A.R Rashid Chowdhury Harun

A.R Rashid Chowdhury Harun Digital Marketing Specialist : SEO, SEM, SMO, PPC
We are an seo services provider Agency, We provide We are providing Facebook Ads on a monthly basis.

Senior Business Analyst | dozseolabit
✅ Are you looking for facebook ads agency Campaign Managers who can manage and run ads campaign in the most efficient and cost-effective way? We are an Expert & Professional Facebook Ad Agency & Management service provider. Facebook advertising is one of the best methods for businesses to get cost-effective, immediate results. If you would like our monthly Facebook ads monthly packages then contact us. We are here 24/7 online!

ওয়েব হোস্টিং কি/What is Web Hosting.ডোমেইন নেম কি ?ডোমেইন হলো একটি নাম। আপনার একটি নাম আছে যেই নাম টি ধরে আপনাকে সবাই ডা...
21/06/2022

ওয়েব হোস্টিং কি/What is Web Hosting.

ডোমেইন নেম কি ?
ডোমেইন হলো একটি নাম। আপনার একটি নাম আছে যেই নাম টি ধরে আপনাকে সবাই ডাকে ঠিক একই ভাবে ওয়েবসাইট এর ও একটি নাম থাকে এই নাম টি কেই বলা হই ডোমেইন।

ওয়েব হোস্টিং কি ?
এক কথায় বলতে গেলে ওয়েব হোস্টিং হচ্ছে একটি জায়গা যেখানে ওয়েবসাইট টি রাখা হয়। আরেকটু যদি বলি ওয়েব হোস্টিং এর ধারণা আপনি জিনিষ ধাপে ধাপে নিতে হলে বুঝতে সহজ হয়. একটি ওয়েবসাইট একটি কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হয়, যে প্রায় একই ভাবে আপনার ব্যক্তিগত ফাইল আপনার বাড়িতে কম্পিউটারে সংরক্ষণ করা হয়; কেবল বড় বড় পার্থক্য হল, একটি “ওয়েবসাইট স্টোরেজ কম্পিউটার” এটি দ্রুত এবং সহজে দর্শকদের ওয়েবসাইট প্রদর্শন করতে পারেন, যাতে একটি অত্যন্ত দ্রুত নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করা হয়. ঘর ওয়েবসাইট “সার্ভার হিসাবে পরিচিত হয়, যা কম্পিউটার” (তারা দর্শকদের তথ্য পরিবেশন কারণ), এবং যারা বজায় রাখে সার্ভার, যা কোম্পানির একটি “হোস্ট বলা হয়” এটি সাধারণত বিভিন্ন সাইট এবং সার্ভারের জন্য একটি বাড়িতে থেকে.

অবশ্যই, ওয়েব সার্ভার এছাড়াও রক্ষা করা প্রয়োজন, সফ্টওয়্যার ইনস্টল ও আপডেট করা হবে, ইন্টারনেট সংযোগ স্থাপন করা আছে, অনুকূল, সুরক্ষিত ও monitor করা, এবং ক্লায়েন্ট হিসাবে প্রয়োজন সাহায্য করা হবে. তাই ওয়েব হোস্টিং শুধুমাত্র ঘর ওয়েবসাইটের কম্পিউটার প্রদান সঙ্গে যুক্ত নয়; এটি যারা অন্যান্য প্রযুক্তিগত এবং সমর্থন ফাংশন সমস্ত জড়িত থাকে.

এটি একটি ওয়েব হোস্ট এর সাহায্য ছাড়া আপনার বাড়িতে বা অফিসে থেকে একটি ওয়েবসাইট হোস্ট করার জন্য অবশ্যই সম্ভব. কিন্তু, এটি একটি কিছুটা জটিল প্রক্রিয়া এবং ওয়েবসাইট উপলব্ধ থাকবে তা নিশ্চিত করার জন্য সারাক্ষণ মনোযোগ প্রয়োজন, এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রে ওয়েবসাইট এর গতি ও কর্মক্ষমতা একটি webhost এর সার্ভার উপর অবস্থিত এক যে আসা বন্ধ হবে না. তজ্জন্য, প্রায় ওয়েবসাইটের সাথে সব ব্যক্তি ও ব্যবসার ওয়েব হোস্টিং সেবা ব্যবহার.

বিভিন্ন ধরনের হোস্টিং:
বিনামূল্যে হোস্টিং করা (Free Hosting)
কিছু হোস্টিং কোম্পানি আছে যারা ফ্রি তে আপনাকে হোস্টিং ব্যবহার করতে দিবে। কিন্তু কিছু সীমাবদ্ধতা আছে যেমন Bandwidth/Monthly Traffic খুব কম থাকে।নিরাপত্তা শক্ত হয়না। কোন ডোমেইন নামও পাবেননা।

শেয়ারড হোস্টিং (Shared Hosting)
এই হোস্টিং সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রচলিত। আমরা যে হোস্টিং গুলো ব্যাবহার করছি বা সাধারনত হোস্টিং প্রোভাইডাররা যে হোস্টিং অফার করে থাকে তা সবই শেয়ারড হোস্টিং। প্রফেশনাল বা কোন বড় সাইটের একটা স্বয়ংসম্পূর্ন সার্ভারের নির্দিষ্ট পরিমান সার্ভিস দরকার। এই সমস্ত সুবিধা নিজস্ব সার্ভারে নিয়ে আসতে গেলে বেশ ব্যায়বহুল হয়ে যায়। এদের জন্য Shared Hosting উপযুক্ত। এই সার্ভারের নিরাপত্তা কম থাকে কারন এখানে একসাথে অনেক Client এর সাইট(১০ থেকে শুরু করে আরও বেশি) একসাথে থাকে। এছাড়া আনলিমিটেড ডেটাবেস, ইমেইল, ব্যান্ডওয়াইডথ এসব পাবেননা, সব সীমিত। খুব ভাল হোস্টিং প্রোভাইডারের কাছে হোস্টিং করালে শেয়ারড হোস্টিং প্যাকেজে সর্বোচ্চ নিচের সুবিধা গুলি পেতে পারেন।

রিসেলার হোস্টিং:
এই হোস্টিং মূলত আপনি অন্যদের আপনার স্থান কিছু জিনিস কিনে বিক্রি করে দেওয়া নির্মিত একটি ভার্চুয়াল হোস্টিং অ্যাকাউন্ট. সাধারণত হোস্টিং সরঞ্জাম প্রদান রিসেলার প্রস্তাব কোম্পানি আপনার নিজের “হোস্টিং কোম্পানি হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করার জন্য এটি সহজ করতে,” অনলাইন সিস্টেম সহ সেট আপ করুন এবং সার্ভারে প্রতিটি ক্লায়েন্ট এর অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করতে, আপনার নিজের নাম আপনার বিল ক্লায়েন্ট, এবং এটি আপনি সত্যিই তাদের হোস্ট হয় প্রদর্শিত করা.

ডেডিকেটেড হোস্টিং (Dedicated Hosting)
এই হোস্টিং এর জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার প্রয়োজন। এটা অনেক ব্যায়বহুল। যদি আপনার ওয়েবসাইট অনেক অনেক বড় হয় এবং শক্ত নিরাপত্তা দরকার তখন এই হোস্টিং করা চলে। এখানে আপনি আপনার খরচ পরিমান হার্ডওয়্যার পাবেন। যত ব্যাস্ত সাইট হবে তত বেশি পাওয়ারফুল হার্ডওয়্যার লাগবে। এই হোস্টিং ২ প্রকার

Managed Hosting: হোস্টিং প্রোভাইডাররাই সব করে দেবে যেমন নিরাপত্তা, সার্ভার সেটাপ, নেটওয়ার্ক কনফিগার, কোন সফটওয়ার ইনস্টল দেয়া ইত্যাদি এজন্য তাদেরকে নির্দিষ্ট পরিমান টাকা দিতে হবে।

Unmanaged Hosting: আপনি যদি Server administrator হন অর্থ্যাৎ আপনি যদি নিজেই আপনার এই ওয়েব সার্ভারের সকল কাজ করে নিতে পারেন তাহলে এটা হবে Unmanaged Hosting. এতে আপনার অনেক অর্থ সেভ হবে। সার্ভার ম্যানেজ করা শেখা যায়। ওয়েবে হাজারটা টিউটোরিয়াল আছে ইচ্ছে করলে শিখে নিজের কাজ নিজেই চালাতে পারেন।

ভিপিএস বা VPS (Vertual Private Server) হোস্টিং:
শেয়ারড আর ডেডিকেটেড হোস্টিং এর মাঝামাঝি হল ভিপিএস হোস্টিং। ডেডিকেটেড সার্ভারে সব হার্ডওয়্যার রিসোর্স একা আপনাকে দিয়ে দিবে এবং আপনার সাইট একটি সার্ভারে থাকবে। আর শেয়ারড হোস্টিং এ আপনার সাইটের সাথে থাকবে আরো হাজারটা সাইট। বিস্তারিত উপরেই আছে। ভিপিএস হোস্টিং এ সাধারনত একটা ডেডিকেটেড সার্ভার কয়েকজনকে ভাগ করে দেয়। যেমন ১৬ জিবি র‍্যামের একটা সার্ভার আপনাকে দিল ৪ জিবি এবং বাকিগুলি আরো ৩ জনকে দিল এভাবে সব রিসোর্স ভাগ/সীমাবদ্ধ করে দেয়। ডেডিকেটেড সার্ভারের মতই মোটামুটি নিজের মত যেকোন সফটওয়্যার ইনস্টল দেয়া যায়। সাধারনত তখন এরুপ হোস্টিং প্যাকেজ নিবেন যখন একটা ডেডিকেটেড সার্ভারের সব রিসোর্স আপনার লাগবেনা, তাহলে কাজও হল কিছু অর্থ সেভ হল।

এসইও (SEO) কি এবং কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয় ?এসইও অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শব্দটার সাথে ডিজিটাল ম...
19/06/2022

এসইও (SEO) কি এবং কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয় ?
এসইও অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শব্দটার সাথে ডিজিটাল মার্কেটিং এ যুক্ত সবাই মোটামোটিভাবে পরিচিত। মজ এর মতে “এসইও অর্থ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন, যা ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটে ট্র্যাফিকের পরিমাণ এবং গুণগত মান বৃদ্ধি করবে” । তো আজকে আমরা আলোচনা করবো, এসইও কি এবং কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয়।

এসইও কি? ( What is SEO?)

এসইও হল যে পদ্ধতিতে আপনার ওয়েবসাইটের পেজকে একটা নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ড এর ভিত্তিতে সার্চের মাধ্যমে গুগল, ইয়াহু, বিং সহ অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিন গুলোতে প্রথম পর্যায়ে অবস্থান করানো হয়। কিন্তু বর্তমানে বেশিরভাগ অনলাইন মার্কেটগুলো গুগোল সার্চ রেজাল্টের অসাধারণ কিছু অ্যালগোরিদম এর জন্য গুগল সার্চ ইঞ্জিন কে টার্গেট করে এসইও করে থাকে। কারণ বর্তমানে গুগলেই সব থেকে বেশি সার্চ করা হয়। অর্থাৎ সহজ ভাষায় বলতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও হল, সার্চ ইঞ্জিনের অপটিমাইজেশন এর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট কে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পৃষ্ঠায় আনার জন্য একটা প্রযুক্তিগত কৌশল।
( ইমেজসহ উদাহর)

সার্চ ইঞ্জিন কি?

সহজ ভাষায় বলতে গেলে সার্চ ইঞ্জিন হলো ইন্টারনেট কিবোর্ডের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভাবে কোনো কিছু খোঁজার যেখানে কোনো কিছু লিখে সার্চ দিলেই আমরা নির্দিষ্ট কোন উত্তর বা তথ্য পেয়ে যাই। যেমন গুগলে যেকোনো প্রয়জনে আমরা কিছু সার্চ করি। এখন প্রশ্ন থাকতেই পারে সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে?

আপনার যেকোনো ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেজ ভিজিট করার মাধ্যমে সকল প্রকার ডাটাবেজ গুগল সার্চ ইঞ্জিন রোবট তাদের ডাটাবেজে সেভ করে রাখে এবং পরবর্তীকালে যখন সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করা হয় তখন ইনডেক্সড ডাটা থেকে রেজাল্ট গুলো আমাদের সামনে চলে আসে। আপনার ওয়েবসাইট যতটা এসিও ফ্রেন্ডলি করবেন সার্চ রেজাল্টে ততটাই সবথেকে উপরে আসার সম্ভাবনা বেশি থাকে। যখন কোন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে নির্দিষ্ট কি-ওয়ার্ডের মাধ্যমে সার্চ করে থাকে তখন যে রেজাল্ট আসে সেখান থেকে সবথেকে প্রথমে ও উপরে আসার কারণ হলো তার ওয়েবসাইটের কনটেন্ট এর মান অনেক সুন্দর সাজানো গোছানো এবং সর্বপরি এসিও ফ্রেন্ডলি করা। এবং সব থেকে ভাল মানের কনটেন্ট গুলোকেই সবথেকে উপরে দেখায় এভাবে আস্তে আস্তে নিচের দিকে বা পরবর্তী পেজে দেখাতে থাকে।

আর আপনার নিজের ওয়েবসাইটকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় আনতে হলে এই এই সম্পর্কে ভালভাবে জানতে হবে। প্রথমেই জানতে হবে এসইও কত প্রকার ও কি কি? আমরা সাধারণত জানি SEO দুই প্রকার।

অন পেজ এসইও
অফ পেজ এসইও
তবে সঠিক ভাবে এসইও যে দুই প্রকার আছে তা হলঃ

অর্গানিক এসইও
পেইড এসইও
এবং এই অর্গানিক এসইও এর মধ্যেই আছে-

অন পেজ এসইও
অফ পেজ এসইও
অর্গানিক এসইও এবং পেইড এসইও কি?

অর্গানিক এসইও বলতে বুঝায় সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর সকল রকম নিয়ম আপনি যদি সুন্দর ভাবে অনুসরণ করেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটের পেজটা সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম পাতায় দেখা যাবে। এবং পেইড এসইও ও বলতে বোঝায় আপনি গুগল কোম্পানি কে পেইড করবেন এবং আপনার পেজকে স্বাভাবিক সার্চ রেজাল্টের প্রথমে দেখাবে। আমরা অনেক সময় সার্চ করার পরে কিছু কিছু ওয়েবসাইটকে প্রথমে পাই যেগুলোর পাশে এড (Ad) লেখা থাকে এগুলো মূলত পেইড এসইও।

অন পেজ এসইও এবং অফ পেজ এসইও কি ?

অন পেজ এসইও তে আপনার ওয়েবসাইটকে সম্পূর্ণভাবে তৈরি করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন হয় সবটুকুই এই অনপেজ এসইও এর মাধ্যমে করানো হয়। এবং অফ পেজ এসইও হল মূলত একটা মার্কেটিং অর্থাৎ আপনার ওয়েবসাইটকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য যে পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় সেটাই মূলত অফ পেজ এসইও।

এসইও করার ভিতরে দুইটা সেক্টর আছেঃ

হোয়াইট হ্যাট এসইও
ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
হোয়াইট হ্যাট এসইও বলতে বোঝায় আপনার ওয়েবসাইটের জন্য গুগল নির্দেশিত গাইডলাইন কাজে লাগিয়ে আপনার ওয়েবসাইটটিকে র‍্যাংকের জন্য যেই নিয়ম অনুসরণ করবেন । অর্থাৎ এসইওর সকল সঠিক নিয়ম অনুসরণ করাই মূলত হোয়াইট হ্যাট এসইও। এবং ব্ল্যাক হ্যাট এসইও হচ্ছে আপনি এসইওর সকল নিয়ম ভঙ্গ করে যেভাবে র‍্যাংক বৃদ্ধি করবেন ওটাই মূলত ব্ল্যাক হ্যাট এসইও। তবে বর্তমানে গুগলের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর জন্য ব্ল্যাক হ্যাট এসইও ঠিকভাবে কার্যকর হয়না। এজন্য সবাই হোয়াইট হ্যাট এসইও অনুসরণ করে।

কিভাবে নতুন ওয়েবসাইটের জন্যে এসইও করতে হয়?

আসলে কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করা যায় তা একটি লেখায় শেষ করা সম্ভব নয়। আপনার ওয়েব সাইটের জন্যে কিভাবে এসিও করবেন এ ব্যাপারে বিনামূল্যে পরমর্শ নিতে পারেন আমাদের কাছ থেকে ( লিংক)। বর্তমান তথ্য নিয়ম অনুসরণ করে আপনার ওয়েবসাইটকে পরিচালনা করায় মূলত এসইও। প্রতিনিয়ত ও এসইও এর বিভিন্ন সময়ের আপডেট ও পরিবর্তন অনুসরণ করতে হবে। তবে কিছু বেসিক সেটিংস এর মাধ্যমে এসইও কাজ মূলত শুরু করা হয়।

বেসিক এসইও সেটিংসঃ

প্রথমে আপনার ওয়েবসাইটটিকে গুগোল সার্চ কনসোলে সাবমিট বা এড করে নিতে হবে।
তারপর বিং ওয়েবমাস্টার টুল ব্লগ সাবমিট করবেন।
গুগল এনালাইটিক্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করবেন এবং সেখানে আপনার ওয়েবসাইটটি ভেরিফিকেশন করে নিবেন।
আপনি যদি ওয়ার্ডপ্রেস ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওয়েবসাইটে Yoast SEO নামে একটি প্লাগিন ইন্সটল করে নিতে হবে।

কিওয়ার্ড রিসার্চঃ
কিওয়ার্ড রিসার্

আপনি আপনার ওয়েব সাইটের ধরন সিলেক্ট এর মাধ্যমে আপনার নিশ প্রোডাক্ট সিলেক্ট করেন নিন এবং কিওয়ার্ড নির্বাচন করুন।
দীর্ঘ কিওয়ার্ড নিয়ে কাজ করলে ভালো হবে।
আপনি এর জন্য গুগল কিওয়ার্ড প্ল্যানার সাহায্য নিতে পারেন।
বিভিন্ন অনলাইন সাইট থেকে আপনার কম্পিটিটরদের যাচাই এর মাধ্যমে আপনি কিওয়ার্ড যাচাই করে নিবেন।
আপনি চাইলে অভিজ্ঞদের মাধ্যমে এই রিসার্স করে নিতে পারেন।

অনপেজ এসইওঃ

সব সময় চেষ্টা করবেন আপনার পোষ্টের ইউআরএল যেন ছোট হয়।
ইউআরএল এর ভেতরে আপনার কিওয়ার্ড ব্যাবহার করবেন।
টাইটেল এ অবশ্যই কিওয়ার্ড ব্যবহার করবেন এবং h1 h2 h3 ট্যাগ গুলো ব্যবহার করবেন।
আপনার কনটেন্ট ইমেজ অপটিমিজেশন করে নিবেন এবং প্রয়োজনীয় এক্সটারনাল বা ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করে নিবেন।

টেকনিক্যাল এসইওঃ

গুগোল সার্চ কনসোলের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের Crawl Errors সনাক্ত করে নিবেন।
গুগোল আপনার ওয়েবসাইটটিকে কিভাবে দেখছে সেটা অবশ্যই ফাইন্ড আউট করে নিবেন।
আপনার ওয়েবসাইটটিকে অবশ্যই রেস্পন্সিভ এবং মোবাইল ফ্রেন্ডলি করে নিবেন।
ব্রোকেন লিঙ্ক থাকলে সেগুলো ঠিক করে নিবেন।

আর্টিকেল লেখার পদ্ধতিঃ

আপনাকে অবশ্যই কোয়ালিটি কনটেন্ট তৈরি করতে হবে কারণ আপনাকে জানতে হবে কনটেন্ট ইজ কিং (Content is King)।

আপনার কনটেন্ট সম্পূর্ণভাবে বড় করে লিখুন এবং সহজে বোধগম্য ভাষা ব্যবহার করুন।
প্রয়োজনে কনটেন্ট এর ভিতরে ইমেজ বা ভিডিও যুক্ত করতে পারেন।

ব্যাকলিংক তৈরি করুনঃ
ব্যাক লিঙ্ক টা মূলত আপনার ওয়েবসাইটের প্রচার বা প্রচারণার জন্যই ব্যবহার করা হয়,

আপনাকে অবশ্যই গেস্ট পোস্ট ব্যবহার করতে হবে ব্যাকলিংক করার জন্য।
আপনার কম্পিটিটরদের ব্যাক লিঙ্ক যাচাই করে নিবেন।
ফোরাম পোস্টিং করতে পারেন এবং এখানে অনেক সমস্যার সমাধান করতে পারেন।
বিভিন্ন ব্লগের কমেন্ট সেকশনে ও আপনি আপনার ওয়েবসাইট টা লিঙ্ক পুশ করুন।
লিস্টিং বা ডিরেক্টরি তে আপনার কন্টেন্ট এড করতে পারেন।

সর্বশেষ যেটা বলব সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন বা এসইও এটা কিভাবে কাজ এর পরিপূর্ণ সমাধান বা শেষ নেই। কারণ বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তিতে গুগোল বা বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন প্রতিনিয়ত তাদের অ্যালগোরিদম আপডেট করে যাচ্ছে। এজন্য আপনার দরকার প্রতিনিয়ত আপডেট গুলো খোজ রাখা। এবং সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটটা পরিচালনা করা এবং ভাল কনটেন্ট ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি সার্চ র‍্যাঙ্কের প্রথম পেজে অবস্থান করতে পারবেন। এছাড়া প্রয়োজনে IMBD Agency এর মাধ্যমেও আপনি এসইও বা আপনার নতুন ওয়েবসাইটের এসইও করার জন্য যেকোনো সাহায্য পাবেন। আপনার কোনো মন্তব্য থাকলে সেটা কমেন্টে আমাদের অবশ্যই জানাবেন।

01/06/2022

ইউটিউব মার্কেটিং কি? কিভাবে করবেন

by A.R Rashid Chowdhury Harun

ইউটিউব মার্কেটিং কি (YouTube marketing) হলো বর্তমানে ইন্টারনেটে যেকোনো সার্ভিস বা পন্য মার্কেটিং বা প্রচার করার সেরা এবং জনপ্রিয় উপায়। আসলে ইউটিউব এর মাধ্যমে মার্কেটিং করা মানে অনলাইনে ভিডিও এর মাধ্যমে মার্কেটিং করা।

এজন্য ইউটিউব মার্কেটিং কে বলা হয় ভিডিও মার্কেটিং। বর্তমানে ইন্টারনেটে গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর পরে ইউটিউব সার্চ ইঞ্জিন ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো তথ্য জানতে বা যেকোনো বিষয়ে শিক্ষা গ্রহন করার ক্ষেএে সব চেয়ে বেশি ব্যবহার করা হচ্ছে।

আপনারা হয়তো বুঝতে পারছেন ইউটিউবে আপলোড করা ভিডিও গুলো কতটা বেশি পরিমানে ইন্টারনেটে দেখা হয়। এই সুযোগের সুবিধার কাজে লাগিয়ে বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পনি, ব্যবসার মালিক বা ব্যাক্তিগত কোনো মানুষরা তাদের ব্যবসার সাথে জড়িত ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে ইউটিউবে আপলোড দেয়।

এভাবে তারা তাদের বিভিন্ন পন্য, সার্ভিস এবং ব্রান্ড গুলো ইন্টারনেট ভিডিওর মাধ্যমে মার্কেটিং (marketing) বা প্রচার করে দিচ্ছে। এভাবে ভিডিওর মাধ্যমে ইন্টারনেটে করা মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াকে বলা হয় ভিডিও মার্কেটিং।

কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল মনিটাইজেশন করব?
মনে রাখবেন, এই সম্পর্ন প্রক্রিয়াটি ইউটিউব (YouTube) এর মাধ্যমে করা হচ্ছে, তাই এটাকে ইউটিউব মার্কেটিং বলা হয়। আবার বলতে পারেন YouTube এর মাধ্যমে marketing.

তাহালে চলুন আমরা নিচে থেকে আরো ভালো করে জেনে আসি ইউটিউব মার্কেটিং কি (about YouTube marketing bangla)

Table of Contents
ইউটিউব মার্কেটিং কি? (What is YouTube marketing in bangla)
ইউটিউব মার্কেটিং কিভাবে করবেন?
১. নিজের ইউটিউব চ্যানেলের তৈরি করুন
২. Setup YouTube channel
৩. Create videos related to your business
৪. ভিডিও গুলো SEO র জন্য optimization করুন
৫. ভিডিও গুলো ইউটিউবের মাধ্যমে প্রোমোট (promote) করুন।
৬. YouTube ads ব্যবহার করা
YouTube marketing করে সুবিধা বা লাভ কি?
7 Benefits of YouTube marketing
আজকে আমরা কি শিখলাম
ইউটিউব মার্কেটিং কি? (What is YouTube marketing in bangla)
বর্তমানে যেকোনো একটি কোম্পানি, কোন ব্লগ বা ওয়েবসাইট বা ব্যবসা প্রত্যেকই তাদের পন্য, কন্টেন্ট, সার্ভিস, ব্রান্ড ইউটিউব ভিডিও মার্কেটিং এর মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু গ্রহকের মাধ্যমে প্রচার করতে পারে।

এজন্য অনলাইন মার্কেটিং (online marketing) এই প্রক্রিয়াটি আধুনিক মার্কেটিং এর সব থেকে জনপ্রিয় এবং লাভজনক উপায় হিসাবে প্রকাশ পেয়েছে। সহজ ভাবে বলতে গেলে ইউটিউব মার্কেটিং হলো ডিজিটাল মার্কেটিং এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ভাগ।

যেখানে ব্যবসার সাথে জড়িত ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করে YouTube এবং ইন্টারনেটের সাহায্যে মানুষের ভিডিও গুলো দেখানো হয়। আর ইন্টারনেটে সক্রিয় থাকা সেই সকল মানুষারা আপনার প্রচার করা ভিডিও গুলো ঘরে বসে দেখে প্রডাক্ট (produce) বা ব্যবসার (business) এর ব্যাপারে জানতে পারবে।

কিভাবে ইউটিউব ভিডিও ভিউ বাড়াবো? (Increase video views)
ভিডিওর মাধ্যমে এই সম্পর্ন মার্কেটিং এর প্রক্রিয়াকে বলা হয় YouTube video marketing বা YouTube marketing. বর্তমান সময়ে ইউটিউবের মাধ্যমে এই ধরনের অনলাইন মার্কেটিং যেকেউ ইচ্ছা করলে করতে পারেন।

আপনি চাইলে ইউটিউবে নিজের ব্লগ, ওয়েবসাইট, ব্যবসা বা যেকোনো পন্যের সাথে জড়িত বিষয় গুলো নিয়ে ভিডিও বানিয়ে YouTube আপলোড করে সেগুলোকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে মার্কেটিং বা প্রচার করতে পারেন।

মনে রাখবেন, ভিডিও মার্কেটিং বলতে শুধুমাএ একটি ইউটিউব চ্যানেলে তৈরি করে সেখানে ভিডিও আপলোড করাকে বলে না। ভিডিও মাধ্যমে মার্কেটিং করার জন্য আপনাকে প্রচুর পরিমানে ক্রিয়েটিভ হতে হবে।

কারণ, সব ধরনের ভিডিও কিন্ত মানুষরা দেখতে পছন্দ করে না। তাই ব্যবসা যেটাই হোক না কেন ভিডিওর মাধ্যমে তাকে অনলাইনে মার্কেটিং করতে হলে অবশ্যই ভালো ভিডিও স্ক্রিপ (video script) আগে বানাতে হবে।

এবার আবার যদি আপনাকে কেউ প্রশ্ন করে ইউটিউব ভিডিও মার্কেটিং কি তখন সহজ উত্তর হবে, ভিডিও কন্টেন্ট বানিয়ে YouTube platform এর মাধ্যমে ভিডিও গুলো আপলোড করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রচার করা হলো ইউটিউব মার্কেটিং।

ইউটিউব মার্কেটিং কিভাবে করবেন?
YouTube এর মাধ্যমে marketing করার নিয়ম গুলো অনেক সহজ। কিছু নিয়ম পুরো করে আপনারা ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়া ব্যবহার করতে পারবেন এবং অনেক লাভ ও সুবিধা নিতে পারবেন।

১. নিজের ইউটিউব চ্যানেলের তৈরি করুন
প্রথমে আপনাকে নিজের একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা অনেক সহজ। এর জন্য আপনার একটি gmail account বা google account প্রয়োজন হবে।

gmail account এর মাধ্যমে YouTube channel লগইন করার পরে create channel অপশনে ক্লিক করে video channel তৈরি করে নিতে পারবেন। কিভাবে ইউটিউব চ্যানেল খুলবো এই লিংকে যেয়ে আর্টিকেল পড়ে ইউটিউব চ্যানেল খুলতে পারবেন।

২. Setup YouTube channel
আপনারা যখন ইউটিউব চ্যানেলটি তৈরি করবেন তখন সেটা নিজের business বা product এর নামের উপর ভিত্তি করে দিবেন। চ্যানেলের নাম এমন নির্বচন করবেন যেন যেকেউ দেখে বুঝতে পারে কি বিষয়ে ভিডিও এখানে পাবলিশ করা হবে।

সব সময় চেষ্টা করবেন চ্যানেল নাম নিজের business বা product এর নামে ব্যবহার করার জন্য। এতে মানুষরা সহজে চ্যানেলের নাম দেখে বিসনেস এর এর ব্যাপারে বুঝতে পারবে।

ইউটিউব চ্যানেল থেকে আয় করার উপায় (সেরা গাইড – ২০২১)
এর বাইরে channel art, social profile link, channel profile picture এবং শেষে channel description এর বিষয় গুলো দিতে হবে। তাহালে আপনার চ্যানেলটি দেখতে অনেক আকর্ষণীয় হবে।

৩. Create videos related to your business
নিজের একটি চ্যানেল তৈরি করার পরে আপনাকে ব্যবসার প্রডাক্ট এর সাথে মিল রেখে সুন্দর আকর্ষণীয় ভিডিও তৈরি করতে হবে।

মনে করুন, আপনার একটি application রয়েছে। যেটার মাধ্যমে online cab booking করা যাবে। এবার আপনাকে এমন একটি ভিডিও তৈরি করতে হবে, যেখানে আপনি application সম্পর্কে সকল তথ্য বুঝিয়ে ভিডিওতে বলতে পারেন।

মনে রাখবেন, ভিডিও দেখে মানুষরা যেন বিরক্ত না হয় সেরকম video content তৈরি করতে হবে। আপনি এই রকমের ভিডিও কিভাবে তৈরি করবেন সেটা আপনার সৃজনশীলতার উপর নির্ভর করবে। তাছাড়া ভিডিও কেমন ছোট নাকি বড় হবে সেটাও আপনার নিজের উপর নির্ভর করবে।

মনে রাখবেন, কম সময়ের ভিডিও মানে ছোট ভিডিও গুলো ইউটিউব মার্কেটিং করার জন্য অধিক লাভজনক।

৪. ভিডিও গুলো SEO র জন্য optimization করুন
আপনার ভিডিও গুলোতে Google search এবং YouTube search থেকে প্রচুর পরিমানে organic traffic পাওয়ার জন্য SEO করতে হবে। কীওয়ার্ড রিচার্স করে ভিডিওতে ট্যাগ (tag) বসাতে হবে। কিভাবে সহজে YouTube SEO করবেন সেটা জানতে লিংকে যান।

Seo কি? এসইও কিভাবে শিখবো (SEO Bangla tutorial 2021)
তাহালে সহজে YouTube SEO কি বুঝতে পারবেন এবং শিখতে পারবেন।

৫. ভিডিও গুলো ইউটিউবের মাধ্যমে প্রোমোট (promote) করুন।
আপনি যদি ইউটিউব এসইও করেন তাহালে সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর পরিমানে views বা traffic আসার সুযোগ থাকবে। তবে, search engine থেকে ট্রাফিক পাওয়ার পাশাপাশি আমরা ভিডিও গুলো প্রোমোট (promote) করতে পারি।

যেমন- Facebook, Twitter ইত্যাদি সোশ্যাল মিডিয়া গুলোতে আমরা প্রোমোট করতে পারি। এই সকল সোশ্যাল মিডিয়াতে লক্ষ লক্ষ ইউজার সব সময় এক্টিভ থাকে। সেখানে আপনি নিজের business বা product এর নামে একটি profile তৈরি করে ভিডিও লিংক সেখানে শেয়ার করতে পারেন।

৬. YouTube ads ব্যবহার করা
আপনি যদি কম সময়ে নিজের ব্যবসা বা প্রডাক্ট গুলোকে অনলাইনে ইউটিউবে মার্কেটিং করতে চাচ্ছেন তাহালে google ads বা YouTube ads ব্যবহার করুন। google বা YouTube ads সার্ভিস ব্যবহার করে অনেক কম খরচে লক্ষ্যবস্তু ভিডিও ভিউস পেয়ে যাবেন।

এর মাধ্যমে আপনার ভিডিও গুলোকে অন্য ভিডিওর সাথে জড়িত ইউটিউব ভিডিওতে বিজ্ঞাপন হিসাবে দেখাবে। ভিডিও বিজ্ঞাপনে আপনার ভিডিও গুলো যখন ৩০ সেকেন্ড দেখাবে তখন আপনার কাছ থেকে টাকা কেটে নেওয়া হবে।

আপনারা হয়তো লক্ষ করেছেন যখন ইউটিউকে যেকোনো ভিডিও দেখেন তখন ভিডিও শুরুতে বা মধ্যে বিজ্ঞাপন দেখায়। এভাবে আপনার ব্যবসার বিজ্ঞাপন একই ভাবে দেখাতে পারবেন। ইউটিউব মার্কেটিং করার ক্ষেএে এই প্রক্রিয়াটি অনেক জনপ্রিয় এবং সেরা।

YouTube marketing করে সুবিধা বা লাভ কি?
ইউটিউব মার্কেটিং কি এবং কিভাবে ইউটিউব মার্কেটিং করবেন এই বিষয়ে সম্পর্ন বিষয়টা আপনাদের বললাম। তাহালে চলুন এবার জেনে আসি ইউটিউব মার্কেটিং এর লাভ ও সুবিধা গুলো কি কি?

7 Benefits of YouTube marketing
সব সময় নতুন নতুন গ্রহক (customers) বা ভিউস (views) পাওয়ার সুযোগ পাবেন।

YouTube এ আপলোড করা ভিডিও গুলোতে google search থেকে প্রচুর পরিমানে ইউজার আসতে থাকবে।

এর মাধ্যমে আপনি নিজের ব্যবসাকে আন্তর্জাতিক ভাবে মার্কেটিং করতে পারবেন।

সহজে Google ads এবং YouTube ads এর মাধ্যমে লক্ষ্যবস্তু গ্রহক পেয়ে যাবেন।

বর্তমানে ইন্টারনেটে ভিডিও কন্টেন্ট এর জনপ্রিয়তা বেশি, সেকারণে ভিডিও মার্কেটিং করাটা অনেক লাভজনক।

YouTube এর মাধ্যমে অনেক সহজে নিজেই মার্কেটিং করতে পারবন।

নিজের চ্যানেলে যদি স্থায়ী ভাবে subscribers অর্জন করতে পারেন তাহালে ভবিষ্যৎ তারা আপনার চ্যানেলের সাথে সংযুক্ত হয়ে থাকবে। এভাবে আপনার ভালো একটি বড় audience base তৈরি হয়ে যাবে।

তাহালে বুঝতে পারছেন ইউটিউব মার্কেটিং লাভ ও সুবিধা গুলো কি কি। এছাড়া আরো অনেক লাভ রয়েছে এই ডিজিটাল মার্কেটিং প্রক্রিয়াতে। আপনি যখন অনলাইন ভিডিও মার্কেটিং এর প্রক্রিয়া শুরু করবেন তখন নিজে থেকেই প্রতিটা লাভ ও সুবিধা গুলো বুঝতে পারবেন।

আজকে আমরা কি শিখলাম
তাহালে বন্ধুরা আজকে আমরা শিখলাম ইউটিউব মার্কেটিং কি (What is YouTube marketing in bangla), কিভাবে করবেন এবং এর লাভ ও সুবিধা গুলো কি কি। এই সম্পর্কে যদি কোনো পরামর্শ দিতে চান তাহালে নিচে কমেন্টে জানাতে পারেন। ধন্যবাদ

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কতটা সম্ভাবনাময়?কোর্সটিকায় সর্বদাই আমরা কাজ করে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করবো...
30/05/2022

নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং কতটা সম্ভাবনাময়?

কোর্সটিকায় সর্বদাই আমরা কাজ করে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করবো এটা ভাবার থেকে, কাজ ভালোভাবে শিখে মার্কেটপ্লেসে নামবো, এটা ভাবতে বেশি উৎসাহ দিয়ে থাকি।

ফ্রিল্যান্সিং এর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কোর্সটিকা অফিসিয়াল গ্রুপে অনেকেই প্রশ্ন করেন। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন নিয়ে আজ আলোচনা করবো। আজকের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে, ডিজিটাল মার্কেটিং শিখেও অনেক ফ্রিল্যান্সাররা কাজ পাচ্ছেন না। কিন্তু কেন?.

ফ্রিল্যান্সিং করার অনেক আগ্রহ ছিল। তাই ডিজিটাল মার্কেটিং শিখছি। নিজেকে দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করে যাচ্ছি। অনেকটা এগিয়ে গেছি। কিন্তু অনেক নতুন ফ্রিল্যান্সাররা পোস্ট করছেন দক্ষ হওয়া সত্যেও তারা কাজ পাচ্ছে না।
তাই মনোবল হারিয়ে ফেলছি। সিনিয়র ভাইদের কাছে প্রশ্ন। ডিজিটাল মার্কেটিং নতুন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য কতটুকু সম্ভাবনাময়। আসলেই কি নতুনরা কাজ পায়না?
আর ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের শুধু একটা বিষয়। যেমন শুধুমাত্র SEO নিয়ে দক্ষতা অর্জন করলে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা কতটুকু। নাকি সবগুলো বিষয় (যেমন: কন্টেন্ট রাইটিং, ফেসবুক মার্কেটিং ইত্যাদি) নিয়ে পরিপূর্ণ দক্ষতা অর্জন করতে হবে?

আমাদের গ্রুপে প্রশ্নটি করেছেন রাজিব সওদাগর। তিনি গত আট মাস ধরে ডিজিটাল মার্কেটিং অনুশীলন করছেন। অতঃপর এখন প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ না পেয়ে হতাশ।

কোর্সটিকায় সর্বদাই আমরা কাজ করে লাখ লাখ টাকা উপার্জন করবো এটা ভাবার থেকে, কাজ ভালোভাবে শিখে মার্কেটপ্লেসে নামবো, এটা ভাবতে বেশি উৎসাহ দিয়ে থাকি।

ডিজিটাল মার্কেটিং অনেক বড় একটা সেক্টর আর এখানে কাজের কোনো অভাব নেই। মনে করুন ডিজিটাল মার্কেটিং এর ৭ টি বড় শাখার একটি হচ্ছে এসইও। আর এই এসইও এর এর তিনটি শাখার একটি হচ্ছে ‌ব্যাকলিংক।


‌ব্যাকলিংক বিল্ড করার অনেকগুলো উপায় আছে। যার মধ্যে একটি হচ্ছে Email Outreach। অনেক ডিজিটাল মার্কেটার বা এসইও এক্সপার্ট আছেন, শুধু এই Email outreach এর কাজটাই করে মাসে $1000 বা তারও বেশি আয় করে থাকেন।

►► আরো দেখুন: ইনস্টাগ্রাম থেকে মাসে আয় করুন ৫০ হাজার টাকা
►► আরো দেখুন: শুধু ইমেইল পাঠিয়ে আয় করুন ঘরে বসে
►► আরো দেখুন: চাকরী পাচ্ছেন না? সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করে জীবন গড়ুন

এখন তাদের দেখাদেখি আপনিও যদি ভাবেন শুরুতেই ১০০০ ডলার মাসিক ইনকাম করবেন, তাহলে সেটা ভুল ধারণা। কারণ, তারাও শুরুতে এটা করতে পারেনি। তাদের এই মাসিক ১০০০ ডলার ইনকাম করতে অনেক অপেক্ষা করতে হয়েছে এবং অনেক লড়াই করতে হয়েছে। যেটা কিনা আপনাকেও করতে হবে।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর আরেকটি শাখা অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বাজার ৩০০ বিলিয়ন ডলারের ওপর। যা কিনা বাংলাদেশের এক অর্থবছরের আয়ের সমান। এসইও তে বছরে ১০০ বিলিয়নের উপর কাজ হয়। তাই এসইও না শুধু ব্যাকলিংক এক্সপার্ট হলেও ভালো একটা এমাউন্ট উপার্জন করতে পারবেন।

নতুনদের জন্য ডিজিটাল মার্কেটিং সব সময় কঠিন। কেননা এই সেক্টরে দক্ষতার প্রমাণ করার বাহ্যিক উপকরণ থাকে না। যেমন ধরুন আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইনার। আপনি ভালো লোগো ডিজাইন পারেন। এখন আপনার ক্লায়েন্ট আপনাকে বললো একটি স্যাম্পল ডিজাইন করে পাঠাতে। আপনি করেও পাঠালেন।

কিন্তু আপনাকে যদি আপনার ক্লায়েন্ট বলে, ফেইসবুকে একটি ক্যাম্পেইন করে দেখান। তাহলে সেটা সম্ভব না। কারণ, এখানে অর্থ ব্যয়ের সম্পর্ক আছে। আর যেহেতু এটা অর্থ ব্যয়ের সাথে জড়িত তাই কোন উদ্যোক্তা অদক্ষ কাউকে দিয়ে ডিজিটাল মার্কেটিং করানোর ঝুঁকি নেবেন না।

তাই নতুনদের জন্য কাজ পাওয়া অনেকাংশেই কঠিন হয়ে যায়। কাজ পেতে হলে আপনাকে কাজের প্রমাণ দেখাতে হবে। কিন্তু আপনি কিভাবে সেটা করবেন?

কিভাবে নিজেকে যোগ্য প্রমাণিত করবেন?
১। প্রথমত কাজ শিখুন, দ্বিতীয়ত কাজ শিখুন এবং তৃতীয়ত কাজ শিখুন।
২। পরিচিত ও দক্ষ বা সিনিয়রদের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি করুন। তাদের কাছ থেকে পরামর্শ গ্রহণ করুন এবং আপনার সমস্যার কথা তাদের জানান।
৩। কিছুটা বিনিয়োগ করে কাজ অনুশীলন করুন। আপনি যে কাজ পারেন, তার প্রমাণ রাখার জন্য নিজের একটি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইট তৈরি করুন।
৪। বিনিয়োগ করা সম্ভব না হলে কোনো কোম্পানি বা সিনিয়রদের অধীনে ইন্টার্নশিপ (কাজ) করুন। ফ্রি তে হলেও কাজ করুন এবং অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।
৫। অনলাইন মার্কেটপ্লেস, জবসাইট, সিনিয়রদের টাইমলাইন এবং বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুগুলোতে নিয়মত আপডেট থাকার চেষ্টা করুন।
৬। ধৈর্য ধারণ করুন। এটি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন। কারণ, ডিজিটাল মার্কেটিং এ ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে আপনাকে একটু বেশিই পরিশ্রম করতে হবে। কোন ক্ষেত্রেই অধৈর্য হওয়া যাবে না ।

Facebook Ads FAQআপনারা প্রতি ডলার (US Dollar) কত করে রাখেন?সার্ভিস চার্জ সহ প্রতি ডলারের দাম 125 টাকা।​সর্বনিম্ন কত ডলার...
28/05/2022

Facebook Ads FAQ

আপনারা প্রতি ডলার (US Dollar) কত করে রাখেন?

সার্ভিস চার্জ সহ প্রতি ডলারের দাম 125 টাকা।



সর্বনিম্ন কত ডলার বাজেট হলে আপনাদের মাধ্যমে এ্যাড দেয়া যাবে?

কমপক্ষে $30 USD অর্থাৎ 3750 টাকা -এর বিজ্ঞাপন হলে আমরা সার্ভিস দেই।

* বিকাশ ফি নাই 3750 টাকা।



কোন এ্যাড এক্সটেন্ড করতে চাইলে?

এক্সটেনশন দৈনিক কমপক্ষে ১ ডলার। যদি এ্যাডটি আমাদের এ্যাড ম্যানেজারে থেকে থাকে।



আপনাদের মাধ্যমে কিভাবে ফেইসবুক এ্যাডভার্টাইজিং শুরু করতে পারি?

Step 01 - প্রথমে আপনার পেইজটি আমাদের দেখিয়ে জেনে নিবেন এই পেইজের এ্যাডভার্টাইজিং করা যাবে কি না।

Step 02 - যদি যায় তাহলে আমাদের কমপক্ষে $30 এর জন্য 3750 টাকা পেমেন্ট করবেন।

Step 03 - আমাদের একটি আইডি-কে Advertiser করে দিবেন।

Step 04 - আমরা এ্যাড সাবমিট করে দেব। নিয়মিত রিপোর্ট দেয়া হবে।



আমার বিজ্ঞাপনটি কতদিন চলবে?

এটি আসলে আপনার সিদ্ধান্ত। আপনি আপনার সুবিধামতো দিন নির্ধারন করে বাজেট খরচ করতে পারেন। দৈনিক যত খরচ করবেন, সেই অনুপাতে রেজাল্ট আসবে। সর্বনিন্ম প্রতিদিন ১ ডলার দেয়া যায়। মানে ৩০ ডলার দিয়ে সর্বাধিক ৩০ দিন ক্যাম্পেইন চালাতে পারবেন। আমাদের পরামর্শ হলো দৈনিক অন্তত ৮/১০ ডলার বরাদ্দ দিন যাতে একটি স্ট্যান্ডার্ড স্পিড পাওযা যায়।ফেইসবুক বাজেট খরচ করতে না পারলে বাড়তি টাকা থেকে গেলে আমি রিফান্ড করে দেই।



বাজেট আইডিয়া





ফেইসবুকে তো নিজেই এ্যাড দেয়া যায়। তাহলে কোন এজেন্সির কাছে যেতে হবে কেন?



এ্যাড মানে শুধু ডলার খরচ নয়; এটি সৃজনশীলতা, অভিজ্ঞতা ও আরো কিছু দক্ষতার সমন্বয় । আমরা ফেইসবুক এ্যাডের উপর একটি প্রশিক্ষন দিয়ে থাকি। আগ্রহী হলে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।



টেকনিক্যালি আপনার একটি পেমেন্ট ম্যাথড হলেই এ্যাড দিতে পারবেন। ফেইসবুক সব একাউন্টের সাথেই এ্যাড তৈরী ও পাবলিশ করার ব্যাবস্থা করে দিয়েছে, অনেকে সেটা ব্যাবহার করে ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে। কোন এজেন্সির সাহায্য তিন কারনে প্রযোজন হতে পারে:-

অভিজ্ঞতা: পেশাদার আর অনভিজ্ঞ কাজের পার্থক্য অনেক। এজেন্সি অনেক ধরনের ব্যাবসার হাজারো এ্যাড দিয়ে আসছে বছরের পর বছর। তারা Facebook community standard, Ad policy, Conversion rate, Bid, Placement, Detailed interest বিষয়গুলো মাথায় রেখে এ্যাডভার্টাইজিং করে।

পেমেন্ট চ্যানেল: ফেইসবুককে পেমেন্ট করার ব্যাবস্থা করাটা অনেক ঝামেলার ব্যাপার। ব্যাংকে অনেক ফরমালিটি। দেশের বাইরের কারো সাহায্য নিয়মিত চাওয়াও অস্বস্তিকর। এজেন্সিকে কিছু সার্ভিস চার্জ দিয়ে খুব সহজেই এ্যাড চালু করা যায়।

ক্রিয়েটিভ কন্টেন্ট: এজেন্সিগুলো সাধারনত এ্যাডের কন্টেন্ট তৈরীতে অভ্যস্ত হয়ে থাকে। এ জন্য সাধারনত আলাদা পেমেন্ট নেয়া হয়। কমপক্ষে ১০০ ডলারের এ্যাড হলে আমরা এ্যাডের এটি কন্টেন্ট ফ্রি তৈরী করে দেই ।

যেহেতু এজেন্সি চালানো হয় সেজন্য আমরা কিছু পেইড টুল ব্যাবহার করে থাকি ডাটা এ্যানালাইসিস এর জন্য। এককভাবে এইসব টুল কিনে ব্যাবহার করা বেশ ব্যায়বহুল হতে পারে।



আমার এ্যাডটি কতজনকে দেখানো হবে?

এটি'র সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নেই কারন এ্যাডের পারফরমেন্স অনুযায়ী এবং ফেইসবুকের নিজস্ব কিছু নিয়ম অনুযায়ী (বাজেট, এ্যাড কোয়ালিটি স্কোর, প্রতিদ্বন্দী এ্যাডের পরিমান ও বাজেট ইত্যাদী) এটি কম বেশী হয়ে থাকে। সাধারনত বাংলাদেশের নির্দিষ্ট এলাকায় ম্যাসেজ টার্গেট করে এ্যাড চালালে প্রতি ডলারে = ৪৫০ থেকে ১১০০ জন এবং এনগেজমেন্ট টার্গেট করে চালালে প্রতি ডলারে = ১০০০+ জন এ্যাডটি দেখবে। পেইজ প্রমোশন করলে ডলার প্রতি = ২০/৩০ টি লাইক পেতে পারেন। অন্য টাইপের এ্যাড সম্পর্কে ধারনা পেতে যোগাযোগ করুন।



আমার এ্যাড থেকে পেইজে কতটি লাইক আসতে পারে?

আসলে কতজন ফ্যান হবে সেটা নির্দিষ্টভাবে বলা যায় না। এটি নির্ভর করে এ্যাডের পারফরমেন্স ও আপনার ব্যবহৃত ছবি/ভিডিও মানুষ কতটা পছন্দ করছে তার উপর। যদি শুধু বাংলাদেশ টার্গেট করা হয় এবং সবার জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হয় তাহলে প্রতি ডলারে ২০/৩০ টি লাইক আসতে পারে। আপনার এ্যাডটি যাদের ভালো লাগবে তারা লাইক দিয়ে ফ্যান হবে। যাদের ভালো লাগবে না, তারা এ্যাডটি চোখে পড়লেও স্ক্রল করে চলে যাবে।



আপনারা তো অনেক কম বলছেন, অন্য একটি এজেন্সি ২০০০ টাকায় ৫০০০ বেসিক লাইক দিবে বলেছে।

বেসিক লাইক বলে কোন শব্দ ফেইসবুকে নেই। আসলে এইসব এজেন্সি ফেইক লাইকের এই নাম দিয়েছে। তারা তাদের ৫০/৬০ হাজার ফেইক একাউন্ট দিয়ে পেইজে ভুয়া লাইকের ব্যাবস্থা করে দেয়। কাজটি তারা করে সফটওয়্যারের মাধ্যমে। এজন্যই তারা অস্বাভাবিক বেশী লাইকের নিশ্চয়তা দিতে পারে। ভুয়া লাইক কিনলে আপনার পেইজের স্থায়ী ক্ষতি হয়ে যাবে। কারন পরবর্তিতে প্রোডাক্ট/সার্ভিসের সবচেয়ে বড় ক্রেতা হয় আপনার পেইজের ফ্যান। আপনি সেই জায়গাটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। আর এইসব ফেইক আইডি দেখে দেখে ব্লক করে দেয়া প্রায় অসম্ভব একটি কাজ। এইসব এজেন্সি সধারনত কখনই তাদের এ্যাড ম্যানেজার দেখাতে চায় না।



কিভাবে বুঝব কত টাকা খরচ হলো বা কতজন এ্যডটি দেখল?

নিয়মিত এ্যাডের রিপোর্টের কপি ই-মেইলে বা হোয়াটসএ্যাপে পাঠানো হবে। এ্যাড চলাকালিন সময় লাইভ রিপোর্ট-ও দেখে যেতে পারেন।



আমি আপনার সার্ভিস যাচাই করার জন্য সর্বনিন্ম 3750/- টাকার-ই এ্যাড দিতে চাই। এই টাকার বিনিময়ে আমি কি পাব?

ফেইসবুকে আপনার এ্যাড ৩০ ডলার বাজেট ব্যাবহার করে চালানো হবে। সঠিক মানুষকে টার্গেট করার সর্বোচ্চ চেস্টা করা হবে। স্বচ্ছতার সাথে রিপোর্ট দেয়া হবে। এ্যাডের কন্টেন্ট -এর ব্যাপারে এ্যাডভাইজ করা হবে।



আমি বড় বাজেটের একটি এ্যাড চারদিন চালাতে চাই, আমি যদি চারদিনের পরিবর্তে ১ মাস চালাই তাহলে কি কিছু বেশী ক্লিক/লাইক পাব?

পত্রিকার বিজ্ঞাপন যেমন বেশীদিন চালালে বেশী মানুষ দেখবে, ফেইসবুকের বিজ্ঞাপন ঠিক তেমনটি নয়। আপনার বাজেট অনুযায়ী এটি দেখানো হবে। বাজেট ঠিক রেখে দিনের সংখ্যা বাড়িয়ে দিলে, প্রতিদিনের দেখানোর হার কমে আসবে। আপনার অর্থ কম দিনে যত লোককে দেখাবে, বেশী দিন চালালেও মোটামুটি একই পরিমান লোক দেখবে। এ্যাড কম দিন চলুক বা বেশী, মোট ফলাফল একই থাকবে।



ফেইসবুকের এ্যাড দেখানোর ফর্মুলা:
এ্যাড পারফরর্মেন্স = (বাজেট/সময়) X কোয়ালিটি স্কোর অর্থাৎ

বাজেট বাড়ালে পারফরর্মেন্স বাড়বে (সময় ও কোয়ালিটি একই হলে)
সময় বাড়ালে পারফরর্মেন্স কমবে (বাজেট ও কোয়ালিটি একই হলে)
কোয়ালিটি বেড়ে গেলে পারফরর্মেন্স বাড়বে (বাজেট ও সময় একই হলে)



আপনাদের রেটটা একটু বেশী মনে হচ্ছে / অন্যরা প্রতি ডলার অনেক কম টাকায় অফার করছে / আমি অল্প আয়ের ব্যাবসায়ী / ছাত্র / অনেক দুরে থাকি – আমার জন্য কিছুটা ছাড় দেয়া যাবে?

যতটুটু সম্ভব ছাড় দিয়েই আমাদের রেট নির্ধারিত হয়েছে। আর কোন ডিসকাউন্টের অনুরোধ রাখা আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।



আমি বড় বাজেটের একটি ক্যাম্পেইন করতে চাই এক্ষেত্রে আপনাদের সার্ভিস চার্জ কি কিছুটা কম রাখা যাবে?

আপাতত আমরা কোন ছাড়/ডিসকাউন্ট দিতে পারছি না বলে দু:খিত।



আমি ফেইসবুকে এ্যাড দিতে চাই। এখন আমাকে কি করতে হবে?

আপনার প্রতিষ্ঠানের একটি ফেইসবুক পেইজ থাকতে হবে। সাথে একটি ওয়েবসাইট থাকলে ভালো হয়, তখন আরো ভিন্ন ধরনের এ্যাড দিতে পারবেন। আমাদের সাথে দেখা করে এ্যাড দিতে চাইলে যোগাযোগ করে আসতে পারেন। আমাদের লোকেশন মোহাম্মদপুর জাপান গার্ডেন সিটির কাছে। প্রতি ডলার 125 টাকা হিসেবে বাজেটের টাকা এ্যাড দেয়ার সময় দিতে হবে। এ্যাড শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও কোন টাকা বেঁচে গেলে তা ফেরত দেয়া হবে। ফেইসবুক পেইজের এ্যাড দেয়ার জন্য আমাদের আপনার পেইজের এ্যাডভার্টাইজার করে দিতে হবে।



আমরা আপনার সাথে সামনাসামনি কথা বলতে চাই, আপনি কি আমাদের অফিসে আসতে পারবেন?

এই সার্ভিসটি দেয়ার জন্য আসলে সামনাসামনি দেখা করার প্রয়োজন হয় না। তবে যদি দেখা করে এ্যাড দিতে চান তাহলে অনুগ্রহ করে আমার ঠিকানায় চলে আসতে পারেন। বা কোন প্রতিনিধি পাঠাতে পারেন। ব্যাবসার ধরন এবং লোকবলের স্বল্পতার কারনে আমাদের পক্ষে দেখা করা সম্ভব নয়।



টাকা দেয়ার কতক্ষন পরে আমার এ্যাড চালু হবে?

সাধারনত টাকা পৌঁছানোর দিনেই এ্যাড সাবমিট করে দেই। কোন কোন ক্ষেত্রে (অসুস্থতা, হলিডে বা অন্য কোন জরুরী ব্যাপার হলে) হয়তো ২৪ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। এ্যাড সাবমিটের পরে ফেইসবুক এ্যাপ্রুভ করে লাইভ করে দেয়। যদিও ৯০% এ্যাড ১০ মিনিটের মধ্যেই চলতে শুরু করে কিছু এ্যাড ছাড় পেতে ২৪ ঘন্টা যর্যন্ত সময় নিতে পারে।



আমার দেয়া টাকা কিভাবে ফেইসবুক খরচ করবে?

ফেইবুক সাধারনত কতজনকে দেখালো (রিচ) সেই হিসেবে চার্জ করে তবে অনেক সময় অপশন থাকে যে রিচ এর পরিবর্তে এ্যাকশন/কনভার্শন অনুযায়ী ফেইসবুককে পে করার।



আপনার মতো আরো অনেকে এই সার্ভিস দিচ্ছে। আমি কেন আপনার সার্ভিস নেব?

আমরা বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল এজেন্সি (২০০৫ -এ প্রতিষ্ঠিত) এবং প্রথম ফেইসবুক এ্যাডভারটাইজার (২০০৭ এর ডিসেম্বর থেকে)। কখনোই বাজারে প্রচলিত ছল-চাতুরীমুলক পন্থা অবলম্বন করিনি যেমন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, CAD, AUD ব্যাবহার করে ডলার নাম দেয়া, ফেইক আইডি থেকে পাওয়া কুপন ব্যাবহার করা, ফেইসবুকের বিল বাকি রেখে পেইজের ক্ষতি করা, বেসিক (ভুয়া) লাইকের কন্ট্রাক্ট করা ইত্যাদি। আমাদের স্বচ্ছতার জন্য আমরা সমাদৃত। সম্ভবত আমরা-ই প্রথম থেকে ওপেন ইনফর্মেশন দিচ্ছি। কত টাকার বিনিময়ে আমাদের কাছে কি প্রত্যাশা করতে পারেন তা সবই এখানে পরিস্কারভাবে বলে দেয়ার চেষ্টা করেছি। অন্যদের মতো তথ্য জানতে ফোন করতে বা ইনবক্স দেখুন বলিনি। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পরবর্তীতে অনেকে বাধ্য হয়েছে তাদের রেট ওপেনলি বলতে। এর পরেও আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে অবশ্যই আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা ফেইসবুকের এই সার্ভিসটি সুলভ মুল্যে সরবরাহ করার চেস্টা করেছিমাত্র যেখানে এ্যাড কিভাবে চলবে সেই সিদ্ধান্তটি আপনার। আমরা কোন কৃত্রিম প্যাকেজ তৈরী করিনি। আমরা অন্যদের মতো পেইজের ‘লাইক’ কন্ট্রাক্ট করছিনা অথবা কতগুলো ক্লিক হবে সেভাবে চুক্তি করে নিচ্ছি না। আমরা আপনার এ্যাডগুলো স্বাভাবিকভাবে চলতে দিব। এতে করে স্বাভাবিকভাবেই আপনি ক্লিক অথবা লাইক পাবেন। কোন ধরনের ম্যানিপুলেশনের প্রশ্ন নেই। আমাদের সার্ভিস নেয়ার কয়েকটি কারন হতে পারে:



দেশের প্রথম অনলাইন এ্যাড এজেন্সি (২০০৫ থেকে)

বিশ্বমানের সার্ভিস

পরিপুর্ন এবং স্বচ্ছ রিপোর্টিং

কোন অবাস্তব প্রমিজ করা হয় না। যেমন এতগুলো লাইক/রিচ হবে।

কোন লাইক-এর কন্ট্রাক্ট করি না।

আপনার ক্যাম্পেইনের জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শ

১৬ বছরের সার্ভিসে শুন্য অভিযোগ



এ ছাড়া এ্যাড চলাকালিন সময় লাইভ রিপোর্ট দেখে নিতে পারেন। তবে ক্যাম্পেইন শেষ হয়ে যাবার পরে যেহেতু এ্যাডগুলো মুছে ফেলা হয় তাই পরে আর এই সুবিধা দেয়া সম্ভব নয়।



কতজন আমার পেইজে এ্যাডের মাধ্যমে এসেছে তার সঠিক সংখ্যা কি জানা যায়?

হ্যাঁ জানা যায়। এটা ফেইসবুক রিপোর্টে থাকে।



আচ্ছা, আমার কোন পোস্টের নীচে বুস্ট বাটনে ক্লিক করলে একটা লিস্ট দেখা যায়। যেখানে কত টাকার এ্যাড দিলে কত reach বা like হবে তার একটা ধারনা দেয়া থাকে। এটি কি সঠিক?

সাধারনত একটা রেঞ্জ দেয়া থাকে যেমন ৫০০ টাকায় 36000 থেকে 95000 reach. আমাদের অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি যে রেঞ্জটির ছোট ভ্যালুর ৭০% ধরা হলে কাছাকাছি রেজাল্ট হয়। যেমন এই উদাহরনে ক্ষেত্রে আমাদের ধারনা থাকবে যে 36000 এর 70% = 25k এর মতো reach পেতে পারি। ফেইসবুকের বাড়িয়ে বলাটা তার নিজের এ্যাডভার্টাইজমেন্টের একটি অংশ।



আমরা অনেক বড় প্রতিষ্ঠান, আমাদের বাজেট অনেক বড়। একটি প্রাইস কোটেশন পাঠানো যাবে?

জ্বি যাবে। এজন্য আপনার প্রতিষ্ঠানের VAT Registration Certificate এর কপি প্রয়োজন হবে। প্রাইস কোটেশনের ক্ষেত্রে আমাদের ডলারের রেট এখানে উল্লেখিত রেট এর চাইতে আলাদা হবে। আমরা কোন টেন্ডারে অংশ নিতে আগ্রহী নই। আপনার প্রতিষ্ঠানের পলিসি যাই হোক না কেন আমাদের সার্ভিস নিতে হলে ১০০% অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে, মানি রিসিট দেয়া হবে। প্রয়োজনে ক্যাম্পেইন শেষ হলে ইনভয়েস (পেইড) দেয়া যাবে।



আমার এ্যাড চলাকালিন সময়ে বাজেট এবং সময় বাড়াতে চাই, সেক্ষেত্রে আমাকে কি করতে হবে??

আমাদের পেমেন্ট করে যে কোন সময় বাজেট বাড়িয়ে নিতে পারেন। প্রতি ডলার 125 টাকা হিসেবে।



ডলারের দাম অনেক কম। আপনারা 125 টাকা করে নিচ্ছেন কেন?

কারন আমরা আলাদাভাবে আর কোন সার্ভিসচার্জ নিচ্ছি না। অনলাইন এ্যডভার্টাইজিং একটি প্রফেশনাল সার্ভিস, শুধুমাত্র ডলার বিক্রি নয়। ডলারের রেট ধরে প্রাইসিং এদেশে আমরাই শুরু করি যখন অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো অন্যভাবে কোটেশন করত যেমন প্রতি ক্লিক ২ টাকা বা প্রতি লাইক ৫ টাকা ইত্যাদি। কিন্তু আমাদের ডলারের রেট এর নিয়মের স্বচ্ছতার জন্য আজকাল প্রায় সবাই এটা ব্যাবহার করছে। এখানে আমরা একটি ফ্ল্যাট রেট দেয়ার চেষ্টা করেছি। এই টাকার মধ্যে ডলারের দাম + ভ্যাট + ব্যাংকের চার্জ + বিজনেস খরচ + আমাদের প্রফিট সবকিছুই আছে । আলাদা ভাবে এইসব হিসেব করার চাইতে ডলারের রেটে সবকিছু নিয়ে আসায় যে কোন বাজেটের এ্যাডের হিসেব সহজেই করা যায়।



আপনাদের রেটটা অনেক বেশী, আমার পছন্দ হয়নি। আমাকে কি অন্য কারো সন্ধান দিতে পারেন যারা এই ধরনের সার্ভিস দিয়ে থাকে?

অনলাইন এ্যাডভার্টাইজিং এর সার্ভিস দিয়ে থাকেন এমন অনেকেই আছেন; এছাড়া অনেকেই নতুনভাবে এ ধরনের সেবা দেয়া শুরু করছেন। এখানে আমি কয়েকজনের সন্ধান দিলাম। আশা করি কাজে লাগবে। প্রফেশনাল ও উন্নতমানের কাজের জন্য এই প্রতিষ্ঠানগুলোর সুনাম রয়েছে। আমাদের পরামর্শ হবে সস্তা ডলার রেট বা কম ডেইলি বাজেট অফার করার জন্য ভুইফোঁড় প্রতিষ্ঠান/ফ্রিল্যান্সারের কাছে না যাওয়ার জন্য। আমি সহ এই প্রতিষ্ঠানগুলো এ্যাডভার্টাইজিং করে থাকি। ফ্রিল্যান্সিং এর ডলার ক্যাশ করার জন্য সাইড বিজনেস হিসেবে এ্যাডভার্টাইজিং করি না। আমাদের মনোযোগ এ্যাডভার্টাইজিং-এ, যাতে ক্লায়েন্টের বিজনেস সম্ভাব্য বেশী লাভবান হয়।

আমি কি যে কোন ধরনের ব্যাবসার এ্যাড আপনাদের মাধ্যমে দিতে পারি?

ফটোগ্রাফি, বুটিক শপ, কারুশিল্প বা মিউজিক ব্যান্ড যে ধরনের এ্যাডই দিতে চান না কেন প্রায় সবগুলো-ই ফেইসবুকের মাধ্যমে প্রচার করা সম্ভব। তবে অল্প কিছু পণ্য, সেবা ও ব্যাবসা রয়েছে যেগুলোর এ্যাড আমরা দেই না। সেগুলোর একটি ছোট তালিকা এখানে দেয়া হলো:-

মডেল বা Es**rt এজেন্সি

ম্যানপাওয়ার বিজনেস

কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য বা ঘৃনা-বিদ্বেষ মুলক এ্যাড

যদি বোঝা যায় যে এ্যাডটি প্রতারনা করার উদ্দেশ্যে দেয়া যেমন - "সারাদেশে এজেন্ট নিয়োগ দেয়া হবে।"



আমাদের পলিসির একটি সারসংক্ষেপ এখানে দেয়া হয়েছে মাত্র এখানে দেয়া হয়নি কিন্তু আমাদের পলিসির সাথে সাংঘর্ষিক এমন কোন ক্যাম্পেইনের ব্যাপারে যোগাযোগের সময় জানিয়ে দেয়া হবে।



আমার ক্যাম্পেইন যদি মাঝ পথে থেমে যায় তাহলে কি হবে?

অ-ব্যাবহৃত টাকা ফেরত দেয়া হবে। তবে গ্রাহকের ইচ্ছায় থামানো হলে অথবা বাকি টাকায় নতুন এ্যাড সাবমিট করতে বলা হলে ১০ ডলারের সম-পরিমান টাকা চার্জ করা হবে।

Address

Ropi Market, 2nd Floor, Advent Digital, Hospital Road, Chowgacha
Jessore
7410

Opening Hours

Monday 04:00 - 22:00
Tuesday 04:00 - 22:00
Wednesday 04:00 - 22:00
Thursday 04:00 - 22:00
Saturday 04:00 - 22:00
Sunday 04:00 - 22:45

Telephone

+8801721107235

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A.R Rashid Chowdhury Harun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to A.R Rashid Chowdhury Harun:

Share