Eat To Survive

Eat To Survive Social Welfare Organisation.

16/05/2026

এই মাছটি ওজন কত হবে

বর্তমান এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেড়েছে। কিন্তু ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে!!!অন্যথায়🤫☢️🤫
30/04/2026

বর্তমান এআই প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেড়েছে। কিন্তু ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধান হতে হবে!!!
অন্যথায়🤫☢️🤫

আমার গাভী গরুটাও মাছ, মাংস, ডিম এগুলো খায় না, তারও মনে হয় মানুষিক সমস্যা আছে।
20/04/2026

আমার গাভী গরুটাও মাছ, মাংস, ডিম এগুলো খায় না, তারও মনে হয় মানুষিক সমস্যা আছে।

নির্মমতার শেষ সীমানায় কাচ্চি ভাই! কাচ্চি খেয়ে বিল না দিয়ে যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ‘কাচ্চি ভাই...
04/04/2026

নির্মমতার শেষ সীমানায় কাচ্চি ভাই!

কাচ্চি খেয়ে বিল না দিয়ে যাতে পালাতে না পারে, সেজন্য আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে ‘কাচ্চি ভাই’ দোকানের মূল ফটকে তালা লাগিয়ে দেওয়া হয়। তালা লাগানোর নির্দেশ দেয় ব্যবস্থাপক জেইন উদ্দিন জিসান। সবচেয়ে বেশী মানুষ শ্বাসরোধ হয়ে মারা যায়, এখানেই।

পুরো ভবনে আগুন ছড়িয়ে গেলে, বিভিন্ন ফ্লোরের মানুষেরা ভবনের টপ ফ্লোরে অবৈধ রেস্টুরেন্ট থাকায় আশ্রয় নিতে পারেনি।

আগুন লাগার সাথে সাথে সিঁড়ি দিয়ে ভবনের নিচ দিয়ে নামার চেষ্টা করলে, সিঁড়িতে খাবারের দোকানের গ্যাস সিলিন্ডারসহ নানা জিনিসপত্র রেখে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে রাখা ছিল।

কাচ্চি ভাইয়ের স্বার্থপর আচরণ এবং ভবনের অব্যবস্থাপনার ফলে সেদিন ৪৩ জন নিরীহ মানুষ ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে এবং ৩জন মানুষ আগুনে পুড়ে মোট ৪৬ জন নিহত হয়।

২০২৪ সালে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনের মর্মান্তিক অগ্নিকান্ডের ঘটনার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. শাহজালাল মুন্সি এমনটাই জানিয়েছেন। - সূত্র প্রথম আলো।

কাচ্চি ভাই আমার সবচেয়ে প্রিয় ছিলো। কিন্তু কাস্টমারের জীবনের চেয়ে তাদের কাছে বিল বড় হয়ে যায়, দরজা লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা যদি সত্যি হয়ে থাকে। আর প্রিয় রইলো না।

আদালতে উপযুক্ত প্রমাণের ভিত্তিতে দোষী সাব্যস্ত হলে কাচ্চি ভাইসহ পুরো ভবনের অনিয়মকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কামনা করছি।

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন সারাদিন এত কাজের মাঝেও আমি এত এনার্জি পাই কোথায়? রহস্যটা লুকিয়ে আছে এই দুপুরের প্লেটে!রেসিপি - কাবলি...
01/04/2026

অনেকেই জিজ্ঞেস করেন সারাদিন এত কাজের মাঝেও আমি এত এনার্জি পাই কোথায়? রহস্যটা লুকিয়ে আছে এই দুপুরের প্লেটে!

রেসিপি -
কাবলি ছোলা, তাজা গাজর, শসা, টমেটো, দুটো সিদ্ধ ডিম, একটু অলিভ অয়েল, লেবুর রস আর পিঙ্ক সল্ট—সব মিশিয়ে বানানো এই সহজ সালাদটা শরীরের জন্য দারুণ উপকারী।

​ভাতের কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে যখন আপনি কাবলি ছোলার প্রোটিন আর সবজির ভিটামিন বেছে নেবেন, তখন শরীর আর মন দুটোই বলবে "থ্যাঙ্ক ইউ!"
​অল্প অলিভ অয়েল আর পিঙ্ক সল্টের এই কম্বিনেশন জাস্ট ওয়াও! শরীরকে ডিটক্স করার এর চেয়ে সহজ উপায় আর হয় না।

১. পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে, তাই অসময়ে উল্টোপাল্টা খাওয়ার ইচ্ছা জাগে না।
২. যারা বডি ট্রান্সফরমেশন বা ফিটনেস নিয়ে ভাবছেন, তাদের জন্য এটি পাওয়ার হাউস।
৩. ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এই অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার ম্যাজিকের মতো কাজ করে।

​বিশ্বাস না হলে অন্তত ৩ দিন দুপুরে ভাতের বদলে এটি খেয়ে দেখুন, পরিবর্তন নিজেই বুঝবেন! কে কে ট্রাই করবে?

সংগৃহীত

তরমুজের সাদা অংশের বিস্ময়কর সব উপকারিতা জেনে নিনঃ১.তরমুজের সাদা অংশে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং গরম...
29/03/2026

তরমুজের সাদা অংশের বিস্ময়কর সব উপকারিতা জেনে নিনঃ

১.তরমুজের সাদা অংশে প্রচুর পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে।

২. রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

এই অংশে থাকে সিট্রুলিন (Citrulline) নামের একটি অ্যামিনো অ্যাসিড, যা রক্তনালী প্রসারিত করে → ফলে ব্লাড প্রেসার কমাতে সাহায্য করে।

৩. কিডনি ও ইউরিনারি হেলথ ভালো রাখে

এটি প্রাকৃতিক ডাইইউরেটিক (মূত্র বাড়ায়), ফলে শরীরের টক্সিন বের করতে সাহায্য করে এবং কিডনির উপর চাপ কমায়।

৪. হজম শক্তি উন্নত করে

এতে থাকা ফাইবার হজম ভালো করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।

৫. যৌন স্বাস্থ্যে উপকারী

সিট্রুলিন শরীরে গিয়ে আর্জিনিন (Arginine)-এ রূপান্তরিত হয়, যা রক্তপ্রবাহ বাড়ায় → কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রাকৃতিক ভায়াগ্রার মতো কাজ করতে পারে।

(দূর্বল পুরুষদের জন্য বিশেষভাবে কার্যকরী)

৬. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

এতে ভিটামিন C ও অন্যান্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

তাই তরমুজ খেলে অবশ্যই এর সাদা অংশ বাদ দিবেন না,এখানেই বেশি পুষ্টিগুণ লুকিয়ে আছে।

ধন্যবাদ

তরমুজের বিচি-গরমে আমরা তরমুজ খাই শরীর ঠান্ডা রাখতে—কিন্তু জানেন কি, যে বিচিটা ফেলে দেন সেটাই হতে পারে আপনার ইমিউনিটি বুস...
27/03/2026

তরমুজের বিচি-

গরমে আমরা তরমুজ খাই শরীর ঠান্ডা রাখতে—কিন্তু জানেন কি, যে বিচিটা ফেলে দেন সেটাই হতে পারে আপনার ইমিউনিটি বুস্টার?

তরমুজের বিচিতে থাকে ভালো পরিমাণ জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, হেলদি ফ্যাট ও প্রোটিন। গবেষণায় দেখা গেছে, জিংক আমাদের ইমিউন সিস্টেম শক্তিশালী করে, ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে এবং হরমোন ব্যালান্সেও ভূমিকা রাখে।

১০০ গ্রাম শুকনো তরমুজের বিচিতে প্রায় ৭–১০ mg জিংক থাকতে পারে, যা দৈনিক চাহিদার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ।

-------------------------------

এখন কেন তরমুজের বিচি খাবেন?

★ইমিউনিটি বাড়ায় → জিংক T-cell function উন্নত করে
★হরমোন ব্যালান্সে সাহায্য করে → বিশেষ করে PCOS/ত্বক সমস্যা
★হার্টের জন্য ভালো → ম্যাগনেসিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে
★এনার্জি দেয় → প্রোটিন + হেলদি ফ্যাট = দীর্ঘসময় শক্তি

------------------------------
সংরক্ষণের সহজ পদ্ধতি-

১. বিচি আলাদা করুন- তরমুজ খাওয়ার পর বিচিগুলো পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন

২. রোদে শুকান - ২–৩ দিন রোদে শুকান যতক্ষণ না পুরোপুরি শুকিয়ে যায় (আর্দ্রতা থাকলে ফাঙ্গাস হতে পারে)

৩. হালকা ভাজুন- কম আঁচে শুকনো প্যানে ৫–৭ মিনিট নেড়ে ভাজুন (তেল ছাড়াই)। এতে shelf life বাড়ে এবং digest করা সহজ হয়

৪. সংরক্ষণ করুন- এয়ারটাইট কন্টেইনারে রেখে ১–২ মাস পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারবেন

------------------------------

কিভাবে খাবেন-

_প্রতিদিন ১–২ টেবিল চামচ
_সালাদ, ওটস, দই বা স্মুদিতে মিশিয়ে
_সরাসরি হালকা স্ন্যাকস হিসেবেও খেতে পারেন

সতর্কতা-

_অতিরিক্ত খাবেন না (ক্যালরি বেশি)
_কিডনি সমস্যা বা মিনারেল রেস্ট্রিকশন থাকলে খাবেন।না

--------------------------------

USDA FoodData অনুযায়ী, তরমুজের বিচিত প্রোটিন ও মিনারেল সমৃদ্ধ

WHO: Zinc deficiency → দুর্বল ইমিউনিটি ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়

ছোট একটা স্বাস্থ্যকর অভ্যাস—ফেলে না দিয়ে ব্যবহার—আপনার ডায়েটে যোগ করতে পারে বড় পুষ্টিগুণ।

15/03/2026

তরমুজের দাম জিগাইলাম। ৯০ টাকা কেজি চাইলো

বললাম, এত দাম কেন?

দোকানদার বলল, কিছুই দেখি জানেন না! ইরান তরমুজ প্রণালী বন্ধ কইরা দিছে। মালের সাপ্লাই নাই। সামনে আরও দাম বাড়বো। ২ দিন পর এই দামেও পাইবেন না।

 #পরিমিত_ও_ঠিক_সময়ে_খাবার_রোগ_প্রতিরোধ_করেআমরা সাধারণত কী খাচ্ছি সেটার দিকে বেশি নজর দিই, কিন্তু কখন খাচ্ছি সেটাও শরীরের...
15/03/2026

#পরিমিত_ও_ঠিক_সময়ে_খাবার_রোগ_প্রতিরোধ_করে

আমরা সাধারণত কী খাচ্ছি সেটার দিকে বেশি নজর দিই, কিন্তু কখন খাচ্ছি সেটাও শরীরের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সকালে শরীর সবচেয়ে বেশি সক্রিয় থাকে, তাই সকালে পুষ্টিকর ও ভালো করে খাওয়া দরকার। এতে সারাদিন কাজ করার শক্তি পাওয়া যায়।

দুপুরের খাবার হওয়া উচিত পরিমিত ও সুষম। ভাত/রুটি, ডাল বা প্রোটিন (মাছ, মাংস, ডিম) এবং সবজি একসাথে থাকলে শরীর ঠিকমতো পুষ্টি পায় এবং শক্তি স্থির থাকে।

রাতে শরীরের কাজকর্ম কম থাকে, তাই খুব ভারী বা বেশি খেলে সেই শক্তি খরচ না হয়ে শরীরে জমতে পারে। এজন্য রাতে হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খাওয়া ভালো।

সারকথা —
সকালে ভালো করে খাও,
দুপুরে পরিমিত খাও,
রাতে হালকা খাও।
এই অভ্যাস ওজন নিয়ন্ত্রণ ও রোগ প্রতিরোধ করে।

#যাদের_বয়স_চল্লিশোর্ধ্ব_রাতে_ভাত_রুটি_পরিহার_করুন।

শাকসবজি যত বেশি খাওয়া যাবে, তত বেশি সুস্থ থাকা যাবে, এটা সত্য কথা নহে! প্রকৃতিতে শাকসবজি তৈরি হয়েছে মূলত গরু, ছাগল, ভেড়া...
10/03/2026

শাকসবজি যত বেশি খাওয়া যাবে, তত বেশি সুস্থ থাকা যাবে, এটা সত্য কথা নহে! প্রকৃতিতে শাকসবজি তৈরি হয়েছে মূলত গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষের মতো তৃণভোজী প্রাণীদের জন্য! মানুষের জন্য না!

প্রকৃতির স্বাভাবিক খাদ্যচক্র হলো: শাকসবজি → প্রাণী → মানুষ!
যেকোনো খাবার খাওয়ারই ভুল ও সঠিক নিয়ম থাকে। শাকসবজির ক্ষেত্রে সরাসরি শাকসবজি খাওয়াটা হলো ভুল!
শাকসবজি খাওয়ার সঠিক পদ্ধতি হলো গরু-ছাগল-ভেড়াকে শাকসবজি খাওয়ান তারপর ঐ শাকসবজি খাওয়া প্রাণীর মাংস ও চর্বি খান!

গরু-ছাগলের একাধিক পাকস্থলী আছে, যেখানে লক্ষ কোটি জীবাণু কাজ করে সারাক্ষণ। এই জীবাণুদের দ্বারা ফারমেন্টেশনের মাধ্যমেই শাকসবজির ভেতরের পুষ্টি এমন এক রূপ নেয়, যেটা মানুষের শরীর সহজে গ্রহণ করতে পারে!
মানুষ কিন্তু এই রকম কোনো ফারমেন্টেশন সিস্টেম পায়নি। মানুষের একটাই পাকস্থলী, যার হজমক্ষমতা সীমিত। তাই উদ্ভিজ্জ খাবারের অনেক পুষ্টি মানুষের শরীরে ঠিকমতো কনভার্ট বা শোষিতই হয় না। এজন্যই মানুষ সরাসরি শাকসবজি বেশি খেলে অনেক সময় হজমের চাপ বাড়ে, পেট ফাঁপে, পুষ্টি শোষণ কমে!

গরু-ছাগলদের শরীর এমনভাবে ডিজাইন করা যে, তারা ঘাস, পাতা, শাকসবজির শক্ত ফাইবার ভেঙে ফেলে, ফারমেন্ট করে, অ্যান্টি-নিউট্রিয়েন্ট নিষ্ক্রিয় করে, আর সেই উদ্ভিজ্জ উপাদানকে মানুষের জন্য সেরামানের প্রোটিন, চর্বি, কোলাজেন ও সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তর করে!

কোলাজেনসমৃদ্ধ খাবার খেলে আপনার ত্বক, চুল, হাড় সুন্দর-সুস্থ থাকবে।
কোলাজেন ত্বক, হাড়, পেশি, চুল, নখ, চোখ, রক্তনালী, জয়েন্ট এ সবকিছুর জন্য কাঠামো তৈরি করে! যদি কোলাজেন না থাকে, তাহলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাবে!
কোলাজেন তৈরির জন্য শরীরের দরকার হয় নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড (বিশেষ করে glycine, proline, hydroxyproline)। এই অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো সবচেয়ে বেশি ও সরাসরি পাওয়া যায় গরু-ছাগলের হাড়ের ঝোল (bone broth), চামড়া, টেন্ডন, কার্টিলেজ, জেলাটিন, মাংস ও চর্বিতে!

গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়েই কোলাজেন তৈরি করে।
কিন্তু মানুষ তাদের মতো করে পারে না!
কারণ ঘাসভোজী প্রাণীর আছে একাধিক পাকস্থলী, কোটি কোটি বিশেষ ব্যাকটেরিয়া ও সেলুলোজ ভাঙার এনজাইম সিস্টেম। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো ঘাস-পাতার প্রোটিন ও নাইট্রোজেন থেকে নিজেরাই glycine ও proline-এর মতো কোলাজেন-নির্মাণকারী অ্যামিনো অ্যাসিড বানায়। পরে সেই ব্যাকটেরিয়াল প্রোটিনই প্রাণীর শরীর শোষণ করে কোলাজেন বানায়।
মানুষের একটাই পাকস্থলী, গাট ব্যাকটেরিয়া সীমিত, ফারমেন্টেশন সময় খুব অল্প, সেলুলোজ ভাঙার এনজাইম নেই! ফলে মানুষ উদ্ভিজ্জ খাবার খেয়ে কোলাজেনের মূল কাঁচামাল (glycine, proline, hydroxyproline) পর্যাপ্ত পায় না!

এজন্যই শাকসবজি আগে গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ খাবে, তাদের শরীর সেই শাকসবজিকে মানুষের উপযোগী পুষ্টিতে রূপান্তর করবে, তারপর মানুষ সেই প্রাণীর মাংস ও চর্বি খাবে। এই চক্রেই শাকসবজির পুষ্টি সবচেয়ে নিরাপদ, সবচেয়ে শক্তিশালী এবং সবচেয়ে বায়োঅ্যাভেইলেবল হয়ে মানুষের শরীরে পৌঁছায়!

প্রকৃতিতে শাকসবজি মূলত সূর্যের আলো, মাটি আর পানির শক্তিকে ধরে রাখে, কিন্তু সেই শক্তি মানুষের শরীর সরাসরি পুরোটা ব্যবহার করতে পারে না। আমরা শাকসবজি খাই ঠিকই, কিন্তু তার ভেতরের অনেক পুষ্টি বেকার বেরিয়ে যায়।

এখানেই গরু, ছাগল, ভেড়া বা মহিষের ভূমিকা আসে। তারা শাকসবজি, ঘাস, পাতা খায় আর সেগুলোকে রূপান্তর করে মাংস, চর্বি, দুধের মতো ঘন ও শক্তিশালী পুষ্টিতে। যখন মানুষ সেই প্রাণীর মাংস ও চর্বি খায়, তখন সে আসলে শাকসবজিরই সারাংশ খায়, কিন্তু অনেক বেশি বায়োএভেইলেবল আকারে। এতে শরীর কম পরিশ্রমে বেশি পুষ্টি পায়, রক্তে দ্রুত ব্যবহারযোগ্য শক্তি আসে, হরমোনাল সিস্টেম স্থিতিশীল থাকে।
এ কারণে ঐতিহ্যবাহী সমাজগুলোতে শাকসবজি কখনোই খাবারের মূল উৎস ছিল না। শাকপাতা ছিল সহায়ক, আর প্রাণিজ খাবার ছিল প্রধান!

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটলে শরীরের ফ্যাট বার্ন শুরু হয়, বাড়ে স্ট্যামিনা ও এনার্জি। কাল নয় আজ থেকেই শুরু করুন।       ...
04/03/2026

প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটলে শরীরের ফ্যাট বার্ন শুরু হয়, বাড়ে স্ট্যামিনা ও এনার্জি। কাল নয় আজ থেকেই শুরু করুন।


Address

Rajgonj Bazar
Jessore
7440

Telephone

+8801516186746

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Eat To Survive posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share