KUET Informers

KUET Informers We stand for truth and beauty. From classroom brilliance to canteen banter, we’re here to inform, inspire, and entertain.

থিসিসের সময় এক বড় ভাই নিজের আগ্রহ থেকে এমন কিছু টপিক নিয়ে কাজ করছিলেন। তখন আমি আরেক ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলাম এই ধরনের টপ...
24/05/2026

থিসিসের সময় এক বড় ভাই নিজের আগ্রহ থেকে এমন কিছু টপিক নিয়ে কাজ করছিলেন। তখন আমি আরেক ভাইয়ের কাছে জানতে চাইলাম এই ধরনের টপিক থিসিসের জন্য কেমন হতে পারে। তিনি বলেছিলেন, “মানুষের ঘাড়ে যখন শুধু পেপারের সংখ্যা বাড়ানোর ভুত চাঁপে তখন এসব বিষয়ে কাজ করে। আর থিসিসের জন্যও এগুলো সাধারণত অ্যাক্সেপ্ট করা হয় না।”

এদিকে গবেষণার গ না বোঝা পোলাপান ভাবছে কি না কি হয়ে গেছে।

পকেট গেটে কোনো শিক্ষার্থী মার খেলে শুনি নিরীহ দোকানিদের রক্ষা করতে বজ্রগতিতে হাজির হন তিনি। আবার ফুলবাড়ীগেটে কিছু হলেই জ...
24/05/2026

পকেট গেটে কোনো শিক্ষার্থী মার খেলে শুনি নিরীহ দোকানিদের রক্ষা করতে বজ্রগতিতে হাজির হন তিনি। আবার ফুলবাড়ীগেটে কিছু হলেই জানা যায় স্থানীয় ব্যবসায়ী সমাজকে বাঁচাতেও তিনিই ফ্রন্টলাইনে। মনে হচ্ছে ফুলবাড়ীগেটের একমাত্র দায়িত্বশীল লোক হিসেবে কুয়েটিয়ানদের হাত থেকে পুরো অঞ্চলকে রক্ষা করার মহান দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন তিনি। মানবতার এমন দৃষ্টান্ত সত্যিই বিরল।

ছাত্রদলে থাকা গুপ্তলীগ সঠিক খবর পাঠাতে ব্যর্থ হইছে। আত্মগোপনে থাকা বড়ভাইরা কনফিউজড কে দখল করছে, কার থেকে দখলমুক্ত করা লা...
24/05/2026

ছাত্রদলে থাকা গুপ্তলীগ সঠিক খবর পাঠাতে ব্যর্থ হইছে। আত্মগোপনে থাকা বড়ভাইরা কনফিউজড কে দখল করছে, কার থেকে দখলমুক্ত করা লাগবো? এ নিয়ে দলের মাঝে তীব্র অসন্তোষ দেখা গেছে।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে কুয়েট।
24/05/2026

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে কুয়েট।

"কুয়েট ফুলবাড়িগেট মোড়ে আজ সন্ধ্যায় যুবদলের সন্ত্রাসী মাসুমের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন ইসিই ১৯ ব্যাচের জাহিদুর রহমানকে এলোপাথাড়ি...
23/05/2026

"কুয়েট ফুলবাড়িগেট মোড়ে আজ সন্ধ্যায় যুবদলের সন্ত্রাসী মাসুমের নেতৃত্বে ২০-২৫ জন ইসিই ১৯ ব্যাচের জাহিদুর রহমানকে এলোপাথাড়ি মারধর করে। তার মোবাইল ছিনতাই করে নিয়ে যায়।"
- জাহিদুর রহমান ইসিই-১৯

23/05/2026

কি আজব দুনিয়া ইঞ্জিনিয়াররা ইঞ্জিনিয়ার বাদে সবকিছু হতে চায়। আবার ইঞ্জিনিয়ার বাদে বাকি সবাই ইঞ্জিনিয়ার হতে চায়।

23/05/2026

চোরের মুখে ধর্মের কথা মানায় না
আপনি নিজে মদিনার ইসলাম কায়েমের কথা বলে শরিয়তের বিধান কে মধ্যযুগীয় বলে ধর্ম অবমাননা করবেন আর কে ধর্ম রাজনীতি করবে,কে মসজিদে মসজিদে ঘুরে বেড়াবে সেটা নিয়ে সমালোচনা অন্তত আপনার মুখে মানায় না।নিজেরা যখন কোন ওয়েলফেয়ার,নতুন ধারার রাজনীতি করতে পারেন না তখন অন্য কেউ রাজনীতির নতুন ধারা নিয়ে আসতে চাইলে এতো জ্বলে কেন?নিজের দলীয় লোককে কার্ড খাওয়ানো ছাড়া,স্বৈরাচারি মনোভাব পোষণ করা ছাড়া আর কী করতে পারলেন?দেশে একটা বিচার করতে পারেন না অথচ একজন মসজিদে নামাজ আদায় করতে গেলে তাকে নিজের লোককে দিয়ে মারান।বলতিছি জনগণের পালস বুঝে রাজনীতি করেন।দৃষ্টান্তমূলক কোন বিচার না করলে এদেশে কখনোই কোন অপরাধ কমবে না।আপাতত দেশের এইসব দিকে মনোযোগ দিন কে কি করলো সেটা না ভেবে।ধন্যবাদ

21/05/2026

একটা ক্যাম্পাসে প্রকাশ্যে, দিনের আলোতে বহিরাগত টোকাই ও সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে হামলা করার পরও কিছু ইঞ্জিনিয়ারিং-রিলেটেড পেজে সেটাকে নিয়ে মিম ও ট্রল করতে দেখলাম। সত্যি বলতে, ইঞ্জিনিয়ার হলেই মানুষ হওয়া যায় না; মানুষ হওয়ার জন্য ন্যূনতম মানবিকতা ও বিবেকও প্রয়োজন। দোয়া করি, তোমাদের কোনো ক্যাম্পাস যেন কখনো এমন পরিস্থিতির শিকার না হয়। কারণ যারা এমন হামলার মুখোমুখি হয়, তারাই শুধু সেই বিভীষিকা, আতঙ্ক আর অসহায়ত্ব বুঝতে পারে।

আরও অবাক লাগলো যখন দেখলাম আইডিইবির কবীরকে ভিসি করার মতো বিষয় নিয়েও ট্রল করা হচ্ছে। অথচ আমি ডুয়েটের সিভিল ও মেকানিক্যাল বিভাগের ফ্যাকাল্টি লিস্ট দেখে অন্তত ১০ জন করে বুয়েট ও রুয়েট গ্রাজুয়েট প্রফেসর পেয়েছি। তাহলে কি এখন বলা হবে, বুয়েট বা রুয়েট থেকে পাশ করা এই শিক্ষকরা যোগ্য নন?

সাস্ট থেকে আসা বর্তমান ভিসিকে নিয়ে আমাদের কোনো ব্যক্তিগত মন্তব্য নেই। কিন্তু যদি এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যে উনাকে বাদ দিলে ডুয়েটে আর কেউ যোগ্য নেই, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে বুয়েট, রুয়েট, চুয়েট এত বছর ধরে কী ধরনের শিক্ষক ও প্রকৌশলী তৈরি করেছে?

ছাত্রদল বলেছে, জামাতপন্থী ভিসি আনার জন্য শিবির সহিংসতা করেছে। ছাত্রদলের কাছেও প্রশ্ন থাকে ডুয়েটে কি কোনো যোগ্য বিএনপিপন্থী শিক্ষক নেই, যাকে নেতৃত্বের জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে? একইসঙ্গে ডুয়েট শিক্ষার্থীদের প্রতিও আহ্বান থাকবে, ভিসি ইস্যুকে কেন্দ্র করে সহিংসতার পথে যাওয়া কখনোই সমাধান হতে পারে না। সরকার যেহেতু সিদ্ধান্ত দিয়েছে, সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে মেনে নিয়েই যৌক্তিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে মত প্রকাশ করা উচিত। তবে হামলার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে ভবিষ্যতের ক্যাম্পাস জীবন আরও বিভীষিকাময় হয়ে উঠবে।

মতপার্থক্য থাকতেই পারে, বিরোধিতাও থাকতে পারে। কিন্তু প্রতিপক্ষ হলেও উত্তম প্রতিপক্ষ হওয়া উচিত। কোথায় কী বলা উচিত, কোন বিষয় নিয়ে রসিকতা করা যায় আর কোন বিষয় মানবিক সংবেদনশীলতার জায়গা এই বোধটুকু থাকা প্রয়োজন। শুধু বিরোধিতা করার জন্য সবকিছু নিয়ে ট্রল করার মানসিকতা পরিহার করা উচিত।

19/05/2026

জীবনের এক পর্যায়ে এসে হঠাৎ মনে হয়, পিছনে ফেলে আসা অনেক অর্জনই আসলে কত তুচ্ছ ছিল। যেগুলো নিয়ে একসময় এত গর্ব করেছি, এত প্রতিযোগিতা করেছি, কখনো হিংসাও করেছি আজ সেগুলোর কোনো মূল্যই যেন আর অনুভব করি না।

ক্লাস ওয়ান-টুতে রোল ১ না পেয়ে কত কষ্ট পেয়েছি। মনে হতো, পরেরবার যেভাবেই হোক প্রথম হতেই হবে। যে বন্ধুটি আমাকে ছাড়িয়ে যেত, তার প্রতি অদ্ভুত এক হিংসা কাজ করত। অথচ আজ বুঝি, সেসবের কোনো বাস্তব গুরুত্বই ছিল না। এরপর এলো এসএসসি, এইচএসসি ভালো ফলাফল নিয়ে কত গর্ব, খারাপ হলে কত হতাশা। কিন্তু আজ সেসবও অর্থহীন মনে হয়।

আমি একজন এভারেজ স্টুডেন্ট হিসেবেই বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শেষ করতে চলেছি। খুব শিগগিরই হয়তো “বেকার গ্র্যাজুয়েট” নামটা আমার পরিচয় হয়ে যাবে। বাবার বয়স হয়ে গেছে, মায়ের শরীরও আগের মতো নেই। অথচ এত বছর পরেও আমি তাদের জন্য তেমন কিছুই করতে পারলাম না। বারবার মনে হয়েছে, ছেলে হিসেবে আমি কতটা ব্যর্থ।

আর্থিক অনটনের এই সময়গুলোতে কত দোয়া করেছি, কত চেষ্টা করেছি। চেষ্টা আর অপেক্ষা করতে করতে একসময় ক্লান্ত হয়ে গেছি, হতাশ হয়ে গেছি। এতদিন বাবা-মা হয়তো আমাকে নিয়ে খুব বেশি আশা করেননি। কিন্তু “ইঞ্জিনিয়ার” হওয়ার পর তাদের স্বপ্নগুলোও বড় হয়ে যাবে। আর আমি জানি না, সেই স্বপ্ন পূরণ করার সামর্থ্য আমার হবে কি না।

কিছুদিন ধরে খুব বেশি মন খারাপ থাকে। মাঝে মাঝে মনে হয়, যদি আমি এসএসসি-এইচএসসিতে এত ভালো করার পেছনে না ছুটতাম, যদি ছোটখাটো কোনো কাজ করে তখন থেকেই বাবা-মাকে সাহায্য করতে পারতাম তাহলেই হয়তো আজ আমি বেশি সুখী হতাম। দূর থেকে শুধু তাদের কষ্ট আর পরিশ্রম দেখেছি, কিন্তু ২২-২৩ বছর বয়স হয়েও তাদের কোনো উপকারে আসতে পারিনি।

আমার এতগুলো দিন কেটে গেছে দুশ্চিন্তা আর হতাশার ভেতর দিয়ে। কখনো কখনো মনে হয়, আমার সেই বন্ধুরাই হয়তো ভালো আছে, যারা এসএসসির পর থেকেই কাজ শুরু করেছিল। বেঁচে থাকার জন্য খুব বেশি টাকার প্রয়োজন ছিল না হয়তো, কিন্তু সময়মতো সামান্যটুকুও অর্জন করতে পারিনি।

জীবনের এই ব্যর্থতার অনুভূতির কাছে তাই আগের সব অর্জন খুব সহজেই ম্লান হয়ে যায়।

18/05/2026

ডুয়েটের সাম্প্রতিক আন্দোলন নিয়ে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট।

১. শুধুমাত্র অন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এসেছেন এই কারণে সাস্টের একজন শিক্ষককে অযোগ্য বলা যৌক্তিক নয়। একজন ভিসির যোগ্যতা নির্ধারণ হওয়া উচিত তাঁর প্রশাসনিক দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের ভিত্তিতে যেগুলোর সবকটিতে নব নিযুক্ত ভিসি অত্যন্ত যোগ্যতা সম্পন্ন।

২. আমাদের দেশে দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রবণতা দেখা যায় প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী নিজেদের প্রতিষ্ঠান থেকেই ভিসি নিয়োগ প্রত্যাশা করেন। কুয়েটের ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরিস্থিতি দেখা গিয়েছিল; তখন অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী কুয়েট থেকেই ভিসি দেওয়ার দাবি তুলেছিলেন।

৩. ডুয়েটের শিক্ষার্থীদের মূল দাবি ছিল, ভিসি হিসেবে এমন কাউকে নিয়োগ দেওয়া হোক যিনি আগে থেকেই ডুয়েটে কর্মরত আছেন। তিনি ডুয়েট গ্রাজুয়েট হতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতার কথা তারা বলেনি।

৪. পুরো বিষয়টি প্রশাসন চাইলে আলোচনার মাধ্যমে সহজেই সমাধান করতে পারত। কিন্তু এমন একটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে বাইরে থেকে লোক এনে একটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হামলার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য বা সমর্থনযোগ্য নয়।

৫. চাকরির ক্ষেত্র নিয়ে তাদের সঙ্গে আমাদের দীর্ঘদিনের মতপার্থক্য আছে, এবং প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের প্রশ্নে সেই অবস্থান নিয়মতান্ত্রিকভাবেই অব্যাহত থাকবে। তবে মতবিরোধ আছে বলেই অন্যায়ের শিকার হলে সেটাকে সমর্থন বা উপভোগ করব এমন মানসিকতা আমাদের নয়।

17/05/2026

সায়েম কে উদ্ধার করার সম্পূর্ণ ভিডিও।
Vedio credit: Rifat Ahmed

Address

KUET Campus
Khulna
9203

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when KUET Informers posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share