অশ্রু শুভ্র

অশ্রু শুভ্র Digital Creator

20/09/2026

ভালো মানুষ শুধু তোমার হাসির সঙ্গী হয় না—তোমার নীরবতার ভাষাটাও বুঝতে শেখে। তোমার দুর্বলতাকে কখনো অস্ত্র বানায় না, ভুলকে অপমানের কারণ করে না। তুমি যখন নিজের কাছেই ক্লান্ত, তখনও সে তোমাকে তোমার মতো করেই গ্রহণ করে।
জীবনে অনেক মানুষ আসে—কেউ প্রয়োজনের কারণে, কেউ স্বার্থের কারণে, কেউ শুধু সময়ের সঙ্গী হয়ে। কিন্তু যে মানুষটি তোমার খারাপ সময়ে বদলে যায় না, তোমার সাফল্যে অস্বস্তি বোধ করে না, আর তোমার সম্মানকে নিজের স্বার্থের চেয়ে বড় করে দেখে—তার মূল্য বুঝতে শেখো।
কারণ ভালো মানুষ হারিয়ে গেলে শুধু একজন মানুষ হারায় না, হারিয়ে যায় এমন এক আশ্রয়—যেখানে মনটা কোনো অভিনয় ছাড়াই নিজের মতো থাকতে পারত।
তাই এমন মানুষকে অবহেলা কোরো না।
সব সম্পর্ক ভাঙার শব্দ শোনা যায় না—কিছু সম্পর্ক নিঃশব্দে দূরে সরে যায়, আর তাদের শূন্যতা বোঝা যায় অনেক পরে।
মনে রেখো, জীবনে ভুল মানুষকে হারালে হয়তো কিছুই বদলায় না; কিন্তু একজন সত্যিকারের ভালো মানুষকে হারালে—একদিন ভিড়ের মাঝেও বুঝবে, মানুষ অনেক পেয়েছিলে, অথচ ‘আপন’ বলে রাখার মতো মানুষটি আর নেই।।

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

20/09/2026

দুটো মানুষের মধ্যে একটা সম্পর্ক তৈরি হলেই তারা একে অন্যের নিজের মানুষ হয়ে যায় কি? হয়তো না। সময়ের হাত ধরে একে অন্যের গভীরে পৌঁছতে পৌঁছতে, অজান্তেই একটু একটু করে আপনজন হয়ে ওঠে দুটো মানুষ। বিন্দু বিন্দু জলে যেমন একদিন জন্ম হয় সাগরের, তেমনই বিন্দু বিন্দু সময়ের স্রোত বেয়ে তৈরি হয় এক দৃঢ় বাঁধন। সে বাঁধনে কোনো শব্দ থাকে না, থাকে আশ্চর্য এক নৈঃশব্দ… যে নৈঃশব্দ অন্তরে রিনরিন ঝঙ্কার তোলে, আত্মার আরও গভীরে।

ইচ্ছে করলেই এমন সম্পর্ক নির্মাণ করা যায় না, সে জন্ম নেয় স্বয়ং। দুটো মানুষের বলা কথার চেয়ে না-বলা কথার সংখ্যা অগুনতি। সেই শব্দহীন কথাগুলো জড়িয়ে মাইল মাইল অরণ্যপথে তার বেড়ে ওঠা, পথের পাশে অযত্নে ফুটে থাকা নাম না জানা জংলী ফুলের মতো। হাজার প্রতিকূলতা, কষ্ট আর অনাদর পেরিয়েও যে নিজের অজান্তে সুবাস ছড়িয়ে যায়। তার কোনও প্রত্যাশা নেই। আর প্রত্যাশাহীন বলেই সে আপনাতে আপনি সম্পূর্ণ।

কিছু সম্পর্কের কোনও পোশাকি নাম হয় না। তাকে বন্ধুত্ব বললেও যেন কম বলা হয়, ভালোবাসা বললেও কোথাও একটা অসম্পূর্ণতা থেকে যায়। কিছু মানুষ জীবনে আসে এক গভীর অনুভব হয়ে, সেখানে পরিচয়ের সীমারেখা নির্ধারিত থাকে না। তাদের সঙ্গে কথা না বলেও কথা বলা যায়, দূরে থেকেও অনুভব করা যায়। মুখের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা মনখারাপটুকুও তারা শব্দ ছাড়াই বুঝে নিতে পারে।

সম্পর্কের গভীরতা তাই তার বয়সে মাপা যায় না। কেউ কেউ সারাজীবন পাশে থেকেও অচেনা থেকে যায়, আবার কেউ অল্প সময়েই মনের এমন এক প্রদেশে পৌঁছে যায়, যেখান থেকে তাকে আর ফেরানো সম্ভব হয় না। সে তখন আর পৃথক একজন মানুষ থাকে না! নিজের ভেতরেরই এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে যায়।

সময় বদলায়, দূরত্ব বাড়ে, মানুষ ভুল বোঝে। কখনও কখনও কুৎসার লেলিহান শিখাও এসে ছুঁতে চায় সেই নির্মল বন্ধনকে। তবুও সত্যিকারের সম্পর্ক পুড়ে ছাই হয়ে যায় না। কারণ যে সম্পর্ক মানুষের কথায় তৈরি হয়নি, মানুষের কথায় তার বিনাশও হয় না।

সময়ের সঙ্গে মানুষ বদলে যায়, পথ বদলে যায়, ঠিকানা বদলে যায়। তবু হৃদয়ের কোনও এক গোপন অলিন্দে সত্যিকারের আপন মানুষটির জন্য জায়গাটি থেকে যায় একইরকম। সে কাছে থাকুক কিংবা বহু দূরে, কথা বলুক কিংবা নীরব থাকুক… তার অস্তিত্বটুকু অন্তরে অনুভূত হয়।

আসলে কিছু সম্পর্কের কোনো দাবি নেই, অধিকার নেই, প্রত্যাশাও নেই। তারা শুধু থেকে যায়, নিঃশব্দে, নিরালায়।

আত্মার যেমন বিনাশ হয় না, কিছু সম্পর্কও ঠিক তেমনই অবিনশ্বর। একবার যদি কেউ কারও সত্যিকার আপনজন হয়ে ওঠে, তার কাছ থেকে নিজেকে ফেরানো আর সম্ভব হয় না সারাজীবন। মানুষটি হয়তো জীবনের প্রতিটি দিনে পাশে থাকে না, তবু মনের গভীরে তার জন্য যে আলো একদিন জ্বলে উঠেছিল, তা সহজে নেভে না।

হয়তো এটাই সত্যিকারের আপন হয়ে যাওয়া, কোনও প্রতিশ্রুতি ছাড়াই, কোনও পোশাকি নামের বন্ধন ছাড়াই, নিঃশব্দে একজন মানুষের আত্মার ভিতর অন্য একজনের চিরকাল থেকে যাওয়া।

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

20/09/2026

ঘুটে পুড়ে আগুন হাসে,,,

জীবন বড্ড জটিল সমীকরণ মেলানো সম্ভব না!!!
যে যেখানে অবস্থান সে ওখানে থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে,,। মেলাতে চেষ্টা করো না বন্ধু,,,।

কারণ যা তোমার জীবনে সমীকরণ তুমি ই উদাহরণ তা শুধু তোমার গভীরে বসত করে তাঁকে সে একমাত্র উপলব্ধি করতে পারে,,,।
আর তা তোমার জীবনে লক্ষ হয়ে থাকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিবে হবেই হবেই,,,।

আমি তোমার জীবনের সমীকরণ উদাহরণ দিয়ে সমাধান করতে এসো না প্রিয়া,,,। আমি জানি তুমি কি? বিষয় বিষে জ্বালা ময় হয়েছো???

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

20/09/2026

জীবনে খুব বেশি কিছু পাওয়ার ইচ্ছা আমার কোনোদিনই ছিলো না। আমি সবসময় চাই ছোট্ট একটা শান্তির জায়গা, একটা জায়গা, যেখানে মুখোশ পড়ে থাকতে হবে না।

আমি শুধু চাই, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে বুকের ভেতর যেন অস্থিরতা না থাকে, বালিশে মাথা রাখলেই যেন শান্তির ঘুম হয়।

জীবনের কাছে আমার চাওয়া খুব ছোট, রাতে একটু শান্তিতে ঘুমাতে পারলেই, আমি মনে করি আমি বেঁচে আছি!🖤

পুরুষের জেদ সত্যিই ভয়ঙ্কর! 🖤
একবার কোনো কিছু থেকে মন সরিয়ে নেওয়ার জেদ ধরলে,
সে তার প্রিয় শখের জিনিসও ছেড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
কারণ, অভিমানী পুরুষ কখনো হার মানে না—নীরবে নিজেকে বদলে ফেলে। ✨

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

19/09/2026

আমি তোমারে ভালোবাসি।
কতখানি ভালোবাসি,
সেই হিসাবটা কইতে পারমু না।
শুধু এইটুকু জানি--
তুমি ছাড়া আমি
কেমন জানি পাগল পাগল হইয়া যাই।

তোমার একটু দূরত্বে
আমার বুকের ভেতরটা কেমন শূন্য শূন্য লাগে,
তোমার নীরবতায়
আমার চারপাশটা কেমন অচেনা হইয়া যায়।

এহন যদি তোমার বিশ্বাস না হয়,
তাইলে তুমি একবার
দূরে সইরা দেখতে পারো--

দেখবা,
তোমারে ছাড়া আমি
আর আমি থাকি না।

মইরা যামু কি না জানি না,
তবে এইটুকু ঠিক--
তোমারে ছাড়া
বাঁচার মতো বাঁচতে পারমু না।

কেউ একজন বলেছিলেন, "চোরের কাশি আর সন্ন্যাসীর দাসি" তাকে সবসময় বিপদে ফেলে!!...
আর সেই জন্যই......
যে তোমায় বোঝে তাকে বোঝাও
চলার পথ মিললে সঙ্গী বানাও
মন মিললে মনের মানুষ বানাও
নইলে থাকো একলা 🥲

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

19/09/2026

যতোটুকু সাধ্য ছিলো ততটুকু দিয়ে বুঝিয়েছি
কতোটা ভালোবাসি তোমায়।
কিন্তু তুমি তো বুঝতে চাওনি
তুমি চেয়েছিলে আমি আমার মৃত্যু দিয়ে প্রমাণ করি
তোমাকে ঠিক কতটা ভালবাসি।
আমি একেলা পথে হেঁটে দেখেছি
কেউ সাথী হয়নি আমার নিঃসঙ্গতার
আমি হেমন্তের শিশিরে পা ভিজিয়ে হেঁটে দেখেছি
কোথাও শীতলতা পাইনি।
এক আকাশ তাঁরা ভরা রাতে আমি জেগে থেকেছি
তবুও আমার চোখ ক্লান্ত হয়নি,
আমি অঘাত জলে নেমে দেখেছি
কোথাও ঠাই পাইনি।
আমি তোমার সব টুকু জুড়ে থাকতে চেয়েছি
কিন্তু তুমি আমাকে দিয়েছো এক আকাশ সমান যন্ত্রনা।
আমি শুধু মরতে পারিনি বলে প্রমাণ করতে পারিনি
যে আমি তোমাকে কতোটা ভালোবাসি।
এই পৃথিবীতে কতো শত মানুষ আছে
তাদের ভিড়ে আমি নিজেকে খুঁজে পাইনি,
আমি শুধু চেয়েছি তুমি আমাকে বোঝো কিন্তু তুমি
আমাকে ঠিক ততটাই সরিয়ে দিয়েছো যেখানে তোমার হাত
আমি ঠাই পাইনি।
আমি শুধু মরতে পারিনি বলে প্রমাণ হয়নি
যে তোমাকে কতটা ভালবাসি 😥

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

19/09/2026

একজন মানুষকে দেখে বোঝা যায় সে কী করছে
কিন্তু কেন করছে—সেটা বোঝার জন্য তাকে একটু সময় দিতে হয়

এই “কেন”-এর জায়গাটাতেই মানুষের সবচেয়ে বড় ভুলগুলো হয়

কারও সঙ্গে কথা বলতে বলতে হঠাৎ সে চুপ করে গেল

আমরা ধরে নিই—অভিমান করেছে

কেউ একটা সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে এসে আবার সেই মানুষটার কাছেই ফিরে গেল

আমরা বলি—দুর্বল

কেউ বহুদিনের পরিচিত মানুষকেও একদিন হঠাৎ নিজের জীবন থেকে সরিয়ে দিল

আমরা বলি—নিষ্ঠুর

কিন্তু মানুষের আচরণকে এত সরল রেখায় পড়া যায় না

কারণ একই আচরণ কখনও আত্মরক্ষা, কখনও অপরাধবোধ, কখনও ভয়, কখনও দীর্ঘদিনের অভ্যাস, আবার কখনও এমন কোনো পুরোনো অভিজ্ঞতার ফল হতে পারে—যেটার কথা সেই মানুষটি নিজেও বহুদিন মনে করতে চাননি

একজন মানুষ হয়তো কাউকে খুব ভালোবাসেন, অথচ সম্পর্ক গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে অস্থির হয়ে ওঠেন

বাইরে থেকে ব্যাপারটা অদ্ভুত

যাকে কাছে পাওয়ার জন্য এত আকাঙ্ক্ষা, তাকে কাছে পেয়েই দূরে সরে যাওয়া কেন

কারণ ভালোবাসা সবসময় শুধু ভালোবাসার অনুভূতি নিয়ে আসে না

কখনও তার সঙ্গে হারানোর ভয় আসে

কখনও প্রত্যাখ্যাত হওয়ার আশঙ্কা

কখনও নিজের স্বাধীনতা হারানোর আতঙ্ক

তখন মানুষ যে কাজটা করছে, সেটা তার ইচ্ছার সঙ্গে সবসময় একরকম দেখায় না

এখানেই মানুষের মনকে বোঝার কাজটা কঠিন

কারণ মানুষ যা বলে, তার থেকেও অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে—সে কোন কথাটা এড়িয়ে যাচ্ছে

সে কী নিয়ে রেগে গেল, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—কোন জায়গায় সে অস্বাভাবিকভাবে নীরব হয়ে গেল

সে কাকে ছেড়ে গেল, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে—কেন এতদিন ধরে ছাড়তে পারল না

একজন মানুষ বছরের পর বছর এমন একটি সম্পর্ক বহন করে চলেছেন, যেখানে তিনি সুখী নন

বাইরের মানুষ অবাক হয়ে বলে, “তাহলে বেরিয়ে আসছ না কেন”

প্রশ্নটা সহজ

উত্তরটা নয়

কারণ সম্পর্কের মধ্যে শুধু ভালোবাসা থাকে না

থাকে অভ্যাস, ভয়, নির্ভরতা, সামাজিক চাপ, অপরাধবোধ, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা—আর কখনও কখনও নিজের সম্পর্কে তৈরি হয়ে যাওয়া এমন কিছু বিশ্বাস, যেগুলো মানুষকে নিজের বিরুদ্ধেই দাঁড় করিয়ে দেয়

তাই কোনো আচরণকে এক শব্দে ব্যাখ্যা করে ফেলা খুব আরামদায়ক

কিন্তু সবসময় সত্যি নয়

মানুষকে বোঝার জন্য তাকে “কেমন” সেটা জানাই যথেষ্ট নয়

জানতে হয়—
সে এমন হলো কীভাবে

আর এখানেই বিচার আর বোঝার মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য

বিচার দ্রুত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে চায়

বোঝাপড়া একটু অপেক্ষা করে

বিচার বলে, “তুমি এমন”

বোঝাপড়া জানতে চায়, “কী ঘটেছিল যে তুমি এমন হয়ে গেলে”

এই পার্থক্যটা খুব সামান্য মনে হতে পারে

আসলে নয়

কারণ একজন মানুষকে তার সবচেয়ে দুর্বল মুহূর্তে যে ভাষায় দেখা হয়, অনেক সময় সে নিজের সম্পর্কে সেই ভাষাটাই পরে বিশ্বাস করতে শুরু করে

তাই সাহায্য করার জায়গায় বসে নিজের ব্যক্তিগত বিশ্বাসকে সত্যের শেষ কথা মনে করা বিপজ্জনক

কেউ কীভাবে সম্পর্ক করবে, কাকে ভালোবাসবে, কী সিদ্ধান্ত নেবে, কোন জীবন বেছে নেবে—এসবের উত্তর অন্য কারও ব্যক্তিগত জীবনদর্শন থেকে তৈরি হওয়া উচিত নয়

কারণ সামনে বসা মানুষটির জীবন তার নিজের

তার ইতিহাসও তার নিজের

তার দ্বন্দ্বের অর্থও শেষ পর্যন্ত তাকেই বুঝতে হবে

এখানে একটা কঠিন সংযম দরকার

সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দেওয়ার সংযম

সব সমস্যার সমাধান করে দেওয়ার সংযম

এমনকি নিজের কাছে খুব পরিষ্কার মনে হওয়া উত্তরটাও কিছু সময় চেপে রাখার সংযম

কারণ কখনও কখনও একজন মানুষকে পথ দেখানোর চেয়ে তাকে নিজের পথটা দেখতে সাহায্য করাই বেশি জরুরি

“এটা করো”—বললে সিদ্ধান্তটা বাইরে থেকে আসে

“তুমি এটা করতে চাইছ কেন”
জিজ্ঞেস করলে মানুষটা নিজের ভেতরে ফিরে যায়

আর পরিবর্তন যদি সত্যিই দীর্ঘস্থায়ী হয়, তার শুরুটা সেখানেই

নিজের আচরণের জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া বন্ধ করার জায়গায় নয় শুধু—
নিজের আচরণকে নিজের কাছেই ব্যাখ্যা করতে শেখার জায়গায়

আর যিনি অন্যের মন নিয়ে কাজ করেন, তাঁর ক্ষেত্রেও একটা সত্য কখনো ভুলে যাওয়া উচিত নয়—
অন্যের জটিলতা বুঝতে পারা মানেই নিজের জটিলতা শেষ হয়ে যাওয়া নয়

নিজের বিশ্বাস আছে

নিজের অভিজ্ঞতা আছে

নিজের অন্ধ জায়গা আছে

সেগুলো চিনতে না পারলে জ্ঞানও কখনও কখনও পক্ষপাতের খুব সুন্দর পোশাক পরে সামনে আসে

তাই মানুষের মন নিয়ে কাজ করার সবচেয়ে বড় যোগ্যতা শুধু অনেক কিছু জানা নয়

কখন নিজের মতামত সরিয়ে রাখতে হবে—সেটাও জানা

কখন প্রশ্ন করতে হবে—সেটা জানা

কখন চুপ করে থাকতে হবে—সেটা জানা

আর সবচেয়ে বড় কথা—
একজন মানুষ তার সবচেয়ে অস্বস্তিকর সত্যটা বলার পরেও তাকে মানুষ হিসেবেই দেখতে পারা

কারণ মানুষকে তার ভুল দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা খুব সহজ

তার ভয়ের ভেতর দাঁড়িয়ে তাকে দেখা কঠিন

মানুষকে তার আচরণ দিয়ে বিচার করলে আমরা একটা ঘটনা পাই

তার পেছনের মানুষটাকে বুঝতে পারলে পাই একটা ইতিহাস

আর সেই ইতিহাসটাই অনেক সময় বলে দেয়—
যে মানুষটাকে বাইরে থেকে “অদ্ভুত” মনে হচ্ছিল,
সে হয়তো এতদিন শুধু নিজের অদেখা কোনো ক্ষতের সঙ্গে বেঁচে ছিল

মনকে বোঝার গভীরতা বোধহয় এখানেই—
মানুষ কী করেছে, তার হিসাব রাখা নয়;
কোন পথ পেরিয়ে সে সেখানে পৌঁছেছে,
সেটা দেখতে শেখা!!!

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

19/09/2026

একাকীত্ব আর একা সময় কাটানোর মধ্যে একটা বড় পার্থক্য আছে। একাকীত্ব মানুষকে হতাশ করে, কিন্তু নিজের ইচ্ছায় একা সময় কাটানো মানুষকে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তোলে। একা একা সময় কাটাতে পারাটা মানুষের জীবনের অন্যতম বড় একটি দক্ষতা এবং শক্তির উৎস।

শরীরের আঘাতের মতো মনের আঘাতের কোনো দৃশ্যমান রক্তপাত হয় না। তাই মন নিজের অজান্তেই একা থেকে সেই না-দেখা ক্ষতটুকু নিরাময় করার চেষ্টা করে।অনেক সময় মানুষ তার নিজের ভেতরের গোলমাল শান্ত করতে নীরবতা বেছে নেয়। মন ভালো নেই মানে এই নয় যে জোর করে হাসতে হবে বা স্বাভাবিক দেখাতে হবে। নিজের আবেগকে একটু জায়গা দেওয়াটা সত্যিই খুব দরকার!!!

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

18/09/2026

তুমি থেকো!
থেকো এমন অন্ধকার দিনে
কৃষ্ণা দ্বাদশীর মধ্যরাতে
যে নেবে আমায় চিনে।

তুমি থেকো!
থেকো এমন কাছের মানুষ হয়ে
মনের যত কান্না আছে
বলবো তাকে চোখের পানে চেয়ে।

তুমি থেকো!
থেকো এমন অন্যরকম হয়ে
প্রেমের বাঁধন খুলে গেলে
বাঁধবে আগল দিয়ে।

তুমি থকো!
থেকো এমন আপন মানুষ হয়ে
শিখিয়ে যাবে ঘুরে দাঁড়ানো
বুকের ব্যথা নিয়ে।

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

18/09/2026

মানুষকে সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝে কে জানেন!!!!
অন্য মানুষ নয়—মানুষ নিজের মানুষই নিজেকে সব থেকে বেশি ভুল বোঝে ?

একজন মানুষ সারাজীবন বলে গেল, “আমি খুব শক্ত”

তারপর একদিন কাউকে বিদায় দেওয়ার সময় শুধু হাতটা একটু বেশি সময় ধরে রাখল

চোখে জল এল না

গলাও কাঁপল না

শুধু বিদায় নেওয়ার পর কয়েক মিনিট চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল

সে হয়তো নিজেও বুঝল না—সেই মুহূর্তে তার শরীর তার মুখের চেয়ে বেশি সত্যি কথা বলছিল

আমরা ভাবি অনুভূতি মানে শুধু কান্না, রাগ, আনন্দ

আসলে শরীর অনেক আগেই অনুভূতির ভাষা শিখে ফেলে

ভয়ের সময় বুক ধড়ফড় করে, হাত ঠান্ডা হয়ে যায়, পেটের ভেতর অদ্ভুত টান লাগে

কোনো খারাপ খবর আসার আগেই কখনও শরীর অস্বস্তি টের পায়

কাউকে বহুদিন পর দেখলে মুখে হাসি ফুটলেও বুকের ভেতর আচমকা একটা চাপ তৈরি হতে পারে

এগুলো নাটক নয়

মস্তিষ্ক, স্মৃতি আর শরীরের মধ্যে যে যোগাযোগ সারাক্ষণ চলছে, তারই দৃশ্যমান চিহ্ন

আর স্মৃতি—সে তো আরও ধূর্ত

মানুষ ভাবে সে একটা ঘটনা ভুলে গেছে

তারপর বহু বছর পর কোনো পুরোনো গন্ধ, কোনো পরিচিত সুর, কোনো জায়গার আলো হঠাৎ এমন একটা অনুভূতি ফিরিয়ে আনে, যার সঙ্গে সেই মুহূর্তের কোনো সরাসরি সম্পর্কই নেই

মস্তিষ্ক জিনিসপত্র ভুলে যেতে পারে

কিন্তু সব অনুভূতি একইভাবে মুছে ফেলে না

এই কারণেই একজন মানুষ কখনও এমন কাউকে দেখে অস্বস্তি বোধ করে, যার সঙ্গে তার কোনো বর্তমান শত্রুতা নেই

কখনও কোনো সম্পর্ক শেষ হওয়ার পরও মানুষ সেই মানুষটিকে নয়, তার সঙ্গে কাটানো নিজের পুরোনো সংস্করণটাকে খুঁজতে থাকে

কখনও সে আসলে কাউকে ফিরে পেতে চায় না—শুধু নিজের হারিয়ে যাওয়া একটা সময়কে ফিরে পেতে চায়

এখানেই মানুষের সবচেয়ে বড় বিভ্রান্তি

সে নিজের অনুভূতির নাম ঠিক করে ফেলতে পারে, কিন্তু তার উৎসটা সবসময় চিনতে পারে না

ভালোবাসাকে কখনও অভ্যাস মনে হয়

অভ্যাসকে ভালোবাসা

ভয়কে রাগ

অপরাধবোধকে দায়িত্ব

নির্ভরতাকে সম্পর্ক

আর দীর্ঘদিনের মানসিক ক্লান্তিকে কখনও কখনও নিজের স্বভাব বলে মেনে নেয়

তারপর বলে—“আমি এমনই”

কত ভয়ংকর একটা বাক্য

কারণ “আমি এমনই” অনেক সময় কোনো ব্যক্তিত্বের পরিচয় নয়; সেটা বহুদিনের অমীমাংসিত অভিজ্ঞতার ওপর তৈরি একটা পরিচয়

একজন মানুষ সারাজীবন নিজেকে চিনতে গিয়ে হয়তো শুধু নিজের আচরণগুলোই দেখে গেছে

কিন্তু আচরণের নিচে যে ভয়টা ছিল, যে অপমানটা ছিল, যে অভ্যাসটা ছিল, যে অসমাপ্ত কথাটা ছিল—সেগুলোর দিকে তাকায়নি

তাই বয়স বাড়ে, মানুষ বদলায়, সম্পর্ক বদলায়, শহর বদলায়—কিন্তু একই জায়গায় এসে একই রকম কষ্ট পেলে সে অবাক হয়ে বলে,
“আমার সঙ্গেই এমন কেন হয়”

হয়তো প্রশ্নটা হওয়া উচিত অন্যরকম—
“আমি বারবার কোন জায়গাটায় ফিরে যাচ্ছি”

মানুষের ভেতরের সবচেয়ে গভীর ক্ষতগুলো সবসময় রক্তাক্ত থাকে না

কিছু ক্ষত মানুষকে বদলে দেয়

কিছু ক্ষত মানুষকে চুপ করিয়ে দেয়

কিছু ক্ষত মানুষকে অতিরিক্ত শক্ত করে তোলে

আর কিছু ক্ষত এত পুরোনো হয়ে যায় যে মানুষ সেটাকেই নিজের স্বভাব বলে ভুল করতে শুরু করে

তাই মানুষকে বুঝতে হলে শুধু তার কথাগুলো শুনলেই হয় না

তার বিরতিটাও দেখতে হয়

তার অকারণ রাগটাও

অতিরিক্ত হাসিটাও

কোন প্রশ্নে সে হঠাৎ চুপ করে গেল—সেটাও

কারণ মানুষ যা বলে, তার চেয়েও অনেক সময় বেশি কথা বলে যায় তার শরীর

আর নিজের ক্ষেত্রে

সেখানেই আমরা সবচেয়ে অন্ধ

অন্যের মুখ পড়তে শিখি

নিজের ভেতরটা পড়তে শিখি না

সম্ভবত এ কারণেই পৃথিবীতে এত মানুষ নিজেকে নিয়ে আত্মবিশ্বাসী, অথচ নিজের কাছেই এত অপরিচিত!!!

--অশ্রু শুভ্র--
best photographs # Videos

Address

Paikgacha
Khulna
9285

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অশ্রু শুভ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share