ᗩdvent ᗪigital

ᗩdvent ᗪigital We are an SEO services provider Agency, We provide affordable marketing solutions or complete packag Google Top Ranking means more sales and more organic leads.

Monthly SEO Services will get Rank your Business on Google's First Page. We are a team running this Digital Marketing Agency for more than 3 years. We have ranked more than 600+ keywords, taken from 30+ companies to 1 Page on Search Engines. We will help you to rank on 1 page of search engines so that you can get maximum traffic and sales.

ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ? চালু করুন চ্যানেল মনিটাইজেশনবর্তমান সময়ে YouTube এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করার উপায় অনেক...
23/06/2022

ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ? চালু করুন চ্যানেল মনিটাইজেশন

বর্তমান সময়ে YouTube এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করার উপায় অনেক জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখনের সময়ে হাজার হাজার লোকেরা ইউটিউবের মাধ্যমে টাকা আয় করছেন।

তবে, আপনিও যদি YouTube থেকে ইনকাম করার কথা ভাবছেন,

তাহলে সবচে আগেই আপনার জেনে নেওয়া দরকার “ইউটিউব ভিডিও মনিটাইজেশন” এর বিষয়ে।

আসলে, YouTube এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার মূল বিষয়টাই হলো, “ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা video গুলোকে monetize করা”.

কিন্তু এখন হয়তো অনেকেই ভাবছেন যে, “ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ?” এবং “কিভাবে করতে হয় ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন ?“.

চিন্তা করবেননা, আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সম্পূর্ণটা বুঝিয়ে বলবো।

তবে, YouTube monetization এর বিষয়ে অধিক জানার আগেই আমি বলে দিচ্ছি,

চ্যানেলের ভিডিও গুলো মনিটাইজ করার জন্য কিছু জরুরি নিয়ম কানুন বা শর্তাবলী রয়েছে।

তাই, Monetization এর মাধ্যমে income করার জন্য, আপনার সেই শর্তাবলী গুলো মেনে কাজ করতে হবে।

তবে চিন্তা করবেননা, নিচে আমি সম্পূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আপনাকে বলে দিচ্ছি।ইউটিউব চ্যানেল প্রমোট করুন এভাবে
ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার হাইড করার নিয়ম
কিভাবে ইউটিউব ভিডিও বানাবো ?
ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ? (What is YouTube monetization)
যা আমি ওপরে বলেছি, আপনার YouTube চ্যানেলের মধ্যে একটি বিশেষ feature রয়েছে যেটাকে বলা হয় “monetization”.

এই Monetization option টি যখন চালু করে দেওয়া হয়, তখন আপনার YouTube চ্যানেলে থাকা ভিডিও গুলোতে কিছু বিজ্ঞাপন দেখানো হয়।

এবং, আপনার ভিডিও গুলোতে দেখানো বিজ্ঞাপনের বিপরীতে, YouTube আপনাকে কিছু টাকা দিয়ে থাকে।

তাই, ইউটিউব মনিটাইজেশন মানে হলো এমন এক প্রক্রিয়া,

যার মাধ্যমে, আপনি ইউটিউবকে নিজের চ্যানেলের ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানোর অনুমতি দিচ্ছেন।

এখন, যখন আপনি YouTube কে বিজ্ঞাপন (ads) দেখানোর অনুমতি দিয়ে দিচ্ছেন,
তখন Google তার advertising partner গুলোর ads আপনার videos এর মধ্যে দেখাবে।

আপনার video গুলোতে যতটা টাকার বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, তার ৪৫% গুগল নিজে রাখবেন,

এবং, ৫৫% আপনাকে দিয়ে দিবে আপনার Google AdSense account এর মাধ্যমে।

আর, পরে আপনি আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্ট থেকে নিজের আয় করা টাকা bank account এর মধ্যে তুলে নিতে পারেন।

তবে, ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করার আগে, ইউটিউবের নতুন নিয়ম কানুন ও শর্তাবলী গুলোর বিষয়ে অবশই জেনে রাখাটা দরকার।

তাহলে আশা করছি, ইউটিউব মনিটাইজেশন কি (What Is YouTube Monetization in Bangla) বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।
ইউটিউব ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয় ?
YouTube আমাদের কেন টাকা দেয় ?
এখন, অনেকের মাথায় এই প্রশ্নটাও আসতেই পারে যে, “কেন ইউটিউব আমাদের টাকা দেয়” ?

তবে, এই প্রশ্নের উত্তর সোজা।

আসলে, YouTube হলো Google এর একটি সেবা।

আর আমরা সবাই জানি যে Google এর আরেকটি সেবা রয়েছে যাকে আমরা Google ads বলে চিনি।

এই Google ads এর একটি account তৈরি করে, জেকেও নিজের product, business, service, website, video ইত্যাদি ইন্টারনেটে marketing ও promote করার জন্য গুগল কে টাকা দিয়ে
এবং, advertisers দের থেকে টাকা নিয়ে গুগল তাদের product / business এর বিজ্ঞাপন গুলো YouTube এর মাধ্যমে আমাদের ভিডিওতে দেখায়।

আর যার বিপরীতে, advertiser থেকে নিয়ে নেওয়া টাকার ৪৫% গুগল নিজের কাছে রাখে এবং ৫৫% আমাদের দিয়ে দেয়।

তাই, যদি ইউটিউব বা গুগল আমাদের টাকা না দিতো, তাহলে আমরা এতটা কষ্ট করে ইউটিউবে চ্যানেল বানাতামনা আর ভিডিও আপলোড করতামনা।

যাতে, YouTube video creator এর মধ্যে টাকা আয় করার উৎসাহ এবং রুচি থাকে, তার জন্যেই YouTube / Google আমাদের টাকা দিচ্ছে।
কেননা YouTube creator রা ভিডিও বানানো ছেড়ে দিলে, গুগলের জন্য advertiser দের বিজ্ঞাপন দেখানোটা সমস্যার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

আর, যদি ভিডিও না থাকতো তাহলে বিজ্ঞাপন ও দেখানো হতোনা। তাহলে, গুগল নিজে কিভাবে আয় করতো ?

গুগল কিভাবে টাকা আয় করে ?
৩ টি মাধ্যমে গুগল থেকে আয় করুন
ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন নিয়ম

কিছু বছর আগে যেকোনো YouTube channel এর ক্ষেত্রে monetization চালু করাটা একটি সাধারণ বিষয় ছিল।

মানে, যেকোনো ইউটিউবের চ্যানেলে কে ভিডিও মনিটাইজেশন এর জন্য অনুমতি দিয়ে দেওয়া হতো।

তবে, ২০২০ এর এখনের সময়ে এতটা সহজেই কিন্তু মনিটাইজেশন চালু করা সম্ভব না।

ইউটিউবের কিছু ধরে দেওয়া শর্তাবলী রয়েছে, যেগুলো মানার পর monetization এর জন্য আবেদন জানাতে পারবেন।

সেই শর্তাবলী গুলো হলো,

আপনার ইউটিউবের চ্যানেলে কমেও ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
বিগত ১২ মাসের মধ্যে 4,000 Watch Time hours আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে হতে হবে।
YouTube’s policies & guideline মেনে চ্যানেলে কাজ করতে হবে।
আগের থেকে ইউটিউবে থাকা অন্যদের ভিডিও নিজের চ্যানেলে আপলোড দিতে পারবেননা।
তাহলে বুঝতে পারলেন তো, ইউটিউব ভিডিওতে মনিটাইজেশন চালু করার নিয়ম গুলো।

কিভাবে ইউটিউব ভিডিওর ভিউ বাড়বে ?
সফল ইউটিউবার কিভাবে হতে পারবেন ?
YouTube মনিটাইজেশন এপ্লাই কিভাবে করতে হয় ?
এখন, যদি আপনার মনে এই প্রশ্নটি চলে আসছে যে,
“কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করবো” বা “মনিটাইজেশন চালু করার নিয়ম কি” বা “মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই কিভাবে করবো” ?

তাহলে এর একটি প্রক্রিয়া রয়েছে।

যদি আপনার চ্যানেলে বিগত ১২ মাসের মধ্যে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ ঘন্টার ভিডিও ওয়াচ টাইম হয়ে গেছে,

তাহলে আপনি নিচে দেওয়া স্টেপ গুলো ফলো করে, ভিডিও মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই অবশই করতে পারবেন।
(How To Enable YouTube Monetization in Bangla).

ভিডিও মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই কিভাবে করবো – (Steps)
সবচে আগে আপনি আপনার YouTube চ্যানেলে লগইন করুন।

এবার, YouTube Studio র dashboard এ চলে আসুন।

YouTube channel icon এর মধ্যে ক্লিক করলেই আপনারা YouTube studio নামের অপসন দেখতেই পাবেন।

এবার YouTube studio র dashboard এর বাম দিকে থাকা option গুলোর মধ্যে “$ Monetization” অপশনে ক্লিক করুন
ইউটিউব ভিডিও মনিটাইজেশন এপ্লাই
এখন, আপনারা একটি নতুন page দেখবেন, যেখানে দেখানো হবে যে আপনার চ্যানেলে মোট কতটা subscriber এবং video watch hour হয়েছে।

যদি, প্রয়োজনের হিসেবে 1000 subscriber এবং 4000 video watch hour আপনার চ্যানেলে আছে,

তাহলে নিচে আপনারা “Apply now” এর একটি button দেখতে পাবেন।
যদি আপনাকেও apply now বাটন দেখানো হচ্ছে,

তারমানে আপনার চ্যানেলের জন্য প্রয়োজনীয় minimum subscribers এবং watch hours এর পরিমান সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

এবার সোজা “Apply Now” এর বাটনে ক্লিক করুন।

Monetization এর জন্য apply করার প্রক্রিয়া
Apply now তে click করার পর পরের পেজে আপনারা, ৩ টি আলাদা আলাদা স্টেপ দেখতে পাবেন।

Review partner program terms
Signup for Google AdSense
Get reviewed
মূলত এই ৩ টি স্টেপ রয়েছে, যেগুলো একে একে সম্পূর্ণ করে, নিজের চ্যানেলটিকে রিভিউতে পাঠাতে পারবেন।

চ্যানেল রিভিউ করার পর যদি YouTube মনে করে যে, বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য আপনার ভিডিও গুলোর মধ্যে যোগ্যতা রয়েছে,

তাহলে আপনার চ্যানেলের জন্য monetization চালু করে দেওয়া হবে।

চলুন, স্টেপ গুলোর বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনেনেই।১১ লাভজনক ইউটিউব চ্যানেল আইডিয়া
Step1. Review partner program policies
এটা হলো সব থেকে প্রথম স্টেপ যেখানে আপনার “YouTube partner program terms” গুলোকে accept করতে হবে।

সোজা step 1 এর নিচে থাকা start লিংকে ক্লিক করুন।
আপনার সামনে কিছু program terms ও agreement গুলো চলে আসবে যেগুলোকে ভালো করে পড়ে নিন।
এবার নিচে “I accept YouTube partner program terms” এর বক্সে click করে সেটাকেselect করে নিন।
শেষে, accept terms এর বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার প্রথম স্টেপ সফলতা পূর্বক সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।
Step 1 লেখার সামনে আপনারা “Done” দেখতে পারবেন।
Step 2. Signup for Google AdSense
এবার দ্বিতীয় ষ্টেপের নিচে আপনারা Start link / button দেখতে পাবেন।
Start link এর মধ্যে click করার সাথে সাথে, আপনাকে গুগল এডসেন্স এর ওয়েবসাইটে রিডাইরেক্ট করার কথা বলা হবে।
আপনার কাছে যদি আগের থেকে AdSense account নেই তাহলে “No, I don’t have an existing account” অপশনটি select করুন এবং নিচে continue বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনাকে Google AdSense এর ওয়েবসাইটে redirect করা হবে।
তবে, AdSense এর ওয়েবসাইটে যাওয়ার আগেই আপনাকে signup করার জন্য আপনার Gmail এর একাউন্টে লগইন করতে বলা হবে।
সঠিক ভাবে নিজের Gmail / Google account details দিয়ে লগইন করুন।
এবার আপনার সামনে Google AdSense এর homepage খুলে যাবে।
Homepage এর মধ্যে কেবল “Select Your country & territory” অপসন থেকে নিজের দেশ (country) সিলেক্ট করে নিন।
এবার, একেবারে নিচে “yes, I read and accept the agreement” এর option এর মধ্যে click করে select করুন।
এবার শেষে, Create account লিংকে ক্লিক করুন।
এখন, আপনাকে আপনার address details দেয়ার জন্য বলা হবে। তাই, সঠিক ভাবে নিজের ঠিকানা দিয়ে দিন।
যখন আপনি address details দিয়ে নিচে submit বাটনে ক্লিক করবেন, তখন আপনাকে আবার আপনার YouTube channel এর channel monetization পেজ এর মধ্যে redirect করে দেওয়া হবে।
Channel monetization পেজ এর মধ্যে step 2 এবার সম্পূর্ণ ভাবে হয়ে গেছে।
তবে, YouTube এবং Google আপনার চ্যানেলের সাথে এডসেন্স লিংক করতে প্রায় ৭২ ঘন্টার সময় নিতে পারে।
একবার আপনার channel এবং AdSense account লিংক হয়ে গেলে, আপনারা step 2
র সামনে “Done” লেখাটি দেখতে পারবেন।
এভাবে আমাদের Step 2 সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।
Step 3. Get reviewed
শেষে, step 3 তে আপনার নিজের থেকে কিছু করতে হবেনা।

Step 2 সঠিক ভাবে হয়ে গেলে, step 3 তে লিখা অনুসরি আপনার channel টি YouTube এর দ্বারা review করা হবে।
যদি, সব ঠিক থাকে তাহলে আপনার YouTube channel এর monetization enable করে দেওয়া হবে।
এবং এর পর আপনার চ্যানেলে থাকা ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানো চালু হয়ে যাবে।
ফলে, আপনি আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।
আপনাকে YouTube এর মাধ্যমে email পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
তাহলে বুঝলেন তো, কিভাবে ইউটিউবে monetization এর জন্য apply করতে হয়।

আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।

Monetization apply করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার মধ্যে, কেবল Step 2 একটু জটিল।

কেননা, এখানেই আপনার একটি নতুন Google AdSense register করতে হয় নিজের চ্যানেলে লিংক করার জন্য।

YouTube SEO কি ?
আমাদের শেষ কথা,
তাহলে বন্ধুরা, ইউটিউব মনিটাইজেশন কাকে বলে এবং মনিটাইজেশন এর জন্য কিভাবে এপ্লাই করতে হয়,

সবটাই আমি আপনাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানিয়ে দিলাম।

আশা করছি আজকের এই আর্টিকেল “About YouTube monetization in Bengali” আপনাদের ভালো লেগেছে।

তবে, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

তাছাড়া, আর্টিকেল ভালো লাগলে শেয়ার অবশই করবেন।

আসসালামুআলাইকুম,আশা করি সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি।ইন্টারনেট ব্যবহার করে অথচ ফেসবুক আই...
20/06/2022

আসসালামুআলাইকুম,

আশা করি সবাই ভালো আছেন। আলহামদুলিল্লাহ্‌ আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি।
ইন্টারনেট ব্যবহার করে অথচ ফেসবুক আইডি নেই এমন লোক বাংলাদেশে আছে বলে আমার মনে হয়না।
আর ফেসবুকের একটি মজার অংশ হচ্ছে ফেসবুক পেইজ। সবাই’ই চায় তার একটা জনপ্রিয় ফেসবুক পেইজ থাকুক। কিন্তু ফেসবুক পেইজের লাইক বাড়াতে না পেরে হতাশ হয়ে পরে।
অনেক চেষ্টার পরেও যখন পেইযে লাইক বাড়েনা তখনই ভাবে আমাকে দিয়ে মনে হয় হবেনা। আর সত্য এটাই যে পেইজ প্রমোট করা ছাড়া পেইজ জনপ্রিয় ও বড় করা সম্ভবই নয়।
আজ আমি আলোচনা করবো ফেসবুক প্রমোট/বুষ্ট নিয়ে।প্রমোট/বুষ্ট কী?
অনেকে এটাকে অটো লাইক মনে করেন। আসলে এমনটা না। প্রমোট/বুষ্ট হচ্ছে ফেসবুক পেইজে লাইক বাড়ানোর নিয়মতান্ত্রিক প্রন্থা। প্রমোট দিলে আপনার পেইজটি মানুষের হোমপেইজে পৌছাবে এবং যদি ভালো লাগে তারা এতে লাইক দেবে।

ফেসবুক পেইজ সাধারণত এভাবেই লাইক বাড়িয়ে জনপ্রিয় করা হয়। পৃথিবীতে যত বড় বড় পেইজ আছে, সবগুলাই এই প্রন্থাতে বড় করা।



এবার জেনে নিই প্রমোট আর বুষ্টের মধ্যে পার্থক্য কিঃ
আসলে দুটোর মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। বুষ্ট দেওয়া হয় পেইজের পোষ্টকে। আপনার পেইজে একটা পোষ্ট করে সেটাকে বুষ্ট দিলে সেই পোষ্টটা মানুষের কাছে বেশি বেশি পৌছাবে এবং তারা এই পোষ্টটাতে লাইক দেবে,কমেন্ট করবে ; একেই বলে বুষ্ট।আর প্রমোট দিলে আপনার সম্পূর্ণ পেইজটাই মানুষের কাছে পৌছাবে এবং তারা সেটাকে লাইক দেবে ; এতে আপনার পেইজের লাইক বাড়বে।



আপনি যদি আপনার নির্দিষ্ট কোনো পোষ্ট বা ছবি মানুষের কাছে ছড়াতে চান তাহলে সেক্ষেত্রে আপনি বুষ্ট দেবেন।



আর যদি আপনার পেইজকে জনপ্রিয় করতে চান, তাহলে প্রমোট দেবেন। (আমার মতে প্রমোট দেওয়াই ভালো। এতে লাইকগুলো আপনার পেইজে স্থায়ী হয়ে গেলো)



কিভাবে দিতে হয় প্রমোট বা বুষ্টঃ
পেইজ প্রমোট দিতে হলে মাস্টার কার্ডের প্রয়োজন হয়। সেই কার্ডটাতে ডলার ($) রিচার্জ করে প্রমোট বা বুষ্ট দিতে হয়।

১ ডলার ($) = ১২০ বা ১৩০ টাকা । আপনি যত বেশি টাকার প্রমোট দেবেন ততো বেশি লাইক আসবে। এটার কোনো শেষ নেই । কোটি কোটি টাকার প্রমোট দিলেও এটি শেষ হবেনা। তবে ১ ডলারেও দেওয়া যায় এটি ।



কোথায় পাবো সেই কার্ডঃএই কার্ড সাধারণত যারা ফেসবুক বিজনেস করে তাদের কাছেই পাওয়া যায়। নরমাল কোনো ব্যক্তির কাছে এটা থাকেনা।
আমেরিকার একটা কোম্পানীতে এপ্লাই করে এটা সংগ্রহ করা যায়। তবে এটা পাওয়া অনেক ঝামেলা।

তবে এখন বাংলাদেশে থেকেও খুব সহজেই মাস্টার কার্ড পাওয়া যায় ।

আপনার নিকটস্থ কারো যদি কার্ড থেকে থাকে তাহলে আপনি ওই কার্ড দিয়ে পেইজ প্রমোট করতে পারেন।

অনলাইনে অনেকে এই কার্ড দিয়ে ব্যবসাও করে। (যেমনঃ আমরা জানি ১ ডলারের দাম ২ টাকা। আপনি তাকে ১ ডলারের জন্য ১২০ টাকা দিলে সে আপনার পেইজকে প্রমোট করে দিতে পারে ।)
আপনি চাইলে তাদের কাছ থেকেও সাহায্য নিয়ে পেইজ প্রমোট করতে পারেন।

তবে সাবধান,এদের মধ্যে অনেক প্রতারক রয়েছে,যারা টাকা নিয়ে প্রমোট দেয়না। কেউ প্রতারিত হলে ট্রিকবিডি দায়ী থাকবেনা।
(ইনশাল্লাহ নেক্সট আরেকটা পোষ্টে আমি তুলে ধরার চেষ্টা করবো কিভাবে মাস্টার কার্ড পাওয়া যায়। )
তারপরও যদি সংগ্রহ করতে না পারেন,তাহলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমার কার্ড আছে। ট্রিকবিডির পক্ষ থেকে আমি সাহায্য করার চেষ্টা করার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।
কেউ কিছু বুঝতে সমস্যা হলে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। যথাসম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করবো ইনশাল্লাহ।

13/06/2022

ইউটিউব মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ গাইডলাইন স্টেপ বাই স্টেপ – এবার Youtube থেকে আয় করুন খুব সহজে
ফ্রিল্যান্সিং এর যুগে অনলাইন আর্নিং এর প্রতি কম বেশী সবার আগ্রহ। কিন্তু অনেকেই অহেতুক সময় নষ্ট করে এই ফ্রিল্যান্সিং এর জন্য। আজ আমি আপনাদের নিয়ে আলোচনা করব কিভাবে আপনি ইউটিউব থেকে আয় করবেন।

এক নজরে বিস্তারিত [hide]

1 চলুন একটি একাউন্ট তৈরি করি
2 কপিরাইট এবং ফেয়ার ইউজেস
3 কি কি প্রোগাম আর সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন
3.1 ভিডিও এডিটর
3.2 ইনট্রো নির্বাচন করুন
3.3 অডিও এডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স
4 টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ
4.1 কিওয়ার্ড রিসার্চ
5 ভিডিও তৈরি করুন
6 আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ান
7 গোপন ফরমুলা
8 আপনার চ্যানেলের বন্ধু বাড়ান
9 অন্যের চ্যানেলের ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন
10 ভিডিও এমবেড কোড
11 এনোটেশন
12 ভিডিও দেবার সময়
13 চেষ্টা করবেন সবার আগে ভিডিও দেওয়ার
14 ভালো ছবি নির্বাচন করুন
15 উপসংহার
চলুন একটি একাউন্ট তৈরি করি
প্রথমেই একটি সুন্দর নাম নির্বাচন করুন নামটাই অনেক কিছু। তাই প্রথমেই এমন একটি নাম চিন্তা করুন যা এর আগে কেউ ব্যবহার করেনি। নামটি আপনি যে কোন বিষয়ের উপর নিতে পারেন, সেটা হতে পারে রান্না বিষয়ক, গেমস নিয়ে, স্বাস্থ্য নিয়ে বা যে কোন বিষয়। কিন্তু সাবধান একবার যদি আপনি আপনার চ্যানেলের নাম ঠিক করে ফেলেন তাহলে তা আর কখনো পরিবর্তন করতে পারবেন না। দরকার হলে অনেক সময় নিয়ে চিন্তা করুন, ভাবুন তারপর ঠিক করুন আপনার ইউটিউব চ্যানেলের নাম। তবে নামটি অবশ্যই এমন একটি নাম দিবেন যাতে আপনার চ্যানেলের নাম খুব সহজে মনে রাখা যায়। ভুল করেও কখনো সংখ্যা দিয়ে নাম ব্যবহার করবেন না। এই সাইটে গিয়ে আপনি চেক করে নিতে পারেন আপনি কোন নামটি দিবেন। সাইটটির ঠিকানা – http://socialblade.com/youtube/namegen এই ঠিকানায় গিয়ে চেক করে নিতে পারেন আপনার নামটি ঠিক আছে কিনা? সাইটটি দেখতে এরকম

ইউটিউব মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ গাইডলাইন স্টেপ বাই স্টেপ - এবার Youtube থেকে আয় করুন খুব সহজে

একটি ইমেইল নিবার্চন করুন আপনার চ্যানেল এর জন্য আমরা সবাই জানি ইউটিউবে একাউন্ট খুলতে একটি ইমেইল লাগবে। আর এজন্য অবশ্যই আপনাকে জিমেইল ব্যবহার করতে হবে। তাই প্রথমেই একটি নতুন জিমেইল একাউন্ট খুলে নিতে হবে। একাউন্টটি অবশ্যই ভেরিভাই করে নিতে হবে। আর মনে রাখবেন ২ ধাপ এর ভেরিফিকেশন দিয়ে রাখবেন আপনার একাউন্টে। তাহলে আপনি ছাড়া আর কেউ এই একাউন্টে প্রবেশ করতে পারবে না।

কপিরাইট এবং ফেয়ার ইউজেস
কপিরাইট এড়িয়ে চলুন আপনি যখন আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করে ফেলেছেন তখন আপনি ইউটিউব এর পার্টনার। আর পার্টনার থাকা অবস্থায় এমন কোন ভিডিও আপলোড করবেন না, যাতে কপিরাইট থাকে। যেমন অন্যের গান এর মিউজিক নকল করে আপনার ভিডিওতে ব্যবহার, অন্য কোন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠান। আপনি আপনার ভিডিওতে ইউটিউবের নিজস্ব কিছু গানের ট্রাক থেকে গান নির্বাচন করে ব্যবহার করতে পারেন। কখনোই নকল করবেন না, কারণ ইউটিউব জানে আপনি কোথা থেকে কি ব্যবহার করেছন। সুতরাং সাবধান। এরপরও যদি আপনি এরকম কোন ভিডিও আপলোড করেন, তারা আপনাকে কয়েকবার সাবধান করে দিবে, আপনার কপিরাইট ভিডিও আপলোড এর সংখ্যা যদি বেশি হয় তাহলে আপনার একাউন্টটি তারা ব্যন করে দিবে। আমি আপনাদেরকে সাজেশন দিতে পারি এই http://youtube.com/aeireensultana ভিডিওটি দেখার জন্য। এখান থেকে আপনি জানতে পারবেন ইউটিউবে কি করা উচিত কি করা উচিত নয়।

ইউটিউব মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ গাইডলাইন স্টেপ বাই স্টেপ - এবার Youtube থেকে আয় করুন খুব সহজে

কি কি প্রোগাম আর সফটওয়্যার ব্যবহার করবেন
ভিডিও এডিটর
ভিডিও এডিট করার জন্য অবশ্যই ভালো কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করতে হবে। ফ্রি তে অনেক ভিডিও এডিট করার সফটওয়্যার পাবেন, কিন্তু আমি বিশেষভাবে ব্যবহার করেত বলবো অফড়নব চৎবসরবৎব.। এই সফটওয়্যারটি আপনি ম্যক ও উইনডোজ দুটোতেই ব্যবহার করতে পারবেন। তবে অবশ্যই যে সফটওয়্যার ব্যবহার করেন না কেন তা কিনে ব্যবহার করুন। আর ভিডিও এডিটিং করা অনেক সহজ একটি কাজ যদি আপনি অনেকটা ধৈর্য ধরে এই কাজটি শিখতে পারেন। এছাড়াও আরো যে যে এডিটিং সফটওয়্যার আছে সেগুলোও ট্রাই করতে পারেন। আপনি আপনার মোবাইল কিংবা ভিডিও ক্যামেরা দিয়ে যা ভিডিও করেছেন, তা প্রথমে এডিট করে নিন, এরপর আপলোড করুন ইউটিউবে।

ইনট্রো নির্বাচন করুন
আপনি আপনার চ্যানেলের জন্য সুন্দর একটি ইনট্রো নির্বাচন করুন। মনে রাখবেন এই ইনট্রোর উপর নির্ভর করবে আপনার অনেক কিছু। আপনার হাতে অনেক সময় আছে, আস্তে ধীরে তৈরি করুন আপনার ইনট্রো। ইনট্রোর সময় বেঁধে দেয়া আছে ১০ সেকেন্ড। এই ১০ সেকেন্ডের মধ্যে আপনাকে আপনার চ্যানেলের একটি সুন্দর ইনট্রো বানাতে হবে। আপনার চ্যানেলের একটি লোগো বানিয়ে নিন, এরপর গুগোল থেকে অনেক টেমপ্লেট পাবেন ইনট্রো বানানোর জন্য; একটি টেমপ্লেট নির্বাচন করে ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার দিয়ে লোগো সহ ১০ সেকেন্ড এর একটি ইনট্রো বানিয়ে ফেলুন। আপনি ভিডিও তৈরি করার যে কোর সফটওয়্যার দিয়ে এই ইনট্রো বানাতে পারেন, তবে মনে রাখবেন আপনার ইনট্রোটি যেন ভিডিও ফরমেট এর হয়। এরপর থেকে আপনি যে ভিডিও আপলোড করেন না কেন, সেটা শুরু হবার আগে এই ইনট্রোটি দেখা যাবে। ইনট্রো করার পর তা আপনি আপলোড করেবন আপনার চ্যানেলের ইন ভিডিও প্রোগ্রাম এর ভিতরে- ইন ভিডিও প্রোগ্রাম পাবেন আপনার চ্যানেলের ড্যাশবোর্ড এর চ্যানলে সেটিংস এর ভিতর। এখানে যাবার পর এরকম কয়েকটি ছবি দেখতে পাবেন, তারমধ্যে Add a branding intro এখানে আপনার তৈরি ইনট্রোটি আপ করবেন।

অডিও এডিটিং এর টিপস এন্ড ট্রিক্স
অডিও এডিটিং অনেক গুরত্বপূর্ণ আপনার ভিডিওটির জন্য। আর অডিও এডিটিং এর উপর নির্ভর করে ইউটিউব আপনার ভিডিওটি মনটানাইজেশন করতে দিবে কি দিবে না। আমি আপনাদেরকে কিছু টিপস বলে দিব সেগুলো যদি ঠিকমতো মেনে চলেন তাহলে আশা করি আপনি একটি ভালো রেজাল্ট পাবেন ইউটিউব এর কাছ থেকে।

ক. প্রথমেই নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনার তৈরি করা অডিও ফাইলে কোন ধরনের ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ নেই। ভয়েজ রেকর্ডিং – এ অনেক সময় এসি বা ফ্যান এর শব্দ শোনা যায়, চেষ্টা করবেন এই জাতীয় নয়েজগুলো এড়িয়ে যেতে।

খ. একটি ভালো ভিডিও একটি খারাপ অডিও এর কারণে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই চেষ্টা করুন ভালো অডিও দিতে। দরকার হলে নিজেই অডিও বানিয়ে নিন। অন্যের অডিও কখনোই ব্যবহার করবেন না। অডিও বানানোর জন্য অনলাইনে অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়; সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

গ. আপনার অডিওটি আপনি নিজেই কয়েকবার শুনুন, আপনার কাছে ভালো লাগলে এরপর আপনার ভিডিওর সাথে যোগ করুন।

চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানান আপনি যদি গ্রাফিক্স ডিজাইনে ভালো হন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সুন্দর একটি লোগো আর একটি কাভার ফটো বানিয়ে ফেলুন। কাভার এবং লোগো বানানো জন্য ফটোশপ এবং ইলাস্ট্রেটর ব্যবহার করতে পারেন।

ইউটিউব মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ গাইডলাইন স্টেপ বাই স্টেপ - এবার Youtube থেকে আয় করুন খুব সহজে

টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ
টাইটেল টাইটেল, বর্ণনা এবং ট্যাগ হচ্ছে একটি ভিডিওর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার ভিডিও যত ভালোই হোক না কেন, এই তিনটি ছাড়া এর কোন মূল্য নেই। কয়েক হাজার ভিডিও এর মধ্য থেকে মানুষ আপনার ভিডিও তখনই দেখবে যখন আপনার ভিডিওতে এই তিনটির সমন্বয় থাকবে। শুরুতেই কিওয়ার্ড রিসার্চ করে আকর্ষণীয় টাইটেল তৈরি করুন। আর আপনার টাইটেল তৈরি করার জন্য কিওয়ার্ড রিসার্চ করতে হবে। চলুন দেখি কি কি উপায়ে কিওয়ার্ড রিসার্চ করা যায়।

কিওয়ার্ড রিসার্চ
পদ্ধতি-১ ইউটিউবে সার্চ দিতে পারেন আপনার কাঙ্খিত ভিডিওর সাথে মিল রেখে। যেমন ধরুন আপনার ভিডিওটি যদি হয় মানি মেকিং নিয়ে তাহলে ইউটিউবে সার্চ দিন- যড়ি ঃড় সধশব সড়হবু ড়হষরহব। এবার দেখুন কি কি রেজাল্ট দেখায়, এখান থেকেই বেচে নিতে পারেন আপনার টাইটেল টি অথবা নিজেই এই সমস্ত টাইটেল থেকে আপনারটা বানিয়ে নিতে পারেন।

পদ্ধতি- ২ আর একটু নিশ্চিত হতে ব্যবহার https://adwords.google.com/KeywordPlanner এই লিংকে গিয়ে আপনার কাঙ্খিত কিওয়ার্ড লিখে করেতে পারেন নিচের লি্কংটি। সার্চ দিন।

পদ্ধতি- ৩ আপনি যে টাইটেল দিতে চাচ্ছেন তা ইউটিউবে লিখে সার্চ দিন, এবং দেখুন একদম প্রথমে কোনটি আছে। সেটার কাছাকাছি একটি টাইটেল তৈরি করতে পারেন। শুধু টাইটেল নয়, আপনি ভালো করে দেখে নিন সেই ভিডিওতে কি কি ট্যাগ ব্যবহার করা হয়েছে, আর বর্ণনাতে কি লেখা আছে। আপনি চাইলে সেগুলোও আপনার ভিডিওতে ব্যবহার করতে পারেন, তবে সেটা নিজের মতো করে বানিয়ে নিবেন।

খ. বর্ণনা বর্ণনা এমনভাবে দিবেন যেন আপনার বর্ণনার ভেতর অবশ্যই টাইটেল এবং ট্যাগ এর উপস্থাপনা থাকে। বর্ণনা করার সময় অবশ্যই আপনার চ্যানেলের লিংক দিতে ভুলবেন না। আপনার বর্ণনার ভেতর আপনার চ্যানেলের লিংক প্রতিস্থাপন করুন। বর্ণনা যত বড় করবেন আপনার জন্য ততই ভালো। আপনার ভিডিও তে আরো যোগ করুন ফেসবুক ফ্যান পেজ, টুইটার একাউন্ট সহ আরো যে সমস্ত সোস্যাল নেটওর্য়াকিং সাইটে আপনি যুক্ত আছেন সেগুলো।

গ. ট্যাগ এবার আপনার ভিডিও অনেকটাই তৈরি পাবলিশ করার জন্য। শুধুমাত্র শেষ এই ধাপটি পুরণ করলেই কাজ শেষ। কমকওে হলেও ১০টি থেকে ২০ টি ট্যাগ করুন আপনার ভিডিওটির; এবং চেষ্টা করবেন ট্যাগগুলো যেন আপনার ভিডিও রিলেটেড হয়।

চলুন আমরা এতক্ষণ যা পড়লাম তার একটি উদাহরণ দেখে আসি

TITLE : Comedy Youtube Channel Aeireensultana – LEVEL NAME

DESCRIPTION

Your best funny and comedy youtube channel – Aeireensultana – LEVEL NAME (notice the title is repeated in the first line of the description) describe the content of the video repeating important keywords such as the game title, level name and featured game characters. Subscribe for more Videos

TITLE videos: Youtube link Check out Video Title Walk through Part 2

PLAYLIST LINK “Like” me on Facebook FACEBOOK LINK Follow me on

Twitter TWITTER LINK

Tags

“bangla comedy,
bangla funny sms,
bangla comedy natok,
bangla natok comedy,
bangla funny video,
bangla comedy video,
bangla funny natok,
comedy natok,
bangla jokes,
bangladeshi funny video,
bengali jokes,
bangladeshi comedy natok,
jokes bangla,
bangla funny jokes,
funny video bangla,
bengali funny jokes,
jokes in bengali,
funny bengali jokes,
bangla joks,
funny bangla jokes, (tags are repeated in the bottom of the description)

ভিডিও তৈরি করুন
এতক্ষণতো আমার কিভাবে ইউটিউবে ভিডিও আপলোড করবেন, আপলোড করার নিয়মগুলো জানলাম। এবার চলুন যে ভিডিওটি আপনি আপ করবেন তা তৈরি করি।

1.ক্যামেরা এবং লাইটিং আমরা অনেকেই ক্যামেরা এবং লাইটিং এর ব্যবহার সর্ম্পকে ভালোভাবে জানি না। ক্যামেরা এবং লাইটিং এর উপরে সল্প সময়ে একটি কোর্স করে নিতে পারি আমরা। এটি পরবর্তী জীবনে আপনার অনেক কাজে দিবে। ভালো একটি ভিডিও তৈরি করার পিছনে অনেক সাধনা করতে হয়। আর লাইটিং সমন্ধে যদি আপনার ভালো ধারণা থাকে তাহলে আপনি ভালো একটি ভিডিও বানাতে পারবেন। তাই ভালো একটি ভিডিও তৈরি করতে আপনাকে অবশ্যই এই বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে।

2. এনকোডিং ভিডিওটি যখন বানাবেন তখন খেয়াল রাখবেন এর এনকোডিং এর দিকে। সঠিকভাবে এনকোডিং নির্বাচন না করলে আপনার ভিডিওটি ইউটিউবে লাইভ নাও হতে পারে। আর একটি ব্যপার এনকোডিং যদি ঠিকমতো করতে না পারেন, তাহলে আপনার ভিডিওর রেজুলেশন এতটাই কমে যাবে যার কারণে আপনার ভিডিও আপলোড করার অনুপোযোগী হয়ে যাবে।

আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ান
প্রতিদিন সময় করে ইউটিউবের অন্য যে ভিডিওগুলো কয়েক লাখ ভিজিটর আছে সেগুলোতে টিউমেন্ট করুন। টিউমেন্ট টি অবশ্যই এমনভাবে করুন যাতে লেখা থাকবে আপনি তার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবেন তার বদলে সে আপনার চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করবে। আপনি যে ভিডিওগুলো আপলোড করবেন, সেগুলোর বর্ণনাতে অবশ্যই আপনার অন্য ভিডিওর লিংক যোগ করবেন। এছাড়া আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে অনুরোধ করবেন। সম্ভব হলে মজাদার জোকস বলে আপনার ভিউয়ার কে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে পারেন। অনেকেই মনে করেন চ্যানেলে অনেকগুলো ভিডিও থাকলে অনেক বেশি সাবস্ক্রাইবার পাওয়া যায়। এটি একটি ভুল ধারনা। আপনি যদি কয়েক শো ভিডিও আপ করেন যেগুলো কোন কাজেরই না, তাহলে আপনি কোনদিনও সাবস্ক্রাইবার পাবেন না, বরং সাবস্ক্রাইবার হারাবেন। কারণ কেউই চায় না অন্যের ভিডিও দিয়ে তার ইফটিউব একাউন্ট ভরে থাক। ভিডিও আপলোড করার জন্য নির্র্দিষ্ট একটি দিন বেচে নিন; এবং নির্দিষ্ট একটি সময়। কারণ আপনার যারা সাবস্ক্রাইবার তারা ওই দিনটি মাথায় রাখবে, এবং নির্দিষ্ট ওই সময়েই আপনার চ্যানেলে ঢুকবে আপনার ভিডিওটি দেখার জন্য। আপনি যখনই সিডিউল মেইনটেনন করে আপনার ভিডিও আপলোড করবেন, তখন আপনার ভিডিওটি ইফটিউব তার সার্চ রেজাল্টে এক নাম্বারে নিয়ে আসবে। তবে একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন যাই আপলোড করেন না কেন, তা যেন সকলের উপকারে আসে। আপনার ভিডিও যখন কারো উপকারে আসবে, তখন আপনি আপনার ভিডিও থেকে উপকৃত হবেন। মানে আপনার ভিডিও থেকে তখন টাকা আসা শুরু হবে। আর একটি কাজ করতে পারেন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়ানোর জন্য। সেটা হলো অন্যান্য ইউটিউব চ্যানেল ক্রিয়েটরদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের বলতে পারেন, যে আপনার ভিডিওর মধ্যে আপনি তাদের চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবেন, বিনিময়ে তারা তাদের ভিডিওর মধ্যে আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বক্স বসাবে। এতে দু পক্ষই লাভবান হবেন।

ইউটিউব মার্কেটিং এর সম্পূর্ণ গাইডলাইন স্টেপ বাই স্টেপ - এবার Youtube থেকে আয় করুন খুব সহজে

গোপন ফরমুলা
আপনাদের সাথে এখন একটি গোপন ফরমুলা নিয়ে কথা বলবো, যে ফরমুলা ব্যবহার করলে অতি সহজে আপনি আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়াতে পারেন। আমি নিজেই এই ফরমুলা ব্যবহার করি। ধরুন আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ১৫০ জন। এখন আপনার চ্যানেলের ভিডিওর সাথে মিলে যায় এরকম আর একটি চ্যানেল খুজে বের করুন যার সাবস্ক্রাইবার ২৫০ থেকে ৩০০ জনের মত। তাকে একটি ম্যসেজ পাঠান যে আপনি একটি ভিডিও তৈরি করেছেন যাতে বলা আছে এই চ্যানেলটি কি কি কারণে অনেক ভালো। এবং এই চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করলে আপনি আরো ভালো ভালো ভিডিও পেতে পারেন। আপনি এখন চাচ্ছেন তার চ্যানেলে এবং আপনার চ্যানেলে এই ভিডিওটি আপলোড করতে। আপনি আপনার চ্যানেলে যখন এই ভিডিওটি আপলোড করবেন তখন লিংক হিসেবে ওই চ্যানেলের লিংক ব্যবহার করবেন, এবং ওই চ্যানেলের মালিক আপনার লিংক ব্যবহার করবে। এতে করে আপনি মিনিমাম একটি চ্যানেলে থেকে ১০০ থেকে ২০০ এর মত সাবস্ক্রাইবার পেতে পারেন। তাহলে আপনার এখন মোট সাবস্ক্রাইবার দাড়ালো ২৫০ জনে। এবার আপনি খুজবেন ৩০০ থেকে ৫০০ সাবস্ক্রাইবওয়ালা চ্যানেল। এখানেও একই কাজ করবেন। এভাবে আপনার সাবস্ক্রাইবার যত বাড়বে আপনি তার চেয়ে বেশি সাবস্ক্রাইবার ওয়ালা চ্যানেল খুজবেন। এভাবে বাড়তে বাড়তে বাড়তে একদিন নিশ্চয়ই আপনার সাবস্ক্রাইবার কয়েক হাজার ছাড়িয়ে যাবে।

আপনার চ্যানেলের বন্ধু বাড়ান
আপনার চ্যানেলের পেজে যত বন্ধুর আমন্ত্রণ আসবে সব গ্রহন করুন। তাদের সঙ্গে ম্যাসেজ আদান প্রদান করুন। তাদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ করুন যাতে তারা আপনার চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করে। আপনিও তাদের যদি চ্যানেল থাকে সেখানে সাবস্ক্রাইব করুন। এতে করে আপনার এবং তার দুজনেরই উপকার হবে, দুজনেরই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে।

অন্যের চ্যানেলের ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন
আপনার চ্যানেলের ভিডিও এর ভিউয়ার বাড়ানোর জন্য অন্যে চ্যানেলগুলোর ভিডিওতে টিউমেন্ট করুন। অবশ্যই টিউমেন্ট করার সময় আপনার চ্যানেলের লিংকটি দিয়ে সেখানে সাবস্ক্রাইব করতে বলতে ভুলবেন না। কারন যত বেশি টিউমেন্ট করবেন তত আপনার চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার বাড়বে সঙ্গে বাড়বে আপনার চ্যানেলের ভিডিওর ভিউয়ার।

ভিডিও এমবেড কোড
আপনার যদি অনেক টুইটার ফলোয়ার থাকে, কিংবা অনেক ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে সেক্ষেত্রে আপনার চ্যানেলের জন্য অনেক ভালো। যদি আপনার ৫০ জন ফেসবুক ফ্রেন্ড থাকে তাহলেও আপনার জন্য শুভ সংবাদ। কারণ এরাই আপনার রিয়েল ফ্রেন্ড। ভুয়া ফ্রেন্ড দিয়ে কোন লাভ নাই। আপনি আপনার টুইটার আর ফেসবুকে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন, তারপর আপনি এই ৫০ জন ফ্রেন্ডকেই বলেন সারাদিনে কয়েক সেকেন্ড বের করতে আপনার জন্য। তারা আপনার ভিডিওটি ৩০ সেকেন্ডের জন্য হলেও দেখবে, একটি করে লাইক দিবে, যদি সম্ভব হয় তাহলে একটি করে টিউমেন্ট করবে। প্রতিদিন আপনিও তাদের জন্য নতুন নতুন ভিডিও নিয়ে আসবেন। এভাবে আপনার ভিডিও রিলেটেড ফেনবুকে যে গ্রুপগুলো রয়েছে সেগুলোতে জয়েন করুন। সেখানে আপনার ভিডিওটি শেয়ার করুন। এভাবেই দিনে অন্তত ১০ জন করে ফ্রেন্ড আপনি আপনার একাউন্টে যোগ করুন। যকন আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড এর সংখ্যা ৫,০০০ হাজার ছাড়িয়ে যাবে, তখন আপনার চ্যানেলের একটি ভিডিও লিংক এর ভিউয়ার সংখ্যাও বাড়বে। যেখানে আগে প্রতিদিন আপনার ভিডিও এর ভিউ হতো ২০০, সেখানে আপনার ভিউয়ের সংখ্যা বেড়ে দাড়াবে ১০০০ এরও বেশি। একই কাজ আপনি আপনার টুইটার একাউন্টে করতে পারেন। পাশাপাশি অন্যান্য যে সকল সোস্যাল সাইটগুলো রয়েছে সেখানেও আপনি আপনার ভিডিওটি শেয়ার করতে পারেন। এয়াড়া আপনার যদি নিজস্ব কোন ওয়েবসাইট থেকে থাকে তাহলে সেখানেও ভিডিওটি এমবেড করে বসাতে পারেন। এখান থেকেও আপনি ভালো ভিউয়ার পাবেন।

এনোটেশন
এনোটেশন হচ্ছে আপনার ভিডিওটির ওপর আপনার অন্য একটি ভিডিও এর লিংক দেয়া। আপনার চলতি ভিডিওটি দেখতে দেখতে আপনার যে কোন ভিউয়ার যেন আপনার অন্য ভিডিওগুলো সর্ম্পকে জানতে পারে, সেজন্য আপনার প্রতিটি ভিডিওতে এনোটেশন ব্যবহার করতে ভুলবেন না। যখন কোন ভিউয়ার আপনার ভিডিওটি দেখবে তখন আপনি যে লিংকটি এনোটেশন করে দিয়েছেন সে যদি সেই লিংক এ ক্লিক করে তাহলে নতুন একটি উইন্ডো ওপেন হবে এবং সে তখন ওই ভিডিওটি দেখতে পাবে। আপনার ভিডিওটি আপলোড হওয়ার পর ভিডিও ম্যানেজারে গেলেই পাবেন এই অপশনগুলো। সেখান থেকে ভিডিও এর info and Setting বাটনে ক্লিক করলেই পৌছে যাবেন এনোটেশন করার পেজে। এরপর আপনি এখান থেকে এনোটেশন যোগ করতে পারবেন।

ভিডিও দেবার সময়
আপনার চ্যানেলের জন্য সময় অতন্ত্য গুরত্বপূর্ণ। একটি ডাইরিতে নোট করে রাখুন, প্রতিদিন কোন সময়টি আপনি আপনার ভিডিওগুলো আপলোড করবেন। ভিডিও কখনো রাত ৩ টায় আপলোড করবেন না। যদি সম্ভব হয় ভিডিও সকালের দিকে আপলোড করুন। টার্গেট অডিয়েন্স সব সময় ১৮+ চিন্তা করবেন। আর একটি জিনিষ মাথায় রাখবেন আপনার ভিডিও এর বর্ণনাতে যদি সম্ভব হয় এর তৈরির তারিখটি বসাবেন। রবিবার ইউটিউবে ভিউয়ার বেশি হয়, আপনি চাইলে এই দিনটিকে মাথায় রেখে আপনার ভিডিও আপলোড করতে পারেন।

চেষ্টা করবেন সবার আগে ভিডিও দেওয়ার
আপনার চ্যানেলকে পপুলার করতে চাইলে সব সময় চেষ্টা করবেন সবার আগে আপনার তৈরি করা ভিডিটি দিতে। যদি আপনি তা করতে পারেন তাহলে অবশ্যই আপনার ভিডিওটি ইউটিউব তার সার্চ রেজাল্টে সবার আগে দেখাবে।

ভালো ছবি নির্বাচন করুন
আপনার আপলোড কৃত ভিডিওটি আপনার ভিউয়ারকে আকর্ষণ করার জন্য ভালো একটি ছবি নির্বাচন করুন। আপনার ভিডিওটির কাভার ফটোটি যদি আকর্ষণীয় না হয় তাহলে দর্শক আকৃষ্ট করতে পারবে না, আর দর্শক আকৃষ্ট না হলে আপনার চ্যানেলে ভিউয়ার বাড়বে না। তাই চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার আর ভিউয়ার বাড়াতে চাইলে ভালো ছবি নির্বাচণ করুন।

উপসংহার
আমি বিশ্বাস করি আপনার যদি এই কাজগুলো ধাপে ধাপে করতে পারেন, তাহলে আপনার চ্যানেলের সফলতা অবশ্যই আসবে। মনে রাথবেন কোন কিছুই শেখার উর্দ্ধে নয়, তাই যত পারেন শিখতে থাকুন, একদিন আপনিও হয়তো ইউটিউব নিয়ে আমার মতো কিছু লিখে ফেলবেন। আর আনন্দ নিয়ে কাজ করুন ইউটিউবে। আপনি যদি শুধূ টাকা ইনকাম করার জন্য ইউটিউবে আসতে চান তাহলে এতক্ষন ধরে যা যা পড়লেন তা ভুলে যান। কারণ আপনি যে কাজ করে আনন্দ পাবেন না সে কাজে অন্যকে কিভাবে আনন্দ দিবেন। আর সবচেয়ে বড় কথা ধৈর্য… ধৈর্য… এবং ধৈর্য ধরুন।

আজ এ পর্যন্তই। পরবর্তীতে ইউটিউবের আরো খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আপনাদের জন্য কিছু নিয়ে আসবো ইন শা আল্লাহ।

05/06/2022

ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ? চালু করুন চ্যানেল মনিটাইজেশন

বর্তমান সময়ে YouTube এর মাধ্যমে ইন্টারনেট থেকে টাকা আয় করার উপায় অনেক জনপ্রিয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এখনের সময়ে হাজার হাজার লোকেরা ইউটিউবের মাধ্যমে টাকা আয় করছেন।

তবে, আপনিও যদি YouTube থেকে ইনকাম করার কথা ভাবছেন,

তাহলে সবচে আগেই আপনার জেনে নেওয়া দরকার “ইউটিউব ভিডিও মনিটাইজেশন” এর বিষয়ে।

আসলে, YouTube এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করার মূল বিষয়টাই হলো, “ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করা video গুলোকে monetize করা”.

কিন্তু এখন হয়তো অনেকেই ভাবছেন যে, “ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ?” এবং “কিভাবে করতে হয় ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন ?“.

চিন্তা করবেননা, আজকের এই আর্টিকেলে আমি আপনাদের সম্পূর্ণটা বুঝিয়ে বলবো।

তবে, YouTube monetization এর বিষয়ে অধিক জানার আগেই আমি বলে দিচ্ছি,

চ্যানেলের ভিডিও গুলো মনিটাইজ করার জন্য কিছু জরুরি নিয়ম কানুন বা শর্তাবলী রয়েছে।

তাই, Monetization এর মাধ্যমে income করার জন্য, আপনার সেই শর্তাবলী গুলো মেনে কাজ করতে হবে।

তবে চিন্তা করবেননা, নিচে আমি সম্পূর্ণ বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে আপনাকে বলে দিচ্ছি।

ইউটিউব চ্যানেল প্রমোট করুন এভাবে
ইউটিউবে সাবস্ক্রাইবার হাইড করার নিয়ম
কিভাবে ইউটিউব ভিডিও বানাবো ?
ইউটিউব মনিটাইজেশন কি ? (What is YouTube monetization)

যা আমি ওপরে বলেছি, আপনার YouTube চ্যানেলের মধ্যে একটি বিশেষ feature রয়েছে যেটাকে বলা হয় “monetization”.

এই Monetization option টি যখন চালু করে দেওয়া হয়, তখন আপনার YouTube চ্যানেলে থাকা ভিডিও গুলোতে কিছু বিজ্ঞাপন দেখানো হয়।

বং, আপনার ভিডিও গুলোতে দেখানো বিজ্ঞাপনের বিপরীতে, YouTube আপনাকে কিছু টাকা দিয়ে থাকে।

তাই, ইউটিউব মনিটাইজেশন মানে হলো এমন এক প্রক্রিয়া,

যার মাধ্যমে, আপনি ইউটিউবকে নিজের চ্যানেলের ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানোর অনুমতি দিচ্ছেন।

এখন, যখন আপনি YouTube কে বিজ্ঞাপন (ads) দেখানোর অনুমতি দিয়ে দিচ্ছেন,

তখন Google তার advertising partner গুলোর ads আপনার videos এর মধ্যে দেখাবে।

আপনার video গুলোতে যতটা টাকার বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, তার ৪৫% গুগল নিজে রাখবেন,

এবং, ৫৫% আপনাকে দিয়ে দিবে আপনার Google AdSense account এর মাধ্যমে।

আর, পরে আপনি আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্ট থেকে নিজের আয় করা টাকা bank account এর মধ্যে তুলে নিতে পারেন।

তবে, ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই করার আগে, ইউটিউবের নতুন নিয়ম কানুন ও শর্তাবলী গুলোর বিষয়ে অবশই জেনে রাখাটা দরকার।

তাহলে আশা করছি, ইউটিউব মনিটাইজেশন কি (What Is YouTube Monetization in Bangla) বিষয়টা বুঝতে পেরেছেন।

ইউটিউব ১০০০ ভিউতে কত টাকা দেয় ?
YouTube আমাদের কেন টাকা দেয় ?
এখন, অনেকের মাথায় এই প্রশ্নটাও আসতেই পারে যে, “কেন ইউটিউব আমাদের টাকা দেয়” ?

তবে, এই প্রশ্নের উত্তর সোজা।

আসলে, YouTube হলো Google এর একটি সেবা।

আর আমরা সবাই জানি যে Google এর আরেকটি সেবা রয়েছে যাকে আমরা Google ads বলে চিনি।

এই Google ads এর একটি account তৈরি করে, জেকেও নিজের product, business, service, website, video ইত্যাদি ইন্টারনেটে marketing ও promote করার জন্য গুগল কে টাকা দিয়ে থাকে।

এবং, advertisers দের থেকে টাকা নিয়ে গুগল তাদের product / business এর বিজ্ঞাপন গুলো YouTube এর মাধ্যমে আমাদের ভিডিওতে দেখায়।

আর যার বিপরীতে, advertiser থেকে নিয়ে নেওয়া টাকার ৪৫% গুগল নিজের কাছে রাখে এবং ৫৫% আমাদের দিয়ে দেয়।

তাই, যদি ইউটিউব বা গুগল আমাদের টাকা না দিতো, তাহলে আমরা এতটা কষ্ট করে ইউটিউবে চ্যানেল বানাতামনা আর ভিডিও আপলোড করতামনা।
যাতে, YouTube video creator এর মধ্যে টাকা আয় করার উৎসাহ এবং রুচি থাকে, তার জন্যেই YouTube / Google আমাদের টাকা দিচ্ছে।

কেননা YouTube creator রা ভিডিও বানানো ছেড়ে দিলে, গুগলের জন্য advertiser দের বিজ্ঞাপন দেখানোটা সমস্যার বিষয় হয়ে দাঁড়াবে।

আর, যদি ভিডিও না থাকতো তাহলে বিজ্ঞাপন ও দেখানো হতোনা। তাহলে, গুগল নিজে কিভাবে আয় করতো ?

গুগল কিভাবে টাকা আয় করে ?
৩ টি মাধ্যমে গুগল থেকে আয় করুন
ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন নিয়ম
কিছু বছর আগে যেকোনো YouTube channel এর ক্ষেত্রে monetization চালু করাটা একসাধারণ বিষয় ছিল।

মানে, যেকোনো ইউটিউবের চ্যানেলে কে ভিডিও মনিটাইজেশন এর জন্য অনুমতি দিয়ে দেওয়া হতো।

তবে, ২০২০ এর এখনের সময়ে এতটা সহজেই কিন্তু মনিটাইজেশন চালু করা সম্ভব না।

ইউটিউবের কিছু ধরে দেওয়া শর্তাবলী রয়েছে, যেগুলো মানার পর monetization এর জন্য আবেদন জানাতে পারবেন।

সেই শর্তাবলী গুলো হলো,

আপনার ইউটিউবের চ্যানেলে কমেও ১০০০ সাবস্ক্রাইবার থাকতে হবে।
বিগত ১২ মাসের মধ্যে 4,000 Watch Time hours আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে হতে হবে।
YouTube’s policies & guideline মেনে চ্যানেলে কাজ করতে হবে।
আগের থেকে ইউটিউবে থাকা অন্যদের ভিডিও নিজের চ্যানেলে আপলোড দিতে পারবেননা।
তাহলে বুঝতে পারলেন তো, ইউটিউব ভিডিওতে মনিটাইজেশন চালু করার নিয়ম গুলো।

কিভাবে ইউটিউব ভিডিওর ভিউ বাড়বে ?
সফল ইউটিউবার কিভাবে হতে পারবেন ?

YouTube মনিটাইজেশন এপ্লাই কিভাবে করতে হয় ?
এখন, যদি আপনার মনে এই প্রশ্নটি চলে আসছে যে,

“কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজ করবো” বা “মনিটাইজেশন চালু করার নিয়ম কি” বা “মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই কিভাবে করবো” ?

তাহলে এর একটি প্রক্রিয়া রয়েছে।

যদি আপনার চ্যানেলে বিগত ১২ মাসের মধ্যে ১০০০ সাবস্ক্রাইবার এবং ৪০০০ ঘন্টার ভিডিও ওয়াচ টাইম হয়ে গেছে,

তাহলে আপনি নিচে দেওয়া স্টেপ গুলো ফলো করে, ভিডিও মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই অবশই করতে পারবেন।

(How To Enable YouTube Monetization in Bangla).

ভিডিও মনিটাইজেশন এর জন্য এপ্লাই কিভাবে করবো – (Steps)
সবচে আগে আপনি আপনার YouTube চ্যানেলে লগইন করুন।

এবার, YouTube Studio র dashboard এ চলে আসুন।

YouTube channel icon এর মধ্যে ক্লিক করলেই আপনারা YouTube studio নামের অপসন দেখতেই পাবেন।

এবার YouTube studio র dashboard এর বাম দিকে থাকা option গুলোর মধ্যে “$ Monetization” অপশনে ক্লিক করুন।

ইউটিউব ভিডিও মনিটাইজেশন এপ্লাই
এখন, আপনারা একটি নতুন page দেখবেন, যেখানে দেখানো হবে যে আপনার চ্যানেলে মোট কতটা subscriber এবং video watch hour হয়েছে।

যদি, প্রয়োজনের হিসেবে 1000 subscriber এবং 4000 video watch hour আপনার চ্যানেলে আছে,

যদি আপনাকেও apply now বাটন দেখানো হচ্ছে,

তারমানে আপনার চ্যানেলের জন্য প্রয়োজনীয় minimum subscribers এবং watch hours এর পরিমান সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

এবার সোজা “Apply Now” এর বাটনে ক্লিক করুন।

Monetization এর জন্য apply করার প্রক্রিয়া
Apply now তে click করার পর পরের পেজে আপনারা, ৩ টি আলাদা আলাদা স্টেপ দেখতে পাবেন।

Review partner program terms
Signup for Google AdSense
Get reviewed
মূলত এই ৩ টি স্টেপ রয়েছে, যেগুলো একে একে সম্পূর্ণ করে, নিজের চ্যানেলটিকে রিভিউতে পাঠাতে পারবেন।

চ্যানেল রিভিউ করার পর যদি YouTube মনে করে যে, বিজ্ঞাপন দেখানোর জন্য আপনার ভিডিও গুলোর মধ্যে যোগ্যতা রয়েছে,

তাহলে আপনার চ্যানেলের জন্য monetization চালু করে দেওয়া হবে।

চলুন, স্টেপ গুলোর বিষয়ে বিস্তারিত ভাবে জেনেনেই।

১১ লাভজনক ইউটিউব চ্যানেল আইডিয়া
Step1. Review partner program policies
এটা হলো সব থেকে প্রথম স্টেপ যেখানে আপনার “YouTube partner program terms” গুলোকে accept করতে হবে।

সোজা step 1 এর নিচে থাকা start লিংকে ক্লিক করুন।
আপনার সামনে কিছু program terms ও agreement গুলো চলে আসবে যেগুলোকে ভালো করে পড়ে নিন।
এবার নিচে “I accept YouTube partner program terms” এর বক্সে click করে সেটাকেselect করে নিন।
শেষে, accept terms এর বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনার প্রথম স্টেপ সফলতা পূর্বক সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।
Step 1 লেখার সামনে আপনারা “Done” দেখতে পারবেন।
Step 2. Signup for Google AdSense
এবার দ্বিতীয় ষ্টেপের নিচে আপনারা Start link / button দেখতে পাবেন।

Start link এর মধ্যে click করার সাথে সাথে, আপনাকে গুগল এডসেন্স এর ওয়েবসাইটে রিডাইরেক্ট করার কথা বলা হবে।
আপনার কাছে যদি আগের থেকে AdSense account নেই তাহলে “No, I don’t have an existing account” অপশনটি select করুন এবং নিচে continue বাটনে ক্লিক করুন।
এবার আপনাকে Google AdSense এর ওয়েবসাইটে redirect করা হবে।
তবে, AdSense এর ওয়েবসাইটে যাওয়ার আগেই আপনাকে signup করার জন্য আপনার Gmail এর একাউন্টে লগইন করতে বলা হবে।
সঠিক ভাবে নিজের Gmail / Google account details দিয়ে লগইন করুন।
এবার আপনার সামনে Google AdSense এর homepage খুলে যাবে।
Homepage এর মধ্যে কেবল “Select Your country & territory” অপসন থেকে নিজের দেশ (country) সিলেক্ট করে নিন।

এবার, একেবারে নিচে “yes, I read and accept the agreement” এর option এর মধ্যে click করে select করুন।
এবার শেষে, Create account লিংকে ক্লিক করুন।
এখন, আপনাকে আপনার address details দেয়ার জন্য বলা হবে। তাই, সঠিক ভাবে নিজের ঠিকানা দিয়ে দিন।
যখন আপনি address details দিয়ে নিচে submit বাটনে ক্লিক করবেন, তখন আপনাকে আবার আপনার YouTube channel এর channel monetization পেজ এর মধ্যে redirect করে দেওয়া হবে।
Channel monetization পেজ এর মধ্যে step 2 এবার সম্পূর্ণ ভাবে হয়ে গেছে।

তবে, YouTube এবং Google আপনার চ্যানেলের সাথে এডসেন্স লিংক করতে প্রায় ৭২ ঘন্টার সময় নিতে পারে।
একবার আপনার channel এবং AdSense account লিংক হয়ে গেলে, আপনারা step 2 এর সামনে “Done” লেখাটি দেখতে পারবেন।
এভাবে আমাদের Step 2 সম্পূর্ণ হয়ে গেছে।

tep 3. Get reviewed
শেষে, step 3 তে আপনার নিজের থেকে কিছু করতে হবেনা।

Step 2 সঠিক ভাবে হয়ে গেলে, step 3 তে লিখা অনুসরি আপনার channel টি YouTube এর দ্বারা review করা হবে।
যদি, সব ঠিক থাকে তাহলে আপনার YouTube channel এর monetization enable করে দেওয়া হবে।
এবং এর পর আপনার চ্যানেলে থাকা ভিডিও গুলোতে বিজ্ঞাপন দেখানো চালু হয়ে যাবে।
ফলে, আপনি আপনার ভিডিও গুলোর মাধ্যমে টাকা আয় করতে পারবেন।
আপনাকে YouTube এর মাধ্যমে email পাঠিয়ে দেওয়া হবে।
তাহলে বুঝলেন তো, কিভাবে ইউটিউবে monetization এর জন্য apply করতে হয়।
আশা করছি বুঝতে পেরেছেন।

Monetization apply করার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার মধ্যে, কেবল Step 2 একটু জটিল।

কেননা, এখানেই আপনার একটি নতুন Google AdSense register করতে হয় নিজের চ্যানেলে লিংক করার জন্য।

YouTube SEO কি ?
আমাদের শেষ কথা,
তাহলে বন্ধুরা, ইউটিউব মনিটাইজেশন কাকে বলে এবং মনিটাইজেশন এর জন্য কিভাবে এপ্লাই করতে হয়,

সবটাই আমি আপনাদের আজকের এই আর্টিকেলের মাধ্যমে জানিয়ে দিলাম।

আশা করছি আজকের এই আর্টিকেল “About YouTube monetization in Bengali” আপনাদের ভালো লেগেছে।

তবে, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে, নিচে কমেন্ট করে জানিয়ে দিবেন।

Address

হাপাতালে রোড, কপোতাক্ষী ক্লিনিকের পূর্ব পার্শে, ব্যাপারী মার্কেট, চৌগাছা, যশোর।
Jessore
7410

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

+8801761625434

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ᗩdvent ᗪigital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ᗩdvent ᗪigital:

Share