Robi Zone

Robi Zone Your Social Media Agency and Tax Solution. We help businesses grow online and simplify taxes.
(2)

সারাদেশের সকল কর অঞ্চলে ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
10/10/2025

সারাদেশের সকল কর অঞ্চলে ই-রিটার্ন হেল্প-ডেস্ক চালু করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড

29/09/2025

দলিলের জাবেদা নকল (Certified Copy of Deed) তোলার নিয়ম ও খরচ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে দেওয়া হলো:

জাবেদা নকল কী?
জাবেদা নকল হলো মূল দলিলের একটি সত্যায়িত অনুলিপি, যা রেজিস্ট্রি অফিস থেকে প্রদান করা হয়। এটি আইনগতভাবে মূল দলিলের মতোই কার্যকর। যখন মূল দলিল হারিয়ে যায় বা কোনো আইনি প্রয়োজনে এর অনুলিপির প্রয়োজন হয়, তখন এই জাবেদা নকল তোলা হয়।

জাবেদা নকল তোলার নিয়মাবলী:
* আবেদন ফরম সংগ্রহ ও পূরণ:
* প্রথমে সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে নকলের জন্য নির্ধারিত আবেদন ফরম (সাধারণত ৩৬ ও ৩৭ নং ফরম) সংগ্রহ করতে হবে।
* আবেদনে দলিলের সারসংক্ষেপ, যেমন - দলিলের নম্বর, সাল, দাতা ও গ্রহীতার নাম, মৌজা, খতিয়ান নম্বর, জমির পরিমাণ ইত্যাদি বিস্তারিত উল্লেখ করতে হবে।
* কোর্ট ফি যুক্তকরণ:
* আবেদনের সাথে ২০ টাকার কোর্ট ফি সংযুক্ত করতে হবে।
* তল্লাশ ও পরিদর্শন (প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে):
* অনেক সময় সরাসরি নকলের আবেদন করার আগে তল্লাশ (Searching) ও পরিদর্শনের (Inspection) জন্য আবেদন করতে হয়। এক্ষেত্রে এফ(১) এবং এফ(২) ফি পরিশোধ করতে হয়।
* যদি আপনার কাছে মূল দলিল থাকে, তবে দলিলের শেষ পৃষ্ঠায় "দলিলটি কত সালের, কত নম্বর বালাম বইয়ের, কত পৃষ্ঠা থেকে কত পৃষ্ঠায় নকল করা হয়েছে" তা লেখা থাকে, যা থেকে সহজেই নকল উত্তোলন করা যায়।
* যদি মূল দলিল না থাকে, তবে রেজিস্ট্রি অফিসে রক্ষিত সূচিবহি (Index Register) থেকে দাতা/বিক্রেতা, গ্রহীতা/ক্রেতা বা মৌজার নাম ব্যবহার করে দলিলটি খুঁজে বের করতে হয়।
* আবেদন জমা:
* পূরণকৃত আবেদনপত্র ও প্রয়োজনীয় কোর্ট ফিসহ সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে জমা দিতে হবে।
* নকল প্রস্তুত ও সত্যায়ন:
* আবেদনপ্রাপ্তির পর সংশ্লিষ্ট রেজিস্টারে এন্ট্রি দেওয়া হয়।
* অফিস সহকারী কর্তৃক আদেশের নকল লিখন/তুলনা করার পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা সাব-রেজিস্ট্রারের নিকট উপস্থাপন করা হয়।
* সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা পরীক্ষান্তে তাতে স্বাক্ষর প্রদান করেন।
* নকল গ্রহণ:
* সত্যায়িত নকল প্রস্তুত হলে আবেদনকারীকে তা সরবরাহ করা হয়। সাধারণত ১-৫ দিনের মধ্যে এটি পাওয়া যায়, তবে ক্ষেত্রবিশেষে বেশি সময় লাগতে পারে।
জাবেদা নকল তোলার খরচ:
দলিলের নকল (Certified Copy) উত্তোলনের জন্য বিভিন্ন ধরনের ফি প্রযোজ্য, যা নিচে উল্লেখ করা হলো। এই ফিগুলো নিবন্ধন ম্যানুয়াল এবং সংশ্লিষ্ট আইন অনুসারে নির্ধারিত হয়।
* স্ট্যাম্প শুল্ক (Stamp Duty):
* মূল দলিলে স্ট্যাম্প শুল্কের পরিমাণ ১০০০ টাকা বা তার কম হলে: ১০০ টাকা।
* অন্যান্য ক্ষেত্রে: ২০০ টাকা।
* জি(এ) ফি:
* কোনো হেতু, ভুক্তি বা দলিলের নকল প্রস্তুতকরণ বা প্রদানের ক্ষেত্রে: বাংলায় লিখিত প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য ১৬ টাকা। (তবে কিছু ক্ষেত্রে ২৪ টাকাও হতে পারে, যেমন: দলিলের নকল গ্রহনের ফিস » প্রতি ৩০০ শব্দে ২৪ টাকা)।
* জিজি ফি:
* প্রতি ৩০০ শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা তার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা।
* কোর্ট ফি:
* নকলের আবেদনের জন্য ২০ টাকা।
* এফ(১) ও এফ(২) ফি (তল্লাশ ও পরিদর্শনের জন্য):
* যদি সরাসরি নকলের আবেদন না করে তল্লাশ ও পরিদর্শনের প্রয়োজন হয়, তবে এই ফিগুলো প্রযোজ্য হবে। যদিও এর নির্দিষ্ট পরিমাণ এখানে উল্লেখ নেই, সাধারণত "সূচিপত্র তল্লাশ ফি - এফ(১)" ২০ টাকা এবং "পরিদর্শন ফি - এফ(২)" ১০ টাকা হয়ে থাকে (আপনার প্রদত্ত ইমেজ অনুযায়ী)।
* অগ্রাধিকার ফি (যদি প্রয়োজন হয়):
* যদি কোনো আবেদনকারী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নকল পেতে চান, তবে তাকে অতিরিক্ত ৫০ টাকা দিতে হবে। যদি নকলটি প্রতি পৃষ্ঠায় ৩০০ শব্দবিশিষ্ট ০৪ পৃষ্ঠার অধিক হয়, তাহলে প্রতি পৃষ্ঠার জন্য ১৫/- হারে অতিরিক্ত ফি দিতে হবে। (এটি দফা জি(বি) এর আওতায় পড়ে)।
* মুদ্রিত/টাইপকৃত নকলের অর্ধেক ফি:
* যদি আবেদনকারী ইতোমধ্যে নিবন্ধিত কোনো দলিলের মুদ্রিত বা টাইপকৃত নকল দাখিল করে সেটিকে "অবিকল নকল" মর্মে প্রত্যয়নযুক্ত রূপে পেতে চান, তাহলে 'জি' ও 'জিজি' অনুসারে ধার্যযোগ্য ফিস ও পারিশ্রমিকের অর্ধেক হবে।

মোট খরচ:
আপনার প্রদত্ত ইমেজ অনুসারে, মোট খরচ বাবদ ৫৬৫ টাকা উল্লেখ করা হয়েছে, যা বিভিন্ন ফি এর যোগফল:
* স্ট্যাম্প শুল্ক (Stamp Duty): ২০০.০ টাকা
* সূচিপত্র তল্লাশ ফি - এফ(১): ২০.০ টাকা
* পরিদর্শন ফি - এফ(২): ১০.০ টাকা
* জি(এ) ফি: ২৪০.০ টাকা
* জিজি ফি: ৩৬০.০ টাকা
* জি(বি): ০.০ টাকা
* কোর্ট ফি: ২০.০ টাকা
* মোট খরচ: ৮৫০.০ টাকা
এই খরচগুলো দলিলের ধরন, পাতার সংখ্যা এবং সংশ্লিষ্ট অফিসের নিয়ম অনুযায়ী কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। সবচেয়ে সঠিক তথ্য জানতে আপনার নিকটস্থ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে যোগাযোগ করা উচিত।

28/09/2025

✅ বাবা দাদার সম্পদ বন্টননামা এবং নামজারী করার নিয়ম

🔴 সম্পত্তি বন্টননামা:

যদি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে একাধিক ওয়ারিশ থাকেন, তাহলে তাদের মধ্যে একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করতে হবে

বন্টননামা করার নিয়ম:

১. সকল ওয়ারিশগণকে সম্মতিতে আসতে হবে যে কিভাবে সম্পত্তি ভাগ করা হবে।

২. একটি বন্টননামার খসড়া তৈরি করতে হবে, যেখানে সম্পত্তির বিবরণ এবং প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

৩. স্ট্যাম্প পেপারে বন্টননামাটি লিখতে হবে এবং সকল ওয়ারিশকে স্বাক্ষর করতে হবে।

৪. বন্টননামা দলিলটি রেজিস্ট্রি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।

৫. রেজিস্ট্রেশন ফি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ পরিশোধ করতে হবে।

বন্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রেশন খরচ সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভর করে। এছাড়া স্ট্যাম্প শুল্ক, ই-ফি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও প্রযোজ্য হবে।

🔴 নামজারী:

নামজারী হলো জমিতে নতুন মালিকের নাম সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া। উত্তরাধিকার সূত্রে বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় জমির মালিকানা পরিবর্তন হলে নামজারী করা আবশ্যক।

🔴 নামজারী করার নিয়ম:

১. সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নামজারীর জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে অনলাইনেও নামজারীর আবেদন করা যায়।

২. আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে

🔷 জমির মালিকানার প্রমাণপত্র (যেমন: বন্টননামা, ক্রয় দলিল, ওয়ারিশ সনদ)।
🔷 খতিয়ানের অনুলিপি।
🔷 দাখিলা বা খাজনার রশিদ।
🔷 আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি।
🔷 প্রয়োজনে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র।

৩. আবেদন ফি এবং নোটিশ জারী ফি অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে হবে।

4. সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক জমির রেকর্ড ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

5. প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করা হতে পারে।

6. সকল কিছু সঠিক থাকলে নামজারীর অনুমোদন দেওয়া হবে এবং নতুন খতিয়ান তৈরি হবে।

7. অনুমোদিত হলে ডিসিআর (DCR) ফি প্রদান করে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করতে হবে।

বর্তমানে ই-নামজারীর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নামজারী সম্পন্ন হওয়ার কথা।

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে, সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে যে, বন্টননামা দলিল না থাকলেও শুধু ওয়ারিশগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে নামজারী করা যাবে। তবে, ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা এড়াতে বন্টননামা করে নেওয়া উত্তম। ✅

28/09/2025

বন্টননামা দলিল (Partition Deed) একটি আইনগত দলিল যা কোনো সম্পত্তির মালিকানা বা অধিকার ভাগাভাগি করার জন্য তৈরি করা হয়। যদি দলিলের কোনো তথ্য ভুলভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়, অথবা যদি এটি কোনো প্রতারণার মাধ্যমে করা হয়, তাহলে এই দলিল বাতিল করার জন্য আদালতে মামলা করা যেতে পারে।

দলিল বাতিল করার কারণ

তথ্যগত ভুল: দলিলের মধ্যে জমি বা সম্পত্তি সম্পর্কিত কোনো তথ্য ভুল বা অসত্যভাবে লিপিবদ্ধ করা হলে, তা বাতিলের কারণ হতে পারে।

প্রতারণা ও কারচুপি: যদি কাউকে প্রতারণা করে বা জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে বন্টননামা দলিল তৈরি করা হয়, তবে সেটি বাতিল করা যায়।

অজ্ঞতা বা ভুল বোঝাবুঝি: যদি কেউ না বুঝে বা ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বন্টননামা সম্পাদন করে থাকে, তাহলে তা বাতিল করা যেতে পারে।

অনুপস্থিতি: যদি কোনো অংশীদারকে না জানিয়ে বা তার সম্মতি ছাড়া গোপনে দলিল তৈরি করা হয়, তাহলে সেটা অবৈধ হতে পারে।

বাতিল করার জন্য করণীয়

যদি আপনার মনে হয় বন্টননামা দলিলটি আইনগতভাবে বৈধ নয়, তাহলে আপনি সরাসরি আদালতে বন্টননামা বাতিলের মামলা দায়ের করতে পারেন।

এছাড়াও, আপনি যদি চান যে জমি বিক্রেতা তার অংশ বিক্রি করতে না পারে, তাহলে আপনি আদালতের কাছে নিষেধাজ্ঞা বা ইনজাংশন জারি করার জন্য আবেদন করতে পারেন।

বেআইনিভাবে বিক্রয়কৃত জমির বিক্রির দলিল বাতিলের জন্য আলাদাভাবে মামলা দায়ের করার বিধান রয়েছে।

28/09/2025

এসিল্যান্ড (Assistant Commissioner, Land) অফিসে জমি সংক্রান্ত রেকর্ড ও কাগজপত্রে যে ধরনের করণিক বা লিপিকর ভুল (clerical errors) দেখা যায়, সেগুলো আইন অনুযায়ী সংশোধনের সুযোগ রয়েছে। সাধারণত নিচের ধরনের ভুলগুলোকে করণিক ভুল বলা হয় এবং এগুলো এসিল্যান্ড অফিসেই সংশোধন করা যায়:

১. বানান বা টাইপের ভুল

মালিকের নামের বানান ভুল (যেমন: “রহমান” এর বদলে “রহমুন”)

পিতার/স্বামীর নামের ছোট বানান ত্রুটি

গ্রামের নাম, মৌজার নাম বা দাগ নম্বরের বানান ভুল

২. সংখ্যাগত বা হিসাবের ভুল

জমির পরিমাণ (শতক, একর, গণ্ডা ইত্যাদি) হিসাবের ভুল

খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর টাইপের ভুল

৩. মিউটেশন রেকর্ডের তথ্যগত ত্রুটি

জমি হস্তান্তরের পর রেকর্ডে পূর্ববর্তী মালিকের অংশ হালনাগাদ না হওয়া

নতুন মালিকের তথ্য ভুলভাবে এন্ট্রি হওয়া

৪. মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ানের অসঙ্গতি

ম্যাপে ঠিকঠাক থাকলেও খতিয়ানে ভুল থাকা

একই দাগের জমিতে জমির শ্রেণি (বসতভিটা/ধানি/ডোবা ইত্যাদি) ভুল লেখা

সংশোধনের ধাপ

আবেদন দাখিল: ভূমির মালিক বা প্রতিনিধি এসিল্যান্ড অফিসে লিখিত আবেদন করবেন।

প্রমাণপত্র জমা: জাতীয় পরিচয়পত্র, দলিল, খতিয়ান, ম্যাপ, রেকর্ড কপি ইত্যাদি যুক্ত করতে হয়।

যাচাই-বাছাই: সার্ভেয়ার/কানুনগো মাঠ জরিপ বা রেকর্ড পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেবেন।

অর্ডার/সংশোধন: এসিল্যান্ড নিজস্ব ক্ষমতায় বা AC (Land) আদালতের আদেশে ভুল সংশোধন করে দেন।

গুরুত্বপূর্ণ টিপস

করনিক ভুল সাধারণত ফি ছাড়া বা সামান্য ফি দিয়ে সংশোধন করা হয়।

যদি বিষয়টি মালিকানা বা সীমারেখা নিয়ে বিরোধপূর্ণ হয়, তবে তা করণিক ভুলের মধ্যে পড়ে না—তখন রেভিনিউ কোর্টে মামলা করতে হয়।

সংক্ষেপে, সরাসরি নাম, দাগ, পরিমাণ, বানান বা টাইপের ভুল—এসবই এসিল্যান্ড অফিসে করনিক ভুল হিসেবে দ্রুত সংশোধনযোগ্য।

#এসিল্যান্ড #ভূমিঅফিস

ডিপি (DP) খতিয়ান” আসলে জমির আসল জন্মসনদ।যেমন মানুষের জন্ম সনদ থাকলে তার পরিচয় প্রমাণ হয়, তেমনি জমির ডিপি খতিয়ান থাকলে জম...
28/09/2025

ডিপি (DP) খতিয়ান” আসলে জমির আসল জন্মসনদ।
যেমন মানুষের জন্ম সনদ থাকলে তার পরিচয় প্রমাণ হয়, তেমনি জমির ডিপি খতিয়ান থাকলে জমির আসল পরিচয় ও মালিকানা প্রমাণ হয়।

🔴 ডিপি খতিয়ান কেন জমির জন্মসনদ বলা হয়?

✅1. এটি জমির সর্বশেষ ও হালনাগাদ রেকর্ড।

✅2. জমির দাগ, মালিকের নাম, জমির পরিমাণ ও শ্রেণি—সব স্পষ্ট থাকে।
✅3. পুরনো খতিয়ান (CS, SA, RS, BS) এর সাথে মিলিয়ে বর্তমান মালিক কে তা বোঝা যায়।
✅4. ভবিষ্যতে দলিল, নামজারি, মামলা বা বিক্রির জন্য একে মূল ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।

🔴কোথায় পাবেন
(DP) খতিয়ান শুধু মাত্র জেলা বা উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে পাবেন.
কারন----
✅ডিপি খতিয়ান তৈরি হয় জরিপ চলাকালীন সময়ে।

✅জরিপ শেষে জমির মালিকানা, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ ইত্যাদি তথ্য প্রথমে রেকর্ড করা হয় সেটেলমেন্ট অফিসে।

✅উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা রেকর্ড রুমে সাধারণত ডিপি খতিয়ান পাওয়া যায় না, তারা পরবর্তীতে জরিপ শেষ হলে হালনাগাদ রেকর্ড পায়।

🔴তাহলে কোথায় যাবেন?

✔️ সরাসরি আপনার এলাকার সেটেলমেন্ট অফিসে যেতে হবে।
✔️ সেখানে খতিয়ান অনুসন্ধান (Search) করে কপি সংগ্রহ করতে হবে।
✔️ আবেদনের ভিত্তিতে প্রত্যয়নিত কপি (Certified Copy) দেওয়া হয়।

✅ করণীয় কী?
💠আপনার জমির ডিপি খতিয়ান সংগ্রহ করুন।
💠পুরনো খতিয়ান ও দলিলের সাথে মিলিয়ে রাখুন।
💠ভুল থাকলে সংশোধনের আবেদন করুন।
💠দলিল, খতিয়ান, নকশা সবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ডিপি খতিয়ান ছাড়া জমির ইতিহাস কখনো পূর্ণ হয় না।
এটাই হলো “জমির জন্মসনদ”।

#ডিপি #খতিয়ান #নামজারি #দলিল #নামজারি #আইন

28/09/2025

CS ও SA রেকর্ডে ব্যক্তিমালিকানা আছে,
কিন্তু BS (সর্বশেষ) রেকর্ডে খাস খতিয়ান (সরকারি নামে) হয়েছে।

এটা হলে আপনি বা আপনার উত্তরাধিকাররা এখনো জমির প্রকৃত মালিক হতে পারেন — এবং রেকর্ড সংশোধন করে পুনরায় ব্যক্তিমালিকানায় আনার সুযোগ আছে।

এখন আপনার করণীয় ধাপে ধাপেঃ
ধাপ ১: রেকর্ড যাচাই ও সংগ্রহ করুন
CS, SA, RS/BS খতিয়ান তুলনা করে ভুল কোথায় হয়েছে তা নির্ধারণ করুন।

আপনি CS বা SA-তে কীভাবে মালিক ছিলেন তার দলিল, দখলের প্রমাণ, খাজনা রসিদ, প্রাচীন দাখিলা এসব সংগ্রহ করুন।

ধাপ ২: খাস খতিয়ান কেন হয়েছে সেটা বোঝা জরুরি
BS রেকর্ডে খাস খতিয়ান হয়ে থাকতে পারে:

জমি অনাবাদি ছিল

ওয়ারিশরা নামজারি করেননি

দখলদার অনুপস্থিত ছিল

জরিপকালে ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে

এসব হলে আপনি “ভুল সংশোধন” (record correction) চেয়ে আবেদন করতে পারবেন।

ধাপ ৩: আবেদন করতে হবে AC (Land) বরাবর
আবেদনপত্রের বিষয় হতে পারে:

"BS রেকর্ডে খাস খতিয়ান সংশোধন করে পূর্ববর্তী CS/SA মালিকানা অনুযায়ী নাম অন্তর্ভুক্তির আবেদন।"

আবেদনে সংযুক্ত করবেন:

CS/SA খতিয়ান

আপনার দলিল (রেজিস্ট্রেশন/হেবানামা/ওয়ারিশান দলিল)

খাজনার রসিদ

দখলের প্রমাণ (তালগাছ, বাঁশঝাড়, ঘরবাড়ি, ফসলের ছবি)

প্রতিবেশীর সাক্ষ্য (চেয়ারম্যানের প্রত্যয়ন পত্র)

ধাপ ৪: তদন্ত ও প্রতিবেদন হবে
AC Land অফিস থেকে সার্ভেয়ার এসে জমি পরিদর্শন করবে

প্রতিবেশীর সাক্ষ্য নেবে

আপনি জমিতে আছেন কি না তা দেখবে

ধাপ ৫: রেকর্ড সংশোধনের সুপারিশ
তদন্ত সন্তোষজনক হলে AC Land অফিস হতে খাস রেকর্ড বাতিল করে ব্যক্তিমালিকানা রেকর্ড করার সুপারিশ পাঠাবে।

ধাপ ৬: মামলার প্রয়োজন হলে
যদি অফিস কোনো কারণে রেকর্ড সংশোধন না করে, তবে আপনাকে করতে হবে:

সিভিল কোর্টে ডিক্লারেটরি মামলা (Declaratory Suit)
বিষয়: “আমি এই জমির প্রকৃত মালিক, খাস রেকর্ড ভুল”

রেকর্ড সংশোধনের রায় হলে, সেটি নিয়ে ভূমি অফিসে আবেদন করে নামজারি করবেন।

>>------------->> Post By Ruhul Amin

28/09/2025

বন্টননামা বা বাটোয়ারা দলিল কীভাবে করবেন রেজিষ্ট্রেশন ও আনুষঙ্গিক খরচ কি ?

বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে যত জমি সংক্রান্ত মামলা দায়ের হয় এর মধ্যে বন্টনজনিত মামলাই (Partition Suit) অধিকাংশ। তাই সবারই ওয়ারিশান সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারার সময় একটি বাটোয়ারা দলিল করে নেওয়া উচিত।

বন্টন বাটোয়ারা দলিল কি কি কাজে লাগে-
১. অংশীদারগণের মধ্যে ওয়ারিশান সম্পত্তি বন্টনের লিখিত প্রমান হিসাবে বাটোয়ারা দলিল কাজে লাগে। এতে ভবিষ্যতে যে কোন অংশীদার এই দলিল অনুযায়ী নিজেদের মধ্যে সম্পত্তি ভাগ বাটোয়ারা করতে বাধ্য থাকে।
২. ওয়ারিশি সম্পত্তির নামজারি করতে বন্টন দলিলের প্রয়োজন হয়।
৩. ওয়ারিশি জমি বিক্রি করতে গেলে বন্টন দলিলের প্রয়োজন হয়।
৪. ভূমি জরিপকালীন সময়ে ওয়ারিশি সম্পত্তিতে রেকর্ড করাতে।
৫. ওয়ারিশি জমির মাধ্যমে ব্যাংক থেকে লোন করাতে গেলে।
৬. অংশীদারগণের মধ্যে ভবিষ্যতে মামলা মকদ্দমা হওয়া থেকে বাচা যায়।
এছাড়া আরো নানা কারনে আপনাদের বন্টন বা বাটোয়ারা দলিলের প্রয়োজন হতে পারে ।
তো চলুন এখন দেখি বন্টন দলিল করার জন্য কি কি লাগবেঃ
১. যে ব্যক্তির সম্পত্তি বন্টন করা হবে উক্ত ব্যক্তির মৃত্যু সনদ লাগবে
২. মৃত ব্যক্তির ওয়ারিশগণের প্রমান হিসাবে ওয়ারিশ সনদ লাগবে
৩. মৃত ব্যক্তির যে সম্পত্তি বন্টন হবে উক্ত সম্পত্তির দলিল লাগবে
৪. মৃত ব্যক্তির যে সকল ওয়ারিশ সম্পত্তির মালিক হবে স সকল ওয়ারিশের সম্মতি থাকতে হবে
তো চলুন এখন দেখি বাটোয়ারা দলিল করার প্রক্রিয়াগুলোঃ
১. একটি বন্টন দলিল করার সকল প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো থাকলে প্রথমে আপনারা একজন দক্ষ দলিল লেখক বা একজন বিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে যাবেন।
২. সেখানে গিয়ে মৃত ব্যক্তির পূর্বের দলিলগুলো তাকে প্রদান করবেন এবং একটি বন্টন দলিল লিখার জন্য বলবেন।
৩. দলিল লেখক/আইনজীবী প্রথমে মৃত ব্যক্তির পূর্বের দলিলগুলো দেখে এবং সমন্বয় করে একটি নতুন বন্টন দলিল লিখবেন।
৪. এবার উক্ত দলিলটি নিয়ে ওয়ারিশগণ সংশ্লিষ্ট সাবরেজিস্ট্রি অফিসে যাবেন সেখানে গিয়ে বাটোয়ারা দলিলের জন্য নির্ধারিত ফি জমা দিতে হবে
৫. এবার দলিলের সকল অংশীদারগণ সাবরেজিস্ট্রারের সম্মুখে রেজিস্ট্রি ভলিউমে স্বাক্ষর করবেন।
৬. এর পরে সাবরেজিস্ট্রার উক্ত দলিলটি রেজিস্ট্রি করে নিবেন।
আপনারা চাইলে উক্ত বাটোয়ারা দলিলের একটি অবিকল নকল দলিল তখন নিয়ে নিতে পারেন
তো এইভাবেই খুব সহজেই সম্পাদিত হবে একটি আপোষমূলে বাটোয়ারা দলিল।
বন্টননামা (Partition) বা বাটোয়ারা দলিলের রেজিস্ট্রি খরচসহ অন্যান্য তথ্য
***************************
রেজিস্ট্রেশন ফিসঃ
(ক) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ৩ লক্ষ টাকা হলে ৫০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (১) অনুসারে)।
(খ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ১০ লক্ষ টাকা হলে ৭০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (২) অনুসারে)।
(গ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ৩০ লক্ষ টাকা হলে ১২০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (৩) অনুসারে)।
(ঘ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য অনুর্ধ ৫০ লক্ষ টাকা হলে ১৮০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (৪) অনুসারে)।
(ঙ) বন্টনকৃত সম্পত্তির দলিলে লিখিত (বৃহত্তম এক পক্ষের অংশের মূল্য বাদ দিয়ে) মোট মূল্য ৫০ লক্ষ টাকার উর্ধে হলে ২০০০ টাকা (রেজিস্ট্রেশন আইন-১৯০৮, এর ধারা ৭৮বি (৫) অনুসারে)।
রেজিস্ট্রেশন ফি পে-অর্ডারের মাধ্যমে স্থানীয় সোনালী ব্যাংক লিঃ এ, কোড নং ১৪২২২০১ তে জমা করতে হবে (পুরাতন কোড ১৮২৬)।
স্টাম্প শূল্কঃ ৫০ টাকা (১৮৯৯ সালের স্টাম্প আইনের ১ নম্বর তফশিলের ৪৫ নম্বর ক্রমিকে উল্লিখিত বর্ণনা অনুসারে)।
এছাড়া
১। ২০০ টাকার স্টাম্পে হলফনামা।
২। ই- ফিঃ- ১০০ টাকা।
৩। এন- ফিঃ-
(!) বাংলায় প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ১৬ টাকা।
(!!) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ (তিন শত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।
৪। (নকলনবিশগনের পারিশ্রমিক) এনএন ফিসঃ-
(!) বাংলায় প্রতি ৩০০ (তিনশত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ২৪ টাকা।
(!!) ইংরেজি ভাষায় প্রতি ৩০০ (তিনশত) শব্দ বিশিষ্ট এক পৃষ্ঠা বা উহার অংশ বিশেষের জন্য ৩৬ টাকা।
৫। সম্পত্তি হস্তান্তর নোটিশের আবেদনপত্রে ১০ টাকা মূল্যের কোর্ট ফি।
মন্তব্যঃ-
১। এন- ফি ও ই- ফি, রেজিস্ট্রেশন ফি এর সাথে একত্রে পে-অর্ডারের মাধ্যমে কোড নং ১৪২২২০১ তে জমা করতে হবে (পুরাতন কোড ১৮২৬)।
২। এনএন- ফি নগদে রেজিস্ট্রি অফিসে জমা করতে হবে।
৩। সরকার নির্ধারিত হলফনামা, ২০০ টাকার স্টাম্পে প্রিন্ট করে মূল দলিলের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।
বিঃদ্রঃ ১। ওয়ারিশী স্হাবর সম্পত্তি ব্যতিত অন্যভাবে অর্জিত স্হাবর সম্পত্তি সংক্রান্ত বন্টন নামা দলিলের ক্ষেত্রে উৎস কর প্রযোজ্য।
২। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ বি, ধারা মোতাবেক কোন রেকর্ডীয় মালিক মৃত্যুবরণ করলে তাঁর জীবিত ওয়ারিশগণ নিজেদের মধ্যে একটি বন্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করবেন।

27/09/2025

✅ বাবা দাদার সম্পদ বন্টননামা এবং নামজারী করার নিয়ম

🔴 সম্পত্তি বন্টননামা:

যদি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে একাধিক ওয়ারিশ থাকেন, তাহলে তাদের মধ্যে একটি আপোষ বণ্টননামা দলিল সম্পাদন করে রেজিস্ট্রি করতে হবে

বন্টননামা করার নিয়ম:

১. সকল ওয়ারিশগণকে সম্মতিতে আসতে হবে যে কিভাবে সম্পত্তি ভাগ করা হবে।

২. একটি বন্টননামার খসড়া তৈরি করতে হবে, যেখানে সম্পত্তির বিবরণ এবং প্রত্যেক ওয়ারিশের অংশ স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকবে।

৩. স্ট্যাম্প পেপারে বন্টননামাটি লিখতে হবে এবং সকল ওয়ারিশকে স্বাক্ষর করতে হবে।

৪. বন্টননামা দলিলটি রেজিস্ট্রি করার জন্য সংশ্লিষ্ট সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে উপস্থাপন করতে হবে।

৫. রেজিস্ট্রেশন ফি এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় খরচ পরিশোধ করতে হবে।

বন্টননামা দলিলের রেজিস্ট্রেশন খরচ সম্পত্তির মূল্যের উপর নির্ভর করে। এছাড়া স্ট্যাম্প শুল্ক, ই-ফি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক খরচও প্রযোজ্য হবে।

🔴 নামজারী:

নামজারী হলো জমিতে নতুন মালিকের নাম সরকারি রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া। উত্তরাধিকার সূত্রে বা ক্রয় সূত্রে বা অন্য কোনো প্রক্রিয়ায় জমির মালিকানা পরিবর্তন হলে নামজারী করা আবশ্যক।

🔴 নামজারী করার নিয়ম:

১. সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নামজারীর জন্য আবেদন করতে হবে। বর্তমানে অনলাইনেও নামজারীর আবেদন করা যায়।

২. আবেদনপত্রের সাথে নিম্নলিখিত কাগজপত্র জমা দিতে হবে

🔷 জমির মালিকানার প্রমাণপত্র (যেমন: বন্টননামা, ক্রয় দলিল, ওয়ারিশ সনদ)।
🔷 খতিয়ানের অনুলিপি।
🔷 দাখিলা বা খাজনার রশিদ।
🔷 আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও ছবি।
🔷 প্রয়োজনে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক কাগজপত্র।

৩. আবেদন ফি এবং নোটিশ জারী ফি অনলাইনে বা সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে হবে।

4. সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্তৃক জমির রেকর্ড ও দাখিলকৃত কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করা হবে।

5. প্রয়োজনে সরেজমিনে তদন্ত করা হতে পারে।

6. সকল কিছু সঠিক থাকলে নামজারীর অনুমোদন দেওয়া হবে এবং নতুন খতিয়ান তৈরি হবে।

7. অনুমোদিত হলে ডিসিআর (DCR) ফি প্রদান করে খতিয়ানের কপি সংগ্রহ করতে হবে।

বর্তমানে ই-নামজারীর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়াটি অনেক সহজ হয়েছে এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই নামজারী সম্পন্ন হওয়ার কথা।

উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তির ক্ষেত্রে, সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে একটি পরিপত্র জারি করা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে যে, বন্টননামা দলিল না থাকলেও শুধু ওয়ারিশগণের যৌথ আবেদনের ভিত্তিতে নামজারী করা যাবে। তবে, ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা এড়াতে বন্টননামা করে নেওয়া উত্তম। ✅

🏡 জমি ক্রয় থেকে খাজনা দেওয়া পর্যন্ত ধাপসমূহ✅ ১. জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া👉 প্রথমেই আপনাকে ভাবতে হবে, কোন জায়গায়, কতটুকু,...
27/09/2025

🏡 জমি ক্রয় থেকে খাজনা দেওয়া পর্যন্ত ধাপসমূহ

✅ ১. জমি কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া

👉 প্রথমেই আপনাকে ভাবতে হবে, কোন জায়গায়, কতটুকু, এবং কী উদ্দেশ্যে জমি কিনবেন।
🏠 বাসা বানানোর জন্য
🌾 চাষাবাদের জন্য
🏢 ব্যবসা বা প্রজেক্টের জন্য

✅ ২. জমি নির্বাচন করা 🗺️

👉 জমি কেনার আগে এলাকার অবস্থান, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পাশের রাস্তা, পানি-বিদ্যুৎ সুবিধা দেখে নিতে হবে।

📍 মৌজা (গ্রামের নাম)
📍 জে.এল. নাম্বার
📍 খতিয়ান ও দাগ নম্বর

✅ ৩. দলিল যাচাই-বাছাই 📜

👉 জমি কেনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো দলিল যাচাই।

🔍 দলিল আসল কি না চেক করতে হবে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে।
🔍 জমির মালিক আসল মালিক কি না যাচাই করতে হবে।
🔍 দলিলে কোনো প্রকার জালিয়াতি আছে কি না তা পরীক্ষা করতে হবে।

✅ ৪. খতিয়ান যাচাই 📖

👉 খতিয়ান হলো জমির আসল মালিকানার প্রমাণ।

🟢 CS খতিয়ান
🟢 SA খতিয়ান
🟢 RS খতিয়ান
🟢 BS খতিয়ান

👉 এগুলোতে মালিকের নাম, দাগ নম্বর, জমির পরিমাণ সঠিক আছে কিনা মিলিয়ে নিতে হবে।

✅ ৫. দাগ ও মানচিত্র (নকশা) যাচাই 🗺️

👉 জমির দাগ নম্বর ও মানচিত্র দেখে নিশ্চিত হতে হবে যে জমিটি কোন স্থানে আছে এবং এটি রাস্তাঘাট, খাল-বিল বা সরকারের জায়গা দখল করে কিনা।

✅ ৬. নামজারি অবস্থা চেক করা 📑

👉 বর্তমান মালিক তার নামে নামজারি করেছে কিনা দেখতে হবে। যদি নামজারি না থাকে তবে সমস্যা হতে পারে।

✅ ৭. মামলা-মোকদ্দমা আছে কি না খোঁজ নেওয়া ⚖️

👉 জমি নিয়ে আদালতে কোনো মামলা আছে কিনা ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা আদালতের মাধ্যমে খোঁজ নিতে হবে।

✅ ৮. ভাগিদার / ওয়ারিশ আছে কি না দেখা 🧑‍🤝‍🧑

👉 জমির মালিক মারা গেলে একাধিক ওয়ারিশ থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে সবার সম্মতি ছাড়া জমি কিনলে বিপদে পড়বেন।

✅ ৯. দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রেশন ✍️

👉 সবকিছু যাচাই-বাছাই শেষে দলিল লিখতে হবে।

🖊️ দলিল লেখক (Deed Writer) দিয়ে দলিল লিখতে হবে।
📍 জমির সঠিক বর্ণনা দিতে হবে (মৌজা, দাগ, খতিয়ান, সীমা, পরিমাণ ইত্যাদি)।
📍 বিক্রেতা ও ক্রেতা উভয় পক্ষ সই করবেন।

👉 এরপর সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

✅ ১০. স্ট্যাম্প ও রেজিস্ট্রেশন খরচ 💰

👉 জমির মূল্যের উপর নির্ভর করে স্ট্যাম্প ডিউটি, রেজিস্ট্রেশন ফি, ওয়ার্ড কমিশন ফি দিতে হবে।

✅ ১১. নামজারি করা 📝

👉 দলিল রেজিস্ট্রেশনের পর আপনাকে অবশ্যই নামজারি করতে হবে।
🏢 ভূমি অফিসে আবেদন করতে হবে।
📑 দলিল, খতিয়ান, নকশা, রেজিস্ট্রেশন কপি জমা দিতে হবে।
🏷️ তারপর শুনানি শেষে আপনার নামে নামজারি হবে।

✅ ১২. খাজনা দেওয়া 💵

👉 নামজারি শেষ হলে জমির খাজনা দিতে পারবেন।
🏢 ইউনিয়ন ভূমি অফিসে গিয়ে খাজনা দিতে হয়।
📲 এখন অনলাইনে (https://land.gov.bd) দিয়েও খাজনা দেওয়া যায়।
🧾 খাজনা দেওয়ার পর আপনি খাজনার রসিদ পাবেন।

🌟 সারসংক্ষেপ

জমি কেনা একটি দীর্ঘ ও জটিল প্রক্রিয়া। ভুল করলে আজীবন ভুগতে হতে পারে। তাই প্রতিটি ধাপ সতর্কভাবে করতে হবে।
1️⃣ জমি নির্বাচন 🗺️
2️⃣ দলিল, খতিয়ান, মানচিত্র যাচাই 📜
3️⃣ নামজারি অবস্থা চেক 📑
4️⃣ মামলা/ওয়ারিশ নিশ্চিত ⚖️
5️⃣ দলিল লেখা ও রেজিস্ট্রেশন ✍️
6️⃣ নামজারি 📝
7️⃣ খাজনা প্রদান 💵

#জমি #দলিল #খতিয়ান

ভূমি তথ্য বাতায়ন

Address

Godown Road
Lakshmipur
3700

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Robi Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share