বের করে হৃদ্‌যন্ত্র সচল করার প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ময়নাতদন্তে জানানো হয়, অতিরিক্ত গরমে সৃষ্ট হিট স্ট্রোকের কারণে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হয়েছে ক্লারা পলিনোর।

সবচেয়ে মর্মান্তিক বিষয় হলো, তিনি নিজের বাড়ির সামনেই, সামনের দরজা থেকে মাত্র কয়েক কদম দূরে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাড়ির ভেতরে আটকা পড়েছিলেন। অথচ সাহায্য চাওয়ার কোনো উপায় না থাকায় সেই গাড়িটিই শেষ পর্যন্ত তার জন্য প্রাণঘাতী

ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং আলোচিত নারীদের একজন ফুলন দেবী। কেউ তাকে ‘ডা*কা*ত রানী’ বলে চেনেন, কেউ আবার নিপীড়নের ব...
16/07/2026

ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে বিতর্কিত এবং আলোচিত নারীদের একজন ফুলন দেবী। কেউ তাকে ‘ডা*কা*ত রানী’ বলে চেনেন, কেউ আবার নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে দেখেন। তার জীবন ছিল দারিদ্র্য, নি*তন, প্রতিশোধ এবং নাটকীয় উত্থানের এক বিরল প্রতিচ্ছবি।

উত্তর প্রদেশের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেওয়া ফুলন দেবীর বিয়ে দেওয়া হয়েছিল অল্প বয়সেই। পরে তিনি দ/স্যু/দের হাতে অপহৃত হন। তার জীবনের সবচেয়ে ভ*য়া*ব*হ অধ্যায় শুরু হয় তখনই।

বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিবরণ ও তার নিজের বক্তব্য অনুযায়ী, বন্দিদশায় তিনি দীর্ঘ সময় শারীরিক ও যৌ* নি*র্যা*ত*নের শিকার হন। এসব অভিজ্ঞতাই পরবর্তী জীবনের গতিপথ বদলে দেয়।

পরে তিনি দস্যুদের কাছ থেকে পালিয়ে চম্বল অঞ্চলে নিজের একটি স*স্ত্র দল গড়ে তোলেন। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই ‘ডা/কা/ত রানী’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি।

১৯৮১ সালে উত্তর প্রদেশের বেহমাই গ্রামে সংঘটিত বহুল আলোচিত হ*কা/ণ্ডের সঙ্গে ফুলন দেবীর নাম জড়িয়ে যায়। ওই ঘটনায় প্রায় ২০ জন নি/হ/ত হন। অনেকের মতে, এটি ছিল তার ওপর চালানো নির্যাতনের প্রতিশোধ। তবে ওই হ*কাণ্ডে ফুলন দেবীর সরাসরি ভূমিকা নিয়ে পরবর্তীকালে বিতর্কও তৈরি হয় এবং ইতিহাসবিদদের মধ্যে এ বিষয়ে ভিন্নমত রয়েছে।

দীর্ঘ সময় পলাতক থাকার পর ১৯৮৩ সালে ফুলন দেবী আত্মসমর্পণ করেন। এরপর বিচার শুরুর আগেই তিনি প্রায় ১১ বছর কারাগারে কাটান।

১৯৯৪ সালে মুক্তি পাওয়ার পর তার জীবনে আসে আরেকটি নাটকীয় মোড়।

অ//স্ত্র ছেড়ে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। ১৯৯৬ সালে ভারতের লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। একসময় যাকে দেশের অন্যতম ভ/য়ং/ক/র দ*স্যু হিসেবে দেখা হতো, তিনিই পরে জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি হন।

তবে তার রাজনৈতিক জীবনও দীর্ঘ হয়নি। ২০০১ সালের ২৫ জুলাই নয়াদিল্লিতে নিজ বাড়ির সামনে দু/র্বৃ/ত্ত/দের গু*তে নি*হ*ত হন ফুলন দেবী।

ফুলন দেবীর জীবন নিয়ে আজও বিতর্ক রয়েছে। কেউ তাকে ভ/য়ং/ক*র অ*রাধী হিসেবে দেখেন, আবার কেউ মনে করেন তিনি ছিলেন দীর্ঘদিনের নি/পী/ড়/ন ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার এক নারী, যার জীবন শেষ পর্যন্ত ভারতের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে।

ফ্রান্সের জার্সিতে মাঠে নামেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। গোল করেন, ম্যাচ জেতান, অর্জন করেন পুরস্কার ও বোনাস। কিন্তু জাতীয় দলের হয়...
15/07/2026

ফ্রান্সের জার্সিতে মাঠে নামেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। গোল করেন, ম্যাচ জেতান, অর্জন করেন পুরস্কার ও বোনাস। কিন্তু জাতীয় দলের হয়ে খেলে পাওয়া অর্থ নিজের কাছে রাখেন না এই ফরাসি তারকা।

২০১৭ সাল থেকে ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে পাওয়া প্রতিটি ম্যাচ ফি ও বোনাস দান করে আসছেন এমবাপ্পে।

২০১৮ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে শিরোপা জেতানোর পরও নিজের প্রাপ্য অর্থ পকেটে রাখেননি তিনি। বিশ্বকাপ থেকে পাওয়া যাবতীয় পুরস্কারের অর্থ সরাসরি শিশুদের নিয়ে কাজ করা একটি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে দান করেন।

এমবাপ্পের ভাষায়, ‘আমার টাকার দরকার ছিল না। আমি সেখানে দেশের মান রক্ষা করতে গিয়েছিলাম। আমি বেশ ভালো অর্থই আয় করি। তাই যাদের প্রয়োজন, তাদের সাহায্য করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করি।’

বিশ্বকাপের পর সেই দানই অবশ্য শেষ নয়। পরবর্তী সময়েও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কাজ চালিয়ে যান এমবাপ্পে।

ক*রো*না*র সময় সংকটে পড়া পরিবারগুলোর সহায়তায় আব্বে পিয়ের ফাউন্ডেশনে বড় অঙ্কের অর্থ দান করেন তিনি। পরে তার প্রতিষ্ঠিত সংস্থা শ্বাসতন্ত্রের গুরুতর সমস্যায় আক্রান্ত মৌরিতানিয়ার শিশু আবুবকরের জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসার অর্থায়নেও সহায়তা করে।

মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে আরও স্থায়ী রূপ দিতে ২০২০ সালের জানুয়ারিতে নিজের দাতব্য সংস্থা ‘ইন্সপায়ার্ড বাই কেএম’ চালু করেন এমবাপ্পে।

এই সংস্থার মাধ্যমে প্যারিসের ৯৮ জন শিশুকে তাদের কর্মজীবন শুরু করা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ৯৮ সংখ্যাটিও বেছে নেওয়া হয়েছে বিশেষ কারণে- ১৯৯৮ সালে জন্মেছিলেন এমবাপ্পে।

শুধু অর্থ সহায়তা নয়, শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলা এবং জীবনে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকাদের একজন হয়েও নিজের এই দাতব্য কাজ নিয়ে খুব বেশি প্রচার করেন না এমবাপ্পে। বছরের পর বছর নীরবেই নিজের আয় ও পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে অসহায় পরিবার ও শিশুদের পাশে দাঁড়িয়ে আসছেন তিনি।

ফ্রান্সের হয়ে মাঠে নামার জন্য অর্থ নয়, দেশের প্রতিনিধিত্বই তার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়- এমনটাই জানিয়েছেন এমবাপ্পে। আর জাতীয় দল থেকে পাওয়া অর্থ তিনি তুলে দিচ্ছেন এমন মানুষদের হাতে, যাদের কাছে সেই সহায়তা বদলে দিতে পারে জীবনের গল্প।

পড়াশোনা না করলে অর্থ উপার্জন কতটা কঠিন- ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে সেটিই বোঝাতে চেয়েছিলেন চীনের এক মা। কিন্তু তার শেখাতে চাওয়া স...
13/07/2026

পড়াশোনা না করলে অর্থ উপার্জন কতটা কঠিন- ১৭ বছর বয়সী ছেলেকে সেটিই বোঝাতে চেয়েছিলেন চীনের এক মা। কিন্তু তার শেখাতে চাওয়া সেই শিক্ষা শেষ পর্যন্ত পুরোপুরি উল্টো ফল দিয়েছিল।

চীনের জিয়াশিং শহরের বাসিন্দা ডেংয়ের ছেলে শেন একটি রান্নাবিষয়ক কারিগরি বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছিল। একসময় তার ফলাফল খারাপ হতে শুরু করে। মাকে সে জানিয়েছিল, পড়াশোনা তার কাছে পুরোপুরি অর্থহীন মনে হচ্ছে।

ছেলের এমন মনোভাব বদলাতে একটি পরিকল্পনা করেন ডেং।

পড়াশোনা ছাড়া কায়িক শ্রম করে জীবন চালানো কতটা কঠিন ও ক্লান্তিকর, সেটি ছেলেকে দেখাতে চেয়েছিলেন তিনি। তাই নিজের রাস্তার পাশের ফ্রাইড চিকেন ও নাশতার দোকানে শেনকে কাজে বসান তিনি।

মায়ের ধারণা ছিল, কঠোর পরিশ্রমের চাপ সামলাতে না পেরে ছেলে দ্রুতই বই-খাতার কাছে ফিরে যাবে।

কিন্তু ঘটেছিল ঠিক উল্টোটা।

খাবার প্রস্তুত করা, ক্রেতাদের সামলানো এবং বিক্রি- সব কাজেই দ্রুত দক্ষ হয়ে উঠেছিল শেন। মাত্র ১০ দিনের মধ্যে প্রায় পৌনে ২ লাখ টাকা আয় করে সে!

এত অল্প সময়ে নিজের পরিশ্রমে অর্থ উপার্জনের সাফল্যে মুগ্ধ হয়ে যায় কিশোরটি। একপর্যায়ে পড়াশোনা ছেড়ে পুরো সময় ব্যবসা করার সিদ্ধান্ত নেয় সে।

যে কঠোর পরিশ্রম দেখিয়ে তাকে স্কুলে ফেরাতে চেয়েছিলেন মা, সেই পরিশ্রমের জীবনই বরং ভালোবেসে ফেলেছিল শেন।

এরপর থেকে প্রতিদিন ভোরে স্বেচ্ছায় ঘুম থেকে উঠতে শুরু করে সে। দোকানে পৌঁছাতে সাইকেলে প্রায় ১৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হতো। নিজের খাবারের দোকান আরও বড় করার পরিকল্পনাও শুরু করে ছেলেটি।

অন্যদিকে ছেলেকে আবার পড়াশোনায় ফেরানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন ডেং। তবে একইসঙ্গে ছেলের স্বাধীনভাবে কিছু করার মানসিকতা ও কঠোর পরিশ্রমের ইচ্ছার প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথাও স্বীকার করেছিলেন তিনি।

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাংকিং ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ভুলগুলোর একটির শুরু মাত্র ৭০ অস্ট্রেলীয় ডলার ফেরত দেওয়ার একটি সাধারণ প্রক্র...
13/07/2026

অস্ট্রেলিয়ার ব্যাংকিং ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত ভুলগুলোর একটির শুরু মাত্র ৭০ অস্ট্রেলীয় ডলার ফেরত দেওয়ার একটি সাধারণ প্রক্রিয়া থেকে। কিন্তু লেখার ছোট্ট এক ভুলে সেই অর্থের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়ায় ৭০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারেরও বেশি!

আদালতের নথি অনুযায়ী, একটি প্রতিষ্ঠান এক গ্রাহককে প্রায় ৭০ অস্ট্রেলীয় ডলার ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে প্রতিষ্ঠানের এক কর্মী অর্থের পরিমাণ লেখার ঘরে ভুল করে ওই গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্ট নম্বর লিখে দেন!

ফলে ৭০ ডলারের বদলে গ্রাহকের একাউন্টে চলে যায় ৭০ লাখ অস্ট্রেলীয় ডলারের বেশি!

আরও অবাক করার বিষয় হলো, এত বড় ভুল প্রায় সাত মাস কারও নজরেই আসেনি।

যখন প্রতিষ্ঠানটি বিষয়টি বুঝতে পারে, তত দিনে বিপুল অর্থের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, ওই অর্থের কিছু অংশ দিয়ে মেলবোর্নে একটি বিলাসবহুল বাড়িও কেনা হয়!

পরে বাড়িটির মালিকানা ওই নারীর বোনের নামে স্থানান্তর করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ ওঠে।

ভুলটি সামনে আসার পর দ্রুত বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। ভুল করে পাঠানো অর্থ উদ্ধারের নির্দেশ দেন আদালত। একই সঙ্গে ওই বিলাসবহুল বাড়িটিও আইনি বিরোধের

শখ করে দুই চোখের সাদা অংশে কালো ট্যাটু করিয়েছিলেন ব্রাজিলের ট্যাটুশিল্পী ও কনটেন্ট নির্মাতা লাভিনিয়া মেসকিতা। অনলাইনে ‘ল...
13/07/2026

শখ করে দুই চোখের সাদা অংশে কালো ট্যাটু করিয়েছিলেন ব্রাজিলের ট্যাটুশিল্পী ও কনটেন্ট নির্মাতা লাভিনিয়া মেসকিতা। অনলাইনে ‘লাভ মেডুসা’ নামে পরিচিত এই তরুণী এখন বলছেন, একটি সিদ্ধান্ত তার জীবনের প্রায় প্রতিটি দিক বদলে দিয়েছে, তা-ও খারাপের দিকে।

মে মাসের শেষ দিকে নিজের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে ভাইরাল হন মেসকিতা। তিনি জানান, চোখে ট্যাটুর কারণে চাকরি পাচ্ছেন না।

২০২২ সালের একটি জরিপের তথ্য অনুযায়ী, ৭৬ শতাংশ মানুষ মনে করেন দৃশ্যমান ট্যাটু চাকরির সাক্ষাৎকারে প্রার্থীর সম্ভাবনা কমিয়ে দিতে পারে। বিশেষ করে মুখ, গলা ও হাতে ট্যাটুকে ট্যাটু সংস্কৃতিতে অনেক সময় ‘জব স্টপার’ বলা হয়।

মেসকিতার দাবি, ট্যাটুর পর তিনি পৃথিবীকে শুধু সাদা-কালো রঙে দেখেন। তবে অস্ট্রেলিয়ার চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডা. বেন লাহুড জানান, সাধারণত চোখের বাইরের সাদা অংশে ট্যাটু করলে সরাসরি রং দেখার ক্ষমতা নষ্ট হওয়ার কথা নয়। তবে সুচ, কালি বা প্রদাহ চোখের ভেতরের সংবেদনশীল অংশে পৌঁছালে রং দেখার ক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মেসকিতা জানিয়েছেন, চোখের সাদা অংশের পাশাপাশি ‘মাঝের’ অংশেও ট্যাটু করিয়েছিলেন তিনি!

তার আরেকটি ভয়ংকর দাবি, কান্নার সময় চোখ থেকে কালো অশ্রু বের হয়! চিকিৎসকের মতে, ট্যাটুর পর প্রাথমিক পর্যায়ে কালি মিশ্রিত অশ্রু দেখা যেতে পারে। কারণ চোখের আবরণের স্তরে দেওয়া তরল কালি ইনজেকশনের স্থান দিয়ে বেরিয়ে আসতে পারে। তবে মেসকিতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরেই এটি চলছে বলে তার দাবি।

পুরো চোখ কালো হয়ে যাওয়ায় অন্যরা বুঝতে পারেন না তিনি কার দিকে তাকিয়ে আছেন। ফলে কারও সঙ্গে চোখে চোখ রেখে কথা বলা বা প্রেমের আগ্রহ প্রকাশ করাও কঠিন হয়ে পড়েছে!

চেহারার কারণে অনেকে তাকে ‘শয়তানের উপাসক’ ভাবেন বলেও অভিযোগ মেসকিতার! অথচ তিনি নিজেকে একজন ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টান হিসেবে পরিচয় দেন। মানুষের নেতিবাচক মন্তব্য তাকে গভীরভাবে কষ্ট দেয় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, তিনি এখন পড়তে বা লিখতে পারেন না। রাস্তার সাইনবোর্ড কিংবা ট্রাফিক বাতিও ঠিকমতো দেখতে পান না। মুঠোফোন ব্যবহারসহ দৈনন্দিন কাজে তাকে বন্ধু বা পরিবারের সদস্যদের সহায়তা নিতে হয়।

ডা. লাহুড জানান, চোখে ট্যাটুর সময় রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হলে দৃষ্টিশক্তি ও দৈনন্দিন স্বাধীনতা হারানোর ঝুঁকি থাকে। সংক্রমণ, প্রদাহ কিংবা সুচ চোখের ভেতরে ঢুকে গেলে স্থায়ী ক্ষতিও হতে পারে।

মেসকিতার দাবি, তার কাল

গর্ভাবস্থার ৩৯ সপ্তাহ চলছে। তবে সারা ভিনসেন্টের ধারণা ছিল, সন্তান জন্ম নিতে এখনও কিছুটা সময় বাকি। তাই তিন বছর বয়সী ছেলে ...
11/07/2026

গর্ভাবস্থার ৩৯ সপ্তাহ চলছে। তবে সারা ভিনসেন্টের ধারণা ছিল, সন্তান জন্ম নিতে এখনও কিছুটা সময় বাকি। তাই তিন বছর বয়সী ছেলে এবং বাবা-মাকে নিয়ে ওয়েলসের নিউপোর্ট শহরের একটি সিনেমা হলে চলচ্চিত্র দেখতে গিয়েছিলেন তিনি।

ছবিটি শুরু হওয়ার প্রায় ৩০ মিনিট পর হঠাৎই তিনি বুঝতে পারেন, কিছু একটা ঠিক নেই।

দ্রুত শৌচাগারের দিকে ছুটে যান সারা। পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু ততক্ষণে প্রসববেদনা এতটাই তীব্র হয়ে ওঠে যে তিনি সিনেমা হলের লবিতেই থেমে যেতে বাধ্য হন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তার পানি ভেঙে যায়।

মুহূর্তের মধ্যেই সিনেমা হলের লবি পরিণত হয় একটি অস্থায়ী প্রসূতি কক্ষে।

সিনেমা হলের কর্মীরা দ্রুত গোপনীয়তা নিশ্চিত করতে চারপাশে আড়াল তৈরি করেন এবং জরুরি সেবার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। জরুরি সেবা কেন্দ্রের কর্মীদের নির্দেশনা অনুসরণ করে হলের কর্মী ও সেখানে উপস্থিত এক পথচারীর সহায়তায় নিরাপদে সেখানেই জন্ম নেয় সারার কন্যাশিশু- লাউরি।

এই ব্যতিক্রমী জন্মকে স্মরণীয় করে রাখতে পরে সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ লাউরিকে আজীবন বিনামূল্যে সিনেমা দেখার সুযোগ দেয়। পাশাপাশি তার পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্যও বিশেষ প্রবেশপত্র উপহার দেওয়া হয়।

২০২৬ সালের মে মাসে থাইল্যান্ডের লপবুরি প্রদেশে এক মা*ক পাচারকারীকে ধরতে অভিনব কৌশলের আশ্রয় নেয় পুলিশ।সেখানে একটি ব্যস্ত ...
10/07/2026

২০২৬ সালের মে মাসে থাইল্যান্ডের লপবুরি প্রদেশে এক মা*ক পাচারকারীকে ধরতে অভিনব কৌশলের আশ্রয় নেয় পুলিশ।

সেখানে একটি ব্যস্ত রাস্তার উৎসব চলছিল। উৎসবে মানুষের ভিড়ের মধ্যে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য নিজেদের সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে সাজান।

ঝলমলে পোশাক, পরচুলা, ভারী মেকআপ এবং উঁচু হিল পরে তারা ছদ্মবেশে সেজে উৎসবের ভিড়ে মিশে যান।

তাদের এই ছদ্মবেশ এতটাই স্বাভাবিক ছিল যে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি কোনো ধরনের সন্দেহই করেননি।

সুযোগ বুঝে পুলিশ সদস্যরা তার কাছে পৌঁছে যান এবং কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা ছাড়াই তাকে গ্রেপ্তার করেন।

অভিযান শেষে সন্দেহভাজন ব্যক্তির পাশে ঝলমলে পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকা পুলিশ সদস্যদের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

তবে এটি থাই পুলিশের জন্য নতুন কোনো কৌশল নয়।

দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অতীতেও গোপন অভিযানে বিভিন্ন ধরনের ছদ্মবেশ ব্যবহার করেছে। কখনো নৃত্যশিল্পী, কখনো পর্যটক, আবার কখনো খাবার সরবরাহকারী কর্মীর বেশ ধরে তারা অপরাধীদের ধরতে সফল হয়েছে।

Address

Dhaka
8050

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ইতিহাসের খোঁজে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share