রক্তাক্ত কুয়েট

রক্তাক্ত কুয়েট Official page to represent any 'KUETian'
আমরা ন্যায় ও সত্যের পক্ষে অটুট এবং অবিচল
(1)

গতবছর ১৮ ই ফেব্রুয়ারি কুয়েটকে রক্তাক্ত করেছিল কারা জানেন? খুলনার স্থানীয় ছাত্রদল, যুবদলের পোষ্য সন্ত্রাসীরা। কুয়েটিয়ানদ...
18/02/2026

গতবছর ১৮ ই ফেব্রুয়ারি কুয়েটকে রক্তাক্ত করেছিল কারা জানেন? খুলনার স্থানীয় ছাত্রদল, যুবদলের পোষ্য সন্ত্রাসীরা। কুয়েটিয়ানদের উপর গুলি পর্যন্ত চালানো হয় (লিঙ্ক কমেন্টে)। কিন্তু আজ এক বছরে অথর্ব প্রশাসন একজন আসামীকেও গ্রেফতার করতে পারে নাই।

আর এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা একেকজন মেরুদণ্ডহীন রক্ত মাংশের শরীর কেবলমাত্র। ২০২১ সালে অধ্যাপক সেলিম স্যারের মৃত্যুর পর শিক্ষার্থীদের চেয়ে শিক্ষকদের বেশি সরব থাকা উচিত ছিল। কিন্তু মেরুদণ্ডহীনতা সেটা করতে দেয় নাই। উলটো মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন।
কুয়েটের ইতিহাসে ১৮ ই ফেব্রুয়ারি এক দুর্বিষহ অধ্যায়ের নাম।

প্রেস রিলিজ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫   #রক্তাক্ত_কুয়েট
24/09/2025

প্রেস রিলিজ
২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

#রক্তাক্ত_কুয়েট

প্রকৌশল অধিকার নিয়ে যদি কোন সংস্থার সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখার কথা ছিলো সেটা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (IEB) এর। কি...
28/08/2025

প্রকৌশল অধিকার নিয়ে যদি কোন সংস্থার সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখার কথা ছিলো সেটা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (IEB) এর। কিন্তু তারা তো সেটা করবে না। তারা আছে সংস্থার ফান্ড কে কিভাবে পকেটে ভরবে এই চিন্তায় মত্ত। এদিকে ন্যায্য অধিকার আদায়ে ভবিষ্যতের ইঞ্জিনিয়াররা রাস্তায় রক্ত ঝরালেও তারা এসির নিচে বসে সংস্থার বড় বড় পোস্টের জন্য পলিটিক্স রচনা করে যাবে। শোনেন সকল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়া ছাত্রসমাজ, সময় এসেছে এই অথর্ব সংস্থাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করার। বুয়েট, কুয়েট, রুয়েট, চুয়েট সহ সকল ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিকট আহবান জানাচ্ছি, IEB কে বয়কট করি আমরা।


#প্রকৌশলী_অধিকার

ঢাকায় প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে কুয়েট শিক্ষার্থীরা বিকালে যশোর-খুলনা মহাসড়ক এবং রেলপথ অবরোধ করে। আসছে ক...
27/08/2025

ঢাকায় প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের উপর হামলার প্রতিবাদে কুয়েট শিক্ষার্থীরা বিকালে যশোর-খুলনা মহাসড়ক এবং রেলপথ অবরোধ করে।
আসছে কঠোর কর্মসূচি।

শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ চেয়ে কুয়েটিয়ানরা এরকম কোন বিবৃতি বা প্রেস রিলিজ দেয় নাই। এধরনের বিবৃতিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না।...
22/07/2025

শিক্ষা উপদেষ্টার পদত্যাগ চেয়ে কুয়েটিয়ানরা এরকম কোন বিবৃতি বা প্রেস রিলিজ দেয় নাই। এধরনের বিবৃতিতে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। যে পেইজ থেকে এই প্রেস রিলিজ বের হয়েছে সেটি ছাত্রদল সমর্থিত গুপ্ত পেইজ। এধরনের প্রোপাগাণ্ডায় বিশ্বাস না করার জন্য সকলকে আহবান জানানো হচ্ছে।

বার্ন ইউনিটে— Call for Blood
21/07/2025

বার্ন ইউনিটে— Call for Blood

সকল জরা-জীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে নেতিবাচকতাকে রেড কার্ড দেখিয়ে আমরা সবাই আগামীকাল ক্লাসে ফেরত যাই। আমাদের শিক্ষকরা সর্বদা আমাদে...
19/07/2025

সকল জরা-জীর্ণতা ঝেড়ে ফেলে নেতিবাচকতাকে রেড কার্ড দেখিয়ে আমরা সবাই আগামীকাল ক্লাসে ফেরত যাই। আমাদের শিক্ষকরা সর্বদা আমাদের মঙ্গল কামনা করেছেন। উনারা আমাদের এই দুর্দিনে কোনভাবেই মুখ ফিরিয়ে নিতে পারবেন না। তাই আমাদেরকেও ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করে ক্লাসের উদ্দেশ্যে যেতে হবে। ২১ ও ২২ ব্যাচের সকল শিক্ষার্থীদের আহবান জানানো হচ্ছে স্ব স্ব ডিপার্টমেন্ট এ ক্লাসরুটিন অনুযায়ী ক্লাসে ফেরত যাওয়ার জন্য। ক্লাসের ঘন্টা বেজে গিয়েছে। অন্যান্য ব্যাচের যাদের পরীক্ষা চলমান তারা ধৈর্য ধারণ করি, ক্লাস-ল্যাব চালু হলে অতি শীঘ্রই রুটিন দিয়ে দেয়া হবে — আমরা বেশ আশাবাদী।

আজকের সারাদিনের ঘটনার সারমর্ম হচ্ছে, ক্লাস শুরুর ঘটনা নিয়ে একটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে এবং একটা ভুল নিউজ গিয়েছে সবার মাঝে। ত...
16/07/2025

আজকের সারাদিনের ঘটনার সারমর্ম হচ্ছে, ক্লাস শুরুর ঘটনা নিয়ে একটা ভুল বুঝাবুঝি হয়েছে এবং একটা ভুল নিউজ গিয়েছে সবার মাঝে। তবে দুইটা লাভ হয়েছে।
১। অল্প কয়েকজন নিজেদের স্বার্থে অন্যায়ভাবে ক্লাস বন্ধ রেখেছিলো তা বেশ কিছু সংবাদমাধ্যম দ্বারা দেশবাসীকে জানানো গিয়েছে এবং

২। একটা ফ্যাক্ট চেকিং এর কাজ করেছে এই ভুল বুঝাবুঝি। এইটুক তো বোঝা গেসে এখনো বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী উপরমহল দ্বারা used হয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এবং তারা অতিদ্রুত ক্লাস শুরু নিয়ে বেশ নারাজ এবং রীতিমতো বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।

হযরত আলী স্যারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময়ও গুটিকয়েক কুয়েটিয়ানকে ব্যবহার করে ক্লাস শুরুর যে মূলা ঝুলিয়েছিলেন তারা, সেরকম এখন আবার ভার্সিটির বাসে করে শিক্ষার্থীদের সাথে করে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘেরাও করার পায়তারা করছেন তারা। কেন জানেন? কারণ যাতে মন্ত্রণালয় থেকে ১৮ ফেব্রুয়ারির ঘটনার জন্য কোন নতুন তদন্ত কমিটি না দেওয়া হয়। নতুন তদন্ত কমিটি যদি কেচো খুড়তে সাপ বের করে ফেলে? এতোদিন কোন ক্ষমতাবলে কর্মবিরতিতে গেলেন তারা, তার জবাব যদি চেয়ে বসে মন্ত্রণালয়?

ভিপি,সি আর,জিএস দের সমস্যা তারা 'অতিভক্তি' কমপ্লেক্স এ ভুগে। নিজেদের অধিকার আদায়ে সম্মান বজায়ে রেখেও দৃড় কন্ঠে কথা বলা যায় সেটা তাদের আয়ত্তে নেই। তারপরও তাদের গত কয়েকদিনের উদ্দ্যোগ যথেষ্ট প্রশংসা কুড়ানোর যোগ্য। অন্তত গত মে মাসের ভিপিদের মত used হয়ে আসে নাই।

পরিশেষে সবাই আমরা ক্যাম্পাসে এসে স্যারদের কাছে যাওয়া শুরু করি। শিক্ষক সমিতির উপর ভরসা করা অনর্থক। ক্লাস শুরুর ব্যাপারে গত ২৯ জুন পূর্বঘোষিত মিটিং থাকা সত্ত্বেও শিক্ষক সমিতি সেদিন কোন মিটিং করে নাই, কারণ সেদিন ক্লাস শুরুর বিষয়ে ডিসিশন নেয়ার দিন ছিলো। আবার এখন শিক্ষক সমিতির নেতারা কারও সাথে সরাসরি আলোচনায়ও বসছে না। এখন একটি বিশেষ পার্টির হাই কমান্ড থেকে যেদিন তারা গ্রিন সিগন্যাল পাবেন সেদিন ক্লাস শুরু করবেন। "ভিসি নাই" তো শুধু একটা বাহানা মাত্র। যা করার সাড়ে পাচ হাজার কুয়েটিয়ানকে সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে করতে হবে।

গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি কুয়েটের শিক্ষার্থীদের হামলার সাথে সরাসরি ছাত্রদল ,যুবদল ও বিএনপি জড়িত।এবং যারা শিক্ষার্থীদের উপর হা...
14/07/2025

গত ১৮ই ফেব্রুয়ারি কুয়েটের শিক্ষার্থীদের হামলার সাথে সরাসরি ছাত্রদল ,যুবদল ও বিএনপি জড়িত।
এবং যারা শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালিয়েছিল তারা সরাসরি দলের নির্দেশেই এসেছিল।

সোর্স: প্রথম আলো
লিংক কমেন্ট 👇

Copied from KUET Insiders

পেইজটা ডাউনে ছিল, হয়তো ভালোই ছিল। কিন্তু আর চুপ থাকতে পারলাম না। হাতেগোনা কয়েকজনকে লোভ দেখিয়ে ব্রেইনওয়াশ করে সাড়ে ৫০০০ ক...
12/07/2025

পেইজটা ডাউনে ছিল, হয়তো ভালোই ছিল। কিন্তু আর চুপ থাকতে পারলাম না। হাতেগোনা কয়েকজনকে লোভ দেখিয়ে ব্রেইনওয়াশ করে সাড়ে ৫০০০ কুয়েটিয়ানদের শাস্তি দেয়ার এই পদ্ধতি অত্যন্ত অমানবিক এবং নির্দয়। কুয়েটে এ পর্যন্ত কোন আন্দোলন মাথা উচু করে দাড়াতে পারে নাই। এর আগেই আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অন্যায়ভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আন্দোলন দমিয়ে দেয়া হয়েছে। ২০১৮ সালে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন, ২০১৯ সালে এনকোডেড এক্সাম সিস্টেমের আন্দোলন -এসবকিছু ভেস্তে দিয়েছে স্বার্থান্বেষী শিক্ষকমহল। আগে আওয়ামীপন্থীরা এসব করতো, এখন বিএনপিপন্থীরা। মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ। কিন্তু এবার প্রথম কোন আন্দোলন সফল হয়েছে। এই আন্দোলন কিন্তু ১০০% ন্যায্য ছিল দেখেই দেশের সকল ছাত্রসমাজ একত্রিত হয়েছিলো কুয়েটিয়ানদের সাথে। সবাই আওয়াজ তুলেছিল।
কিন্তু তাতে কি? ভবিষ্যতে যাতে কেউ কোন ন্যায় দাবি নিয়ে মাথা উচু করে দাড়াতে না পারে সেই প্রক্রিয়া চলমান এবং এজন্য শাস্তি দেয়া হচ্ছে সকল কুয়েটিয়ানদের। আর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে অন্ধভক্ত কিছু বিপথগামীদের, যাদেরকে সহজেই eyewash করা যায়। হযরত আলি স্যারের পদত্যাগের জন্য যারা কর্মসূচী দিয়েছিলেন, তাদেরকে দ্রুত ক্লাস শুরু করার মূলা ঝুলিয়ে এভাবেই eyewash করে কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করিয়েছিলেন। যার ফলে আজ কুয়েটের কর্মরত সবাই বেতন থেকে বঞ্চিত।

আন্দোলন চলাকালীন বিচ্ছিন্ন সেসব ঘটনার জন্য একাধিকবার শিক্ষকদের নিকট ক্ষমা চাওয়া হয়েছে। চিঠি প্রেরণ করা হয়েছে, এমনকি পায়ে পর্যন্ত পড়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের দিক থেকে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা দেখানো হয়েছে। লাঞ্চনার ঘটনা ঘটিয়েছে হাতেগোনা কয়েকজন, তাদের জন্য সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে শাস্তি দেয়া কোন ধরনের ন্যায়পরায়ণতা? এমনকি অনেককে ল্যাব সুবিধা থেকেও অন্যায়ভাবে বঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। এগুলো কখনোই শিক্ষকসুলভ আচরণ হতে পারে না। সকল শিক্ষকও আবার এসব অন্যায়ে সম্পৃক্ত না।
কিন্তু কথায় বলে,
"অন্যায় যে করে আর অন্যায় যে সহে, তব ঘৃণা যেন তারে তৃণসম দহে"

Address

Khulna University Of Engineering And Technology
Khulna
9206

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when রক্তাক্ত কুয়েট posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share